সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১১-০৪-২০১৩ ০৯:৩২)

টপিকঃ দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ভার্সিটি লাইফে আমাদের একটা নিয়ম ছিলো। পরীক্ষা শেষ হলে কোথাও ঘুরতে যাওয়া ইজ আ মাস্ট। সেই নিয়মের জের ধরেই আমরা ২০০৯ সালের শেষের দিকে সর্বশেষ গিয়েছিলাম বান্দরবান, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন্স। দলে ছিলো অর্নব, তুষার, জনি, নাহিদ, শুভ্র এবং আমি।  কর্মজীবনে প্রবেশ করার পরে আজ একেকজন একেক দিকে। অর্নব হুয়াউই এর কোরের ইঞ্জিনিয়ার, তুষার আছে বাংলাদেশ বেতারে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে, জনি আছে ব্যাংকে, নাহিদ উচ্চশিক্ষার্থে আমেরিকা প্রবাসী, শুভ্র আর আমি আছি শিক্ষকতায়।


আমরা ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করলাম রাত এগারোটায়। আমি আর তুষার মিরপুরবাসী। তাই কল্যাণপুর থেকে একত্রে যাত্রা করলাম। অন্যরা উঠলো সায়েদাবাদ থেকে। বাসে উঠেই অর্নব আমার পাশে বসলো এবং তখনই বুঝলাম যে, ইনসোম্যানিক পলস (অর্নবের আদরের নাম তার টাইটেল অনুযায়ী) আমাকে সারারাত ঘুমাতে দিবেনা। হলোও তাই। সারারাত আমার মতন ঘুমকাতুরে পাবলিককে জাগিয়ে রেখে বান্দরবান পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলো পলস। দুনিয়ার দান দুনিয়ায় শোধ হয়, কথাটা মনেহয় মিথ্যা না। আজকাল ইনসোম্যানিক পলস, রাতে ঘুমানোর জন্যে ছটফট করে। কিন্তু বেশিরভাগ সময় সুইচরুম গুলোতে ওকে রাত বারোটা থেকে ভোরবেলা পর্যন্ত কাজ করতে হয়।


বান্দরবানে পৌছালাম ভোর সাড়ে পাচটা, ছয়টার দিকে। বাসস্ট্যান্ডটা একটা বিশাল কালো দেয়ালের পাশে মনে হয়েছিলো। পরে দিনের আলোতে টের পেয়েছিলাম যে, ওটা আসলে একটা পাহাড় ছিলো! ভোরবেলায় আমাদেরকে রিসিভ করে হোটলে নিয়ে এলেন জেলার বন মন্ত্রনালয়ের একজন সরকারী কর্মকর্তা। অর্নবের বাবা সেক্রেটারিয়েটে ছিলেন। ওনার কল্যাণেই এটা সম্ভব হয়েছিলো। হোটেলটা চারতলা, ছোটখাটো এবং ওটাই নাকি বান্দরবনের ভালো হোটেলগুলোর একটি। আমরা একটু ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ রেস্ট করলাম। তারপর সরকারী কর্মকর্তা আঙ্কেলের নেতৃত্বে হোটেলে নাস্তা করতে গেলাম। বন্ধু তুষার আবার খুবই খুতখুতে এবং সহজে ঠকবার পাত্র নয়। তাই নাস্তা খাওয়ার সময় বেশ কয়েকবার সেই কর্মকর্তা আঙ্কেলের জন্যে বরাদ্দ প্লেট থেকে ডালঘুটনী আর ডিমভাজা চেখে দেখতে ভুল করলো না। আরও কয়েকবার মনেহয় ইচ্ছে ছিলো টেস্ট করার। কিন্তু আমরা বহুকষ্টে তাকে ঠেকিয়ে রেখেছিলাম বলে রক্ষা। তবে রেস্টুরেন্টের বাইরে এসে এই কান্ড করার পিছনে যে যুক্তি দিয়েছিলো, তাতে ঐ সময় আমরা ওকে আর কিছু বলতে পারিনি। “কিরে পলস, তোর বাপে বইলা দিছে, তারপরও ব্যাটার কতবড় সাহস!! কই আমাগো নাস্তা করাইবো, তা না আমাগো পয়সায় আমাগো লগেই নাস্তা করে!! হ, খাইছি তো কি হইছে? ঐডাতো আমাগো নিজেগো পয়সা!”


নাস্তা করার পরে সেই কর্মকর্তা আঙ্কেলের  সহায়তায় সারাদিনের জন্যে একটা জীপ ভাড়া করলাম। ভেবেছিলাম যে, এবারে একটু স্বাধীনভাবে ঘুরেফিরে বেড়াবো। কোথায় কি? আঙ্কেল আমাদের সাথে চীনা-জোকের মতন লেগে থাকলেন গাইড হিসেবে। প্রথমে আমরা গেলাম নীলগিরি। ঘন্টা দুয়েক লেগেছিলো মনেহয়। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তায় রাইডের থ্রিলই অন্যরকম। চিকন রাস্তার একপাশে খাদ। অন্যপাশে দেয়ালের মতন পাহাড়। আর প্রচুর সবুজ গাছ আর ঝোপ। শীতেও প্রকৃতির সবুজ যেন এতটুকু কমেনি এ জায়গায়! অবশ্য আমি নিজে বেশিক্ষণ এ রূপ উপভোগ করতে পারিনি। ঘন্টা আধার মতন জাগন থাকার পরে জম্পেশ এক ঘুম দিয়েছিলাম।


নীলগিরি জায়গাটা চমৎকার। উপরে একটা আর্মি ক্যাম্প আছে। আর মেইন স্পটে আছে একটা অতি চমৎকার রেস্ট হাউজ। ইলেকট্রিসিটির ব্যবস্থা করা হয়েছে অনেকগুলো সোলার প্যানেল দিয়ে। শুনেছি যে, ছয়মাস আগে বুকিং দিলে এটা ভাড়া পাওয়া গেলেও যেতে পারে! স্পটের আরেকপাশে আছে একটা হেলিপ্যাড। উপরে থেকে নিচে জমে থাকা সাদা মেঘের ভেলা আর চারপাশের সবুজ নিয়ে একটা স্বর্গীয় পরিবেশ তৈরী করেছে প্রকৃতি এখানে। এখানে কিছুক্ষণ থেকে আমরা রওনা দিলাম ফিরতি পথে। ফেরার পথে আমরা প্রথমে থামলাম চিম্বুক পাহাড়ে। এখানে বেশ কয়েকটা কমিউনিকেশন টাওয়ার আছে। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে দেখলাম একটা বিজিবি ক্যাম্পও আছে। এখানকার চারপাশে দৃশ্যও অতিচমতকার। কিছুক্ষণ জিরিয়ে নিলাম এখানে। হালকা স্ন্যাকসও খাওয়া হলো। বিজিবি সদস্যরা দেখি একপাশে আচার বানিয়ে রোদে দিয়েছে। কি কারণে জানি সেগুলো একটু চেখেও দেখতে দিলো ওনারা।

https://lh3.googleusercontent.com/-M7qQHCskHek/UWXUMePwdbI/AAAAAAAAAbo/Tfr3XnO1Aj4/s604/11031_1299666256466_7648818_n.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-soMcUh2a_fM/UWXUO_fo8II/AAAAAAAAAbw/yCzgDyKH8hI/s604/11031_1299666336468_8355671_n.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-sen-Fa561FI/UWXUWgh2LMI/AAAAAAAAAb4/_Oq4pQtODao/s472/11031_1299666616475_7316674_n.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-VE5TbRE3ye4/UWXUXo8QrQI/AAAAAAAAAcA/oebRTP70Onw/s472/11031_1299666656476_2479059_n.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-uJQKaZCPeGo/UWXUbvIfjDI/AAAAAAAAAcI/wVPSGhX1X94/s604/11031_1299666776479_2555375_n.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-a3Unjdws2E4/UWXUmwc_taI/AAAAAAAAAcQ/1Q2vtqG7-tg/s604/11031_1300505997459_1164985_n.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-Thn05V40y0I/UWXU3G_f_mI/AAAAAAAAAcg/dqKeBte4Pyk/s604/11031_1300506277466_5051469_n.jpg

https://lh6.googleusercontent.com/-0Unupp4rZOw/UWXU-21i_-I/AAAAAAAAAco/TDMyUlSjsdU/s472/11031_1300511437595_7116530_n.jpg

চিম্বুক থেকে বের হয়ে আমরা আবার শহরের দিকে রওনা দিলাম। শহরের রাস্তায় ওঠার কিছু আগে, হাতের বামে একটা ঝরণা আছে। পর্যটন থেকে সেখানে নামার জন্যে সিড়ির ব্যবস্থাও আছে। কোন টিকিট লাগে না। আমরা সেখানে থেমে ভালোমতন ঘুরে দেখলাম। শীতকাল হলেও পাহাড়ে ভ্যাপসা গরমটা একটু বেশিই। আমরা সবাই ঝরণার পানিতে হাতমুখ ধুয়ে দুদন্ড জিরিয়ে, ফটোসেশন করে নিয়ে আবার রওনা দিলাম। পথে এক জায়গায় দেখি কয়েকজন পাবলিক হাত তুলে গাড়ি থামিয়ে দিচ্ছে। আমরা কিছুটা ভয় পেলেও গাড়ি থামানো হলো। লোকগুলোকে গাড়ি থামানোর কারণ জিজ্ঞেস করলে বললো যে, সামনে শুটিং চলছে। তাই একটু পরে যেতে হবে। আমাদের মধ্যে এসব ব্যাপারে জনির আবার ব্যাপক আগ্রহ। ও জিজ্ঞাসা করলো, “কে কে শুটিং করতেসে ভাই?” জবাবে জানা গেলো যে, পার্থ বড়ুয়া আর আরেকজন নামকরা অভিনেত্রী শুটিং করছেন। অভিনেত্রীর নাম শুনেই আমি একটু নড়েচড়ে বসে বেবীর (তুষারকে দেয়া উপাধি) দিকে তাকালাম। দেখি যে ও জানালার পাশ থেকে ভিতরের দিকে মুখ লুকানোর চেষ্টা করছে। যদিও কেউ ব্যাপারটা তেমন লক্ষ্য করলো না। যাই হোক, আমরা আমাদের গাড়িটি পাস করে যেতে দেয়ার অনুরোধ করলাম। অনুরোধে কাজ হলো। যখন শুটিং ইউনিটের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন হঠাত করে বলা নেই কওয়া নেই, সেই বিখ্যাত অভিনেত্রী উঁকি মেরে গাড়ির ভিতরে বেবীকে দেখে ফেললো। আর তারপর ঝাপিয়ে পড়ে রাস্তা আগলে দাঁড়িয়ে গাড়ি থামিয়ে ফেললো। তারপর বেবীকে দেখে, “আরে তুষার মামা না?” এই কথা বলে গাড়ি থেকে বের করে একদম টাইট করে জড়িয়ে ধরলো। এদিকে গাড়ির ভিতরে প্রেমিক পুরুষ জনি খালি মাথা চাপড়াচ্ছে, “আহারে, কেন আমি বেবী হইলাম না......কেন কেন কেন?!!” আশেপাশের লোকজন আর গাড়ির যাত্রীরা যখন হা করে এই দৃশ্য দেখছে, তখন দেখি এক পাশে পার্থ বড়ুয়াও বেশ অবাক। কারা আসলো যে তার নায়িকা একেবারে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে গাড়ি থামিয়ে ফেললো? সে সময় বন্ধুদের মধ্যে নিজেকে খুবই হ্যান্ডসাম আর ড্যাশিং ভাবতাম। পার্থদাকে দেখে সেটা প্রমাণ করার জন্যেই কিনা, কি যে হলো, গাড়ির ভিতরে থেকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম, “হ্যালো, পার্থদা। আমি আসাদ।” “আই অ্যাম আ বিগ ফ্যান” এ কথাটা না বলায় পার্থদাও ভাবলো যে, “কোন আসাদ এলোরে? প্রডিউসার নি কোন?”। উনি তাড়াতাড়ি গাড়ির কাছে এসে ভিতরে বসা আমার হাত ধরে ঝাকি দিয়ে বললেন, “হ্যালো। খুব খুশি হলাম পরিচিত হয়ে।” ততক্ষণে অভিনেত্রীর সাথে বেবীর কোলাকুলি শেষ। তাই আমরাও তাদের কাছ থেকে বিদায় নিলাম। আমি এই পরিচয়ের ব্যাপারটা আগে থেকে জানতাম। কিন্তু অন্যরা জানতো না। যেই তুষারকে সবাই বেবী বেবী বলে ক্ষ্যাপাতো, সেই বেবীই তখন কোলাকুলির জোড়ে সবার মাঝে ড্যাশিং হিরো হিসেবে আবির্ভুত হলো। আর আমি হয়ে গেলাম স্মার্ট সাইডকিক।
[চলবে]

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

শেষের দিকে মজা পেয়েছি। চলতে থাকুক...

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

হা হা হা......

পড়ছের আর মুখের হাসি বিভিন্ন সময় ছোট-বড় বিভিন্ন আকার ধারন করছে। শেষের দিকে এসে শব্দ করেই হেসে ফেললাম। এই ভ্রমণে আপনার সাথেই আছি।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

আবদুল্লাহ আল রিফাত লিখেছেন:

শেষের দিকে মজা পেয়েছি। চলতে থাকুক...


আমিও lol ধন্যবাদ রিফাত।

আরণ্যক লিখেছেন:

হা হা হা......
পড়ছের আর মুখের হাসি বিভিন্ন সময় ছোট-বড় বিভিন্ন আকার ধারন করছে। শেষের দিকে এসে শব্দ করেই হেসে ফেললাম। এই ভ্রমণে আপনার সাথেই আছি।


হাসুন। সকাল সকাল আপনাদের মুখে হাসি ফুটাতে পেরেছি এর চাইতে বেশি কিছু চাওয়ার নেই lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

হি হহিহিহিহি
খুব মজা লাগছে কাউয়া ভাই

ছবিগুলো ফাটাফাটি
বেসম্ভব ভাল লাগল ভ্রমণ কাহানি..........

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

কাহিনী ভাল লাগে নাই
ছবি গুলোও ভাল হয় নাই
আপনার বলার ভঙ্গিও ভাল নয়
তা ছাড়া আপনার হাতের লেখাও স্পষ্ট নয়।

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

কাহিনী ভাল লাগে নাই
ছবি গুলোও ভাল হয় নাই
আপনার বলার ভঙ্গিও ভাল নয়
তা ছাড়া আপনার হাতের লেখাও স্পষ্ট নয়।


আপনি বুঝি আজকাল খারাপ টপিকে সন্মাননা দেন hehe hehe

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ভাইরে আঙ্গুর ফল আসলেই টক.........
কক্সবাজার ছাড়া কোথাও যেতে পারি নাই  brokenheart

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

মন্তব্য কি করবো খুজে পাচ্ছি না। তবে হাত মিলানোর স্টাইলটা পরে মজা পাইছি। tongue

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১১-০৪-২০১৩ ১০:৩৩)

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

ভাইরে আঙ্গুর ফল আসলেই টক.........
কক্সবাজার ছাড়া কোথাও যেতে পারি নাই  brokenheart


ব্যাপার না। তবে আপনি কিন্তু ঠিকই সুদূর কুড়িগ্রাম থেকে (মনেহয়) প্রজন্মের লিজেন...... ওয়েট ফর ইট......ড্যারি মিটাপে চলে এসেছিলেন, সেটা কম কিসে?

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

মন্তব্য কি করবো খুজে পাচ্ছি না। তবে হাত মিলানোর স্টাইলটা পরে মজা পাইছি। tongue

ধন্যবাদ। আপনার মতন বিনোদনদাতাকে বিনোদিত করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার cool

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১১

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

আপনার মতন বিনোদনদাতাকে বিনোদিত করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার

লজ্জায় ফেইল্লা দিলেন.... blushing

অটঃ একটা সিরিয়াল লিখতে ছিলেন, দুইটা পর্ব পরেছিলাম কিন্তু তারপর আর আসা হয় নাই ফোরামে। কাল খুজলাম অনেকক্ষন পেলাম না নতুন কোন পর্ব। নতুন কোন পর্ব কি লিখেছিলেন। যদি লিখে থাকেন তাহলে একটু কি লিংক দিবেন।  smile

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১২

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

আপনার মতন বিনোদনদাতাকে বিনোদিত করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার

লজ্জায় ফেইল্লা দিলেন.... blushing

অটঃ একটা সিরিয়াল লিখতে ছিলেন, দুইটা পর্ব পরেছিলাম কিন্তু তারপর আর আসা হয় নাই ফোরামে। কাল খুজলাম অনেকক্ষন পেলাম না নতুন কোন পর্ব। নতুন কোন পর্ব কি লিখেছিলেন। যদি লিখে থাকেন তাহলে একটু কি লিংক দিবেন।  smile

পর্ব-৩
পর্ব-৪
পর্ব-৫
পর্ব-৬
শেষ পর্ব

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৩

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ভাই আমার জন্ম কুড়িগ্রামে হলেও বাবা চাকরী সূত্রে এবং পরে অনার্স ও মাস্টার্স ঢাকাতেই করেছি
এখন চাকরীর জন্য এই ঢাকাতেই আছি। তাই লিটারেলী আমি ঢাকাইয়াই

তবে সব ছেড়ে দুরে চলে যাব.........
আয়রে আয়...... তোরা কে কে যাবি......
কৃতজ্ঞতাঃ নচিকেতা
বিদ্রঃ বেশ বড় মাপের রিপ্লাই দিয়ে গেল কারেন্ট। ইদানিং ফুজিৎসু ল্যাপিও বিট্রে শুরু করছে দেখাল ১০ মিনিট আছে কিন্তু যেই পোষ্ট করলাম ওমনি সাট ডাউন। অবশ্য ২ ঘন্টা চলেছিল বিদ্যুৎ যাবার পরে এবং ওয়ার্নিং যে দেই নাই তা না angry  এই রিপ্লাইয়ের সামারি দিলাম

১৪

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

ঘটনা প্রবাহ তো সুন্দর ছিলই আপনার লেখার হাত ও চমৎকার, পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমিও আপনাদের দলেই ছিলাম আপনাদের গাড়ির ভেতরে বসে বসে আপনাদের কাহিনী দেখছিলাম আর মজা নিচ্ছিলাম। wink কিন্তু শেষের আপনার ওই "চলবে" লেখাটা বাগরা বসালো...  brokenheart চালিয়ে যান, পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। thumbs_up

অনিশ্চয়তার পৃথিবীতে অনিশ্চয়তার মাঝে ডুবে আছি।

১৫

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

মুক্তবিহঙ্গ লিখেছেন:

ঘটনা প্রবাহ তো সুন্দর ছিলই আপনার লেখার হাত ও চমৎকার, পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমিও আপনাদের দলেই ছিলাম আপনাদের গাড়ির ভেতরে বসে বসে আপনাদের কাহিনী দেখছিলাম আর মজা নিচ্ছিলাম। wink কিন্তু শেষের আপনার ওই "চলবে" লেখাটা বাগরা বসালো...  brokenheart চালিয়ে যান, পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। thumbs_up


আরে ভাই, রয়েসয়ে লিখছি আরকি। তিন বছর আগের ঘটনা। মনে করতেও সময় লাগে। এই পর্বে সাথে ছিলেন। আশা রাখি আগামী পর্বেও সাথে থাকবেন thumbs_up

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৬

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

lol মজা পাইছি, চিম্বুকের ওদিকে আসলে যাওয়া হয় নাই, ৩ নাম্বার ছবিতে মনে হচ্ছে চীনের মহাপ্রাচীরের সামনে  tongue_smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

valo legeche chobi, dharabahik borbona..............

ভালোবাসা উষ্ণতা জাগায় বটে......
তবে এ কাজটি দ্রুততার সাথে করে ভদকা.......

১৮

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

এক কথায় দারুন'স পোস্ট

"We want Justice for Adnan Tasin"

১৯

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

lol lol lol হে হে হে মিয়া ,  মজা করেছেন আপনারাই  clap clap

কুলাকুলির দৃশ্যটা ইমাজিন করছি আর পার্থ দা -র হা হয়ে যাও মুখ   dream

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

২০

Re: দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া......

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

lol মজা পাইছি, চিম্বুকের ওদিকে আসলে যাওয়া হয় নাই, ৩ নাম্বার ছবিতে মনে হচ্ছে চীনের মহাপ্রাচীরের সামনে  tongue_smile


নীলগিরি ডেভেলপ করার পরে এখন নাকি কেউ চিম্বুকে যায়ও না। তখন শুনেছিলাম যে, ২০১২ থেকে কেবল-কার চালু করবে। এখনও করে নাই সম্ভবত donttell

কোথাও কেউ নেই লিখেছেন:

valo legeche chobi, dharabahik borbona..............


ধন্যবাদ সজীব ভাই। আপনার অভ্র কাজ করছেনা নাকি? thinking

আউল লিখেছেন:

এক কথায় দারুন'স পোস্ট


ধন্যবাদ।

Jemsbond লিখেছেন:

lol lol lol হে হে হে মিয়া ,  মজা করেছেন আপনারাই  clap clap
কুলাকুলির দৃশ্যটা ইমাজিন করছি আর পার্থ দা -র হা হয়ে যাও মুখ   dream


আপনিওতো আপনার এলাকায় ছোটবেলায় ক্রাশ খাওয়া জাতীয় মজা কম করেননি wink আপনার তুলনায় আমরা নস্যি lol lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(