টপিকঃ যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-২
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৩
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৫

আগের পর্বের কিছু অংশ হতে...
নুয়ান যা বোঝার বুঝে নেয়। একে চাপ দিয়ে লাভ নাই। অবশ্য বায়ানের উপর ভরসা করা যায়।  নতুন রেন-পোর্টারটা নিয়ে ওরা দু’জন বেড়িয়ে পড়ে। যাওয়ার আগে অকস্মাৎ সিমিতকে আলিঙ্গন করে কানে কানে বলে, ‘ আমি মেকা -১১৪৪৮৮, পাগলটার যত্ন নিও। দেখা হলে ফেরিনকে আমার সম্মান জানিও’
   একে তো আলিঙ্গন, তার উপর আবার কানে কানে হেসে কথা বলা...নুয়ানের অসহ্য হয়ে যায়। এক ঝটকায় অভদ্রের মত সিমিতকে ছাড়িয়ে নিয়ে হাঁটতে থাকে। যেতে যেতে সিমিত বিস্ময়ে বায়ানের দিকে তাকিয়ে থাকে। একটা অতি সূক্ষ্ম পরিকল্পনার ছাঁচ ধীরে ধীরে কি স্পষ্ট হয়ে ওঠে!
   ভ্রমণ আনন্দদায়ক হোক নুয়ান এবং......সিমিত! বায়ান ব্লিৎস উচ্চস্বরে হেঁকে উঠে।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
রেন-পোর্টার, রেন সমুদ্র
যেলড্রন

========================================================================   
   রেন-পোর্টার –এর ভিতরটা কিছুটা ক্লস্ট্রোফোবিক! বেশ চাপা জায়গা নিয়ে দু’জনেই প্রথমটায় খানিক অস্বস্তিতে ভুগলেও একবার যখন ঢুকে পড়ল, তখন আর কোনো আপত্তি থাকলো না। অসাধারণ আরামদায়ক – চমৎকার উষ্ণ পরিবেশ। স্বচ্ছ নৃসিয়ামের দেয়াল দিয়ে হালকা সবুজাভ রেনদের দেখা যাচ্ছে। অনুভূতিটা অনেকটা পুলের কৃত্রিম পানিতে সাঁতার কাটার মত। মনে পড়ে গেলোঃ যেলড্রনে কোনো পানি নেই; পানি তৈরী করতে হয়!
   তবে বসার ব্যবস্থাটা নিয়ে নুয়ানের ইতঃস্ততা কাটলো না। ব্যাটা বায়ান কত্ত বড় ফাজিল! এমনভাবে ডিজাইনটা করেছে যে গায়ে গা লাগবেই! একটা মেকি জিনিসের সাথে এই অনাবশ্যক ঘনিষ্ঠতার কোনো মানে হয়? আবার চোখ টিপে বায়ানের ইঙ্গিতটা মনে হতেই কানটাও গরম হয়ে উঠলো। কী জ্বালা! নুয়ান হাড়বিহীন মাংসের দলার মত সিমিতের পিছনে সিঁটিয়ে রইলো।
   চালকের আসনে সিমিতই বসেছে। রেন –এ নুয়ানের অভিযানের অভিজ্ঞতা শূন্যের কাছাকাছি! কিন্তু সিমিতের ক্ষেত্রে সেটা নয়। বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিমিতকে প্রায় সব কিছুতেই ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে। রেন-পোর্টার চালানোর তথ্য সিমিতের অজানা নয়! তাছাড়া রেন –এর অত্যন্ত গভীরে একটা বিশেষ জায়গাকে লক্ষ্য করে এগোতে হচ্ছে যেটা একমাত্র সিমিতই ভালো জানে। অন্ততপক্ষে জানে বলে মনে করে!
   তুমি কি নিশ্চিত আমরা কোথায় যাচ্ছি? অস্বস্তি কাটাতে নুয়ান প্রশ্ন করে।
   না, মোটেই না! তোমাকে আগেই বলেছি, নুয়ান। আমি কেবল আন্দাজে একটা ঢিল ছুঁড়ছি মাত্র। এখনও সময় আছে – গভীরে যাওয়ার আগে ফিরে যাবার চিন্তাটা করা যেতে পারে।   
   ফিরে যাবার প্রশ্ন আসছে কেন? প্রমোদ ভ্রমণের জন্য আমি নিশ্চয়ই ৩২ য্রাটান বায়ানকে দেই নি! নাকি তাই ভেবেছো? ফেরিনকে খুঁজে পেতেই হবে...সাহায্য করো, মেকা-প্রাণ!
   সিমিত পিছু ফিরে নুয়ানের দিকে ভ্রূ কুঁচকে তাকায় এবং বলে, ‘প্লীজ’  (মনে মনে ভাবে,  অনুরোধ করার শিষ্টাচারটুকুও গিলে খেয়েছে! মেকারা কি এতটাই ঘৃণ্য!)
   নুয়ান কেবল কাঁধ ঝাঁকায় এবং কিছুটা অনীহা নিয়ে টেনে টেনে  বলে, ‘ প্লী-ই-ই-জ-জ’
   হ্যাঁ, হ্যাঁ ঠিক আছে। তাহলে অভিযানের জন্য প্রস্তুত হও। শক্ত হয়ে বসো। সব ঠিক থাকলে ইলেভা-২ (২৬) –এ আমরা কিছুক্ষনের মধ্যে পৌঁছে যাবো। সব হয়তো ঠিকই ছিলো, কিন্তু একটা বেঠিক কাজ ওদের অজান্তে  ঘটে গেলো। উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের একটা ন্যানো ট্রাকিং মেকা, ন্যানমেক(২৭) রেন-পোর্টারের নৃসিয়াম দেয়ালে সন্তর্পনে গেঁথে রইল...
   
কিছু ঘন্টা আগে...
হিলড্রা, উচ্চ-যেলড্রন

  ইউয়ান ইয়েরিন তাঁর সামনে রাখা একজোড়া কন্টাক্ট লেন্স –এর মত দেখতে ডিভাইসটার দিকে বিতৃষ্ণা নিয়ে তাকিয়ে আছেন। এটাকে উচ্চ-যেলডিরা লেনপ্রব(২৮) নাম দিয়েছে। চরম স্পর্শকাতর তথ্য জানানোর জন্য কাপ্পা-নেট ব্যবহার না করে লেনপ্রব দিয়ে ব্যবস্থা করা হয়। এতে কম্প্রোমাইজড হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। লেনপ্রবে রিপোর্টকারির নানান জরুরী অবস্থার বর্ণনা, পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্ত, সুপারিশ ইত্যাদি সম্ভাব্যতার নিঁখুত বিচারে শ্রেণিবিন্যাস করে সেই ঘটনাগুলি চলচিত্রের মত করে দেখানোর ব্যবস্থা আছে। রিপোর্টটা পাঠিয়েছে হেসলান হেরিং।
   লেনপ্রবের লেন্স দু’টো পরতে এমনিতেই তাঁর ভালোলাগে না। তার উপর সেটা যদি হেসলানের হয়, তাহলে তো কথাই নাই! মিনিট পাঁচেক দ্রুত স্ক্যান করে তিনি খুলে রাখতে বাধ্য হলেন। খুবই ভয়ংকর সব জল্পনা-কল্পনা! এই লোকের চিকিৎসা হওয়া দরকার!
   নিম্ন-যেলডিদের নিয়ে ষড়যন্ত্রের অতিরঞ্জিত আবর্জনা বাদ দিলে যেটুকু বুঝতে পারলেন, সেটা হলোঃ নুয়ান নৈঋত নামক এক অখ্যাত(!) নিম্ন-যেলড্রিয়ান –এর ফ্যারিহাড্রিয়ান ফ্যাসিলিটিতে গোপন অনুসন্ধান। নামটা কোনো রেকর্ডে তেমনভাবে নেই! সে একপ্রকার স্বশিক্ষিত। কিন্তু কাপ্পা-নেটের নিরাপত্তা ভেদ করার মত ক্ষমতা নিজে নিজে অর্জন করাটা তাঁকে আগ্রহী করে তুললো। এ আর যাই হোক, সাধারণ কেউ নয়! ভাবনার বিষয়।
   তার উপর একটু আগে ন্যানমেক –এর পাঠানো তথ্য ও ছবি হতে আরো একজনকে চিহ্নিত করা গেছে। অসামান্য সুন্দর একটা মেয়ে – সিমিত সেরিন। সম্ভবত মেকা। রেকর্ডে এ-ও নেই বললেই চলে। হচ্ছেটা কী? আর এদের একটা কাস্টমাইজড রেন-পোর্টারে করে রেন সমুদ্রের গভীরে ডুব দেয়া..... কতগুলো ছন্নছাড়া বিন্দুকে একত্রে মিলানোর একটা চেষ্টা ইউয়ানের মাথা ঝড়ের বেগে চলতে থাকে। রেন –এ কেন? রেন –এ সবচে’ উল্লেখযোগ্য কী আছে? কেন, ফেরিন...ফেরিন ফ্যারিহাড! সেটা কি সম্ভব? আর সম্ভব হলেও এই যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী? অসুস্থবোধ করতে থাকেন ইউয়ান ইয়েরিন। তাছাড়া আরো একটা বিষয়ে কাঁটা বিঁধে থাকে – সিমিত –এর সঙ্গে একজনের মারাত্মক সাদৃশ্য! 

রেন-পোর্টার, রেন সমুদ্র

   ইলেভা-২ –এর দিকে প্রচণ্ড বেগে ছুটে চলেছে সিমিতদের রেন-পোর্টার। ইলেভা-২ গভীর রেন সমুদ্রের একটা মধ্যবর্তী স্তর। সিমিত শুধুমাত্র কিছু ভাসা ভাসা স্মৃতির উপর নির্ভর করে ইলেভা-২ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখানেই সিমিতের প্রশিক্ষণ হয়েছিলো।
   সাধারণ শ্রেণীর রেন-পোর্টার ইলেভা-১ স্তর পর্যন্ত যেতে পারে, কিন্তু বিশেষভাবে তৈরী সিমিতদের রেন-পোর্টারটা অনায়াসে ইলেভা-১ –এ প্রবেশ করলো। যতই গভীরে যাচ্ছে, রেন তরলের চাপ ততই বাড়ছে। আর বাড়ছে পাথুরে বাধা; তলদেশের পর্বতের চূড়া, গিরিখাদ, সুরঙ্গ। যাত্রা এখন ভয়ানক বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এঁকেবেঁকে, পেঁচিয়ে, গা বাঁচিয়ে রেন-পোর্টার ছুটে চলেছে।   
   নুয়ান সিমিতের নেভিগেশনাল নৈপুণ্যে মুগ্ধ না হয়ে পারলো না, কিন্তু চোখ যে আর খুলে রাখতে পারছে না! যেভাবে উপর-নীচ হয়ে চলছে, নুয়ানের মনে হলো যতই নৈপুণ্য থাক, কখন যে একটা দুর্ঘটনা ঘটে গিয়ে এখানেই সব শেষ হয়ে যায়। সে অজান্তেই সিমিতের আরো কাছে ঘেঁষে...শক্ত করে জরিয়ে ধরে কি...শেষে চোখ বন্ধ করে ফেলে। সে একজন বৈজ্ঞানিক; দুর্দান্ত অভিযানের অকুতোভয় কোনো সেনানী তো নয়!
    এভাবে কতক্ষণ কেটেছে, বলতে পারে না নুয়ান। মাথায় একটা হালকা দপদপে ব্যথা নিয়ে ধীরে ধীরে চোখ খুলতে থাকে। কোথায় আছে ঠিক ঠাহর হয় না, তবে রেন-পোর্টারটা যে স্থির হয়ে আছে, এটা বুঝতে পারে। নাকে একটা চমৎকার সুগন্ধ; একতাল সুগন্ধী রেশমের মধ্যে যেন হাবুডুবু খাচ্ছে! নুয়ানের পুরো শরীরে একটা অদ্ভুত পেলব দেহের স্পর্শ...হঠাত নুয়ান বুঝে যায় কী ঘটছে – সে সম্ভবত সিমিতের চুলে নাক গুঁজে জরিয়ে ধরে বসে আছে। মহা কেলেংকারি!
   ঝট করে মাথাটা সিমিতের চুলের অরণ্য হতে সরিয়ে নেয়। সিমিত সম্ভবত দুলে দুলে হাসছে! পিছন ফিরে, ‘নুয়ান, আমরা এসে গেছি ইলেভা-২ –এ। রেন-পোর্টারটা, আমার ধারণা চলছে না (হাসি), অতএব, আমার কোমরটা এবার ছাড়লে ভালো হয়!’
   নুয়ান স্রেফ খাবি খায়। সিমিতের প্রশংসনীয় কার্ভ থেকে দ্রুত হাত সরিয়ে তোতলাতে থাকে, ‘অবশ্যই, অবশ্যই!’ তারপর আকস্মিকভাবে হেসে ফেলে। বড় সুন্দর সে হাসি! হঠাত এক ধরণের বেদনায় সিমিত কেঁপে উঠে। যে হাসিকে নেয়া যাবে না হয়তো কোনো কালেই, তার জন্য এমন মন কেমন করা কেনো? তার ভিতরের ইভেল্যুশেনারী এলগোরিদমটাকে(!) সে এই প্রথম ঘৃণা করতে থাকে – অর্থহীন একটা প্রচেষ্টা!
   চারপাশে সবুজটা আরো গাঢ় হয়েছে। ওদের রেন-পোর্টারটা তলদেশের কোনো একটা উপত্যকায় ল্যান্ড করেছে। হঠাত খুব ক্ষীণ খলবলে হাসির মত একটা শব্দ শোনা যায়। একটানা হাসি। নুয়ান কান পেতে শুনতে খুব একটা সুবিধা করতে না পারায় যান্ত্রিকভাবে বিবর্ধিত(এমপ্লিফাই) করে। এখন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।
   সিমিত, শুনতে পাচ্ছো? হাসির মত শব্দটা আসছে কোথায় থেকে?
   ওটা রেনদের শব্দ, নুয়ান! সিমিত ঘোষণার ভঙ্গীতে বলে। আমার হিসাব ঠিক থাকলে আমরা ঠিক জায়গাতে এসে পৌঁছেছি। এখানের কোথাও আমার প্রশিক্ষণ হয়েছিলো। কিন্তু বলতে পারবো না কোথায়? সেই তথ্যটা ইচ্ছে করেই মুছে ফেলা হয়েছে!
   প্রশিক্ষণ হয়েছিলো মানে কী? তুমি কি কোনো গুপ্ত সংগঠনের সদস্য? ফ্যারিহাডকে কি স্বচক্ষে দেখেছো?
   ধরে নিতে পারো। ফ্যারিহাডকে কেউ স্বচক্ষে দেখে না। সে এমপ্যাথিক চ্যানেলে যোগাযোগ করে। তোমাকে তো আগেই বলেছিঃ আমার মিশন তোমাকে যথাসাধ্য রক্ষা করা। তুমি একটা দুর্লভ মেকা-প্রাণ!
   এখনই এত জোর দিয়ে সেটা বলো না। সেটা যাচাই করার জন্যই তো এই ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে!
   সে আমি বলতে পারবো না। তবে, এখানেই আমার দায়িত্ব শেষ। কী করবে এখন সেটা তুমিই ঠিক করো, নুয়ান। হঠাত একযোগে নুয়ান এবং সিমিতের মাথায় একটা ভোঁতা যন্ত্রণা হতে থাকে। কেউ সম্ভবত এমপ্যাথি প্রয়োগ করে কিছু বলতে চাচ্ছে! একটা ভারী পরিষ্কার, কতৃত্বপূর্ণ কণ্ঠ শুনতে পাওয়া যায়...
   আমি ফেরিন, ফেরিন ফ্যারিহাড বলছি! তোমাদের রেন –এ স্বাগতম! রেন ইঙ্গিত অনুসরণ করো। তবে, তার আগে তোমাদের রেন-পোর্টারে থাকা উচ্চ-যেলড্রিয়ান ন্যানমেকাটা অপসারণ করো। ইলেভা-২ –এ তোমাদের পৌঁছানোর খবরটা ইউয়ান সম্ভবত জানে।
   ইউয়ান, মানে উচ্চ-যেলড্রিয়ান নিরাপত্তা উপদেষ্টা, ইউয়ান ইয়েরিন! বিস্ময়ে হা হয়ে যায় নুয়ান। কিন্তু ততক্ষণে এমপ্যাথিক চ্যানেল কেটে যায়। এর অর্থ কিন্তু সুদূর প্রসারী। দু’য়ে দু’য়ে চার মেলায় নুয়ান। এটা তখনি সম্ভব যদি কাপ্পা-নেটে তার উপস্থিতি শনাক্ত হয়ে পড়ে। নইলে নুয়ানকে তো খুঁজে পাবার কথা না। চিন্তিত হয়ে পড়ে নুয়ান।
   ওদিকে সিমিত কাজে লেগে পড়ে। নিজের নির্বুদ্ধিতায় হাত কামড়াতে থাকে। রেন –এ আভিযানের আগে একবার ন্যানমেকা-চেক করে নেয়া উচিত ছিলো। আসলে চিন্তাও করতে পারে নি – উচ্চ-যেলডিরা এত তাড়াতাড়ি টের পেয়ে যাবে! শত্রুর ক্ষমতাকে কোনো অবস্থায়ই খাটো করে দেখার অবকাশ নেই! অতি সাবধানে ন্যানমেকাটাকে সরাতে সরাতে ভাবতে থাকে সিমিত! নুয়ানের মত সে-ও খানিকটা উত্তেজিত...ফ্যারিহাড সম্ভবত এমন জায়গায় ওদের নিয়ে যাবেন, সেখানে সিমিত কখনোই যায় নি। স্বয়ং ফ্যারিহাডকেও কি দেখা যাবে? এমনি অনেক প্রশ্ন মাথায় ঘুরতে থাকে।

==========================================================================
শব্দ-কোষঃ
২৬. ইলেভাঃ কাল্পনিক, রেন –এর গভীরে একট স্তরসমূহ।
২৭. ন্যানমেকঃ কাল্পনিক, উচ্চ-যেলড্রিয়ান ন্যানো ট্রাকিং মেকা (যন্ত্র)। সারভেইল্যান্স ইকুইপমেন্ট। 
২৮. লেনপ্রবঃ কাল্পনিক,  লেনপ্রবে রিপোর্টকারির নানান জরুরী অবস্থার বর্ণনা, পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্ত, সুপারিশ ইত্যাদি সম্ভাব্যতার নিঁখুত বিচারে শ্রেণিবিন্যাস করে সেই ঘটনাগুলি চলচিত্রের মত করে দেখানোর ব্যবস্থা আছে। 

চলবে...

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন linx_freak (১৮-১০-২০১২ ০৭:৫১)

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

গল্পটা চমৎকার জমেছে... thumbs_up।এ যেন ডিনারে কঠিন সব ইংলিশ ডিশ এর সাথে খাঁটি রোমান্টিক রসগোল্লার ডেজার্ট ।  জটিল রসায়ন  big_smile... পরেরটা তাড়াতাড়ি দিয়েন ভাই  smile

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

এই পর্বটা বেশ লাগলো , ধন্যবাদ উদা ভাই।

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

দারুণ হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেনো সিনেমা দেখছি। রেন-প্রোবের সিটিং এরেঞ্জমেন্ট মনেহয় এয়ার অ্যা্রাবিয়ার মতো lol মজারে মজা wink

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

জটিল হয়েছে ভাই, গল্পটা সেইরকম জমে উঠেছে  thumbs_up thumbs_up

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

linx_freak লিখেছেন:

এ যেন ডিনারে কঠিন সব ইংলিশ ডিশ এর সাথে খাঁটি রোমান্টিক রসগোল্লার ডেজার্ট ।  জটিল রসায়ন  big_smile...

জটিল বলেছেন smile পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেয়ার চেষ্টা করবো।

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

এই পর্বটা বেশ লাগলো , ধন্যবাদ উদা ভাই।

ধন্যবাদ সাইফুল!

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

দারুণ হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেনো সিনেমা দেখছি। রেন-প্রোবের সিটিং এরেঞ্জমেন্ট মনেহয় এয়ার অ্যা্রাবিয়ার মতো lol মজারে মজা wink

হা হা হা এয়ার এরাবিয়া?  kidding আপনি আর ভাবি - দুইজনে নুয়ান-সিমিতের মত আগুপিছু বসেছিলেন নাকি?  tongue_smile

ফারহান খান লিখেছেন:

জটিল হয়েছে ভাই, গল্পটা সেইরকম জমে উঠেছে  thumbs_up thumbs_up

ধন্যবাদ ফারহান  smile

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৬

গল্পের শেষে কি হবে তা ভেবেই অনেক প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে। চলুক। কমেন্ট করি না মানে কিন্তু পড়ি না তা না। অনেক সময়ই কমেন্ট করার সময় হয়ে উঠে না।  hairpull

hit like thunder and disappear like smoke