সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফারহান খান (১৬-১১-২০১২ ১২:৫৯)

টপিকঃ সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

যাবি নাকি সেন্ট মারটিন ? ৮ তারিখে গিয়ে ১২ তারিখ চলে আসবো। ফাহিম চাপা গলায় ফিসফিস করে এমন ভাবে কথা গুলো বলল যেন খুবই সিক্রেট কিছু বলছে।  আমি তড়িৎ ফাহিমের চেহারা স্ক্যান করে কোন ঘাপলা আছে কিনা বোঝার চেস্টা চালালাম। ঘটনা সন্দেহজনক  thinking বেড়াতে যাওয়া আমার কাছে মহৎ কর্ম টাইপ কিছু সুতরাং এতে ফিসফিসানির কি আছে।
ফাহিম জানালো সে একটা অর্গানাইজেশনের ভলান্টিয়ার এবং উক্ত সংস্থা সেন্ট মারটিন যাচ্ছে সাথে পাত্তি দিলে গেস্ট এলাউড। সো ক্লাসের পোলাপানদের জানানো হল। ঠিক হলো আমি, মানিক , রাবি, ফাহিম আর আবির যাচ্ছে  yahoo। এদের ৩ জনই শিক্ষানবিস ফটোগ্রাফার। আমার খুশি হবার কারনটা এখানেই। এই ট্যুর একটা ফটোগ্রাফক ট্যুর হতে যাচ্ছে  big_smile

যাওয়ার আগের দিন আমার হাতে টিকিট দেয়া হল। টিকিটের উপর বড় বড় করে লেখা International coastal cleanup. আমি আঁতকে উঠলাম ! একি ব্যাপার , সি বিচ ঝাড়ু দেয়াবে নাকি ?  ghusi এতক্ষনে ফাহিমের ফিসফিসানির কারন আমার বোধগম্য হল  neutral

ফাহিম কে জিজ্ঞেস করার আগেই তার চটপট জবাব- আরে তোরা তো গেস্ট । তোদের কিছু করতে হবে না। তোরা ঘুরবি। দরকার হলে একটু সাহায্য করলিই নাহয়। ৩ হাজার টাকায় যাওয়া আসা থাকা খাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি মন্দ নয়। তাছাড়া বড় গ্রুপে গেলে মজা আছে মেলা, সিকিউরিটির ব্যাপার স্যাপার আছে না? দল বেধে সমুদ্র সৈকত ঝাড়ু দিতে যাওয়ার উপকারিতা নিয়ে ফাহিম দাত বের করে মুটামুটি একটা ছোটখাটো ভাষণ দিয়ে ফেলল ।
আমি মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। আমাদের বাস ঢাকায় পৌঁছাবে ১২ তারিখ সকালে। আর ১২ তারিখ বেলা ১২ টা বাজে আমাদের মিড টার্ম পরিক্ষা! এত রিক্স নিয়ে সমুদ্র ঝাড়ু দেয়ার পরিকল্পনা আমার তেমন মনপুত হল না। বাকিদের দেখলাম কোন আপত্তি নাই। সবাই ঢাকা থেকে বের হবার চান্স পেয়ে মেলা খুশি । সব রেডি এখন আর না করা যায় না। সো মেন্টাল প্রিপারেসন নেবার জন্য সবাই মিলে মার্কেটে গেলাম চপ্পল, গেঞ্জি ট্রাইজার হাবিজাবি কেনার জন্য।

৮ তারিখ সন্ধ্যা ৬ টায় আমরা সবাই মিলে রওনা হলাম কমলাপুরের দিকে। সেখানেই রিজার্ভ বাস রাখা আছে। সি এন জি তে উঠতেই আমার পেট মোচড় দিয়ে উঠল । গ্যাসের ব্যাথা নাকি পেট খারাপ আল্লাই জানে। আমার যাত্রা শুরু হল "পেট ব্যাদনা" টাইপের জঘন্য কিছু দিয়ে। মনটাই খ্রাপ হয়ে গেলো । সামনে কি আছে কে জানে  sad

"পেট ব্যাদনা" নিয়ে কমলাপুর পৌছাতেই আমাদের কে অর্গানাইজেশন থেকে আইডি বিলি করা হল। তাতে আমাকে NSU এর স্টুডেন্ট বানিয়ে দেয়া হয়েছে এবং রক্তের গ্রুপ লেখা ও নেগেটিভ । আমার রক্তের গ্রুপ মোটেও নেগেটিভ কিছু না। এরা আন্দাজে ফর্ম পুরন করেছে। সুতরাং বাইচান্স রাস্তায় এক্সিডেন্ট করে আমি আহত হলে আইডি কার্ড দেখে ভুল গ্রুপের রক্ত শরীরে ঢুকিয়ে দেবার একটা চান্স থেকেই যাচ্ছে। এটা চিন্তা করেই হোক বা অন্য কারনেই হোক আমার "পেটের ব্যাদনা" আরো বেড়ে গেলো। ব্যাথা নিয়ে আমি মোটামুটি বাকা হয়ে বাসে চেপে বসলাম। নাক মুখ কুচকে দেখলাম আমাদের যাত্রার সঙ্গি সাথিরা বেসিরভাগই NSU এর ছাত্র ছাত্রী। অর্থাৎ পুলাপান। দুউই একজন গার্ডিয়ান টাইপ আঙ্কেল আন্টিকেও দেখা গেলো ব্যাকপ্যাক নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন।
আমাকে বাকা হয়ে থাকতে দেখে এক আপু জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে। প্রেস্টিজ পাংচার করে জবাব দিতে হল পেটে গ্যাসের ব্যাথা । আমাকে অবাক করে দিয়ে আপু ব্যাগ থেকে তৎক্ষণাৎ গ্যাসের ওষুধ বের করে দিলেন  big_smile যাক এরা দেখা যাচ্ছে বেশ হেল্পফুল।

বাস চলা শুরু হল। আমাদের ৫ জনের জন্য ৫ টি সিট থাকা সত্বেও গাদাগাদি করে পাশাপাশি ৪ সিটে বসে  আড্ডা দেয়া শুরু হল। হেন টপিক বাদ গেল না । এই ভাবে চলতেই থাকলো । মাঝে একবার যাত্রা বিরতি হল রাতের খাবারের জন্য কুমিল্লার হাইওয়ের একটা হোটেল তাজমহলে। ওখানে খেয়ে আমার ভ্রমন সঙ্গি "পেটের ব্যাদনা" আরো ভয়ঙ্কর রকম বেড়ে গেলো। আমার অবস্থা দেখে ওই আপুটি আরো দুইটি ওষুধ এগিয়ে দিল। ওষুধে যদিও কোন কাজ করে নি । কিন্তু আপুটি যতবার আমার আমাকে জিজ্ঞেস করেছে কেমন আছি , আমি মধুর হাসি হেসে বুঝিয়েছি ওষুধ ফাস্ট ক্লাস কাজ করছে  thumbs_up। কোন ব্যাথা নাই big_smile আমার ধারনা ব্যাথা আছে বললেই আমাকে এবার ৪ টা ওষুধ গিলিয়ে দেবে  worried

এরপরের যাত্রা বিরতি হল কক্সেজবাজারের আরেকটি হোটেলে রাত ৩ টার সময়। ওখানে নেমে বুঝলাম প্রচন্ড রকমের শীত পড়েছে। মুখ থেকে রীতিমত ধোয়া বের হচ্ছে। অবিশ্বাস্য ব্যাপার আমার ব্যাথা গায়েব big_smile কিন্তু কথায় আছে যার কপাল পুড়ে তার কপাল বার বার পুড়তেই থাকে। মাইনাস দেবার সাথে সাথেই ব্যাথা কয়েকগুন হয়ে চেপে বসল। আপুটি আবার ওষুধ দিতে ছুটে আসলো আর আমি মনে মনে প্রমদ গুনলাম এইবার। তবে এই যাত্রা আমাকে রক্ষা করল ফাহিম। সে ডিকটেটর স্টাইলে ঘোষনা দিল আমাকে লবন থেরাপি দেয়া হবে। এক গ্লাস পানিতে অনেক খানি লবন ঢেলে আমাকে খাওয়াতে এল। আমি ওর কিছুতেই ভরসা পাই না। সো এতখানি লবন এক সাথে খাইয়ে আমার পেটের অবস্থা আরো ভয়ানক করে ফেলবে সে এই বিসয়ে আমি মুটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেলাম।
ফাহিম আমার কাধে হাত রেখে অভয় দেয়ার জন্য বলল- অয়ন , তুই আমাকে বিশ্বাস করিস না?
আমি জবাব দিলাম - না , বিশ্বাস করি না। ফাহিম আহত গলায় বলল কেন ? আমি জবাব দিলাম তোর চেহারাটাই এমন বিশ্বাস করা যায় না।  whats_the_matter

যাইহোক বেচারা মনে হয় মন খারাপ করে ফেলেছে আমার কথায়। তার মন ভালো করার জন্য লবন ভর্তি পানিতে চুমুক দিলাম।  আশ্চর্যের বিসয় জিনিষটা ম্যাজিকের মত কাজে দিল ব্যাথা গায়েব পুরোপুরি ২০ সেকেন্ডের মাথায়  big_smile আর সারা জার্নিতে এই ব্যাথা আমাকে আর একবারও জ্বালাতন করে নি  big_smile

আমার ব্যাথা ভালো হয়েছে এই খুশিতে আমি বাকি রাস্তা বকবক করে বাকিদের ঘুমাতে দিলাম না। হঠাৎ করে খেয়াল করলাম বাইরে আলো ফূটছে। আকাশ দেখা যাচ্ছে। কি সুন্দর আকাবাকা রাস্তা। দুইপাশে পাহাড় কেটে এগিয়েছে। কুয়াশায় ৫ হাত দুরের কিছুই দেখা যাচ্ছে না। কি অদ্ভুত সুন্দর। ধিরে ধিরে চারপাশটা আলো হয়ে উঠতে লাগলো।
তিন ফোটোগ্রাফারের হুশ হল। লাফিয়ে ক্যামেরা নিয়ে বাসের সামনে চলে গেল। সবাই সুন্দর একটা ক্যাপচার নিতে ব্যাস্ত।
আর আমি মন খারাপ করে জানালার বাইরে প্রকৃতি দেখতে লাগলাম।

যাই হোক এই সময়ে আমার নিজের তোলা একটি মাত্র ছবি খুজে পেলাম। নিচে দুইটা ছবি সেয়ার দিলাম । একটা মানিকের তোলা আর অন্যটি আমার। পরের পর্বে বেশি বেশি ছবি আর কম বকরবকর দিয়ে পোস্ট করব।

http://i.imgur.com/ZpId2.jpg
Winter Effect@flicker


http://i.imgur.com/aoWi2.jpg
তখনো আলো বের হয় নি

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

আপুর ছবি না দিলে খবর আছে  angry tongue_smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইদুল ইসলাম (১৫-১১-২০১২ ২৩:৫০)

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

শীতের সকালের ছবি ভাল পাইলাম  thumbs_up

আর আমি মন খারাপ করে জানালার বাইরে প্রকৃতি দেখতে লাগলাম।

পেট ব্যাদনা ত তখন নাই, মন খারাপ করলেন কেন?

۞ بِسْمِ اللهِ الْرَّحْمَنِ الْرَّحِيمِ •۞
۞ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۞ اللَّهُ الصَّمَدُ ۞ لَمْ * • ۞
۞ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۞ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ * • ۞

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

চরম একটা লেখা লিখেছেন  thumbs_up thumbs_up thumbs_up

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

ফারহান খান লিখেছেন:

পরের পর্বে বেশি বেশি ছবি আর কম বকরবকর দিয়ে পোস্ট করব।

বকর বকর টাই বেশি থাক না ছবির চেয়ে ফারহান৷ তাহলে কল্পনাও কিছুটা থাকে নিজের মনে যখন পড়ি৷
সুন্দর হয়েছে৷  smile

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

সেইরকম হচ্ছে ভাইচা।  clap

এহেম! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। ওই পর্বে রেপু দিব। tongue (ভাল লেখা সাপেক্ষে)

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

আপুর ছবি না দিলে খবর আছে  angry tongue_smile

হ কইছে, আপু কি আর পাবলিক ফোরামে ছবি দেয়ার অনুমতি দিয়া রাখসে নি আমারে tongue

সাইদুল ইসলাম লিখেছেন:

পেট ব্যাদনা ত তখন নাই, মন খারাপ করলেন কেন?

আছে , এদিকে আসেন কানে কানে কই  hmm

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

চরম একটা লেখা লিখেছেন  thumbs_up thumbs_up thumbs_up

অনেক ধন্যবাদ ডেডু ভাই  big_smile

Arun লিখেছেন:
ফারহান খান লিখেছেন:

পরের পর্বে বেশি বেশি ছবি আর কম বকরবকর দিয়ে পোস্ট করব।

বকর বকর টাই বেশি থাক না ছবির চেয়ে ফারহান৷ তাহলে কল্পনাও কিছুটা থাকে নিজের মনে যখন পড়ি৷
সুন্দর হয়েছে৷  smile


big_smile কনফুস হয়ে গেলাম, ছবি + ভ্রমণ । কুতায় পোস্ট করপ   confused

আরণ্যক লিখেছেন:

সেইরকম হচ্ছে ভাইচা।  clap

এহেম! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। ওই পর্বে রেপু দিব। tongue (ভাল লেখা সাপেক্ষে)

big_smile রিপু big_smile আপনে গুইনা গুইনা রিপু দেন মনে হইতেসে  blushing

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

লেখা বেশ মজা করে পড়লাম , দেশে গেলে যাব smile

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শশী (১৬-১১-২০১২ ০৪:৫৫)

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

ফারহান খান লিখেছেন:

এক গ্লাস পানিতে অনেক খানি লবন ঢেলে আমাকে খাওয়াতে এল। আমি ওর কিছুতেই ভরসা পাই না। সো এতখানি লবন এক সাথে খাইয়ে আমার পেটের অবস্থা আরো ভয়ানক করে ফেলবে সে এই বিসয়ে আমি মুটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেলাম।

হে হে হে! ঐ আপুনি খাওয়াইলে লাগে ঠিকই খাইতা ভাইচা, মুখের তুন ছঁইর দানাও বাইর করতা না। যেমনে তার দেয়া ওষুধ খাইসো।  hehe
কাহিনী কিসুটা মিসিং লাগতাসে বড় আপু লইয়া।  tongue  donttell  তয় লিখসো চরম। তাই রেপুখান আর বাকিতে দিলাম না।  thumbs_up

মনের সাথে মগজের যুদ্ধ আমার সবসময়ই কারণ মগজ নিজের স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই বুঝে না। তাই তাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে আপন মনের খেয়ালেই চলি। কোন বিষয়ে আমার মগজ খাটাতে বাধ্য হওয়া মানেই সেটার ইতি টানা।

১০

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

কিছু দিন আগে আমিও ঘুরে এলাম সেনট মারটিন। সেখানে এক রাত ছিলাম। অসাধারন পূর্ণিমা রাত ছিল। পরের দিন গেলাম ছেড়া দ্বীপ। এমন কিছু মুগ্ধকর বিষয় সেখানে আছে যা শুধু মুখের ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এক কথায় অসাধারন।

১১

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

ছবি দুটাই অপার্থিব হয়েছে।  thumbs_up তাছেকা'র মতই ভালো ভ্রমন কাহিনী লিখেছেন। মাঝখানে বন্ধ করবেন না এটা আপনার খুব বাজে অভ্যাস। আপু'র সাথে আলাপচারিতা নামে একটা বিশেষ পর্ব দিলে মন্দ হয় না।  tongue_smile

hit like thunder and disappear like smoke

১২

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

হোটেল তাজমহলের কথা মনে পড়ে গেল, কুমিল্লার রসমালাই ওখান থেকেই আমার প্রথম খাওয়া love ইংরেজিতে টয়লেটকে এতদিন বাংলায় পায়খানা বলে জানলেও ভদ্র ভাষায় ওটাকে যে "প্রক্ষালন কক্ষ" বলে সেটাও ওখান থেকে শিখেছি ।

ফারহান খান লিখেছেন:

হ কইছে, আপু কি আর পাবলিক ফোরামে ছবি দেয়ার অনুমতি দিয়া রাখসে নি আমারে tongue

তারমানে পেটব্যাথা হওয়া অবস্থায়ও মেয়েলোকের ছবি তোলা বাদ যায়নি tongue
২ নম্বর ছবিটা অসাধারণ হয়েছে, কক্সবাজার যাওয়ার পথে বেশ কিছুক্ষণ এরকম দৃশ্যের দেখা মেলে smile

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

১৩

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

লেখার ষ্টাইলে আমি অভিভূত ! চালিয়ে যাও ভাইচা।

১৪

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

Jemsbond লিখেছেন:

লেখা বেশ মজা করে পড়লাম , দেশে গেলে যাব smile

আইয়েন , লগে আমারে নিয়া যাইয়েন  big_smile

শশী লিখেছেন:
ফারহান খান লিখেছেন:

এক গ্লাস পানিতে অনেক খানি লবন ঢেলে আমাকে খাওয়াতে এল। আমি ওর কিছুতেই ভরসা পাই না। সো এতখানি লবন এক সাথে খাইয়ে আমার পেটের অবস্থা আরো ভয়ানক করে ফেলবে সে এই বিসয়ে আমি মুটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেলাম।

হে হে হে! ঐ আপুনি খাওয়াইলে লাগে ঠিকই খাইতা ভাইচা, মুখের তুন ছঁইর দানাও বাইর করতা না। যেমনে তার দেয়া ওষুধ খাইসো।  hehe
কাহিনী কিসুটা মিসিং লাগতাসে বড় আপু লইয়া।  tongue  donttell  তয় লিখসো চরম। তাই রেপুখান আর বাকিতে দিলাম না।  thumbs_up

ধুর , কি যে কউ ... আমি অইরকম ছেলেই না  cool
কি মিসিং থাকপে  lol রেপুর লাইগা অনেক ধইন্যাবাদ   big_smile

shabbir.hp লিখেছেন:

কিছু দিন আগে আমিও ঘুরে এলাম সেনট মারটিন। সেখানে এক রাত ছিলাম। অসাধারন পূর্ণিমা রাত ছিল। পরের দিন গেলাম ছেড়া দ্বীপ। এমন কিছু মুগ্ধকর বিষয় সেখানে আছে যা শুধু মুখের ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এক কথায় অসাধারন।

অতিমাত্রায় মিস করসি জোছনার আলো। আমরা যে কয়দিন ছিলাম চাঁদ দেখতে পাইনি  sad

@m0N লিখেছেন:

ছবি দুটাই অপার্থিব হয়েছে।  thumbs_up তাছেকা'র মতই ভালো ভ্রমন কাহিনী লিখেছেন। মাঝখানে বন্ধ করবেন না এটা আপনার খুব বাজে অভ্যাস। আপু'র সাথে আলাপচারিতা নামে একটা বিশেষ পর্ব দিলে মন্দ হয় না।  tongue_smile

big_smile ধন্যবাদ । মাঝ খানে বন্ধ করার অভ্যাস ছাড়ার চেস্টায় আছি  smile 


বোরহান লিখেছেন:

হোটেল তাজমহলের কথা মনে পড়ে গেল, কুমিল্লার রসমালাই ওখান থেকেই আমার প্রথম খাওয়া love ইংরেজিতে টয়লেটকে এতদিন বাংলায় পায়খানা বলে জানলেও ভদ্র ভাষায় ওটাকে যে "প্রক্ষালন কক্ষ" বলে সেটাও ওখান থেকে শিখেছি ।

ফারহান খান লিখেছেন:

হ কইছে, আপু কি আর পাবলিক ফোরামে ছবি দেয়ার অনুমতি দিয়া রাখসে নি আমারে tongue

তারমানে পেটব্যাথা হওয়া অবস্থায়ও মেয়েলোকের ছবি তোলা বাদ যায়নি tongue
২ নম্বর ছবিটা অসাধারণ হয়েছে, কক্সবাজার যাওয়ার পথে বেশ কিছুক্ষণ এরকম দৃশ্যের দেখা মেলে smile

হা হা, হিন্দিতে লেডিস টয়লেট আরো হাস্যকর। দেবীওকি হাগণ কুঠির  tongue
রসমালাই আমার সবচেয়ে প্রিয় খাবার big_smile
আরে পেট ব্যাথা নিয়া কি ছবি তুলসি নাকি  wink পর দিন তুলসি  tongue_smile

ইলিয়াস লিখেছেন:

লেখার ষ্টাইলে আমি অভিভূত ! চালিয়ে যাও ভাইচা।

ধন্যবাদ ভাইজান

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

চমৎকার ভ্রমণ কাহিনি thumbs_up ছবিগুলোও বেশ সুন্দর! সেন্টমার্টিনস্‌  -এ যেতে ইচ্ছে করছে crying

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৬-১১-২০১২ ১৭:০৮)

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

মুখরোচক বর্ণনা হয়েছে!  thumbs_up

জিন্দালাশদের "পেট"-ও থাকে, আবার তাতে ব্যাদনাও হয় শুনে অবাক হলাম!  tongue

ওহ, তাহলে আপনার ডাকনামই ওটা... tongue_smile আমি তো একজন ব্লন্ড বালককে ধরে নিয়েছিলাম  hehe

লাবণী পয়েন্ট বীচে বয় স্কাউটদের টাঙানো একটা চমৎকার হোর্ডিং-এর বাক্যটা মনে পড়ে গেলো:

This place was clean...


... until you came!

পরিবেশ রক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগের ব্যাপারে জানতে পেরে ভালো লাগলো।

আপনার তোলা শেষের ছবিটি অদ্ভূত রকমের সাররিয়েল হয়েছে... হালকা মোশন-ব্লারও সুন্দর একটা গতিময় এফেক্ট দিয়েছে.... বাস থামিয়ে শটটা নিলে কেমন দেখাতো তাই ভাবছি  dream (ট্রাক মামা না থাকলে আরো পার্ফেক্ট হতো... দেখতে খারাপ লাগছে না যদিও)

উইন্টার ইফেক্ট ছবিটি মনমত হলো না। উইন্টার বা ঠান্ডার রং আমরা কল্পনা করি নীল-জাতীয় কালারে, উনি ব্যবহার করেছেন উল্টো ওয়ার্ম টাংস্টেন কালার... ফটোটি বরং বনজংগলের ওয়াইল্ডফায়ারের মত লাগছে

আপনারটাতেই ন্যাচারাল ইফেক্টটা পাওয়া গেলো.... এটার ফুল রেজুলুশন ভার্সনটি আপলোড করতে আপত্তি আছে কি?

ব্যাদনা ও ঝাড়ুর পার্ট-২ এর অপেক্ষায়...  thumbs_up

Calm... like a bomb.

১৭

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

উদাসীন লিখেছেন:

চমৎকার ভ্রমণ কাহিনি thumbs_up ছবিগুলোও বেশ সুন্দর! সেন্টমার্টিনস্‌  -এ যেতে ইচ্ছে করছে crying

আমি ডিসিশন নিয়েছি ১ মাস থেকে আসবো গিয়ে  big_smile

invarbrass লিখেছেন:

মুখরোচক বর্ণনা হয়েছে!  thumbs_up

জিন্দালাশদের "পেট"-ও থাকে, আবার তাতে ব্যাদনাও হয় শুনে অবাক হলাম!  tongue

ওহ, তাহলে আপনার ডাকনামই ওটা... tongue_smile আমি তো একজন ব্লন্ড বালককে ধরে নিয়েছিলাম  hehe

লাবণী পয়েন্ট বীচে বয় স্কাউটদের টাঙানো একটা চমৎকার হোর্ডিং-এর বাক্যটা মনে পড়ে গেলো:

This place was clean...


... until you came!

পরিবেশ রক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগের ব্যাপারে জানতে পেরে ভালো লাগলো।

আপনার তোলা শেষের ছবিটি অদ্ভূত রকমের সাররিয়েল হয়েছে... হালকা মোশন-ব্লারও সুন্দর একটা গতিময় এফেক্ট দিয়েছে.... বাস থামিয়ে শটটা নিলে কেমন দেখাতো তাই ভাবছি  dream (ট্রাক মামা না থাকলে আরো পার্ফেক্ট হতো... দেখতে খারাপ লাগছে না যদিও)

উইন্টার ইফেক্ট ছবিটি মনমত হলো না। উইন্টার বা ঠান্ডার রং আমরা কল্পনা করি নীল-জাতীয় কালারে, উনি ব্যবহার করেছেন উল্টো ওয়ার্ম টাংস্টেন কালার... ফটোটি বরং বনজংগলের ওয়াইল্ডফায়ারের মত লাগছে

আপনারটাতেই ন্যাচারাল ইফেক্টটা পাওয়া গেলো.... এটার ফুল রেজুলুশন ভার্সনটি আপলোড করতে আপত্তি আছে কি?

ব্যাদনা ও ঝাড়ুর পার্ট-২ এর অপেক্ষায়...  thumbs_up

পেটে সয় না বলেই তো জিন্দালাশ হয়ে আছি  donttell এক্সট্রা ক্যালরি নিতে পারছিনা।
একচুয়েলি ট্রাক মামাকে ইচ্ছা করেই নেয়া হয়েছে সাবজেক্ট হিসেবে। ফুল রেজুলেশন এইখানে আপ দিলাম। এটা কোন প্রকার এডিট , ক্রপ ছাড়াই অরিজিনাল কপি। এডিট ছাড়াই সুন্দর। আমি বেহুদাই এডিট মারলাম  sad

ধন্যবাদ  smile

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

থ্যাংকস! ছবিটি ফুল সাইযে দেখে আরো ভালো লাগছে!  thumbs_up

Calm... like a bomb.

১৯

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

লেখা ভালো হয়েছে। পরের পর্ব দেখে তারপরে  hehe

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

২০

Re: সেন্টমার্টিন যাত্রা - পর্ব ১

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

লেখা ভালো হয়েছে। পরের পর্ব দেখে তারপরে  hehe

ভাইচা এভাবে সবাই আপনাকে অপমান করছে! রাগ করে আজই আর এক পর্ব দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে দেন। tongue_smile

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"