টপিকঃ স্যার এবং আমি!

স্যার ক্লাসে ঢুকে বললেন- "“এদিকে আস গাধা”।"

আমি অবাক হয়ে ক্লাসের চারপাশে তাকালাম। আমাদের ক্লাসে মোট বাইশজন ছাত্র/ছাত্রী। বিশ জন ছেলে দুইজন মেয়ে। নিশ্চয়ই স্যার ছেলে কোন গাধাকে ডাকছেন। যদি ছেলে গাধাকে না ডাকতেন তাহলে অবশ্যই স্যার বলতেন- “এদিকে আস গাধী”। যদিও স্যার বাংলার টিচার নন তবুও আমার ধারনা স্যারের লিঙ্গ বিচ্ছেন সম্পর্কে সম্মুখ ধারনা আছে।

যেই স্যার গাধাকে কাছে আসবার জন্য ডাকছেন তার নাম হচ্ছে বদিরুজ্জামান স্যার। অতি নিষ্ঠুর প্রকৃতির লোক। কথায় কথায় ছাত্র/ছাত্রীদের জন্তু-জানোয়ারের সাথে তুলনা দেওয়া তার একমাত্র হবি। কাউকে উল্লুক, কাউকে ভাল্লুক, কাউকে হনুমান ডাকাটাই স্যারের নিত্যদিনের রুটিন। ছেলে মেয়ে বেধে স্যারের ডাকেরও তারতম্য আছে। মেয়েদের সবসময় তিনি ছোট ছোট জীব-জন্তুর নামে ডাকাডাকি করেন। যেমন- কাউকে ডাকেন পিপীলিকা, কাউকে ডাকেন বিল্লি, কাউকে ডাকেন ককরো।

আমি একদিন এই নিয়ে স্যারের কাছে মৌখিক প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। বলেছিলাম- "“স্যার ছেলে মেয়ে এখন সমান অধিকার। আপনি এই ইজিকেল্টু যুগে জন্তু-জানোয়ারের বৈষম্য রাখতে পারেন না। এ ঘোরতর অবিচার। এই অন্যায়ের আমি তীব্য প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই যুগে একটা ছেলেকে আপনি উট বললে একটা মেয়েকেও তা বলতে পারেন। হোকনা সেই মেয়ে যতোই লিলিপুট সাইজ। আজ থেকে এই জন্তু-জানোয়ার ছেলে মেয়ের বৈষম্য দূর করা হোক। এটা পুরো কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি  আকুল আবেদন।"

আবেদনই বলি আর প্রতিবাদই বলিনা কেন, কোনটাতেই তেমন কোন কাজ হলও না। স্যার কিছুক্ষণ আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলেন এবং পরক্ষনেই হুংকার দিয়ে বললেন- "“বেরিয়ে যাও আমার ক্লাস থেকে, ইউ ইডিয়ট”।"
আমি হাসি মুখে স্যারকে বললাম- "“স্যার ব্যাগটা কি নিয়ে যাবো নাকি না নিয়েই বেরিয়ে যাবো? না নিয়ে বের হয়ে গেলেই ভালো হয়। কিছুক্ষণ পর আরেকটা ক্লাস আছে”।"

স্যার আমার প্রশ্নের কোন উত্তর দিলেন না। হাত উঁচু করে দরজার দিকে ইশারা করে বললেন- "“বেরিয়ে যাও, আই সে গেট লস্ট”।"

আমি মাথা নিচু করে ক্লাস থেকে বের হয়ে আসলাম। আজীব স্যার। এই স্যারই প্রথম দিনের ক্লাসে বলেছিলেন- “"ছাত্ররা তোমরা যদি পড়া না বুঝ তাহলে প্রশ্ন করবে। শুধু মাত্র পড়া নয়, যে কোন কিছু জানতে ইচ্ছে হলেই প্রশ্ন করবে। প্রশ্ন করা জ্ঞানীদের লক্ষণ। তোমরা প্রশ্ন করলে আমি খুশি হবো।"

এই বুঝি স্যারের খুশি হওয়া। তিনি মুখে বলেন এক আর বাস্তবে করেন আরেক। এখন প্রশ্ন করলেই ক্লাস থেকে বের করে দেন। সাথে ইংরেজিতে বলেন- "আই সে গেট লস্ট”"। এইটা কোন কথা হলও। আমি আমার কৌতূহল মিটানোর জন্য প্রশ্নও করতে পারবো না। আর স্যারই তো বলেছিলেন- “"প্রশ্ন করা জ্ঞানীদের লক্ষণ”"। এখন বিধাতা যদি আমাকে জ্ঞানী করে পাঠান পৃথিবীতে তাহলে কি এটা আমার প্রবলেম। জ্ঞানী হওয়াটাও দেখি এখন বিশাল জামেলার। স্যার ঘাড় ধরে ক্লাসের বাহিরে বের করে দেন।

স্যারের শুধু মাত্র যে জন্তু-জানোয়ারের নামে ডাকাডাকির স্বভাব ছিলও তা কিন্তু নয়। স্যারের আরেকটা বিশেষ স্বভাব ছিলও ডাস্টার ছুড়ে মারা। হয়তো কেউ ক্লাসে ফিসফিস করে কথা বলছে। হঠ্যাৎ সে আবিষ্কার করবে একটা ডাস্টার তার কপালে, মাথায়, পিঠে, বুকে এসে ধপাস কে আঘাত করছে। আশ্চর্য হয়ে কি হয়েছে বুঝবার আগেই স্যারের হুংকার শোনা যাবে- "“এই গাধা ডাস্টারটা নিয়ে এদিকে আস”।"

আমিও এই পর্যন্ত ডাস্টারের গুঁতো কম খাইনি। এইতো কিছুদিন আগে তো পুরো কলেজে হইচই ফেলে দিয়েছিলাম। হয়েছে কি- স্যারের বিশ্রাম কক্ষের সামনে দুই তিনজন মিলে কথা-বার্তা বলতে ছিলাম। কি কারণে যেন আমি আবার সেইদিন আলাদীনের দৈত্যের মতো কিছুক্ষণ পর পরই হাসতে ছিলাম।

মানুষের যষ্ঠ ইন্দ্রিয় নাকি খুবই প্রখর থাকে। আমারটা মনে হয় অত্যধিক প্রখর। আমি পিছন ফিরে ছিলাম। যষ্ঠ ইদ্রিয়ের কারণেই হোক আর এমনিতেই হোক - ডাস্টার আমার উপর পরবার আগ মুহূর্তে আমি ঘুরে দাঁড়ালাম। ব্যাস যা হবার হলও। ডাস্টার এসে লাগলো আমার শরীরে। স্যারের হাতের টিপ খুবই ভালো। তিনি ক্রিকেট খেলোয়াড় হলে খুবই নাম কামাতে পারতেন বলে আমার ধারনা। বল ছুড়লে স্টামপে লাগবেই, স্টাম্পের কোথায় লাগলো তা বিশেষ বিষয় নয়, উপরে নিচে কোথাও না কোথাও  লাগবেই। আমারও লাগলো। আমি দুই হাতে স্যারের ডাস্টার লক্ষ্যচ্যুত স্থান চেপে ধরে আকাশ বাতাস কাপিয়ে চিৎকার দিলাম। গলার জোর আমার মাশাল্লা ভালো, এই বিষয়টা উপলব্ধি করলাম এক চিৎকারেই। পুরো কলেজের ছাত্র/ছাত্রী, স্যার/ম্যাডাম এক চিৎকারেই আমার দিকে ছুটে আসতে লাগলো।

স্যারদের বিশ্রামের কক্ষ থেকে সর্ব প্রথমই তুফানের বেগে ছুটে আসলেন শান্তা ম্যাডাম। আমি শান্তা ম্যাডামকে দেখে শান্ত হয়ে দুইপায়ে কেচকি স্টাইলে দাঁড়ালাম। ম্যাডাম আমার সামনে দাড়িয়েই হুংকার ছাড়লেন- "“এই বাদর কি হয়েছে? চিৎকার করছিস কেন?”"

আমি বড়োই হতাশ হলাম। দিনকে দিন স্যার/ম্যাডামদের ব্যাবহার নিম্ম পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। আমি ব্যথায় চিৎকার করছি, কোথায় এসে ম্যাডাম একটু শান্তনা দিবে, সহানুভূতি জানাবে। তা নয়। এসেই ধমক। তিনি তো সুন্দর করে বলতে পারতেন- "“লক্ষ্মীটি! কি হয়েছে তোমার, চিৎকার করছো কেন?”" ম্যাডামদের হৃদয়ে মায়া-দয়া দিনকে দিন কমে যাচ্ছে। আফসোস, বিরাট আফসোস।

এই ধমক খাওয়ার চেয়ে তো আমার চিৎকার চেঁচামেচি করাই ভালো ছিলো। শুধু শুধু ম্যাডামকে দেখে চিৎকার বন্ধ করেছিলাম। আমি আবারো আমার ব্যথার স্থান দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে চিৎকার দিলাম। ম্যাডাম বড় বড় চোখ করে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে বললেন- “"তোর কি লাজ-লজ্জা বলতে কিচ্ছু নাই?" বলেই তিনি রুমের দিকে হাটা ধরলেন। তার পিছু পিছু বদিরুজ্জামান স্যার ও হাটা ধরলেন এবং বারবার মাথা এপাশ ওপাশ করে বলতে থাকলেন- "“এতো আস্তে লাগলো কিন্তু এতো ব্যথা পেল কি করে? আশ্চর্য ব্যাপার!"

প্রিন্সিপাল স্যার আমাকে তার রুমে ঢেকে পাঠালেন। আমি স্যারের রুমে পা দেবার আগেই স্যার ভিতর থেকে ধমকের সুরে বললেন- "“যা, তোর আজ ছুটি। অনেক নাটক করেছিস, আর না। আজ নাটকের এখানেই সমাপ্তি। দূর হ তুই তোর অভিনয় নিয়ে”।"

আমি স্যারের রুমে প্রবেশ করতে করতে বললাম- "“স্যার যেই ব্যথা পেয়েছি, আল্লাহ মালুম কয়দিন লাগে সুস্থ হতে। বডির মেইন সেন্সসেটিভ স্থানে ডাস্টারের গুঁতো। যে না খেয়েছে সে কখনোই বুঝবে না, এর কি যে জ্বালা। ছুটির টাইমটা কি আর একটু বারিয়ে দেওয়া যায় না। দেখা যাবে কালও ব্যথা নিয়ে কলেজে এসেছি, কোথাও অল্প একটু লাগলো। আবারো ব্যথা শুরু হল। আবারো চিৎকার করা শুরু করলাম। আর আপনি বললেন- “আজ তোর ছুটি, এখনি দূর হ আমার কলেজ থেকে, আজকের মতো নাটক এখানেই খতম। এর থেকে ভালো না স্যার কয়েক মাস রেস্টে থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আসলাম।"

স্যার আমার কথা শুনে কিছুই বললেন না। নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন। রুমে শুনশান নীরবতা। নীরবতা হচ্ছে ঝড়ের পূর্ভাবাস। কিছুক্ষণের মাঝেই কি ঝড় উঠবে। প্রকৃতিতে ঝড় উঠলে সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে ফেলে, স্যারও কি সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে ফেলবেন নাকি? যদি লন্ড ভন্ড করেন তাহলে বুঝতে হবে প্রকৃতির সাথে মানুষের চরিত্রের অনেক মিল আছে। আমি ঝড়ের অপেক্ষায় স্যারের দিকে চেয়ে থাকলাম।

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: স্যার এবং আমি!

Darun yahoo

সময় পেলে একটু  ঘুরে আসবেন আমার সাইট থেকে-

http://times4droid.blogspot.com/

Re: স্যার এবং আমি!

মজা পাচ্ছি ! smile smile

অন্তহীন এই পথ চলার শেষ কোথায়?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরুণ (১৫-১১-২০১২ ১৪:২৭)

Re: স্যার এবং আমি!

সারিম-কে বলতে শুনেছিলাম ম্যাডাম গুলো সব এক একটা ডাইনি  big_smile৷ বাচ্চা ছাত্র-ছাত্রীদের একটু শুশ্রুষা করা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বইকি৷  kidding  big_smile
১২ ক্লাসের অঙ্কের ম্যাডামের কথা মনে পড়ে গেল৷, খুব পছন্দ করতাম  wink

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: স্যার এবং আমি!

হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করছে

পলু পারেও বটে ............

খুব সুন্দর হইছে লেখা  smile smile smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: স্যার এবং আমি!

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করছে

এই করুণ কাহানী শুনে হাসি পাচ্ছে?
ডা-ই-নি  big_smile

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: স্যার এবং আমি!

Arun লিখেছেন:
ছবি-Chhobi লিখেছেন:

হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করছে

এই করুণ কাহানী শুনে হাসি পাচ্ছে?
ডা-ই-নি  big_smile

স্যার মেডাম কি করছিল

সেনসেটিভ জায়গা আঘাত পাইছে .... হি হি হি হি

লাগল তো লাগল একেবারে  lol lol lol lol

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: স্যার এবং আমি!

দারুণ! দারুণ! অনেক দিন পার একটা দারুণ রম্য পড়লাম।  clap

পমা ভাই ইস ব্যাক। thumbs_up tongue_smile

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: স্যার এবং আমি!

আরণ্যক লিখেছেন:

দারুণ! দারুণ! অনেক দিন পার একটা দারুণ রম্য পড়লাম।  clap

পমা ভাই ইস ব্যাক। thumbs_up tongue_smile

পম ঘাজিপুঢ়

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১০

Re: স্যার এবং আমি!

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

ম্যাডাম বড় বড় চোখ করে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে বললেন- “"তোর কি লাজ-লজ্জা বলতে কিচ্ছু নাই?"

শুধু এটুকুই বললো ? বাচাল বলে নাই ?

১১

Re: স্যার এবং আমি!

দারুনস হয়েছে

"We want Justice for Adnan Tasin"

১২

Re: স্যার এবং আমি!

thumbs_up thumbs_up চমৎকার

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

১৩

Re: স্যার এবং আমি!

এটা কি এখানেই শেষ? নাকি আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে কোমল 'শুশ্রূষা প্রাপ্তি' নিয়ে আরো কিছু থাকবে? tongue hehe
ভালো হয়েছে smile

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: স্যার এবং আমি!

উদাসীন লিখেছেন:

নাকি আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে কোমল 'শুশ্রূষা প্রাপ্তি' নিয়ে আরো কিছু থাকবে?

নারে ভাই এইকাখেনই শেষ। আমার যদি আপনার মতো নায়লা বানু টুনু থাকতো তাহলে, আমার এই করুন পরিস্থিতিতে তার কিরকম অনুভূতি হয় তা নিয়ে গোটা দেরেক লেখা থাকলেও থাকতে পারতো। কিন্তু আফসোস, বিরাট আফসোস। আমার লাইফে কোনই নায়লা বানু নাই.... cry

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৫

Re: স্যার এবং আমি!

স্যারদের সাথে রসিকতা করা  notlistening

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৬

Re: স্যার এবং আমি!

হৃদয় লিখেছেন:

স্যারদের সাথে রসিকতা করা  notlistening

রসিকতা করলাম কোথায় স্যার। স্যারদের তো যতাযথো সম্মান রেখেই কথাবার্তা বললাম। thinking

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৭

Re: স্যার এবং আমি!

খুব ভালো লাগলো রেপু নেন mail

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

১৮

Re: স্যার এবং আমি!

এরকম নিখুঁত নিশানাওয়ালা পেসবোলার স্যার থাকলে গার্ড-টার্ড লাগিয়ে যাওয়া উচিত ক্লাসে।

১৯

Re: স্যার এবং আমি!

একইরকম অভিজ্ঞতা আমারও আছে ।শুধু ডাস্টারের জায়গায় বেত হবে ।তখন অবশ্য আমি ক্লাস টু তে পড়তাম ।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

২০

Re: স্যার এবং আমি!

lol2 lol2 lol2 lol2 ভালো হয়েছে

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত