টপিকঃ যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

কিছু কথা:
এটা একটা সাই-ফাই লেখার ধৃষ্ট চেষ্টা! এর জন্য তাছেকা ভাই দায়ী  ghusi আমাকে উস্কানি দিয়েছেন hehe জানি, তেমন কিছু হয়তো হবে না। তবুও চেষ্টা করতে দোষ কী! তবে, প্রথম চেষ্টা বলে ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা করছি।

=========================================================================
সময়: ১০১২ যেলড
স্থান : নিম্ন যেলড্রন 
========================================================================
   প্রায় অন্ধকার ভাসমান বারান্দায় কিছুটা উদাস ভঙ্গীতে তাকিয়ে ছিল নুয়ান। ভিতরে ভিতরে বয়ে যাচ্ছে ভাবনার প্রমত্ত স্রোত, অথচ বাইরে থেকে দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই। নিজেকে লুকিয়ে রাখার একটা আশ্চর্য ক্ষমতা আছে ওর, যেটা অনেকেই জানে না। সিমিতও জানে না। নিঃসংকোচে খুব কাছ ঘেঁষে দাঁড়াল নুয়ানের। আনমনা ভাবটা খেয়াল করেছে – মমতাভরে একটা হাত রাখল নুয়ানের কাঁধে। চমকে একটু ফিরে তাকাল। মধ্য বিশের তন্বী সিমিতের উপস্থিতি অগ্রাহ্য করার মত নয়। বুকে টেনে নেবার একটা মাথা-চাড়া প্রবল ইচ্ছে অতিকষ্টে ধামা-চাপা পড়ল। না, আজ কিছুতেই নয়! সিমিতের বড় বড় চোখে বুঝি একটু অভিমানের ছায়া ঘনাল! সে ঘনাক, ভাবল মনে মনে। অন্যদিন হলে হয়তো অন্য কিছু ঘটলেও ঘটতে পারতো কিন্তু আজ নয়। নুয়ানের বিকট নিস্পৃহতায় বেশ আহত হয়ে মেয়েটা চলে গেলো। দ্বিধান্বিত দৃষ্টিতে ফ্লোট-পোর্টারে(১) সিমিতের চলে যাওয়াটা অনেকক্ষণ ধরে ওর মনের ফ্রেমে আটকে রইল। ধীরে ধীরে বিন্দু হয়ে গেলো মেয়েটা, কিন্তু ওকে ঘিরে চিন্তার বুদ্বুদটা ক্রমশঃ ব্যাস বাড়িয়ে চলল।

   মানুষের আবেগ নিয়ে যে গাণিতিক মডেলটা দাঁড়া করেছে নুয়ান, সেটাই যেলড্রনের(২) কৃত্রিম সূর্যের মরা আলোয় একমনে ভাবছিল। প্রতিটা সমীকরণ আর একবার চিন্তা করল। নাহ! কোথাও কোনো ভুল নেই! টেস্ট কেইস হিসেবে সিমিতকে নিয়ে  বিবেকের কাছে দারুণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। এখন সেটা যন্ত্রণায় রূপ নিচ্ছে। সেই হাসি, উৎকন্ঠা, অভিমান - সবই  কি মিথ্যা হয়ে যাবে? সিমিত কি সত্যিই মানবী?

   যেলড্রনে আসলে দিন বলতে কিছু নেই! দিগন্তে একটা মুমূর্ষু সূর্য আছে বটে কিন্তু সেটা না থাকারই সমান। ফলে যেলড্রিয়ানরা স্বাভাবিক দিনের অনুভূতি কখনোই পায় নি। তবুও প্রায় ৯০০ যেলড আগে বসতি স্থাপনকারি মানুষদের স্মৃতিতে থাকা ঐতিহ্য রক্ষায় একটা অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নেয়া হয়। দিগন্তে একটা কৃত্রিম সূর্য, হেলিওসেলিন(৩)স্থাপন করা হয় যেটা নির্দিষ্ট সময় পর আলো বিকিরণ করে দিনের একটা নকল অনুভূতির সৃষ্টি করে। এই আলোটা মরা হলেও একেবারে চিরস্থায়ি আঁধারের থেকে শ্রেয়তর।

   নুয়ান নৈঋত কিছুটা বিতৃষ্ণা নিয়ে আলো-আঁধারির এই কৃত্রিম খেলা দেখতে থাকে। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে হাই-হাইপারসনিক মাইক্রোক্যানন(৪) দিয়ে নকল সূর্যটা ধ্বসিয়ে মজা দেখতে। ছেলেমানুষি ইচ্ছে – নিঃসন্দেহে! নকল কোনো কিছুই নুয়ানের অসহ্য। কিন্তু সেটা এক প্রকারের অসম্ভব, কারণ ঐ অস্ত্র কেবল উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের হাতে আছে। নিম্ন-যেলড্রিয়ানদের এটা ব্যবহারের অনুমতি নেই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে নুয়ান একজন নিম্ন-যেলড্রিয়ান!

   মাথা থেকে একপ্রকার জোর করে নুয়ান এসব আপাত অদরকারি ভাবনা বিতাড়িত করে। আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ঝুলে আছে – ফ্যারিহাড্রিক মডেলিং(৫) নিয়ে আরো বিস্তারিত মূল্যায়ন দরকার! এই মডেলিং অনুযায়ী ধারণা করা হয়ঃ বুদ্ধিমত্তায় নির্দিষ্ট মাত্রার উতকর্ষ লাভকারী প্রজাতির সামগ্রিক চেতনা অবস্থা বিশেষে একটা নিরবিচ্ছিন্ন ক্ষেত্রের মত আচরণ করে। প্রতিটি একক সত্তার চেতনার গুণাবলী এবং সক্ষমতা সমষ্টিগতভাবে একীভূত চেতনার অনুরূপ কিন্তু কার্যক্ষমতার রূপভেদ প্রায় বিশৃংখলার সমতুল্য! একটা একক চেতনার অসীম সংখ্যক আবেগীয় অবস্থা থাকতে পারে; সেই আবেগীয় অবস্থাগুলো আবার দুই বা ততোধিক অবস্থার সংকর হতে পারে এবং চারপাশের অবস্থার উপরও নির্ভরশীল। এটার সমাধান প্রক্রিয়া অতি জটিল হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং ফলাফল প্রতিটি একক সত্তার মানসিক অবস্থা-ক্ষেত্র কিংবা পুরো চেতনার সামষ্টিক অবস্থা।

   তাত্ত্বিকভাবে যে কোনো একক চেতনার মানসিক অবস্থা-ক্ষেত্র নির্ণয় সম্ভব হলেও বাস্তবে এটা অত্যন্ত দুরূহ বলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। নুয়ানের আগ্রহ এই বিষয়ে কিন্তু একজন নিম্ন-যেলড্রিয়ান হওয়ার জন্য এটাতে উচ্চতর গবেষণার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। তবে অত্যন্ত প্রতিভাবান নুয়ান নৈঋতকে ঠেকিয়ে রাখা যায় নি; অতি গোপনীয়তার সাথে বিগত ১৫ যেলড ধরে স্বশিক্ষিত নুয়ান এ বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে গেছে। ফলাফল একটা উচ্চাভিলাষী ন্যুমেরিক্যাল স্কিম, যেখানে একটা নির্দিষ্ট নোডকে( এক্ষেত্রে একটা বুদ্ধিমান সত্তা) পারিপার্শ্বিক প্রভাবের সুনিয়ন্ত্রিত বলয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। সেই অনন্য আবিষ্কারের দিনে তার মত সুখী প্রাণী গোটা যেলড্রনে আছে কিনা সন্দেহ জেগেছিলো!

    শুধু ন্যুমেরিক্যাল মডেলিং খাড়া করালেই হয় না; দরকার পরীক্ষণ, যাচাই এবং চুলচেরা মূল্যায়নের। এখানেই গোলমালটা বেঁধে গেলো। পরিকল্পনামাফিক একজন বেশ অনুভূতি প্রবণ মানুষ প্রয়োজন – মুখচোরা নুয়ানের তেমন পরিচিত কেউ নেই – একজন ছাড়া। সিমিত আসলে কী কারণে তার প্রতি আকৃষ্ট, এটা ঠিক বোধগম্য নয়! সুদর্শন হলেও অন্তর্মুখি স্বভাব অন্যদের থেকে যোজন যোজন দূরে সরিয়ে রাখে নুয়ানকে। সিমিত সেই খোলস ভেদ করে অন্য ধাঁচের মানুষটিকে কিছুটা হলেও চিনতে পেরেছে – এটি নিশ্চিতভাবে একজন গভীর অনুভূতিশীল ব্যক্তিত্বের স্বাক্ষর বহন করে। সিমিত কে তার প্রজেক্টের টেস্ট কেইস হিসেবে পছন্দ হয়ে যায় নুয়ানের। কিন্তু সমস্যা হলো গিয়ে সব করতে হবে সিমিতের অজান্তে। এই ব্যাপারটা বেশ পীড়া দিতে থাকে। শেষে রেন সমুদ্রের(৬) পাড় ধরে আনমনে হাঁটতে হাঁটতে মনে হয় – অজানা বিজ্ঞানের হাতছানি হয়তোবা জীবনের কিছু কিছু মূল্যবোধের থেকেও দামী! দীর্ঘশ্বাস ফেলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে নুয়ান।

     সেই দিনটি স্পষ্ট মনে আছে নুয়ানের। একটা আপাত তুচ্ছ বাক্য যে সিমিতকে এত খুশী করবে, সেটা প্রত্যাশার বাইরে ছিলো। গবেষণার উদ্দেশ্যে ফরমাশমত একটা আনকোরা ফ্লোট-পোর্টারের চ্যানেল –এর প্রবেশদ্বারে নিচের ক’টি শব্দ লেখা ছিলোঃ

আমি তোমাকে ভালবাসি, সিমিত
                               - নুয়ান

আবেগের এই উল্লম্ফনকে নুয়ান কাজে লাগিয়েছিলো। নিজেকে ঘৃণা করেছে এজন্য কিন্তু সিস্টেমে ঠিকই প্রবেশ করিয়েছিলো। আজ সকালে (হেলিওসেলিনের ডে-মোড) সেটার ফলাফল হাতে পেয়েই ধাঁধায় পড়ে গেছে। 

   যাচাইয়ের জন্য  উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের কাপ্পা-নেট(৭) –এ একটা দুর্ধর্ষ চুরি করতে হয়েছিলো। এটা একটা টপ সিক্রেট গবেষণা – যেখানে সীমিত পর্যায়ে একক মানব সত্তার মানসিক অবস্থা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং আরো অন্যান্য কিছু কৃত্রিম লাইফ ফর্মের মানদণ্ডও ছিলো। সেগুলির সাথে যাচাই করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চেষ্টা করে নুয়ান। কিন্তু এ যে অসম্ভব!

==========================================================================
শব্দ কোষঃ
১. ফ্লোট-পোর্টারঃ কাল্পনিক, এক ধরণের যাতায়াত এবং যোগাযোগ মাধ্যম। উচ্চ শক্তির  সনিক ওয়েভ ক্যারিয়ার, বস্তু এবং তথ্য – উভ্য় পরিবহনে সক্ষম।
২. যেলড্রনঃ কাল্পনিক, পৃথিবী হতে ৪.৫ আলোকবর্ষ দূরের মনুষ্যবসতি (২২০০ এ.ডি)। নিম্ন এবং উচ্চ – এ দুইভাগে বিভক্ত। যেলড্রিয়ানরা এর অধিবাসী – মূলত মানব সম্প্রদায়।
৩. হেলিওসেলিনঃ  কাল্পনিক, কৃত্রিম সূর্য সদৃশ যন্ত্র বিশেষ; সময় বিশেষে চাঁদের মত কাজ করে।
৪. হাই-হাইপারসনিক মাইক্রোক্যাননঃ কাল্পনিক, অত্যন্ত কার্যকর ২৫ ম্যাক রেঞ্জের উচ্চ শক্তির শব্দ-তরঙ্গ ঘাত ভিত্তিক ক্ষুদ্রাকৃতির অস্ত্র বিশেষ। উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের কুক্ষিগত!
৫. ফ্যারিহাড্রিক মডেলঃ কাল্পনিক, তাত্ত্বিক সাইকো-ফিজিসিস্ট ফেরিন ফ্যারিহাড ১২০ যেলড –এ বুদ্ধিমান স্তরের প্রাণের চেতনার গাণিতিক মডেলের ধারনা দেন।
৬. রেন সমুদ্রঃ কাল্পনিক, রেন নামক মধ্য বুদ্ধিমত্তার তরল সদৃশ কৃত্রিম প্রাণে পরিপূর্ণ সাগর। সাধারণ বিচারে বন্ধুত্বপূর্ণ!
৭. কাপ্পা-নেটঃ কাল্পনিক, উচ্চ-যেলড্রিয়ানদের অন্তর্জাল। 

চলবে....

যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-২
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৩
যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-৪

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

ঘুমাতে চাচ্ছি কালকে পড়বো  hehe । অবশেষে সলিড স্টেট ফিজিক্স পড়ার সার্থকতা দেখতে পেলাম  tongue

  Tenacity - Focus - Discipline - Repetition

   Sabbir's Blog 

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

চমৎকার হয়েছে।

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

উদাসীন লিখেছেন:

এটা একটা সাই-ফাই লেখার ধৃষ্ট চেষ্টা! এর জন্য তাছেকা ভাই দায়ী 

নাহ প্রথম চেষ্টা হিসেবে সফলই ! যদিও কিছু কিছু শব্দ আমার মস্তিস্কে ঢুকেনি।  tongue_smile

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

চমৎকার !!!  love

roll

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

যাক, পেইন দেয়া স্বার্থক lol কঠিন ধরনের সাইফাই  neutral

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

এরকম গল্প আমার কাছে কঠিন লাগে
নামগুলোও....... বেশীর ভাগই বুঝি না

মাথায় গোবর ভর্তি তো তাই মনে হয়

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

তাছেকা ভাইকে ধন্যবাদ। পেইন দিতে থাকেন  wink

টাইটেনিয়াম সাইফাই... ভাল হয়েছে উদাসীন ভাই  thumbs_up। পরেরটা তাড়াতাড়ি দিয়েন  smile

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

ধন্যবাদ সবাইকে ধৈর্য নিয়ে পড়ার জন্য hug
@টমাটিনো, হা হা হা
@ইলিয়াস ভাই, কোন্‌ শব্দগুলি মাথায় ঢুকে নি?
@কাউয়া ভাই, তেমন কিছু বললেন না! কঠিন হয়েছে?
@ছবি'পা, আপনি কষ্ট করে পড়েছেন - এটাই অনেক big_smile
@লি_ফ্রিক, হু, লিখছি। তাড়াতাড়ি দেয়ার ইচ্ছে আছে। ধন্যবাদ।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

hairpull hairpull ভাই আমার তো তার তুর জট লাইগা গেলো গা  ghusi

এর চেয়ে সরল সহজ প্রেম-ভালবাসা থাকলেই তো ভাল  love

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

১১

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

হে হে, সাইফাই হইলেও লেখকের আসল রুপ ঢাকতে পারে নাই। প্রথম প্যারাই কেমুন কেমুন লুলায়িত টাইপ ফ্লেভার wink thumbs_up thumbs_up lol lol lol lol
চালায়া যাান, ২য় পর্ব পড়ে আসি।

সারিম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

এতো ফিকসন না , দেখেন কোন ফিজিক্স বই কপি পেস্ট মেরেছে উদাসীন সাহেব  nailbiting

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

১৩

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

উদাসীন ভাই, আমি আপনার লেখার ভক্ত, বরাবরই। তাই, মাথায় জট লেগে গেলেও পড়লাম কষ্ট করে। আর কষ্টের প্রতিদানতো সবাই পায়, আমিও পেলাম।
মজা লাগলো পড়ে  clap clap

অন্তহীন এই পথ চলার শেষ কোথায়?

১৪

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

ধন্যবাদ সবাইকে।
@জেমসবণ্ড, হা হা হা তারের জট খুলে আবার পড়েন।
@অন্তহীন, কষ্ট করে পড়েছেন - আমি সত্যিই আনন্দিত!

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

এতো ফিকসন না , দেখেন কোন ফিজিক্স বই কপি পেস্ট মেরেছে উদাসীন সাহেব  nailbiting


সাইফুল, আপনার মন্তব্যের মানে ঠিক বুঝতে পারলাম না! কোনো ফানি ইমো নেই; ধরে নিচ্ছি সিরিয়াসলি বলেছেন। আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন আমি কপি-পেস্টার surprised আপনার কথাগুলো অত্যন্ত আপত্তিকর! ফিজিক্স বই কেন কপি করতে হবে? আমি তো নিজেই একসময় ফিজিক্সের ছাত্র ছিলাম। একটু বুঝেশুনে মন্তব্য করলে ভালো হত, তাই না? কোনো কিছু বলার আগে ভাবা উচিৎ কাকে বলছি এবং কেন বলছি আর কথাগুলো আদৌ খাটে কিনা? যা মনে আসে তাই বলার ইচ্ছা হলে - ঐ ধরণের বেআক্কেলি কথা থেকে বিরত থাকাই উত্তম। আমি সহজে রাগি না; আপনার কথাগুলি মারাত্নক বিরক্তি উৎপাদন করেছে। এই ধরণের দায়িত্বহীন মন্তব্য থেকে দূরে থাকা বিষয়ে সতর্ক করছি! আপনার কাছে কঠিন লাগলে (লাগতেই পারে; অন্যদেরও লেগেছে) অল্প দু'কথায় বলতে পারতেন - কঠিন লেগেছে...খালি ফিজিক্স, ম্যাথের কচকচানি...আমি পসিটিভলি নিতাম। কিন্তু তা নয়; দুম করে কপি-পেস্টার বলে দিলেন!  angry

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: যেলড্রিয়ান প্রহেলিকা পর্ব-১

যতদূর মনে হচ্ছে পূর্ব-পশ্চিম (যদিও মহাশূণ্যে সেই অর্থে দিক নেই)বা উচ্চ-নীচ থেকে অবশেষে ওয়ান ওয়ার্লড বা বিশ্ব নাগরিকতা নিয়ে সাই-ফাই। thumbs_upগল্পের শেষটা না জেনেই মন্তবয করার দু:সাহস করলাম।

hit like thunder and disappear like smoke