২১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন @m0N (০৫-০৫-২০১৩ ০৪:২৪)

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

তুখোড় ! পুরাই ব্রেইন স্ট্রমিং করা লেখা হইছৈ। সায়েন্টোলজি, ডিটারমিনিসম, র্যান্ডমিসম সব জট পাকায়ে গেছে এই লেখা পড়ে।  thumbs_up

invarbrass লিখেছেন:

বুঝতে পারছেন কি ইঙ্গিত করছি?  hehe

How do you know that you are not just another "brain-in-a-vat"? How do you know?

What do you know?

How do you know that you know that you know?

Do you even exist?  hehe

Life is not
http://www.cultofrandom.com/person.gif

Life is
http://www.cultofrandom.com/randomperson.gif

The world is a small place a lot of people know one another, we are all probably nearly related "6 degrees of separation"

We have a limited time here anything could happen to us, we will probably end up destroying ourselves somehow, through greed, destruction or just being plain lazy.

Therefore we have to grab what we have and make use of  it, and enjoy it. Instead of worrying why, what , when, how, whom, and what is going to happen because who the *** knows?
It is all gravy!

hit like thunder and disappear like smoke

২২

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

ব্লেন্ডারে করা ত্রিমাত্রিক অ্যানিমেশন মুভি "টিয়ারস অব স্টিল" দেখার পর থেকে অবশ্য এই ভয়াবহ বিষয়টা বারবারই আমাকে নাড়া দিচ্ছিলো। তার আগে অবশ্য দায়ী ছিলেন "জাফর স্যার"।

তবে হ্যাঁ একটা বিষয় নিশ্চিত যে যদি আমার চারপাশের সবকিছুই পরাবাস্তব কিছু নয়, একেবারেই আসল। কেননা আমার ধর্মীয় বিশ্বাসই আমাকে এই বিষয়ে পরিপূর্ণ আস্থাশীল হতে শেখায়।

রিং'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৩

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

@m0N লিখেছেন:

সায়েন্টোলজি

এটা ভুয়া জিনিশ এটা নিয়ে কনফিউসড হবার কিছু নাই। যত্তসব স্টুপিড মরান সায়েন্সের নাম দিয়া নতুন ধর্ম বের করছে। পয়েন্ট টু বি নোটেড সায়েন্স কোনো ধর্ম না এটা কোনোদিনও লিখিত গন্ডির মধ্যে ফেলে বিশ্বাসের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব না। এখানেই সায়েন্সের বিশেষত্ব এজন্যই এটাকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে শেইপ দিয়ে নতুন কিছুর সন্ধান করা যায় আবিষ্কার করা যায়। যারা সায়েন্সকে তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সাথে রিলেইট করেন তাদের আমি একজন এক্সট্রিমিস্ট ধার্মিক থেকে কোনো অংশে কম বলবো না। বরং অন দ্য সেইম গ্রাউন্ড দ্য আর ডুয়িং দ্য সেইম থিং যার অল্টিমেইট ফলাফল শূণ্য

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন @m0N (০৫-০৫-২০১৩ ১১:০০)

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:
@m0N লিখেছেন:

সায়েন্টোলজি

এটা ভুয়া জিনিশ এটা নিয়ে কনফিউসড হবার কিছু নাই। যত্তসব স্টুপিড মরান সায়েন্সের নাম দিয়া নতুন ধর্ম বের করছে। পয়েন্ট টু বি নোটেড সায়েন্স কোনো ধর্ম না এটা কোনোদিনও লিখিত গন্ডির মধ্যে ফেলে বিশ্বাসের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব না। এখানেই সায়েন্সের বিশেষত্ব এজন্যই এটাকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে শেইপ দিয়ে নতুন কিছুর সন্ধান করা যায় আবিষ্কার করা যায়। যারা সায়েন্সকে তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সাথে রিলেইট করেন তাদের আমি একজন এক্সট্রিমিস্ট ধার্মিক থেকে কোনো অংশে কম বলবো না। বরং অন দ্য সেইম গ্রাউন্ড দ্য আর ডুয়িং দ্য সেইম থিং যার অল্টিমেইট ফলাফল শূণ্য

হা হা! মুজতবা এতটা সিরিয়াস হয়ে উত্তর দেয়ার বোধহয় দরকার ছিল না। সায়েন্টোলজি ভূয়া আমি জানি। আপনি মনে হয় আমার লেখাটা পড়ে দেখেন নি। ওখানে ব্যাপারটাকে তুচ্ছ করেই লিখেছি। আর বিশ্বাস বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব আমার কাছে নাই। আর শেষের দুই লাইনটা তাই খুব অর্থবহ হল না। আর হ্যা সায়েন্স কোন ধর্ম না তবে রাজনীতির প্যাচে পরলে সেটাও ভয়াবহ জিনিস হবে।Eugenics সেটার বড় প্রমান। যাই হোক এখানে আর অফটপিক করতে  চাই না। একটা নতুন টিভি সিরিজ দেখছি নাম ডিফায়েন্স। বিজ্ঞান আর রাজনীতি মিললে কি হয় তা নিয়েই গল্প। এছাড়া আইজাক আসিমভের ফাউন্ডেশন অভ আর্থ সিরিজ পড়া থাকলেও বুঝবেন। যদিও আসিমভ ব্যাপারটা কেবলই কল্পবিজ্ঞান বাস্তবে সম্ভব না বলে বহুবার লিখেছেন। অনেক কিছু লিখে ফেললাম কারণ লেখাটায় আমায় কোট করেছেন। লেখাটা ইনজেনারেল হলে সাধুবাদ কিন্তু শুধু আমায় বললে বলব আমার লেখাটা ভালো করে পড়ুন।

hit like thunder and disappear like smoke

২৫

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

nah, I was just ranting :? কাউকে উদ্দেশ্য করে না। আপনাকে এতদিন দেখে ভালই চিনেছি। কোনোদিক থেকেই এক্সট্রিমিস্ট মনে হয় নাই। chill big_smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০৫-০৫-২০১৩ ১৪:১৪)

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

রিং লিখেছেন:

তবে হ্যাঁ একটা বিষয় নিশ্চিত যে যদি আমার চারপাশের সবকিছুই পরাবাস্তব কিছু নয়, একেবারেই আসল। কেননা আমার ধর্মীয় বিশ্বাসই আমাকে এই বিষয়ে পরিপূর্ণ আস্থাশীল হতে শেখায়।

সমস্যাটি কিন্তু এখানেই!

আপনি কিভাবে নিশ্চিৎভাবে জানছেন আপনার চারপাশে যা আছে তা সবই "আসল"? ইনফ্যাক্ট, "আসল" ব্যাপারটাই বা কি? (রেফারেন্সঃ প্লেটোর গুহা)

চারপাশের পরিবেশের সাথে আপনি কিভাবে "কানেক্টেড" আছেন? ৫ ইন্দ্রিয়র মাধ্যমেই তো? এর বাইরে আর কিছু নেই যার দ্বারা আপনি বাইরের ইউনিভার্স থেকে ডেটা ইনপুট গ্রহণ করতে পারেন (টেকনিকালী, আরো কিছু ইন্দ্রিয় আছে বলে বিজ্ঞানীরা ক্লু পেয়েছেন, তবে সেগুলো সম্পর্কে তেমন ডেফিনিট কিছু এখনো জানা যায় নি) জন্মের পর থেকে আপনার যে ব্যক্তি আইডেন্টিটি, আপনার মানবিক পরিচয়, আপনার স্মৃতিব্যাংক, আপনার existential essence, আপনার "আমিত্ব"- সবই কিন্তু ঐ অল্প সংখ্যক ইন্দ্রিয় দ্বারা ইনফরমেশন সংগ্রহ করার মাধ্যমে কম্পাইলড হয়েছে।

হু অর হোয়াট ইয "সাজেদুর রহিম জোয়ার্দার রিং"? রিং হলো ইনফরমেশনের একটা "থলে"। এই তথ্য থলেটি বাইরের আরো বড়, আরো বিশাল "ব্যাগ অব ইনফরমেশনস" থেকে ইনপুট নিয়ে নিজেকে সংগঠিত করছে। রিং নামক ইনফো-ব্যাগটি কিছু আউটপুটও দিচ্ছে, যা তার আশেপাশের ব্যগগুলোকে প্রভাবিত করছে।

ব্রেইন-টাকে কম্পিউটার কল্পনা করতে পারেন (প্র্যাক্টিকালীও ব্রেইন একটা সফিস্টিকেটেড কম্পিউটিং ডিভাইসই)। কী-বোর্ড আর মাউসের সিরিয়াল পোর্টে যদি আমরা কিছু ইন্টেলিজেন্ট ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যুক্ত করে দেই যেগুলো নিজে থেকেই রেণ্ডমলী ইলেক্ট্রিকাল ইমপালস জেনারেট করতে পারে তাহলে কি দেখবেন? কম্পিউটারে ভুতুড়ে "টাইপিং" হচ্ছে, কার্সর নিজে থেকেই নড়াচড়া করছে। পেন্টিয়াম প্রসেসর কি "রিয়েল" কীবোর্ড/মাউস ইনপুট আর ঐ ফেইক ইনপুটের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম?

প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় এই মুহুর্তে বাংলাদেশের সর্বত্র আবহাওয়া ঠাণ্ডা। কিভাবে তা বুঝছেন? আপনার ত্বকে অবস্থিত সার্ফেস টেম্পারেচার সেন্সর, মেডিকেল নাম থার্মোরিসেপ্টর সেলস, তাপমাত্রা পরিমাপ করে ব্রেইনে পাঠাচ্ছে। আমি যেখানে আছি সেখানে থেকে থেকে (কালবৈশাখী  love ) ঝড়ো হাওয়া বইছে। কিভাবে বুঝছি? আমার শরীর জুড়ে প্রেশার সেন্সর অর্থাৎ ব্যারোরিসেপ্টর কোষেরা এয়ার প্রেশার পরিমাপ করে রেজাল্টটা ইলেক্ট্রিক ইমপালসে এনকোড করে ব্রেইনে পাঠাচ্ছে। আর আমার এ্যানালগ কম্প্যু অর্থাৎ ব্রেইন ঠাণ্ডা আবহাওয়া, ঝড়ো বাতাসের "অনুভূতি" জেনারেট করছে।

ধরুন আপনার অপটিক নার্ভ (দর্শনেন্দ্রিয়) কেটে একটা কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করে দিলাম - আর কম্পিউটারে প্রোগ্রামিং করে দিলাম ওটা যেন আযম খানের কনসার্টের ৩ডি স্টেরিওস্কোপিক মুভি স্ট্রিমিং করে। আপনার অডিটরী নার্ভ (শ্রবণেন্দ্রিয়) কেটে ওটাতে "আলাল ও দুলাল (লাইভ)" স্ট্রিমিং করাতে লাগলাম। তেমনি ভাবে অন্যান্য নার্ভগুলোও (আমাদের ১২ জোড়া ক্রেনিয়াল নার্ভ আছে) ঐভাবে হ্যাক করে spurious ইনপুট দেয়া শুরু করলাম যেন আপনার ব্রেইন সত্যি সত্যি মনে করে সে ফিজিকালী একটা মিউজিকাল ইভেণ্টের মধ্যে আছে।

আপনার পক্ষে কি সম্ভব হবে ডিটেক্ট করা যে আপনি আযম খান, যিনি কিছুদিন আগেই গত হয়েছেন, পরিবেশিত মিউজিক কনসার্ট উপভোগ করছেন না, বরং একটি ফিশ ট্যাংকের মধ্যে ডুবে আছেন এবং শত শত ইলেক্ট্রিক তার আপনার ব্রেইনে প্রবেশ করেছে যার অপর প্রান্তে আছে একটি বোকা কম্পিউটার যে এসব "অভিজ্ঞতা" জেনারেট করছে? Forget about the fish tank. What about right here, right now?

"ব্রেইন-ইন-এ-ভ্যাট" এক্সপেরিমেন্ট একটা মোটাদাগের রূপক মাত্র। অফকোর্স, কোনো ম্যাড সাইন্টিস্ট আপনার বায়োলজীকাল ব্রেইন হ্যাক করে ভুংচুং এক্সপেরিমেন্ট করবে এটা অবশ্যই রিডিকিউলাস আইডিয়া! এটা লিটারেলী নেবার প্রয়োজন নেই।

তবে হ্যাঁ! এই এ্যাবসার্ড চিন্তাপ্রকল্প প্রচ্ছন্নভাবে যে সুক্ষ বিষয়ের ইঙ্গিত করে, এবং এই টপিকের মূল থীম,.... তা হলো আরো গ্র্যান্ডার, আরো ম্যাসিভ, আরো এক্সটেনসিভ, আরো হিউমংগাস (বাংলায় এ ধরণের "বিশালত্ব" বোঝানোর মত কোনো শব্দ পাচ্ছি না  sad ) স্কেলের সিম্যুলেশন!

কিভাবে বুঝবেন আপনি এক বিশাল, গ্লোবাল কম্পিউটার সিম্যুলেশনের মধ্যে বসবাস করছেন না?

কিভাবে বুঝবেন পুরো মহাবিশ্বটাই একটা ম্যাসিভ, এক্সটেনসিভ ভারচুয়াল রিয়েলিটি না?

ইতিমধ্যেই আমরা মানবজাতী কিন্তু নিজেরাই আরেক আঙিনার চৌকাঠ মাড়িয়ে ফেলেছি।

হার্ডকোর গেইমার, অথচ Second Life-এ ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট করেন নি (বা অন্ততঃ গেইমটা সম্পর্কে অবগত নন) - এমন লোক খুঁজলেও মনে হয় পাওয়া যাবে না। অফকোর্স, গেইমের ক্যারেক্টারগুলোর আর্টিফিশিয়াল ইণ্টেলিজেন্স খুবই সীমিত, এবং পৃথিবীর সবচাইতে ম্যাসিভ, ক্লাস্টারড সুপারকম্পিউটারও বড়জোড় ব্যাকটেরিয়া/এ্যামীবা স্কেলের রিয়েলিটি স্যিমুলেট করতেই হিমশিম খেয়ে যাবে। তবে ভাবুন তো - আমাদের সিলিকন বেইজড ইন্টেলিজেন্ট মেশিনারী তো মাত্র কয়েক দশক আগেই না জন্ম নিলো। ব্যাবেজের এ্যানালগ মেশিন থেকে আপগ্রেড করে আমরা সিলিকন বেজড ডিজিটাল সিস্টেমে এসেছি, আর আমাদের বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই সিলিকনের কয়েক কোটি গুণ ফাস্টার কোয়াণ্টাম কম্পিউটিং-এ ব্রেকথ্রু-র কাছাকাছি চলে এসেছেন (কিউসি অবশ্য প্র্যাক্টিকালী তেমন কোনো কাজে আসবে না, অন্ততঃ ইমিডিয়েটলী তো নয়ই)।

বায়োলজীকাল এভ্যুলশন থেকে আমরা সিলিকন-বেজড বিবর্তনে উঠে এসেছি। ৩০০ বছর আগে ব্রিটেনে এক লোক বাস করতো, যে নাকি তৎকালীন পৃথিবীতে যতগুলো বই প্রকাশিত হয়েছে তা পড়ে ফেলেছে বলে দাবী করেছিলো। আর আজ? গত ১০ বছরে সারা পৃথিবীতে যত বই প্রকাশিত হয়েছে তা সংগ্রহ করে যদি এই মূহুর্তে পড়া শুরু দেন, এবং প্রতি পৃষ্ঠা ১ সেকেন্ডে পড়ে ফেলেন - তাহলে সব বইগুলো পড়ে শেষ করতে আপনার কমপক্ষে ১ থেকে ১.৫ লক্ষ বছর লাগবে! এটা হলো ২০০৩ থেকে ২০১৩ সালে প্রকাশিত বইয়ের হিসাব। আর ভাবুন তো, আগামী ১ লক্ষ বছরে প্রকাশিত বইগুলো....  hairpull এই বিরাট পরিমাণ তথ্য ধারণ করার ক্ষমতা হিউম্যান ব্রেইনের নেই। একারণেই আমরা তৈরী করেছি গুগল, ইনটেল/এএমডি, হার্ডডিস্ক.... এগুলো সবই বায়োলজিকাল ব্রেইনের ডিজিটাল এক্সটেনশন। সাইকলজিস্টরা ইতিমধ্যেই ইণ্টারনেট ইউজারদের ব্রেইনে বেশ কিছু পরিবর্তন ডিটেক্ট করা শুরু করেছেন। গুগল.কম এখন হিউম্যান মেমরী-র এক্সটেনশন হয়ে গিয়েছে! আপনার ব্রেইন এখন আর পুঙখানুপুঙ্খভাবে সব তথ্য মনে রাখে না - সে একটি শর্টকাট পেয়ে গেছে! বৃটনী স্পিয়ার্স আজ সকালে কি দিয়ে নাস্তা খেয়েছে তা জানার জন্য ওর হোমপেজের url আপনি আর মুখস্ত করেন না। আপনি বরং শিখে নিয়েছেন কোন গুগল আর কোন টুইটারে গেলে এই ইনফরমেশন পাওয়া যাবে! আজকে যদি গুগল, বিঙ, ইয়াহু ইত্যাদি সাইটগুলো শাটডাউন হয় - সারা পৃথিবী জুড়ে রিপল ইফেক্ট হবে!

গূগল.কম ধীরে ধীরে আপনার ইন্দ্রিয়-তে পরিণত হচ্ছে। এর পরও কি আপনি বলতে পারবেন, চারপাশে যা আছে তা সবই "আসল"?

যাকগে, মাত্র ২/১ হিউম্যান জেনারেশনের ব্যবধানে আমরা ইতিমধ্যেই পোস্ট-সিলিকন স্টেইজে পা রাখি রাখি করছি... এবং প্রযুক্তির এ্যাকসেলারেশন রেইটও খেয়াল করুন - এটা সরাসরি বর্তমানের কম্পিউটিং পাওয়ারের সাথে সম্পর্কযুক্ত.... ব্যাকটেরিয়া/ভাইরাস নিয়ে রিসার্চ করবেন? দূরের সুপারনোভা, গ্যালাক্সী স্টাডী করবেন? স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করবেন? আরো বেশি ফসল ফলানোর জন্য জেনেটিক এন্জিনিয়ারিং করবেন? সুন্দর মিউজিক সিন্থেসাইয করবেন? সুগন্ধী পারফিউম বানাবেন? আধুনিক মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তরে এখন কম্পিউটিং ঢুকে গেছে। সাহারা বা আমাযণের বাসিন্দা বাদে পুরো বিশ্বব্যাপী মানবসভ্যতা এখন টেকনোলজীর ব্রেইনচাইল্ড।

এবং আমরা হলাম হিউম্যান সিভিলাইযেশন। গেইম এখনো ওভার হয় নি। আমাদের পরেও তো মণ্চে আসছে পোস্ট-হিউম্যানরা!

যাস্ট কল্পনা করুন, ভবিষ্যৎের কম্পিউটিং টেকনোলজী যখন আরো বিশাল আকারে, অলমোস্ট "রিয়েলিটি স্কেইল"-এর কাছাকাছি পৌছঁবে...
ওয়াও!
ওয়াও!!
ওয়াও!!!

কে নিশ্চিৎভাবে বলতে পারে যে ৩০১৩ সালের "সেকেণ্ড লাইফ" গেইমের ক্যারেক্টারগুলো ২০১৩ সালের রিং, ইনভারব্রাস ও প্রজন্ম ফোরামিকদের মত নিজেদের "রিয়েল", "ইণ্টেলিজেন্ট" মনে করবে না? কে বলতে পারে, ভবিষ্যৎের পোস্ট-হিউম্যান সভ্যতার তৈরী "সেকেণ্ড লাইফ"-এ গণজাগরণ মণ্চ ও হেফাজতে ইসলামী রাস্তা গরম করবে না? সানী লিওনি ও ক্যাটরিনা স্টেজ দাপাবে না? আযম খান ও মাইকেল জ্যাক্সন কান ফাটাবে না? আব্রাহাম, জীসাস, মুহাম্মদ, গৌতম, বাল্মীকি, কনফিউশাস নামে কোনো মহাপুরুষদের জন্ম হবে না?

শুধু ভবিষ্যৎ কেন, বর্তমান কালেরই একটা স্টার্টলিং আণ্ডারস্ট্যাণ্ডিং-এর কথাই বলি না কেন?

বর্তমানের যে কোনো কম্পিউটার সিম্যুলেটেড এনভায়রনমেণ্ট, যেমন এফপিএস বা আরটিএস গেইমের একদম বেসিক বিল্ডিং ব্লক বা ইউনিট কি?

পিক্সেল।

আমার মনিটরের রেজুলুশন ১৯২০*১০৮০, এটাতে যদি গেইম খেলি তাহলে সেই গেইম ইউনিভার্স ঐ 2073600 পিক্সেল সাইযের হবে।

আমাদের "বাস্তব" জগৎের বেসিক ইউনিট কি? ৩০০০ বছর আগের গৃক ও ভারতীয়রা এ্যাটোমিজম-এর ধারণা দিয়ে গিয়েছিলো। আমরা লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যুগের সভ্যতা। আমরা সাব-এ্যাটোমিজমে পৌছেঁ গেছি। কোয়ার্কস, গ্লুওনস, হিগস বোজনস...


পিক্সেলস এ্যাণ্ড ভক্সেলস....   hmm

কোয়ার্কস এ্যান্ড বোসনস....   thinking


যোগসূত্রটা ধরতে পারছেন?  hehe

আমরা মনুষ্য প্রজাতীই যদি আগামী কয়েক শতাব্দী, বা সহস্রাব্দের মধ্যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরী করতে পারি... কে বলতে পারে ইনসেপশন মুভির মত আমাদের ওপরের লেভেলে কেউ অনেক আগেই ঐ এ্যাচীভমেন্ট করে ফেলে নি??????

আমাদের এই গৌরবান্বিত, মহিমান্বিত, সৃষ্টির সেরা মানব সভ্যতা - কত নম্বর লেভেল ডাউন দি লাইন?  hehe

প্লেটোর গুহা ইয ব্যাক!! উইথ আ ভেনজেন্স!!

শুনতে সাইন্স ফিকশন মনে হলেও বিষয়টি কিন্তু কাটিং এজ সাইন্টিফিক রিসার্চের টপিক! প্রথমবার যখন এই বিষয়ে শুনেছিলাম, আমিও ধুনফুন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। তবে যতই এ বিষয়ে জানছি, ততই...  worried worried worried

পুরো ইউনিভার্সটাই একটা কোয়াণ্টাম স্কেল সুপার-জায়ান্ট, সুপার-ম্যাসিভ কম্পিউটার! এবং এই কমপিউটারের প্রসেসিং পাওয়ার বা ক্যাপাসিটি সম্পর্কেও আমরা মোটামুটি বলপার্ক আন্দাজ পেয়ে গেছি!

আমার পিসিতে এইজ অব এম্পায়ারসের সাইজ 2073600 পিক্সেলস।

আমার মহাবিশ্বের সাইয.... কত গুগলপ্লেক্স???

(স্টিফেন হকিং ও লেনার্ড ম্লডিনো-র চমৎকার লেকচার সিরিজ আছে এ বিষয়ে)

যাকগে, কোয়াণ্টাম সাইন্স নিয়ে আর না আগাই, ওগুলো পরবর্তী পর্বে আলোচনা করতে চাই।

অবশ্য টপিকটা লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিলো কোয়াণ্টাম ফিযিক্সের যে ফ্রণ্টিয়ার সাইন্টিস্টরা রিয়েলিটি নিয়ে গবেষনা করে ফ্যান্টাস্টিক তথ্য পাচ্ছেন তা নিয়ে। তবে ফিলোসফী নিয়ে আরম্ভ করতে গিয়ে বেশি লম্বা করে ফেলেছি... তাই বাধ্য হয়ে টপিকটা মাল্টি-পার্ট করতে হচ্ছে।

ব্রেইন-ইন-আ-ভ্যাট, প্লেটোর গুহা, দেকার্তের ইভিল ডীমন - এগুলো সবই ফিলোসফিকাল scepticism  দর্শনতত্ব হলেও এই এক্সপেরিমেন্টগুলো এমন এক বিষয় প্রেডিক্ট করছে, আধুনিক কোয়াণ্টাম সাইন্স যার আভাস দিচ্ছে...

Calm... like a bomb.

২৭

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

টপিকটার দুইটা দারুন দিক আছে: প্রথমটা হল এর কনটেন্ট আর পরেরটা হল এর কনটেক্সট।

দ্বিতীয়টায় বেশি মজা পেলাম  big_smile (শুভ অবরোধ দিবস)। তবে প্রথমটার জন্য রেপু ... ... ...

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৮

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

টপিকটার দুইটা দারুন দিক আছে: প্রথমটা হল এর কনটেন্ট আর পরেরটা হল এর কনটেক্সট।

দ্বিতীয়টায় বেশি মজা পেলাম  big_smile (শুভ অবরোধ দিবস)। তবে প্রথমটার জন্য রেপু ... ... ...

আপনি আসল থীমটা ধরে ফেলেছেন!

ব্রেইন-ইন-ভ্যাট ইত্যাদি প্রকল্পগুলো অনেকটা ঈশপের গল্পের মত। গল্পের হিডেন মীনিং, অর্থাৎ মেইন কন্টেক্সট-টা আরো চমকপ্রদ, আরো ফ্যাসিনেটিং... (এবং স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, কিণ্চিৎ ডিপ্রেসিং-ও  sad )

Calm... like a bomb.

২৯

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

invarbrass লিখেছেন:

আনুমানিক ৩০০ খৃঃপূর্ব সালে গ্রীক স্কলার প্লেটো তাঁর বিখ্যাত ছাত্র সক্রেটেসের সাথে কল্পিত সংলাপ সাজিয়ে রচনাটি লিখেছিলেন।

আসলে সক্রেটিসের ছাত্র প্লেটো
Trueman show মুভিটা দেখলাম। কাছাকাছি জিনিষ দেখিয়েছে।

এসব নিয়ে বেশি আলোচনা করলে স্পর্শকাতর কিছু বেরিয়ে যাবে।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

৩০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০৫-০৫-২০১৩ ১৪:০৬)

Re: সিম্যুলিযম #১: ব্রেইন ইন আ ভ্যাট

শিপলু লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

আনুমানিক ৩০০ খৃঃপূর্ব সালে গ্রীক স্কলার প্লেটো তাঁর বিখ্যাত ছাত্র সক্রেটেসের সাথে কল্পিত সংলাপ সাজিয়ে রচনাটি লিখেছিলেন।

আসলে সক্রেটিসের ছাত্র প্লেটো
Trueman show মুভিটা দেখলাম। কাছাকাছি জিনিষ দেখিয়েছে।

এসব নিয়ে বেশি আলোচনা করলে স্পর্শকাতর কিছু বেরিয়ে যাবে।

থ্যাংকস! পিতাকে পুত্র বানিয়ে ফেলেছিলাম দেখা যাচ্ছে!  big_smile

অন টপিকঃ ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস কিন্তু সাই-ফাই ফ্যান্টাসী না; হার্ড "রিয়েলিটি"।
এই ছবিগুলো মনে হয় ফোরামে আগেও পোস্ট করেছিলাম (বিঃদ্রঃ ফটোগুলো আমার তোলা না। ক্রেডিট গুগল মামু)
http://i.imgur.com/s9J3Qje.jpg
http://i.imgur.com/85jbkfV.jpg
http://i.imgur.com/IJSIApj.jpg

এসব প্রাণীদের নিয়ণ্ত্রণ করছে ডিজিটাল মাইক্রোকন্ট্রোলার। সিপিউ যদি বলে বামদিকে যাও, ইঁদুর/তেলাপোকাটি কিন্তু মনে করছে কমাণ্ড বা ইচ্ছাটা তার ব্রেন থেকেই এসেছে - এবং তা পালনও করছে।

নেক্সট ডেস্টিনেশনঃ (ইতিমধ্যেই এ নিয়ে জোর কাজ চলছে)
http://i.imgur.com/4s4crNX.jpg

তাছাড়া, ব্রেইন/মেমরীর ওপর গুগল ইফেক্ট যদি বিবেচনা করেনঃ পুরো ইণ্টারনেট একটা গ্লোবাল ব্রেইন, আর আমরা প্রত্যেকে ক্রমশঃ ঐ মেগা-ব্রেইনের সাথে কানেক্টেড নোডস, সাইবর্গ জাতীয় হাইব্রিড প্রাণীতে পরিণত হচ্ছি। আমরা প্রত্যেকেই ইণ্টারনেট ব্রেইনের ইনপুট-আউটপুট পোর্ট। এই লেখা যখন পড়ছেন, ইন্টারনেট থেকে ইনপুট নিচ্ছেন আপনি। আবার যখন নিজের আইডিয়া শেয়ার করছেন, ইন্টারনেটে আউটপুট দিয়ে অন্যান্য নোডসে ছড়িয়ে দিচ্ছেন...

অতি কল্পনা মন হচ্ছে? গত মাসেই না একটা ঘটনা ঘটে গেলো... একদল হ্যাকার কোন কোম্পানীর অফিশিয়াল টুইটার এ্যাকাউন্ট হ্যাক করে কি এক ভুয়া টুইট মারলো, আর ইমিডিয়েটলী কোম্পানীর শেয়ার প্রাইস দুড়ুম ক্র্যাশ করে গেলো! হতে পারে যারা এই হ্যাকের পেছনে জড়িত, তারা ঐ মোক্ষম টাইমে ধুমায়ে শেয়ার কিনেছে!

ব্লু ব্রেইন প্রযেক্ট নামে একটি রিসার্চ প্রযেক্ট চালু আছে আমেরিকায়। সম্প্রতি ওবামা সরকার এরকম ব্রেইন রিসার্চের জন্য বিশাল অংকের গ্র্যান্ট দিয়েছে।

ব্লু ব্রেইন প্রযেক্টের লক্ষ হলো হিউম্যান ব্রেইনের হুবহু ক্লোন তৈরী করা। প্রতিটা নিউরন, এ্যাক্সন ইত্যাদি স্ক্যান করে ব্রেইনের মধ্যে যেসব ইনফরমেশন রক্ষিত আছে - তা ডিজিটাল মিডিয়ামে ট্রান্সফার করা। এটা করতে পারলে...

ঈশ্বরদের মতই আপনিও অমর হবেন!

আপনার বায়োজিকাল দেহ বিলীন হয়ে যাবে। তবে আপনার essence of existence টিকে থাকবে সিলিকন (?? কোয়াণ্টাম ??) জগৎে অনন্তকাল ধরে...

অর্গানিক কেমিস্ট্রি, অরগানিক লাইফফরম আনস্টেবল, শর্ট লিভড। সিলিকন ইলেক্ট্রনিক্স (বা ভবিষ্যৎের টেকনোলজী) স্টেবল এবং লংলিভড - মিলিয়ন বছর "আয়ু" দেয়া সম্ভব। বা নষ্ট হলেও সহজে রিপ্লেস করা সম্ভব। আপনার বডি ড্যামেজ হলে ফেলে দিয়ে আরেকটা নিয়ে নিতে পারেন না।

যদি মনে করেন, ব্রেইন-ইন-ভ্যাট ফালতু, অলস ফ্যান্টাসী ছাড়া কিছু না, থিংক এ্যাগেইন!  hehe

Calm... like a bomb.