টপিকঃ ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

ব্যাপারটা আমার ক্ষেত্রে ঘটলেও আমি অসন্তুষ্ট হতাম, কিন্তু এ ধরণের ঘটনা নিজেদের অন্যায়ের ফলেই ঘটছে।

মানুষ ১০ লাখ টাকার জমি ২ লাখ টাকা দাম দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার জন্য - আর সরকার প্রাপ্ত ট্যাক্স অনুযায়ী দামের দেড়গুন মূল্যে ক্রয় করার পরেও এখন কান্নাকাটি অভিযোগ! -- ঠিকমত সম্পুর্ন দাম দেখিয়ে ট্যাক্স দিয়ে জমি কেনা-বেচা-রেজিস্ট্রেশন করেন, আমি নিশ্চিত যে সেক্ষেত্রে সরকারও অধিগ্রহণের সময়ে পুরা দাম দিবে।

মূল খবর ইত্তেফাকে, নিচের লিংকে: আমি শুধু প্রাসঙ্গিক অংশটুকু কোট করলাম।

৩০০ ফুটের কথা বলে জমিনিয়ে ৬৪ ফুট চওড়া রাস্তা!
ক্ষুব্ধ খিলক্ষেত, ডুমনি ও রূপগঞ্জের অসংখ্য মানুষ
.... .....
তাদের অভিযোগ, অতীতে ৩০০ ফুট জমি অধিগ্রহণের সময় একবার তারা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। আবারও জমি অধিগ্রহণ করলে নতুন করে তারাই ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তারা জানায়, সরকার নির্ধারিত একটি মূল্য রয়েছে। সেই মূল্য কাঠাপ্রতি এক থেকে দুই লাখ টাকার বেশি নয়। সরকার অধিগ্রহণ করলে এর দেড় গুণ দাম দেয়। প্রথম দফায় অধিগ্রহণের সময় ওইসব জমির প্রতিকাঠার মূল্য ছিল আট-দশ লাখ টাকা। অথচ জমির মালিকদের দেয়া হয়েছিল এক থেকে দেড় লাখ টাকা। বর্তমানে এসব জায়গায় প্রতিকাঠার মূল্য স্থানভেদে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা। অথচ সরকারি দর সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা। কাজেই নতুন করে অধিগ্রহণ করলে তারাই আবার ব্যাপকভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।

.... ....

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

আপনি ফাকি দিবেন আর ফাকির ভাগ নিবেন না তা কি করে হয়? নিশ্চয় আগে জমির মূল্য কম দেখানো হয়েছিল।

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

দাম বেশী দেখায়া লাভ নাই, সরকারের খাতায় প্রতি এলাকার জমির নির্দিষ্ট মূল্য রয়েছে, খিলখেত এলাকার জমির মূল্য সরকারি খাতায় ২০ বছর আগেও ২ লাখ ছিল এখনো আছে, এটা পরিবরতন হয় নাই। তাই দাম কম দেখানো কোন কথা না, আপনি যদি সরকারি মূলের বেশী দেখিয়ে বেশী ট্যাক্স দিতে চান(লাখ প্রতি ১৪ হাজার)সেটা আপনার ইচ্ছা। তবে এই সব পেপার কাটিং দেখে এই পোস্ট করা ঠিক হয়নি। কেননা আমি জানি খিলখেত এ যাদের বারি আছে তাদের অবস্ততা । পুরো খিলখেত এলাকার খাজনা নেয়া বন্ধ ২ বছর ধরে। ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সরকার জমি অধিগ্রহন করতে চেয়েছিল কিন্তু পারে নাই...সেই মামলার রায় নিয়ে এখন ঝামেলা ।।কেউ চাইলে জমিও বিক্রি করতে পারে না, বাড়ির জন্য প্লান নিতে রাজউক এ আবেদন ও করতে পারে না, লোণ নেয়ার জন্যও আবেদন করতে পারে না। শুধু ত বললেন ট্যাক্স ফাকির কথা।। যাদের পারিবিরিক জমি তাদের? ১৯৭০ সালে ত কাগজে জমির দাম ২০ হাজার , এখনতো কোটি টাকার বেশী ,তাদের তো সরকার দিবে ২/৩ লাখ। তারা কি দোষ করেছে?আমাদের বাড়ি আছে তাই জানি। এখানকার অবস্তা । আমরা যখন জমি কিনি তখন সরকারি খাতায় দাম ছিল ২ লাখ, কিন্তু বাজার দাম ছিল ১০ লাখ কাঠা প্রতি, কাগজে সঠিক দাম দেখানো হয়েছে, কিন্তু বর্তমান মূল্য ৬০ লাখ টাকা কাঠা প্রতি, সরকারি মূল্য তো সেই ২ লাখ, দেরগুন কেন দশ গুন দাম বেশী দিলেও তো ক্ষতি। এটা অই রাস্তার প্রকল্প নয়। পুরো খিলখেত ভেঙ্গে রাজউক প্লট করতে চায়। যেখানে কিনা দশ বছরেও জিলমিল প্রকল্প করতে পারল না, সেখানে আরেকটি এলাকা ভাঙতে চায় এখন। সামান্য একটা লেখা পড়ে আপনি বর্তমান অবস্ততা বুজতে পারবেন না।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

মনির ভাইয়ের সাথে আমি একমত। যেখানে সরকারী দর যেমন স্থির করা আছে সেই মতে বেচাকেনা করা যদি যেত তবে এই হতাশার কাহিনী হতনা। যদিও এটা একটা অলিক কল্পনা। আমেরিকার মত দেশে ষ্টেট ভেদে রেজিষ্টেশন কর ৩ থেকে ৫ শতাংশ সেখানে বাংলাদেশে ১৪ শতাংশ।

এক জীবনই সম্পূর্ন নয়।..

My e-mail address

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

যদি জমি কেনাবেচা বন্ধই থাকে তাহলে সেই জমির আসল বাজার মূল্য কত সেটা জানছেন কিভাবে? সরকারই বা জানবে কিভাবে?

জমির দাম জানার পদ্ধতি আছে, তবে সরকারী লেভেলে সেটার চর্চা হয় কি না জানিনা। আপনারা এরকম হিসাব দেখিয়ে জনমত গঠন করতে পারেন - এই সূত্র অনুযায়ী কেসও লড়া যেতে পারে:
একটা এপার্টমেন্ট কিনলেও তো সেখানে জমির মূল্য চলে আসে -- ধরুন প্রতি স্কয়ার ফুটে নির্মাণ ব্যয় ২০০০ টাকার মত, কিন্তু বিক্রয়মূল্য ৭৫০০ টাকা অর্থাৎ ডেভেলপারের লাভ বাদে প্রতি স্কয়ার ফুটে জমির দাম প্রায় ৫০০০ টাকা। এখন সেই ভবন যদি ৫ কাঠা জমিতে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে হয় তাহলে সেখানে হয়তো ৫*৭২০ = ৩৬০০ বর্গফুট এর ৭০% = ২৫২০ বর্গফুটের ৬ তলা দালান -- অর্থাৎ জমির দাম প্রায় (সিড়ির ঘর বাদ দিলাম) ২৩৯২*৬*৫০০০ = ৭.১৭ কোটি টাকা অর্থাৎ কাঠা = ১ কোটি ৪৩ লাখ । ডেভেলপার জমির মালিককে দামের সমতূল্য হিসেবে কয়েকটি ফ্ল্যাট আর ক্যাশ দিয়ে দেন। (এক্ষেত্রে ৭.১৭ কোটি / ৭৫০০টাকা প্রতি বর্গফুট = ৯৫৬৮ বর্গফুট, কিন্তু মালিককে হয়তো ৫টা ফ্ল্যাট আর ক্যাশ দুই কোটি দিবে)। মুশকিল হল ডেভেলপার কখনই মূল্যের মধ্যে জমির দাম, নির্মান খরচ আর লাভ আলাদা করে দেখায় না; তাই এটা থেকে সরাসরি জমির মূল্য বের করা গ্রহণযোগ্য না-ও হতে পারে।

কিন্তু সেখানে জমি কেনাবেচা সরাসরি হয় না - চুক্তিতে নাম হস্তান্তর হয় - কারণ সেখানে বিনিময়ে ফ্ল্যাট ডেভেলপ করে দেবে এমন কথা লেখা থাকে। এতে সরাসরি অর্থের পরিমান এবং সেই অনুযায়ী স্ট্যাম্প দেয়া হয় কি না আমার সেটা জানা নাই (চাইলে অবশ্য জানা যায়, পরিচিত অনেকেরই ডেভেলপিং ব্যবসা আছে)।

ভূমি রেজিস্ট্রেশনের সময়ে একটা এলাকার জমির যত দাম দেখানো হয় সেগুলোর দাম, লেনদেনের বছর, মূদ্রাস্ফীতি এরকম বিভিন্ন জিনিষ বিশ্লেষণ করেই জমির দাম নির্ধারণ করে সরকার। আসলে জমি ১০ লাখ টাকা শতক হলেও যদি রেজিস্ট্রেশনে দেখানো হয় ১ লাখ টাকা এবং সেই অনুযায়ী স্ট্যাম্প নেয়া হয় তাহলে সরকারের রেকর্ডে সেই জমি ১ লাখ টাকায় বিক্রয় হয়েছে। কাজেই সরকারী মূল্য নির্ধারণের সময়ে সেই মূল্যগুলোকেই ধরে দাম নির্ধারণ করে। টিআইবির রিপোর্ট অনুযায়ী ভূমি অফিস দেশের সবচেয়ে বড় দূর্নীতির জায়গা বলে পড়ে ছিলাম মনে হয় -- তাই ওরা আসলেই ওভাবে দাম নির্ধারণ করে নাকি অন্য কিছু করে আমার পক্ষে জানা সম্ভব না।

এখন যাদের পৈতৃক জমি বা কেনা বেচা করেননি তাঁরা অন্যদের দূর্নীতির ফল ভোগ করছেন। এখন ফট করে একটা ছোট জমি আসল বিক্রয় মূল্য দেখিয়ে বিক্রয় করেও লাভ নাই -- কারণ গড় মূল্য নির্ধারণের হিসেবে সেটার প্রতিফলন সামান্যই হবে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনির (১২-০১-২০১৩ ২০:০৩)

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

৬ তলা ভবনে ৩৭.৫ শতাংশ ছাড়তে হয়।খিলখেত এলাকায় ৯৫ শতাংশ লোক স্থানীয়, তাই কেনাবেচা তেমন হয় না।  জমির মূল্য ১ কোটি টাকা হলে ডেভেলপার রা ১০ লাখ টাকার বেশী কখনই দেয় না। আর প্রতি বর্গফুট ১২০০ টাকা খরচ যায় একটি ১০ তলা বিল্ডিং এ যদি বিদেশি ফিটিংস ও  লাগান। ডেভেলপার বিজনেস হল সবচেয়ে প্রফিটেবল । আপনি ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে ২ বছরে ৩০ কোটি লাভ করতে পারবেন। জমির দাম যাই হক ঢাকায় কথাউ ৫০০০ হাজারের(ফ্লাট) নিচে ফুট নাই। তবে খুব ক্ষমতাবান না হলে টিকতে পারবেন না বিজনেসে স্থানীয় চাদাবাজির কারনে  ।

আপনার হয়ত যানা নেই, কথাও মামলা চললে র খাজনা নেয়া বন্ধ থাকলে সেই জায়গার জমি কেনাবেচা করা যায় না। ২ বছর ধরে সব বন্ধ আছে, কোন নতুন খারিজ ও  হয় না। ১৯৬৯ এর মামলা এটা রায় ও হয়েছিল। পড়ে ১৯৯১ সালে রায়ের উপর নিশেধাজ্ঞা দেয়া হয় (তখন কিছু দিন কেনাবেচা চলে)। ২ বছর আগে আবার মামলা সেটা নতুন করে চালু হয়। আর মিডিয়ায় এটা  ছাপে নাই ছাপছে রাস্তার প্রকল্প কারন তাদের মালিক দের প্রকল্প (বসুন্ধরা,লেকসিটি, আশিয়ান) উপর দিয়ে রাস্তা যাবে তো তাই।

বাড়ির সামনের রাস্তা আর সোডিয়াম এর লাইট এর জন্য সিটি কর্পোরেশন বছরে ১০ হাজার ট্যাক্স নেয় (বাড়ির মাপ অনুযাজায়ি)কিন্তু রস্তা তো ৫ বছরেও ঠিক হয় না, লাইট ও জলে না ট্যাক্স ঠিকই নেয়া। এক বছর ট্যাক্স না দিলে পানির লাইন গাস এর লাইন কেতে দেয়, তাই এই ট্যাক্স কেউ ফাকিও দিতে পারে না। তাছাড়া আর ট্যাক্স তো আছেই রাজস্ব বোর্ড এর বাড়ি ভাড়ার ট্যাক্স, আয়কর ট্যাক্স। এত কিছু থাকলে ফাকি তো দিবেই। আবার জমি কেনার সময় ট্যাক্স যেখানে বাড়ির সামনে রাস্তায় লাইট টাও জ্বলে না ।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

মনির লিখেছেন:

৬ তলা ভবনে ৩৭.৫ শতাংশ ছাড়তে হয়।খিলখেত এলাকায় ৯৫ শতাংশ লোক স্থানীয়, তাই কেনাবেচা তেমন হয় না।  জমির মূল্য ১ কোটি টাকা হলে ডেভেলপার রা ১০ লাখ টাকার বেশী কখনই দেয় না। আর প্রতি বর্গফুট ১২০০ টাকা খরচ যায় একটি ১০ তলা বিল্ডিং এ যদি বিদেশি ফিটিংস ও  লাগান। ডেভেলপার বিজনেস হল সবচেয়ে প্রফিটেবল । আপনি ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে ২ বছরে ৩০ কোটি লাভ করতে পারবেন। জমির দাম যাই হক ঢাকায় কথাউ ৫০০০ হাজারের(ফ্লাট) নিচে ফুট নাই। তবে খুব ক্ষমতাবান না হলে টিকতে পারবেন না বিজনেসে স্থানীয় চাদাবাজির কারনে  ।

প্রতি বর্গফুটের আমার দেয়া হিসাবটা আসলে কাঁচামাল, লেবার, ইঞ্জিনিয়ারের বেতন + মেকানিকাল (লিফট) সব সহ হিসাব করা (চাঁদাবাজিও এর মধ্যে থাকতে পারে)। ওগুলো বাদ দিলে ১২০০ হতে পারে। ঢাকায় ৩২০০তেও পাওয়া যায় -- তবে সেগুলো পছন্দ হবে না (এলাকা ব্যাকওয়ার্ড, ডেভেলপার আর তাঁর কাজের মান সন্দেহজনক হবে)।

হ্যাঁ, FAR এর হিসাবটা আমার ভুল ছিল। ইমারত নির্মান বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী, ৬ মিটার রাস্তা সহ ৪-৫ কাঠার জন্য MGC ৬২.৫% কাজেই ৩৭.৫% ছাড়তে হবে। আর FAR = ৩.৫। তাই একই মাপে ৬ তলা বিল্ডিং করতে গেলে ভূমি আচ্ছাদন = ৫৮.৩% হতে হবে (৭০% হবে না), আর না হলে ৩.৫/৬২.৫% = ৫.৬ তলা ... .. অর্থাৎ ষষ্ঠ তলা ছোট করতে হবে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনির (১২-০১-২০১৩ ২০:৩০)

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

শামীম লিখেছেন:
মনির লিখেছেন:

৬ তলা ভবনে ৩৭.৫ শতাংশ ছাড়তে হয়।খিলখেত এলাকায় ৯৫ শতাংশ লোক স্থানীয়, তাই কেনাবেচা তেমন হয় না।  জমির মূল্য ১ কোটি টাকা হলে ডেভেলপার রা ১০ লাখ টাকার বেশী কখনই দেয় না। আর প্রতি বর্গফুট ১২০০ টাকা খরচ যায় একটি ১০ তলা বিল্ডিং এ যদি বিদেশি ফিটিংস ও  লাগান। ডেভেলপার বিজনেস হল সবচেয়ে প্রফিটেবল । আপনি ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করলে ২ বছরে ৩০ কোটি লাভ করতে পারবেন। জমির দাম যাই হক ঢাকায় কথাউ ৫০০০ হাজারের(ফ্লাট) নিচে ফুট নাই। তবে খুব ক্ষমতাবান না হলে টিকতে পারবেন না বিজনেসে স্থানীয় চাদাবাজির কারনে  ।

প্রতি বর্গফুটের আমার দেয়া হিসাবটা আসলে কাঁচামাল, লেবার, ইঞ্জিনিয়ারের বেতন + মেকানিকাল (লিফট) সব সহ হিসাব করা (চাঁদাবাজিও এর মধ্যে থাকতে পারে)। ওগুলো বাদ দিলে ১২০০ হতে পারে। ঢাকায় ৩২০০তেও পাওয়া যায় -- তবে সেগুলো পছন্দ হবে না (এলাকা ব্যাকওয়ার্ড, ডেভেলপার আর তাঁর কাজের মান সন্দেহজনক হবে)।

হ্যাঁ, FAR এর হিসাবটা আমার ভুল ছিল। ইমারত নির্মান বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী, ৬ মিটার রাস্তা সহ ৪-৫ কাঠার জন্য MGC ৬২.৫% কাজেই ৩৭.৫% ছাড়তে হবে। আর FAR = ৩.৫। তাই ৬ তলা বিল্ডিং করতে গেলে MGC = ৫৮.৩% হতে হবে (৭০% হবে না)।

কাঁচামাল, লেবার, ইঞ্জিনিয়ারের বেতন + মেকানিকাল এগুল দিয়েই ১২০০ টাকা যায়। ২ বছর আগেই এর চেয়ে কম রেটে(৯৫০) কাজ করান হয়েছে। ৩৬০০ ফুট এর জায়গা হলে ৬ তলায় খরচ ৩৬০০*৬২.৫%=২২৫০*৬=১৩৫০০*১২০০=১৬২০০০০০ টাকা। ২০ ফুট এর কম রাস্তা থাকলে নিজের জমি ছেড়ে ২০ ফুট করতে হবে, সেক্ষেত্রে ৩৭.৫% এর বেশীও ছাড়তে হতে পারে।তবে ১২ ফুট এর কম রাস্তা থাকলে প্লান অনুমদন হয় না এখন ।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

মনির লিখেছেন:

কাঁচামাল, লেবার, ইঞ্জিনিয়ারের বেতন + মেকানিকাল এগুল দিয়েই ১২০০ টাকা যায়। ২ বছর আগেই এর চেয়ে কম রেটে(৯৫০) কাজ করান হয়েছে। ...

এটা (খরচের বিষয়টা) আমার জন্য বেশ আগ্রহোদ্দীপক বিষয়। খোঁজখবর নিতে হবে। নিজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হলেও সরাসরি এই ব্যবসায় জড়িত নই, তবে অনেক বন্ধু বান্ধব এবং ছাত্র সরাসরি জড়িত (নিজেদের ডেভলপার কোম্পানি আছে নাহলে চাকুরী করে)।

আমার প্রাক্তন অফিস পিডব্লিউডির শিডিউল অব রেট থেকে খোঁজ শুরু করতে হবে।  thinking

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

শামীম লিখেছেন:
মনির লিখেছেন:

কাঁচামাল, লেবার, ইঞ্জিনিয়ারের বেতন + মেকানিকাল এগুল দিয়েই ১২০০ টাকা যায়। ২ বছর আগেই এর চেয়ে কম রেটে(৯৫০) কাজ করান হয়েছে। ...

এটা (খরচের বিষয়টা) আমার জন্য বেশ আগ্রহোদ্দীপক বিষয়। খোঁজখবর নিতে হবে। নিজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হলেও সরাসরি এই ব্যবসায় জড়িত নই, তবে অনেক বন্ধু বান্ধব এবং ছাত্র সরাসরি জড়িত (নিজেদের ডেভলপার কোম্পানি আছে নাহলে চাকুরী করে)।

আমার প্রাক্তন অফিস পিডব্লিউডির শিডিউল অব রেট থেকে খোঁজ শুরু করতে হবে।  thinking

আমাদের কাজের সময় ইঞ্জিনিয়ার যে খরচের হিসাব দিয়েছিল ঠিক তাই লেগেছিল, তবে ছাদ পর্যন্ত সঠিক হিসাব আগে থেকে করা যায় কিন্তু এর পরের হিসাব সঠিক সম্ভব না। যেযার রুচি মত ফিটিংস লাগায়। ১০০০০/১০০০০০ লাখ টাকার দরজা সেটা যার যার ইচ্ছা। পিডব্লিউডির থেকে হিসাব নিয়ে সঠিক খরচ বের করা সম্ভব না। কারন সেখানে ঠিকাদারদের লাভ ধরে রেট করা হয়। বরতমানে ঠিকাদারদের জন্য সরকারি  রেটে রড ৯০০০০ টাকা টন কিন্তু বাজার মূল্য ৬৫০০০ হাজার, কিছুটা বেশী থাকার কারন দাম বারার কারনে যেন কাজ বন্ধ না থাকে আর তাদের লাভ ধরা হয়। তারপরেও চুরি কম হয় না।  ghusi

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

১১

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

মনির লিখেছেন:

আমাদের কাজের সময় ইঞ্জিনিয়ার যে খরচের হিসাব দিয়েছিল ঠিক তাই লেগেছিল, তবে ছাদ পর্যন্ত সঠিক হিসাব আগে থেকে করা যায় কিন্তু এর পরের হিসাব সঠিক সম্ভব না। যেযার রুচি মত ফিটিংস লাগায়। ১০০০০/১০০০০০ লাখ টাকার দরজা সেটা যার যার ইচ্ছা। পিডব্লিউডির থেকে হিসাব নিয়ে সঠিক খরচ বের করা সম্ভব না। কারন সেখানে ঠিকাদারদের লাভ ধরে রেট করা হয়। বরতমানে ঠিকাদারদের জন্য সরকারি  রেটে রড ৯০০০০ টাকা টন কিন্তু বাজার মূল্য ৬৫০০০ হাজার, কিছুটা বেশী থাকার কারন দাম বারার কারনে যেন কাজ বন্ধ না থাকে আর তাদের লাভ ধরা হয়। তারপরেও চুরি কম হয় না।  ghusi

ডেভেলপারগণ একটা এপার্টমেন্ট বানানোর আগেই ফিটিং-এর স্পেসিফিকেশন ঠিক করে দেয় এবং হিসাবটা ঐ অনুযায়ী করে। এর বাইরে অন্য ফিটিং লাগালে সেটার জন্য অতিরিক্ত খরচ লাগলে সেটা দিতে হয়। উদাহরণস্বরুপ যদি মোজাইক হয় তাহলে আগে থেকে বলা দানার বদলে অন্য পাথর দিলে দাম কম বেশি হবে। টাইলস যেটা বলেছে তার চেয়ে বেশি দামী লাগালে খরচ বাড়বে। দরজা, জানালা, পেইন্ট সবই এরকম। কিন্তু এস্টিমেটের সময়ে একটা স্ট্যান্ডার্ড ফিনিশিং সহই হিসাব করা হয় - আপনি পরিবর্তন না করলে খরচ অতটুকুই হবে। আর তা না করা হলে সেটা ডেভেলপারের প্রফেশনালিজমে ঘাটতি হিসেবে ধরা হবে।

পিডব্লিউডির রেট ঠিকাছে। আগে পরবর্তী ৫ বছরের সম্ভাব্য গড় রেট ধরে শিডিউল হিসাব করা হত। এখন প্রতিবছর ডিজিটাল আপডেট দেয় বলে শুনেছি। সেখানে শুধু রডের দাম আইটেমে বাজার দরই থাকবে, তার সাথে এটার পরিবহন, প্রসেসিং (সোজা, বাকা করা - ছাদে বা কলামে রড বাঁধা, সেট করা ইত্যাদির খরচ), ঠিকাদারের লাভ (১০%) এবং ট্যাক্স (৮%) যুক্ত হয়।

চুরির হিসাব আলাদা।

একটা এপার্টমেন্টের জন্য শুধু স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনয়ারের ডিজাইন চার্জ গড়ে প্রতি বর্গফুটে ১০ টাকা, আর্কিটেক্টের চার্জ আরও বেশি। মূল আরসিসি কাঠামো (বিম, কলাম, ছাদ, ট্যাংকি)তে খরচ খুব একটা বেশি না; খরচের একটা বড় অংশ ফিনিশিং-এ (টাইলস, ফিটিংস, দরজা, জানালা, পেইন্ট, বিশেষত বাথরুম ইউনিট আর কিচেনের ফিনিশিংএ অনেক বেশি খরচ)। বড় ভবনে ওভারহেড কমে যায় বলে খরচ একটু কম আসে (চারদিক ঘেরা, সাইট রেডি করা, নিরাপত্তা, সাইট ম্যানেজার ইত্যাদি)। এছাড়া পার্টিশন ওয়ালের পরিমান বেশি হলে খরচ বেড়ে যায়, কারণ স্ট্রাকচারের লোড বেশি আসে, গড়ে প্রতি বর্গফুটে মালামালও বেশি লাগে। সব মিলিয়ে কেউ ১২০০ টাকায় করে দিতে পারলে তো সেটা খুবই ভাল। ভবনের আর্কিটেকচারাল, ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন, প্লান পাশ সহ সমস্ত ঝামেলা সামলিয়ে প্রতি বর্গফুট ১২০০ টাকা রেটে মান বজায় রেখে ফিনিশিং সহ কাজ করে দেবে এমন ফার্ম জানা থাকে আমাকে জানাবেন। জমি আছে; টাকা দিবে এক হাতে আর আরেক হাতে স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ বুঝে নেবে -- এরকম বেশ কয়েকজন আগ্রহী মানুষের খোঁজ জানি।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনির (১২-০১-২০১৩ ২৩:০৪)

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

কাজ নিজে করলে প্রতি বর্গফুট ১২০০ টাকা খরচ হবে। কিন্তু ফার্ম দিয়ে করালে খরচ অনেক বেশী হবে। আর আমাদের দেশে পারসনাল কাজ ফার্ম দিয়ে করানর পরিমান খুবি কম। কারন ফার্ম গুলো সময় মত কাজ করে না, ইট , বালি মানে খারপ, সিমেন্ট কম মেশিনে আগে থেকে মেশানো থাকার কারনে ধরাও যায় না। আর্কিটেকচারাল, ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন, প্লান পাশ এটা অনেক কিছুর উপর নিরভর করে। ভাল মানের ডিজাইন করাতে গেলে ৩৫ টাকা ফুটের নিচে পাবেন না। আর ১৮--২৫ টাকা ফুটেও অনেক জায়গা থেকে ডিজাইন করা যায় তবে ডিজাইন তেমন সুন্দর বা আধুনিক হয় না। প্লান পাশের খরচ টাও আমার মতে বাক্তির উপর নির্ভর করে। যদি পরিচিত থাকে তাহলে সাধারন ফি দিয়েও করা যায়। পরিচিত না থাকলে  ২/৩ লাখ টাকা ঘুস দিয়েও  বছর ঘুরে প্লান পাস হয় না (প্লান ভুল দেখিয়ে ফেরত দিয়ে দেয়), ডেভেলপার দিয়ে ডিজাইন করালে আবার তাড়াতাড়ি পাশ হয়। তার আগে জমির ছাড়পত্র নিতে হয়
খরচের একটা ধারণা দিলাম -

পাথর ফুট -১২৫-১৪৫( এই সিজনে পাথরের সংকট থাকে)
পিকেট ৭০০০ টাকা (হাজার)এক নম্বর টা । ভাঙ্গাতে ৬০০ টাকা হাজার (সাথে পরিবহন) প্রতি হাজার পিকেট এ  ৯০ ফুট খোয়া হয়। খোয়া /পাথর দুটো দিয়েই কাজ করা যায়। পথরে খরচ এক্তু বেশী পড়ে
বালু (লাল ৪৬০০/ট্রাক (১৮৬ ফুট) সাদা ১০০০ সাথে পরিবহন।
সিমেন্ট ৪৯০-৫০০ টাকা বস্তা
রড ৬৫০০০-৬৭০০০ হাজার টন
দরজা কাঠ ফুট ২৫০০-৪০০০ আর পারটেক্স হলে পুরো দরজা ৫০০০-৭০০টাকা
টাইলস ফুট ৪০-২০০ টাকা। বাসাবাড়ির জন্য হমজিনিয়াস ভাল ।
থাই গ্লাস ফুট ২৫৫-২৮০
কন্সট্রাকশন মিস্ত্রি ফুট ১৪০-১৮০ (জায়গা ভেদে আরও কম ও হয় )
plumbing and electric  পার পয়েন্ট ১২০-১৫০।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

১৩

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

একটা ভবন করতে গেলে সেটার চারপাশে নিরাপত্তা বেড়া দিতে হয়। গার্ড রাখতে হয়। নিজে করালে, নিজের বেতন ধরতে হবে। মোটামুটি দুই থেকে তিন বছর লাগবে - সেই হিসেবে গার্ডের বেতন, নিজের বেতনগুলো হিসেবে আসবে।

পুরা বাসার প্লানিং আর্কিটেক্ট+স্ট্রাকচারাল+ইলেক্ট্রিকাল+প্লাম্বিং -- ৩৫ টাকা/বর্গফুট হলে যথেষ্ট রিজনেবলই বলা চলে। খোয়া না পাথর দিয়ে কাজ করতে হবে সেটা আপনার ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার বলে দেবে -- ইচ্ছামাফিক করা যাবে না। পরিকল্পনা, প্লান, ডিজাইন, প্লান পাশ করানো থেকে শুরু করে একেবারে ফিনিশিং দিয়ে বসবাস উপযোগী ভবন (ইলেক্ট্রিক লাইন, গ্যাস, পানি সব সহ) সম্পুর্ন করতে (যেরকম অবস্থায় একটা ভাল ডেভেলপার হস্তান্তর করে) মোট খরচ যা হবে সেটাকে বর্গফুট দিয়ে ভাগ করলে প্রতি বর্গফুটের খরচ বের হয়ে আসে। এটা যদি কেউ ১২০০ টাকায় করতে পারে তাহলে সেটা দারুন ব্যাপার হবে -- আমি নিজেই তাঁকে কন্ট্রাক্ট দিতে আগ্রহী হব।

অর্থাৎ আমাকে ২৪০০ বর্গফুটের প্রতি ফ্লোর হিসেবে ৬ তলা বাড়ি করে হস্তান্তর করবে। নিচের তলায় পার্কিং। তাহলে তাঁকে মোট দেয়া হবে: ২৪০০*৬*১২০০=১,৭২,৮০,০০০ টাকা। এতে গেট+বাউন্ডারী ওয়াল থেকে শুরু করে ফাউন্ডেশন, পানির পাম্প, জেনারেটর, লিফট, আন্ডারগ্রাউন্ড+ছাদের ট্যাংকি, সেপ্টিক ট্যাংক, ডিস্টেম্পার পেইন্ট সহ পূর্ণ বসবাস উপযোগী (ভাড়া দেয়ার উপযোগী) বাসা - যার জানালা থাই এলুমিনিয়াম, কাঠের দরজা, মোজাইকের মেঝে, বাথরুমের ভেতরে পুরা টাইসল, রান্নাঘরে কিছু টাইলস ইত্যাদি সহ ৩ বছরের মধ্যে করে দিতে হবে। আসলেই এমন কেউ থাকলে একটু ঠিকানা দেন -- যোগাযোগ করি। দরকার হলে তাকে এই খরচের উপরে আরো কিছু লাভ দিলাম (৩৬ মাসের হিসেবে সব মিলিয়ে ১,৯০,০০,০০০ টাকাই দেয়া হল নাহয়)।

আর বাজার দরগুলো জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আপনার জমির মাটি ভাল খারাপের উপরেই আপনার খরচ কমবে /বারবে।মাটি খুব ভাল হলে পাইলিং লাগে না ৬ তলা ভবনে। আর এর বেশী হলে মাটি যতই ভাল হোক পাইলিং প্রয়োজন।(সাব-সয়েল টেস্ট করতে হয়) যদি আগে থেকেই চারপাশে নিরাপত্তা থাকে তাহলে নতুন করে দেয়ার দরকার নেই। গার্ড তো রাখতেই হব। ২৪০০ ফুট ৬তলা ৩ বছর একটু বেশী সময়ই । এধরনের কন্ট্রাক্টর আপাতত যানা নেই। থাকলে অবশ্যই জানাবো । আমাদের টা নিজেরাই করেছিলাম।কাজ দিতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত দেয়া হয় না । সয়েল টেস্ট এ পাইলিং ও লাগে নাই। র পাইলিং না করলে আপনি উপরে পাথর বেবহার করতে পারবেন না। শুধু বেস,বিম আর রিজার্ভ ট্যাঙ্ক টে পাথর দিতে পারবেন। https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/ … 0233_n.jpg২৫ টাকা ফুট এ করানো হয়েছিল ২ বছর আগে।২০০০*৬ । ১.৫ বছরে কমপ্লিট ।আপানাকে পরামর্শ দিব নিজে কাজ করতে। কন্ট্রাক্টরদের চুরি আপনি ধরতেও পারবেন না। তাদের কে সবসময় খেয়াল এ রাখতে হবে। আর তাই যদি রাখতে হয় তাহলে তো নিজেই অই সময় দিয়ে কাজ করাতে পারেন। নিজে কাজ করালে আপনার খরচ ৩০-৪০% কম হবে আর তাদের চেয়েও ভাল ফিটিংস পাবেন নিশ্চিত। দরজা লাগানর ৬ মাস পড়ে দেখবেন কাঠ ফাক হয়ে গেছে তখন কই পাবেন তাদের? তখন তো ঠিক করে দিবে না। কাঠ দেখে কিভাবে বুজবেন এটা ৬ মাস পড়ে বেকে যাবে কিনা? কাঠ ঠিক মত সিজনিং করে না তারা। ক্যাবল তো ভেতরে থাকবে বুজবেন না ভাল না খারাপ। খারাপ মানের টেপ / কমদ/ বেসিন লাগিয়ে দিবে পড়ে জগরা করলেও পারবেন না তাদের দ্বারা বদলাতে।আর রড? বাজারে বাংলা রড ৫৫০০০ হাজার টাকা টন উপরে লেখা থাকে 500w BSRM!! নিজে না কিনলে বুজবেন কিভাবে আসল না নকল। আসল টা তো ৬৭০০০ হাজাড় টন। তাই নিজে কাজ করানই ভাল।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

১৫

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

জমির দাম প্রসঙ্গের পোস্টে আমি বলে ছিলাম যে এপার্টমেন্ট যেগুলো বিক্রয় হয় সেগুলোর কনস্ট্রাকশন খরচ প্রতি বর্গফুটে প্রায় ২০০০ টাকা -- এর বিপক্ষে আপনি লিখলেন যে এটা ১২০০ টাকা। খেয়াল করুন যে এখানে একজন ডেভেলপাররের মোট যা খরচ হবে সেটাকে বর্গফুট দিয়ে ভাগ করেই গড় খরচ বের করে। আপনি যেটা বলেছেন সেটা হল নিজে করা -- এটাতে অনেকগুলো শর্ত: পাইলিং লাগবে না, দরজা জানালার স্পেসিফিকেশনের ঠিক নাই, বাউন্ডারী লাগবে না ইত্যাদি। কাজেই এই দুটোকে এখন আর তুলনীয় মনে হচ্ছে না।

নিজে করা হয়তো ভাল। তবে আমি প্রফেশনালিজমের পক্ষে; আমাদের দেশের নেতা নেত্রীরাই প্রফেশনালিজমের ধার ধারেন না - সাধারণ মানুষ আর কী করবে। আর শেষ কথা হল নিজের পরিশ্রমটাকে অবমূল্যায়ন করবেন না। নিজে যেটা করিয়েছেন সেটা আরেকজনের জন্য করলে আপনি কত বেতন নিতেন সেই হিসাবটা সাথে রাখুন।

চুরির ব্যাপার হল, একজন ঠিকাদার একজন ভাল ইঞ্জিনিয়ারকে ফাঁকি দিতে পারে না। আর মালামালের কোয়ালিটি কন্ট্রোলের জন্য ডিজাইনেই বিভিন্ন চেক এন্ড ব্যালান্সের উপায় থাকে। সেটা ঠিকমত প্রয়োগ করলে সমস্যা হওয়ার কথা না। সমস্যা হলে সারা দুনিয়ার কথা বাদ দেই, ঢাকা শহরেই এপার্টেমেন্টগুলো সব ভেঙ্গে পড়তো। আমি নিজে ভাড়া বাসায় থাকি যেটা ইস্টার্ন হাউজিং এর তৈরী। ইদানিং অনেকগুলো ফার্মই বেশ ভাল কাজ করছে বলে জানি। এদের চুরি করার দরকার নাই, কারণ এদের ক্রেতারা প্রতি বর্গফুটে তাঁদেরকে অনেক টাকা দেয়।

বরং ইদানিং একটা গবেষণায় (আমার ইউনিভার্সিটির থিসিস) দেখেছি যে বরং ডেভেলপারকে না দিয়ে নিজে নিজে করা কনস্ট্রাকশন সাইটেই সেফটি এবং অন্যান্য বিষয়ের ম্যানেজমেন্ট অনেক বেশি খারাপ; অনেক বেশি নিয়মকানুন ভাঙ্গা হচ্ছে এসব ক্ষেত্রে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনির (১৩-০১-২০১৩ ১৬:০৪)

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

আমার যা খরচ গেসে তাই বলসি, পাইলিং বাদে সবই লাগসে ডিজাইন সুবুহু করতে ৯৫০ করে গেসে(দরজা জানালা সবই উন্নত মানের(সেগুন,)বিদেশি ফিটিংস দিয়েও।। আর কথা বাড়াতে চাই না। আশা করি ভাল মত বুজে শুনে কাজ করবেন । শুভ কামনা রইল । smile

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

১৭

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

লে হালুয়া। লেগে গেলো তো  roll

১৮

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

সেভারাস লিখেছেন:

লে হালুয়া। লেগে গেলো তো  roll

আরে না সেইরকম কিছু না।

আমার একটা কাহিনী বলি; ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে চাচার বিল্ডিংএর ডিজাইনের দায়িত্ব সদ্য পাশ (বুয়েট, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ৯২ ব্যাচ) করা আমার উপর দিল। আমি খেটেখুটে ডিজাইন করে দেয়ার পর রাজমিস্ত্রি বলে এটা অনেক দূর্বল ডিজাইন - জীবনে নাকি এমন কিছু উনি দেখেননি (আমি ডিজাইন করার পর আরো দুইজনকে দিয়ে চেক করিয়েছিলাম)। চাচা কনফিউজড হয়ে স্থানীয় একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীকে দিয়ে সেটা কারেকশন করালেন (!!) ... ... উনি সিম্পলি আমার ডিজাইনে দেয়া রডের দিগুন রড দিলেন। চাচাও খুশ্। আমার কি? এতে স্ট্রাকচার অনেক বেশি স্ট্রং হবে নিঃসন্দেহে - এ্যাট দ্যা কস্ট অব আননেসেসারি এক্সপেনসেস।
(স্ট্রাকচারাল ডিজাইন মানে হল, ছাদে, বিমে কলামে কতগুলো কোন আকারের রড পড়বে কত স্পেসিংএ, বিম/কলামের সাইজ কত বাই হতে হবে, ছাদের ঢালাই কয় ইঞ্চি লাগবে -- কত স্ট্রেন্থের ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি বিষয়। পাবলিক সাধারণত ডিজাইন বলতে আর্কিটেক্টের করা স্পেস প্লানিং কে বুঝে থাকে)

তবে ভয় একটাই থেকে গেল -- রডে ওভার ডিজাইন মানে হল ডিজাইনের ব্যালেন্সটা স্টিলের দিকে চলে গেল -- ফলে কখনো খুব সিরিয়াস ভূমিকম্পে যদি বিল্ডিং ভাঙ্গে তাহলে সেটা কোনরকম ওয়ার্নিং দিবে না। ফেইলিওর প্যাটার্নটা হবে হঠাৎ করে ভেঙ্গে পড়া। সাধারন ব্যালেন্স ডিজাইনে ফেইলিওর হয় মোমেন্ট ফেইলিওর -- অর্থাৎ রডগুলো ভাঙ্গবে না বরং ছিড়বে -- এতে ভবন ভেঙ্গে পড়ার আগে কিছুটা সময় পাওয়া যাবে, কারন রড প্রথমে ছিড়ার সময়ে লম্বা হবে তারপর ছিড়বে (টেকনিক্যাল টার্ম হল স্ট্রেইন হার্ডেনিং)। ওভার ডিজাইনের ফলে রড আর মোমেন্টে ফেইল করবে না, করবে শিয়ারে -- অর্থাৎ সময় নিয়ে ছেড়াছেড়ির ব্যাপার নাই (কারণ ওদিকে অনেক বেশি দেয়া আছে), একবারে খচ করে ভাঙ্গবে।

এখন পর্যন্ত আমার সেই ডিজাইনটা ঠিক ছিল বলেই জানি -- এছাড়া ওটা যেই মেথডে ডিজাইন করেছিলাম (WSD: ওয়র্কিং স্ট্রেস ডিজাইন পদ্ধতি বলে ওটাকে) ওটাতে এম্নিতেই একটু বেশিই ওভার ডিজাইন হয়, বর্তমান ডিজাইন পদ্ধতিতে (USD: আল্টিমেট স্ট্রেন্থ ডিজাইন মেথড) রড আরো কম দেয়া হয়। এ্যাত কনফিডেন্সের কারণ, আমার মেজরই ছিল স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল-এ পাঁচটা ধারা আছে: ১। স্ট্রাকচারাল, ২। জিওটেকনিক্যাল, ৩। এনভায়রনমেন্টাল, ৪। ট্রান্সপোর্টেশন, ৫। ওয়াটার রিসোর্স)। পরবর্তীতে মাস্টার্স এবং তদপরবর্তী সবকিছু এনভায়রনমেন্টে করেছি।

===
মনির ভাই যে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নন - সেটা খোয়া আর পাথরের ব্যাপারে লেখা দেখেই বুঝেছি। খোয়া আর পাথরের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ অনেক আলাদা। ফলে একই স্ট্রেন্থের কংক্রিট বানাতে হলে ওগুলোর ব্যবহার তরিকা ভিন্ন হয়। এটা করার জন্য অনেকগুলো মিক্স ডিজাইন মেথড আছে (আমরা সাধারণত ACI মেথডে ডিজাইন করি)। আর পাইলিং-এর ব্যাপারটাও তাই। ম্যাট (বা, ড়্যাফ্ট) ফাউন্ডেশন দিলে সাধারণত পাইলিং লাগে না। তবে ৬ তলা আবাসিক ভবনে ম্যাট ফাউন্ডেশন সাধারণত দেয়া হয় না।

তবে স্ট্রাকচার বানানোর জন্য ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নাই। ইঞ্জিনিয়ারগণ প্রকৃতি এবং অন্যদের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানগুলোকেই তাদের চার বছরের কোর্সে শিখে --- তাই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে কখনই অবজ্ঞা করতে নাই। তাই মনির ভাইয়ের খরচ কমানোর তরিকা পূংখানুপুংখরূপে জানতে আমার আগ্রহের কমতি নাই। ঠিকমত বুঝে শিখে নিতে পারলে আমি আমার স্টুডেন্টদেরকেও সেটা শিখাতে পারতাম - এতে ওরা পাশ করে বেটার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবে।

আপনারা হয়তো জানেন যে ভাল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের ফলে অপচয় কমিয়ে প্রজেক্টের খরচ অনেক কমানো সম্ভব। তাই সম্ভাবনা কোথায় কিভাবে লুকিয়ে আছে সেটা আগে থেকে জানা থাকার কথা না। আমি বুঝতে চেস্টা করছিলাম, ওনার সুবিধা কোন জায়গাটায় যেটাতে খরচ বাঁচলো - নিজে করলে যে ম্যাটেরিয়াল কোয়ালিটির ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি সেটা তো নিশ্চিত। আর আসলেই আমি কমপ্লিট ভবন বলতে যা বুঝাচ্ছি এখানে সেই একই কথা বুঝানো হচ্ছে কি না (তুলনীয় কি না)। স্ট্যান্ডার্ড এপার্টমেন্টে সুপারস্ট্রাকচার (বিম কলাম ছাদ ঢালাই সাথে ওয়াল) করতে যা খরচ, ফিনিশিংএ তার চেয়ে বেশি খরচ হয় সাধারণত।

===
কনস্ট্রাকশন সাইটের সেইফটির জন্য অনেকগুলো নিয়মকানুন মানতে হয় নির্মানকারীকে। সবচেয়ে কমন হল কর্মীদের মাথায় হেলমেট, পায়ে শক্ত বুট, হাতে গ্লভস ইত্যাদি, এছাড়া ইমার্জেন্সীর জন্য ফার্স্ট এইড, ফায়ার প্রটেশন; আশে পাশের জান-মাল ও পরিবেশের নিরাপত্তার জন্য আরও অনেকগুলো শক্ত নিয়ম মানতে হয় (আমাদের দেশে অনেক বড় কোম্পানি, বিশেষত রাস্তা বানানোর সময়, এখনও সবগুলো মানে না)। আর এইগুলো বেশ খরুচে ব্যাপার - কিন্তু ইন্সুরেন্সের মত কাজ করে। একজন নিজ উদ্যোগে কাজ করালে এইসব নিয়মকানুনের সাধারনত তোয়াক্কা করেন না -- এটা মূলত এই সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে। কিন্তু একটা প্রফেশনাল কোম্পানির এইসব ব্যাপারে অজ্ঞ থাকার উপায় নাই (- নাইলে আর প্রফেশনাল কিসের?!)। তাই এসব ক্ষেত্রে তাঁদের খরচ বেড়ে যায়। পার্সোনালি করলে এসবের অভাবের কারণে দূর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায় --- বিল্ডিং বিলের মধ্যে কাইত হয়ে পড়ে যাওয়া, ম্যাচবাক্সের মত ভেঙ্গে পড়া, উপর থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যূ ইত্যাদি খবরগুলো মাঝে মাঝেই চোখে পড়বে।

তাই এরকম কারণেও খরচ কমে কি না সেটাও তদন্ত করে দেখা জরুরী।

এই প্রসঙ্গে গল্পটা এরকম: ডাক্তারী শেখার আগ পর্যন্ত ফোঁড়া কাটা খুবই সহজ ছিল।
খালি একটা ক্ষুর নাও আর ফ্যাচ করে কেটে ফেল। ডাক্তারের মত অত এন্টিসেপ্টিক, অতিরিক্ত সতর্কতা, এক্সরে ইত্যাদি করে আরো বেশি নিশ্চিত হওয়ার মত অনেক কিছুর আয়োজন করার দরকার তো নাই। -- নাপিতের পোচে খরচ বাঁচবে, কিন্তু সেটা পরামর্শযোগ্য কি না সেটাই বিবেচ্যে/বিশ্লেষ্য।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মনির (১৪-০১-২০১৩ ১৫:০১)

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

তদন্ত করা না করা আপনার ইচ্ছা, তবে মাথায় হেলমেট, পায়ে শক্ত বুট, হাতে গ্লভস ইত্যাদি, এছাড়া ইমার্জেন্সীর জন্য ফার্স্ট এইড, ফায়ার প্রটেশন; ২০০০*৬ হাজার বর্গ ফুটের কাজের জন্য বড়জোর ৩/৪ লাখ খরচ করলেই যথেষ্ট , ফুতে৩০ টাকাও খরচ বাড়ে না।  আপনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তাই স্ট্রাকচারাল ভাল বুজেন, আমার background fianance and accounting সো খরচ কমানোর জন্য আহামরি কিছুই করতে হয় নাই। আমাদের পয়সার হিসাবেও ঝামেলা হলে মেলাতে হয় আর সেখানে তো কোটি টাকা   tongue

ফিনিশিংএ খরচ শুধু  বেশী না , ক্ষেত্র বিশেষে সেটা দিগুন ও হয়ে যায়, তব একটা বিষয় লক্ষণীয় " ভাল ডিজাইন(সেগুন) এর একটা দরজা রেডিমেড কিনলে পরবে ৭০/৮০ হাজার আর সেই একি মানের দরজা নিজে কাঠ কিনে মিস্ত্রী দিয়ে করালে যায় ৫৫-৬০"। এখন আপনার ইচ্ছা কোনটা করবেন। আবার রেডিমেড(গাড়িতে আগেই মেশানো থাকে -স্কান/আকিজ/শাহ) কংক্রিত দিয়ে কাজ করালে ১০% বেশী খরচ হয় সাধারণত বড় প্রকল্প,ব্রিজ,করতে এটা বেবহার করা হয়। আপনি নিজে কাচামাল কিনে মিক্সিং মেশিন দিয়ে করলে খরচ কমাতে পারেন ১০%। এটাই সাধারণত সবাই করে, ডেভেলপার রাও। আরও অনেক ধরনের ছোটখাটো বিষয় আছে।

একটা ঘটনা বলি ,একবার ৬ টন (ফ্যাক্টরি থেকে)  রড কেনার সময় ১০/১২/১৬/২০ মিলি তে আসে ৭২ বান্ডিল । পরের বার একি মাপের ৬টন  কিনতে আগে টাকা দিয়ে মিস্ত্রি পাঠাই মালামাল আনার জন্য, ৬ টনে আসে ৬০ বান্ডিল , পড়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি সব দোকানেই মেশিনের মাপে বেশী থাকে বান্ডিল প্রতি ৫-১৫ কেজি, কারন তাদের টনে লাভ খুব কম , আর ফ্যাক্টরি থেকে নিলে টনে ৫ কেজি বেশী দেয়া হয় র দামেও কম   । এরপর থেকে নিজেই সব মাল কিনে দিছি খরচ কমানোর জন্য আর কিছু করতে হয় নাই। প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি পাশেই বড় একটা নতুন বহুতল ভবন হচ্ছে দেখে দিবেন নিরাপরত্তা বলতে সুদু চট র টিনের , শ্রমিক নিরাপরতার কিছুই নাই, আর সেখানে ছোট প্রোজেক্ট !(যদিও এটা ঠিক না) আর আমারা  প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করি(R.H.D), তাই খরচ সম্পর্কে একটু হলেও ধারণা আছে।  আমার কথা বিশ্বাস আপনাকে করতে বলিও নাই, আপনি যখন খরচ /কাজ করবেন সেটাই হবে আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা/বিশ্বাস ।আমি আর কথা বারাতেই চাই না। বেপার টা এখানেই শেষ হলে ভাল হয় ।

গল্পটার শেষ-
ফোঁড়া কাটতে নাপিতের কাছে যাওয়াও ভয়ংকর আবার মাউন্ট এলিজাবেথ (সিঙ্গাপুর) wink যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যদিও আমাদের মন্ত্রী এমপি রা যায়। আবার নাপিতের কাছে গিয়ে ইনফেকশন বানাইয়া আনলে পড়ে মাউন্ট এলিজাবেথ  গিয়েও শেষ রক্ষা হয় কিনা সন্দেহ। তাই যতটুকু প্রয়োজন তত টুকু করা উচিত ।

Pure SSD Web Hosting https://www.adroitssd.com/

২০

Re: ফান্দে পড়িয়া বগা ... ... ...

মনির ভাইকে তথ্যমূলক পোস্টগুলোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি এই বিষয়ে আমার আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছেন নিঃসন্দেহে।  thumbs_up

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত