টপিকঃ ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

প্রায় বছর তিনেক আগে প্রথম স্মার্টফোন কিনেছিলাম। Samsung Galaxy Ace.  এন্ড্রয়েড ওএস এ চলে আর মিডরেঞ্জে তখন সম্ভবত এর কোন ভাল প্রতীদ্বন্দীও ছিল না সেই সময়টাতে। দারুন ক্যামেরা, কমপ্যাক্ট পকেট সাইজ, স্লিক লুক সব মিলিয়ে ফোনটা ভালই ছিল বেশ। ফোরামে যারা মেলাদিন আছেন, তারা তো জানেনই ক্যামেরাটা বেশ ভাল ছিল ফোনের। 

আমি মডারেট লেভেলের ইউজার। ফোনে সবচেয়ে বেশী কি করতাম ?
হুম, একা বের হলেই দুই কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শোনা, কোথাও গেলে ছবি তোলা আর কথা বলাই ছিল আমার Ace ব্যাবহার করার ৩ বছরের বেশীরভাগ সময়। গেম যে খেলতাম না তা না, প্রথমদিকে বন্ধুবান্ধবরা মিলে ধূমিয়ে গেম খেলেছি, কিন্তু বেসিক কনসেপ্ট, আমি গেম তেমন খেলি না, পিসিতে একটাই গেম খেলি, কাজেই শেষের দিকে এসে ফোনে তেমন কিছু রাখিও নাই গেমের।  একটা সময় এসে আবিষ্কার করলাম, ফোন ঝামেলা করছে। কি ঝামেলা ?

ক) চার্জ থাকছে না। ঘেটে দেখা গেল এইটা এন্ড্রয়েডের সমস্যা। তারা কিছুতেই ব্যাটারী অপটিমাইজেশন কমাতে পারছে না। যেটুকু কমাচ্ছে সেটা হার্ডওয়্যার আপগ্রেড হওয়ার কারনে উল্টো ব্যালেন্সড থেকে যাচ্ছে।
খ) এ্যাপ ল্যাগী হতে শুরু করেছে,  দিন দিন ওএস আপগ্রেড হচ্ছে, এ্যাপগুলোও ভারী হতে শুরু করেছে, আগে যে এ্যাপ নিমিষেই চালু হতো, সেটা চালু হতে মেলা সময় লাগে, লোড হতে সময় লাগে। ফ্রেশ রিইন্সটলের পরেও। খুবই বিরক্ত হয়ে গেলাম। আর ফেসবুক+টুইটার কন্টাক্টস সিঙ্ক করার পর ডায়াল চালু হতে মাঝে মাঝেই ঝিমিয়ে পড়ে, স্কাইপ চালু করলে তো কথাই নাই। মহা বিরক্ত হয়ে গেলাম মনে মনে, শুধু ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে চুপ করে গেছি বারবার।
গ) এন্ড্রয়েড ওএস গুগোলের, কিন্তু ফোন বানায় বিভিন্ন কোম্পানী, যার যেমন ইচ্ছে কনফিগ দিচ্ছে। একই ওএস কোন ফোনে দুর্দান্ত চলে আবার কোন ফোনে ল্যাগী। ডেভলপাররাও অনেকে চিন্তা করে যেহেতু পাওয়ারফুল ডিভাইস আছে কাজেই লো পাওয়ারড ডিভাইসের জন্য কোড অপটিমাইজ করার কি দরকার, ঠেলে ঠুলে চললেই হলো। বিশাল যন্ত্রনা।
ঘ) জিপিএস: সবচে তিক্ত অভিজ্ঞতা সম্ভবত এই জিপিএস নিয়ে। মেলা কষ্টে ঠেলেঠুলে টুইক মুইক করে একবার এটাকে অপটিমাইজ করতে পেরেছিলাম। তাছাড়া এইটা কোন দিন এ-জিপিএস ছাড়া ঠিকঠাক কাজ করেছে বলে মনে পড়েনা।

যাইহোক, আল্টিমেট সত্যি মেনে নিতেই হচ্ছে, আমার ফোন নতুন এন্ড্রয়েডের জন্য কোয়ালিফাই করতে পারছে না আমার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী। সিদ্ধান্ত নিলাম ঈদের আগে, ফোন চেঞ্জ করতে হবে। আমি সাদাসিধে টাইপের স্মার্টফোন ইউজার, আমার সাধাসিধে টাইপের কাজগুলো ঠিকঠাক মতো হতে হবে অন্তত।

কি নেয়া যায় ? বিশাল ঘাটাঘাটি শুরু করে দিলাম। (বলা বাহুল্য আমি এইসব ব্যাপারে হোমওয়ার্ক ক্যান জানি খুব বেশী করি) স্মার্টফোন নিতে গেলে প্রথম পছন্দ আইফোন। বিশাল এ্যাপস্টোর, চমৎকার লুক, সিম্পল ইন্টারফেস,  পছন্দ না হওয়ার কোন কারনই নেই। বাদ সাধল দামে। অত দাম দিয়ে এই ফোন কেনা আমার সামর্থ, ইচ্ছে দুইটারই বাইরে আপাতত। 
এন্ড্রয়েড ? হু, এখনকার ফোনগুলো ভালই। সমস্যা হচ্ছে সেই ল্যাগ। আশিফ ভাইয়ের ডুয়াল কোর প্রসেসর আর ৭৬৮ মেগার ফোনেও দেখি কল লিষ্ট লোড হতে ল্যাগ করে আর স্কাইপ স্লো হয়ে যায়। তাছাড়া যে হারে এন্ড্রয়েডের ভার্সন আপগ্রেড হচ্ছে আর কোম্পানীগুলো যে হারে একপেশে হচ্ছে তাতে আবার ভয় হতে লাগলো, কিছু দিন পর আবার সাপোর্ট বন্ধ না করে দেয়। তাছাড়া ৩ বছর ইউজ করে ফেলেছি। অতিরিক্ত কাষ্টমাইজেশন ফীচার যেহেতু দরকার নেই, কাজেই এটা বাদ রাখা যায়।

বাকি থাকলো উইন্ডোজ ফোন। রিভিউ ঘাটলাম, রিসোর্স দেখলাম। খুবই নাজুক অবস্থায় থাকা একটা ওএস। তারপরও হঠাৎ করে মাথায় ভূত চাপলো, উইন্ডোজ ফোন চালাবো। চাপার কিছু কারনও ছিল অবশ্য, যেমন, উইন্ডোজ ফোন আস্তে আস্তে ম্যাচিউর হওয়া শুরু করছে, এদের ফোনের সংখ্যাই কম। কাজেই এরা চাক বা না চাক, এই ফোনগুলোকে সাপোর্ট দিতে এরা মোটামুটি বাধ্য। এ্যাপস্টোর খুবই কম, কিন্তু আমি যেগুলো ব্যাবহার করি সবই আছে। সফটওয়্যার এক্সপেরিয়েন্স এ্যপস্টোরের(iOS) মতই। ব্যাটারী লাইফ প্রমিজিং মনে হচ্ছিল। পছন্দ হতে শুরু করলো।

দুধ না পেলে ঘোলে স্বাদ মিটানো, এই পলিসি মেইনটেইন করতে গিয়ে এবার চোখ বুলালাম কোন ফোনটা কেনা যায়। নোকিয়ার ৫টা ফোন,  এইচটিসির ২টা আর স্যামসাং এর একটা। এই হচ্ছে ওদের ভান্ডার। চোখ বন্ধ করে নোকিয়া ধরলাম। এইচটিসি, স্যামসাং কোনটার লুক পছন্দ হলো না। তাছাড়া নোকিয়ার বেশ ভক্ত বলা যায়। ওরা এন্ড্রয়েডে সুইচ করলে সম্ভবত স্যামসাং এর ও মার্কেট ক্যাচ করতে কষ্ট হয়ে যেত।

যাইহোক, নোকিয়ার পোর্টফোলিও সিম্পল:
Lumia 520, Lumia 620, Lumia 720, Lumia 820, Lumia 920 (বাংলাদেশে এই কয়টাই আছে এখন)

মোটামুটি হোমওয়ার্ক করে 720 ফাইনালাইজ করে ফেললাম। মিডরেঞ্জ ফোন। কিছু এক্সট্রা বেনেফিটও আছে বাকিগুলোর তুলনায়। আমার পছন্দ হওয়ার মূল কারনগুলো ছিল:

ক) ইউনিবডি ফোন, মেমোরি কার্ড এক্সপানসহ
খ) ক্লিয়ার ব্লাক, গরিলা গ্লাস ফীচার।
গ) চমৎকার ক্যমেরা স্পেক:
    Front Camera:
    4 Physical Lens (Usually there's only 2/3)
    F2.4 & 26mm wide angle Lens
    1.3 Megapixels

    Rear Camera:
    5 Physical Lens.
    F1.9 Aperture, 26mm wide angle BSI Sensor
    (যে কোন ফোনে এটাই সবচেয়ে বড় এপারচার এখন পর্যন্ত)
ঘ) লুমিয়ার স্লিমেষ্ট এবং অনেক লাইট  একটা ফোন:  9mm depth & 128g weight
ঙ) বেশীরভাগ কম্পারিজনেই 720, ফ্লাগশীপ 920 & 925 এর সাথে তুলনা পেয়েছে।
এবং ব্লা ব্লা ব্লা.............
http://trananh.vn/mediastore/trananh/2013/04/13/tran-anh-dien-thoai-di-dong-nokia-lumia-720-white.jpg
http://www.pinoytechblog.com/wp-content/uploads/2013/05/NokiaLumia72001.jpg
ছবিগুলো নেট থেকে নেয়া আর কি।


এক্সপেরিয়েন্স:
ওএস বাদ দিয়ে যদি বলি, চমৎকার ফোন। ডিসপ্লে বড় হলে সে ফোন আমার পছন্দ হয় না। কিন্তু এইটুকু স্যাক্রিফাইস করতেই হলো, যদিও 4.3" ডিসপ্লে মোটামুটি এক হাতে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে।

ক্যামেরা:
ক্যামেরা নিয়ে মাথা ব্যাথা বেশী ছিল, কাজেই এটাই প্রথমে রাখি। বেশ ভাল ক্যামেরা। শার্পনেস ভালই, তবে নয়েজ থাকে শার্পনেস বাড়াতে গিয়ে। ওটা অবশ্য কন্ট্রোল করা বিশাল কষ্টের কিছু না। wink
ক্যামেরা সেটিংস ভালই। মোটামুটি সবই করা যায়। সবকিছু বলতে ----
ক) টাচ টু ফোকাস, অটো ফোকাস এবং ম্যানুয়াল ফোকাস করা যায়। (ম্যানুয়ালি স্লাইডার ব্যালেন্স করে ফোকাস পয়েন্ট সেট করা যায়।
খ) এক্সপোজার কন্ট্রোল, ISO (Auto, 100~800), লাইট প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট
গ) 1/16000 থেকে up to 4 sec পর্যন্ত শাটার স্পীড কন্ট্রোল করা যায় ( থার্ড পার্টি এ্যাপ অথবা হাই এন্ড ফোনে নোকিয়া প্রো ক্যাম দিয়ে)
ঘ) F1.9 থাকার মানে হলো, ক্লোজআপ ছবিতে bokeh এফেক্ট নিয়ে আসা পসিবল।

বলা বাহুল্য এইটা দিয়ে রাতের বেলা ছবি তুলে শান্তি আছে। তবে 920 এর মত এইটাতে যদি OIS (Optical Image Stabilization / Floating Lens to balance shake) থাকতো তাহলে কোন দুঃখই থাকতো না এইটা নিয়ে (অবশ্য এমনিতেও নাই, এই প্রাইজ রেণ্জে OIS আশা করা উচিত না, আর নোকিয়া ছাড়া আর কেউ OIS ইউজ করে বলেও মনে পড়ে না)
সবচাইতে ফেভারিট ছবি এখন পর্যন্ত নিয়েছি (EXIF ডেটা ছবিতেই আছে, পিসিতে রিটাচ করা হয় নি কিছুই)
ক)
http://i.imgur.com/tMqP9PQ.jpg
খ)
http://i.imgur.com/CpHGphN.jpg
গ) ম্যানুয়াল ফোকাস:
http://i.imgur.com/dkqiPXg.jpg
ঘ) ম্যানুয়াল ফোকাস :
http://i.imgur.com/WhkD08W.jpg



সেকেন্ডলি মিউজিক:
উমম, খুব ভাল বলতে কি বুঝায় জানি না, তবে আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে। ফ্রিকোয়েন্সী অনেক ক্লিয়ার, বাইরে মোটামুটি নয়েজ থাকার পরেও বেজ এর ডেপ্থ খুব ভালভাবেই বোঝা যায়। স্যামসাং এ আমি কিছু লো ফ্রীকোয়েন্সী মিস করতাম মনে হয়, কারন নোকিয়াতে একই গান শোনার সময় কিছু বাড়তি লো ফ্রীকোয়েন্সী টের পাচ্ছি। পুরো গানের অনেক কিছুই চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে একারনে। মিউজিক প্লেয়ার মোটামুটি মানের। আইটিউনস মার্কা। ব্যাকআপ হিসেবে Nokia Music & TTPOD  লাগিয়ে রেখেছি। দুইটাই লিরিকস সুবিধা দেয়, TTPOD টা এন্ড্র্য়েডে অসাধারন লাগতো, কাজেই এখানে পেয়ে লাগিয়ে নিলাম। সাথে যে হেডফোনটা দিসিল ওইটা ফোর্থক্লাস পুরা। আপাতত নিজের UE200 দিয়েই জম্পেশ গান শোনা যায়। ঈদে বাড়তি টাকা পেলে WH120 Purity HD কিনেও ফেলতে পারি ebay থেকে:

http://allaboutwindowsphone.com/images/reviews/monster/m1.jpg

এপার্ট ফ্রম দ্যাট, বিল্ট ইন লাউডস্পিকার ভয়াবহ রকম লাউড আর ডুয়াল মাইক্রোফোন থাকায় নয়েজ ক্যানসেলেশন, আর ভয়েস কোয়ালিটি নাইস!

ডিসপ্লে:
4.3" IPS Display, 400x800 (217ppi), Clear Black with Gorilla Glass 2, Auto Brightness Sensor. Sunlight Visibility.

ফীচার যা আছে বলেই দিয়েছে সব। ২১৭ পিপিআই যথেষ্টই, আর WP8 এর ইন্টারফেস এমনই যে ওই পিপিআইতেও চমৎকার লাগে। আরো বেশী রেজ্যুলেশন না দিয়ে আমার ব্যাটারী খরচ বাচানোর জন্যা থ্যাংকস ইনফ্যাক্ট!

ভিউইং এঙ্গেল চমৎকার, প্রায় ১৮০ ডিগ্রীই, চারপাশ থেকেই। ক্লিয়ার ব্লাক+ সানলাইট ভিজিবিলিটি থাকায় রোদের মধ্যেও দেখতে সমস্যা হচ্ছে না (অন্তত আগের ফোন নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করা লাগতো, সেটা লাগে না)


থার্ড: ব্যাটারী পারফর্মেন্স:
স্মার্টফোনের ব্যাটারী টিকতে চায় না, আমি সারাদিন ওয়াইফাইতে কানেক্টেড থাকি, সোশ্যাল প্লাটফর্ম, মেইল হাবিজাবি চালু করাই থাকে সবসময়। একটু পর পর টেপাটেপি করি (নতুন কিনসি, বুঝেনই তো  neutral ), বাইরে বের হলে বাসে গান শুনি, ছবি তোলার এক্সপেরিমেন্ট তো চলছেই। তাও সর্বোচ্চ ৩দিন গেছে। ওয়াইফাই অফ রাখলে চার্জ আরো বেশীই থাকে, আপাতত দরকার মনে না হওয়াতে অফ করি নাই। তবে i'm স্যাটিসফাইড! জিএসএম এরিনার রিপোর্ট অনুযায়ী:

http://cdn.gsmarena.com/vv/reviewsimg/nokia-lumia-720/gsmarena_002.jpg

অর্থাৎ আমি ইউজ করলে দুইদিন যাবে, দৈনিক এক ঘন্টা করে মুভি দেখা (১০৮০পি), গান শোনা, মোবাইল ইন্টারনেটে ব্রাউজ করলে আড়াইদিন যাওয়ার কথা জিএসএমএরিনার ভাষ্যমতে, (এইটাই তো বেশী দরকার  thumbs_up )
এই মুহুর্তে আমার ব্যাটারীর সিচুয়েশন (বলাবাহুল্য, ওয়াইফাই, জিপিএস দুইটাই অন, ব্লুটুথ অন করেছিলাম ফাইল ট্রান্সফারের জন্য)
http://i.imgur.com/WNGqJAm.png

লাস্ট চার্জ একচুয়ালি করেছি গতকাল রাতে। এখানে সকালে দেখাচ্ছে কারন সকালে ফোন আনলক করার সময় ইউএসবিতে লাগিয়েছিলাম তখন চার্জ নেয়া শুরু করেছিল সেটার রেকর্ড দেখাচ্ছে, মোটামুটি ৪% চার্জ হয়েছে তখন।

নেভিগেশন/জিপিএস:
মেনশন করার মত একটা ফীচার। নোকিয়া অফলাইন ম্যাপিং এর সুবিধা দেয়। অর্থাৎ পুরো বাংলাদেশের ম্যাপ আমার অফলাইনে নামানো। নেট থেকে বার বার লোড করতে হচ্ছে না। জিপিএস অন করাই থাকে ইউজুয়ালি। সারপ্রাইজিংলি লোকেশন বের করতে সময় নেয় কয়েক সেকেন্ড ( ওয়াফাই রেঞ্জের বাইরে, সেল নেটওয়ার্ক অফ) (৫ সেকেন্ডেরও কম সাধারনত, হট স্টার্ট+পাওয়ারফুল চিপ), GPS এর পাশাপাশি GLONASS ডুয়াল ন্যাভ-স্যাট ইউজ করতে পারে।
আর, ডিরেকশনও অফলাইনে করে দিতে পারে পুরো, নেট না থাকলেও  এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় কিভাবে যাবো পুরো টার্ন বাই টার্ন বলে দিতে পারে। এন্ড্রয়েড এই কাজ নেট ছাড়া পারে না।
আরেকটা মজার ফীচার হচ্ছে City Lens। ক্যামেরা অন করে কোন দিকে পয়েন্ট করলে ওই ভিউইং রেঞ্জে কি আছে তা দেখিয়ে দেয়। বাসা থেকে তোলা, জানালার দিকে ফোকাস করে রেখেছিলাম, স্ক্রীনশটটা এরকম:
http://i.imgur.com/EdO8Mag.png

এ্যাপস এবং পারফরমেন্স:
মাইক্রোসফটের এ্যাপস কম, প্রচুর কম, আনফরচুনেটলি, আমার যা যা লাগে আমি সবই পেয়ে গেছি। ফুল অফলাইন বাংলা ডিকশনারী সহ। এখনো নতুন নতুন এ্যাপস আসছে, তবে আমি যা ইউজ করি, তাতে এর বেশী কিছু দরকার হবে বলে মনে হয় না।

পারফর্মেন্স নিয়ে চিন্তায় ছিলাম, মাত্র ৫১২ মেগা র্যাম। এ্যাপ লিমিট হয়ে যেতে পারে। ইউজ করে অবশ্য কিছু টের পেলাম না। কোন ল্যাগ নাই, এ্যাপ চালু হতে হয়তো ১গিগা র্যামের লুমিয়া থেকে ২ সেকেন্ড দেরী করে, কিন্তু এ্যাপে কোন ল্যাগ নেই। ফাইনালি শান্তি!!!

কন্টাক্টস হচ্ছে যারা উইন্ডোজ এইটে "পিপল" এ্যাপটা ব্যাবহার করেছেন এক্সাক্টলি সেটাই। পুরাই ইউনিফাইড একটা সিস্টেম। সবকিছু একজায়গায়। চমৎকার লাগে। শুধু কনটাক্ট বের করতে গেলে সার্চ না করে খুজে পেতে কষ্ট হয়ে যায় আমার।
বেশীরভাগ এ্যাপ রিকোয়ারমেন্ট কমিয়ে দিয়েছে ইনবিল্ট এ্যাপগুলোই। "Me" থেকে ফেসবুক, টুইটার সবকিছুই করা যায়, নোটিফিকেশন পাওয়া, টুইট করা, আপডেট চেক করা সবকিছুই (ইনফ্যাক্ট আমি ফেসবুকের এ্যাপটা ইনস্টল করেছি ৪দিন পর)।
বিং ভিশন  নামে একটা লেন্স আছে। যে আপনাকে বারকোড রিড করে দিতে পারবে, ইমেজ থেকে টেক্স্ট কনভার্ট করে দিতে পারবে OCR এর মাধ্যমে, এমনকি সাউন্ডহাউন্ডের মত গানও ট্র্যাক করে দিতে পারবে মিউজিক শুনে। বাড়তি এ্যাপের দরকার দেখি না।

মেইল একাউন্ট এ্যাড করার পর জিমেইলের জন্য আলাদা এ্যাপ নিজে থেকেই এনাবল হয়ে গেছে। সব কনটাক্ট, ক্যালেন্ডার সবকিছু সিঙ্ক হয়ে গেছে। চাইলে মেসেজিং থেকে সরাসরি জিটক, লাইভ একাউন্ট, ফেসবুক যে কারো সাথে চ্যাট করা যায়।  আালাদা এ্যাপ খুজে কি করবো। 

ভাবছিলাম, সামনে নতুন আপডেট আসলে এই ৫১২ মেগা র্যামে অনেক এ্যাপ হয়তো আর চলবে না। যেটুকু শুনছি, হচ্ছে উল্টোটা, সামনে "AMBER" আপডেটে ৫১২ মেগার সাপোর্ট আরো বাড়ানো হচ্ছে। আর্কিটেকচার এক থাকায় মোটামুটি নিশ্চিত করেছে WP9 এ আপগ্রেড করাও যাবে (already testing)
জেনুইন অফিসের মালিকও হয়ে গেলুম এই সুবাদে। এখন ডকুমেন্টস সব রেডি, অন দ্যা গো তে। যদিও তেমন ইউজ করা হয় নি।

সমস্যার মধ্যে পাইরেসী করা পসিবল না (উইন্ডোজের থেকে এটা আশা করতে কষ্ট হচ্ছে) আপনি কোথাও থেকে ক্রাক্ড এ্যাপ নামালেও সেটা আপনাকে ইনস্টল করতে দিবে না। প্রত্যেকটা এ্যাপ, স্টোর থেকে ভেরিফাই হয়ে আসার পর ইন্সটল করতে দেয়। সামনে অপারেটর বিলিং চালু করার কথা শুনছি, মন্দ হবে না। smile
সুবিধার দিকটা হচ্ছে, ক্রাকড এ্যাপ চালাতে গিয়ে সিকিউরিটি ব্রিচ হওয়ার চান্স নেই। যদিও ওদের একটা সিকিউরিটি ব্রিচ রয়ে গেছে ওয়াইফাই নিয়ে, আমার জন্যা সেটা মেজর কিছু না।
যাক, এ্যাপ নিয়ে ভয়টুকু নাই। একটাই সমস্যা, ব্রাউজার IE10, তবে পারফর্মেন্স ভালই পেলাম ফোনে, সাথে UC ব্রাউজার ইনস্টল করে নিয়েছি।

ইউজার ইন্টারফেস নিয়েও কিছু বলার নাই, সিম্পল, যতটুকু আশা করা যায় মেট্রো থেকে। লাইভটাইলেই নোটিফিকেশন পাওয়া যায়, সামনে নোটিফিকেশন সেন্টারও নিয়ে আসবে শুনলাম।


ওভারঅল কমেন্টস:
প্রমিজিং ফোন, অন্তত নোকিয়ার কারনে বেশ ভালই এগিয়ে আসছে।
স্লিক ডিজাইন, চমৎকার লাগে ধরতে। বেশ হালকা, কাজেই ক্যারি করতে বিরক্ত লাগে না।
স্মুথ পারফরমেন্স, বেটার কনফিগের গালাক্সী এস ডুয়োসের তুলনায় বেটার রেসপন্স।
টাচ বেশ ভাল, গ্লাভসের উপর দিয়েও কাজ করে।
ইউনিবডি ডিজাইন, নন রিপ্লেসেবল ২০০০ মিলিএ্যাম্প ব্যাটারী।
প্রমিজিং ক্যামেরা ফর দ্যাট বাজেট।
রেস্ট্রিকটেড ওএস, কাস্টমাইজেশন লাভারদের জন্য এই ফোন না।
ভাল এ্যাপের বেশীরভাগই পেইড, ক্রাক করা সম্ভব না।

আপাতত এতটুকুই।
সকালে ডেভলপার আনলক করলাম। একটা এ্যাপ বানাতেও পারি, নিজের জন্য।

আপাতত এক সপ্তাহের ব্যাবহারে আমার বেশ পছন্দ হয়েছে এটা।

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

এহন তো আমার এন্ড্রু বেইচা দিয়া লুমিয়া নিবার মন চাইতাছে। আগে তো ভাবছিলাম মাইক্রোসফট না জানি কি ফালতু জিনিস বানাইছে। সবটা দরকার নাই, আপনের রিভিউর অর্ধেকও যদি মিল্যা যায় তাইলে লুমিয়া ফাটাইয়া দিছে তো।

এখনও শিখছি। আরো শিখতে চাই। পরে নাহয় শেখানো যাবে। আপাতত শেয়ার করতে পারি

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

সুন্দর রিভিউ। দামটা কেমন?

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

নেজাম লিখেছেন:

সুন্দর রিভিউ। দামটা কেমন?


বাংলাদেশে অফিশিয়াল প্রাইজ ২৪,০০০। আনঅফিশিয়ালি ২২ এর মত। তবে হাই এন্ড লুমিয়া ৮২০ (বেটার এমোলেড ডিসপ্লে, বেটার প্রসেসর, বেটার র্যাম)  ২৩,৫০০ তে পাওয়া যায়, অফিশিয়ালি সেটার দাম ৩২হাজার।
৮২০ ইচ্ছে করেই নেই নি। ৮২০ এর থেকে ৭২০ বেটার চয়েজ আমার জন্য।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ছায়ামানব (০১-০৯-২০১৩ ২২:৩১)

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

লুমিয়া ৯২০ চ্রম। লাগেজ এডিশন ৩১-৩২k। ৩-৪ দিন আগেই এক ফ্রেন্ড ৩১k দিয়ে কিনেছে(ব্র্যান্ড নিউ লাগেজ এডিশন) যদিও নোকিয়া স্টোরে দাম ৪৬k। এটা কিনলেও পারতেন।

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

ছায়ামানব লিখেছেন:

দেখে কিনতে পারলে এটাই সাজেস্ট করব।


সন্দেহ নাই যে চরম। কিন্তু ফোনের জন্য ২০ এর উপরে উঠতে ইচ্ছে করে না। তাছাড়া ৯২০ বেশ ভারী এবং মোটা। সলিড ফীল আছে অবশ্য। Amber আপডেটের পরে ৯২০ আরো জোশ হয়ে গেছে।

তাহসান কাব্য লিখেছেন:

এহন তো আমার এন্ড্রু বেইচা দিয়া লুমিয়া নিবার মন চাইতাছে।


ভেবে নিয়ে কিনাই বেটার। এন্ড্রয়েড প্রচুর এ্যাপ দেয়, কাস্টমাইজেশনের স্বাধীনতা আছে। ব্রান্ড চয়েজ করার সুবিধা আছে, ডেভলপারদের জন্য সুবিধা আরো। উইন্ডোজ এট সাম পয়েন্ট, আইফোনের থেকেও বেশী রেস্ট্রিকটেড।

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

মামার সুবাদে ১৫দিন এই ফোন চালিয়ে ছিলাম । এরপর অনিচ্ছাকৃত ভাবে দিয়ে দিতে হল  sad

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

। উইন্ডোজ এট সাম পয়েন্ট, আইফোনের থেকেও বেশী রেস্ট্রিকটেড।

  Tenacity - Focus - Discipline - Repetition

   Sabbir's Blog 

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

সুন্দর রিভিউ!  clap ২-৩ দিন ধরে লুমিয়া নিয়ে নেটে ঘাঁটাঘাঁটি করছিলাম, এই সময় রিভিউটা কাজে দেবে।

কয়েকদিন আগে নিজের কান নিজেই মলতে হয়েছে। আর কোনোদিন ওয়ালটন-ফালটন সিম্ফনী-মিম্ফনী কিনবো না!  notlistening

Calm... like a bomb.

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

invarbrass লিখেছেন:

কয়েকদিন আগে নিজের কান নিজেই মলতে হয়েছে। আর কোনোদিন ওয়ালটন-ফালটন সিম্ফনী-মিম্ফনী কিনবো না!  notlistening


কেন?  confused

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

১০

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

invarbrass লিখেছেন:

২-৩ দিন ধরে লুমিয়া নিয়ে নেটে ঘাঁটাঘাঁটি করছিলাম, এই সময় রিভিউটা কাজে দেবে।


ইয়ে, ৮২০ বাদ দিয়ে কিনার প্লান করতে পারেন। ওইটার প্রসেসর, র্যাম কনফিগ ফ্লাগশীপের সমান, ডিসপ্লে, সফটও্যয়ার ফীচার আমার মিডরেঞ্জ ৭২০ এর মত। এমোলেড ডিসপ্লেটা প্লাস আর ক্যামেরাটা মাইনাস।
৬২০ আর ৬২৫ ও একটু কেমন জানি। সে তুলনায় ৫২০ আবার পুরাই ঝাক্কাস একটা ফোন। পুরা নর্থ না জানি সাউথ আমেরিকার লিডিং ফোন এখন এই ৫২০।

১১

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:
তাহসান কাব্য লিখেছেন:

এহন তো আমার এন্ড্রু বেইচা দিয়া লুমিয়া নিবার মন চাইতাছে।


ভেবে নিয়ে কিনাই বেটার। এন্ড্রয়েড প্রচুর এ্যাপ দেয়, কাস্টমাইজেশনের স্বাধীনতা আছে। ব্রান্ড চয়েজ করার সুবিধা আছে, ডেভলপারদের জন্য সুবিধা আরো। উইন্ডোজ এট সাম পয়েন্ট, আইফোনের থেকেও বেশী রেস্ট্রিকটেড।

এই সুবিধাগুলোর জন্যই এন্ড্রয়েড নেয়া। আবার লুমিয়ার সুবিধা গুলোও পেতে ইচ্ছা করছে। big_smile দেখি টাকা পয়সা হাতে এলে পরে পারলে লুমিয়া একটা কিনে ফেলব। wink

এখনও শিখছি। আরো শিখতে চাই। পরে নাহয় শেখানো যাবে। আপাতত শেয়ার করতে পারি

১২

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

invarbrass লিখেছেন:

কয়েকদিন আগে নিজের কান নিজেই মলতে হয়েছে। আর কোনোদিন ওয়ালটন-ফালটন সিম্ফনী-মিম্ফনী কিনবো না! 

কারণটা জানতে চাই।  whats_the_matter

মার্কেট ধরার জন্য নকিয়ার পরবর্তী বোমা লুমিয়া ১০২০ ৪১ মেগাপিক্সেল ক্যামারার এই ফোনটার স্পেকস আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। আমি কেমন জানি টাকার বস্তার গন্ধ পাই  tongue, মাইক্রোসফট আর নকিয়া টাকার বস্তা ঢেলে বাজার দখলের চেষ্টা অস্বাভাবিক নয়।

অনিশ্চয়তার পৃথিবীতে অনিশ্চয়তার মাঝে ডুবে আছি।

১৩

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

পুরা নর্থ না জানি সাউথ আমেরিকার লিডিং ফোন এখন এই ৫২০।

মনে হচ্ছে নর্থ না। নকিয়া এখনও এখানের মার্কেটে স্ট্রাগল করছে। তবে লুমিয়া ফোন আমি পার্সোনালী অনেক লাইক করি। উইন্ডোজ নিয়ে সবাই যতো আজে বাজে কথা বলে এখানে সেই হিসেবে পার্ফর্মেন্সে আমার মতে বেশ এগিয়ে এন্ডয়েড থেকে এরা। ক্যমেরা তো কথাই নেই ১০২০ তে ৪০+ মেগাপিক্সেল মনে হয়।

আপনার তোলা ছবি গুলা ১.৩ মেগাপিক্সেলে তোলা?  clap সেই হিসেবে দারূণ কোয়ালিটি পাচ্ছেন।

ইনভার ভাইও উইন্ডোজ ফ্যমিলিতে জয়েন করেন। মোস্টলি এড ফ্রি দারূণ এক্সপিরিয়েন্স।

শুরুতে ইউটিউব এপে কোনো এড ছিলো না এদের। পরে কেইস খাইতে নিয়া এড চালু করছে। তবে আই বিলিভ এখনও প্যন্ডোরাতে এদের কোনো এড নাই। হুইচ ইস সো টেম্পটিং!!  hehe

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

চমৎকার রিভিউ। নিজের চাহিদা বুঝে কেনার যৌক্তিক ব্যাখ্যা এবং এক্সপেরিয়েন্সের পার্টটা খুবই ভাল লেগেছে। আমার মনে হয় রিভিউটা টিপিকাল ফিচার রিভিউ না হয়ে ব্যক্তি বিশেষের বিশেষায়িত চাহিদা কেন্দ্রীক হওয়ায় ব্যাপারটা অনেক বেশি আকর্ষনীয় হয়েছে।  thumbs_up

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

মুক্তবিহঙ্গ লিখেছেন:

মার্কেট ধরার জন্য নকিয়ার পরবর্তী বোমা লুমিয়া ১০২০ ৪১ মেগাপিক্সেল ক্যামারার এই ফোনটার স্পেকস আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। আমি কেমন জানি টাকার বস্তার গন্ধ পাই  tongue, মাইক্রোসফট আর নকিয়া টাকার বস্তা ঢেলে বাজার দখলের চেষ্টা অস্বাভাবিক নয়।

1020 এর ক্যামেরা বেশ হাইলাইটেড কোন সন্দেহ নাই। তবে পাশাপাশি 925 এবং ফ্যাবলেট সিরিজ 1520 এ ভালই ইন্টারেস্ট জন্ম দিচ্ছে।
আর হ্যা নোকিয়া ঢালছে কিনা জানিনা, তবে মাইক্রোসফট ঢালছে। বেশ ভালভাবেই ঢালছে। কারন তেমন কিছুই না, তাদের মার্কেটে টিকতে হবে। এবং তারা সাকসেসফুলও। নোকিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবছর দ্বিগুন সেল করেছে।

আমি আপাতত তাদের পলিসি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। মাইক্রোসফট এবং নোকিয়া দুইজনেই টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করে যাবে, মাঝে দিয়ে আমরা "এন্ড ইউজার" রা যদি লাভবান হই, সেটাই বড়।


শুরুতে ইউটিউব এপে কোনো এড ছিলো না এদের। পরে কেইস খাইতে নিয়া এড চালু করছে। তবে আই বিলিভ এখনও প্যন্ডোরাতে এদের কোনো এড নাই। হুইচ ইস সো টেম্পটিং!!  hehe

ডিফল্ট ইউটিউবের থেকে আরেকটা এ্যাপ আছে। ওইটা ডাউনলোডও করতে দেয়।  tongue

আর নর্থে না হলে সাউথে, বেশ ভাল রকম এফেক্ট ফেলেছে লুমিয়া ৫২০। মার্কেট এখন ওরাই নিয়ে নিয়েছে।

১৬

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

ক) ছবিটা কিসের?

১৭

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

hasan19 লিখেছেন:

ক) ছবিটা কিসের?


সিড়ির গোড়ার দিকে উপরের লাইট। এক্সপোজার কমিয়ে, আইএসও কমিয়ে নিয়ে তোলা।

১৮

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

সুন্দর রিভিউ  thumbs_up

আমার একজন বন্ধু লুমিয়া 820 ব্যবহার করেন। আমি প্রায় ঠিক করে ফেলেছিলাম যে এটা নেবো। কিন্তু বন্ধুর মোবাইলে কোনও কারণে নেট কানেকশান বারবার ডিসকানেক্ট হয়ে যাচ্ছিলো। এইটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিস। তাই শেষ পর্যন্ত ক্যানভাস 4 ই নিলাম।

ফ্র্যাঙ্কলি, আমি বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে মাথা ঘামাই না। দারুণভাবে বিল্ড করা ফোন প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায় না। তাই চাইনিজ ফোনই ব্যবহার করি, এবং অত্যন্ত সন্তুষ্ট। আমি ক্র্যাকড অ্যাপ/গেম ব্যবহার করিনা। সুতরাং ভবিষ্যতে হয়তো লো রেঞ্জের একটা উইন্ডোজ ফোন নিয়ে দেখতে পারি, মূলত অফিস প্যাকেজ ব্যবহারের জন্য। এই রিভিউ পড়ে লুমিয়ার বেনিফিটগুলো সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা হলো। অফিস প্যাকেজ ব্যবহার করে একটা আপডেট দিতে পারেন, অর্থাৎ কন্টেন্ট ক্রিয়েশান আর ডকুমেন্ট পড়া কতটা ভালোভাবে করা যাচ্ছে - ইত্যাদি।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরিহন্ত (০২-০৯-২০১৩ ২০:০৩)

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

টরেন্ট অ্যাপ  উইন্ডোজ স্টোরে অাছে কি ? একটু বলেন।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

২০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০২-০৯-২০১৩ ০৯:১২)

Re: ফোন পরিবর্তন: খারাপ থেকে ভাল আর ভাল থেকে খারাপ

কোরাকোরা লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

কয়েকদিন আগে নিজের কান নিজেই মলতে হয়েছে। আর কোনোদিন ওয়ালটন-ফালটন সিম্ফনী-মিম্ফনী কিনবো না!  notlistening


কেন?  confused

অফটপিকের জন্য দুঃখিত।

কিছুদিন আগ থেকে হঠাৎ Primo N1-এর ক্যামেরা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ক্যামেরা এ্যাপে গেলেই couldn't connect to camera বলে বন্ধ হয়ে যায়। ক্যামেরার সাথে ফ্ল্যাশলাইটটাও কাজ করছে না। গুগলিং করে কিছু হোমিও চিকিৎসা পেলাম - এ্যাণ্ড্রয়েড-এর dcim/camera ফোল্ডারে টেম্পোরারী ফাইল থাকলে নাকি সফটওয়্যার এরর হয় (সব বোগাস কথাবার্তা)। টোটকা চিকিৎসা যা পেলাম সবই করলাম - কোনো লাভ হলো না। শেষে ওয়ালটনের সাইট থেকে লেটেস্ট জেলীবীনস ফার্মওয়্যার নামিয়ে ফ্ল্যাশ করলাম। খুবই ভালো কাজ হলো - এবার এ্যাণ্ড্রয়েড মেনু থেকে পুরো ক্যামেরা এ্যাপটাই গায়েব হয়ে গেলো।  dontsee অর্থাৎ হার্ডওয়্যার এরর - ফিজিকাল ক্যামেরা খুঁজে পাচ্ছেনা বলে হয়তো এ্যাপটাই আর দেখাচ্ছে না।

ক্যামেরা বিগড়ানোর সম্ভাব্য কারণঃ ঈদের ৫-৬ দিন আগে টানা 12-13 মিনিট 720 রেজুলু্শ্যনে আউটডোর ভিডিও করেছিলাম। এটার কারণেই হয়েছে কিনা জানি না, তবে ভিডিও রেকর্ডিংটা স্টপ করার পর থেকেই এরর দেখানো শুরু করেছিলো।

গত সপ্তাহখানেক ধরে দেখি পাওয়ার বাটন সবসময় কাজ করছে না। স্কাইপে লম্বা সময় কথা বলার পর কল ডিসকানেক্ট করার জন্য স্কৃণ এ্যাক্টিভেট করতে গিয়ে দেখি পাওয়ার বাটন রেসপণ্ড করছে না। পরে ব্যাটারী খুলে হার্ড রিবুট করতে হয়েছে। প্রথমে ভেবেছিলাম এটা স্কাইপের সমস্যা - কিছুদিন পরে দেখি সাধারণ ভয়েস কলেও এই সমস্যা মাঝেমাঝেই দেখা দিচ্ছে।  hairpull

৩ মাসের মধ্যেই এতোগুলো সমস্যা!  worried যাকগে, ফোনটা সার্ভিস সেন্টারে পাঠিয়েছি।

এর আগে একজনকে সীম্ফোনীর কি একটা মডেল কিনে দিয়েছিলাম। ৪-৫ দিনের মাথায় আচমকা এলসিডির ভেতরের পাশটাতে সাদা দাগ উদয় হয়ঃ অনেকটা মনিটরের ডেড পিক্সেলের মত হরিযণ্টাল লাইন।

@মেহেদী৮৩: লুমিয়াতে সরাসরি ইউএসবি স্টোরেজ-এ ফাইল ট্রান্সফার করা যায়, নাকি য্যুন ব্যবহার করতে হয়? (আইটিউন্সফিউন্স জাতীয় প্রোগ্রাম মহা বিরক্তিকর sad )

Calm... like a bomb.