টপিকঃ সিনেমাটিক

ছোটোখাটো লোকটার বিয়ে হল ঠিক,
মেয়েখানা যেন রোদ, করে ঝিকমিক।
সব ভালো পাত্রীর শুধু শতকরা,
এক ভাগ অসুবিধা, লেখে শুধু ছড়া।
কবিতায় অরুচি, বমি বমি ভাব,
উড়ু উড়ু, ভাসা ভাসা, ঝগড়ু স্বভাব।

শুনে এটা লোকটার চোখ ছানাবড়া,
জানালো সে বিয়েতে আপত্তি কড়া!
এই শুনে ঘটকটা চাপড়ায় টাক,
আইবুড়ো ছেলেখানা বলে কী এ! বাপ!
কবিতায় আছে কী হে? হলে মানকচু,
কেটেকুটে রান্নায় খাওয়া যেত কিছু ...!

একদিন সন্ধ্যায় শপিংয়ের মলে,
চোখাচোখি সেই মেয়ে, হয়ে গেল ভুলে!
মেয়েটার টানা চোখে, গভীরতা মেপে,
টোল পড়া গাল আর স্নিগ্ধতা দেখে;
ভুলে গেল বলেছিলো কী যে সেই দিন,
পিছে পিছে হাঁটা দিল হয়ে উদাসীন!

ছড়াবাজ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমাটিক

ভাল লাগল পড়ে  smile।আপনার ছড়াগুলোসহ অনেকের ছড়া কবিতা গুলো ভাল লাগে কিন্তু কমেন্ট করা হয়ে উঠেনা।আপনার আর একটি জিনিস খুব ভাল লাগে সেটা হচ্ছে আপনি ইনস্ট্যান্টলি ছড়া তৈরি করে ফেলেন।

অন্যের কাছ থেকে যে ব্যবহার প্রত্যশা করেন আগে নিজে সে আচরন করুন।

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম (৩০-১০-২০১৩ ১৫:২৪)

Re: সিনেমাটিক

ছড়াবাজ লিখেছেন:

ছোটোখাটো লোকটার বিয়ে হল ঠিক,
মেয়েখানা যেন রোদ, করে ঝিকমিক।
সব ভালো পাত্রীর শুধু শতকরা,
এক ভাগ অসুবিধা, লেখে শুধু ছড়া।
কবিতায় অরুচি, বমি বমি ভাব,
উড়ু উড়ু, ভাসা ভাসা, ঝগড়ু স্বভাব।

শুনে এটা লোকটার চোখ ছানাবড়া,
জানালো সে বিয়েতে আপত্তি কড়া!
এই শুনে ঘটকটা চাপড়ায় টাক,
আইবুড়ো ছেলেখানা বলে কী এ! বাপ!
কবিতায় আছে কী হে? হলে মানকচু,
কেটেকুটে রান্নায় খাওয়া যেত কিছু ...!

একদিন সন্ধ্যায় শপিংয়ের মলে,
চোখাচোখি সেই মেয়ে, হয়ে গেল ভুলে!
মেয়েটার টানা চোখে, গভীরতা মেপে,
টোল পড়া গাল আর স্নিগ্ধতা দেখে;
ভুলে গেল বলেছিলো কী যে সেই দিন,
পিছে পিছে হাঁটা দিল হয়ে উদাসীন!

কত কত অঘটন ঘটে এই ভবে-
কাচুমাচু উদাসীন নখ খুঁটে ভাবে।
ঐ টানা আঁখি ভরা শিশিরের জল-
পদ্মের বুক জুড়ে কাঁপে টলমল।
বুক তার কেন কাঁপে ধুকপুক পুক
হৃদপটে ভেসে ওঠে কার ঐ চোখ?

ঘেমে নেয়ে একাকার বাছা উদাসীন
অনুতাপে মরে যায়,‘আমি গাধা, হীন।’
খাবি খায়, চড় খায়, দোলে ওর মাথা-
ঝট করে খুলে যায় মেয়েটার ছাতা।
অবশেষে চোখ তোলে বনলতা সেন,
হেসে বলে, ‘বৃষ্টিতে ভিজছেন ক্যান?’

চমকায় উদাসীন, ‘বলে কী এ মেয়ে!’
অপলক দৃষ্টিতে দ্যাখে চেয়ে চেয়ে।
টোল ফেলে বাঁ কপোলে হাসে বনলতা-
দু’চোখেতে আহা কী যে প্রেমময় কথা!
ডানা মেলে বনলতা ডাকে ইশারায়-
উদাসীন পিল পিল পাঁয়ে ছুটে যায়।


[ছড়ার গল্প শেষ হয়নি। কে শেষ করবে?
ছড়াবাজ নাকি প্রিয় উদাসীন দা]  big_smile

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমাটিক

চমৎকার, ছড়াবাজ আর কামরুল ইসলাম thumbs_up অসাধারণ হচ্ছে, চালিয়ে যান.........

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: সিনেমাটিক

বোরহান লিখেছেন:

চমৎকার, ছড়াবাজ আর কামরুল ইসলাম thumbs_up অসাধারণ হচ্ছে, চালিয়ে যান.........

হা হা হা.. এই মুহুর্তে আমি উদাসীন দা’কে খুব মিস করছি।
উদা দা, আপনি কোথায়? thinking
ছড়ার আতশবাজিতে আপনি কোথায় যাচ্ছেন, চেয়ে দেখুন।  surprised

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমাটিক

thumbs_up
এই কে আছিস্, লোকটার সাথে সাথে ছড়া লিখিয়ে মেয়েটাকে ডেকে নিয়ে আয় -- আমরা তাঁর বক্তব্যও শুনি  kidding

ছড়াবাজ, এইবার আপনিও পচানি খাইবেন বলে রাখলাম ... ...

ইয়ে ... ফোরামের উদাসীন ভাই কি এই রকম কাহিনীর কারণে উদাসীন নাকি? confused

Re: সিনেমাটিক

লিখতে  ইচ্ছে করছে সময় নাই যে

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: সিনেমাটিক

ওহ, জটিল হয়েছে লেখাটি। তবে, আমার ব্যক্তিগত ধারণা - ছড়াবাজ নিজের কাহিনিই কাব্য করে বলে গেছেন  kidding hehe

কামরুল ভাই, আমার যে ছন্দে ছন্দে কিছু আসে না। ছড়াকার হতে না পেরেই বোধহয় গদ্যের কবি জাতীয় কিছু একটা হয়েছি  hehe আপনাদের এই ইন্সট্যান্ট লেখালেখি কী যে ভাল লাগে! একটু ঈর্ষাও বোধ করি।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সিনেমাটিক

বাহ্ বাহ্ রোম্যান্টিক ছড়া...... পুরো দেড় ঘণ্টার একটা চলচিত্রের মশলা মজুত৷

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

১০

Re: সিনেমাটিক

বুক ভরে আছে সুখে, উথলায় প্রাণ;
মন জুড়ে ‘ভালোবাসা কারে কয়’ গান।
প্রেম প্রেম ভাব নিয়ে আগুয়ান ছেলে-
দুই চোখে ‘চল্ যাই’ দুষ্টুমি খেলে।
আর দু’পা এগুলেই সেই বনলতা-
বলতেই হবে আজ হৃদয়ের কথা।

শেষ পাঁ’টা বাড়াতেই নড়বড়ে ভিত,
কাদা পথে পিছলিয়ে উদাসীন চিত।
‘দ্বিধা হও ধরণী’ ভাবে নটি বয়,
জেনুইন প্রেমিকের এই বুঝি হয়!
এক্ষুণি বনলতা হাহ্ হাহ্ করে,
হাসবেই নিশ্চিত বহুক্ষণ ধরে।

‘এই মা’ বলে বনলতা ছুটে এসে-
‘হাত দিন’ বলে ওর পাশটায় বসে।
হাত রেখে ওর হাতে দ্যায় জোরে টান-
কোন মতে বেঁচে যায় পোয়েটের মান।
চোখে চোখে রেখে যেন দু’জনা বিলীন।
‘কফি খাবে, বনলতা?’ বলে উদাসীন।

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: সিনেমাটিক

আহা উহু, কাহিনীতে কত দিলে রঙ,
এইবার হবে নাকি আইটেম সং?
পার্কেতে বুট-ভাজা দরকার নাই,
বিয়েটাই পাকা ছিলো, মনে আছে ভাই?
সরাসরি তাই যাক ছাদনাতলায়,
লাভ কী এর বেশি কাহিনী প্যাঁচায়!

এরপর দ্বিতীয় ইনিংসটা শুরু,
লাড্ডু খেয়ে দেখি বলে কী সে; গুরু!
হবে শুরু দুজনের চাইল-ডাইল গল্প,
মারামারি হতে পারে; শুনবেন অল্প?
উদাসীন ভাবখানা যাও কেটেছিলো,
আফটার শকে বুঝি হতবাক হলো!  kidding

ছড়াবাজ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: সিনেমাটিক

ওয়াও, চালিয়ে যান...অসাধারণ হচ্ছে  thumbs_up

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

১৩

Re: সিনেমাটিক

উদাসীন লিখেছেন:

ওহ, জটিল হয়েছে লেখাটি। তবে, আমার ব্যক্তিগত ধারণা - ছড়াবাজ নিজের কাহিনিই কাব্য করে বলে গেছেন  kidding hehe

কামরুল ভাই, আমার যে ছন্দে ছন্দে কিছু আসে না। ছড়াকার হতে না পেরেই বোধহয় গদ্যের কবি জাতীয় কিছু একটা হয়েছি  hehe আপনাদের এই ইন্সট্যান্ট লেখালেখি কী যে ভাল লাগে! একটু ঈর্ষাও বোধ করি।

sad sad sad

খুব সুন্দর ছড়া হচ্ছে
চালিয়ে যান তেল ছাড়া

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম (৩১-১০-২০১৩ ১৫:০৫)

Re: সিনেমাটিক

বনলতা হেসে বলে, ‘খাব নিশ্চয়।’
খাবি খায় উদাসীন, মনে মনে ভয়।
ট্যাঁক ফাঁকা কুড়ি টাকা মোটা মানিব্যাগে!
ইনভাইট করে কবি কোন মুখে ভাগে?
দশ গজ পেরুতেই এক কফি শপ।
ভেসে আসে হাসি গান আর কলরব।

মুখখানি করে রেখে খুব সুখি সুখি-
উদাসীন বসে গিয়ে বনলতা মুখি।
‘ঘামছেন নাকি?’, বলে বনলতা হাসে।
‘কেডা কয়?’, বলে উদা খুকখুক কাশে।
সুবাসিত কফি এল সাথে হটডগ।
কাঁপা হাতে উদাসীন টেনে নেয় মগ।

‘মানিব্যাগে টাকা নেই?’ কয় বনলতা।
‘ধুত্তোরি! কী যে কন! এটা কোন কথা?’
ধপ করে লোড শেড শুরু হলে পর-
ঘাম দিয়ে পোয়েটের ছেড়ে গেল জ্বর।
একপাশে বনলতা আর পাশে কবি।
‘মুখোমুখি বসিবার’ নন্দিত ছবি।

[গল্পটা শেষ করতে ইচ্ছে করছে না ছড়াবাজ ভাই। আমার ধারনা দু একজন  কৌতুহলী পাঠক এটা শেষ পর্যন্ত শুনতে চায়। তাই আপনার বারণ সত্বেও চালিয়ে যাচ্ছি। যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে...  big_smile]

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: সিনেমাটিক

সুন্দর।  শেষ হয়েও যেন হইল না শেষ

গোলাম মাওলা , ভাবুক, সাপাহার, নওগাঁ

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শুভ১৭১ (০১-১১-২০১৩ ১৯:৩৭)

Re: সিনেমাটিক

"কবিতায় অরুচি, ঝগড়ু স্বভাব" --
সে কাহিনী বাদ দিয়ে জমে গেল ভাব। love

কবিতা কি বাদ দিল উদাসীন দা?
সিনেমার শেষ দিকে বোঝা গেল না।

মেয়েটি কি কবিতায় খুজে পেল সুখ?
ছড়াবাজ খেলো ছ্যাকা, ফেটে গেল বুক? brokenheart

১৭

Re: সিনেমাটিক

ছড়াবাজঃ
ছোটোখাটো লোকটার বিয়ে হল ঠিক,
মেয়েখানা যেন রোদ, করে ঝিকমিক।
সব ভালো পাত্রীর শুধু শতকরা,
এক ভাগ অসুবিধা, লেখে শুধু ছড়া।
কবিতায় অরুচি, বমি বমি ভাব,
উড়ু উড়ু, ভাসা ভাসা, ঝগড়ু স্বভাব।
শুনে এটা লোকটার চোখ ছানাবড়া,
জানালো সে বিয়েতে আপত্তি কড়া!
এই শুনে ঘটকটা চাপড়ায় টাক,
আইবুড়ো ছেলেখানা বলে কী এ! বাপ!
কবিতায় আছে কী হে? হলে মানকচু,
কেটেকুটে রান্নায় খাওয়া যেত কিছু ...!
একদিন সন্ধ্যায় শপিংয়ের মলে,
চোখাচোখি সেই মেয়ে, হয়ে গেল ভুলে!
মেয়েটার টানা চোখে, গভীরতা মেপে,
টোল পড়া গাল আর স্নিগ্ধতা দেখে;
ভুলে গেল বলেছিলো কী যে সেই দিন,
পিছে পিছে হাঁটা দিল হয়ে উদাসীন!

মোহাম্মদ কামরুল ইসলামঃ
কত কত অঘটন ঘটে এই ভবে-
কাচুমাচু উদাসীন নখ খুঁটে ভাবে।
ঐ টানা আঁখি ভরা শিশিরের জল-
পদ্মের বুক জুড়ে কাঁপে টলমল।
বুক তার কেন কাঁপে ধুকপুক পুক
হৃদপটে ভেসে ওঠে কার ঐ চোখ?
ঘেমে নেয়ে একাকার বাছা উদাসীন
অনুতাপে মরে যায়,‘আমি গাধা, হীন।’
খাবি খায়, চড় খায়, দোলে ওর মাথা-
ঝট করে খুলে যায় মেয়েটার ছাতা।
অবশেষে চোখ তোলে বনলতা সেন,
হেসে বলে, ‘বৃষ্টিতে ভিজছেন ক্যান?’
চমকায় উদাসীন, ‘বলে কী এ মেয়ে!’
অপলক দৃষ্টিতে দ্যাখে চেয়ে চেয়ে।
টোল ফেলে বাঁ কপোলে হাসে বনলতা-
দু’চোখেতে আহা কী যে প্রেমময় কথা!
ডানা মেলে বনলতা ডাকে ইশারায়-
উদাসীন পিল পিল পাঁয়ে ছুটে যায়।

বুক ভরে আছে সুখে, উথলায় প্রাণ;
মন জুড়ে ‘ভালোবাসা কারে কয়’ গান।
প্রেম প্রেম ভাব নিয়ে আগুয়ান ছেলে-
দুই চোখে ‘চল্ যাই’ দুষ্টুমি খেলে।
আর দু’পা এগুলেই সেই বনলতা-
বলতেই হবে আজ হৃদয়ের কথা।
শেষ পাঁ’টা বাড়াতেই নড়বড়ে ভিত,
কাদা পথে পিছলিয়ে উদাসীন চিত।
‘দ্বিধা হও ধরণী’ ভাবে নটি বয়,
জেনুইন প্রেমিকের এই বুঝি হয়!
এক্ষুণি বনলতা হাহ্ হাহ্ করে,
হাসবেই নিশ্চিত বহুক্ষণ ধরে।
‘এই মা’ বলে বনলতা ছুটে এসে-
‘হাত দিন’ বলে ওর পাশটায় বসে।
হাত রেখে ওর হাতে দ্যায় জোরে টান-
কোন মতে বেঁচে যায় পোয়েটের মান।
চোখে চোখে রেখে যেন দু’জনা বিলীন।
‘কফি খাবে, বনলতা?’ বলে উদাসীন।

ছড়াবাজঃ
আহা উহু, কাহিনীতে কত দিলে রঙ,
এইবার হবে নাকি আইটেম সং?
পার্কেতে বুট-ভাজা দরকার নাই,
বিয়েটাই পাকা ছিলো, মনে আছে ভাই?
সরাসরি তাই যাক ছাদনাতলায়,
লাভ কী এর বেশি কাহিনী প্যাঁচায়!
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসটা শুরু,
লাড্ডু খেয়ে দেখি বলে কী সে; গুরু!
হবে শুরু দুজনের চাইল-ডাইল গল্প,
মারামারি হতে পারে; শুনবেন অল্প?
উদাসীন ভাবখানা যাও কেটেছিলো,
আফটার শকে বুঝি হতবাক হলো!  kidding

মোহাম্মদ কামরুল ইসলামঃ
বনলতা হেসে বলে, ‘খাব নিশ্চয়।’
খাবি খায় উদাসীন, মনে মনে ভয়।
ট্যাঁক ফাঁকা কুড়ি টাকা মোটা মানিব্যাগে!
ইনভাইট করে কবি কোন মুখে ভাগে?
দশ গজ পেরুতেই এক কফি শপ।
ভেসে আসে হাসি গান আর কলরব।
মুখখানি করে রেখে খুব সুখি সুখি-
উদাসীন বসে গিয়ে বনলতা মুখি।
‘ঘামছেন নাকি?’, বলে বনলতা হাসে।
‘কেডা কয়?’, বলে উদা খুকখুক কাশে।
সুবাসিত কফি এল সাথে হটডগ।
কাঁপা হাতে উদাসীন টেনে নেয় মগ।
‘মানিব্যাগে টাকা নেই?’ কয় বনলতা।
‘ধুত্তোরি! কী যে কন! এটা কোন কথা?’
ধপ করে লোড শেড শুরু হলে পর-
ঘাম দিয়ে পোয়েটের ছেড়ে গেল জ্বর।
একপাশে বনলতা আর পাশে কবি।
‘মুখোমুখি বসিবার’ নন্দিত ছবি।


tongue tongue
(শেষ)

১৮

Re: সিনেমাটিক

জলকনা লজ্জাটা পেল কেন জানি না-
মানি না মানি না এই ইমো মানি না।

হাহ হা হা.........

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন এস,এম,ও,রাজু (২১-০৪-২০১৪ ১১:১৭)

Re: সিনেমাটিক

কেমনে, শেষ হয় কেমনে.? শেষ করলে ত শেষ হইবই।

দেখি চেষ্টা করে শেষ থেকে শুরু করা যায় কিনা।


বহুদিন পর হয়ে উদাসীন
আনমনে বসে আছে কি করে মিন,
আমায় দেখিয়া চোখ তুলে চায়
মনে তার কি আছে বোঝা বড় দায়,
পিপাসু চোখে বলি, কি হলো ভাই?
একটু আমারে কি বলা যাবে ভাই.?
ভেজা ভেজা চোখে আমার পানে চায়
করুণ সূরে বলে সে, বনলতা তো নাই,
ধরে সে তৃণলতা বললো সে এই কথা
একা করে বনলতা ছেড়ে গেছে আমায়,
বসে ভাবি একা একা, আবার সে দেবে দেখা
নির্ঘুম জেগে থাকি তার অপেক্ষায়।
শুনে আমি সে কথা দিলেতে পাই ব্যথা
সব কথা খুলে বলেন, আমি শুনতে চায়,
বললো কথা উদাসীন, আমি নই মহসীন
সর্বদা সইবো তার বিষের ভরা বিণ,
কথায় কথায় তার বকা জকা
সবকিছুতেই তার একরোখা স্বভাব,
বলে দিলেম অবশেষে দুঃখে রাগের রেশে
যাও চলে, ফিরোনা আর নিয়ে এ স্বভাব,
বনলতা সব শুনে, বললো গেলাম চলে
ফিরবো না কোনদিন, বলে দিলাম সাফ।
শুনে বলি এই কথা, ভুলে কেন মানবতা?
দুঃখের সাগরে তুমি কেন দিলে ঝাপ,
শুনে জ্বলে উদাসীন, আগুনেতে কেরসিন
খোচা খোচা দাড়ি মুখে, দেবদাসের ভাব।

আমার মৃত্যু নেই কারণ আমি মানুষ।
আল্লাহ মানুষকে অমর বানিয়েছেন তবে এ দেহের মৃত্যু হবে।

facebookকে

২০

Re: সিনেমাটিক

রিভাইজ দিয়ে ছবির মতন,
আসছে সবই ধেয়ে,
ছড়ায় প্লাবন আসবে নাকো,
বলছি দিব্যি খেয়ে।

ছড়াবাজ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত