টপিকঃ বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

ফোরামে জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্বদের নাম উল্লেখ করো নামে যদি ৫ মার্কের প্রশ্ন করা হয়, নিঃসন্দেহে সেখানে আসবে ইলিয়াস আহমেদ এর নাম। বন্ধুবাৎসল, হাস্যোজ্জল এবং মিশুক এই মানুষটি ফোরামের প্রাণগুলোর একটি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই আছেন। সম্প্রতি গিয়েছিলাম তার সাথে দেখা করতে, তার নিজের এলাকাতে।

ইলিয়াস ভাইয়ের সাথে এটিই আমার প্রথম দেখা নয়, এর আগেও দেখা হয়েছে ঢাকাতে। একবার লিনাক্স সেটাপ করবার জন্য তার কেসিং নিয়ে এসেছিলেন, তার পরে সম্ভবত দেখা হয় প্রজন্মের গেটটুগেদার প্রোগ্রামে। প্রতিবারই বলেন তার এলাকাতে বেড়াতে যাওয়ার কথা। না না কারনে সেটা হয়ে উঠছিল না কিছুতেই। এবার প্রায় জিদ করেই ঠিক করা হলো যাওয়া হবে। প্রস্তাব দেয়া হলো একে একে  বাবর, আশিফ, ইমরান তুষার, বেঙ্গলবয়, ফারহান কে। কিন্তু ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত কোয়ালিফাই করতে পারলো কেবল আশিফ এবং ফারহান। রাজু ভাই এবং ভাবী আগ্রহী থাকলেও ইনজুরির কারনে এবং গেলে প্রজন্মের সবাইকে নিয়েই যাবে প্রত্যয়ের কারনে যোগদান হলো না।

কিভাবে যেতে হবে আগেই জেনে নেয়া হয়েছিল। ঠিক করা হলো ভোর ৭টায় বাসা থেকে বের হবো। কিন্তু সারারাত আমি কাটালাম রেইলস নিয়ে, আশিফ কাটালো তার কাজ নিয়ে। ভোরে আশিফ ৭টায় উঠতে পারলেও আমি অঘোরে ঘুমালাম। দেরী হলো আধাঘন্টা। সাড়ে ৭টায় আমি উঠে রেডি হওয়ার পর দেখা গেল আশিফ ভাই রেডি হতে হতে আবার আধাঘন্টা লেট। তাড়াহুড়ো করে নীচে নামলাম, আগে নাস্তা করতে হবে। ১০ মিনিটে নাস্তা শেষ করে সুপ্রভাত ধরলাম। বসুন্ধরা থেকে মাত্র ৪৩ মিনিটে চলে গেলাম গোলাপশাহ'র মাজার। বাসে উঠার আগেই অবশ্য ফারহান কে বলা হয়েছিল বের হওয়ার জন্য কিন্তু ফারহানকে আর দেখা গেল না এখানে। ফোন করে জানা গেল সে বের হচ্ছে তখন। ভাবলাম বাস খুঁজে বের করি এর মধ্যে। বাস বের করে বসে রইলাম, প্রায় ঘন্টা খানেক দেরীতে হাজির হলো ফারহান। দেরী করার কারনে সীট পেলাম একদম পিছনে। রাতে ঘুম হয় নি, আমি বাসে উঠেই কানে হেডফোন দিয়ে ঘুম, বাকি দুজন পটর পটর করতে লাগলো। ঘুমটা ভেঙে গেল বুড়িগঙ্গা পার হওয়ার পরেই অবশ্য, চাইলেও আর ঘুমানো যাচ্ছিল না, ঢাকার ঠিক পর পরই এত সুন্দর জায়গা আর রাস্তা দেখে চোখ বন্ধ করতে পারছিলাম না, আর চোখ বন্ধ না করে ঘুমানোর অভ্যেসও আমার নেই। বাধ্য হয়ে ঘুম বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক নৈসর্গের দিকে মনোনিবেশ করলাম। প্রায় আধাঘন্টা চলার পর বাস হাইওয়ে ছেড়ে ছোট সড়কে ঢুকলো। এবং সাথে সাথে টের পেলাম বাসা থেকে হেলমেট নিয়ে আসা উচিত ছিল। যথেষ্ঠই বিপদজনক রাস্তা, মূলত সরু রাস্তা হলে যে সমস্যাটা হয়।

অবশেষে বাস জার্নি শেষ হলো চৌরাস্তায় এসে। সেখান থেকে রিকশা নিয়ে হাজির হলাম তালতলা বাজার। সেখানে আরেকজনকে জিগেষ করা হলো ইলিয়াস ভাইয়ের দোকান কোথায়, ডিরেকশন নিয়ে একটু আগাতেই দেখা গেল ইলিয়াস ভাই রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে আছেন আমাদের জন্য। বসলাম তার দোকানে। ছোটখাট দোকান। বছরখানেক আগে তার দোকান চুরি হয়ে যাওয়ার পরে বড় দোকান ছেড়ে একটু ছোট দোকান নিয়েছেন। আমরা সেখানে বসেই দিনের প্রথম চা খেলাম। যাওয়ার সময় ইলিয়াস ভাই বলেছিলেন উইন্ডোজ সেভেন নিয়ে যাওয়ার জন্য। উনি বললেন লিনাক্স মিন্ট বাদ দিয়ে সেভেন সেটাপ করে দেয়ার জন্য। যেহেতু তার মিন্ট দিয়ে তিনি তেমন কিছু করতে পারছেন না ব্যাবসার কাজ। অতঃপর আমি বসলাম উইন্ডোজ সেটাপ করতে, এই ফাঁকে আশিফ আর ফারহান গেল ঘুরে বেড়াতে।

সেটাপ যখন শেষ তখন বাজে ২টার মত, সবারই খিদে লেগে গেছে। আশিফ, ফারহান কে ডাকা হলো, এবার রওনা দিলাম ইলিয়াস ভাইয়ের বাসার পথে। অনেক দীর্ঘ পথ, অন্তত যারা শহুরে মানুষ, তাদের জন্য। আমার প্রতিদিনই এরকম হাটতে হয়, কাজেই আমার গায়ে লাগলো না। নদীর পাশ দিয়ে মেঠো পথ। একটা নয়, পাশাপাশি ২টা নদী। গ্রামের ছেলেপিলে অবাক হয়ে দেখছে আমাদের। আমি নিজের গ্রামেও এভাবেই ঘুরি, কেউ এত অবাক হয় না, কি বিষয় ভাবতে ভাবতে খানিক্ষন পর ফারহান আবিস্কার করলো, তাদের মূল আকর্ষন আমরা নই, আশিফ একাই লাইম লাইটে। তার লালটুশ মার্কা সোয়েটার আর ঝাকড়া  চুল ছেলেপিলেদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। এক ছেলেকে শুনলাম বলেই ফেললো "লাসিথ মালিঙ্গা"। ফারহান তো সেই নিয়ে হাসাহাসি খুব। আমরা মজা করছি আর হাটছি।  হাটতে হাটতে হঠাৎ সামনে দেখা গেল ইলিয়াস ভাইয়ের বিখ্যাত সেই সাঁকো। সাঁকো পার হয়েই ইলিয়াস ভাইয়ের বাসা। গিয়ে হাতমুখ ধুতে ধুতে খাবার দাবার হাজির। ফ্রাইডে স্পেশাল হিসেবে পেলাম খিচুড়ী, আর বেড়াতে যাওয়ার হিসেবে পেলাম মুরগী + গরুর মাংশ। কথাপ্রসঙ্গে জানা গেল আমার যে খিচুড়ী ভয়ানক পছন্দ এইটা ইলিয়াস ভাই জানেন। যাইহোক, খাওয়া দাওয়া শেষ করার পর কোক আসলো। এইবার বাধলো বিপত্তি। আমি কোন রাখঢাকে ছিলাম না, যতক্ষন খেতে পেরেছি খেয়েছি, খাওয়া শেষ করে খেয়েছি আরো ২ গ্লাস পানি। এখন কোক খাওয়ার জায়গা নেই। বহু কষ্টে হাফ গ্লাস খেয়ে চুপ করে বসে রইলাম। অবশ্য আধাঘন্টা গ্যাপ দিয়ে আমি আবারো আরেক প্লেট খিচুড়ী খেতে পারতাম মনে হয়। আমার খাবার ধরন ওরকমই। যাহোক, খাবারের বর্ননা না দেই আর।


আবার বের হলাম বাজারের উদ্দেশ্যে, একটু ভিন্ন পথে। দোকানে গিয়ে এবার আশিফ বসলো ইলিয়াস ভাইয়ের সাথে, তার কিছু জিনিস নিয়ে সাহায্য করতে। আর আমি ফারহানকে গাইড বানিয়ে বের হলাম এলাকা ঘুরে দেখতে। দোকান থেকে একটু এগিয়েই নদী, সে নদীতে এখন পানি প্রায় নেই। ওপারেই বিশাল চর। নদী একেবেঁকে সেই চরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে অনেকদূর। খানিক্ষন ঘোরার পর ফারহান বলে বসলো চলেন ভাই নৌকায় ঘুরে আসি। আমাদের দোকানে ফেরার কথা ৬টার মধ্যে, সাড়ে ৬টার পর আর বাস পাওয়া যায় না। তখন বাজে সাড়ে ৪টার মত। ভাবলাম অনেক সময় আছে, ঘুরে আসা যাক। উঠে বসলাম ট্রলারে। খানিক্ষনের মধ্যে ছেড়ে দিলো। ট্রলার যাচ্ছে তো যাচ্ছেই। যখন একদম শেষ জায়গায় থামলো তখন অন্ধকার নামছে। তখন সোয়া ৫টার মত বাজে। হঠাৎ শুনি এখান থেকে কোন ট্রলার/নৌকা ফেরত যাবে না আজকে আর। শুক্রবার বলে এই বিশেষ পরিস্থিতি। পড়লাম বিশাল বিপদে। ফেরার একটা না একটা রাস্তা হতোই, কিন্তু অচেনা এলাকা, লোকজন সম্পর্কে আইডিয়া নেই। বিপদ ঘটতেই পারে। ঠান্ড মাথায় যার ট্রলারে এসেছি তাকে জিগেষ করলাম রিজার্ভ হিসেবে যাবে কিনা। প্রথমে রাজী হলো না, সারাদিন ট্রলার চালিয়ে ক্লান্ত সে, গোসলও দেয় নি।  পরে বললো রিজার্ভ গেলে এমনিতে ২০০/৩০০ টাকা লাগে। আমি আর ফারহান মুখ চাওয়াচাওয়ি করছি। ফারহান বললো আগে চলেন ফিরি। তারপরে যা হবার হবে। ট্রলার আমাদের নিয়ে রওনা দিলো।

সেই লোকটি আমাদের ঠিক যেখান থেকে রওনা দিয়েছিলাম সেখানে নামিয়ে দিয়ে গেল, নামার সময় বললো, "ভাই আমি তো জানি না যে আপনারা আবার ফিরবেন, তাহলে নৌকায় উঠতেই বলতাম না, শুক্রবার বলে বিকেলের পর এমনিতেই ট্রলার আর চলে না। এলাকা অন্ধকারের পর আসলে সুবিধার না, হাটা পথে ফিরতে গেলে কোথায় কি হয়, তাই দিয়ে গেলাম।  লোকটাকে ভাবলাম দেড়শো টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু আমাকে হতবাক করে দিয়ে মাত্র ৫০ টাকা রেখে বাকি টাকা ফেরত দিয়ে দিলো। আমি পুরো অবাক হয়ে গেলাম। শেষে তার হাতে প্রায় জোড় করে আরো ২০ টাকা গুজে দিয়ে ফেরত আসলাম, সোয়া ৬টা বাজে, সাড়ে ৬টার মধ্যে বাস ধরতে হবে, দ্রুত বিদায় নিলাম ইলিয়াস ভাইয়ের কাছে, রিকশা নিয়ে আবার চৌরাস্তায় অতঃপর বাসের জন্য অপেক্ষা। হঠাৎ মনে হলো, লোকটার নামটা জিগেষ করা উচিত ছিল। নামটা জিগেষ করা হলো না।

বাস পেলাম শেষমেষ, না পাওয়া গেলে অবশ্য ইলিয়াস ভাইকেই রাতে জ্বালানোর প্লান ফিক্স হয়ে গেছিল আসলে। কিন্তু বাসে বসার জায়গা পেলাম না। দাড়িয়েই রওনা দিলাম। বিপত্তি বাধলো অন্য জায়গায়, আশিফ, ফারহান দুইজনেই ক্লান্ত। এরা দাড়িয়ে দাড়িয়েই ঘুমাতে শুরু করেছে। শেষ মেষ অনেকদূর আসার পর একটা সিট খালি হলো। ঘুমের মাত্রা অনুমান করে প্রথমে আশিফকে পাঠানো হলো সেই সিটে। আশিফ বসেই ঘুম। ছোটখাট একটা ঘুম দিয়ে উঠার পর ফারহান। সেও ঘুম সাথে সাথে। আমি কানে হেডফোন লাগিয়ে দাড়িয়েই আছি। শেষমেষ যখন আমার পালা আসলে দেখা গেলো আর ১৫/২০ মিনিট বাকি আছে পথ। আমি আর বসলাম না। গুলিস্তান নেমে ৩জন মিলে আজিমপুর রিকশা করে, আমি আর আশিফ অবশ্য সরাসরি ওখান থেকেই বাস ধরতে পারতাম, কিন্তু ফারহান মনে হয় একা একা যেতে ভয় পাচ্ছিল। দায়িত্ববান হিসেবে তাকে আজিমপুর পর্যন্ত পৌছে দিলাম আমি আর আশিফ, তারপর ফাল্গুন ধরে বাসায় সোজা। ভালই কেটেছে সারাদিন। তবে একদিনে পুরোটা ঘুরে শেষ করা যায় না আসলে। গ্রাম এলাকা ঘুরে দেখতে হলে টো টো করে ঘুরতে হয়, সেই সময় আর পাওয়া গেল না। আবার যাবো হয়তো।

পরিশিষ্ট: কিছু ছবি তুলেছিলাম বটে, তবে আফসোস সেই ছবিগুলোর মধ্যে ইলিয়াস ভাইয়ের ছবিই তোলা হয় নি। উনি একটু শুকিয়ে গেছেন, চেহারাতেও একটা ছাপ আছে। যেকিছু ছবি তুলেছিলাম, তার কিছু শেয়ার করে দিচ্ছি, অবশ্য ফেসবুকে গতকালই দিয়েছিলাম।

ক) গুলিস্তানে ফারহানের জন্য অপেক্ষা, দিনকানা আশিফ রোদ থেকে বাঁচতে চোখে চশমা লাগিয়ে রেখেছে।
https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn1/149177_4440836292926_1527397551_n.jpg

খ) ইলিয়াস ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার আগে সেই সাঁকো। সাঁকো পার হয়ে হাতের ডানে একটু আগালেই ইলিয়াস ভাইয়ের বাড়ি।
https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc6/8764_4440839653010_1255648345_n.jpg

গ) আমাদের ফারহান ভাই, বেচারা সারাদিন ফোন নিয়ে ব্যাতিব্যাস্ত, একটু পর পর ফোন, "কই তুমি বাপধন! ? "
https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn1/156773_4440842653085_1685320722_n.jpg

ঘ) আমরা ছবি তুলছি এই ছেলে সেটা দেখে বিশাল আগ্রহে এগিয়ে এলো। ফ্রেমবন্দী করলাম তাকেও। যা বাবা, খুশি হ।
https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn1/18107_4440845533157_582521077_n.jpg

ঙ) ট্রলারে উঠে বসে ছিলাম আমি আর ফারহান, ভাবলাম পার্ট নেয়া ফটো তুলি। ছবিতে ফারহান:
https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn1/18117_4440849533257_2022241849_n.jpg

চ) জ্বী, মনে করতেই পারেন যে এটা আমার ছবি, ফেসবুকেও এটিই প্রোফাইল পিকচার হিসেবে লাগিয়ে দিয়েছি, কিন্তু এটি আসলে আমি নই, যাওয়ার সময় যে লোকটি ট্রলার চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তার ছবি। তবে ইনিই সেই মহানুভব লোক নন।
https://fbcdn-sphotos-g-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/382128_4440848933242_298401829_n.jpg

ছ) অনেক আগে বিটিভিতে কৃষি বিষয়ক একটা অনুষ্ঠানে এই রকম জাল দেখা যেত। রিসেন্টলি যে খুব দেখেছি তাও নয়। এখানে দেখা গেল কিছুদূর পর পর এরকম আছে।
https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/319076_4440850773288_1658815865_n.jpg

জ) কাঁশফুল। বাসে যেতে যেতে কাঁশফুল দেখে ইচ্ছে হয়েছিল ছবি তুলি, কিন্তু বাসের পিছনে বসে সম্ভব ছিল না। নদীর পাড়ে আবারো দেখে মিস করলাম না।
https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn1/20206_4440852013319_1456236194_n.jpg


সমাপ্তি।

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

সুন্দর ছবি.. মজা পেলাম আপনার সাবলীল বর্ণনা পড়ে  smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

পড়লাম smile ভাল লাগল আপনাদের যাত্রা কাহিনী শুনে। একবার যাব ভাইজানের বাড়ি বেচে থাকলে smile

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

সৈয়দ মুজতবা আলী আপ্নার লেখাটা পড়লে আমাদের জন্য পরজনমে বসেও আফসোস করতেন এই ভেবে, যে উনি কেন কোন ফটো আপলোড দেন নি। লেখাটা ভাল লাগছে, সাথে ফটোগুলাও, বিশেষভাবে পিচ্চি পুলাডারে clap

মানুষ বইলা কিছু আছে নাকি, সব উদ্ভট কল্পনা।

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

ছবি অতি চমৎকার হয়েছে।
লেখা পুরটা পড়ি নি,
ইলিয়াস ভাই এর বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে খুব, হুট করে এক দিন হানা দিতে পারি  big_smile

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

এক ছেলেকে শুনলাম বলেই ফেললো "লাসিথ মালিঙ্গা"।

lol2 lol2 lol2  lol lol lol  (আসিফ ভাইকে দেখতেও অনেক সুন্দর লাগছিলো  love )

ধন্যবাদ মেহেদী ভাইকে সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী লিখার জন্য।

বিক্রমপুর গেলে ইলিয়াস ভাইয়ার সাথে দেখা করার ইচ্ছা আছে।  smile

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

বিশাল টপিক ! তবে বর্ণনা সাবলিল । smile
যে এলাকাতে গিয়েছিলেন সেখানে যাওয়ার আগে মানে ট্রলারে উঠার আগে আমাকে আপনার জানানো উচিৎ ছিল। ঐ এলাকার নাম (যাবার পথে বাম পাশে) লাল মিয়ার চর এবং (ডান পাশে মদিনা বাজার)। রাতের অন্ধকারে এলাকাটা খুবই ঝুঁকিপুর্ণ । sad   (এ এলাকাটা বিক্রমপুরের বাইরে) লাল মিয়ার চর হতে আমাদের অন্যতম এডমিন স্বপ্নচারী ভাইয়ের বাড়ি খুব কাছেই, খুব সম্ভবত আড়াই/তিন কিলোমিটারের পথ হবে।

যাহোক, আল্লাহর কাছে শোকরিয়া কোন বিপদে পড়েননি।  smile

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

আশিফ শাহোর প্রথম ছবিটা দেখে মনে হচ্ছে যে, সে তার ডান হাত দিয়ে একটা কাটা পা ধরে আছে। যদিও আসলে সেটা পিছনে বসে থাকা মানুষটির পা lol লেখা ভালো হয়েছে। থাম্বস আপ thumbs_up

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

আশিফ ভাই দেখি খালেদা ম্যাডামের চশমা পরে!  isee isee

১০

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

আশিফ শাহোর প্রথম ছবিটা দেখে মনে হচ্ছে যে, সে তার ডান হাত দিয়ে একটা কাটা পা ধরে আছে।

hasan19 লিখেছেন:

আশিফ ভাই দেখি খালেদা ম্যাডামের চশমা পরে!

পোলার বিয়ার বয়স হইছে।

এনিওয়ে, ভাবীর হাতের রান্না এখনো মনে পড়ে। কবে যে আবার ভাইয়ের বাড়ি যাবো।  cry

....

১১

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

মজা পেলাম আপনার সাবলীল বর্ণনা পড়ে। সাথে সুন্দর ছবির জন্য ধন্যবাদ।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

অনেক ভাল লাগল smile আমারে বলতা টম জেরী নিয়া আইস্যা পড়তাম

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৩

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

ভালো লাগলো। বড় টপিক হলেও এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেললাম।  clap
এটার ১ম পর্ব আছে নাকি?

Calm... like a bomb.

১৪

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

সকলকে ধন্যবাদ, এত বড় টপিক পড়ার জন্য কিংবা পড়ার দুঃসাহস দেখানোর জন্য। ছোট করে লিখতে চাইলেও কিভাবে যেন বড় হয়ে যায়, আমি কখনোই বিষয়টাকে সামলাতে পারি না।

invarbrass লিখেছেন:

এটার ১ম পর্ব আছে নাকি?


প্রথম পর্বে "বাউন্ডুলে" বলা নেই, অতএব সরাসরি নেই, তবে পর্ব ১ যদি হিসেব করতে হয়, তাহলে সম্ভবত "ডানপিটেদের স্বর্গযাত্রা" টপিকটাকে ধরা যাবে, স্বর্গযাত্রাটাকে বিবেচনায় রেখে। smile

১৫

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

মেহেদী ভাই প্রথম পর্বের ছবিগুলো গায়েব  hmm আমার এলাকার ছবিগুলা দেখতে মুনচায়

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

কিন্তু ফারহান মনে হয় একা একা যেতে ভয় পাচ্ছিল। দায়িত্ববান হিসেবে তাকে আজিমপুর পর্যন্ত পৌছে দিলাম আমি

জ্বে না ভাইচাপ tongue আমি আপনাদের আজিমপুর নিয়ে গেছি যেন বাস পান সহজে tongue

মেহেদী৮৩ লিখেছেন:

ইলিয়াস ভাইয়ের ছবিই তোলা হয় নি

আপনার নিজের ও ছবি দেন নাই, যদিও আমি তুলে দিছি । সিজ্ঞিরি পোস্ট মারেন tongue

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

ফারহান খান লিখেছেন:

আমি আপনাদের আজিমপুর নিয়ে গেছি যেন বাস পান সহজে


আমার বাস তো যেখানে নামলাম সেখান থেকেই ছাড়ে।  tongue বরং আরো কাছে হয় ইনফ্যাক্ট

১৮

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী।
ফেরার পথে সবাই এত ক্লান্ত হয়ে পড়ল! ইয়াং ছেলেপুলের এত জলদি কাহিল হয়ে গেলে কি চলে;
বেশী করে খাওয়া দাওয়া করা উচিত।

বেদনাদায়ি, তবুও দিনান্তে যে তোমায় ভালবাসি!

১৯

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

আমারো যেতে ইচ্ছা করছে

২০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফ দি বস ৭ (২৬-১১-২০১২ ২২:৪৫)

Re: বাউন্ডেলেদের স্বর্গযাত্রা -২

ইলিয়াস ভাইয়ের কোন ছবি নাই ক্যা? sad খেলুম না!  sad

সত্যিই প্রজন্মের কল্যাণে ফোরামিকদের সাথে ফোরামিকরা যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তা কখনো ছিন্ন হবার নয়!  thumbs_up thumbs_up

জয়তু প্রজন্ম!  thumbs_up

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD