সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরিহন্ত (০১-১০-২০১৩ ০৯:৫৮)

টপিকঃ অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

পেনসেলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, মানুষের চোখের রেটিনায় তথ্য প্রবাহের হার, ৮.৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড, যেখানে ইঁদুর বা গিনিপিগের মাত্র ৮৭৫ কিলোবিট/সেকেন্ড।
সূত্র-ওয়েব

http://webvision.med.utah.edu/imageswv/capas-cortex.jpg

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

শুরুর আগে টপিক শেষ  sad

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

মেহ  hmm

Calm... like a bomb.

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

invarbrass লিখেছেন:

মেহ  hmm

ও ইয়া...  বাট শব্দটা একটু কেমন হয়ে গেল না??  lol lol

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

ফায়ারফক্স লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

মেহ  hmm

ও ইয়া...  বাট শব্দটা একটু কেমন হয়ে গেল না??  lol lol

http://dictionary.reference.com/browse/meh  tongue

Calm... like a bomb.

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরিহন্ত (০১-১০-২০১৩ ১৪:৪৩)

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

invarbrass লিখেছেন:

মেহ

এটা নলেজে ছিল, কিন্ত পোষ্ট করার সাহস হল না!

ফারহান খান লিখেছেন:

শুরুর আগে টপিক শেষ  sad

ব্যস, এইটুকুই বলার ছিল, ওই স্পিডে হাই-রেজ ভিডিও অবশ্যই দেখা যাবে।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

invarbrass লিখেছেন:

মেহ  hmm


lol lol

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

ওহহো... ম্যাএএএএএন... আমি ভাবছিলাম কলিকাতা হিজবাল

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Marko Marko (২১-০৩-২০১৫ ১৩:৫৯)

Re: অ্যামাজিং বডি ফ্যাক্টস----মানব শরীরের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক।

ম্যাপ দুটো পাওয়ার পর পরই পরীক্ষা করিয়ে নেয়া হয়েছে বিখ্যাত মার্কিন মানচিত্রকর আর্লিংটন এইচ. ম্যালারীকে দিয়ে। গভীর পরীক্ষা নিরীক্ষার পর মানচিত্রকর জানালেন, সমস্ত ভৌগোলিক তথ্যই ম্যাপগুলোতে বর্তমান। ম্যাপগুলো নিয়ে এরপর ওয়াল্টার্সের সঙ্গে পরামর্শ করেন তিনি। দুজনে মিলে ম্যাপ দুটোকে আধুনিক ভুগোলকের ওপর ফেলে পরীক্ষা করে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চকর তথ্য আবিষ্কার করেন। শুধু ভূমধ্যসাগর আর মরুসাগরের চিত্রই ত্রুটিহীন নিখুঁত ভাবে আঁকা হয়নি, উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলভুমি, এমন কি দক্ষিণ মেরুর সীমারেখা পর্যন্ত দেয়া আছে তাতে। দেশগুলোর অভ্যন্তরভাগের স্থান বিবরণও দেয়া আছে স্পষ্ট। নিখুঁত নৈপুণ্যে আঁকা হয়েছে পাহাড়, পর্বত, দ্বীপ, নদী, মালভূমি ইত্যাদি।



___________________
http://www.flsouthern.edu/   
http://www.test-king.com/cert-PRINCE2-Foundation.htm   
http://www.marygrove.edu/   
http://test-king.com
http://www.northwood.edu/