সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (০৪-১০-২০১২ ১২:৫৯)

টপিকঃ শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্দেশ্যে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে। মেজো ভাইয়ের চেষ্টায় এবং ধর্মভাই হক ভাইয়ের সহযোগিতায় নোটারী পাবলিক থেকে দুইশো পিস কম্বল যোগাড় করা সম্ভব হয়েছিলো। ঠিক হলো আম্মা, ভাইয়া, আমি এবং হক ভাই প্রথমে যাবো লালমনিরহাট। তারপর সেখান থেকে যাবো গ্রামের বাড়ি শিমুলবাড়ি। সেখানেই সব কম্বল বিতরন করা হবে। এই উদ্দেশ্যে আমি, আম্মা আর ভাইয়া কল্যাণপুরস্থ এস.আর ট্রাভেলসের কাউন্টারে হাজির হলাম।

বাস রাত সাড়ে আটটায়। আমরা রাত আটটার দিকেই পৌছে গেলাম। হক ভাইও আমাদের সাথে যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন সুদূর ওয়ারী থেকে। কম্বলগুলো আগেই কাউন্টারে বস্তায় বেধে রেখে এসেছিলো ভাইয়া। কাউন্টারে যাবার পরে আমরা দুই ভাই মিলে সেগুলো বাসে লকারে উঠানোর ব্যবস্থা করলাম। দুটো বস্তা ছিলো। একটা ঠিকঠাকমতো উঠানো গেলেও অন্যটা উঠানোর জন্যে আর জায়গা থাকলো না লকারে। কি আর করা? দুইজনে মিলে কাউন্টারে বস্তার বান্ডেল আনপ্যাক করে, কম্বলগুলো দুইভাগে ভাগ করে বেধে, সিটের সামনে নিয়ে নিলাম কোনমতে।

বাসের সামনে দাঁড়িয়ে হক ভাইয়ের জন্যে অপেক্ষা করছি। উনি জ্যামে আটকা পড়েছেন। এই সময় একই বাসের দশজনের একটা গ্রুপের সাথে পরিচয় হলো। এরাও যাচ্ছেন ত্রানকার্যে। তবে গন্তব্য হাতীবান্ধা। কথাবার্তা শুনে বোঝা গেলো যে ওনাদের কেউই আগে উত্তরবঙ্গে যাননি। এই কথা শোনার সাথে সাথে মেজোভাই ওদের টিমলিডারের উরু চেপে ধরলো। লোকটা খুবই অপ্রস্তুত এবং একই সাথে হতভম্ব। ব্যাটা করে কি! আমি অন্যদিকে তাকিয়ে ব্যাপারটা না দেখার ভান করছি। উরু ধরেই মেজোভাই বললো,
-    আপনি শেষ। গন কেইস।
-    মানে? (হতভম্ব হয়ে)
-    আপনিতো ইনার পরেন নাই।
-    ইনার লাগবে কেন?
-    ফ্রস্ট-বাইটের হাত থেকে বাচার জন্যে। আপনারতো দেখি মাফলারও নাই।
-    কানটুপি নিয়েছিতো ভাই।
-    লাভ নাই। পৌছানোর আগেই বাতাস খেয়ে নিউমোনিয়া বাধাবেন।
লোকটা কিছুটা ভয় পেলেও তার দলের অন্যরা দেখি তাকে নানাভাবে অভয় দেয়ার চেষ্টা করলো। আমি কিছু বললাম না। তবে ভাইয়া যেটা বলেছে সেটা সত্য। জানুয়ারীর শুরুর দিকে লালমনিরহাটে আসলেই খুবই অসহ্য ধরনের ঠান্ডা পড়ে। সেটা মোকাবেলা করার জন্যে দলটার সদস্যরা যথেষ্ট শীতবস্ত্র গায়ে চড়াননি।

এদিকে হক ভাইয়ের কোন পাত্তা নাই। আমরা অপেক্ষা করতে করতে প্রায় সাড়ে আটটা বেজে গেলো। ড্রাইভারতো গাড়ি ছাড়ার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে। কারণ ওদেরকে বেশ ভালোই টাইম মেইনটেইন করতে হয়। আমি চিন্তিত মুখে ভাইয়ার দিকে তাকালাম। ভাইয়া হাসি হাসি মুখে বললো,
-    চিন্তা করিস না। বাস দাঁড়াবে।
এ কথা বলে দেখি সুপারভাইসরের সাথে কি কি কথাবার্তা বললো। তারপর দেখি কথা নাই, বার্তা নাই ড্রাইভার বাসের ইঞ্জিনকাভার খুলে খুটখাট শুরু করে দিয়েছে। পাবলিকদের মেজাজ খারাপ হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে । ইঞ্জিন নিয়ে খুটখাট করতে করতেই নয়টা বেজে গেলো। পাবলিক এবারে ড্রাইভারকে ঝাড়ি মারা শুরু করলো। ড্রাইভার মেজাজ খারাপ করে গাড়ি টান মারলো। আমি আর ভাইয়া গেটের কাছে দাঁড়িয়ে আছি। ভাইয়ার দেখি কোন টেনশন নাই। এবার হেল্পারকে কি কি জানি বলে হাতে একশো টাকা গুজে দিলো। হেল্পার গাবতলীর কাছে এনে গাড়ি থামাতে বললো। ড্রাইভার গাড়ি থামালো। হেল্পার আর ভাইয়া গাড়ি থেকে নেমে গেলো আর আমাকে বললো, “তুই গেটে দাড়া।”

আমি গেটে দাঁড়িয়ে আছি। হক ভাইয়ের কোন পাত্তা নাই। ইতিমধ্যে পাবলিক জেনে গেছে যে, একজন যাত্রীর জন্যে এ অপেক্ষা। এক উত্তেজিত যাত্রী আমাকে বললো,
-    আপনার যাত্রী।
-    জ্বী।
-    কেমন মানুষ? আক্কেল নাই? জানেনা ঢাকা শহর জ্যামের শহর? নবাবজাদার মত বাসা থেকে বের হলে গাড়ি ধরা যায় কখনো?
-    জ্বী ভাই। কথা সত্য বলেছেন। তবে আমাদের ধৈর্য্য ধরা উচিত। আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের পছন্দ করেন।
আমার কথা শুনে মনেহয় লোকটার মেজাজ সপ্তম আকাশে উঠলো। চিল্লানো শুরু করে দিলো। তবে তা হালে পানি পাবার আগেই দেখি দশজনের রিলিফ পার্টির দলনেতা গোছের লোকটা বলছে,
-    আরে ভাই, ভালো কাজে যাচ্ছে। একটু অপেক্ষা করতে দোষ কি? আধা ঘন্টা পরে পৌছালে কোন অসুবিধা হবে না।
ওষুধে কাজ হলো। লোকটা চুপ মেরে গেলো। মেজাজ আমারও চরম খারাপ হক ভাইয়ের উপরে। মেজাজ খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে সাড়ে নয়টা বাজলো এবং হক ভাই এসে উপস্থিত হলো। যাত্রীদের বিষদৃষ্টি দেখে থ্রীপিস সুট পরা সুপ্রীমকোর্টের পরাক্রমশালী অ্যাডভোকেট হক ভাইও ঘাবড়ে গেলেন। কোনমতে সরি সরি বলে নিজের আসনে গিয়ে বসলেন। ওনার থ্রীপিস সুট দেখে আমার মেজাজ আরও বেশি খারাপ হলো। বুঝলাম উনিও কখনো শীতকালে উত্তরবঙ্গে যাননি।

যমুনা ব্রীজ আসার একটু আগেই হঠাত দশজনের অপর রিলিফপার্টির এক সদস্য বলে উঠলেন,
-    সুপারভাইজার সাহেব, গাড়ি থামান।
-    কেন?
-    ব্লাডার খালি করতে হবে ভাই।
-    আরে ভাই, আর একটু পরেইতো গাড়ি থামবে।
-    একটু পরেটা কতক্ষণ পরে?
-    আধা ঘন্টা।
-    না ভাই, এখনি থামান। আধা ঘন্টা পরে থামালে এই শীতের রাতে আপনাদেরই গাড়ি ধুতে হবে।
এ কথা শুনে ড্রাইভার তড়িঘড়ি করে একটা ছোট ছাপড়া হোটেলের সামনে গাড়ি থামালেন। গাড়ি থামানো মাত্র সেই লোকতো নামলই, তার পিছে পিছে আরও আট-দশজন গাড়ি থেকে নেমে গেলো। দেখলাম হক ভাই তার নিজ আসনে ঘুমাচ্ছেন। মিনিট পাচেক পরে যখন নেমে যাওয়া যাত্রীদের ফেরত আসার সময় হয়েছে, তখন দেখি হক ভাই সিট থেকে উঠে হুড়মুড় করে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন। এ ঘটনা দেখে আমি সিটের মধ্যে নিজের মাথা বাড়ি মারছি। মেজোভাই বললো,
-    রিল্যাক্স। কিছু হবে না। জাস্ট রিল্যাক্স।
-    কিভাবে? রিল্যাক্সড হই কিভাবে? আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট সিউর যে এই লোক গাড়ি খুজে পাবে না।
ইতিমধ্যে নেমে যাওয়া যাত্রীরা ফিরতে শুরু করেছে। সব যাত্রী ফিরে আসলে সুপারভাইজার বললো , “কোন যাত্রী নিচে আছে? সবাই আসছেনতো।” আমি পিছন থেকে মিনমিন করে বললাম, “আমাদের যাত্রী বাইরে আছে।” সামনে থেকে দেখি লোক বলাবলি করছে,
-    হ্যা হ্যা, ঢাকায় লেট করা যাত্রীটাই! ঐ লোকটাই।
ড্রাইভার দিকে হায় হায় করে বলছে,
-    শালার এই জন্যে এই মফিজ রুটে গাড়ি চালাইতে চাই না।
ড্রাইভারের টেনশন আরেক ডিগ্রী বাড়িয়ে দিতে এক যাত্রী বলে উঠলো,
-    আমিতো দেখলাম উনি ভাত খাইতে বসতেছেন!
ড্রাইভার গাড়ি টান মেরে হাইওয়ের অন্যপাশে নিয়ে রাখলো। আমি ভাইয়াকে বলতে যাচ্ছিলাম যেনো গাড়ি থেকে নেমে হক ভাইকে নিয়ে আসে। তার আগেই দেখি হক ভাই ভাইয়াকে কল দিয়েছেন।
-    শাহেদ, আমিতো কুয়াশার মইধ্যে গাড়িই খুইজা পাইতাছি না।
-    ঠিক আছে ভাইয়া। আপনি দাড়ান। আমি আসছি।
ভাইয়া নিচে নেমে কোনমতে হক ভাইকে গাড়িতে নিয়ে আসলো। সুট গায়ে হক ভাই রীতিমত কাপছে। আমি একটা কম্বল সিটের নিচ থেকে বের করে দিলাম। হক ভাই সেটা সুটের উপর দিয়ে গায়ে জড়িয়ে তার নিজ আসনে আবার ঘুমিয়ে পড়লো।

যমুনা ব্রীজ পার হওয়ার পরে গাড়ি খাওয়াদাওয়ার জন্যে থামলো। তারপরে যাত্রা আবার শুরু হলো। একটু পরে সামনের দিকে বসা রিলিফপার্টির একজন আমাকে বললো,
-    ভাই, একটা কম্বল দেয়া যাবে?
-    দেয়া যাবে, তবে একটা শর্তে। (খুবই সিরিয়াস মুখ করে)
-    কি ভাই?
-    লালমনিরহাটে নামার সময় কম্বল ঠিক মতো গুছিয়ে ফেরত দিবেন।
-    তাতো অবশ্যই। তাতো অবশ্যই। 
কম্বল বের করে দিলাম। একে একে সামনের রিলিফ-গ্রুপের প্রায় সবাইকেই একটা করে কম্বল সাপ্লাই করলাম। সবাই রিলিফের কম্বল গায়ে দিয়ে আরাম করে লালমনিরহাট পর্যন্ত গেলো। লালমনিরহাট পৌছালে সবাই সুন্দর করে কম্বলগুলো গুছিয়ে ফেরত দিলো, আর সেই সাথে দিলো অনেক ধন্যবাদ। আমরাও তাদেরকে যাত্রার শুরুতে সহযোগিতার জন্যে ধন্যবাদ দিয়ে বিদায় জানালাম। ভোর সাড়ে চারটার দিকে নেমেছিলাম লালমনিরহাটে। সৌভাগ্যবশত একটা মাইক্রোবাস পেয়ে গেলাম। দুই ভাই মিলে সব কম্বল লোড করলাম। শুধুমাত্র হক ভাই তার সুটের উপরে চড়ানো কম্বল ফেরত দিলেন না। সুটের উপর কম্বল জড়িয়েই আমাদের সাথে শিমুলবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।

সে বছরই 'আমার ব্লগ' এর ব্লগার জাগো(আরিফ ভাই), সিরাজুল লিটন প্রমুখ আমার আউট-অফ-নো-হোয়্যার মামাবাড়ি টাইপ আবদারকে লাই দিয়ে মাথায় উঠিয়ে, আমাদের গ্রামে গিয়ে বিপুল পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরন করেন। এখানে সেটা সংক্রান্ত একটা পোস্ট আছে। তবে কোন কারণে ছবিগুলো দেখা যাচ্ছে না sad

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

বরাবরের মতই লিখাটি পড়ে ভালো লাগল।

বেদনাদায়ি, তবুও দিনান্তে যে তোমায় ভালবাসি!

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

ভালো লাগলো  thumbs_up

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

ধন্যবাদ। সম্পাদনা করলাম সামান্য। প্যারা না দেয়ায় খুব বাজে লাগছিলো। দিয়ে দিলাম।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

দারুণ লিখেছেন!!!পড়ে ভাল লাগল!!!

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

ভাল লাগল বরাবরের মত।

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

lol lol lol মজা পাইলাম কাউয়া ভাই। আপনি হঠাৎ সাইফাই বাদ দিয়ে ভ্রমণ নিয়ে ক্ষ্যাপলেন, কাহিনী কি tongue সাই-ফাই কি আপাতত স্থগিত নাকি

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

mizvibappa লিখেছেন:

দারুণ লিখেছেন!!!পড়ে ভাল লাগল!!!

ধন্যবাদ।

মিলন লিখেছেন:

ভাল লাগল বরাবরের মত।

ধন্যবাদ।

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

lol lol lol মজা পাইলাম কাউয়া ভাই। আপনি হঠাৎ সাইফাই বাদ দিয়ে ভ্রমণ নিয়ে ক্ষ্যাপলেন, কাহিনী কি tongue সাই-ফাই কি আপাতত স্থগিত নাকি

ধন্যবাদ। অনেক কিছু জমে আছে লেখার জন্যে। সাই-ফাইও আছে একটা। ভ্রমণ কাহিনী লেখা অপেক্ষাকৃত সহজ লাগে। এজন্যে এগুলো আগে নামাচ্ছি। বাকীগুলো পরে লিখবো সময় পেলে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৩-১০-২০১২ ২৩:১১)

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

বুঝলাম উনিও কখনো উত্তরবঙ্গে যাননি।

lol2 lol2 lol2 lol2

আমিও যাই নাই। সামনে গেলে সতর্ক হয়ে যাবো

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

মজা পাইলাম ।

Hoststorebd.com ... ওয়েব হোস্টিং বছরে ৩০০ টাকা থেকে শুরু, মাত্র ৬৫০ টাকয় রিসেলার হোস্টিং। এছারাও  সুলভ মুল্ল্যে ওয়েব সাইট ডিজাইনের অর্ডার দিতে পারেন এখানে।

১১

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকল।  hug

(খুব ভাল লাগল, এই কথা আর কতবার বলা যায়।)

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১২

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

পড়তে পড়তে আপনার হক ভাইয়ের উপর সিরিয়াসলি ব্যাপক মেজাজ খারাপ হইছে।  angry

থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক,
একলা থাকার খুব দুপুরে...
একটি ঘুঘু ডাকুক !

১৩

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

-    আপনি শেষ। গন কেইস।
-    মানে? (হতভম্ব হয়ে)
-    আপনিতো ইনার পরেন নাই।
-    ইনার লাগবে কেন?
-    ফ্রস্ট-বাইটের হাত থেকে বাচার জন্যে। আপনারতো দেখি মাফলারও নাই।
-    কানটুপি নিয়েছিতো ভাই।
-    লাভ নাই। পৌছানোর আগেই বাতাস খেয়ে নিউমোনিয়া বাধাবেন।

বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে  ফ্রস্ট-বাইটের স্বীকার হতে হয় এটা প্রথম জানলাম।  tongue_smile


সুন্দর ভ্রমন কাহিনির জন্য ধন্যবাদ।

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (০৪-১০-২০১২ ১২:৪১)

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

lol2 lol2 lol2 lol2
আমিও যাই নাই। সামনে গেলে সতর্ক হয়ে যাবো

শীতকালে গেলে একটু সতর্ক হয়েই যাওয়া উচিত।

ইকরাম হোসেন লিখেছেন:

মজা পাইলাম ।

ধন্যবাদ।

আরণ্যক লিখেছেন:

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকল।  hug
(খুব ভাল লাগল, এই কথা আর কতবার বলা যায়।)


ধন্যবাদ। পরের কোন পর্ব নাই। আসলেই একই কথা বারবার লেখা খানিকটা বিরক্তিকর বৈকি। আর আপনিতো দিনকে দিন পাম্পার হয়ে যাচ্ছেন। যে পাম দিচ্ছেন! এমনিতেই ভুড়ি বড় হচ্ছে, তারউপর আপনার পাম্প। কোনদিন না আবার ফেটে যাই lol

আমি হিমু লিখেছেন:

পড়তে পড়তে আপনার হক ভাইয়ের উপর সিরিয়াসলি ব্যাপক মেজাজ খারাপ হইছে।  angry


আমার কথা চিন্তা করেন তাহলে। মনে হচ্ছিলো বাস থেকে কুয়াশার উপর লাফ মারি angry

ইলিয়াস লিখেছেন:

বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে  ফ্রস্ট-বাইটের স্বীকার হতে হয় এটা প্রথম জানলাম।  tongue_smile সুন্দর ভ্রমন কাহিনির জন্য ধন্যবাদ।


ইলিয়াস ভাই, মেজো ভাইয়ের তুলনায় আমি খুবই বাজে অ্যাম্পলিফায়ার। আমার গেইন ১০ হলে মেজোভাইয়ের ১০০। লেখা পড়ার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৫

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

আপনারা তিনটা ভাই'ই এক একটা জিনিয়াস   clap
শাহেদ ভাইকে যতটুকু দেখেছিঃ  কোন সমস্যা তুড়ি দিয়ে মিটিয়ে ফেলতে তার জুড়ি মেলা ভার  thumbs_up তা সে যত বড়ই হোক না কেন  smile মনে হয় সারাক্ষন তার মাথায় আইডিয়া কিলবিল করে  blushing

আপনার ভ্রমন কাহিনী সম্পর্কে কোন মন্তব্য করলাম না, পাছে পাম্পার উপাধি জুটে যদি  tongue

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।

১৬

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

লালমনিরহাট -এ কিন্তু সত্যি সত্যিই বেশ ঠাণ্ডা পড়ে! বিশেষ করে পাটগ্রামের দিকে শীত প্রচণ্ড থাকে। 'হক ভাই' ইন্টারেস্টিং চরিত্র মনে হচ্ছে। এই চরিত্র গল্পের জন্য পারফেক্টো!  lol দূরের বাস যাত্রায় একটা না একটা বেআক্কেল লোক থাকবেই; কেন থাকে কে জানে? হা হা হা। আপনার বর্ণনা বরাবরের মত সুখপাঠ্য clap

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

পঞ্চগড়ে ছিলাম দুবছর, রংপুরে এক বছর। ঠাকুর গাঁয়ে ৪ বছর। ঐ অঞ্চলের শীত কেমন খুব ভাল ভাবেই জানি। আর শীতের সময় স্কুল ছুটি থাকত। যতই শীত হোক, আমাদের বাসায় আটকে রাখতে পারত না কেউ। dream


@কাউয়া ভাই, ভাল মানুষের দাম নাই। আমার এত কোয়ালিটি আর আপনি কিনা আমাকে পাম্পারের সাথে তুলনা করলেন।  angry জানেন না রেলের চাকায় পাম্পার কাজ করে না। আমাকে যদি পাম-অয়েল বলতেন তাও ভাল লাগত। টায়ার বিশিষ্ট চাকায় পাম্প আর রেলের চাকায় অয়েল দিতাম। wink

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৮

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

উত্তরবংগ ভ্রমনের জন্য শীতকাল অতুলনীয়!

I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............

১৯

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

গতকাল পড়ছিলাম আর হাসছিলাম  lol lol , বিশেষ করে হক ভাই যতই লেট আর কুয়াশায় হারিয়ে যাক না কেন আপনার ভাই যেন পুরাই - "বি কুল ম্যান " টাইপ ।

(লেপ্পির "D" বাটনটার কারনে গতকাল কমেন্ট করতে পারি নাই  sad )

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

২০

Re: শীতকালে লালমনিরহাট যাত্রা

আমি পড়ি আর হাসি  hehe

  Tenacity - Focus - Discipline - Repetition

   Sabbir's Blog 

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত