সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১২-১০-২০১২ ২৩:৪৭)

টপিকঃ পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

কমপ্লিমেন্টারী বুফে ব্রেকফাস্ট ঃ
পরের দিন সকাল সাড়ে আটটার দিকে উঠে পড়লাম। সকাল সাতটা থেকে সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত ব্রেকফাস্টের টাইম। ফ্রেশ হয়ে আমরা একতলার ক্যাফে-লীফে গেলাম। নাস্তার আইটেমের মধ্যে ছিলো পরোটা, অমলেট, সিদ্ধ ডিম, সসেজ, চিকেন ভুনা, ফ্রেঞ্চ টোস্ট, খিচুড়ি, সবজি, বিনস, প্লেইন মাফিন, চকলেট মাফিন, ব্রেড, বাটার, চা, কফি, অরেঞ্জ জুস। পেট ভরে নাস্তা করলাম। রুমে ফেরার একটু পরেই হাউসকিপিং থেকে এসে রুম পরিস্কার করে দিয়ে গেলো। রুমে বসে অলস সময় কাটাতে কাটাতেই দেখি কোন এক চ্যানেলে আমাদের ফেভারেট মুভি সিংঘাম দেখাচ্ছে। আমরা সিংঘাম দেখলাম। নায়ক একাই ত্রিশ-চল্লিশটা ভিলেনকে পিটিয়ে সিধা বানিয়ে দেয়। ঘুষি না মেরে, মারে থাবা! নিঃসন্দেহে মজাদার।

হিমছড়ি যাত্রাঃ
সিনেমা শেষ করে দুপুরে বের হলাম খাওয়াদাওয়া করতে। ধানসিড়ি রেস্টুরেন্ট থেকে দুপুরের খাবার খেলাম। এবার মেইন আইটেম ছিলো রুপচাদা। চিন্তা করলে এখনো মুখে জল চলে আসে। খেয়েদেয়ে বের হয়ে একটা টমটম ঠিক করলাম হিমছড়ি যাবার জন্যে। আপডাউন দুইশো টাকা। দুই পাশের দৃশ্য দেখে আমার বউ ব্যাপক খুশি। সে আগে কখনো হিমছড়ি যায়নি। মেরিন ড্রাইভের রাস্তাটার খুব কাছে সমুদ্র চলে এসেছে। রাস্তা সংরক্ষণের জন্য আর্মি দেখি তিমি মাছ সদৃশ্য বালুর বস্তা দিয়ে সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় বাধ দিয়েছে।

https://lh4.googleusercontent.com/-zmLF63gt3AE/UHVqF2UrRLI/AAAAAAAAARc/dwoxriuhWYQ/s640/SAM_1848.JPG

https://lh4.googleusercontent.com/-Vz_4vCWpF9Y/UHVuJZQ5mQI/AAAAAAAAASA/Xt9lJ3_h4dE/s640/SAM_1901.JPG

হিমছড়িতে আসার পরেই পড়তে হলো বিড়ম্বনায়। বাংলাদেশের সব ট্যুরিস্ট স্পটে যে সমস্যা, সেই একই সমস্যা। পিচ্চি গাইডের যন্ত্রণা। এক পিচ্চিতো রীতিমতো সালাম ঠুকে, রাস্তা ব্লক করে দাঁড়িয়ে বলে,
-    নিড গাইড স্যার? শো অল থিং ইউ। নো প্রবলেম। (একেবারে জ্বলন্ত জলিলের ভাতিজা!)
-    ইটস ওকে। উই ডোন্ট নিড গাইড।
-    ছলেন না স্যার। সুন্দর করে ঘুরাই দেহামু। দুইজনের ছবি থুলে দিবো সুন্দর করে যে।
-    লাগবে না।
লাভ হলো না। পিছে পিছে ঘুরতেই থাকলো। এমনকি আমাদের পিছে পিছে এরা পাহাড়ের উপরেও উঠে গেলো। কোন কিছুতেই যখন পিছ ছাড়ছিলো না, তখন আমার বৌ বিরক্ত হয়ে ওর আসলি সুরত বের করে রীতিমত হুঙ্কার দিয়ে বললো,
-    ন ক্ষইজ্জেদি না!!               
এবারে কাজ হলো। পিচ্চির দল আমাদের পিছু ছাড়লো। যদিও আমি এই লাইন ডিকোড করার মত লায়েক এখনো হইনি, তবে বুঝলাম কড়া নেগেটিভ টাইপ কিছু বলেছে। পাহাড়ের উপর থেকে আমরা সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করলাম। এর মধ্যে আরেক ট্যুরিস্ট দলের এক ইয়াং ছেলেকে রিকোয়েস্ট করলাম আমাদের দুজনের একসাথে ছবি তুলে দেবার জন্যে। ছেলেটা আমাদের ছবি তোলার সময় ওর বাংলা কথার এক্সেন্ট শুনে বুঝলাম এ বান্দাও ছিটাগং এর যে।
-    বদ্দা, একটু ফিছন থেকে থুললে সিনারীটা সুন্দর আসবে যে।
-    হ্যা, ভাই। আপনি পিছন থেকে তোলেন। তবে পিছাতে পিছাতে পাহাড় থেকে পড়ে যেয়েন না।
-    হে হে হে। ন ফরিবো বদ্দা। অসুবিধা নাই যে।
ছেলেটা আন্তরিকভাবে বেশ কয়েকটা ছবি তুলে দিলো। আমরাও তাকে আন্তরিকভাবেই অনেক ধন্যবাদ জানালাম।

https://lh6.googleusercontent.com/-VZYYHPYMre8/UHVrLO1Mv4I/AAAAAAAAARo/EdIZRx9TDzY/s640/SAM_1870.JPG

https://lh3.googleusercontent.com/-qeWa8DglWMs/UHVtOKpBgGI/AAAAAAAAAR4/5lswkOXiC9I/s640/SAM_1890.JPG

https://lh6.googleusercontent.com/-Apm6wz8GCfk/UHVseC0knkI/AAAAAAAAARw/QI8BjvIHXbU/s640/SAM_1891.JPG

কলাতলী ক্যাফেঃ
হোটেলে ফেরত এসে নিচের লাউঞ্জে অবস্থিত কলাতলী ক্যাফেতে এসে বসলাম। একটু রেস্ট নিয়ে চা এর অর্ডার দিলাম। চা এর সাথে নিলাম চকোলেট-সুফলে। জিনিসটা খেতে খুবই চমৎকার। মুখের মধ্যে কেমন গলে গলে যায়। এই ক্যাফেটাও বেশ খরুচে। পরেরদিনও এখান থেকে সিঙ্গারা আর ফ্রুট-ট্রাইফেল খেয়েছিলাম। সেগুলোও ছিলো অত্যন্ত সুস্বাদু। বাড়তি দাম ছাড়াও এই ক্যাফেটার আরেকটা বিশেষত্ব আছে সেটা টের পেলাম খাওয়া শুরু করার খানিক পরেই। আমরা চা খাওয়া শুরু করার সাথে সাথেই দেখি যে, তবলা আর মেন্ডোলিন বাজিয়ে রোমান্টিক গানের সুর বাজানো শুরু করে দিলো এক পাশে বসা তিন মিউজিসিয়ান। বিশাল লবির মধ্যে সেই সুর ইকো তৈরী করে চমৎকারভাবে ছড়িয়ে পড়ছিলো।   

https://lh5.googleusercontent.com/-63si0f9H4wg/UHVvBKrTpZI/AAAAAAAAASM/7jLp4ICjJXU/s640/SAM_1945.JPG

সুইমিংপুল আর জিমঃ
চা-নাস্তা খেয়ে আমরা গেলাম সুইমিংপুলে। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটার দিকেও সুইংমিংপুলের ভরা মেহফিল দেখে নামার সাহস করলাম না। যেহেতু সাতার পারি না, তাই লোকজনের সামনে সুইমিংপুলের অগভীর অংশে নেমে দাপাদাপি করার কোন মানে দেখি না। তার বদলে জিমে গিয়ে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের যন্ত্রপাতিগুলো নাড়াচাড়া করে সেদিনের মতন রুমে ফিরে গিয়েছিলাম। পরের দিন বিকেল চারটার দিকে সম্পূর্ণ খালি সুইমিংপুলে নামার সৌভাগ্য হয়েছিলো। ওয়াটার-ফোবিক হয়েও বউয়ের সামনে বীরদর্পে গায়ের টিশার্ট খুলে যখন পুলের অগভীর অংশে নামতে যাচ্ছিলাম, তখন শুনি পিছন থেকে এটেনডেন্ট বলছে, “স্যার, ওদিকে বিল্ডিং এর উপরে সংস্কারের কাজ হচ্ছে। তাই ওদিকে যাবেন না। অন্যদিক দিয়ে নামেন।” ঘাড় উচিয়ে দেখি, অগভীর অংশের দিকে হোটেল বিল্ডিং এর টপ ফ্লোরের বাইরের দিকে কিছু শ্রমিক স্পাইডারম্যানের মতন ঝুলে ঝুলে কি যেন করছে। কি আর করা, বৌয়ের সামনে ইজ্জতের ফালুদা হবে, তাতো হতে পারে না। সাবধানে গভীর অংশেই নেমে গেলাম। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার ছিলো যে, গভীর অংশের গভীরতা সাড়ে পাচ ফিট। তাই তেমন একটা অসুবিধা হয়নি। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জলকেলী করলাম। তারপর উঠে গেলাম সোনাবাথ করতে। তবে গরম বাষ্পে ভরা চেম্বার থেকে কয়েক সেকেন্ডেই বের হয়ে এসেছিলাম। এটাকে টরচারিং বাথ বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে। এরপর শাওয়ার রুমে গিয়ে গোসল করে একবারে রুমে চলে গিয়েছিলাম।   

https://lh5.googleusercontent.com/-IeFFQGTtuc4/UHVqEU-6mJI/AAAAAAAAARU/KMr0Q35x9Ak/s640/SAM_1842.JPG

বিদায় কক্সবাজারঃ
আসার আগের দিন রাতে ডিনার করলাম হোটেল লংবিচের উল্টো দিকে অবস্থিত কেএফসিতে। একটু আফসোস হলো। কারণ এটা সিলেটে এখনও আসে নাই। পরেরদিন সকালে আরেকবার এলাহী বুফে ব্রেকফাস্ট সেরে সকাল সাড়ে দশটার দিকে চেকআউট করলাম। হোটেলের একটা কারে করে আমাদেরকে একদম বাস টার্মিনালে বাসের সামনে ড্রপ করে দিলো। এই সার্ভিসটাও ছিলো কমপ্লিমেন্টারী। পৃথিবীর দীর্ঘতম সৈকতের চমৎকার একটা হোটেলে চমৎকার তিনটা দিন কাটিয়ে আমরা রওনা দিলাম চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে। পিছনে ফেলে আসলাম দীর্ঘতম সৈকত, আর সাথে নিয়ে চললাম কিছু সুন্দর স্মৃতি।

https://lh3.googleusercontent.com/-KydiMemN5Ok/UHe0et9NfSI/AAAAAAAAATE/BQ8c1TmG19s/s640/SAM_1952.JPG

https://lh6.googleusercontent.com/-Wy1nVoHPcbo/UHe2aqrQYWI/AAAAAAAAATU/KxdW7rxzel0/s640/SAM_1954.JPG

https://lh5.googleusercontent.com/-_fNHk_dNF54/UHe1sHEJiOI/AAAAAAAAATM/W2po5sj4AYg/s640/SAM_1955.JPG
[সমাপ্ত]

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরুণ (১২-১০-২০১২ ২৩:৫৯)

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

লেখা ও ফটোগ্রাফি দুইই মনোগ্রাহী৷

এই লাইনটা লেখার জন্য কি পারমিশান নিয়েছেন--- "আমার বৌ বিরক্ত হয়ে ওর আসলি সুরত বের করে রীতিমত হুঙ্কার দিয়ে বললো, "

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন linx_freak (১৩-১০-২০১২ ০০:০৫)

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ন ক্ষইজ্জেদি না!!

আপনার বউ কি চিটাগাং এর মানুষ নাকি? লেখা বরাবরের মতোই খুব ভাল হয়েছে। সুন্দর একটি ভ্রমণ কাহিনী উপহার দেবার জন্য ধন্যবাদ  smile

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

বাহ্‌, চমৎকার পরিসমাপ্তি! ভালোই কাটালেন কাউয়া ভাই...কাছের কাউকে নিয়ে এই ধরণের ভ্রমণের মজাই আলাদা। কলাতলী ক্যাফেতে কি শুধু আপনাদের উদ্দেশ্য করে বাজনা বাজিয়েছিলো নাকি? tongue_smile আই বেট..ইউ গাইস মাস্টা লুকড্‌ লাইক এন ঔসাম কাপ্‌ল!!
@অরুণদা, পারমিশানের আর কী দরকার? বড়জোর কাউয়া ভাই একটা রাত সোফায় কিংবা মেঝেতে কাটাবে। অসংখ্য বৌ-সহ রাতের মধ্যে একটা বৌ-বিহীন রাত - এমন কিছু না hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৩-১০-২০১২ ০০:২৪)

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

Arun লিখেছেন:

লেখা ও ফটোগ্রাফি দুইই মনোগ্রাহী৷

এই লাইনটা লেখার জন্য কি পারমিশান নিয়েছেন--- "আমার বৌ বিরক্ত হয়ে ওর আসলি সুরত বের করে রীতিমত হুঙ্কার দিয়ে বললো, "


ধন্যবাদ। ধুর মিয়া, আমি বউরে ডরাই নি? (খাইছেরে! এই লাইনটা না দেখলেই হয় nailbiting)

linx_freak লিখেছেন:

আপনার বউ কি চিটাগাং এর মানুষ নাকি? লেখা বরাবরের মতোই খুব ভাল হয়েছে। সুন্দর একটি ভ্রমণ কাহিনী উপহার দেবার জন্য ধন্যবাদ  smile


আপনাকেও পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।্ঠিক ধরেছেন। তবে আমাদের দুজনের ইতিহাস বিরাট। আগের টপিকগুলো পড়লে বুঝবেন lol

উদাসীন লিখেছেন:

বাহ্‌, চমৎকার পরিসমাপ্তি! ভালোই কাটালেন কাউয়া ভাই...কাছের কাউকে নিয়ে এই ধরণের ভ্রমণের মজাই আলাদা। কলাতলী ক্যাফেতে কি শুধু আপনাদের উদ্দেশ্য করে বাজনা বাজিয়েছিলো নাকি? tongue_smile আই বেট..ইউ গাইস মাস্টা লুকড্‌ লাইক এন ঔসাম কাপ্‌ল!!
@অরুণদা, পারমিশানের আর কী দরকার? বড়জোর কাউয়া ভাই একটা রাত সোফায় কিংবা মেঝেতে কাটাবে। অসংখ্য বৌ-সহ রাতের মধ্যে একটা বৌ-বিহীন রাত - এমন কিছু না hehe

প্রথমদিন আমরা ছাড়া আর কেউ ছিলো না। আই গেস, আমাদেরকে উদ্দেশ্য করেই বাজিয়েছিলো। কিশোর কুমারের একটা রোমান্টিক গানের সুর। অন্য আরেকদিন ভরা মেহফিল ছিলো। সেদিন বাজিয়েছিলো, এই পদ্মা এই মেঘনা এই যমুনা... ... আর আপনারে কই। আসল মার্দ বউকে ডরায় না। বউয়ের মাইর খেলেও না। কারণ... মার্দকো, দার্দ নেহি হোতা। (আপনার ভাগ্য ভালো যে আপনি সামনে নাই। তা নাহলে এই ডায়ালগ দেয়ার পর জামা খুলে বুকে মার্দ লেখা দেখাইতাম অমিতাভ বচ্চনের মতো। এই ডায়ালগের জন্যে এটা করা কাস্টমারী lol2)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ন ক্ষইজ্জেদি না!!

যৎসম্ভব " না করেছি না !" হপে  big_smile


বেড়াতে গেছিলেন না ভুড়িটাকে আরো সাস্থ্যবান করতে গেছিলেন  wink wink ঘুরাঘুরির চাইতে খাওয়ার বর্ণনায় লেখকের অতি আগ্রহ দেখে তাই মনে হল  tongue


সুন্দর হয়েছে ভ্রমণ কাহিনী । বলা বাহুল্য - আমি গেলে আপনাকেই অনুকরণ করার চেস্টা করব  big_smile

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৩-১০-২০১২ ০০:২৮)

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

ফারহান খান লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ন ক্ষইজ্জেদি না!!

যৎসম্ভব " না করেছি না !" হপে  big_smile
বেড়াতে গেছিলেন না ভুড়িটাকে আরো সাস্থ্যবান করতে গেছিলেন  wink wink ঘুরাঘুরির চাইতে খাওয়ার বর্ণনায় লেখকের অতি আগ্রহ দেখে তাই মনে হল  tongue সুন্দর হয়েছে ভ্রমণ কাহিনী । বলা বাহুল্য - আমি গেলে আপনাকেই অনুকরণ করার চেস্টা করব  big_smile

্ধন্যবাদ ফারহান। ঘোরাঘুরিতো ছোটবেলায় করে ফেলেছি। এবার গিয়েছিলাম এঞ্জয় করতে। খাওয়া-দাওয়া করে আসলেই ভুড়ি আরও বেড়ে গিয়েছে। দুঃখ নাই গোলাম হোসেন lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

ইয়ে এই পর্ব পড়ার জাস্ট আগে উদা দার "গড্ডালিকা প্রবাহ" (যেন্ড্রিয়ান প্রহেলিকা- মা খা এন) পড়ছিলাম। আপনার উপরের এই ছবিটা দেখে মনে হল যেন্ড্রিয়ান ডে tongue তাই সাই ফাই টাইপ এডিট করার চেস্টা করলাম , big_smile মাইন্ড খাইবেন নাহ  big_smile


http://i.imgur.com/h7nXh.jpg

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

লেখা ও ফটোগ্রাফি দুইই চরম হয়েছে  thumbs_up । আপনার লেখা পড়ে ভাষা হারিয়ে ফেলি তাই কমেন্ট করার তেমন ভাষা খুঁজে পাই না।

আর গরম কেমন ছিল ?

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

লেখা ও ফটোগ্রাফি দুইই চরম হয়েছে  thumbs_up । আপনার লেখা পড়ে ভাষা হারিয়ে ফেলি তাই কমেন্ট করার তেমন ভাষা খুঁজে পাই না।

আর গরম কেমন ছিল ?


অনেক ধন্যবাদ। একই কথা কপি-পেস্ট করে কিছু ইমোটিকন দিয়ে দিয়েন wink গরম ছিলো, তবে বাতাসও ছিলো। আসলে খুব চমৎকার আবহাওয়া ছিলো। আকাশে সাদা সাদা মেঘ ছিলো, রোদও ছিলো, সেই সাথে বাতাস। দারুন আবহাওয়া। তবে আমরা ফেরত আসার দিন চার নম্বর বিপদ সংকেত উঠিয়ে দিয়ে এসেছি।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১১

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

পুরাই হুলস্থুল big_smile

১২

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

সুন্দর সমাপ্তি। নতুন ভ্রমন কাহিনি কবে পাচ্ছি ?

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (১৩-১০-২০১২ ১৮:০৫)

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

ইলিয়াস লিখেছেন:

সুন্দর সমাপ্তি। নতুন ভ্রমন কাহিনি কবে পাচ্ছি ?

সবাই মিলে চাঁদা তুলে তার-ছেড়া-EEE(কাউয়া বলতে খারাপ লাগে) ভাইকে নতুন নতুন জাগায় ভ্রমণে পাঠাতে পারে। যার ফলে কম খরচে আমরা ভার্চুয়াল ট্যুর করতে পারবো।

@তার-ছেড়া-EEE ভাই
দেখেন এই ঈদে সুন্দরবনে যেতে পারেন কিনা

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

smile smile শেষ করেই ফেললেন তা হলে । আপনার কপাল ও মাইরি রাজাধীমহারাজ টাইপ  big_smile big_smile

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

১৫

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

কাউয়া ভাই আমনে ইনানী বিচ মিস করছেন, হিমছড়ি থেকে হাজার গুন আইচ্ছা লাগতে হে।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

পুরাই হুলস্থুল big_smile


ধন্যবাদ।

ইলিয়াস লিখেছেন:

সুন্দর সমাপ্তি। নতুন ভ্রমন কাহিনি কবে পাচ্ছি ?


ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই। জানিনা ইলিয়াস ভাই। খরচের ব্যাপার আছে। ভ্রমন না হলে কাহিনীও আসবে না। 

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
ইলিয়াস লিখেছেন:

সুন্দর সমাপ্তি। নতুন ভ্রমন কাহিনি কবে পাচ্ছি ?

সবাই মিলে চাঁদা তুলে তার-ছেড়া-EEE(কাউয়া বলতে খারাপ লাগে) ভাইকে নতুন নতুন জাগায় ভ্রমণে পাঠাতে পারে। যার ফলে কম খরচে আমরা ভার্চুয়াল ট্যুর করতে পারবো।
@তার-ছেড়া-EEE ভাই দেখেন এই ঈদে সুন্দরবনে যেতে পারেন কিনা

হা হা হা। ধন্যবাদ। আমাকে চাঁদা দিয়ে পোষাতে পারবেন না। বিবাহের আগে হলে পোষাতো। এখন আমার ভ্রমণের খরচ অনেক বেশি হয়।

Jemsbond লিখেছেন:

smile smile শেষ করেই ফেললেন তা হলে । আপনার কপাল ও মাইরি রাজাধীমহারাজ টাইপ  big_smile big_smile


হমম। শেষ করেই ফেললাম। ভাই আমার কপালকে রাজ কপাল বললে বলবো রাজাদের কপাল আপনি চেনেন না। এরকম একটা  ট্যুরের জন্যে রাজাদের অন্তত আমার মত বছরখানেকের প্রস্তুতির দরকার হয় না।

microqatar লিখেছেন:

কাউয়া ভাই আমনে ইনানী বিচ মিস করছেন, হিমছড়ি থেকে হাজার গুন আইচ্ছা লাগতেহে।

যখন একা ছিলাম, তখন ইনানীতে গিয়েছি। আমার কাছে হিমছড়ি বেশি ভালো লাগে। ইনানীর বড় বড় পাথরে পানি আছড়ে পড়ার দৃশ্য আমার জন্যে কিছুটা ভীতিকর। কিঞ্চিত ওয়াটারফোবিক কিনা nailbiting

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৭

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

হেহে হে smile মজা পেলাম । যদিও আপনি যা যা বলেছেন এগুলোর মধ্যেই থাকি সারাদিন tongue

১৮

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

সবশেষে আমি ভাষাহীন এবং সম্মাননা দিয়ে নীরবে প্রস্থান  donttell

১৯

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

ত্রিনিত্রির রাশিমালা লিখেছেন:

হেহে হে smile মজা পেলাম । যদিও আপনি যা যা বলেছেন এগুলোর মধ্যেই থাকি সারাদিন tongue


ভাই, আপনাদের মাসে মাত্র দুইদিন ছুটির ব্যাপারটা পড়ে বেশ ভয় পেয়েছি nailbiting

আশিফ শাহো লিখেছেন:

সবশেষে আমি ভাষাহীন এবং সম্মাননা দিয়ে নীরবে প্রস্থান  donttell


ভাষাহীন হইলে কমেন্টো করলেন কিভাবে? wink অনেক ধন্যবাদ আপনাকে  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

২০

Re: পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ, শেষ পর্ব

রিভিউ ভাল লাগল। কিন্তু ছবি অনেক কম হয়ে গেছে sad