২১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (২৪-১১-২০১২ ১৯:৫৬)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

ও... ঐটাতো লিখছে ফারাবী ব্লগার। উনাকে কোট করুন সাইফুল বিডি ভাই।  tongue

২২

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

আরে কি যে কন না ! ফারাবী নামে কোট করলে সবাই তো তারে খুজব পরে আমারে আবার ...দিতে পারে ...

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

২৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (২৪-১১-২০১২ ২০:০২)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

invarbrass লিখেছেন:

@ডেডলক: সুরাটি পড়লাম।

আমিও মাত্র ১০ মিনিট আগে পড়লাম

সূরা আল জ্বীনের বাংলা অর্থ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

    ১. বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি।
    ২. যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না।
    ৩. এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।
    ৪. আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা আল্লাহ্ তা'আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত।
    ৫. অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও আল্লাহ্ সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না।
    ৬. অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্মম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
    ৭. তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর আল্লাহ্ তা'আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
    ৮. আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করেছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ।
    ৯. আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে।
    ১০. আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন।
    ১১. আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত।
    ১২. আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা পৃথিবীতে আল্লাহ তা'আলাকে পরাস্ত করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে অপারক করতে পারব না।
    ১৩. আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে লোকসান ও জোর-জবরের আশংকা করে না।
    ১৪. আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে।
    ১৫. আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
    ১৬. আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে, তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম
    ১৭. যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন। :১৮. এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ আল্লাহ্ তা'আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা আল্লাহ্ তা'আলার সাথে কাউকে ডেকো না।
    ১৯. আর যখন আল্লাহ্ তা'আলার বান্দা তাঁকে ডাকার জন্য দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন তার কাছে ভিড় জমাল।
    ২০. বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
    ২১. বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।
    ২২. বলুনঃ আল্লাহ্ তা'আলার কবল থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না।
    ২৩. কিন্তু আল্লাহ্ তা'আলার বাণী পৌঁছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
    ২৪. এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
    ২৫. বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন।
    ২৬. তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
    ২৭. তাঁর মনোনীত রসুল ব্যতীত। তখন তিনি তাঁর অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেন।
    ২৮. যাতে আল্লাহ্ তা'আলা জেনে নেন যে, রসুলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম পৌঁছিয়েছেন কি না। রসুলগণের কাছে যা আছে, তা তাঁর জ্ঞান-গোচর। তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন।
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86% … F%E0%A6%A8

invarbrass লিখেছেন:

ইনটার-গ্যালাক্টিক এসপিওনাজের ব্যাপারখানাও মাথার উপরে দিয়া গেলো.... আকাশের খবর জানতে জিনরা কি ধরণের রিসিভার ব্যবহার করতো যে সামান্য উল্কার কারণে সিস্টেমে গোলযোগ হয়? ঐ জমানায় মারফী কোম্পানীর রেডিও থাকলে মনে হয় এই গ্যান্জাম হতো না

আমি তো আগে শুনে ছিলাম বদ জ্বীনেরা আকাশ হতে ভবিষ্যত বাণী বা বিশেষ কিছু জানতে গেলে তাদের ফেরেস্তারা তাদের বিনাশ করে দিত।  এবং উল্কা রুপে সেটা দুনিয়াতে পতিত হতো।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

২৪

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।

আচ্ছা এখানে স্বামীর কথা এলো না কেন ?  lol2

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

আমি তো আগে শুনে ছিলাম বদ জ্বীনেরা আকাশ হতে ভবিষ্যত বাণী বা বিশেষ কিছু জানতে গেলে তাদের ফেরেস্তারা তাদের বিনাশ করে দিত।  এবং উল্কা রুপে সেটা দুনিয়াতে পতিত হতো।

হা হা এখানেইতো মজা। আদি পাপ কি ? জ্ঞানার্জনের চেষ্টা ?  hmm আদি জ্ঞান ছিল আপেল যা খেতে গিয়ে আদি পাপের জন্ম দেন হাওয়া। যথারীতি বেহেস্ত হতে অধ:পতিত হয়ে পৃথিবীতে আগমন। আদি পাপটা পুরুষ কেন করল না ? কেনই বা আদমের পাজর থেকে হাওয়ার সৃষ্টি ?  hehe

hit like thunder and disappear like smoke

২৫

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

যেভাবে জিন নিয়ে মাতামাতি শুরু হইছে,সেই দিন বেশি দুরে নেই, যেদিন প্রজন্মে  আইডি খুলবে জ্বীনেরা।

শুধু জীবিত নয়,বেচেও থাকতে চাই…

২৬

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

শুভ. লিখেছেন:

যেদিন প্রজন্মে  আইডি খুলবে জ্বীনেরা

এতোটা না হলেও হয়তো কেউ "আমি জ্বীন" টাইপের আইডি খোলার আইডিয়া পেয়ে যাবেন বা গেছেন।

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

২৭

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

হৃদয় লিখেছেন:

এতোটা না হলেও হয়তো কেউ "আমি জ্বীন" টাইপের আইডি খোলার আইডিয়া পেয়ে যাবেন বা গেছেন।

ভুত নামে একটা আইডি আছে।

২৮

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

@m0N লিখেছেন:
দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।

আচ্ছা এখানে স্বামীর কথা এলো না কেন ?  lol2

বুলস আই!  big_smile

"পত্নী" ও "সন্তান":
প্রাচীন প্যাগান আরবের মুনগড (যুইন) ছিলেন পুং লিংগের। বিষয়টি কিন্চিৎ কৌতূহলজনক কারণ অন্যান্য এ্যানসিয়েন্ট নিয়ার ঈস্টার্ণ সভ্যতাগুলোতে ছিলো উল্টোটা: সানগড = মেইল, মূনগডেস = ফিমেল। প্যাগান আরবরা বিশ্বাস করতো সানগডেসের সাথে মুনগডের বিয়ে হয়েছে। এদের ৩ কন্যাও ছিলো - লাত, উজ্জাহ এবং মানাত। কারো কারো মতে এই ৩ কন্যা রাতের আকাশের বিভিন্ন  গ্রহ/নক্ষত্রকে নির্দেশ করতো। মতান্তরে এই ৩ কন্যা আসলে জ্বিন ছিলো। যাই হোক, প্যাগানদের কাছে প্রথম ২ কণ্যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। আরবরা মুনগডের কৃপা লাভ করার জন্য এদের দারস্থ হতো।

ইসলামিক মনোথিইজম আবির্ভাবের পর সকল ডেমিগডেসদের বাস্তূহারা করা হয়।

ডিভাইন ফ্যামিলিতে মনোথিইজমের হামলা অবশ্য এটাই প্রথম নয়। প্রাচীন ইসরায়লেও ছিলো ইয়াওয়ে-র "স্ত্রী"। ইহুদীদের উপাসিত ঈশ্বর ইয়াহওয়েহ/জীহোভার স্ত্রী ছিলেন "আশেরাহ"। আশেরাহ নিজেও দেবী ছিলেন (সম্ভবত: ফার্টিলিটি গডেস)। পরবর্তীকালের ইহুদী ধর্মগুরুরা আশেরাহ-র উপাসনা নিষিদ্ধ করেন এবং তার নাম-নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। এই কর্মে তারা বেশ সফলই হয়েছেন বলতে হবে.... এতদিন পর্যন্ত আশেরাহ অজানা ছিলেন। বিগত ৫০-এর দশক থেকে ইসরাইলী আর্কিওলজিস্টরা খোঁড়াখুঁড়ি চালাতে শুরু করলে আশেরাহ পুনরুদ্ঘাটিত হয়। কট্টর ঈহুদী, যিওনিস্টদের জন্য আশেরাহ অত্যন্ত অস্বস্তিকর।

অনেক খৃস্টান গ্রুপ বিশ্বাস করে যীশুর বিবাহিতা স্ত্রী ছিলেন ম্যারী ম্যাগদালেন। তারা ম্যারী-র উপাসনাও করে। যীশু হতে ম্যারী ম্যাগদালেনকে দূর করার জন্য রোমান ক্যাথোলিক চার্চ যা যা করেছে তা বর্ণনা করতে গেলে সম্ভবত: আরেক জীটিভি মেগা সিরিয়াল হয়ে যাবে!  roll

অবশ্য... "ইয়েশুয়া অব নাযারেথ" নামে আদৌ রক্তমাংসের ব্যক্তি বাস্তবে ছিলো কিনা তা নিয়ে বিতর্ক আছে। (ইয়েশুরা = আরামাইক ভাষায় যীশুর অরিজিনাল নাম)। যীশুর ব্যাপারে তাঁর সমসাময়িক কোনো ইনডিপেনডেন্ট (অ-খ্রিস্টান) রেফারেন্স পাওয়া যায় নি। তাঁর সম্পর্কিত সকল লিখিত রেফারেন্স এসেছে যীশুর কথিত অন্তর্ধানের কয়েক শতাব্দী পরে - এবং সেগুলো লিখেছেন যীশুর অনুসারীরা। ইন ফ্যাক্ট, তাঁর ক্রুসিফিকশন ঠিক কত সালে হয়েছিলো সেটাও বাইবেলবিদরা নিশ্চিৎ করে বলতে পারেন না। হতে পারে যীশু নামে একজন ধর্ম শিক্ষক বাস্তবেই ছিলেন এবং তাঁকে সমসাময়িক ইহুদীরা ফাঁসিয়ে দেয়। ধারণা করা হয় পারস্যের ঈশ্বর মিথরা, মিশরের সানগড হোরাস এবং প্যাগান রোমান প্যান্থিয়নের অন্যান্য গড মীথগুলোকে একত্র করে "জিসাস - গড দ্যা সান" একটি পার্ট ম্যান, পার্ট মীথ গঠন করা হয়। আগ্রহীরা Jesus mysteries দিয়ে গুগল করলে প্রচুর ইন্টারেস্টিং তথ্য পাবেন।

এ্যাস্ট্রোলজী বলুন, বা হিন্দুইজম, ইসলাম, কৃস্চিয়ানিজম, শিন্টোইজম যাই বলুন - পৃহিস্টোরিক মানবসভ্যতার আবিষ্কৃত এ্যাস্ট্রাল ধর্মগুলো বিভিন্নরূপে এখনো টিকে আছে। মানবসভ্যতা এখনো পৃথিবীর গন্ডি ছেড়ে বেরুতে পারে নি। দূর ভবিষ্যতে হয়তো মানুষ প্ল্যানেট হপিং রপ্ত করবে, বিভিন্ন গ্রহে বসতি স্থাপন করতে সক্ষম হবে। কে জানে, তখন হয়তো দূরের গ্যালাক্সী/ব্ল্যাকহোল-দের ঘিরে নতুন বিলিফ সিস্টেম চালু হয়ে যাবে  dream

কিছুদিন আগে জিম ক্যাভিয়জেল অভিনীত Outlander (2008) দেখেছিলাম। মজার ছবি (প্লটটি অবশ্য প্রচুর ছিদ্রে ভরপুর)... লৌহ যুগের (৬ষ্ঠ-৭ম শতাব্দী) এক ভাইকিং গ্রামে এসে উপস্থিত হয় ভিনগ্রহ থেকে আগত মানুষ, সাথে করে নিয়ে আসে আরেক ভিনগ্রহের ড্রাগন। "টার্মিনেটর"-এর ভাইকিং এডিশনও বলতে পারেন.. একই কাহিনী, কেবল লোকেশন এবং টাইমিং ভিন্ন।

Calm... like a bomb.

২৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফুল_বিডি (২৫-১১-২০১২ ১১:৩৭)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

@m0N লিখেছেন:
দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই।

আচ্ছা এখানে স্বামীর কথা এলো না কেন ?  lol2

এল না এই কারনে , মানুষ বলাবলি করত মেরি/মারিয়াম ঈশ্বরের/আল্লাহর স্ত্রী আর যিসু/জিসাস/ঈশা ঈশ্বরের/আল্লাহর পুত্র এই কনফিউসন দূর করতে এই আয়াত নাজিল হয়েছে ।

এখানে সূরাটার ব্যাখ্যা আছে , চাইলে পড়ে দেখতে পারেন।

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৩০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (২৫-১১-২০১২ ১২:৩৮)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

ইসলাম ধর্মে শয়তান হলো বদ জ্বীন। খ্রিষ্ট ধর্মেতো জ্বীন কনসেপ্ট নেই তাহলে শয়তান / শ্যাটান খ্রিষ্ট ধর্মমতে কি?

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/9/90/GustaveDoreParadiseLostSatanProfile.jpg/212px-GustaveDoreParadiseLostSatanProfile.jpg

৩১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (২৫-১১-২০১২ ১২:৪১)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

টপিকের শিরনাম পরিবর্তন করলাম।

http://forum.projanmo.com/topic40266.html (গোপু বাহু টপিক)এর ১২ থেকে ২০ নাম্বার পোস্ট এই টপিকে ট্রান্সফার করলে ভালো হতো। ২০ নাম্বার পোস্টে invarbrass কে কিছু প্রশ্ন করতাম কিন্তু অফ-টপিক হবে দেখে সেখানে করতে পারছি না। তাই এখানে করলাম।

invarbrass লিখেছেন:

আগুন তৈরীর জন্য এই ৩টা মালমশলা অবশ্যই প্রয়োজনঃ
১) দাহ্য বস্তু (combustible material – পেট্রলিয়াম, কাঠ ইত্যাদি)
২) অক্সিজেন (পৃথিবীর এ্যাটমোস্ফিয়ারে এই পদার্থটির অভাব নেই)
৩) বাহ্যিক শক্তি (সাধারণতঃ তাপ)

লিস্ট থেকে যেকোনো আইটেম সরিয়ে নিন – no more fire!

আমি যত দূর জানি সূর্য বা অন্য নক্ষত্রে অক্সিজেন নাই তাও এগুলো কিভাবে জ্বলছে ?

invarbrass লিখেছেন:

“গাছ-লাগান-পরিবেশ-বাচান” ওয়ালারাও দাবী করে রেইন ফরেস্ট, ট্রপিকাল/সাবট্রপিকাল ফরেস্ট থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অক্সিজেন সাপ্লাই হয়।

আপনি কি মনে করেন গাছ অক্সিজেন দেয় না ?? (আলাদা টপিকে এর জবাব দিতে পারেন)

invarbrass লিখেছেন:

প্রাণ সৃষ্টি হয়ে অক্সিজেন সাপ্লাই না দিলে জ্বীন প্রজাতীও সৃষ্টির জন্য আগুন পেতো না।

হয়তো মানুষ যেমন সরাসরি মাটির না, তেমনি জ্বীন ও সরাসরি আগুনের না। রুপক অর্থে বুঝানো হয়েছে

invarbrass লিখেছেন:

বর্বর জংলী মুর্তিপূজারক আরবরা জ্বীন ভুত নিয়ে ব্যাপক গো+এষণা বৈগ্যান টৈগ্যান কি কি সব করে ফেলেছিলো

ইসলাম আবির্ভাবের আগে আরবেরা জ্বীন কে বিশ্বাস করতো তার কোন রেফারেন্স দিতে পারবেন ?

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

৩২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফুল_বিডি (২৫-১১-২০১২ ১৩:১২)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

সুরা হিজরের ২৭ আয়াতে পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে যে মানুষ সৃস্টির পুরবে জ্বীনদের সৃষ্টি করা হয়েছে । কুরআন মাজীদের সাতটি স্থানে আদম ও ইবলিসের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। এর সবগুলো স্থানের বর্ণনা থেকে প্রমানিত হয় যে মাউশের সৃষ্টির সময় ইবলিস বর্তমান ছিল। এ ছাড়া সুরা কাহফের ৫০ আয়াতে বলা হয়েছে যে , ইবলিস জিনদেরই একজন।

কিন্তু অন্য অনেক যায়গায় পাওয়া যায় যে , আল্লাহ জ্বীন ধ্বংস করে দেন সেসময় কেবল তার অনুগ্রহে কেবল "ইবলিস" বেচেছিল। যেহেতু মানুষ সৃষ্টির আগে কেবলমাত্র একজন জ্বীন ছিল সেহেতু পৃথিবীতে গাদা গাদা জ্বীন থাকার কোনো কারন নাই। যদি জ্বীন এর ব্যাপারে উপরের কথা সত্য হয় (বিনাশ) তবে সুলাইমান (আঃ) এর জ্বীন নিয়ে প্রচলিত গল্প / কাহিনী মিথ্যা হয়ে যাবে।

http://bd-lion.com/payment_proofs/hin.png
http://bd-lion.com/payment_proofs/jin1.png

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৩৩

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

আমি যত দূর জানি সূর্য বা অন্য নক্ষত্রে অক্সিজেন নাই তাও এগুলো কিভাবে জ্বলছে ?


সূর্যে দাহ্য বস্তু হিসেবে পেট্রোলের জায়গায় রয়েছে হাইড্রোজেন।
আর এটা নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া  hehe

বিস্তারিত উইকি ও এটা দেখতে পারেন।

৩৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৫-১১-২০১২ ১৪:৫৩)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

ইসলাম ধর্মে শয়তান হলো বদ জ্বীন। খ্রিষ্ট ধর্মেতো জ্বীন কনসেপ্ট নেই তাহলে শয়তান / শ্যাটান খ্রিষ্ট ধর্মমতে কি?

ফলেন এ্যানজেল। খৃস্টান ডক্ট্রীনে ৩ আর্কএ্যান্জেল ছিলো - এদের মধ্যে সবচাইতে ক্ষমতাধর লুসিফার।
খৃস্টান এ্যান্জেল != ইসলামিক জ্বিন
খৃস্টান এ্যান্জেল != ইসলামিক ফেরেশতা

ইসলামিক এ্যান্জেল (ফেরেশতা) = ম্যাজিক রোবোট (এদের নিজস্ব বিচারবুদ্ধি বা ফৃ-উইল নাই, পাপকাজ করতে অক্ষম)

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

আমি যত দূর জানি সূর্য বা অন্য নক্ষত্রে অক্সিজেন নাই তাও এগুলো কিভাবে জ্বলছে ?

"জ্বলছে" আসলে একটি নন-স্পেসিফিক বা জেনেরিক (এবং আনসাইনটিফিক) বাংলা টার্ম। এটা দিয়ে "দহণ"-ও বোঝায়, আবার অন্য প্রক্রিয়াও নির্দেশ করে। অক্সিজেন ভিত্তিক "দহণ"-এর নাম হলো কমবাসচন রিয়েকশন। সূর্যে কমবাসচন হয় না।

সূর্য একটা জায়ান্ট হাইড্রোজেন গ্যাস বল। ওখানে অনবরত নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হচ্ছে। সূর্যের কোর বা কেন্দ্রে ম্যাসিভ গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্সের কারণে হাইড্রোজেন এ্যাটমগুলো একে অপরের সাথে কলাপ্স করছে। ফিউশন প্রক্রিয়ায় একাধিক হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস একসাথে মার্জ করে ভারী হিলিয়ামে পরিণত হচ্ছে (কেমিস্ট্রি এখন মনে নাই, তবে সম্ভবত: হিলিয়ামের আণবিক ভর ৩/৪টা হাইড্রোজেনের সমান  confused )। সূর্যের কেন্দ্রে প্রতি সেকেন্ডে ৬০০ মিলিয়ন টনের বেশি হাইড্রোজেন ফিউজড হচ্ছে। সূর্যের হাইড্রোজেনের ৯৬%-ই হিলিয়ামে পরিণত হয়, আর বাকী ৪% তাপ/আলো হিসাবে ওয়েস্ট হয়। পৃথিবীতে আমরা সূর্যের আলো/উত্তাপ যা পাই সেটা ঐ ৪% ওয়েস্ট প্রোডাক্টের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ।

আপডেট: ফাফা ভাই আগেই উত্তর দিয়ে দিয়েছেন। উনার লিংকের প্রথম সাইটে সুন্দর করে কমবাসচন এবং ফিউশনের পার্থক্য দেয়া আছে।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

“গাছ-লাগান-পরিবেশ-বাচান” ওয়ালারাও দাবী করে রেইন ফরেস্ট, ট্রপিকাল/সাবট্রপিকাল ফরেস্ট থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অক্সিজেন সাপ্লাই হয়।

আপনি কি মনে করেন গাছ অক্সিজেন দেয় না ?? (আলাদা টপিকে এর জবাব দিতে পারেন)

ওটা আসলে একটু জোক ছিলো।  kidding

অবশ্যই গাছ অক্সিজেন রিলিজ করে (কিছু কিছু উদ্ভিদ রাতের অনধকারেও অক্সিজেন ছাড়তে সক্ষম) এবং এই অক্সিজেন পৃথিবীর বাতাবরণ মেইনটেন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সালোকসংশ্লেষণ একটা ফ্যান্টাস্টিক সিস্টেম! বায়ু থেকে কার্বনডিঅক্সাইড, মাটি থেকে পানি এবং বিভিন্ন মিনারেলস (নাইট্রোজেন ইত্যাদি) এবং সূর্যের আলোর শক্তি - যাস্ট এই বেসিক এলিমেন্টগুলো একত্রিত করে "কার্বোহাইড্রেট" নামক স্টোরড এনার্জী মলিকিউল ম্যানুফেকচার করছে। আর ঐ কার্বোহাইড্রেটের ওপর পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুল নির্ভরশীল। (গরু ঘাস খায় --> ডেডলক গরু খায়  tongue )

মনে রাখতে হবে, আদি ব্যাকটেরিয়া ও পরবর্তীতে প্ল্যাংকটন এবং উদ্ভিদ মিলে পৃথিবীর এ্যাটমসফিয়ারে অক্সিজেন সাপ্লাই করেছে। এরা যদি অক্সিজেন জোগান না দিতো, পরবর্তী যুগের প্রাণীরা হয়তো অল্টারনেটিভ কোনো মেটাবলিজম সিস্টেম ডেভেলপ করে নিতো। যেহেতু বাতাসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সাপ্লাই ছিলো, তাই ওই পরমাণুটাই আমরা প্রাণীরা ব্যবহার করছি।

পিএস: ভেজিটেরিয়ানদের এ্যান্টি-ভায়োলেন্স, প্রাণীকে কষ্ট না দেয়া-টাইপ যুক্তি আমার কাছে লজিকাল মনে হয় না। গাছও একটি লাইফ-ফর্ম। গাছদেরও পেইন সেনসেশন আছে বলে পড়েছি।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

প্রাণ সৃষ্টি হয়ে অক্সিজেন সাপ্লাই না দিলে জ্বীন প্রজাতীও সৃষ্টির জন্য আগুন পেতো না।

হয়তো মানুষ যেমন সরাসরি মাটির না, তেমনি জ্বীন ও সরাসরি আগুনের না। রুপক অর্থে বুঝানো হয়েছে

তা বটে। বিজ্ঞান উদঘাটন করছে মানুষ "কাদামাটি" হতে সৃষ্ট না। তাই ওসব বাণী লিটারেলী নেয়া বাদ দিয়ে এখন রুপকার্থে নেয়াই বোধহয় সমীচীন।

পটারী টেকনোলজী আবিষ্কারের পর প্রাচীন মানুষ কাদামাটি দিয়ে মানবমূর্তি গড়তে পারতো - তবে তাতে প্রাণ সন্চার (এ্যানিমেট) করতে পারতো না। সম্ভবত: এ কারণেই ত্ৎকালীন সমাজের ধর্মপ্রচারকরা ধারণা করেছিলেন তাদের সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন কাদামাটি থেকে। আজ যদি কোনো নবীর আবির্ভাব হয় তাহলে হয়তো তিনি ডিএনএ, এ্যামিনো এসিড, জীন ইত্যাদি নিয়ে বাণী রচনা করবেন।

প্রশ্ন হলো... প্রাচীন যুগের ধর্মপ্রচারকরা যদি মহাবিশ্ব, মানব উৎপত্তি সম্পর্কে বেঠিক বা ভুল তথ্য প্রচার করে থাকেন, তাহলে কিভাবে আপনি নিশ্চিৎ হবেন যে অন্যান্য বিষয়েও তাঁরা সঠিক বা নির্ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন?

পিএস: আমরা মাটির উপাদানে তৈরী ঠিকই, তবে প্রশ্ন হলো - মাটিই বা কোথা থেকে এলো?  confused

উত্তর: তারা বা নক্ষত্রের "মৃত্যু" -> সুপারনোভা থেকে।

For you to live, a distant star had to die!
(অফটপিক হয়ে যাচ্ছে, স্টেলার ডেথ সাইকল নিয়ে অন্যত্র আলোচনা হতে পারে)

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

বর্বর জংলী মুর্তিপূজারক আরবরা জ্বীন ভুত নিয়ে ব্যাপক গো+এষণা বৈগ্যান টৈগ্যান কি কি সব করে ফেলেছিলো

ইসলাম আবির্ভাবের আগে আরবেরা জ্বীন কে বিশ্বাস করতো তার কোন রেফারেন্স দিতে পারবেন ?

pagan arab djinn religion ইত্যাদি কী-ওয়ার্ড দিয়ে গুগল করলে পাবেন অনেক ম্যাটেরিয়াল। তবে সবার কাছে ওসব ভালো লাগবে না।

জ্বীন সম্ভবত: যরথ্রুস্তবাদি পারস্য থেকে আরবে আমদানী। ইসলামে দুই প্রকারের জ্বীনের একটি হলো - ইফরিত। এই শব্দটি প্রাচীন পারসী শব্দ। প্রাচীন ইরানী মিথোলজী "জিন্নিস্তান" শব্দটির উল্লেখ আছে - যেখানে জ্বিন বাস করে। এছাড়া, জ্বীনের উৎপত্তির সাথে আগুনের সম্পর্ক আছে। অন্যান্য জাতীগোষ্ঠীরা যরোস্ট্রিয়ানদের অগ্নি-উপাসক বলে মনে করতো (এখনো মনে করা হয়)।

(এই ধারণা সম্ভবত: ভুল। যরথ্রুস্তবাদে আগুন একটি পবিত্র জিনিস, যরথ্রুস্ত মন্দিরগুলো ফায়ার টেমপল নামে পরিচিত ছিলো এবং সেখানে অগ্নিশিখাও প্রজ্বলিত ছিলো - তবে ওরা এ্যাকচুয়ালী আগুনের উপাসনা করে বলে মনে হয় না।)

দক্ষিণ-পশ্চিম আরবে কিছু পৃ-ইসলামিক খোদাই পাওয়া গিয়েছে যেখানে জিন-এর উল্লেখ আছে। আরবরা সম্ভবত: জীনের উপাসনাও করতো। উপাসনা পরিচালনা করতেন কুহহান প্রীস্টরা।

তবে রেফারেন্সের প্রয়োজন আছে কি? সূরা জ্বীনেই তো স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে নবীর আবির্ভাবের আগে থেকেই জ্বীনেরা বিদ্যমান ছিলো এবং মানুষ তাদের ভয়ও করতো....

জ্বিন উপাসনাকে অকাল্টিজম বলা যায়। ভূতের ওঝা দিয়ে ভুত তাড়ানো, প্ল্যানচেট ইত্যাদিও এক ধরণের অকাল্টিজম।

আপডেট: সাইফুল_বিডি ভাইও আরো রেফারেন্স হাজির করেছেন।

Calm... like a bomb.

৩৫

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

এল না এই কারনে , মানুষ বলাবলি করত মেরি/মারিয়াম ঈশ্বরের/আল্লাহর স্ত্রী আর যিসু/জিসাস/ঈশা ঈশ্বরের/আল্লাহর পুত্র এই কনফিউসন দূর করতে এই আয়াত নাজিল হয়েছে ।

hmm তৎকালীন প্রচলিত আর প্রতিষ্ঠিত ধর্মের ঈশ্বরের থকে নতুন প্রবর্তিত ধর্মের ঈশ্বরকে পৃথক করার কি প্রানান্তকর প্রচেষ্টা।  lol2

invarbrass লিখেছেন:

দূর ভবিষ্যতে হয়তো মানুষ প্ল্যানেট হপিং রপ্ত করবে, বিভিন্ন গ্রহে বসতি স্থাপন করতে সক্ষম হবে। কে জানে, তখন হয়তো দূরের গ্যালাক্সী/ব্ল্যাকহোল-দের ঘিরে নতুন বিলিফ সিস্টেম চালু হয়ে যাবে  dream

ঠিক এটা নয় তবে কাছাকাছি বিষয়ে 2012: Time for Change আর Brave New World with Stephen Hawking ডকু দেখেছিলাম। আর বিলিফ সিস্টেম হয়তো আইজাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের মত ঘটনা হবে।

hit like thunder and disappear like smoke

৩৬

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

একটা বইয়ে পড়েছিলামঃ ভূত বলতে কিছু নাই, তবে খারাপ জ্বীনকে সাধারণত ভূত বলা যেতে পারে, যারা অন্যের ক্ষতি করে।  thinking

আর হিন্দু ধর্মের দেবতাদের কথা বলতে, আমারও একই কথা মনে হয়, এরা কোনও বহুরূপী জ্বীন ছিল, যাদের পড়ে দেবতা মনে করে পূজা করা হয়, যেমন খ্রীস্টানরা ইশা (আ)-এর পূজা করে (এটা পূজা না তবে কাছাকাছি কিছু বলা যায়।  tongue_smile)

অফটপিকঃ একটা ভাল জ্বীন খুজেন, বিয়ে করব।  blushing tongue

৩৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফুল_বিডি (২৫-১১-২০১২ ১৭:১৪)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

@m0N লিখেছেন:
সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

এল না এই কারনে , মানুষ বলাবলি করত মেরি/মারিয়াম ঈশ্বরের/আল্লাহর স্ত্রী আর যিসু/জিসাস/ঈশা ঈশ্বরের/আল্লাহর পুত্র এই কনফিউসন দূর করতে এই আয়াত নাজিল হয়েছে ।

hmm তৎকালীন প্রচলিত আর প্রতিষ্ঠিত ধর্মের ঈশ্বরের থকে নতুন প্রবর্তিত ধর্মের ঈশ্বরকে পৃথক করার কি প্রানান্তকর প্রচেষ্টা।  lol2

WHAT THE BIBLE SAYS ABOUT MOHAMMED (PEACE BE UPON HIM) THE PROPHET OF ISLAM

'N PROFEET SAL EK VIR HULLE VERWEK UIT DIE MIDDE VAN HULLE BROERS, SOOS JY IS, EN EK SAL MY WOORDE IN SY MOND LE, EN HY SY SAL AAN HULLE SE ALLE WAT EK HOM BEVEEL. Deut.18: 18.

The English translation reads as follows:-

"I will raise them up a Prophet from among their brethren,
like unto thee,
and I will put my words in his mouth;
and he shall speak unto them all that I shall command him." Deut.18:18.

http://www.islamworld.net/docs/Muhammad.in.Bible.html

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৩৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৫-১১-২০১২ ১৭:২৫)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

WHAT THE BIBLE SAYS ABOUT MOHAMMED (PEACE BE UPON HIM) THE PROPHET OF ISLAM

'N PROFEET SAL EK VIR HULLE VERWEK UIT DIE MIDDE VAN HULLE BROERS, SOOS JY IS, EN EK SAL MY WOORDE IN SY MOND LE, EN HY SY SAL AAN HULLE SE ALLE WAT EK HOM BEVEEL. Deut.18: 18.

The English translation reads as follows:-

"I will raise them up a Prophet from among their brethren,
like unto thee,
and I will put my words in his mouth;
and he shall speak unto them all that I shall command him." Deut.18:18.

http://www.islamworld.net/docs/Muhammad.in.Bible.html

এহেম, আহমেদ দীদাত কিন্চিৎ (প্রায় ২০০০ বছর) দেরী করে ফেলেছেন... ঐ দাবীখানা খ্রিস্টানরা অন্তত: ৭শ বছর আগে ঠুকে দিয়েছে।  hehe

এক মুরগী কয়বার জবাই করা যায়?  kidding

Calm... like a bomb.

৩৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন @m0N (২৫-১১-২০১২ ১৮:০৩)

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

শোভন আলম লিখেছেন:

আর হিন্দু ধর্মের দেবতাদের কথা বলতে, আমারও একই কথা মনে হয়, এরা কোনও বহুরূপী জ্বীন ছিল, যাদের পড়ে দেবতা মনে করে পূজা করা হয়, যেমন খ্রীস্টানরা ইশা (আ)-এর পূজা করে (এটা পূজা না তবে কাছাকাছি কিছু বলা যায়।  tongue_smile)

lol2 কি বলব এটা পড়ে হাসি থামাতে পারছি না। হিন্দু ধর্মের গালগল্প দিয়ে দিয়ে জ্বীন আছে তা প্রমানের চেষ্টা।  lol2 হিন্দু ধর্মের দেবতারা এসেছে এদেশে গ্রীকদের আগমনের পর। তাই জ্বীন থেকে থাকলে তার উৎস গ্রীস দেশে হওয়া উচিৎ।  wink

@ সাইফুল যা বলার ইনভারব্রাস বলে দিয়েছেন। যাই হোক এই টপিকে আর জবাব দিব না। কোন সময় আবার নিষেধাজ্ঞা নাযিল হয় মডু নামক জ্বীন কতৃক কে জানে।  lol

hit like thunder and disappear like smoke

৪০

Re: জ্বীন নিয়ে মেগা টপিক

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে জ্বীনের ব্যাখাঃ আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান জ্বিন জাতির অস্তিত্ব অস্বিকার করে না। অস্বিকার করার মত কোন যুক্তি বা মতবাদও আজ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং এ্যন্টি ম্যাটার সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান যত বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্বিনের অস্তিত্বের পক্ষে যুক্তি ততই প্রগাড় হচ্ছে।

আসুন জানি এ্যন্টি ম্যাটার কিঃ পৃথিবীতে যেমন বস্তু রয়েছে। তেমনভাবে অবস্তুও থাকতে পারে।
আসুন দেখি এন্টিম্যাটার সম্পর্কে উইকিতে কি বলা হয়েছেঃ
পার্টিক্যাল ফিজিক্সে এ্যন্টি ম্যাটারেরর ধারণা প্রতিপদার্থের ধারণা রুপ নিয়েছে। ধারণা করা হয়েছে যেভাবে কণা দ্বারা পদার্থ গঠিত হয় ঠিক তেমনিভাবে প্রতিকণা দ্বারা প্রতিপদার্থ গঠিত হয়। উদাহরণস্বরুপ, একটি প্রতিইলেকট্রন (পজিট্রন) এবং একটি প্রতিপ্রোটন মিলিত হয়ে গঠন করে একটি প্রতিহাইড্রোজেন পরমাণু, যেমন করে একটি ইলকট্রন ও প্রোটন মিলে তৈরি করে একটি হাইড্রোজেন পরমাণু। উপরন্তু কণা এবং প্রতিকণা মিলিত হলে যেভাবে পূর্ণবিলয়ের মাধ্যমে সকল শক্তি বিমুক্ত হয়, তেমনি পদার্থ এবং প্রতিপদার্থের মিলনে পূর্ণবিলয়ের সৃষ্টি হয় বলে ধারণা করা হয়েছে। এ ধরণের পূর্ণবিলয়ের ফলে প্রকৃতপক্ষে উচ্চ শক্তির ফোটন (গামা রশ্মি) এবং বহু কণা-প্রতিকণা জোড়ার সৃষ্টি হয়। এই পূর্ণবিলয়ে বিমুক্ত কণাগুলোর মধ্যে বিপুল পরিমাণ শক্তি থাকে। এই শক্তির মান পূর্ণবিলয়ের ফলে সৃষ্ট বস্তুসমূহের নিশ্চল ভর এবং মূল পদার্থ-প্রতিপদার্থ জোড়ার অন্তর্ভুক্ত বস্তুসমূহের নিশ্চল ভরের পার্থক্যের সমান।

অর্থাৎ আমাদের মহাবিশ্বে যত পার্টিক্যাল আছে ঠিক তত পরিমান এ্যন্টি পার্টিক্যাল আছে। শক্তির নিত্যতা সূত্রানুযায়ী।
এ্যান্টিপার্টিকেল অদৃশ্য। এগুলোর মুভমেন্ট কোন যন্ত্র দ্বারা পর্যবেক্ষন করা যায় না। কিন্তু বিজ্ঞান এগুলোর অস্তিত্বকে অস্বিকার করতে পারছে না।

পৃথিবীতে ৬৫০ কোটি মানুষ আছে। এ্যান্টি পার্টিকেল থিওরি অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের জন্যে একটি করে প্রতিমানুষ থাকলে সেগুলোর সংখ্যা হবে ৬৫০ কোটি। এগুলো মানুষের মতই কিন্তু অদৃশ্য।
এগুলোকেই জ্বিন বলা হয় যা বিজ্ঞান সম্মত।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া