টপিকঃ যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-২
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৩

আগের পর্বের কিছু অংশ হতে..
ঘৃণা কেবল সকল ধরণের প্রাণের ক্ষতিই করে এসেছে, নুয়ান নৈঋত। হ্যাঁ, আমি মেকা-প্রাণ – স্বীকার করছি। তবে, আমার কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নেই। আমি তোমার রক্ষাকারী। বিশ্বাস করো। অবশ্য এটার মূল্য তুমি ভুলে যাচ্ছ। তবে, একটা কথা -  কারো অজান্তে ঐ এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে তুমি মানব-মেকা-সনদের অপমান করেছো। আর তুমি নিজেই কি মানুষ? সাহস থাকলে নিজের উপরই পরীক্ষাটা চালাও না কেন? কেমন বিচিত্র ভঙ্গীতে হাসতে থাকে সিমিত! নুয়ান ধাঁধায় পড়ে যায়...কী হচ্ছে এসব?


যেলড্রিয়ান মধ্য রাত, ১০১২ যেলড
নুয়ানের মিনিম স্পেস (নিম্ন যেলড্রন)

=======================================================================

   সিমিতের এই অকস্মাৎ দাবী নুয়ানের কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কিন্তু হার মানার পাত্র নয় সে। সত্য উদ্ঘাটনে যে কোন ঝুঁকি নিতে পিছপা হয় না। প্রথমে হকচকিয়ে গেলেও নিজের কঠিন অংশটা দ্রুত পুনঃরুদ্ধারে সচেষ্ট হয়ে ওঠে।
   হাসি থামাও, মেকা-প্রাণ! কী বলতে চাও তুমি? পরিষ্কার করে বলো।
   আমার একটা নাম আছে, নুয়ান। সেটা নিশ্চয়ই ভুলে যাও নি!
   অবান্তর কথা! যা জানতে চাচ্ছি, সেটাই বলো না কেন? ঘৃণা-মিশ্রিত ন্যাড়া বিরক্তি আড়ালের বিন্দুমাত্র চেষ্টাও করে না!
   ছোট্ট একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সিমিত। মেকা-মনে স্ববিরোধী অনেক যুক্তির খেলা চলতে থাকে।
   ঠিক আছে। যেহেতু তুমি মেকা-মানব-সনদের(১৮) লংঘন করেছো, ক্ষতিপূরণ হিসেবে আমি তোমার নিজের সত্তার একটা পরীক্ষা দাবী করছি। আশা করছি, এতে তোমার কোনো আপত্তি থাকবেনা, নাকি আছে? চ্যালেঞ্জটা ছুঁড়ে দেয় সিমিত!
   অবশ্যই আমার কোনো আপত্তি নাই! আমি প্রস্তুত। নুয়ান সন্ধ্যাবেলায় সিমিতের পরিচয় উদ্ঘাটনজনিত মানসিক অবস্থার (এক প্রকারের শক) নানাবিধ তথ্য ওর মডেলে প্রবেশ করাতে থাকে। প্রারম্ভিক এবং পারিপার্শ্বিক শর্তগুলো সতর্কতার সাথে নির্ণয় করে। তারপর ফরমায়েশি যাইনেটীয় মেকা-বাই-ফাই ক্লাস্টারে প্রয়োজনীয় হিসাব-নিকাশের জন্য ছড়িয়ে দেয়। দ্রুত ফলাফলের জন্য সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সংখ্যক নোড কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।
   ফ্যাকাসে আলোর রাত গভীর থেকে গভীরতর হয়। হেলিওসেলিনের চন্দ্র মোডের আলোও নিভতে থাকে। শেষে কখন যে ডে-মোডের সময় হয়ে যায়, কাজের একাগ্রতায় নুয়ান কিংবা সিমিত কেউই ঠাহর পায় না। দিগন্তে এখন দু’টি সূর্য – হেলিওসেলিন এবং যাইনা(১৯)। একটা কৃত্রিম, আরেকটা যেলড্রনের মুমূর্ষু প্রাকৃতিক তারা! হেলিওসেলিন উদয় হতে থাকলে ফলাফলটা হাতে এসে পৌঁছায়। খানিকটা ভ্রূ কুঁচকে চিন্তিত মুখে তাকিয়ে থাকে নুয়ান। একটু কেশে গলাটা পরিষ্কার করে নেয়।
    প্রথম অবস্থার ফলাফলটা পাওয়া গেছে – ঘোষণা করে সে। কিন্তু এই পরীক্ষার আবশ্যিক শর্তানুযায়ী আমার অন্ততপক্ষে আরেকটা আবেগীয় অবস্থার বিশ্লেষণ দরকার। দুঃখের বিষয় – আমার সংগ্রহে আর কোনো সাম্প্রতিক অবস্থা নেই! প্রতিক্রিয়ার জন্য সিমিতের দিকে তাকাতেই থতমত খেয়ে যায়!
   মিনিম স্পেসের ছাদের বৃত্তাকার জানালা দিয়ে হেলিওসেলিনের মোলায়েম আলো এসে পড়েছে সিমিতের উপর। সিমিতের গায়ে একটুকু ফ্লুইমারও(২০) নেই! প্রথম আলোর বন্যা বন্য দেহের অসহ্য অসমতলে লুটিয়ে পড়ে খাবি খাচ্ছে। ঈষৎ উন্নত চিবুকে অনাস্বাদিত কামনার আর্তি চুয়ে চুয়ে পড়ে স্রেফ মাতাল!  ক্ষণকালের জন্য নুয়ান যেন স্থান-কাল-পাত্রের বোধ হারিয়ে ফেলে। সব ছাপিয়ে একটা অদম্য অধিকারের বাসনা এবং শরীরী-ক্ষুধায় নুয়ান পাগল-প্রায় হয়ে যায়! একটা মেকা-প্রাণের মেয়ে কীভাবে এমন আকর্ষণীয় হতে পারে?
   নুয়ান!! সিমিত একটা ঝাকুনিতে নুয়ানকে বাস্তবে আনার চেষ্টা করে। মুখে একটা কৌতুকপূর্ণ মৃদু হাসি! নুয়ান অপ্রস্তুতের হাসি হাসতে থাকে – কী সাংঘাতিক কাণ্ড! কিন্তু ক্ষণিক পরেই সেই দুর্বিনীত ভাবটা ফিরে আসতে দেরী হয় না। সিমিতও সামলে নেয়।
   আশা করছি এই আবেগে(!) কাজ হবে। তাই না, নুয়ান? সিমিত প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়।
   হ্যাঁ, হ্যাঁ অবশ্যই হবে। যেন ব্যাপারটা এড়াতে পারলেই বেঁচে যায় নুয়ান! তারপর বিনা বাক্য ব্যয়ে সিম্যুলেশানের উপাত্ত প্রবেশ করাতে থাকে। একই সাথে সমান্তরাল একটা প্রক্রিয়ায় কাপ্পা-নেটে ফ্যারিহাড্রিয়ান গবেষণা স্থাপনায় চোরা-অনুসন্ধান চালাতে থাকে। উদ্দেশ্য – মানুষ ও অন্যান্য বুদ্ধিমত্তার তুলনামূলক মানদণ্ড ভিত্তিক আরো গভীর তথ্যানুসন্ধান।
   কিন্তু এবারে ভুলটা হয়েই যায়। উত্তেজনার বশে নিম্ন মাত্রার সতর্কতায় কাপ্পা-নেটে আঘাত হেনে বসে! ওদিকে কাপ্পা-নেটে ইউয়ান ইয়েরিনের নির্দেশে নতুনভাবে সক্রিয় করা ফাঁদ ব্যবস্থায় নুয়ানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়ে পড়ে। নুয়ানের অজান্তেই এটা ঘটে!


হিলড্রা, উচ্চ যেলড্রন

   উচ্চ-যেলড্রিয়ানের কেন্দ্রে অবস্থিত হিলড্রায় সাধারণ উচ্চ-যেলড্রিয়ানদেরও প্রবেশাধিকার নেই, নিম্ন-যেলডিদের তো কথাই নাই! হিলড্রা একটা নিরাপত্তা ব্যুহ যেটা উচ্চ-যেলড্রিয়ান আধিপত্য শত শত যেলড ধরে বজায় রাখছে! সেই হিলড্রায় নিরাপত্তা প্রধান হেসলান হেরিং অতন্দ্র প্রহরীর মত কাজ করে। হেসলান –এর কাজের ধারাটা সোজাসাপ্টা – সরাসরি আক্রমণ এবং পরাস্ত করা! শত্রু বিষয়ে তার প্যারানয়া প্রবাদতুল্য! নিরাপত্তার দৈনন্দিন সব ঘটনাগুলিতেই সে মারাত্মক দুরভিসন্ধির গন্ধ পায়! নিম্ন-যেলড্রিয়ানদের ষড়যন্ত্র একদম পরিষ্কার, তবুও ইউয়ানের মত উপদেষ্টাগুলোর নমনীয় নীতির কারণে সব ভেস্তে যায় বলেই তার ধারণা! কিন্তু সে বোকা নয়; বরং চতুর সু্যোগ-সন্ধানী - ষড়যন্ত্র নিয়ে বেশি উচ্চবাচ্য করে উপদেষ্টাদের চক্ষুশূল হতে চায় না! সে নিজের মত করেই শত্রু নির্ণয়ের আনন্দটা উপভোগ করে। সামান্য আভাস পেলেই সেটার পিছনে দিন-রাত্রি এক করে ফেলে। এখনও ঠিক তাই করছিলো। কিছু দিন আগে নিরাপত্তা বলয়ের প্রাচীরে ছদ্মবেশি অনুপ্রবেশটায় যারপরনাই বিরক্ত হয়েছিলো! কিন্তু নিরাপত্তা উপদেষ্টা ইউয়ান ইয়েরিনের ফাঁদের নির্দেশে এই প্রথম খানিকটা প্রসন্ন হয়েছিলো। সেটা বাদে ইউয়ানের মত ধীরে-চলো-নীতি –এর কারো  নির্দেশ পালনটা তার কাছে বিষের সমতুল্যই মনে হয়।
   নিরাপত্তা ফাঁদে এইমাত্র আর একটা গোপন চুরির তথ্য প্রকাশ পেলো। চোর পালিয়ে গেলেও (যেটা লজ্জার!) নিজের ট্রেস মুছতে ভুলে গেছে - অসাধারণ সংবাদ! এটা ঐ লো-লাইফ নিম্ন-যেলডিদের কাজ না হয়েই যায় না! এবার নিজের খুঁতখুঁতে আশংকাটা ঐসব আহাম্মক উপদেষ্টাদের প্রমাণ করিয়েই ছাড়বে। উৎফুল্ল মনে আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণের কাজে নেমে পড়ে।


নুয়ানের মিনিম স্পেস, নিম্ন যেলড্রন

   দ্বিতীয় আবেগীয় অবস্থার ফলাফলটা প্রস্তুত হয়ে যায়। এটাও প্রথমটার মত অস্বস্তিকর।  নুয়ানের চেতনার মানসিক অবস্থা-ক্ষেত্র মোটেই সরল এবং ঠিক অনুমানযোগ্য নয়! উচ্চ-মাত্রার বিশৃংখলা বিরাজমান যেটা একটা নির্দিষ্ট শ্রেণীতে (মানব কিংবা মেকা) ফেলতে দিচ্ছে না। তবুও সীমিত সময়ের জন্য স্বল্প মাত্রায় আপাত-স্থির যে চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যটা উদ্ঘাটন করা গেছে, সেটা নুয়ানের হিসাব অনুযায়ী উচ্চ সাদৃশ্যপূর্ণ মেকা, কিন্তু ফ্যারিহাড্রিয়ান তথ্যমতে মানুষের! এই মতভেদ নুয়ানকে চরম বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়।
   নুয়ানের এই বিচলিত অবস্থাটা খেয়াল করে সিমিত।
   নুয়ান, কোনো সমস্যা?
   হ্যাঁ, অস্বীকার করব না, সমস্যা একটা হয়েছে। আমার সিম্যুলেশান বলছে আমি মেকা-ধরণের কিছু একটা, কিন্তু উচ্চ-যেলড্রিয়ান তথ্যমতে আমি মানুষ! আমি সম্ভবত ভুল কিছু তথ্য দিয়েছিলাম – আবার দেখতে হবে। তবে, আমি উচ্চ-যেলডিদের মানদণ্ডই আপাতত সঠিক বলে ধরে নিচ্ছি। আমি মানুষ – এখন তুমি খুশী তো!
   অসম্ভব, এ হতেই পারে না! সিমিত জোর দিয়ে কথাগুলো বলে। নুয়ান সিমিতের বলার ভঙ্গীটা দেখে বিস্মিত হয়ে যায়! অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী একটা ব্যাপার আছে।
   কীসের ভিত্তিতে এমন দাবী করছো, মেকা-প্রাণ? নিজে মেকা-প্রাণ দেখে আর সবাইকেও তা-ই হতে হবে নাকি? হিংসাটাতো ভালোই রপ্ত করেছে মেকারা! হা হা হা।
   হাসি থামাও, নীচ কোথাকার! হিংসা-অহিংসার ব্যাপার না। আমার জানা তথ্যমতে তুমি ঠিক মানুষ নও! আমার এসাইনমেন্টটা একটা বিরল মেকা-প্রাণ রক্ষা করার এবং সেই মেকাটা হচ্ছ গিয়ে তুমি!
   কী বলছো এসব? কে তোমাকে পাঠিয়েছে? আর কী প্রমাণ আছে তোমার কাছে?
   হঠাত মাথায় একটা ভোঁতা যন্ত্রণা হতে থাকে নুয়ানের। এমপ্যাথিক চ্যানেলে কিছু তথ্য পাঠাতে থাকে সিমিত। তাল তাল ধোঁয়াশা কেটে গিয়ে কিছু চলমান ছবি, তথ্য দ্রুতবেগে চলে যেতে থাকে...সবটা ঠিক বোধগম্য হয় না। তবে, ফেরিন ফ্যারিহাডকে ঠিকই চিনতে পারে। এই লোকটা একই সাথে বিখ্যাত এবং কুখ্যাত!
   বিস্ময়ে, প্রচণ্ড আঘাতে অনেকক্ষণ কিছুই বলতে পারলো না নুয়ান। শেষে অস্পষ্ট বিড়বিড় করে,
   ফ্যারিহাডকে কোথায় পাওয়া যাবে? 
==========================================================================
শব্দ-কোষ:

১. ফ্লোট-পোর্টারঃ কাল্পনিক, এক ধরণের যাতায়াত এবং যোগাযোগ মাধ্যম। উচ্চ শক্তির  সনিক ওয়েভ ক্যারিয়ার, বস্তু এবং তথ্য – উভ্য় পরিবহনে সক্ষম।
২. যেলড্রনঃ কাল্পনিক, পৃথিবী হতে ৪.৫ আলোকবর্ষ দূরের মনুষ্যবসতি (২২০০ এ.ডি)। নিম্ন এবং উচ্চ – এ দুইভাগে বিভক্ত। যেলড্রিয়ানরা এর অধিবাসী – মূলত মানব সম্প্রদায়।
৩. হেলিওসেলিনঃ  কাল্পনিক, কৃত্রিম সূর্য সদৃশ যন্ত্র বিশেষ; সময় বিশেষে চাঁদের মত কাজ করে।
৪. হাই-হাইপারসনিক মাইক্রোক্যাননঃ কাল্পনিক, অত্যন্ত কার্যকর ২৫ ম্যাক রেঞ্জের উচ্চ শক্তির শব্দ-তরঙ্গ ঘাত ভিত্তিক ক্ষুদ্রাকৃতির অস্ত্র বিশেষ। উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের কুক্ষিগত!
৫. ফ্যারিহাড্রিক মডেলঃ কাল্পনিক, তাত্ত্বিক সাইকো-ফিজিসিস্ট ফ্যারিহাড ১২০ যেলড –এ বুদ্ধিমান স্তরের প্রাণের চেতনার গাণিতিক মডেলের ধারনা দেন।
৬. রেন সমুদ্রঃ কাল্পনিক, রেন নামক মধ্য বুদ্ধিমত্তার তরল সদৃশ প্রাণে পরিপূর্ণ সাগর। সাধারণ বিচারে বন্ধুত্বপূর্ণ!
৭. কাপ্পা-নেটঃ কাল্পনিক, উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের অন্তর্জাল।
৮. ফ্রাক্টাল এলিমেন্ট এন্টেনাঃ বাস্তব, ডিটারমিনিস্টিক ফ্রাক্টাল (বেনোয়া ম্যান্ডেলব্রোট দ্বারা সংজ্ঞায়িত) আকারে সজ্জিত এন্টেনা বিশেষ। মূলত আরএলসি রেসোনেটর – সেলফ লোডিং এবং ফ্রিকোয়েন্সি উদাসীন।
৯. ক্লাস্টারঃ বাস্তব, অনেকগুলো কম্পিউটিং মেশিনের সমাহার যেটা একত্রে একটা একক মেশিনের মত কাজ করে।
১০. মেকা-বাই-ফাইঃ কাল্পনিক, মানুষ এবং অন্যান্য মানুষ সদৃশ প্রাণের সম্মিলিত নেটওয়র্ক!
১১. যাই-নেটঃ কাল্পনিক, নিম্ন-যেলড্রিয়ানডের স্বতন্ত্র  নেট।
১২. মেকা-প্রাণঃ কাল্পনিক, একধরণের জীবন ধারা – জৈব এবং যন্ত্রের অসাধারণ সম্মিলন। সাধারণ বিচারে মানুষের থেকে পার্থক্য করা দুঃসাধ্য!
১৩. ফ্লীপসঃ কাল্পনিক, ফ্লোট-পোর্টারে দূরত্ব মাপক।
১৪. এমপ্যাথিঃ বাস্তব, একে অপরের মনের অবস্থা বোঝার কিংবা অনুধাবনের ধারণা।
১৫. হিলড্রাঃ কাল্পনিক, উচ্চ-যেলড্রিয়ানের কেন্দ্রবিন্দু।
১৬. রিনহিঃ কাল্পনিক, উচ্চ-যেলড্রিয়ান উদ্ভিন্ন যৌবনা বিনোদিনী।
১৭. ফ্যারিহাড্রিয়ান ফ্যাসিলিটিঃ কাল্পনিক, ফ্যারিহাড প্রতিষ্ঠিত গবেষণা স্থাপনা। উচ্চ-যেলড্রিয়ান কতৃক দখলকৃত।
১৮. মানব-মেকা-সনদঃ কাল্পনিক, এই সনদ অনুসারে মানুষ মেকা নির্বিশেষে সব ধরণের প্রাণ জরুরী কারণ ব্যতিরেকে একে অপরের অজান্তে আসল পরিচয় জানার চেষ্টা করবে না। ঐতিহাসিক এ সনদ দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রীতির জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছে। মানুষ এবং মেকারা সূক্ষ কিছু বাহ্যিক পার্থক্য ছাড়া প্রায় অভিন্ন! 
১৯. যাইনাঃ কাল্পনিক, যেলড্রনের মুমূর্ষু তারা!   
২০. ফ্লুইমারঃ কাল্পনিক, তরল পরিধেয় বিশেষ। দেহের কাঠামোর উপর গড়িয়ে দিলে বুদ্ধিমান এই তরল বুঝে নেয় ব্যবহারকারি ঠিক ঐ অবস্থায় কোন ধরণের আচ্ছাদন প্রত্যাশা করছে।       


চলবে.....

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

চমৎকার !  thumbs_up আপনার লেখার গুন মুগ্দ্ধ পাঠক হওয়ার জন্য এরকম লেখাই যথেষ্ট।যে ভাবে শরীরি বিভঙ্গের বর্ণনা দিয়েছেন কি বলব। love যে সব কাল্পনিক বস্তু বা ঘটনার কথা লিখেছেন এগুলাও অসাধারণ হয়েছে।যে ভাবে শেষ করেছেন তাতেতো পরবর্তী পর্বের জন্য আর তর সইছে না। hairpull

hit like thunder and disappear like smoke

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

স্পীড, দ্যা গতি ভালোই এসেছে। অনেকদিন আগে একটা বাংলা সাইফাই নাটক দেখেছিলাম। সেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলো শহীদুজ্জামান সেলিম। একজন ইনভেস্টিগেটর অফিসারের ভূমিকায় কাজ করতে এসেছিলো একটা সেন্ট্রাল সিস্টেমের ম্যালফাংশন করা রোবট নিয়ে। কিন্তু শেষে জানতে পারে যে, সে নিজেই রোবট!! তবে আপনারটার প্রেক্ষাপট এবং কাহিনী অন্যরকম। মেকা-নায়িকা আর মেকা-নায়কের মধ্যে চরম প্রেম দেখার অপেক্ষায় আছি tongue_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

অসহ্য অসমতলে কিছুক্ষন খাবি খেলাম  hehe, তারপর এক নিঃশ্বাসে পুরোটা পড়ে ফেললাম  big_smile। গল্পটা ফাটাফাটি জমেছে ভাই  thumbs_up। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম  smile

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

বেশ ভালো লাগছে। আমার এই ধরনের সাইফাই বেশ লাগে, একটুখানি রোমান্স মিশ্রিত wink
লেখকের রোম্য্যান্টিক মনের পরিচয় সাইফাই ও লুকিয়ে রাখতে পারেনি tongue_smile

বেদনাদায়ি, তবুও দিনান্তে যে তোমায় ভালবাসি!

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

এহেম এহেম ,  love love love কল্পনায় সিমিত রে দেইখা ফেলাইসিরে  yahoo yahoo

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

ধন্যবাদ সবাইকে।

@আমন ভাই, ইয়ে...কই আর বর্ণনা দিতে পারলাম? এই ফোরামে এর বেশি দেয়া যাবে না হা হা হা

@কাউয়া ভাই, হ্যাঁ, ঐ মেকাদের মেকি-প্রেম আর কী!  lol

@লিনক্স_ফ্রিক, আহেম অসহ্য অসমতলে বেশি খাবি খাইয়েন না; প্রবলেম আছে... hehe

অংকিতা লিখেছেন:

বেশ ভালো লাগছে। আমার এই ধরনের সাইফাই বেশ লাগে, একটুখানি রোমান্স মিশ্রিত wink
লেখকের রোম্য্যান্টিক মনের পরিচয় সাইফাই ও লুকিয়ে রাখতে পারেনি tongue_smile

হ্যাঁ, একটু রোমান্স ছাড়া জমে না! কী করব, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাণবে  lol2

ফারহান খান লিখেছেন:

এহেম এহেম ,  love love love কল্পনায় সিমিত রে দেইখা ফেলাইসিরে  yahoo yahoo

তাইলে তো হলোই...আমার পরিশ্রম সার্থক!  smile

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

পরের পরব কই  waiting ওয়েটাইতাসি





.

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত