সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফায়ারফক্স (১৫-০৬-২০১৩ ১০:৫২)

টপিকঃ চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

লেখাটি পুরো আমার নয়, কিছু অংশ আমি যুক্ত করেছি অনুমতি নিয়েই
আমি চাণক্য নাম শুনেছিলাম ক্লাস ৬ এ।
চাণক্য মাণিক্য গণ.....                      বাণিজ্য লবণ মণ.....
                         বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা ।
কল্যাণ শোণিত মণি.....                     স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী .....
                         ফণী অণু বিপণী গণিকা ...।। 
এ রকম একটি শ্লোকে......
বাংলা ২য় পত্রেও ছিল।  এরপর অল্প বিস্তর জেনেছি কিন্তু আবুল ভাইয়ের কাছ থেকে । ভাইয়ের সাথে মেসেঞ্জারেও কথা হয়েছে ডিটেইল জেনেছি অনেক...... ওনার কাছে কৃতজ্ঞ


 
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/bn/c/ca/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF.jpeg


'চাণক্য' প্রাচীন ভারতের কূটনৈতিক ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নাম। পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত তশীলায় চণক-ঋষির ঔরসে মহামতি চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করেন। চণক-ঋষির পুত্র বলেই তাঁর নাম হয় 'চাণক্য'। তাঁর জন্মগ্রাম 'চানকা' থেকে 'চাণক্য' নাম হয়েছে বলেও অনুমান করা হয়। এছাড়া 'বিষ্ণুগুপ্ত' নামেও তিনি পরিচিত। চাণক্যের বিখ্যাত ছদ্মনাম 'কৌটিল্য'। কর্তব্যনিষ্ঠা ও কুটিলবুদ্ধি পরায়ণ বলে তিনি এ নামে অভিহিত। 'কুটিলা' গোত্রভুক্ত হওয়ার কারণে তাঁর 'কৌটিল্য' নাম হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।
সে সময়ে মগধে 'নন্দবংশ' নামে এক রাজবংশ ছিল। ঐ রাজবংশের শেষ রাজা ছিলেন ধনানন্দ। ধনানন্দের সৎভাই ছিলেন (পিতা মহাপদ্মের ঔরসে দাসী 'মুরা'র গর্ভজাত) চন্দ্রগুপ্ত। রাজা ধনানন্দ প্রজাদের কাছে প্রিয় ছিলেন না। পিতা মহাপদ্মের মৃত্যুর পর তিনি দাসীমাতা মুরা ও সৎভাই চন্দ্রগুপ্তকে রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেন। অপমানিত চন্দ্রগুপ্ত তার ভাই ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখলের চেষ্টা করেন। কিন্তু সে চেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হন এবং জীবন বাঁচাতে জঙ্গলে গিয়ে নির্বাসিত জীবন-যাপন করতে থাকেন।
মহারাজ ধনানন্দের পিতৃশ্রাদ্ধে পৌরহিত্য করার জন্য একজন ব্রাহ্মণের প্রয়োজন হয়। ব্রাহ্মণ সংগ্রহের দায়িত্ব পড়ে মন্ত্রী শকটার উপর। তিনি চাণক্যকে মহারাজ ধনানন্দের পিতৃশ্রাদ্ধে পৌরহিত্য করার অনুরোধ জানান। সে অনুরোধ অনুযায়ী চাণক্য যথাসময়ে রাজপ্রাসাদে উপস্থিত হয়ে পুরোহিতের আসন গ্রহণ করেন। চাণক্যের চেহারা খুব ভাল ছিল না। পুরোহিতের আসনে কদাকার ব্রাহ্মণ চাণক্যকে দেখে মহারাজ ধনানন্দ ভীষণ ক্রুদ্ধ হন এবং তাকে তিরস্কার করে সেখান থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। পণ্ডিত চাণক্য প্রথমে রুষ্ট না হয়ে মহারাজাকে হিতবাক্যে বুঝাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু রাজা ধনানন্দ কোন প্রবোধ না মেনে অপর লোক দ্বারা চাণক্যকে যথেষ্ট অপমান করেন। চাণক্য ক্রুদ্ধ হয়ে সেখান থেকে চলে আসেন এবং এই অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রতিজ্ঞা করেন।
চন্দ্রগুপ্ত যখন বিন্ধানের জঙ্গলে পলাতক ও নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন তখন ঘটনাচক্রে ঐ চাণক্যের সাথে তার সাক্ষাত হয়। চন্দ্রগুপ্ত তার সমস্ত কথা চাণক্যের কাছে খুলে বলেন এবং ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখলে চাণক্যের পরামর্শ ও সাহায্য কামনা করেন। চাণক্য ছিলেন প্রখর প্রতিভাধর কুটিলবুদ্ধি-সম্পন্ন পণ্ডিত। চন্দ্রগুপ্ত চাণক্যকে তার গুরু, উপদেষ্টা ও মন্ত্রণাদাতা হিসেবে মেনে নেন। চাণক্যের সক্রিয় সহযোগিতায় চন্দ্রগুপ্ত ক্রমে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং গুরু চাণক্যের সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুসারে ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখল করেন। সিংহাসনে আরোহন করার পর মাতা 'মুরা'র নামানুসারে (নন্দবংশের পরিবর্তে) রাজবংশের নামকরণ করেন 'মৌর্যবংশ' এবং পণ্ডিত চাণক্যকে করেন তার রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।
চন্দ্রগুপ্তের গুরু ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাণক্য অবলীলায় বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারতেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদে। কিন্তু তিনি তা না করে একটি শ্মশানে কুড়েঘরে সন্ন্যাসীর মত জীবন-যাপন করতেন। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের মত চাণক্যের চেহারা সুন্দর বা আকর্ষণীয় ছিল না। তিনি স্বাস্থ্যে ছিলেন দুর্বল কিন্তু পাণ্ডিত্যে ছিলেন সক্রেটিসের সমতুল্য। তিনি বিশ্বাস করতেন 'দেহের সৌন্দর্যের চাইতে চিন্তার সৌন্দর্য অধিকতর মোহময় ও এর প্রভাব যাদুতুল্য।' তিনি ছিলেন দক্ষ পরিকল্পনাবিদ, সিদ্ধান্তে অটল এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অত্যন্ত কঠোর। ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে দূরে থেকেও তিনি সর্ববিধ পরামর্শ দিয়ে রাজা চন্দ্রগুপ্তকে পরিচালনা করতেন। রাজা চন্দ্রগুপ্তের জীবনে চাণক্য ছিলেন সত্যিকার বন্ধু, দার্শনিক, গুরু এবং স্বর্গীয় দূততুল্য অভিভাবক। শ্মশানে থেকে (রাজ্য পরিচালনার পরামর্শদানের পাশাপাশি) অসংখ্য ভক্তদেরকে নৈতিক ও আর্থ-সামাজিক বিষয়েও তিনি জ্ঞানদান করতেন।
চাণক্যের অর্থবিষয়ক জ্ঞানের সংকলন হচ্ছে অর্থশাস্ত্র যা চাণক্যের 'অর্থশাস্ত্র' নামে পরিচিত একটি কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ। এ শাস্ত্রে আছে শাসকের উদ্দেশ্যে পরামর্শ, প্রজাদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও জীবনমান উন্নতকরার কৌশল। চাণক্য তার অর্থশাস্ত্রে রাজাকে এভাবে পরামর্শ দিয়েছেন- 'যে রাজা শত্রুর গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা করতে পারে না এবং শুধু অভিযোগ করে যে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে, তাকে সিংহাসনচ্যুত করা উচিত।' 'সকল উদ্যোগ নির্ভর করে অর্থের উপর। সে জন্য সবচেয়ে অধিক মনোযোগ দেওয়া উচিত খাজাঞ্চিখানার দিকে। তহবিল তসরুপ বা অর্থ আত্মসাতের চল্লিশটি পদ্ধতি আছে। জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর আস্বাদন করা সম্ভব নয়, তেমনি কোন রাজকর্মচারীর পক্ষে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না-খেয়ে ফেলার ঘটনা অসম্ভব ব্যাপার। পানির নিচের মাছের গতিবিধি বোঝা যেমন অসম্ভব, রাজকর্মচারীর তহবিল তসরুপ বোঝাও তেমনি অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতেও পাখির উড্ডয়ন দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর গোপন কার্যকলাপ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।' চাণক্যের পরামর্শ ও নির্দেশনাগুলি শুধু রাজ্যশাসনের ক্ষেত্রে নয়, এ যুগের বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তিনিই অর্থশাস্ত্রের প্রথম প্রবক্তা বলে অভিহিত। চাণক্যের অর্থশাস্ত্র উপবেদের অন্তর্ভুক্ত।

এই বিজ্ঞ ও বাস্তবজ্ঞান-সম্পন্ন পণ্ডিতের সমাজ, সংসার, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি সম্পর্কিত নীতিকথাগুলি (আজ আড়াই হাজার বছর পড়েও) গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেনি। আজও তা 'চাণক্য-শ্লোক' নামে ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। কথাগুলি যে চাণক্যের তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না, অথচ কথাগুলি আমাদের খুবই পরিচিত।

  • উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু।

  • ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।

  • একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।

  • একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়।

  • কর্কশ কথা অগ্নিদাহের চেয়েও ভয়ঙ্কর।

  • গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না

  • গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভাল, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।

  • চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিপিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্রগুণ ত্যাগ করে না।

  • তিনটি বিষয়ে সন্তোষ বিধেয়: নিজের পত্নীতে, ভোজনে এবং ধনে। কিন্তু অধ্যয়ন, জপ, আর দান এই তিন বিষয়ে যেন কোনও সন্তোষ না থাকে।

  • দুর্বলের বল রাজা, শিশুর বল কান্না, মূর্খের বল নীরবতা, চোরের মিথ্যাই বল।

  • দুষ্টা স্ত্রী, প্রবঞ্চক বন্ধু, দুর্মুখ ভৃত্য এবং সসর্প-গৃহে বাস মৃত্যুর দ্বার, এ-বিষয়ে সংশয় নেই।

  • নানাভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন সাধু হয় না, নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনও মধুর হয় না।

  • পাঁচ বছর বয়স অবধি পুত্রদের লালন করবে, দশ বছর অবধি তাদের চালনা করবে, ষোল বছরে পড়লে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মত আচরণ করবে।

  • পুত্রকে যাঁরা পড়ান না, সেই পিতামাতা তার শত্রু। হাঁসদের মধ্যে বক যেমন শোভা পায় না, সভার মধ্যে সেই মূর্খও তেমনি শোভা পায় না।

  • বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজনকালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।

  • বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ, তা দিয়ে সে গুহ্য-অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।

  • বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?

  • বিদ্যার চেয়ে বন্ধু নাই, ব্যাধির চেয়ে শত্রু নাই। সন্তানের চেয়ে স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।

  • বিষ থেকেও অমৃত আহরণ করা চলে, মলাদি থেকেও স্বর্ণ আহরণ করা যায়, নীচজাতি থেকেও বিদ্যা আহরণ করা যায়, নীচকুল থেকেও স্ত্রীরত্ন গ্রহণ করা যায়।

  • অকর্মারা সদাই ক্ষুধার্ত।

  • অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।

  • অভ্যাসহীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় বা মজলিশে কালক্ষেপ, এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।

  • ইন্দ্রিয়ের যে অধীন তার চতুরঙ্গ সেনা থাকলেও সে বিনষ্ট হয়  (চাচার বিষয়ে কিছু বলেছেন নাকি?? \"wink\" )

  • একা একা তপস্যা, দুইয়ে মিলে পাঠ, তিনে মিলে গান, চারে মিলে ভ্রমণ, আর পাঁচে মিলে (করলে) ক্ষেতের কাজ। বহুতে মিলে করা চলে যুদ্ধ।

  • এমনিতে কেউ কারও বন্ধু নয়, কেউ কারও শত্রু নয়, কারণেই শত্রু-মিত্র হয়ে থাকে।

  • কবিরা কি না দেখে, স্ত্রীলোকেরা কি না করে, মদ্যপেরা কি না কল্পনা করে, কাকেরা কি না খায়?
    কুয়োর জল, বটের ছায়া, যৌবনবতী স্ত্রী এবং ইটের তৈরি বাড়ি শীতকালে উষ্ণ এবং গ্রীষ্মকালে শীতল।

  • কূলের স্বার্থে একজনকে ত্যাগ করবে, গ্রামের স্বার্থে কূলকে ত্যাগ করবে, জনপদের স্বার্থে গ্রামকেও ত্যাগ করবে, আর নিজের স্বার্থে পৃথিবীকেও ত্যাগ করবে।

সূত্রঃ চাণক্য
-মো. আবুল হোসেন

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন কোরাকোরা (১৫-০৬-২০১৩ ১০:৪৩)

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

কয়েকটা লাইন বারবার এসেছে। এছাড়াও কয়েকটা প্যারতেও সামন্জস্য (বানান মেবি ভূল করেছি, কেউ ঠিক করে দিয়েন  tongue ) থাকেনি।

তবে ভাল হয়েছে।  thumbs_up

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

কোন অংশে ২বার এসেছে যদি কোট করে দিতেন এডিট করে দিতাম  sad

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

কোন অংশে ২বার এসেছে যদি কোট করে দিতেন এডিট করে দিতাম  sad


যাক, বাচলাম। কষ্ট করে উক্তি বাটনে একগাদা ক্লিক করা লাগল না।  lol

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

বুঝলাম না  confused
কোট করর আন্ডারলাইন করেন  cry

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

ইতিহাস বিভাগেতো পোষ্ট হয়ই না।

ফাফাকে ধন্যবাদ চানক্য'র ইতিহাস আমাদের সাথে শেয়ার করায়।

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

বুঝলাম না  confused
কোট করর আন্ডারলাইন করেন  cry


এডিট তো করসেনই, আর কি কোট করবো? waiting

যেটা নিয়ে ঝামেলা ছিল পুরো প্যারাটাই মনেহয় এখন গায়েব।  tongue (আমার মেমরী ভালো না)



বাই দ্যা ও্য়ে, খনা কে নিয়েও একটা পোস্ট দেন।(যদি আগে দেয়া না থাকে)

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

উপদেশমুলক কথাগুলো ভাল লাগলো।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

বাইদা ওয়ে কামশাত্রের জনক "বাৎসায়ন"  আর ইনি একই ব্যক্তি প্রমাণ পাওয়া যায়
যেমন অর্থনীতিতে তার বিখ্যাত ছদ্মনাম 'কৌটিল্য'

এনার আরও কিহু শ্লোক আছে...
এখানেই দিব নাকি আলাদা টপিক করব চিন্তায় আছি

আপনাদের মতামত কী??

১০

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

দারুণ টপিক  thumbs_up

চাণক্য হচ্ছেন সেইরকম একজন মানুষ যিনি নিজে কখনো রাজ্যশাসন করেননি, কিন্তু তাঁর অঙ্গুলিহেলনে গোটা রাজবংশের উত্থান-পতন ঘটে গেছে। চাণক্যের মত কূটনীতিবিদের সাথে নিকট ইতিহাসের মানুষদের মধ্যে সম্ভবত শুধুমাত্র বিসমার্ক আর গান্ধিজীর তুলনা হতে পারে।

বিঃদ্রঃ দার্শনিক চাণক্য, অর্থশাস্ত্র রচয়িতা কৌটিল্য এবং কামসূত্র সংকলক বাৎসায়ন - এই তিনজনে একই মানুষ কিনা তা নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে বেশ মতদ্বৈধ আছে।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

হৃদয়১ লিখেছেন:

বিঃদ্রঃ দার্শনিক চাণক্য, অর্থশাস্ত্র রচয়িতা কৌটিল্য এবং কামসূত্র সংকলক বাৎসায়ন - এই তিনজনে একই মানুষ কিনা তা নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে বেশ মতদ্বৈধ আছে।

উইকিপিডিয়া বলে প্রথম দুজন এক
কিন্তু বাৎসায়ন নিয়ে এখনও সংসয় আছে সত্য

আমি আপনার সাথে একমত নই। এনার সাথে কখনও গান্ধিজি তুলনা হতে পারে না...
দুটি আলাদা বিষয়। গান্ধিজীর জীবনে হিংসা দেখা যায় নি। ক্ষমতালোভী ছিলেন না এটা এমনিই বলা যায়, কিন্তু এনি ঠিক ক্ষমতালোভী না হলেও ক্ষমতা ব্যবহারে পটু সহ ক্ষমতা কামী ছিলেন। সব কিছু অধীন রাখতেই পছন্দ করতেন।
এনার অনেক শ্লোক কঠোর বিদ্বেষ পূর্ণ......
অনেক কমপ্লেক্স চরিত্র। পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট না থাকায় নির্ভুল বিশ্লেষন সম্ভব নয়।

১২

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

চাণক্যের সঙ্গে পরিচয় ঘটে ক্লাশ সেভেনে সংস্কৃত কোর্সে, সেখানে  চাণক্যের বিখ্যাত শ্লোক গুলো সংস্কৃত ভাষায় মুখস্থ করেছিলাম।

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

এনার আরও কিহু শ্লোক আছে...
এখানেই দিব নাকি আলাদা টপিক করব চিন্তায় আছি

আপনাদের মতামত কী??

গর্ভপাতের টপিক করে এক বিখ্যাত ফোরামিক ব্যান খেলেন।
ব্যাৎসায়নের কামসূত্র টপিক করলে, অাপনার কি অবস্থা হবে, সহজেই অনুমেয়।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হৃদয়১ (১৫-০৬-২০১৩ ২১:০৮)

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

উইকিপিডিয়া বলে প্রথম দুজন এক

উইকিপিডিয়ার নিবন্ধটির তথ্যসূত্রে কেবল দুটি বইয়ের রেফারেন্স আছে দেখছি। সুতরাং মতদ্বৈধতার ব্যাপারটি নিবন্ধ লেখক / লেখকরা জানতে পারেননি। উইন্টারনিটজ, কীথ, আর.জি. ভান্ডারকর প্রমুখ ঐতিহাসিকরা মত দিয়েছেন যে অর্থশাস্ত্র রচিত হয়েছে মৌর্যযুগের বহু পরে, খ্রীষ্টীয় প্রথম শতকে। ইংরাজি উইকিতে অর্থশাস্ত্রের লেখক সম্পর্কিত মতপার্থক্য বিষয়ে কিছু তথ্য পাবেন।

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

কিন্তু এনি ঠিক ক্ষমতালোভী না হলেও ক্ষমতা ব্যবহারে পটু সহ ক্ষমতা কামী ছিলেন।

গান্ধিজীও তাই ছিলেন  wink গান্ধিজী কখনোই কোনও রাজনৈতিক পদে ছিলেন না। জাতীয় কংগ্রেসের কোনও অধিবেশনে সভাপতি হননি, ইচ্ছা করলে জাতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হয়ে বসতে পারতেন, কিন্তু হননি। কিন্ত এই সম্পূর্ণ "ক্ষমতাহীন" মানুষটির এককথায় গণভোটে নির্বাচিত জাতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট সুভাষচন্দ্র বসুকে পদত্যাগ করতে হয়েছিলো, বদলে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন গান্ধিজী-ব্যাকড প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়া।

এবার নন্দবংশের শেষ রাজা ধননন্দের পতন আর চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সিংহাসনলাভের ঘটনাটি চিন্তা করে দেখুন তো?

এক মানুষের সাথে আরেক মানুষের সবকিছু মিলেনা। বিশেষত এই দুর্লঙ্ঘ্য দুহাজার বছর সময়ের ব্যবধান পেরিয়ে দুটি চরিত্রের তুলনা সত্যিই কঠিন। কিন্তু তাদের চরিত্রের এমন কিছু মূল বিষয়ের মিল আছে যে বিষয়গুলি চাণক্যকে চাণক্য বানিয়েছে আর গান্ধিজীকে বানিয়েছে গান্ধিজী। তাই বলেছি এ দুজনের মধ্যে তুলনা চলে।

আর গান্ধিজী বা চাণক্য এঁদের কাউকে খারাপ বলছি না। ইনফ্যাক্ট, এইরকম চরিত্রগুলোই মানুষের আদর্শ হওয়ার যোগ্য।

"No ship should go down without her captain."

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফায়ারফক্স (১৫-০৬-২০১৩ ২১:৩৫)

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

অরিহন্ত লিখেছেন:

চাণক্যের সঙ্গে পরিচয় ঘটে ক্লাশ সেভেনে সংস্কৃত কোর্সে, সেখানে  চাণক্যের বিখ্যাত শ্লোক গুলো সংস্কৃত ভাষায় মুখস্থ করেছিলাম।

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

এনার আরও কিহু শ্লোক আছে...
এখানেই দিব নাকি আলাদা টপিক করব চিন্তায় আছি

আপনাদের মতামত কী??

গর্ভপাতের টপিক করে এক বিখ্যাত ফোরামিক ব্যান খেলেন।
ব্যাৎসায়নের কামসূত্র টপিক করলে, অাপনার কি অবস্থা হবে, সহজেই অনুমেয়।

না না দাদা আমি এনার অর্থ শাস্ত্র, বন্ধুত্ব, কর্ম  নিয়েই টপিক দিব ভাবছি.........  একেবারে ৬+

আর এবরশনের টপিকের চাণক্য কিন্তু আমি নিজেই। হেঃ হেঃ যেটা যার করা উচিৎ সে না করে অন্য কেউ করলে ধরা খাওয়া স্বাভাবিক। আমি পোষ্ট করলাম, আমার পারমিশন ছাড়া আইডিয়া নিয়া লিখলে এমন হবেই
কে জানে এর পিছনে হয়ত সেই চাণক্যই কল কাঠি নেড়েছে thinking thinking

আর আমি টপিক দিলে ওটা এমন ভাবে স্যান্ডউইচ করে দিতাম, টপিক ডিলেট দূরে থাক মডারেটর গন নিয়ে এসে দু লাইন গেয়ে যেতেন। ফোরামের মালিককে ধূর্ত কৃষক বানানো হল, কানো কান খবর হল না এটাতো নস্যি
আসল কথা মগজের সূক্ষ ব্যবহারেরও দরকার আছে

১৫

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

অরিহন্ত লিখেছেন:

গর্ভপাতের টপিক করে এক বিখ্যাত ফোরামিক ব্যান খেলেন।

না জেনে এরকম কথা না বলাই ভাল। তাতে পরে কনফিউশন তৈরী হবে। বরং কোন অথেন্টিক সোর্স যেমন মডারেটরের কথা বা যিনি ব্যান হয়েছেন তার কাছ থেকে জেনে বলুন।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

১৬

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

বস, পুরটা পরিড়াই, আগেই রুপু দিয়ে রাখলাম।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৭

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

ভাল লাগল........ সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৮

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

অসাধারণ টপিক দাদা thumbs_up clap

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য?

দাদা ভাল পোস্ট ধন্যবাদ ।