টপিকঃ বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

১। নির্দিষ্ট এলাকার(ধরেন ৫০ মাইল) মাটির নীচের সব পানি ও গ্যাস প্রচুর আছে। এখন সব গ্যাস ও পানি শেষ হয়ে গেলে কি মাটির ধস হবে ?

২। পৃথিবী সেকেন্ডে/মিনিট কতবার ঘোরে/পাক খায় ?

৩। পৃথিবী সেকেন্ডে//মিনিট কত মেইল বেগে ছোটে/অতিক্রম করে ?

৪। বিবর্তনের কোন পর্যায়ে প্রাণীর দেহে চোখ এসে ছিল ?

৫। মানুষ মাটির কত নীচে কত মাইল পর্যন্ত যেতে পারে?

৬। পানিতে জীবাণু আছে কিনা তা পরিষ্কার সহজ উপায় কি ?

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

কঠিন প্রশ্ন hairpull. উত্তর না দিতে পেরে বরং বিজ্ঞানের আরেকটি প্রশ্ন যোগ করলাম:

* মনে করা যাক আপনার অবস্থান থেকে পৃথিবীতে এমনভাবে একটি ড্রিল বা ছিদ্র করা হলো, যা পৃথিবীর অন্যপ্রান্ত দিয়ে বের হয়ে যায়. মালার গুটির (bead) মত. এখন এই গর্তে একটি মার্বেল ফেললে কি হবে?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তপু (৩০-০১-২০১৩ ১২:৩৮)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

১। হ্যাঁ, ধ্বসে পড়বে। মধ্যাকর্ষণের কারণেই ধস হবে।
২। পৃথিবী তার অক্ষের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ২৪ ঘন্টা বা একদিন লাগে (সঠিক সময় হলঃ 23 hours 56 minutes 04. 09053 seconds)। অর্থাৎ আপনি যদি পৃথিবীর কোন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকেন, তা হলে পৃথিবী ঐ সময়ে একবার ঘুরে আপনাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে আসবে (এটা সম্ভবত আহ্নিক গতি)।
৩। এটা বার্ষিক গতি থেকে বের করা যেতে পারে। পৃথিবী সুর্যের চারপাশে প্রতি ঘন্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে ঘুরে। কাজেই প্রতি মিনিটে ১১১৬.৭ মাইল বা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৮.৬ মাইল বেগে ছোটে।
৪। জানা নাই
৫। জানা নাই।
৬। শর্ট-কার্ট কোন উপায় নাই।  জীবাণু যদি ব্যাকটেরিয়া হয়, তবে মাইক্রোসকোপ দিয়ে দেখা যাবে, স্টেইন করে দেখা যেতে পারে।
টোটকা পদ্ধতি হলো পানি নিয়ে তাতে কিছু শর্করা জাতীয় খাবার যেমন ভাত যোগ করে এক রাত্র রেখে দিলে যদি দেখেন পানির রঙ পরিবর্তন হয়েছে কিম্বা গন্ধ পাওয়া যায়, তাহলে বুঝা যাবে পানি দূষিত।

তোমাকে ভালবাসি, তোমারই চরণে ঠাঁই,
মা,
তোমার ভালবাসার কোন তুলনা নাই।

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শর্তাধীন লিখেছেন:

মনে করা যাক আপনার অবস্থান থেকে পৃথিবীতে এমনভাবে একটি ড্রিল বা ছিদ্র করা হলো, যা পৃথিবীর অন্যপ্রান্ত দিয়ে বের হয়ে যায়. মালার গুটির (bead) মত. এখন এই গর্তে একটি মার্বেল ফেললে কি হবে?

Total Recall (2012) মুভি দেখতে পারেন তাহলে ভাল ধারণা পাবেন।

যদি মার্বেল ফেলেন তবে  পৃথিবী কেন্দ্রে গিয়ে সেটা স্থির হয়ে যাবে।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (৩০-০১-২০১৩ ১৩:১৬)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

আমার যত সমস্যা লিখেছেন:

১। নির্দিষ্ট এলাকার(ধরেন ৫০ মাইল) মাটির নীচের সব পানি ও গ্যাস প্রচুর আছে। এখন সব গ্যাস ও পানি শেষ হয়ে গেলে কি মাটির ধস হবে ?

শেষ হবে কেন, কিভাবে? গ্যাস যদি তুলে ফেলা হয় তাহলে মাটির ধ্বস হবে কিনা সেটা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। এক বালতি মার্বেলের মধ্যে আপনি ৩০-৪০% পানি রাখতে পারবেন যা মার্বেলের ফাকে ফাকে থাকা জায়গায় জমা থাকবে। এখন ঐ পানি বের করে ফেললে কি মার্বেলের উপরিতল দেবে যাবে?

যদি প্রচুর এলাকা জুড়ে বড় এলাকায় শুধুমাত্র গ্যাস থাকে সেটা বের করে নিয়ে সেখানে একই চাপে বাতাস বা পানি ভরে না দিলে তার উপরের (এবং চারপাশের) চাপে কিছু অংশ ভেঙ্গে পড়তেই পারে। তবে সেই প্রতিক্রিয়া ৫০ মাইল উপরে পাওয়া যাওয়ার কথা না।

http://en.wikipedia.org/wiki/Natural_gas_field
উপরের সূত্র অনুযায়ী পৃথিবীর তেল ও গ্যাসের খনিগুলোর গভীরতা ভূমিতে ৬ কিলোমিটার এবং সমূদ্রে ১০ কিলোমিটারের বেশি নাই।

২। পৃথিবী সেকেন্ডে/মিনিট কতবার ঘোরে/পাক খায় ?

নিজ অক্ষের চারপাশে ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরতে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড লাগে। আরো কিছু জানতে ফোরামের লেখার বদলে সার্চ ইঞ্জিনে লিখুন তারপর সার্চ দিন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Earth%27s_rotation

৩। পৃথিবী সেকেন্ডে//মিনিট কত মেইল বেগে ছোটে/অতিক্রম করে ?
বেগে ছোটা বিষয়গুলো আপেক্ষিক। আপনি একটা লঞ্চের ডকে এক পাশ থেকে দৌড়ে আরেকপাশে গেলেন, লঞ্চটা সেই সময়ে একট নির্দিষ্টি বেগে সোজা চলছিলো কিংবা ঘাটে ভিড়ানোর জন্য ঘুরছিল। একই সময়ে পৃথিবীর আহ্নিক আর বার্ষিক গতি এবং আরও গতি বিবেচনা করলে  hehe

সূর্যের চারপাশে নিজ কক্ষপথে পৃথিবী প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (ঘন্টায় ১,০৮,০০০ কিমি) বেগে চলছে।
আরো জানতে: http://en.wikipedia.org/wiki/Earth%27s_orbit

৪। বিবর্তনের কোন পর্যায়ে প্রাণীর দেহে চোখ এসে ছিল ?
-- পাস

৫। মানুষ মাটির কত নীচে কত মাইল পর্যন্ত যেতে পারে?
-- পাস

৬। পানিতে জীবাণু আছে কিনা তা পরিষ্কার সহজ উপায় কি?
পানিতে জীবানু পরিষ্কারের সহজ রাস্তা সেই পানি রোদে দেয়া। কড়া রোদে কয়েক ঘন্টা থাকলে জীবানুমুক্ত হবে। সাধারণত এজন্য ৬০ ডিগ্রী তাপমাত্রার দরকার হয়। তবে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনাতে এই পদ্ধতিটা সহজ মনে হয় না, কারণ সেখানে যে পরিমান পানি সরবরাহ করা হয় তার জন্য যথেষ্ট পরিমান রোদের ব্যবস্থা করা অসম্ভব (এছাড়া দিনে ৭/৮ ঘন্টার বেশি রোদও পাওয়া যায় না) তাই সেখানে অন্য পদ্ধতিতে জীবানুমুক্ত করা হয়। বেশির ভাগ পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ক্লোরিন ব্যবহার করে জীবানু মারা হয় -- এই ক্লোরিন পেতে বিভিন্ন কেমিকেল ব্যবহার করা হতে পারে; বাংলাদেশে ব্লিচিং পাউডার নির্দিষ্ট মাত্রায় গুলিয়ে দেয়া হয়।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
শর্তাধীন লিখেছেন:

মনে করা যাক আপনার অবস্থান থেকে পৃথিবীতে এমনভাবে একটি ড্রিল বা ছিদ্র করা হলো, যা পৃথিবীর অন্যপ্রান্ত দিয়ে বের হয়ে যায়. মালার গুটির (bead) মত. এখন এই গর্তে একটি মার্বেল ফেললে কি হবে?

Total Recall (2012) মুভি দেখতে পারেন তাহলে ভাল ধারণা পাবেন।

যদি মার্বেল ফেলেন তবে  পৃথিবী কেন্দ্রে গিয়ে সেটা স্থির হয়ে যাবে।

এটা স্থির হবে তবে সেটার জন্য অনেক বছর সময় লাগবে, ফিজিক্সের সূত্র অনুযায়ী এটা পেন্ডুলামের মত কাল্পনিক গর্তের এই মাথা থেকে ঐ মাথা পর্যন্ত দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে।

তবে বাস্তবে এরকম গর্ত করতে পারলে সেটা দিয়ে ম্যাগমা লাভা বের হয়ে আসার চেষ্টা করবে এবং সেটা উপরে আসার পথে ঠান্ডা হয়ে জমে সেই গর্ত বন্ধ করে দেবে। তবে সেই গর্তে ডিস্টার্ব করার জন্য লাভা ছাড়াও আরও অনেক ক্যান্ডিডেট আছে যেমন পানি (টিউবওয়েলের কার্যপ্রণালীর মত), পানির সাথে বোনাস হিসেবে বালু কাদা ইত্যাদি। এছাড়া গর্তের দুই দিকেই ভূমি না পাইলে একদিকে সমূদ্র দিয়ে বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে সমূদ্রের পানিও বাগড়া দেবে।  hehe

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

thakxxx clap clap clap for ur intelligent question, i want be your frnd click here email me

দুরন্ত পথিক

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শামীম লিখেছেন:
দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

Total Recall (2012) মুভি দেখতে পারেন তাহলে ভাল ধারণা পাবেন।

যদি মার্বেল ফেলেন তবে  পৃথিবী কেন্দ্রে গিয়ে সেটা স্থির হয়ে যাবে।

এটা স্থির হবে তবে সেটার জন্য অনেক বছর সময় লাগবে, ফিজিক্সের সূত্র অনুযায়ী এটা পেন্ডুলামের মত কাল্পনিক গর্তের এই মাথা থেকে ঐ মাথা পর্যন্ত দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে।

তবে বাস্তবে এরকম গর্ত করতে পারলে সেটা দিয়ে ম্যাগমা লাভা বের হয়ে আসার চেষ্টা করবে এবং সেটা উপরে আসার পথে ঠান্ডা হয়ে জমে সেই গর্ত বন্ধ করে দেবে। তবে সেই গর্তে ডিস্টার্ব করার জন্য লাভা ছাড়াও আরও অনেক ক্যান্ডিডেট আছে যেমন পানি (টিউবওয়েলের কার্যপ্রণালীর মত), পানির সাথে বোনাস হিসেবে বালু কাদা ইত্যাদি। এছাড়া গর্তের দুই দিকেই ভূমি না পাইলে একদিকে সমূদ্র দিয়ে বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে সমূদ্রের পানিও বাগড়া দেবে।  hehe

এই প্রশ্নটা মাঝে মধ্যেই ঘুরপাক খেত,আজকে উত্তর পেয়ে ভালো লাগলো।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

আমার যত সমস্যা লিখেছেন:

বিবর্তনের কোন পর্যায়ে প্রাণীর দেহে চোখ এসে ছিল ?

এককোষী পর্যায়ে প্রাণির দেহে চোখ এসে গিয়েছিল। ইউগ্লিনা নামের একটি এককোষী  প্রাণিতে প্রথম আলোক সংবেদী একটি বিন্দু দেখতে পাওয়া যায়, যা চোখের প্রাথমিক রূপ।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হৃদয় (৩০-০১-২০১৩ ১৯:৩৮)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

যদি মার্বেল ফেলেন তবে  পৃথিবী কেন্দ্রে গিয়ে সেটা স্থির হয়ে যাবে।

নাহ, ওটা চিরকাল সরল দোলগতিতে কেন্দ্রের দুপাশে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব অবধি যাতায়াত করতে থাকবে। এটার একটা সুন্দর গাণিতিক প্রমাণ আছে।

অবশ্য বাস্তবে এটা simple নয়, damped মোশন ফলো করবে। সুতরাং প্র্যাকটিক্যালী একসময় ওটা থেমে যাবে।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মামুন.pb (৩০-০১-২০১৩ ২৩:২১)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
শর্তাধীন লিখেছেন:

মনে করা যাক আপনার অবস্থান থেকে পৃথিবীতে এমনভাবে একটি ড্রিল বা ছিদ্র করা হলো, যা পৃথিবীর অন্যপ্রান্ত দিয়ে বের হয়ে যায়. মালার গুটির (bead) মত. এখন এই গর্তে একটি মার্বেল ফেললে কি হবে?

Total Recall (2012) মুভি দেখতে পারেন তাহলে ভাল ধারণা পাবেন।

যদি মার্বেল ফেলেন তবে  পৃথিবী কেন্দ্রে গিয়ে সেটা স্থির হয়ে যাবে।

তার মানে কি পৃথিবীর কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি নেই,মহাকাশে কোথায় যেন এরকম জায়গার কথা শুনেছি যেখানে ভেসে থাকা যায়,পৃথীবির কেন্দ্রও কি ওরকমই।মধ্যাকর্ষন শক্তির এককই কি G,আর যেখান G এর মান 0 বা শুন্য সেখানেই কি এমনভাবে ভেসে থাকা যাবে?

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

১১

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

আমার যত সমস্যা, এগুলো খুবই ব্যাসিক কোশ্চেন। আমার জানতে ইচ্ছে করছে আপনি এসব কেন জানতে চাচ্ছেন?

কেন ব্যাসিক কোশ্চেন?
এসব বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরের সামাজিক বিজ্ঞানের ভূগোল চাপ্টারে (বিজ্ঞান বিভাগ), ভূগোল সাবজেক্টে, সাধারণ বিজ্ঞান  ( মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা, ক্লাস ৩ থেকে ৮) অলরেডি লেখা আছে। স্পেশ্যালি ২, ৩ ও ৫। এটা ছাড়াও যারা সায়েন্সের বিষয়ে পাশ করেনি তারা কিন্তু চাকুরীর জন্য বিভিন্ন সাধারণ জ্ঞানের বইও পড়ে থাকে। সেসব বইয়ে এসব অনেক ভাল লেখা থাকে।

১, ৪, ৬ ঠিক আছে। তবে ৪ নম্বরের উত্তরে ঈশ্বর বা ধর্ম নিয়ে আসলে বিতর্ক তৈরী হবে তাই এরকম প্রশ্ন না করাই ভাল।
১ এর উত্তর হল হ্যা সব পড়ে যাবে। সিংকহোল বলে একটা টার্ম আছে। গুগলে সার্চ করলে দেখতে পাবেন কিভাবে সব ভবন মাটি ধ্বসে পড়েছে।
৬ উত্তর মনে হয় একজন দিয়ে দিয়েছে।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

মামুন.pb লিখেছেন:

তার মানে কি পৃথিবীর কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি নেই,মহাকাশে কোথায় যেন এরকম জায়গার কথা শুনেছি যেখানে ভেসে থাকা যায়,পৃথীবির কেন্দ্রও কি ওরকমই।মধ্যাকর্ষন শক্তির এককই কি G,আর যেখান G এর মান 0 বা শুন্য সেখানেই কি এমনভাবে ভেসে থাকা যাবে?

আমাদের সময়ে ইন্টারমিডিয়েটের ফিজিক্সে এই ধরনের একটা প্রশ্ন খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরীক্ষায় আসার মত। নির্দিষ্ট গভীর একটা খনির ভেতরে মধ্যাকর্ষণ বল / ত্বরণের মান নির্নয়ের অংক ছিল সেটা। কনসেপ্টটা এমন:

নিউটনের সূত্র অনুসারে দুটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল তাদের ভরের গুনফলের সমানুপাতিক। তাই যখন কেউ খনির গভীরে থাকে তখন শুধু তার পায়ের তলার স্পর্শক বরাবর গোলকের ভর তাকে আকর্ষণ করে -- ফলে তার মাথার উপরের ভর তাকে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণে ভূমিকা রাখে না। কাজেই ভর কমে যাওয়াতে গুনফল কমে যায়, আর তাই আকর্ষণ বলও কমে। কাজেই এভাবে থিওরিটিকালি যদি কেন্দ্রে যাওয়া যায় তাহলে মানুষকে আকর্ষণ করার মত কোন ভর আর থাকে না, তাই বল = শূন্য হবে। (ডিসক্রিট মেশ হিসেবে অ্যানালজিটা অবশ্য একটু অন্যরকম হবে ... তবে আল্টিমেটলি ঘটনা একই) roll বুঝতে সমস্যা হলে চিন্তা করুন চাঁদের উপর মধ্যাকর্ষন পৃথিবী অপেক্ষা কম কেন?

@ শিপলু
আমারও মনে একই প্রশ্ন -- এরকম পাঠ্য বইয়ের প্রশ্ন এখানে কেন করার দরকার হল।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শামীম লিখেছেন:

@ শিপলু
আমারও মনে একই প্রশ্ন -- এরকম পাঠ্য বইয়ের প্রশ্ন এখানে কেন করার দরকার হল।

নাহলে আর উনার যতো সমস্যা নিকের মানে কি হলো! যত্তসব... .........


..... সহজ সমস্যা  tongue

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

@মামুন.pb তার মানে কি পৃথিবীর কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি নেই...

কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি প্রচন্ড. প্রাথমিক ভাবে, এটা এভাবে সহজে বোঝার চেষ্টা করি -

মার্বেল যখন ফেলা হলো, কেন্দ্রের প্রচন্ড মধ্যাকর্শন শক্তির কারনে মার্বেল কেন্দ্রের দিকে ছুটে যাবে. যতই এগুতে থাকবে, মার্বেলের গতি ততই তীব্র হতে থাকবে. এটা যখন কেন্দ্রে গিয়ে পৌঁছাবে, তখন গতিশক্তি এতই তীব্র পর্যায়ে যাবে যে, এটা কেন্দ্রের আকর্ষন উপেক্ষা করে গতিশক্তির কারনে গর্তের অপর প্রান্তের দিকে ছুটতেই থাকবে.

কেন্দ্রের মধ্যাকর্শন শক্তি কিন্তু রয়েই গেল, আর তার আকর্ষনে এটা আস্তে আস্তে গতিশক্তি হারাতে থাকবে. শেষ পর্যায়ে, গর্তের অপর প্রান্ত দিয়ে কিছু উঠে এটা গতিশক্তি সম্পূর্ন হারিয়ে ফেলবে. এবং কেন্দ্রের টানে আবার উল্টো দিকে ছুটতে শুরু করবে. আবার ধীরে ধীরে এটার গতিশক্তি বাড়তে থাকবে, এবং আবার ঠিক আগের মতো ঘটনা ঘটবে.

কিছুটা কি পরিষ্কার হয়েছে smile ?

১৫

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শর্তাধীন লিখেছেন:

@মামুন.pb তার মানে কি পৃথিবীর কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি নেই...

কেন্দ্রে মধ্যাকর্শন শক্তি প্রচন্ড. প্রাথমিক ভাবে, এটা এভাবে সহজে বোঝার চেষ্টা করি -

মার্বেল যখন ফেলা হলো, কেন্দ্রের প্রচন্ড মধ্যাকর্শন শক্তির কারনে মার্বেল কেন্দ্রের দিকে ছুটে যাবে. যতই এগুতে থাকবে, মার্বেলের গতি ততই তীব্র হতে থাকবে. এটা যখন কেন্দ্রে গিয়ে পৌঁছাবে, তখন গতিশক্তি এতই তীব্র পর্যায়ে যাবে যে, এটা কেন্দ্রের আকর্ষন উপেক্ষা করে গতিশক্তির কারনে গর্তের অপর প্রান্তের দিকে ছুটতেই থাকবে.

কেন্দ্রের মধ্যাকর্শন শক্তি কিন্তু রয়েই গেল, আর তার আকর্ষনে এটা আস্তে আস্তে গতিশক্তি হারাতে থাকবে. শেষ পর্যায়ে, গর্তের অপর প্রান্ত দিয়ে কিছু উঠে এটা গতিশক্তি সম্পূর্ন হারিয়ে ফেলবে. এবং কেন্দ্রের টানে আবার উল্টো দিকে ছুটতে শুরু করবে. আবার ধীরে ধীরে এটার গতিশক্তি বাড়তে থাকবে, এবং আবার ঠিক আগের মতো ঘটনা ঘটবে.

কিছুটা কি পরিষ্কার হয়েছে smile ?

http://www.ux1.eiu.edu/~cfadd/3050/Ch09Gravity/Images/Earth2.gif
কেন্দ্র অতিক্রমের সময়ে গতিবেগ সর্বোচ্চ এই তথ্যটুকু ঠিক আছে। বাকী ব্যাখ্যা ঠিক নয়। কেন্দ্রে থাকলে আকর্ষণ প্রচন্ড নয়, বরং পুরা উল্টা, অর্থাৎ শূন্য হবে। এটা ফিজিক্সের একটা বেসিক জিনিষ। আকর্ষণ বল কোথায় কত সেটা প্রকাশের জন্য ইন্টারনেটে একটা বেশ জনপ্রিয় গ্রাফ আছে দেখলাম:
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/f/f9/Grav_force_sphere.svg/500px-Grav_force_sphere.svg.png
পেন্ডুলামের প্রবলেম বুঝে সলভ করলে কেন কেন্দ্রে গতি সর্বোচ্চ হবে সেটা বুঝা সহজ হয়। একটা গতিশীল বস্তুর উপর আরো বল প্রয়োগ হলে এটার গতিবেগ বাড়বে। তাই সেই কাল্পনিক টানেল দিয়ে যত নিচে যেতে থাকবে, আকর্ষন বলের পরিমান কমলেও সেটা মোট গতিকে একটু একটু করে বাড়াবে।
http://hyperphysics.phy-astr.gsu.edu/hbase/mechanics/imgmech/eartholeg.gif
একজন যখন খনির ভেতরে তখন কি ঘটে নিচের চিত্রে এটা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সূত্রটা হল
F = - G (M.m)/R^2
বল = F, ধ্রুবক = G, দুটি বস্তুর ভরকেন্দ্রের দূরত্ব = R । এখানে m এবং M  হল যথাক্রমে আপনার আর আকর্ষনকারী গোলকের (পৃথিবীর) ভর। কিন্তু আপনি যখন পৃথিবীর গভীরে তখন নিচের চিত্রের মত শুধুমাত্র নীল রংয়ের অংশ আকর্ষণ করবে। সাদা অংশের আকর্ষণ কাজ করবে না (আসলে কিছু অংশ উপরে টানবে, কিছু নিচে, কিছু ডানে বামে -- সব মিলিয়ে সাদা অংশের জন্য লব্ধি বল = ০ হবে।)। ফলে যত কেন্দ্রের দিকে এগোবে M এর মান তত ছোট হতে থাকবে।
http://www.batesville.k12.in.us/physics/PhyNet/Mechanics/Gravity/images/inside_earth_diagram.gif

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শর্তাধীন (৩১-০১-২০১৩ ১৩:২৩)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শামীম লিখেছেন:

... ফলে যত কেন্দ্রের দিকে এগোবে M এর মান তত ছোট হতে থাকবে।

আমি যা লিখেছি তা প্রাথমিক বিষয়, ব্যপারটা কল্পনা করার জন্য. বোঝার সুবিধার জন্য. অংক বা অন্যান্য বিষয় পরে আসবে যদি ব্যপারটায় আগে মজা পাওয়া যায়. প্রথমেই কঠিন করে ফেললে এতে আগ্রহই থাকবে না.

Edit:
ধরুন একটি ছোট ছেলেকে একটা প্রশ্ন করা হলো যে সূঁচ কিভাবে তৈরী করা হয়, বিশেষ করে এর ছিদ্র কিভাবে করা হয়. উদ্দেশ্য ছিলো যাকে প্রশ্ন করা হলো, সে এটা যদি না জানে, তাহলে এটা নিয়ে ভাববে. কল্পনায় এটা বানাবার চেষ্টা করবে নিজে নিজে. বই দেখে বা google এর সাহায্যে উত্তর না , কারন এটা পরীক্ষা পাসের জন্য না. যে আগেকার মানুয় যখন এটা পারতো, তো তারা কিভাবে করতো? নিজে চিন্তা করুক আগে.

১৭

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শর্তাধীন লিখেছেন:
শামীম লিখেছেন:

... ফলে যত কেন্দ্রের দিকে এগোবে M এর মান তত ছোট হতে থাকবে।

আমি যা লিখেছি তা প্রাথমিক বিষয়, ব্যপারটা কল্পনা করার জন্য. বোঝার সুবিধার জন্য. অংক বা অন্যান্য বিষয় পরে আসবে যদি ব্যপারটায় আগে মজা পাওয়া যায়. প্রথমেই কঠিন করে ফেললে এতে আগ্রহই থাকবে না.

এই সূত্রের ব্যাপারটা আমিও দিতে চাইনি। কিন্তু বারবার কেন্দ্রে আকর্ষণ বেশি এই ভুলটা প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়াও ঠিক মনে হয়নি। তাই ব্যাখ্যা সহ দিলাম। তবে গতির কারণ গতি জড়তা -- এটাও ব্যাখ্যা করিনি একই কারণে।
====

অন্য একটা মন্তব্যে শিপলু সিঙ্কহোল নিয়ে বলেছিলো। এটা নিয়ে ফোরামেই আমার একটা পোস্ট ছিলো .... যাতে সিঙ্কহোল হওয়ার মূলনীতির লিংকও দেয়া হয়েছিলো।
পায়ের তলায় বিপদ

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শামীম লিখেছেন:

আসলে কিছু অংশ উপরে টানবে, কিছু নিচে, কিছু ডানে বামে -- সব মিলিয়ে সাদা অংশের জন্য লব্ধি বল = ০ হবে।

এটাই আসলে মূল কারণ। যখন আইডিয়ালি কেন্দ্রে যাবে তখন চারিদিক থেকে প্রতিটা কার্যকরি আকর্ষন বল সমান হবে। তাই মোট আকর্ষন বল ০ হবে। একারণে কেন্দ্রে কোন কিছু গেলে ভাসবে।
আর মহাশুন্যে ঘটনা হয় উল্টো। মানে কোন দিক থেকেই কোন বল কাজ করে না। তখনও লব্ধি বল ০।  মহাকর্ষ বলের মজাটা হল এটা খুবই একটা দুর্বল বল। এটা তখনই শক্তিশালি হয়ে ওঠে যখন কোন একটা বস্তুর ভর অনেক অনেক বেশি হয়। গ্রহ, নক্ষত্রর ভর অনেক বেশি। তাই এটা বেশ চোখে পড়ে। কিন্তু পাশাপাশি দুটো মানুষের মাঝেও মহাকর্ষ বল কাজ করছে। কিন্তু তার পরিমান এতই নগন্য যে তা কখনই চোখে পড়বে না।

শর্তাধীন লিখেছেন:

আমি যা লিখেছি তা প্রাথমিক বিষয়, ব্যপারটা কল্পনা করার জন্য. বোঝার সুবিধার জন্য. অংক বা অন্যান্য বিষয় পরে আসবে যদি ব্যপারটায় আগে মজা পাওয়া যায়. প্রথমেই কঠিন করে ফেললে এতে আগ্রহই থাকবে না.

এর আগে যা দেখেছি, "আমার যত সমস্যা" যেই প্রশ্নই করেন না কেন তার উত্তর হলেই তার চলে। ব্যাখ্যা নট রিকয়ার্ড। দিগন্তের মেঘ আমার কাছ হতে কত দূরে (horizontal) ? অনেক হিসেব করে এনসার বের করেছিলাম। কিন্তু তিনি ডিটেইলস জানতে চাননি।

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শর্তাধীন (৩১-০১-২০১৩ ১৪:৩৬)

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শামীম লিখেছেন:
শর্তাধীন লিখেছেন:

আমি যা লিখেছি তা প্রাথমিক বিষয়, ব্যপারটা কল্পনা করার জন্য. বোঝার সুবিধার জন্য. অংক বা অন্যান্য বিষয় পরে আসবে যদি ব্যপারটায় আগে মজা পাওয়া যায়. প্রথমেই কঠিন করে ফেললে এতে আগ্রহই থাকবে না.

এই সূত্রের ব্যাপারটা আমিও দিতে চাইনি। কিন্তু বারবার কেন্দ্রে আকর্ষণ বেশি এই ভুলটা প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়াও ঠিক মনে হয়নি। তাই ব্যাখ্যা সহ দিলাম। তবে গতির কারণ গতি জড়তা -- এটাও ব্যাখ্যা করিনি একই কারণে।
====

অন্য একটা মন্তব্যে শিপলু সিঙ্কহোল নিয়ে বলেছিলো। এটা নিয়ে ফোরামেই আমার একটা পোস্ট ছিলো .... যাতে সিঙ্কহোল হওয়ার মূলনীতির লিংকও দেয়া হয়েছিলো।
পায়ের তলায় বিপদ

ধন্যবাদ আপনার উত্তরের জন্য.

কেন্দ্রের আকর্ষনের কথা আনতে গেলে সাথে অন্য আরো কথা এসে যায়, যাতে জটিলতা বেড়ে যায়. মূল ব্যপারটা সহজ ভাবে তো দুইটা:

1. মধ্যাকর্শনের কারনে যাত্রা শুরু হলো, আর
2. গতির কারনে যাত্রা গর্তের অন্য প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছালো

কেন্দ্রে ভরশূন্য হওয়ার পর তো গতিও শূন্য হয়নি. তাহলে তো দেখা যায় মূল কারন ওই দুটাই.

ধরুন মার্বেলকে না ফেলে ঠিক কেন্দ্রে ছেড়ে দেয়া হলো, এখন মার্বেল এখানে ভরশূন্য এবং স্থির. এখন মার্বেলের উপর কেন্দ্রের আকর্ষন কি শূন্য?

Edit:
===

শিপলু লিখেছেন:

    আমি যা লিখেছি তা প্রাথমিক বিষয়, ব্যপারটা কল্পনা করার জন্য. বোঝার সুবিধার জন্য. অংক বা অন্যান্য বিষয় পরে আসবে যদি ব্যপারটায় আগে মজা পাওয়া যায়. প্রথমেই কঠিন করে ফেললে এতে আগ্রহই থাকবে না.

এর আগে যা দেখেছি, "আমার যত সমস্যা" যেই প্রশ্নই করেন না কেন তার উত্তর হলেই তার চলে। ব্যাখ্যা নট রিকয়ার্ড। দিগন্তের মেঘ আমার কাছ হতে কত দূরে (horizontal) ? অনেক হিসেব করে এনসার বের করেছিলাম। কিন্তু তিনি ডিটেইলস জানতে চাননি।

তাই নাকি smile?

অনেকেই আছেন ফোরামে এরকম করেন আসলে অনেকটা steam release করার জন্য. উত্তরের তার দরকার নেই তার দরকার একটু সময় কাটানো, মজা করা. হয়তো কম্পিউটারে অন্য কোন জটিল কাজ করতে করতে মাথা আর কাজ করছে না, তখন ফোরামে একটু সময় দিলে এসব ভূলে থাকা যায়. পরে আবার হাল্কা হয়ে নিজের কাজে ফিরে যাবে. ব্যপার যদি এরকম হয়, এরা ফোরামের নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করবে না. এদের দরকার একটু সময় কাটানো - ভালো হয় সময়টা যদি মজায় কাটে. এজন্য বেশীর বেশী না হয় banned ই হবে, তখন না হয় আরেক ফোরামে যাবে. একটা হলেই হলো.

২০

Re: বিজ্ঞান নিয়ে কিছু প্রশ্ন

শর্তাধীন লিখেছেন:

ধরুন মার্বেলকে না ফেলে ঠিক কেন্দ্রে ছেড়ে দেয়া হলো, এখন মার্বেল এখানে ভরশূন্য এবং স্থির. এখন মার্বেলের উপর কেন্দ্রের আকর্ষন কি শূন্য?

hairpull
এতগুলো ব্যাখ্যামূলক চিত্রসহ লিখলাম কী তাহলে!!! dontsee
হ্যাঁ, শূন্য।
এই গ্রাফটা দেখেন: আনুভুমিক ও উলম্ব অক্ষ বরাবর কী দেয়া আছে তা লেখা আছে। ভূপৃষ্ঠে (কেন্দ্র হতে R দূরত্বে) সর্বোচ্চ আকর্ষণ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যেদিকেই যান আকর্ষণ বল কমতে থাকবে। কেন্দ্রে শূন্য, অসীম দূরত্বেও প্রায় শূন্য।
গ্রাফ না বুঝলে আপাতত বাদ দেন।  whats_the_matter
http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/f/f9/Grav_force_sphere.svg/500px-Grav_force_sphere.svg.png

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত