সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আহমাদ মুজতবা (০১-০৭-২০১৩ ১৩:১৭)

টপিকঃ মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

ইদানীং সকালে ক্লাস না থাকার কারণে রাত জাগার অভ্যস বেশ ভালো ভাবেই আমাকে পেয়ে বসেছে। কোনো ভাবেই রুটিন ঠিক করতে পারছি না। মনে হয় পুরা সামারটা এভাবেই কাটবে। আর রাতের বেলা জেগে থাকা মানেই হচ্ছে বের হওয়া। আমেরিকাতে রাতের বেলা কখনই বাইরে যাওয়া নিয়ে ঐভাবে চিন্তা করি নাই যে ব্যপারটা রিস্কি হতে পারে। এমনকি এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার সমস্যা হয়ও নাই। সিমোতে থাকতে রাত ৩/৪ টা পর্যন্ত রাস্তা পাহারা দেয়া এক ধরনের ডিউটিই ছিলো বলা চলে। যাই হোক, সেই অভ্যসের ধারা ধরে রাখতেই আজকাল হিমুর মতো খালী পায়ে রাতের বেলা এলাকায় ঘুরি। বিশেষ করে ফ্লোরিডার ওয়েদার রাতের বেলা বড়ই আরামদায়ক। এই রাতে বেলা বের হওয়া থেকেই কাহিনীর সূত্রপাত বলা চলে।

ওয়ালমার্ট থেকে গ্রোসারি কিনে মাত্র ফিরছি বাসায়। রাত বাজে অলমোস্ট পৌণে চারটা। ট্রাংক থেকে জিনিশ নামাতে নামাতে দেখলাম বাসার পাশ দিয়ে একটা মেয়ে বিড়ি খেতে খেতে যাচ্ছে। আমার চোখ পড়তে না পড়তেই সে আমাকে 'হাই' জানালো। টিপিক্যল এমেরিকান ভদ্রতা। আমিও বললাম "হেলো, হাউ ইউ ডুইং"

মেয়েটি: আমি ভালো, তুমি কি কোথাও যাচ্ছো?
আমি: না মাত্র আসলাম আর কি

মেয়েটির বিড়ি খাওয়া এবং চলা ফেরার মতি গতি দেখে আমি ধরেই নিলাম যে হার্ডকোর পার্টি করে বাসার দিকে যাচ্ছে। হয়তো ধারে কাছে কোথাও থাকে। নাহলে সাধারণত রাতের বেলা কেউ এভাবে বের হয় না এখানকার মানুষজন। তার উপরে মেয়েটি আবার মোটাসোটা হোয়াইট এমেরিকান। এগুলা যে কি রকমের অলস তা আমার ভালই জানা আছে। যাই হোক তখন পর্যন্ত আমি ধরেই নিয়েছি সে ড্রাংক এবং বাসার দিকে যাচ্ছে।

এবার আরও শিওর হলাম যখন মেয়েটি রাইড চেয়ে বসলো আমার থেকে। সে নাকি কোপ্যন্স রোডে থাকে যেটা আমার বাসা থেকে ২/৩ মিনিটের ড্রাইভ হবে বড়োজোর। আমি নিউইয়র্ক থাকতে নিজেও মাঝে মধ্যে ডেসিগনেটেড ড্রাইভারের অভাবে এভাবে হেঁটেছি ২/৩ মাইল। এখানে ড্রিংক করে ড্রাইভ করার শাস্তি ভয়াবহ সুতরাং সবাই এটা নিয়ে যথেষ্ঠ সাবধান থাকার চেষ্টা করে। আমি অবশ্য আমার বয়সী কাউকে দেখে জেনারাস মনে হলে ভালো ভাবে জিগেস করে রাইড নিতাম। তবে এই মেয়ে আমি প্রিটি শিওর আমার বয়সী না। এইসব সাত-পাঁচ ভেবে আর নিজেকে সেইম সিচুয়েইশনে চিন্তা করে আমিও ভদ্র ছেলের মতো 'হ্যাঁ' বলে দিলাম।

তখন থেকেই আমার ভিতরে একটা কেমন জানি অনুভূতি টের পাচ্ছিলাম। এখন বলেই যেহেতু দিয়েছি কিছু আর করার নাই। গাড়ীতে উঠেই বসলাম ওকে ড্রপ করে আসার জন্য। একবার মাথায় চিন্তা আসলো যে একজন ড্রাংক মানুষকে আইনের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আবার নিজে বিপদে পড়বো নাতো! এখানে আবার প্রস্টিটিউশনের সাজাও ভয়াবহ। আমেরিকার ৯৮% স্টেইটে প্রস্টিটিউশন ইলিগ্যল। আর ধরা পড়লে দুইজনের একজনেরও জামিন নাই। এইসব আজেবাজে চিন্তা খুব দ্রুত মাথায় খেলে যাচ্ছিলো।

দেখতে দেখতে কোপ্যন্সের কাছাকাছি চলে এলাম। এদিকে ঐ মেয়ে কার সাথে জানি ফোনে কথা বলছে। সে আমাকে বললো গাড়ি ঘুরিয়ে আরেক দিকে নিতে। সম্ভবত ডিক্সি হাইওয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলো আমাকে। আমি বললাম তুমি আমাকে কোপ্যন্স রোড ডিক্সি হাইওয়ে দুইটার কথাই বলেছিলা তবে দুইটা দুই ডিরেকশনে তাতো বলো নাই। আর আমি এই এলাকায় নতুন হওয়ায় বুঝিও নাই। আমি ভেবেছিলাম ডিক্সি হাইওয়ের উপরেই কোপ্যন্স রোড পড়বে। সে যাই হোক আমি আরেকটু স্কেচড আউট হলাম তার হঠাৎ ডিরেকশন বদলানো দেখে।

এর মধ্যে সে আমাকে বলেও দিয়েছে যে তার জামাই ছিলো কিন্তু এখন ডিভোর্সড। বাসায় সে আর তার ছেলে থাকে শুধু। এমনকি কথায় কথায় আমাকে তার ছেলের ছবিও দেখালো। আমি সেখান থেকে আরেকটু আশ্বাস পেলাম যে না ফটকা টাইপ কেউ না হ্য়তো। তবে এখন ফোনে মেয়েটার কথা-বার্তা শুনে আমার কেমন জানি সন্দেহ লাগা শুরু হলো।

আমি এক্সেন্ট শুনে বুঝতে পারলাম যে ফোনের ওপাশ থেকে কালো ভায়া কথা বলছেন। এবং মেয়েটা কালো ভায়ার থেকে টাকা পায় তাই আমাকে কালো ভায়ার বাসার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কারণ তার নাকি টাকাটা খুবই দরকার। এই ফাঁকে আমি বলে দিলাম যে কালকে আমার সকালে উঠতে হবে কাজ আছে। আমি বেশীক্ষণ বাইরে থাকতে পারবো না।

"আই হ্যভ অবলিগেইশনস"

সে আমাকে বলে বসলো যে আমি যদি তাকে টাকা ধার দেই তাহলেই নাকি তার ল্যাঠা চুকে যায়। তার কাছে নাকি একটা পেনিও নাই। আমি মনে মনে বললাম। এই মেয়ে হোমলেস নাহলে সে ১০ টাকা ধার চাইতো না এটলিস্ট। এবার আমার সন্দেহ আরো চাড়া দিয়ে উঠলো আমি একেবারে লেফট মোস্ট লেইন ধরে চালাতে লাগলাম যাতে এনিটাইম গাড়ি ঘুরাতে পারি। এইসব প্ল্যন মনে মনে করতে করতেই শুনলাম মেয়েটা ফোনে বলে উঠেছে

"ইটস নট এ ব্ল্যংক মিশন"

আমি তখনই প্রশ্ন করলাম "হোয়াট, মিশন? এখানে মিশন আসছে কোথা থেকে"

বলতে বলতেই ইউ টার্ণ নিলাম। আমি বলি তোমার যে মিশন ইচ্ছা সেটা তুমি করো। আমারে টাইনো না।

"GTFO my car right F* now or I ma call the cops"

ভাগ্যিস সে কোনো ভেজাল করে নাই শুনেই বলেছে "dude, you should just chill"

আমি বললাম "Shut up, and move your ass"

চাই নাই খারাপ বেহেইভ করতে, তবে ঐ অবস্থায় কিচ্ছু করার ছিলো না। এমনিও আমাকে যেভাবে পাম দিচ্ছিলো, আমি নাকি অনেক নাইস ইয়াং জেন্টলম্যন। কিন্তু আমি আসলে অতো নাইস না। এটলিস্ট যখন দরকার তখন ভয়ংকর হার্শ।

সামারী: নিজের ভুল ডিসিশনের জন্য পস্তাতে যাচ্ছিলাম। সেদিন রাতে যে কোনো কিছু হতে পারতো। ফ্লোরিডাতে গান সবার কাছেই থাকে, শ্যুট করলে কিচ্ছু করার ছিলো না। বা নাকে রুমাল ধরে রাস্তায় ফেলে গাড়ী নিয়ে ভাগতে পারতো। যদিও আরেকটা নতুন গাড়ী পেতাম ইন্সুরেন্সের ফুল কভারেজ থাকায়। আর আমার কাছে কোনো দিনও ক্যশে টাকা থাকে না। সুতরাং কিছু না পেয়ে শ্যুট করতেই পারতো। পুরা বেঁচে গেছি। যদিও আমি আমার লেসন পেয়ে গেছি। এই ঘটনার পর ঘরের ভিতরেও ভয়ে ভয়ে থাকি মনে হয় কেউ বুঝি ঢুকবে। আমারও থ্যনটোফোবিয়া হয়ে যাচ্ছে দেখি। তবে এরপর কেউ যদি মারাও যায় রাস্তার পাশে আর রাইড চায়। ভুলেও না। ভাই তুমি মরো আমি আমার পথ দেখি। ভুলেও কোনো স্ট্রেইনজারকে বিশ্বাস করবেন না।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফায়ারফক্স (০১-০৭-২০১৩ ১১:৩০)

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আসলে স্টেইন্জার মেয়ে হতে পারে ধারনায় ছিলনা surprised
পরে চিন্তা করলাম আংরেজ দেশ কত কিছু হবে যা ভাবে নি কেউ আগে tongue
ইজ্জত সহিসালামত ছিল তো ?? wink wink

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

তবে এরপর কেউ যদি মারাও যায় রাস্তার পাশে আর রাইড চায়। ভুলেও না। ভাই তুমি মরো আমি আমার পথ দেখি। ভুলেও কোনো স্ট্রেইনজারকে বিশ্বাস করবেন না।


আমি জানতাম ওদেশে প্রা্য সবাইই এ নিয়ম মেনে চলে।  tongue

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন ভায়া ! এখন হতে আরো সাবধানে থাকবেন।

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

ভাগ্য ভালো,,,,,

স্নিগ্ধ শুভ্রতায় আমি. . . . .

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

অসাম একটা অভিজ্ঞতা হলো আপনার  wink

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আল্লাহর অশেষ কৃপায় বড় বাঁচা বেচে গেছো বাঁচা

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আমেরিকা দেখা যায় আমাদের দেশের মতই নিরাপদ lol lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

বাসায় কি কারে সাথে শেয়ার করেছো কত্তো সুন্দর উপকার করতে গ্যাছিলে........তাও আবার রাইত চারটার সময়  smile smile আমি শিউর তাইলে বাসা থেকেই তোমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ক্যান্সেল হয়ে যাবে।
আমি গত সপ্তাহে এমুন এক কাহিনীর সামনে পড়ছিলাম বিকাল বেলায়। ম্যাকডোনাল্ডের ড্রাইভ থ্রু থেকে খাবার পিক আপ করার জন্য ওয়েট করছিলাম......আর স্বাভাবিক ভাবেই এক সুন্দরী লম্বা সাদা ললনা ম্যাকডোন্ড থেকে একটা কফির কাপ হাতে বের হলে। স্বাভাবিক ভাবেই ওই ললনার চেহারা দেখেই বুঝেছি সামথিং রং উইথ হার। সে কথা নাই বার্তা নাই দরজা থেকে দু চার পা এগিয়ে গিয়ে আমার গাড়ির সামনে এসেই দেখি তার অস্বাভাবিক ষ্টেপ। প্রথমে তার হাতের কফি কাপ পড়ে গেল এবং সাথে সাথে সে নিজেই আমার গাড়ির দু ফুট সামনে পড়ে গিয়ে গোঁ গোঁ করে হাত পা ভয়ানক ভাবে খিচাতে থাকলো....... sad sad(আমাদের দেশে যারে বলা হয় মৃগী রোগ)। প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমি চুপচাপ গাড়িতে বসে ছিলাম..........আবার কি করতে গিয়ে কি হয়। পরে ম্যাকডোনাল্ডের ম্যানেজার এসে এ্যাম্বুলেন্স কল করে তারাও হাফ ছেড়ে বাঁচলো আর আমিও মুভ করতে পারলাম smile

টিপসই দিবার চাই....স্বাক্ষর দিতে পারিনা......

১০

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

মেহেদী ভাই কি আমেরিকা থাকেন নাকি??
কবে গেলেন?? ম্যারিকার ছবি টবই দেন না ক্যান??
যাইতে না পারি মনে মনে কলা খাইতে দোষ কী??
( কিছু মনে নিয়েন না এত মেহেদী......  কে কোনজন, কেমনে বুঝি!! )

১১

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

ভাল হয়েছে thumbs_up
ভাই একতা বিষয়ে টপিক দেন যেটার বিষয় বাংলাদেশে থাকার সময় এবং USA থেকে আপনার ইংলিশ কিরকম শিকতে হেল্প করেছেন টা জানাবেন
আমার প্রশ্ন অইখানে কি F** A* D* এইসব কথা নরমাল কথা বার্তা?কথাই কথাই এইসব বলে।

১২

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

সিংঘাম লিখেছেন:

ভাল হয়েছে thumbs_up
ভাই একতা বিষয়ে টপিক দেন যেটার বিষয় বাংলাদেশে থাকার সময় এবং USA থেকে আপনার ইংলিশ কিরকম শিকতে হেল্প করেছেন টা জানাবেন
আমার প্রশ্ন অইখানে কি F** A* D* এইসব কথা নরমাল কথা বার্তা?কথাই কথাই এইসব বলে।

প্রথম কোয়েশ্চেনটা ঠিক ধরতে পারলাম না.. হ্যাঁ, বাংলাদেশেও এমন অনেক গুলা আজে বাজে শব্দ কথা বলার সময় আমরা কমনলি ব্যবহার করি এটা কোনো বিগ ডিল না।

মেহেদী ভাই এই ঘটনার পর শিক্ষা হইছে অপরিচিত লোক থেকে সাবধান। সাদা হোক কালো হোক যে কেউই রিস্কি neutral

কোরাকোরা লিখেছেন:
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

তবে এরপর কেউ যদি মারাও যায় রাস্তার পাশে আর রাইড চায়। ভুলেও না। ভাই তুমি মরো আমি আমার পথ দেখি। ভুলেও কোনো স্ট্রেইনজারকে বিশ্বাস করবেন না।


আমি জানতাম ওদেশে প্রা্য সবাইই এ নিয়ম মেনে চলে।  tongue

না ভুল। কান্ট্রি সাইডে পুরা বাংলাদেশের মতই লোকজন। নেইবররা বাসায় এসে গল্প করে। সবাই সবার খোঁজ নেয় এই টাইপ।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

অসাম একটা অভিজ্ঞতা হলো আপনার  wink

অসাম হতে পারতো যদি মেয়েটা ভালো হইতো  wink

ইলিয়াস লিখেছেন:

বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন ভায়া ! এখন হতে আরো সাবধানে থাকবেন।

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

আল্লাহর অশেষ কৃপায় বড় বাঁচা বেচে গেছো বাঁচা

  হুম, সাবধান থাকতে হবে নাহলে নেক্সট টাইম বিপদ হতেও পারে

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

আমেরিকা দেখা যায় আমাদের দেশের মতই নিরাপদ lol lol

না সিটির দিকে একটু অনিরাপদ তবে যতো গ্রামের দিকে যাবেন নিরাপত্তা বাড়বে, নিউইয়র্কে আমরা বাসার গেইট খোলা রেখে বের হয়ে যাই। গারাজ ডোর তো মোস্ট টাইমস খোলাই থাকে কোনোদিন ভাবাও লাগে না roll

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আমি প্রথম ৪-৫ প্যারা পড়ার পর অন্য কিছু ভেবেছিলাম..   dontsee। বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন, একটা শিক্ষা হল, ভবিষ্যতে আর ভুল করবেন না।

অনিশ্চয়তার পৃথিবীতে অনিশ্চয়তার মাঝে ডুবে আছি।

১৪

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

নিউইয়োর্ক কি গ্রাম নাকি?? tongue  নাকি নিউওয়োর্কের কোন সাবার্বে থাকতেন??
আর কান্ট্রি সাইড বলতে কোনটা বোঝাচ্ছেন?? কান্ট্রি সঙ এর উৎস কি এটাই??

যাক এমিশ দের সম্পর্কে কেমন জানেন ভাই?? জানা থাকলে জানান কিছু
ওনাদের সম্পর্কে পড়ে আমি সত্যি অবাক... গত ৭ বা ৮ বছর যাবত এনাদের নিয়ে যা পেয়েছি তাই গিলেছি
নেটের সার্চ বাদ দিলাম কোন বই পড়াও বাদ দেই নাই ( যা পেয়েছি )

১৫

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

নফল নামাজ পড়েন ভাই ।

আসো প্রযুক্তি সাথে প্রেম করি !!!
brpass.org

১৬

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

নিউইয়োর্ক কি গ্রাম নাকি?? tongue  নাকি নিউওয়োর্কের কোন সাবার্বে থাকতেন??
আর কান্ট্রি সাইড বলতে কোনটা বোঝাচ্ছেন?? কান্ট্রি সঙ এর উৎস কি এটাই??

যাক এমিশ দের সম্পর্কে কেমন জানেন ভাই?? জানা থাকলে জানান কিছু
ওনাদের সম্পর্কে পড়ে আমি সত্যি অবাক... গত ৭ বা ৮ বছর যাবত এনাদের নিয়ে যা পেয়েছি তাই গিলেছি
নেটের সার্চ বাদ দিলাম কোন বই পড়াও বাদ দেই নাই ( যা পেয়েছি )

আমিশ না এদের ব্যাপারে আইডিয়া নাই। তবে আমার কিছু নেইটিভ এমেরিকান ফ্রেন্ড ছিলো চিরোকি গোত্রের। এরা একটু উইয়ারড টাইপের এবং মোস্টলী চরম রেইসিস্ট। তবে আমি নিজেও রেইসিস্ট দেখে খাপ খাইয়ে নিতে পেরেছিলাম  kidding

কান্ট্রি সাইডে থাকতাম আমি নিউইয়র্কের। সিটি থেকে প্রায় ৩ ঘণ্টার ড্রাইভ। নিউইয়র্ক সিটি থাকার জন্য আমার কোনোদিনও ভালো লাগে নাই কেন জানি। বেশী মানুষ দেখলেই অসহ্য লাগে  neutral

মুক্তবিহঙ্গ লিখেছেন:

আমি প্রথম ৪-৫ প্যারা পড়ার পর অন্য কিছু ভেবেছিলাম..   dontsee। বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন, একটা শিক্ষা হল, ভবিষ্যতে আর ভুল করবেন না।

হোপফুল্লী না

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

মাঝখান দিয়ে পড়ার সময় মনে হল থ্রিলার ,এমেইজিং লেখা । অবশ্য বাস্তব অভিজ্ঞতা এত সুখকর ছিল নাহ :p। যাই হোক একটা এডভেন্চার তো হল tongue । অনেক কিছুই হতে পারত  , বেচে গেছেন :v ।  তাও ভাল , আমার মত উইয়ার্ড অভিজ্ঞতা হয় নাই । :v

১৮

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

আপনি বিদেশে যাওয়ার আগে ইংলিশ কেমন পারতেন?যাওয়ার পর কেমন পারেন বলে মনে করেন?অই খানকার পরিবেশ আপনাকে বাশা(language)শিখতে কি রকম হেল্প করেছে?

১৯

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

ঢাকাতে ছিলেন না বলেন রক্ষা পেলেন না হলে  ghusi ghusi nailbiting nailbiting

জানতে চাই অনেক কিছু

২০

Re: মধ্যরাতের স্ট্রেইনজার!

সিংঘাম লিখেছেন:

আপনি বিদেশে যাওয়ার আগে ইংলিশ কেমন পারতেন?যাওয়ার পর কেমন পারেন বলে মনে করেন?অই খানকার পরিবেশ আপনাকে বাশা(language)শিখতে কি রকম হেল্প করেছে?

দেশে-বিদেশে যেখানেই থাকেন না কেন ভাষা শিখা পুরা আপনার নিজের ইচ্ছার উপর। অনেক পাবলিক দেখেছি ২০/২৫ বছর এমেরিকায় থেকেও ঠিক মতো কথা বলতে পারেনা বা পারলেও অনেকের উচ্চারণে প্রবলেম, শব্দ ভান্ডার নেই ইত্যাদি। আবার অনেকে বাংলাদেশে বসেও বেশ ফ্লুয়েনট অনেকে নিজ থেকেই খুব কম সময়ই ধরে নিতে পারে। এটা নির্ভর করে আপনার বয়স, কাদের সাথে মেলামেশা করছেন এবং নিজের ইচ্ছা এগুলার উপর। এরপরেও না ধরতে পারলে ধরে নিতে হবে আপনার ওয়ের্নিকির এরিয়ায় গন্ডোগোল আছে।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত