টপিকঃ সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

নানা ব্যাস্ততার মাঝে তিক্ত হয়ে মানুষ চায় প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে। আর প্রকৃতিও চায় সেইসব মানুষকে যারা বিধাতার রহস্যময় সৃষ্টিকে ভুলতে বসেছে। তাই আমার মনেও সেই ইচ্ছা উঁকি দিচ্ছিলো যাই প্রকৃতিকে একবার দেখা দিয়ে আসি, চেষ্টা করি একটু তাকে অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখার।

শরতের শেষ শেষ। দিনটি ছিলো শুক্রবার। চিন্তা করলাম দূরে কোথাও না গিয়ে বাসার পাশে ঢাকার ঐতিহ্য বুড়িগংগা থেকেই বেড়িয়ে আসি। কিন্তু আমার মনের ইচ্ছাকে বাগড়া দিতেই ঝুম বৃষ্টি নামলো। যদি না কমে তাহলে যাবার সম্ভাবনাই নেই। অবশেষে আল্লাহর রহমতেই বিকেলের আগে বৃষ্টি কমে এলো।

তাই মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় বেড়িয়ে পড়লাম, প্রকৃতির কোলে ছুটে যাবার উদ্দেশ্যে সাথে ছিলো বড় ভাইয়া।

সেই মূহুর্ত থেকে শুরু হয়েছিলো আমার জীবনের অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা। যা আমাকে কখনোও কাঁদায় কখনোও হাসায়।
বাসা থেকে গন্তব্য হাটা পথ। গল্প গল্প করতে করতে একসময় নিজেকে আবিষ্কার করলাম সমতল ভূমি থেকে সামান্য উঁচু জায়গায়। সেই বয়সে সেটিই ছিলো আমার প্রথম ব্রীজে উঠার অভিজ্ঞতা। কর্দমাক্ত রাস্তার কাঁদার পদচিহ্ণ পিচঢালা রাস্তায় আঁকতে আঁকতে নিজেরে আরো কিছুটা উঁচুতে নিয়ে আসলাম।

হন্টনের একপর্যায়ে খেয়াল করলাম বিকেলের রোদকে প্রকৃতি কি মধুমাখা হাসির সাথে বিদায় দিচ্ছে। বিদায় সবসময় কষ্টের কিন্তু কটকটে রোদেলা বিকেলকে বিদায় দিয়ে মনোরম সন্ধ্যাকে আগমন জানানোর মজাই আলাদা।

দেখা হলো অদ্ভুত এক সেনা সদস্যের সাথে।
বাচ্চা ছেলে পিছনে বাসন বেঁধে সুন্দর মার্চ করে এগিয়ে যাচ্ছে
তার ড্রেসআপটার সাথে বাসন চমতকার মানিয়ে ছিলো। কিছুদূর যেতে না যেতেই দেখলাম সেই ছেলের জমজ ভাই ঠিক একই পোষাক পড়ে যাচ্ছে। কি মনে করে তারা একজন আরেক জনের পিছনে হঠাত দৌড় শুরু করলো। দেখে মনে হল এদের ক্ষুদ্র কমান্ডো বাহিনীতে একজন কমান্ডার ও একজন সদস্য। । তবে তাদের এই দুষ্টুমি দু-মুঠো ভাত খাবার একমাত্র অবলম্বন বাসন খানা সংরক্ষনের এক নতুন প্রযুক্তি।

এদের মত কত ছেলে যে মায়ের কোল থেকে পিচ ঢালা রাস্তায় হারিয়ে যাচ্ছে তার সংখ্যা কে জানে? কে ভাবে তাদের নিয়ে? শুধু সম্মেলন হচ্ছে শিশু অধিকার নিয়ে। সমাজের পেটি মোটা মানুষেরা মিটিং এ চেঁচিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তাহলে সেইসবের ফলাফল কি আজকে এই দুটি শিশুর মাঝেই দেখা যাচ্ছে না?

সেতুর ওপরে টুক-টাক খাওয়া দাওয়া চালানোর জন্য হকাররা নানান রকমের জিনিস বিক্রি করছে। হাঁটার সময় মুখ দিয়ে কিছু চিবুতে থাকলে খারাপ লাগে না। হাঁটার আনন্দ উপভোগ করা যায় এই ভেবে মরিচ দিয়ে মশলা মাখানো ঝালমুড়ি খাবার সিদ্ধান্ত নিলাম। তবে ঝালমুড়িওয়ালা কে বলা দিলাম প্রথমেই যে -তোমার মুড়ি খেয়ে চোখ থেকে পানি না পড়লে পয়সা পাবে না।

শুরু হল ঝালমুড়ি বানানোর সহজ কিন্তু দেখতে আনন্দদায়ক এক প্রক্রিয়া। খুব আগ্রহ নিয়ে আমি তাকিয়ে থাকি তখন ঝালমুড়িওয়ালার দ্রুতগতিতে চলন্ত হাতের দিকে। ভালোই লাগে। ভাইয়া হঠাত তাকে জিজ্ঞেস করলো...
-তোমার ঝালমুড়ি কেমন?
সে উত্তর দিলো(লজ্জিত হয়ে)...
-কেমন আর হইবো? আমনেগো যদি পছন্দ হয় তয় আর কি? তার সম্পর্কে আরো কিছু জিজ্ঞেস করা হলে সে বলেছিলো যে সে এখনোও নাকি বিবাহ করে নাই। দৈনিক যা লাভ হয় তা তার বাবা মাকে দেয়। তবে তার লক্ষ্যটা আমার কাছে অনেক পছন্দ হল তার ইচ্ছা বাকি জীবন বাবা মায়ের সেবা করা। তাদের মৃত্যু পর্যন্ত সে তাদের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চায়।

সত্যিই জগতে এর থেকে আর বেশী আনন্দের আর কি হতে পারে? নিজের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে বাবা মার সেবা করা। এই আনন্দ সবাই ভোগ করতে পারে না। যারা ছোটবেলা থেকে পরিশ্রম করতে দেখেছে মানুষকে এবং অনুভূতি করতে পেরেছে কষ্টের মাধ্যমে জীবনে মর্মবাণী তারাই পারে।

তাদের শুভকামনা.........

সেতুর বরাবর নিচে তাকিয়ে মজার একটা জিনিস আবিষ্কার করলাম সেতুটি পিছনের দিকে ছুটছে। আসলে পরে দেখলাম ঘটনা তা না স্রোতের টানের কারণেই আমার কাছে এমন মনে হচ্ছে। এটা আবিষ্কার করে খুবই মজা পেলাম মনে হচ্ছিলো বড় কোন কিছু করে ফেলেছি।

উফ কি সুন্দর !! দূরের জাহাজের বাতিগুলো। নদীর পানিতে যে এত সুন্দর প্রতিচ্ছবি পড়ে, এত সুন্দর একটা শিল্প এইখানে প্রকৃতি সৃষ্টি করেছে তা আমি আমার তখনকার জীবনে প্রথমবারের মত প্রত্যক্ষ করেছিলাম। নানা রংগের বাতিগুলা এত্ত ভালো লাগতেছিলো... অসাধারণ !! প্রথমবার কোন ভয়ংকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে আমার অবস্থাও তাই হয়েছিলো।

নদীতে ভাসমান লন্ঠনওয়ালা নৌকাগুলা দেখে মনে হচ্ছিলো যেন দুষ্টু জোনাকিরা খেলা করছে। হঠাত চোখে পড়লো ঘাটে বাধা নৌকাগুলো সেগুলোকে আমি উপর থেকে দেখে মনে করেছিলাম শাপলা ফুলের কোন উন্নত সংস্করণ বুঝি। পুরো শাপলা ফুলের আকৃতি দিয়ে মাঝিরা বেধে রেখেছিলো নৌকাগুলো। তবে সমস্যা ছিলো শাপলা ফুল কখনো কালো হয় না কিন্তু ডিঙ্গি নৌকাগুলো ছিলো কুচকুচে কালো।

এতক্ষন পরে একটা প্রশ্ন আসলো মনে যে সেতুটি কিভাবে বানানো হয়েছে? নদীর উপরে ইট দিয়ে?

কি আশ্চর্য তাই না !! যাক এর সমাধান ভাইয়ার কাছে চাইতেই দিলো এক রাম ঝাড়ি। হি হি হি। কারণ আসলে এমন অদ্ভুত প্রশ্ন সাধারণত কেউ করে না। পরে অবশ্য এইটার উত্তর পাবার জন্য আমাকে অনেক ভাবতে হয়েছে।

এর পরে শুনলাম এক অদ্ভুত মাইকিং। মাইকে করে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ঔষধের। বিজ্ঞাপনটা শুনে সুস্থ মস্তিষ্কের মেজাজ, যে কারো গরম হবারই কথা। কিন্তু অবাক ঘটনা হলেও সত্যি যে বিজ্ঞাপন শুনবার জন্য তার চারপাশে ছোট খাট একটা ভীড় ছিলো। তখন আমার মাথায় আসলো এরা সবাই কি আসলে অসুস্থ মস্তিষ্কের? নাকি এদের খায়া-দায়া কোন কাজ নাই।

আসলে মানুষের স্বভাব বড়ই বিচিত্র অনেক সময় সে সামান্য কিছু দেখলেই আনন্দ পায় আর কখনো বিস্ময়কর কিছু দেখলেও অবাক হয় না। কি আশ্চর্য!!

এই যে ঔষধ গুলা বিক্রয় করা হচ্ছে এগুলার ব্যাপারে বলতে গেলে বলতে হবে মানুষ কে ঠকানোর চমতকার এক ফন্দি। নানা রকমের ভাঁওতাবাজি দেখিয়া মানুষের থেকে টাকা আদায় করে নেয়া হয়। গ্রাম্য মানুষ না বুঝে তা ব্যবহার করে সম্মুখীন হয় জীবন-মরণ ঝুঁকির।

এইসব ভাবতে ভাবতেই খেয়াল করলাম এখন আমি পুরোপুরি রাতের পরিবেশে অবস্থান করতেছি ব্রীজে। আরো লক্ষ্য করলাম আমাদের হন্টন প্রায় ২ ঘন্টা যাবত চলতেছে। তাই মনস্থ করলাম ফিরে যাওয়ার জন্যে। আবার সেই পথে হেঁটে আসা শুরু করলাম।

একটা জিনিস কোথাও যাওয়ার সময় পথ মনে হয় অনেক সময়ের লং জার্নি, অপর পক্ষে ফিরে আসার সময় মনে হয় আহ কি তাড়াতাড়ি সময় টা শেষ হয়ে গেলো। এর কারণ কি?
আমি চিন্তা করে আবিষ্কার করলাম যাবার সময় আমাদের মস্তিষ্ক থাকে উত্তেজিত কখন যাওয়া হবে সেই বিষয় নিয়ে। কিন্তু আসার সময় যা যা ঘটলো তা নিয়ে চিন্তা করতে করতে সময় পার হয়ে যায়। তখন আর খেয়াল থাকে না রাস্তার কথা।

সেদিন ফিরে আসতে আসতে আমাদের সময়টাও অনেক তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে আসলো। আসার সময় মনটা তো এমনিতেও খারাপ ছিলো। আরো খারাপ হয়ে গেল কিছু ড্রাগ এডিক্টেড মানুষকে দেখে। যারা ড্রাগে মত্ত হয়ে শান্তির ঘুম দিচ্ছিলো রাস্তার পাশে শুয়ে। এরা সমাজের বোঝা। নিজেরা নিজেদের সমাজের বোঝা বানিয়ে রেখেছে। নষ্ট করছে সমাজের আরো অন্যান্যদের। তাই আমার মতে এদের বেঁচে থাকার থেকে বেঁচে না থাকা অনেক ভালো। রাস্তার মাঝে হঠাত করে এরকম বিতি-কিচ্ছিরি কোন মানুষ দেখলে যে কারো মুড নষ্ট হয়ে যায়।

সময় গড়িয়ে শেষ হল শেষ ফোঁটা টুকু ফেলে দিয়ে আসলাম বুড়িগঙ্গার জলের মাঝে। এই অপরিষ্কার পানিতে আমার পরিষ্কার সুন্দর একটা অভিজ্ঞতার ছোঁয়া রেখে আসলাম। এটা ভালো হল না খারাপ হল তা বুঝার আমার দরকার নেই। আমি শুধু জানি সন্ধ্যার আলো আঁধারে পুরো প্রাকৃতিক পরিবেশ থাকে শূচিময়। সেখানে অশূচি বলে কিছু নেই। তাই তখন প্রকৃতির কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘ্রাণ নিতে ইচ্ছে হয়। পবিত্রতার সংস্পর্শে মনের কালিমা ধুয়ে মুছে যাক...

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (০৬-০৩-২০০৮ ১৩:২৪)

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

কি চোখ, কি দৃষ্টিভঙ্গি!!!! আর কি চমৎকার বর্ণনা। কিন্তু ছবি কই?

তোমাকে ভালবাসি, তোমারই চরণে ঠাঁই,
মা,
তোমার ভালবাসার কোন তুলনা নাই।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হাঙ্গরিকোডার (০৬-০৩-২০০৮ ১৩:৩৮)

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

তপু লিখেছেন:

কি চোখ, কি দৃস্টিভঙ্গি!!!! আর কি চমৎকার বর্ননা। কিন্তু ছবি কই?

আমার অনেক আগের ডায়েরী্র এক পাতা থেকে থেকে নিলাম
ডায়েরী তে ছবি রাখতে পারি নাই তাই ছবি নাই...

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

চমৎকার বর্ণনা। thumbs_up
শেষ অনুচ্ছেদে জানা গেল যে সেটা বুড়িগঙ্গা।.. .. কোন সেতুতে গিয়েছিলেন?

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (০৬-০৩-২০০৮ ১১:২৮)

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

দৃষ্টি বানান ভুল tongue_smile

এই ধরণের ব্যাপারগুলো দয়া করে গোপন বার্তায় জানাবেন।

অন্য কেউ করলে তাকেও অনুরোধ করবেন।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

এই ধরণের ব্যাপারগুলো দয়া করে গোপন বার্তায় জানাবেন।

অন্য কেউ করলে তাকেও অনুরোধ করবেন।

ঠিকাছে ভাইয়া নেক্সট টাইম সতর্ক থাকব

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

মুজতবা অসাধারন লেখনী.......:clap::clap::clap:
তুমি এত ভালো লেখো আর এখানে এসে কিনা আউল ফাউল পোস্ট করো এটা ঠিক না[-X[-X angry
লেখা দেখে (+) সম্মাননা না দিয়ে পারলাম না....
তবে এরকম লেখা আর পোস্ট না করলে কিন্তু (-) সম্মাননা দিব;q

আমি বাঙালী, আমি বাংলাদেশী, আমি দক্ষিণ এশীয়.... কিন্তু সবার উপরে আমি একজন মানুষ... এটিই আমার পরিচয়।

আমি মুক্ত জীবনে বিশ্বাসী তাই আমি লিনাক্স ব্যবহার করি।

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

তুমি এত ভালো লেখো আর এখানে এসে কিনা আউল ফাউল পোস্ট করো এটা ঠিক না

surprisedcrycrying
হায় হায় আমি আবার কি আউল ফাউল পোস্ট করলাম??
তবে ঠিক একসময় লিখতাম ভালো এখন না লিখতে লিখতে হাত নষ্ট হয়ে গেছে মনে হয়...
আবার লেখালেখি নিয়া টেরাই করতে হবে নইলে হবে না সম্মাননার জন্য ধন্যবাদ

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

জোস লেখা! এতদিন চোখে পড়ল না ক্যান!?! surprisedsurprised:-O
৩০০ মিনিট অপেক্ষা করেন thinking

অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ক্ষ ড় ঢ় য়
ৎ ং ঃ ঁ

আলোকিত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

রেপুর জন্য big_smile

চোখে না পড়ার জন্য sadworried

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: সন্ধ্যার আলো-আধারে বুড়িগংগা সেতু

ভাষা আয়ত্ব আর চয়ন অধ্যায়ন  কি দারুণ আনন্দ। যিনি এটাকে ভাল বাসেন।