সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১০-১২-২০১২ ১৪:৪১)

টপিকঃ (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

প্রাচীন ব্যাবীলনীয়/সুমেরীয়/আক্কাদীয় মহাবিশ্ব (কসমস):
http://i.imgur.com/KVZE8.jpg

মিশরীয় কসমস:
http://i.imgur.com/J0hMw.jpg

ইনকা, মায়ান, নাভাহো কসমস:
http://i.imgur.com/099uo.jpg
http://i.imgur.com/yOCkg.jpg
http://i.imgur.com/97qd0.jpg

ভাইকিং কসমস:
http://i.imgur.com/ZveXG.jpg

ইহুদী কসমস:
http://i.imgur.com/p1g5o.jpg
http://i.imgur.com/qVKuA.png

খৃস্টান কসমস:
http://i.imgur.com/4kbQs.png
http://i.imgur.com/E5FTe.jpg
http://i.imgur.com/7nj5P.jpg
http://i.imgur.com/KGSwA.jpg

ইসলামিক কসমস:
http://i.imgur.com/3QKts.jpg

http://i.imgur.com/WYtGj.jpg
http://i.imgur.com/TJghv.jpg

সপ্ত আকাশ (মধ্যযুগীয় এডিশন):
http://i.imgur.com/fG7XD.jpg

সপ্ত আকাশ (ইছলামী এডিশন)
http://i.imgur.com/zpo8R.jpg

দশ আকাশ (ফ্রেন্চ পলিনেশিয়ান এডিশন)
http://i.imgur.com/opgmD.gif

ওপর তলা:
http://i.imgur.com/IXsyD.jpg
http://i.imgur.com/ry63o.jpg
http://i.imgur.com/EW73Y.png

চৌকির তলা:
http://i.imgur.com/RRmv1.jpg
http://i.imgur.com/1QDvc.jpg




ওকে বয়জ & গার্লস,  টাইম ফর বোরিং, ডিপ্রেসিং সাইন্স ক্লাস...  sleeping



তুম ইধার হো....
http://i.imgur.com/9Tq9I.jpg

ইন দ্যা মিল্কী ওয়ে গ্যালাক্সী...
http://i.imgur.com/Zp6Am.jpg

মিল্কী ওয়ে গ্যালাক্সীর উইলিয়াম হার্শেল ম্যাপ / স্টার ক্যাটালগ:
http://i.imgur.com/zG6Jn.jpg

শয়তানের চশমা...  dontsee  আই মীন,  isee টেলিস্কোপস ইন দ্যা স্কাই:
http://i.imgur.com/Y7d9X.jpg

ক্যারিনা নেবুলা: তারাদের নার্সারী... জায়ান্ট গ্যাস মেঘ-গুলো কলাপ্স করে নতুন নক্ষত্রের জন্ম দিচ্ছে (ক্রেডিট: শয়তান হাবলের দূরবীন)
http://i.imgur.com/AdABj.jpg
http://i.imgur.com/PJz3t.jpg

ওরায়ন নেবুলা:
http://i.imgur.com/9RtFt.jpg

ঈগল নেবুলা - পিলারস অব ক্রিয়েশন:
http://i.imgur.com/vEAv3.jpg

পিওনি নেবুলা:
http://i.imgur.com/0paCK.jpg

ক্র্যাব / কর্কট নেবুলা:
http://i.imgur.com/H3r6V.jpg

প্লেয়াডেস, সেভেন সিস্টার্স ও অসংখ্য নাম না জানা নক্ষত্র গুচ্ছ:
http://i.imgur.com/qnUnY.jpg

নক্ষত্রদের সাইজ ক্লাসিফিকেশন (সূর্য্য = ক্লাস "জি" স্টার):
http://i.imgur.com/v9UoY.jpg

রাতের আকাশ। নিকটতম প্রতিবেশী নক্ষত্র আলফা সেন্টরী (বামের হলুদ তারা):
http://i.imgur.com/PrPWY.jpg

প্রতিবেশি গ্যালাক্সী এ্যান্ড্রোমিডা:
http://i.imgur.com/jiUjp.jpg

পীনাটস & ক্যালভিন:
http://i.imgur.com/EeMGo.jpg
http://i.imgur.com/CQN7h.png

Calm... like a bomb.

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

টপিকটা সিরিয়াস হলেও আমি একটু মজা পেয়েছি  tongue বিশেষ করে হ্যভেন এক্সিট দেখে.. আই উইশ আমার জিপিএস বলতো ড্রাইভ ৪ হান্ড্রেড *ইনফিনিট* মাইলস অন হেল রোড দ্যন টার্ন শার্পলি রাইট অন টু এক্সিট *০০০০০* টু হ্যভেন দ্যন গেটঅফ এট ইয়োর ডেসটিনেশন  smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

মিশরীয় কসমস মন্দ না  hmm

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

মজার সব ছবি!

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

এক কথায় অসাধারণ +

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

চ্রম হইসে ভাইজান... thumbs_up thumbs_up thumbs_up


গ্রীক/রোমান কসমস কোনটা??


বোরিং সাইন্স অংশের টুকু মাথা আউট কইরা দিসে... থেঙ্কু... dream dream dream

গর্ব এবং আশায় ভরা বুক! কাঁধে কাঁধ, হাতে হাত, সমুন্নত শির!
আমি তুমি সবাই মিলে এক, একই লাল সবুজের কোলে সবার নীড়।

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

ফারহান খান লিখেছেন:

মিশরীয় কসমস মন্দ না  hmm

ওদের সায়েন্টিস্টিরা বেশ দুষ্টু লোক ছিল বোঝা যায়!  hehe

দারুন টপিক তবে তথ্যসূত্রের লিংকের অভাব বোধ করলাম।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

শামীম লিখেছেন:

দারুন টপিক তবে তথ্যসূত্রের লিংকের অভাব বোধ করলাম।

তথ্যসূত্র বলতে কোনো নির্দিষ্ট লিংক দিতে পারবো না। আইডিয়ার অণুপ্রেরণা পেয়েছি জোয়েল প্রিমাকের এই বইটি থেকে। বইটির কম্প্যানিয়ন ওয়েবসাইটেও কিছু ইলাস্ট্রেশন আছে। তবে আইডিয়াগুলো বই থেকে নিলেও ছবিগুলো সবই গুগল ইমেজ সার্চের মাধ্যমে পাওয়া। গ্যালাক্সি/নেবুলার ছবিগুলো নাসা, ন্যাটজিও ইত্যাদি সাইট থেকে।

ফারহান খান লিখেছেন:

মিশরীয় কসমস মন্দ না  hmm

tongue
অরিজিনাল প্যাপিরাসটির ছবি:
http://i.imgur.com/jYOTc.jpg
ছবিটিতে কিন্তু একাধিক গড/গডেস ডিউটিরত আছেন:

In this diagram we can see how the Egyptian people understood the shape and function of the cosmos. In the Egyptian cosmology the sky goddess Nut is stretched over the earth god Geb, who is laying down on a flat plain; his body is positioned so as to mimic the hills and mountains.The sky is dome shaped and full of stars. Nut is said to swallow Ra the sun god every evening which ushers in the night and give birth to Ra in the morning which ushers in the day.

http://i.imgur.com/mlNS8.gif

Nut is often portrayed as a naked female stretched across the sky. The Sun (Ra) is shown entering her mouth, passing through her star speckled body and emerging from her birth canal nine months later (from the spring equinox to the winter solstice). Thus, Ra becomes a self-creating god, i.e. the Universe is self-creating and eternal.

এগুলো বাদ পড়ে গিয়েছিলো:  worried
হিন্দু কসমোলজী:
http://i.imgur.com/2u6vY.jpg
http://i.imgur.com/RjIgt.jpg
http://i.imgur.com/ZCyrF.jpg

This is from Hindu cosmology and shows the world-turtle, Chukwa, carrying the elephants that carries the earth upon their backs. Chukwa swims in the primordial ocean of milk, Ksheera Sagara. In another Hindu cosmology, the turtle is Akupara and carries the earth upon his back.

চাইনীজ কসমোলজী:
http://i.imgur.com/EyzcI.jpg
http://i.imgur.com/0GIm5.gif
http://i.imgur.com/oQ2BC.jpg

Chinese cosmology speaks of Wu Xing: the Five Elements, which are also the Directions.
East corresponds to the element wood, the color green, the season spring, the sound of shouting, and the liver among bodily organs.
The South, to fire, red, summer, laughter, and the heart. The Center, to earth, yellow, late summer, singing, the spleen.
The West, to metal, white, fall, weeping, the lungs. The North, to water, black, winter, groaning, and the kidneys.
The Five Elements system underpins classic Chinese philosophy, medicine, and divination.

তবে এসব কসমোলজীর উদ্ভব সভ্যতার আবির্ভাবের পর। আমার কাছে আরো ইন্টারেস্টিং লাগে পৃ-হিস্টোরিক তথা সভ্যতা সৃষ্টির আগের কসমোলজী।

নিওলিথিক (২০,০০০ থেকে ১০০,০০০ বছর আগের) কসমোলজী:

নিওলিথিক কেইভ পেইন্টিং-এ ফুটে ওঠা তৎকালীন মানুষের চিন্তাধারা:
http://i.imgur.com/hUYQG.gif

Cosmology is as old as humankind. Once primitive socal groups developed language, it was a short step to making their first attempts to understand the world around them. Very early cosmology, from Neolithic times of 20,000 to 100,000 years ago, was extremely local. The Universe was what you immediately interacted with. Cosmological things were weather, earthquakes, sharp changes in your environment, etc. Things outside your daily experience appeared supernatural, and so we call this the time of Magic Cosmology.
Early people projected their own inner thoughts and feelings into an outer animistic world, a world where everything was alive. Through prayers, sacrifices and gifts to the spirits, human beings gained control of the phenomena of their world. This is an anthropomorphic (magic) worldview, of the living earth, water, wind and fire, into which men and women projected their own emotions and motives as the guiding forces, the kind of world one finds in fantasy and fairy tales.

http://i.imgur.com/P5fUQ.jpg
কাটাল হুয়ুক (৭,৫০০ - ১০,৫০০ বছর আগের) প্রোটো-সভ্যতার মাদার গডেস ফিগারিণ। একজোড়া চিতাবাঘের মাথায় হাত রেখে মহাবিশ্বের জন্ম দিচ্ছেন। (বর্তমান আনাতোলিয়া, টার্কী)

বর্তমানের জাগতিক ধর্মগুলোর জন্মস্থান যদি এক আংগুল দিয়ে নির্দেশ করা যায়, তাহলে সেটা হবে তুরস্কের গোবেকলি টেপে:
http://i.imgur.com/yAVWy.jpg
http://i.imgur.com/SxRaF.jpg
প্রায় ১২,০০০ বছর আগের সভ্যতার বিশাল ধ্বংসস্তূপে পাওয়া গেছে সেমি-সভ্য মানুষের অর্গানাইজড ধর্ম-ব্যবস্থার প্রথম নিদর্শন। This is the mecca of all religions! গোওবেক্লী টেপে নিয়ে আলাদা টপিক দেবার ইচ্ছা বহুদিন ধরে।

আশা করি এটার পরিচয় দেবার দরকার নেই:
http://i.imgur.com/hV3eW.jpg
http://i.imgur.com/ETvq0.jpg
ঠিক কি কারণে স্টোনহেন্জ বানিয়েছিলো জানা যায় না, তবে আকাশের গ্রহ নক্ষত্রের সাথে কোনো না কোনো যোগাযোগ আছে তা নিশ্চিৎ।

সভ্যতাগুলো বিলীন হয়ে গেছে, কিন্তু ওদের রেখে যাওয়া রেলিকগুলো এখনো টিকে আছে সাক্ষী হয়ে।

Calm... like a bomb.

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন @m0N (১২-১২-২০১২ ০০:৩৫)

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

চমৎকার শেয়ার। ফোরামে জ্যোতির্বিদ্যা আর জ্যোতিপদার্থবিদ্যা নামে নতুন বিভাগ খুললে মন্দ হয় না।

invarbrass লিখেছেন:

ঠিক কি কারণে স্টোনহেন্জ বানিয়েছিলো জানা যায় না, তবে আকাশের গ্রহ নক্ষত্রের সাথে কোনো না কোনো যোগাযোগ আছে তা নিশ্চিৎ।

বেশীরভাগ নৃবিজ্ঞানীই এটাকে সূর্যবাদের সাথে সম্পর্কিত মনে করেন। এটাকে এক ধরণের সমাধি বলেও মনে করা হয়। তবে সূর্যবাদের ধারণার জন্ম হয়েছে এর স্থাপত্যকৌশল থেকে। সূর্যোদয়ের সময় তার ছায়া গিয়ে পড়ত জিনিসটির পশ্চিম দিকে দাঁড়ানো পুরোহিতের ঠিক পায়ের কাছে। তবে প্রথম দিকে এটা ছিল উর্বরতাবাদের প্রতীক। কালক্রমে এটা হয়ে উঠে সারা ইংল্যান্ডের-এবং সেই সাথে উত্তর ইউরোপের অনেক দেশেরও মানুষের কাছে এক বিরাট তীর্থভূমি, তাদের সূর্যপূজার সকল স্থানের মাঝে সবচে পবিত্র। খৃষ্টপূর্ব পনের শতকের দিকে সমকালীন মিশরীয় দেবমন্দিরের স্থাপত্যরীতির প্রভাবে এটা নতুন রুপ পায়।

invarbrass লিখেছেন:

সভ্যতাগুলো বিলীন হয়ে গেছে, কিন্তু ওদের রেখে যাওয়া রেলিকগুলো এখনো টিকে আছে সাক্ষী হয়ে।

তবে তালিবানদের বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস, আমেরিকানদের হাতে ব্যাবিলনের শূন্যদান ক্ষতিগ্রস্ত  sad। নৃতত্ত্বে আগ্রহী বলে সবসময় এগুলা এক ধরণের ভাবনা তৈরি করে।

hit like thunder and disappear like smoke

১০

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

অসাধারন বস্‌...

গর্ব এবং আশায় ভরা বুক! কাঁধে কাঁধ, হাতে হাত, সমুন্নত শির!
আমি তুমি সবাই মিলে এক, একই লাল সবুজের কোলে সবার নীড়।

১১

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

ওপর তলা আর চৌকির তলা, কি ফ্রেন্চ পলিনেশিয়ান এডিশন ?

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

স্টিকি করার মতো অসাধারণ টপিক।  thumbs_up thumbs_up thumbs_up thumbs_up thumbs_up চ্চচ্চচ্চচ্চচ্চচ্চচ্চরম টপিক।

ছোট কাছে শুনতাম সাত আসমানের একটা সোনা একটা হিরা দিয়া বানানো। চতুর্থ আসমানে একতা মসজিদ আছে।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

অসাধারন পোস্ট!

ওয়েব হোস্টিং | রিসেলার হোস্টিং | অনলাইন রেডিও হোস্টিং
টেট্রাহোস্ট বাংলাদেশ - www.tetrahostbd.com

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শুভ১৭১ (১৬-১২-২০১২ ০১:১৮)

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

অনেক কিছু জানলাম।
২০০০ বছর পর হয়ত মানুষ আমাদের মহাকাশ মডেলের  ছবি নিয়ে হাসবে ghusi। যদিও আমরা ওগুলোকে যথেষ্ট সত্য ও বাস্তব মানছি।
একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে, যেটা আইনষ্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে দেখিয়েছিলেন, যে মহাকর্ষের প্রভাবে স্থান / আলোর গতিপথ বেঁকে যায়। হয়ত আমরা একটা নির্দিষ্ট গতিবেগ (আলোর বেগের কাছাকাছি বা বেশি..... donttell) অর্জন করে অন্য কোন ফ্রেম থেকে মহাবিশ্ব দেখলে নক্ষত্র গুলোর দূরত্ব ও বিন্যাস অন্যরকম মনে হতে পারে।
মহাবিশ্বের ছবি তোলার টেকনোলজীও পাল্টে যেতে পারে। বর্তমানে সম্ভবত আলোর বিভিন্ন বর্নালী (স্পেকট্রাম) বিশ্লেষন করে, এই ছবি গুলো পড়ে কম্পিউটারে তৈরী করা হয় (ভুল হতে পারে, আমার)। ভবিষ্যতে নতুন কোন প্রযুক্তিতে আমরা হয়ত অন্য কিছু দেখব।

১৫

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

@ শু‌ভ১৭১ এটা পড়ুন। কোন প্রশ্ন থাকলে করবেন ‌উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব।

hit like thunder and disappear like smoke

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৬-১২-২০১২ ১৩:২০)

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

ছোট কাছে শুনতাম সাত আসমানের একটা সোনা একটা হিরা দিয়া বানানো। চতুর্থ আসমানে একতা মসজিদ আছে।

খেয়াল করলে দেখবেন, আলোচিত ধর্মগুলোর প্রচারিত কসমোলজীগুলো রেভুলুশনারী নয়, বরং এভুলুশনারী।

প্রাচীন সুমেরীয়, মিশরীয় কসমোলজীর বেসিক স্ট্রাকচার ছিলো এটা:
http://i.imgur.com/p1g5o.jpg
মাঝখানে ফ্ল্যাট আর্থ বা সমতল ভূমি। ভূমিকে ঘিরে রেখেছে জলরাশি (ওদের ধারণা ছিলো পৃথিবী হলো মহাসাগরের মধ্যে একটি দ্বীপ)। আর মাথার ওপরে বলয়ের মত মহাকাশ - স্ফেরিকাল আকাশে সূর্য্য এবং অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্র সাজিয়ে রাখা। আর আকাশের অপর প্রান্তে সৃষ্টিকর্তা/কর্তাগণের বাসস্থান। মোদ্দা কথা: ছোট্ট এ্যাকুরিয়ামে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়া একটা গোল্ডফিশ যেভাবে তার "মহাবিশ্ব"কে দেখে, আমাদের পূর্বপুরুষরা অনেকটা তেমনই ভাবতেন।

পরবর্তীকালের সভ্যতা, ধর্ম বা মতবাদগুলোও এই বেসিক মডেলটাকে ঘাঁটায়নি - ওটাতে নিজেদের মত করে যোগ বিয়োগ করেছে।  এভুল্যুশনারী পরিবর্তন এসেছে - তবে মহাবিশ্বের মূল স্ট্রাকচার মোটামুটি অপরিবর্তিতই ছিলো। যেমন: ইহূদীরা তাদের নরক এবং মানুষের অন্তিম শয়নের স্থান কল্পনা করেছিলো ভূমির নীচে। রোমান খৃস্টানরা ওটা গ্রহণ করে নেয়, সাথে আকাশের বিভিন্ন লেয়ার উদ্ভাবন করে - ৭ স্তর বিশিষ্ট মহাকাশ তারা কল্পনা করে, সূর্য্য ও অন্যান্য গ্রহ/নক্ষত্রগুলো পৃথিবীকে ঘিরে আবর্তন করছে এমন ধারণা করে। পরবর্তীতে ইসলামও ঐ মডেল গ্রহণ করে নেয় (কিছু নিজস্ব এনহ্যান্সমেন্ট তো অবশ্যই ছিল)। প্রচলিত মতবাদের র্যাডিকাল পরিবর্তন কোনো সমাজ/সভ্যতাই করতে পারে নি। সভ্যতার উন্মেষে পৃমিটিভ মানুষ যে কসমোলজিকাল মডেলটি খাড়া করেছিলো, এর পরে সহস্রাব্দ জুড়ে বিভিন্ন সভ্যতা এসেছে আর গিয়েছে, তবে ওই প্রাইমাল মডেলটি বাই-এ্যান্ড-লার্জ টিকে ছিলো...

... ৩০০ বছর আগ পর্যন্ত

৩/৪ শতাব্দী আগে কিছু মজার ব্যাপার ঘটতে আরম্ভ করে: বিজ্ঞানের আবির্ভাব হয়। এক্সপেরিমেন্টাল, অবজার্ভেশনাল এবং এম্পিরিকাল বিজ্ঞান এসে সব লন্ডভন্ড করে দেয় - মানুষের চিন্তাধারায় রেভুল্যুশনারী চেন্জ বা বিপ্লবী পরিবর্তন ঘটিয়ে দেয়। হাজার হাজার বছর ধরে লালিত পালিত কাল্পনিক মহাবিশ্বের ম্যাপ মাত্র কয়েক শতকের ব্যবধানে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেন কোপার্নিকাস, গ্যালিলেও, নিউটন প্রমুখ রেভুল্যুশনিস্টরা।

ভবিষ্যৎে এমন আরো কত বিপ্লব আমাদের জন্য ঘাপটি মেরে আছে কে জানে?

শুভ১৭১ লিখেছেন:

২০০০ বছর পর হয়ত মানুষ আমাদের মহাকাশ মডেলের  ছবি নিয়ে হাসবে ghusi। যদিও আমরা ওগুলোকে যথেষ্ট সত্য ও বাস্তব মানছি।
একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে, যেটা আইনষ্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে দেখিয়েছিলেন, যে মহাকর্ষের প্রভাবে স্থান / আলোর গতিপথ বেঁকে যায়। হয়ত আমরা একটা নির্দিষ্ট গতিবেগ (আলোর বেগের কাছাকাছি বা বেশি..... donttell) অর্জন করে অন্য কোন ফ্রেম থেকে মহাবিশ্ব দেখলে নক্ষত্র গুলোর দূরত্ব ও বিন্যাস অন্যরকম মনে হতে পারে।

সহমত।

তবে কিছু পার্থক্যও আছে। প্রাচীন কসমোলজীকাল মডেলগুলো "আর্ম-চেয়ার কসমোলজিস্টদের" প্রসব। ঐ আমলের মানুষের জ্ঞান, প্রযুক্তি লেভেল নিয়ে কিছু বলা বাহূল্য। তবুও, ওগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছিলো না, কোনো অবজার্ভেশন বা পরিমাপের মাধ্যমে ওগুলোতে উপনীত হয়নি। তৎকালীন সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার, মীথ ইত্যাদি ফুটে উঠেছে তাদের মডেলগুলোতে। উদাহরণস্বরূপ: গৃকরা এ্যাটমের ধারণা দিয়ে যায়, ভারতীয়রাও এ্যাটমিজম সম্পর্কে ধারণা ছিলো। কিন্তু কেউই তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন নি, পুরোটাই ছিলো অনুমান আর ফিলোসফী। হাজার হাজার বছর পরে ১৮ - ১৯ শতাব্দীতে ল্যাভয়সিঁয়, ডালটন, এ্যাভোগ্যাড্রো, রাদারফোর্ড এবং বোহর প্রমুখ এসে এ্যাটমিস্টিক ইউনিভার্স ল্যাবরেটরীতে প্রমাণ করে দেখান।

তবে আমরা ওখানেই থেমে নেই। ম্যাটার ভেংগে এ্যাটম পেয়েছি। এ্যাটম ভেংগে সাব-এ্যাটমিক পার্টিকল পেয়েছি। এলিমেন্টারী পার্টিকলগুলোও ভেংগে যাচ্ছি। এককালে রন্জন রশ্মি দিয়ে যে কাজ করতাম, এখন লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের টৃলিয়ন ডলার দামী পার্টিকল স্ম্যাশার ব্যবহার করি।

বর্তমানের সিস্টেম ভিন্ন নি:সন্দেহে। আজ আমাদের প্রফেট কিংবা পৃস্ট নেই। তার বদলে আছেন হিরো-রা। এখন আর প্রভাবশালীদের নিছক মৌখিক দাবীতে কাজ হয় না। যতবড় সফল গবেষক হোক না কেন, তত্ব উপস্থাপন করলে তার প্রমাণও দিতে হবে। প্রমাণ নাই তো হাইপোথিসিসের গন্তব্য ডাস্টবীন। নিউটন, আইনস্টাইনও অনেক ভুল করে গিয়েছেন, অনেক হাইপোথিসিস ভ্রান্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা আর বিনাবাক্যব্যয়ে এদের কথা মেনে নেই না। এরা প্রফেট নন, তাঁরা আমাদের হিরো।

হাজার বছর অপেক্ষা করতে হবে না অবশ্য। ২৩১২ সালের আমাদের ৫/৬ প্রজন্ম পরবর্তী বংশধরেরাই আমাদেরকে ব্যাকওয়ার্ডস, আনডেভেলপড বলে গণ্য করবে।  big_smile

তবে সামনে অনেক এক্সাইটিং জিনিস অপেক্ষা করছে। আমাদের কসমোলজীও আরে রেভুলু্শনের অপেক্ষায় দিন গুণছে। আমরা ১৩.৭ বিলিয়ন বছর পুরণো বিগব্যাং-এর সন্ধান লাভ করেছি, পৃ-বিগব্যাং ইভেন্ট নিয়েও মাথা ঘামাচ্ছি। এই ইউনিভার্স বাদে আরো ইনফিনিট মাল্টিভার্সেরও সন্ধান পেয়েছি।

তবে.... এতদিন পর্যন্ত যা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম তা হলো "দ্যা ফোর পার্সেন্ট ইউনিভার্স"। এই ৪% দৃশ্যমান, এক্সপেরিমেন্টে সাড়া দেয়া মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করে আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। তবে, বাকী ৯৬% ইনভিজিবল, নন-রিয়েকটিভ ইউনিভার্স নিয়ে আমরা আক্ষরিক অর্থেই অন্ধকারে। ডার্ক এনার্জী, ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক ফ্লো - আমরা এমনকি কল্পনা পর্যন্ত করতে পারছি না এই ডার্ক হোয়াটেভারগুলো কেমন হতে পারে  hairpull

সহমত। বর্তমানে আমরা যেটাকে স্ট্যান্ডার্ড মডেল বলে ধরে নিচ্ছি, ভবিষ্যৎে হয়তো তা আপ-সাইড ডাউন হয়ে যেতে পারে। তা হোক, মানব সভ্যতা রেভুলুশন দিয়েই লীপফ্রগ করে, এভুলুশন তেমন কাজের না।  wink

শুভ১৭১ লিখেছেন:

মহাবিশ্বের ছবি তোলার টেকনোলজীও পাল্টে যেতে পারে। বর্তমানে সম্ভবত আলোর বিভিন্ন বর্নালী (স্পেকট্রাম) বিশ্লেষন করে, এই ছবি গুলো পড়ে কম্পিউটারে তৈরী করা হয় (ভুল হতে পারে, আমার)। ভবিষ্যতে নতুন কোন প্রযুক্তিতে আমরা হয়ত অন্য কিছু দেখব।

বর্তমান স্পেস টেলিস্কোপগুলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেক্ট্রামের মেজর অংশ ক্যাপচার করতে সক্ষম। গামা রে, এক্স-রে, আল্ট্রাভায়োলেট, ইনফ্রারেড, মাইক্রোওয়েভ, রেডিও এবং মানুষের দৃশ্যমান ভিজিবল অপটিকাল স্পেকট্রাম এখন ক্যাপচার করতে সক্ষম। এখানে ক্যাটাগরিকাল লিস্ট দেয়া আছে।

আমাদের বর্তমান ইমেজগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশের ক্রেডিট হাবল স্পেস টেলিস্কোপকে দিতে হবে। হাবলের পরে যে উত্তরসূরী আসছে (সম্ভবত: ২০১৮ সালের দিকে ছাড়বে... assuming we survive past this year 2012  tongue ) সে কয়েকগুণ বেশি ক্ষমতাশালী। hst বনাম jwst-র পার্থক্য এখানে (টেক্সট) পাবেন।

হাবল আর ওয়েব টেলিস্কপের ইমেজের মধ্যে পার্থক্য:
http://i.imgur.com/3AVT4.jpg
jwst-র ফুল স্কেল মডেল:
http://i.imgur.com/wqbG1.jpg

Calm... like a bomb.

১৭

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

invarbrass লিখেছেন:

হাবল আর ওয়েব টেলিস্কপের ইমেজের মধ্যে পার্থক্য:

দেখে তো মনে হচ্ছে অনেক বড় ধরনের আপডেট পাব  thumbs_up

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

cosmology ki??????

১৯

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

মিশরিয় কসমস অশ্লীল  love
আর চৌকির তলা খারাপ  angry

২০

Re: (সচিত্র) যুগে যুগে কসমোলজী

sad sad sad sad আবারো জানলাম, আমি কিছুই জানি না। কতো কী জানার আছে! কবে জানবো এ’সব!!!