টপিকঃ হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

মাসুদ আখন্দ ভাইয়ের ডকুমেন্টরিটা দেখে গল্পের প্লটটা মাথায় এলো ।ডকুমেন্টরিটির নাম ছিলঃ দাসের রানী ।এই নিয়ে ওনি একটা ছবিও বানাতে চান ।

এক
কুপিটার আলো কমে এসেছে ।আবছা আবছা চোখে ওটার দিকে তাকিয়ে আছে রেশমা ।পাশে একটা লোক নাক ঢেকে ঘুমোচ্ছে ।গরর ..গরর ..ক্রমাগত আওয়াজ ।ঘৃনার চোখে লোকটার দিকে তাকাল সে ।গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি ,ফোলা ফোলা চোখ ,নাকটা খাড়াই বলতে গেলে ।বয়স ৫০এর নিচে হবেনা ।কে জানে রেশমার বাবার বয়সও হয়তো পঞ্চাশ হবেনা ।
দরজায় হঠাত্ শব্দ হয় ।ঠক ! ঠক !
তারপর একটা চড়া গলার আওয়াজ ।
: হারামজাদী ! কাম শেষ অয়ছে ?
রেশমার কথা বলতে ইচ্ছে করেনা ।মহিলার নাম রমেজা ।এই পতিতাপল্লির রানী বলা চলে ।এই মহিলার গলা শুনলেই ওর মুখে এক দলা থুথু চলে আসে ।মনে হয় পুরো মুখ থুথু দিয়ে ছেয়ে ফেলে ।
: অয় !
কথা বলতে কষ্ট হয়।তবু বলে ।মারের ভয়ে বলে । মহিলার গায়ে অশুরের শক্তি ।হাত নয় যেন লোহা ।মারেও নির্দয়ভাবে ।
: দরজা খোল হারামজাদী ।
বাইরের থেকে আবার কথা ভেসে আসে ।
রেশমা উঠে বসে । কুপিটা নিভু নিভু হয়ে এসেছে ।হাতে তুলে নিতেই নিভে যায়  ওটা ।একরাশ অন্ধকার ঘিরে ধরে ওকে ।
হাতরে হাতরে দরজার খিল খোলে দেয় ।
: ঘুমাইছে ?
ফিসফিস করে বলে মহিলা ।
: হয় !
অন্যদিকে তাকিয়ে বলে রেশমা ।রমেজার দিকে তাকাতে ওর বড্ড ঘৃনা হয় ।
ওর মাও তো মহিলা ।আহা ! কত দিন দেখেনা মাকে ও ।
সহসা মায়ের জন্য খুব দুঃখ হয় ওর ।মন চায় এক ছুটে মায়ের কাছে চলে যায় ।ঝাপিয়ে পড়ে মায়ের কোলে ।
ততখনে রমেজা চৌকির কাছে চলে গেছে ।কুপিটাও ধরেয়েছে।ঘরটায় দুদ্যলমান আলো ছায়া খেলা করছে ।
চৌকিতে ওপুর হয়ে লোকটা এখনও ঘুমোচ্ছে ।
দরজায় দাড়িয়ে ওদিকে তাকিয়ে থাকে রেশমা ।
রমেজা লোকটার প্যান্ট হাতরে হাতরে দেখে কিছু আছে কিনা ।একটা মানি ব্যাগ বেরোয় ।তাতে দুশো টাকা ।
টাকাটা ট্যাকে গুজে মানি ব্যাগটা দরজার দিকে ছুড়ে মারে রমেজা ।
: শালা খচ্চর !
টাকা কম থাকায় মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে যায় ।
: ঐ মিয়া উডো !ভোর অয়ে গেছে !হালা বুইড়া !

লোকটা নড়েনা ।তেমনি বেঘোর ভাবে ঘুমোতে থাকে ।
: মইরা গেল নাহি ?
ভয়ে ভয়ে বলে রেশমা ।
: মরা বাইর করতেছি ।কুত্তার বাচ্ছা খাড়াইয়া দেহছ কি ?লাডিডা আন !

আবার মেজাজ খারাপ হয়ে রেশমার ।রমেজা যখন তখন ওর বাবা মাকে তুলে গালি দেয় ।
দরজার একপাশে রাখা লাঠিটা নিয়ে এগিয়ে যায় রেশমা ।
: হারামজাদি এতখন লাগে ? তোর বাপেরে খেদান লাগব খেল নাই ?
এবার আর নিজেকে সামলাতে পারেনা রেশমা ।ঐ পশুটার সাথে ওর বাবার তুলনা ?
যে কিনা তাকে সাড়াটা রাত ক্ষুধার্ত পশুর মত খোবলে খেয়েছে ।আর দ্ধিধা করেনা ও ।হাতের লাঠিটা সজোরে চালিয়ে দেয় রমেজার মাথায় !
রমেজা এলিয়ে পড়ে ।কুপিটা গড়িয়ে পড়ে আলমারিটার কাছে ।কেরোসিন পড়ে মুহুর্তে আগুন ধরে যায় কাপড় গুলোতে ।
ঘটনার আকস্মিকতায় বিমূঢ় হয়ে দাড়িয়ে থাকে রেশমা ।
আগুন জ্বলতে থাকে দাউ দাউ করে ।এ আগুন যেন ওর মনে জমতে থাকা কষ্টের ,যন্ত্রনার বহিঃপ্রকাশ !
দুই
আগুনের আচে সম্বিত্ ফিরে পায় রেশমা ।পালাতে হবে ।এখুনি পালাতে হবে ।এই সুযোগ ।এইই একমাত্র সুযোগ মুক্ত হবার ।মায়ের কোলে ফিরে যাবার ।সচেতন মন বারবার তাগাদা দেয় ওকে ।দ্রুত ঘরে থেকে বেরিয়ে যায় ও ।আরে !লোকটাতো এখনও ঘরে আছে ।রমেজাও ।পুড়ুক !পুড়ে মরুক দুই পাপী ।ছুটতে গিয়েও আবার থমকে দাড়ায় ও ।জানালা দিয়ে ঘরে উকি দেয় ।লোকটার ঘুম বটে ।মুখের দিকে তাকিয়ে কেমন যেন মায়া হয় ওর ।বাবার সাথে কোথাও মিল আছে ।
ছিঃছিঃ কি ভাবছে ওসব ও । আবার ছুটতে গিয়ে থমকে দাড়ায় ।ঘরে ঢুকে টেনে হিচরে লোকটাকে বের করে আনে ।ঘুম ভেঙ্গে গেছে লোকটার ।অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে লোকটা ওর দিকে ।
রেশমা লোকটার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারেনা ।ও অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে ।ওর চোখে জমে আছে তখন একরাশ ঘৃনা !

তিন

অবশেষে বাড়ি ফিরে আসে রেশমা ।প্রিয় মায়ের কোলে ।মায়ের বাড়িতে ।তবু কেমন যেন সবকিছু অন্যরকম লাগে ওর ।ঘর থেকে বের হতে পারেনা ও ।ভাল লাগেনা ওর ।সবাই জেনে গেছে ওর কথা ।ও কোথায় ছিল তাও ।সবাই ঠাট্টা মস্করা করে ওকে নিয়ে ।
খেয়াল করে দেখেছে রেশমা ,সে ঠাট্টার আনাচে কানাছে লুকিয়ে থাকে শত সহস্র কাটা ।খুব বিধে ওর কথা কথাগুলো ।কষ্টও হয় খুব ।
ওর জন্য মা বাবা এমনাকি ছোট ভাইটাও স্কুলে যেতে পারছেনা ।
: কিরে দিনে কত করে কামাতি ?
কে জেন বাড়ির পিছন থেকে উচু স্বরে বলে ।
: টাকা পয়সা তো কম না ।মউজ মস্তিউতো খুব ।ফিরলি ক্যান ?
আরেকজন গলা মেলায় ।
মা বাবা কেউ ঘরে নেই ।থাকলেও কিছু করার নেই ।কজনের মুখ আটকাবে ওরা ? কজনকেই বা গালি দিয়ে তাড়িয়ে দিবে ?
ঠোট তির তির করে কাঁপে ওর ।চোখ দিয়ে জল আসেনা ।সত্যিই একটুও জল আসেনা ওর চোখে ।চৈত্রের প্রখর রোদ্রে যেমন খাল বিল শুকিয়ে যায় ,তেমন নির্দয় সমাজের ধিক্কার ধিক্কারে শুকিয়ে গেছে ওর চোখের সব জল ।সে চোখ এখন শুধু বড় বড় হয়ে আশপাশটায় তাকিয়ে থাকে ।একটু ঠাই খোঁজে ।একটু শান্তি খোঁজে ।একটু বাঁচার আশ্রয় খোঁজে ।
সহসা বিছানা থেকে উঠে দাড়ায় রেশমা ।দরাম করে বন্ধ করে দেয় দরজাটা ।
আলনায় রাখা উড়নাটা আর চৌকাঠের কাঠটার দিকে একবার তাকায় ও ।
হ্যা একটা পথ পাওয়া গেছে ।এই পথেই হারিয়ে যাবে ও ।বড় অপরাধ করে ফেলেছে সে  সমাজের কাছে ।
তাকে হারিয়ে যেতেই হবে !

সমাপ্ত

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

কিচ্ছু বলার নাই  sad

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

এদেশে যৌনকর্মীরা নানাভাবে উপেক্ষিত। যৌনকর্মীদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা নিয়ে একটা লেখা পড়তে পারেন: http://www.bn.bdeduarticle.com/%E0%A6%A … %E0%A6%B6/

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

ভালোই

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

গল্পটা ভাল, তবে ইনকমপ্লিট। কারণ কিভাবে মূল চরিত্র নিজের বাসা থেকে ওখানে গিয়ে পড়লো সেটা সম্পর্কে একটুও হিন্ট নাই।

জাবেদ হোসেন দেখি এই বয়সেই দুনিয়ার তাবৎ বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছো!

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

শামীম লিখেছেন:

গল্পটা ভাল, তবে ইনকমপ্লিট। কারণ কিভাবে মূল চরিত্র নিজের বাসা থেকে ওখানে গিয়ে পড়লো সেটা সম্পর্কে একটুও হিন্ট নাই।

জাবেদ হোসেন দেখি এই বয়সেই দুনিয়ার তাবৎ বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছো!

আমার একটা মহা প্রবলেম আছে ।কোন কাজ অর্ধসমাপ্ত রাখলে সেটা আর করা হয়ে উঠেনা ।
তাছাড়া মোবাইলে লিখছিলাম (টেক্সট সংখ্যা ৪০০০লিমিট) ,দ্রুত শেষ করতে গিয়ে গোবলেট করে ফেলেছি ।

ইচ্ছা ছিল ঐ বয়স্ক লোকটার মাধ্যমে সে বাড়ি খোঁজে পাবে !

দেখি আজকে এডিট করতে পারি ।
শামীম ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ !

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

খুবই দুঃখজনক হলেও সমাজের কিছু নিকৃষ্ট কারণে এরা এই পেশায় লিপ্ত হয়।আর সেই সমাজই তাদের ঘৃণার বঞ্চণার চোখে দেখে।

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

mizvibappa লিখেছেন:

খুবই দুঃখজনক হলেও সমাজের কিছু নিকৃষ্ট কারণে এরা এই পেশায় লিপ্ত হয়।আর সেই সমাজই তাদের ঘৃণার বঞ্চণার চোখে দেখে।

সভ্য সমাজে আরও নিকৃৃষষ্টভাবে অপমানিত হয় যখন সে সৌভাগ্যক্রমে (নাকি দুর্ভাগ্যক্রমে) এ পেশার খাচা থেকে বেরিিয়ে আসে...

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

জটিল একটা সমস্যা নিয়ে লিখেছেন ! ভালো লাগলো । বিষয় বস্তু শিরোনামে উল্লেখ না করলেও পারতেন । পাঠকরা পড়েই এটা উপলব্ধি করবে যে, থিম টা কি !

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

শামীম লিখেছেন:

গল্পটা ভাল, তবে ইনকমপ্লিট। কারণ কিভাবে মূল চরিত্র নিজের বাসা থেকে ওখানে গিয়ে পড়লো সেটা সম্পর্কে একটুও হিন্ট নাই।

আমিও উনার সাথে একমত।
তবে আপনার লেখনি অনেক ভাল। clap clap চালিয়ে যাবেন আশা করি।

তীর্থের কাকের মত চেয়ে আছি তোমার পথের পানে। কবে আসবে তুমি?

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (০৮-০৬-২০১৩ ২৩:৫১)

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

একটি মুসলিম রাষ্ট্রে কিভাবে এই ধরনের অশ্লীল অসামাজিক কর্মকান্ড লিগালি চলতে পারে সেটা ভেবে পাই না। প্রস্টিটিউটদের পুনর্বাসন করে এদের একটা সুস্থ জীবন ফিরিয়ে না দিয়ে উল্টো তাদের অসামাজিক কর্মকান্ডকে লিগালাইজ করে দেয়া হয়েছে। আসতাগফিরুল্লাহ। অসভ্য জানোয়ারেরা কেনো প্রস্টিটিউটদের পুনর্বাসন করবে। তারা নিজেরাই এদের ভোগ করে।  angry

১২

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

খারাপ না ।

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০৯-০৬-২০১৩ ১১:১১)

Re: হারিয়ে গেছি এই পথে ..(যৌনকর্মীদের নিয়ে লেখা একটি গল্প)

জাবেদ ভাইয়ের গল্পের স্টোরীলাইনটা সুন্দর। আপনার লেখনী সম্ভাবনাময় - তবে একটু তাড়াহুড়ো ধরণের খাপছাড়া হয়ে গেছে, আরেকটু ধারাবাহিকতা আনতে পারলে ভালো হতো  thumbs_up

আমার এক নানী (তাঁকে আমরা বাঙ্গালী মাদার টেরিজা বলে ক্ষেপাতাম  tongue ) জনসেবামূলক কাজে প্রচুর সময় ব্যয় করতেন। কয়েকজন সমমনা মহিলাদের একত্রিত করে তিনি ছোটোখাটো একটি প্রাইভেট এনজিও চালাতেন। ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি অনেক ঝক্কিঝামেলা করে ঢাকার অদূরে একটি কনভেন্ট জাতীয় প্রতিষ্ঠান চালু করেছিলেন তাঁরা। (ঐ সময় নারায়ণগণ্জের আশেপাশে একটা বড় রেডলাইট ডিস্ট্রিক্ট ছিলো) প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র যৌণকর্মীদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। যৌণকর্মীদের সন্তানদের সুন্দর শিশুবান্ধব পরিবেশে শিক্ষার আলো এবং বস্ত্র, বাসস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা দিয়ে শিশুদের স্বাভাবিক, সমৃদ্ধ জীবন দান করা ছিলো তাঁদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য।

তবে ইনিশিয়াল প্রযেক্টটি ফেইল করে।

কি কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছিলো সঠিক জানি না। হয়তো যৌণকর্মীদের কনভিন্স করাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, বা কোনো কারণে কর্মীরা তাঁদের বিশ্বাস করে উঠতে পারেনি। যে কারণেই হোক, আয়োজনের তুলনায় উদ্যোক্তারা আশাব্যণ্জক সাড়া পান নি। পরে সিদ্ধান্ত বদলে প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এ্যাভারেজ এতিমখানায় পরিণত করেন তাঁরা।

যতদূর জানি অরফানেজটি এখন বেশ ভালোই চলছে। বছরকয়েক আগে এক আত্মীয় তাঁর সন্তানদের বার্থডে উপলক্ষে ওখানে ফীস্টের ব্যবস্থা করেছিলেন। সে উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু ফটো দেখেছিলাম। অসংখ্য পিচ্চিপুচ্চি ছেলে-মেয়েদের (শ'দুয়েকের বেশীই হবে) দেখে খুব ভালো লেগেছিলো। কে জানে, ওদের মধ্যে কয়েকজন হয়তো এসেছে কোনো ভিন্ন জগৎ থেকে...  neutral

এই নানী আবার বেশ ফ্যানাটিক তবলীগ-স্টাইলের ধার্মিক। ছোটোবেলায় আমরা কাজিনরা সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই তাঁর চোখের আড়ালে ভাগতাম... go figure  lol

We humans are a strange bunch! কেউ কেউ বণ্চিতদের ঘৃণা করি। আবার আমাদের মধ্যেই কেউ কেউ ঘৃণাকে শক্তি বানিয়ে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করি...

Calm... like a bomb.