২১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সারিম (০৭-০৫-২০১৩ ১২:৩৩)

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

সালেহ আহমদ লিখেছেন:

ভুয়া ছবি ব্যবহার করার আগে যাচাই বাচাই করে নিবেন।

হু, সালেহ ভাইয়ের সাথে একমত  lol যাচাই বাছাই করে নিবেন যেন গুগল ইমেজ সার্চের প্রথম পাতাতেই না আসে, একটু রেয়ার দেখে ছবি দিবেন, নাইলে এডিট করে কালার টোন হাবিজাবি চেন্জ করে দিবেন যেন ৫ সেকেন্ডেই ধরা না খেয়ে যায়  lol2 lol2 lol2

অটঃ "মতের বিপক্ষে গেলেই মাইনাস দেওয়ার প্রবনতার" জন্য মাইনাস দিলেন, বাট যে পোস্টে দিলেন সেই পোস্টে আমি কেমনে মাইনাস দেওয়ার প্রবনতা দেখাইলাম মাথার উপর দিয়া গেল।

২২

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

বিংশ শতাব্দির এই যুগে কোন ঘটনাকেই কেহই আড়াল করতে পারবে না, মানুষ এখন ফেবু আর গুগোলে চার্চ করে সব তথ্য পেয়ে যায় নিমিশেই

"We want Justice for Adnan Tasin"

২৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তামিম৬৯ (০৭-০৫-২০১৩ ১৩:১৫)

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

আমি আরো দুইটা ছবি যোগ করি, খালি এই দুইটা না আরো মেলা আছে, হাতের কাছে পাইছি এই দুইটা। এদের চরিত্র বোঝার জন্য যথেষ্ট হবে।
http://img833.imageshack.us/img833/6175/92331516004744083816935.png

২)
http://img802.imageshack.us/img802/6193/image3nz.png

এর যাই বলে মিথ্যা বলে।

## জামাতের মহিলা আমীর এবং তার "দুদু" আর মতি কন্ঠ আনোয়ার বলে, ম্যালাআআআ লাশ গুম করা হয়েছে। আরে বেটা, মতিঝিলে যারা এসেছে এদের কারো মাদ্রাসায় রোল নম্বর আছে অথবা মাস শেষে বেতন তোলার নাম্বার আছে। যারা নিখোজ তাদের নাম পরিচয় বের করে প্রকাশ করা তো দুই ঘন্টার ব্যাপার।

তামিম৬৯'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৪

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

আউল লিখেছেন:

বিংশ শতাব্দির এই যুগে কোন ঘটনাকেই কেহই আড়াল করতে পারবে না, মানুষ এখন ফেবু আর গুগোলে চার্চ করে সব তথ্য পেয়ে যায় নিমিশেই


ফেসবুকে তো আপনারা উল্টাপাল্টা অনেক ছবি ই শেয়ার মারেন।এই সব উল্টাপাল্টা ছবি ই পাওয়া যায় ফেবু তে।যেগুলা দেখে কতগুলা ****** না বুঝেই ম্যা ম্য করে

ভাবতে ভীষন অবাক লাগে............নেই আমি আর আগের মত

২৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৭-০৫-২০১৩ ১৪:০২)

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

@আউল
ফেসবুকের ৮০% তথ্য ভুয়া হয় ।

@ঈগল ভাই
ভাই দুঃখিত প্রথমে প্লাস দেবার জন্য। আপনার পাওয়া মাইনাস দিয়ে দিলাম - মিথ্যা ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে উস্কানি দেবার জন্য।

২৬

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

আমি বুঝি না ভুল তথ্য দিয়ে আমাদের মতন টেকি মানুষকে বোঝানোর মানে কি । ২৪ ঘন্টা অনলাইনে থাকি আর গরুর ঘাস কি তাও চিনবো না এইটা হল । এমন তথ্য দিবেন যেখানে ছবি আফার মতন হা হুতাশ করে বলতে পারবো - ধুর দেশটায় কি শুরু হইলো

ভন্ডামি ছাড়েন , ইসলাম কে আপন মনে করলে অন্তত ইসলামের কথা বলুন , এমন কথা যেটা মেনে নিতে পারবো আর ১০০% নিশ্চিত না হয়ে কোন ও রকম নিউজ দিয়ে ভ্রান্তি ছড়ানোর চেস্টা করবেন না  shame

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

২৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন প্যারিস (০৭-০৫-২০১৩ ১৬:১৪)

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

আমারও হাতটা ইস পিস করছে কষে একটা মাইনাস দেবার জন্য। আর যেটা কিনা হত আমার তরফ হতে প্রথম কাউকে মাইনাস। না থাক।

একটা কারনে প্লাসও দিতে ইচ্ছে করছে, সেটা এই টপিকের জন্যই শিখতে পারলাম Google matching images search।  thumbs_up  thumbs_up

সারিম ভাইকে একটা +

২৮

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

red_devil লিখেছেন:

আপনারা উল্টাপাল্টা অনেক ছবি ই শেয়ার মারেন।


দয়া করে বিষয়টিকে ব্যাক্তিগত আক্রমনের দিকে নিবেন না

"We want Justice for Adnan Tasin"

২৯

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

'হুজুর আমাগো ধোঁকা দিছে'

Calm... like a bomb.

৩০

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

এখানে কিছু ছবি  রয়েছে, কোনটা সত্যি কোন মিথ্যা আপনারা বিচার করবেন। কিন্তু সেই রাতের গুলি আওয়াজ আমার কাছে সত্য। আমার কান এর স্বাক্ষী দেয় বারে বারে......


লিংক.......

৩১

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

হতে পারে ১% মিথ্যা. তাছাড়া সবই সত্যি! কি বলেন ?  roll

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৩২

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

সরকারের উচিৎ ছিলো প্রেসনোটের মাধ্যমে সত্যটা জনগনকে জানানো , সবাই তো এখন কথা বলছেন অনুমানের ভিত্তিতে

"We want Justice for Adnan Tasin"

৩৩

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

এতক্ষণ শুনছিলাম তিন হাজার মারা গেছে lol2 এখন এক ধাক্কায় এক লক্ষে উঠে গেছে  lol2 lol2
http://i.imgur.com/yGEXCmo.png

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

৩৪

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

ডেডুদা - রাখাল বালক এর গল্প টা মনে আছে তো আপনার ?

মনে রাখবেন একদিন এই লোকের কোন ও উপকার এর সময় একটা স্ট্যাটাস দিলে ও কেউ এগিয়ে যাবে কি না সন্দেহ কারন মিথ্যা ছড়াতে ছড়াতে এই লোক ভাতের পাতে রক্ত আর গ্লাসের পানিতে জিহাদি ছাপ দেখচে । হোলি শিট এবং বুদ্ধিবিহীন একটা প্রতিবন্ধী মানুষ কে আমি "পাগল" আখ্যায়িত করলাম ।

আউল ভাই দেখেন - মানুষ মানুষের জন্য বলেছেন না , এই যে লোকটা হেফাজত এর নিহত মানুষগুলোকে যতটুকু না ফলাও করেছেন , ফোরামের নামি দামী বিজ্ঞ লোকেরা যতটুকুনা আবেগ দেখিয়েছেন তার কতটুকু সাভার ট্রাজেডি নিয়ে দেখিয়েছে ? বলেন ভাই এই মানবতা !!  neutral

ভন্ড ইসলামের ব্যাবহার করছে কিছু উন্মাদ মানুষ , থুঃ

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

৩৫

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

সাভার ট্রেজেডিতে কস্ট পায়নি এমন মানুষ এই পৃথিবীতে নেই,
শুধু মাত্র ২ জন বড় মানের মন্ত্রী ছাড়া ...............

মানুষ মানুষের জন্য এটা উপলব্ধি করে প্রতিটি মানুষ, আর যারা মানুষ নয় তারা লাশের উপর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেস্টা করে, যেমন করা হয়েছিলো উল্লাশ বিশ্বজিৎকে নিয়ে

"We want Justice for Adnan Tasin"

৩৬

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

আউল ভাই আপনাকে যতই কিছু দেখাতে যাই আপনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সরকার দলীয় হয়ে পড়ছেন  kidding , আমি অফ গেলাম নেক্সট সরকার এর সময় আপনার সাথে এ নিয়ে আলাপ হবে  wink

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

৩৭

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

১. সংখ্যা বড় নয়, প্রতিটি নিহত হওয়ার ঘটনাই বেদনার। গতরাতে মতিঝিলে যাঁরা অবস্থান নিয়ে ছিলেন, তাঁরা বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠি নয়, বরং বিভিন্ন মাদ্রাসার তালিকাভুক্ত ছাত্র। যেসব রাজনীতিবিদ শত শত কিংবা আড়াই হাজার টু তিনহাজার লোক নিহত হওয়ার দাবি করছেন, তাঁদের উচিত হবে নিহতদের তালিকা প্রকাশ করা। এরা কোন কোন মাদ্রাসার ছাত্র সেটা বলা এবং মাদ্রাসার রেকর্ড থেকে এদের ঠিকানা প্রকাশ করা। আড়াই হাজারজনের না পারেন অন্তত ১০% হিসেবে আড়াইশ নিহতের নামঠিকানা প্রকাশ করুন। সেটাও যদি না পারেন তাহলে ৫% হিসেবে ১২৫ জনের নাম ঠিকানা প্রকাশ করুন। সেটাও না পারলে ২.৫% হিসেবে ৭২ জনের নাম ঠিকানা প্রকাশ করুন। আর যদি কিছুই না পারেন, তাহলে বাড়ি গিয়া ঘুম দেন। সরকার আধাঘন্টায় আড়াইহাজার লোক হত্যা করে লাশ গায়েব করে ফেলল আর আপনারা এর ২.৫% এর নামও প্রচার করতে পারেন না, এমন এফিশিয়েন্সি নিয়া সরকারকে ফেলে দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে গরম গরম বক্তৃতা দেয়া নির্বুদ্ধিতা।

২. হেফাজতের অবরোধ পরবর্তী জনসভা করতে সরকার অনুমতি দিয়েছিল। অনুমতি না দেয়া হলে ভাংচুরের একটা যুক্তি থাকে, অনুমতি দেয়ার পরেও মতিঝিল এলাকায় তাণ্ডব, মসজিদে হামলা এবং কোরআনের দোকান পুড়িয়ে ফেলা, ব্যাংক ও সোনার দোকানে হামলায় জড়িয়ে পড়ার কোনো যুক্তিই থাকতে পারে না।
কওমী মাদ্রাসার ছদ্মাবরণে এই কাজগুলো কারা করেছে? হেফাজতের মধ্যে শিবির ঢুকে পড়বে, এমন হুশিয়ারিকে কারা হেসে উড়িয়ে দিয়েছে, আজকে তাদের নাম প্রকাশ করুন।

৩. আল্লামা শফী কেন হঠাৎ করে মাঝরাস্তা থেকে ফিরে গিয়েছিলেন, হঠাৎ করেই রাত ৮টায় কেন অবস্থান নেয়ার মতো হঠকারি সিদ্ধান্ত নেয়া হলো-এটি খতিয়ে দেখা দরকার। পর্দার আড়ালে কারা খেলছে? শফী গ্রেফতারের গুজব রটিয়ে চট্টগ্রামে তাণ্ডবের পেছনে কারা? আজ রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর হামলা করার জন্য কারা গুজব ছড়িয়েছিল হাটহাজারিতে, এসব তদন্ত হওয়া দরকার।

৪. বিদায় হজ্বের ভাষণে মহানবী ( সাঃ) বলে গেছেন, 'সাবধান! ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। এই বাড়াবাড়ির কারণে তোমাদের পূর্ববর্তী বহু জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।'

৫. ফেসবুকে দেখলাম রাত ১২টায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়া মাত্র শাহবাগে মোমবাতি জ্বালিয়ে অনেকেই অবস্থান নিয়েছেন। সিদ্ধান্তটি সমর্থন করলাম না। হেলিকপ্টার চড়ার অভ্যাস না থাকলে হঠকারি সিদ্ধান্ত না নেয়াই ভালো।

৬. বায়তুল মোকাররমের কোরআন বিক্রেতা এবং এবং অন্যান্য হকারদের পুনর্বাসনের জন্য দয়ালু ব্যক্তিরা এগিয়ে আসবেন-এমনটা আশা করি।

সুত্র

তামিম৬৯'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৩৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সীমান্ত ঈগল (মেহেদী) (০৭-০৫-২০১৩ ১৮:২৫)

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

সত্য কখনো লুকানো যায় না, অপেক্ষায় থাকেন....... লাশের সঠিক সংখ্যা  হয়তো অচিরেই আমরা জানতে পারবো। হেফাজতের দাবী ৩ হাজার। কিন্তু সঠিক সংখ্যা কত কে জানে!
এই ম্যাসাকারের পক্ষে আওয়াজ যারা তুলছেন, তাদের জন্যে সত্যি লজ্জা লাগছে। অনেকে বলেছেন উস্কানি দেয়া হচ্ছে, এত্তবড় ক্রাক ডাওনের পর যারা সরকারের পক্ষে আওয়াজ তুলছেন তাদের বিবেকের প্রতি ধিক্কার। আর কিছুই বলার নেই। কালকের অভিযানের আগে কেন বিদ্যুত সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হল? কাল রাতেই কেন দিগন্ত-ইস টিভি বন্ধ করে দেয়া হলো। বলা হচ্ছে ১০ মিনিটের অভিযান, কিন্তু মতিঝিলের পাশে থেকেই আমরা গভীর রাতে দেড়-দুই ঘন্টাব্যাপী ক্রমাগত বুলেটের আওয়াজ শুনেছি।


ইনকিলাব নিউজ-

১০ মিনিটের নৃশংসতা
ঝটিকা অভিযানে হাজার হাজার তৌহিদী জনতা নিহত ও অসংখ্য আহত দাবি হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি’র
অসংখ্য গুলি, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে নৃশংস, বর্বর ও ইতিহাসের জঘন্যতম হামলা চালানো হয় হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে
ইনকিলাব রিপোর্ট : রাজধানী মতিঝিলের শাপলা চত্বরকে ঘিরে হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে মধ্যরাতে ঝটিকা অভিযান চালায় র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি’র ১৫ থেকে ২০ হাজার সদস্য। দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল মোড়সহ তিন দিক থেকে অপারেশন শুরু করা হয়। পরে একযোগে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে অসংখ্য গুলি, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে নৃশংস, বর্বর ও ইতিহাসের জঘন্যতম হামলা চালানো হয়। তখন ইত্তেফাক মোড় ঘিরে রাখে র‌্যাবের শত শত সদস্য। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপারেশনের আওয়াজে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে মতিঝিল ও এর আশপাশের এলাকা। রাত আড়াইটা থেকে শুরু হওয়া এই যৌথ অভিযানে ১০ মিনিটের মধ্যেই হেফাজত ইসলামের প্রায় এক লাখ নেতা-কর্মীকে মতিঝিল থেকে হটিয়ে দেয়া হয়। এ সময় তারা যাত্রাবাড়ি ও ডেমরার দিকে চলে যান। ঝটিকা অভিযানে হাজার হাজার তৌহিদী জনতা নিহত ও অসংখ্য আহত হয়েছেন বলে বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা দাবি করেছেন। অভিযানের পর পরই আন্তর্জাতিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন ওয়েব সাইটে অভিযানের বিভিন্ন ধরনের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে শত শত লাশের ছবি দেখা গেছে। পুলিশ কন্ট্রোল রুমে বসে পুরো অভিযান পর্যবেক্ষণ করেন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। নৃশংস এ অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান লেঃ কর্নেল জিয়া, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মারুফ হাসান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অর্থ) আব্দুল জলিল মন্ডল। অভিযানের সময় এপিসি (আর্মার্ড পার্সোন্যাল কেরিয়ার) থেকেও শত শত রাউন্ড গুলি  ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে। সরকার মনে করছে, এ মুহূর্তে কোনো সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। সে জন্যই মধ্যরাত পর্যন্ত সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারের প্রতিটি বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। কোথাও কোনো ধরনের ঘটনা ঘটলে তারা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবে।
হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর প্রচার সেল প্রধান মাওলানা আহলুল্লাহ ওয়াছেল বলেন, মতিঝিলের শাপলা চত্বরকে ঘিরে হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে মধ্য রাতে নিরীহ জনতার উপর বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তাতে হাজার হাজার জনতার প্রাণ কেড়ে নেয়া হয়েছে। তারা শহীদ হয়েছেন। ২০ সহস্্রাধিক মানুষকে পঙ্গু করেছে। তা ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা সাংবাদিকদের বলেন, মতিঝিলে রোববার রাতে অবস্থান নেয়া হেফাজতে ইসলামের ‘সহস্রাধিক’ নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন এবং তাঁদের শত শত লাশ গুম করা হয়েছে। খোকার দাবি, হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার মধ্যরাতে হামলা চালিয়েছে। এটিকে তিনি ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সূত্র জানায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই সতর্ক ও সশস্ত্র অবস্থান গ্রহণ করেন। চরম অভিযানে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। নির্দেশ পাওয়া মাত্রই তারা অ্যাকশনে নামেন। অভিযানে পুলিশের পাশাপাশি অংশ নেয় বিপুল সংখ্যক র‌্যাব ও বিজিবি সদস্য। পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মারুফ হাসান অভিযানের পূর্বে ডিএমপি অ্যাক্টের কোন ধারা অনুযায়ী এবং কিভাবে অভিযান পরিচালিত হবে, কোন কোন ধরনের অস্ত্র এবং যানবাহন ও সামগ্রী ব্যবহার করা হবে এ ব্যাপারে যৌথ বাহিনীকে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং করেন। সে অনুযায়ী অভিযানে রাবার বুলেট, বুলেট, টিয়ার গ্যাস শেল, পিপার গান এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করার কথা। কিন্তু অভিযানের শুরুর পরপরই দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের সাথে থাকা চাইনীজ রাইফেল এবং একে-৪৭ এর মতো অটোমেটিক রাইফেল দিয়েও মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করছে। আর এর ফলেই হতাহতের সংখ্যা মুহূর্তেই হাজার ছাড়িয়ে যায়।
গতকাল সকালে ফকিরাপুল পেট্রোল পাম্পের বিপরীতের এক আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তিনি সারা রাত তার ভবনের ছাদে বসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজত খেদাও অভিযান প্রত্যক্ষ করছিলেন। অভিযানের পরপরই তিনি ট্রাকে করে নীল পলিথিনে ঢেকে ট্রাকভর্তি লাশ নিয়ে যেতে দেখেছেন। অনেকেই গোপনে এসব দৃশ্য ভিডিও করেছ্নে। অভিযানের সময় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সিভিল পোশাকে বেশ কিছু লোকজন অংশ গ্রহণ করে। তারা আহত হেফাজত কর্মীদের উপর নির্মম নির্যাতন চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, টানা অবস্থানের ঘোষণা দেয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের গভীর রাতে ১০ মিনিটের ঝটিকা অভিযানে মতিঝিল থেকে উৎখাত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ৫ মে রোববার দিনভর সংঘাতে ১৬জন নিহত হওয়ার পর রাত আড়াইটার দিকে মতিঝিলে ঝটিকা অভিযান শুরু করে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ। মূল অপারেশনের আগেই ওই এলাকার ডিস লাইন ও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করা হয়। দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল মোড় থেকে এক যোগে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে অসংখ্য গুলি, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে নৃশংস, বর্বর ও ইতিহাসের জঘন্যতম হামলা চালানো হয়। তখন ইত্তেফাক মোড় ঘিরে রাখে র‌্যাবের শত শত সদস্য। অভিযানের সময় সশস্ত্র অপারেশনের আওয়াজে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে মতিঝিল ও এর আশপাশের এলাকা। কাঁদানে গ্যাস ও বুলেটে টিকতে না পেরে বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পড়েন মতিঝিলে অবস্থানকারীরা।
রাত আড়াইটায় র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ ঝটিকা অভিযানের আগে পুলিশ ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা হ্যান্ডমাইকে হেফাজতকর্মীদের মতিঝিল ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে অবস্থানকারীরা। ১৫ থেকে ২০ হাজার র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ সদস্য যখন অভিযান শুরু করেন, তখনো প্রায় এক লাখ কর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশ মঞ্চ থেকে বিভিন্ন সেøাগান দেয়া হচ্ছিল, চলছিলো বক্তব্যও। ফকিরাপুল হয়ে নটরডেম কলেজ ও দৈনিক বাংলা থেকে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ একযোগে অভিযান শুরু করে ১০ মিনিটের মধ্যে মতিঝিলে শাপলা চত্বরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন ট্রাকের ওপর নির্মিত অস্থায়ী সমাবেশ মঞ্চে হেফাজতের কোনো নেতাকে দেখা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী হাসান জানান, ঝটিকা অভিযানে অংশ গ্রহণকারীরা বৃষ্টির মতো গুলি চালায়। গুলি, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিয়ে নৃশংস হামলায় নিরস্ত্র হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা টিকতে না পেরে এক পর্যায়ে আর কে মিশন রোডের চৌরাস্তা দিয়ে গোপিবাগ ও টিকাটুলির মোড় দিয়ে ডেমরার দিকে চলে যায়। তখন ইত্তেফাক মোড়ে সশস্ত্র র‌্যাব-বিজিবি অবস্থান করায় কেউ সামনে এগোতে পারেনি।  র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির নির্মম সশস্ত্র হামলার সময় হেফাজত ইসলামের নেত্-াকর্মীরা ইট পাটকেল ছুড়ে মোকাবেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগ্নেয়াস্ত্রের কাছে তারা টিকতে পারেননি। ঝটিকা অভিযানের সময় অসংখ্য হেফাজত কর্মীকে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
ঝটিকা অভিযানে অংশ নেয়া আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর দু’জন সদস্য দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, ঝটিকা অভিযানের আগেই বিপুল সংখ্যক ট্রাক আনা হয়। তাছাড়া অভিযানের পর দ্রুত এলাকা পরিষ্কার করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের লোকজনকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়। অভিযানের পর পরই তারা মতিঝিল এলাকায় পরিষ্কারের জন্য মাঠে নামেন। প্রাথমিকভাবে অভিযানের বিভিন্ন ধরনের আলামত এবং হতাহতদের রক্তও পরিষ্কার করা হয়। হেফাজতকর্মীরা চলে যাওয়ার পর মতিঝিলের সড়কে অসংখ্য কাগজ, স্যান্ডেল এবং কিছু ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে স্তূপ করে রাখা কাগজে আগুনও জ্বলছিল। পুড়িয়ে দেয়া পাঁচটি গাড়িও দেখা যায় সড়কের পাশে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ঠেকাতে সড়ক বিভাজকের স্টিলের বেড়া ভেঙে সড়কের ওপর আড়াআড়ি করে রেখেছিল হেফাজতকর্মীরা। সেখান থেকে ইট খুলেও তারা টুকরো টুকরো করে রাখে, যা পুলিশের দিকে ছোড়া হয়।
গতকাল ভোর রাতে হেফাজত ইসলামে বেশ কয়েকজন কর্মী জানান, র‌্যাব-পুলিশের অভিযানের মুখে মুহূর্তেই ফাঁকা হয়ে গেল মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা। কয়েক স্তরের মানব ঢাল দিয়ে নিরাপত্তা ব্যুহ তৈরি করেও টিকতে পারলো না শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়া হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা। মূলত: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মোকাবেলায় এই ব্যুহ তৈরি করেছিল তারা। এর আগে র‌্যাবের গোয়েন্দা প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউর আহসান হেফাজতের কর্মীদের শাপলা চত্বর ছাড়ার নির্দেশনা দেন। এ নিয়ে হেফাজতের নেতাদের সঙ্গে তার কথাও হয়। মাইকিং করে সতর্ক করা হয়। এরপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট ও অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে সরিয়ে দেয়া হয় হেফাজতের কর্মীদের। এ সময় হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিহত ও অসংখ্য আহত হয়েছে বলে তাদের দাবি।

কোরআন পুড়িয়েছিল কারা?
উত্তর যুবলীগ। আজকের কালের কন্ঠ, মানব জমিন, ইনকিলাব সহ অনেকপত্রিকায় লিখেছে কুরআন পুড়িয়েছে সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবশীস বিশ্বাসের নেতৃত্বে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। আল্লাহ্‌ মুখোশ খুলে দিয়েছে। পত্রিকা দেখুন। ইনকিলাবেও দেখলুম-

স্বার্থবাদী মিডিয়া যুবলীগের সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মরিয়া
স্টাফ রিপোর্টার : মার্কিন পাদ্রী টেরী জোনস ২০১০ সালে পবিত্র কুরআনে আগুন দেয়ার ফলে বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে। নানা দেশের মতো প্রতিবাদে ফেটে পড়ে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরাও। আর বাংলাদেশে সেইসব প্রতিবাদ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের সাথে যুক্ত হাক্কানী আলেম ও তাদের সমর্থকরা।
অথচ মাত্র তিন বছর পর এ বাংলাদেশেই টেরী জোনসের সেই একই নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। কিন্তু এবার পটভূমি ভিন্ন। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আজ্ঞাবহ এদেশি স্বার্থবাদী কিছু মিডিয়া এ ঘটনার নায়ক যুবলীগ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মরিয়া। শুধু তাই নয়, তারা এর দায় চাপাতে চাচ্ছে খোদ আলেম ওলামাদের সংগঠন হেফাজতে ইসলামের উপর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রোববার বাদ আসর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট দিয়ে বেরিয়ে আসছিল মুসল্লিরা। এসময় পূর্ব থেকেই সেখানে অবস্থান নেয়া যুবলীগ সন্ত্রাসীরা মুসল্লিদের মধ্যে যাদেরকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী কিংবা আলেম মনে হয়েছে, তাদেরকেই লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধরক পেটাতে থাকে। পুলিশ এসময় সন্ত্রাসীদের পাশে নীরব দাঁড়িয়ে থাকে। জীবন বাঁচাতে মরিয়া মুসল্লিরা এ অবস্থায় আর দক্ষিণ গেট মারাননি।
ঠিক তখনই ঘটে চরম অঘটন। যুবলীগ সন্ত্রাসীরা দক্ষিণ গেটের ফুটপাতে বন্ধ থাকা ইসলামী বই ও কোরআন শরীফের দোকানে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া তারা ১৫-২০টি জুতার দোকানেও তারা একইভাবে আগুন দেয়। সংঘর্ষ পরিস্থিতির কারণে রোববার বন্ধ ছিলো ফুটপাতের এসব দোকান। মোড়ানো ছিলো পলিথিন দিয়ে। আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। প্যান্ট-গেঞ্জির দোকান ছাড়াও এসময় পুড়ে যায় কোরআন শরীফসহ বিভিন্ন ধর্মীয় পুস্তকের দোকান।
এসময় সেখানে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক এবং সেই দোকানগুলোর দু’একজন মালিকও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু অস্ত্র হাতে দাড়িয়ে থাকা সন্ত্রাসী এবং পুলিশের ভয়ে কেউ প্রতিবাদের সাহস পায়নি।
এদিকে গতকাল বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বলা হয় যে, বায়তুল মোকাররম মসজিদে অবস্থিত বই এর দোকানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেবাশীষের নেতৃত্বে লুটপাট এবং পবিত্র কোরান শরীফসহ ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে অগ্নিসংযোগ করা হয়। যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার খবরে দেবাশীষের ছবিসহ প্রচার করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাস্তব প্রমাণ সত্ত্বেও উক্ত ঘটনা হেফাজতে ইসলাম করেছে বলে অপপ্রচার চালিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আর এরপরই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আজ্ঞাবহ এদেশি স্বার্থবাদী কিছু মিডিয়া এ ঘটনার নায়ক যুবলীগ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মাঠে নেমে পড়ে। ইসলামের সাথে যুক্ত কোন বিষয়ে যারা সর্বদাই নিরাসক্ত এখন ঢালাওভাবে হেফাজতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নাস্তিকদের রক্ষা করার চেষ্টায় লিপ্ত সেই মিডিয়াগুলো। কিন্তু তারা এসব সংবাদে একটি প্রমাণও উপস্থাপন করছে না। পত্রিকা এবং টেলিভিশনে এ ঘটনার ফুটেজ দেখে অপরাধীদের বের করারও কোন চেষ্টা দেখা যাচ্ছে না সংশ্লিষ্টদের। অথচ বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে পল্টন এলাকায় জিন্সের প্যান্ট ও গেঞ্জী পরিহিত এবং হেলমেট মাথায় দেয়া লম্বা শারিরীক গঠনের কয়েক যুবককে হাতে পেট্রোলের বোতল নিয়ে বইয়ের দোকানগুলোতে আগুন দেয়ার ফুটেজ প্রচার করা হয়েছে।   
অপরদিকে সরকারও হেফাজতের ঘাড়ে এ ঘটনার দায় চাপানোর জন্য পুরো মতিঝিল, পল্টন এবং বিজয়নগরের পোড়া সামগ্রী এবং আবর্জনা পরিষ্কার করে ফেললেও গতকাল বিকেল পর্যন্ত আগুনে পোড়া কুরআনের অবশিষ্টাংশ রেখে দেয়। আবার বিভিন্ন টিভি মিডিয়াকে আমন্ত্রণ করে এনে সংবাদ তৈরি করতে থাকে। সেখানে এমনসব লোকের মতামত নিতে থাকে যারা ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিল না। এর মাধ্যমে ঐসব মিডিয়া আলেমদের বিরুদ্ধে জনগণকে খেপিয়ে তোলার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।

৩৯

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

বিজিবি ও পুলিশ সদস্য যখন অভিযান শুরু করেন, তখনো প্রায় এক লাখ কর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশ মঞ্চ থেকে বিভিন্ন সেøাগান দেয়া হচ্ছিল, চলছিলো বক্তব্যও

মিছা কথা ! ওরা তো ঘুমাইতেছিল !!

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৪০

Re: মতিঝিলের ঘটনা সম্পর্কে হেফাজতের বিবৃতি

বুলেটের আওয়াজ শুনে চৌকির তলে গিয়ে লুকিয়েছেন বুঝেছি আর রিমোট হাতে থরথর করে কাপুনি দিয়েছেন  tongue tongue

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও