সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৯-০৯-২০১২ ১০:৪৫)

টপিকঃ আমার আসাম যাত্রা

২০০৭ সাল। সেবার ঈদ এবং পুজার জন্যে বেশ বড় রকমের একটা ছুটির ফাদে পড়েছিলো ভার্সিটি। সেটাকে কাজে লাগানোর জন্যে মনস্থির করি নানীবাড়ি যাবো। ভারতের আসাম রাজ্যে আমার নানীবাড়ি। যাওয়াটা বিশাল ঝক্কির ব্যাপার। বাসায় সবাই মিলে যাওয়ার বিল উত্থাপন করলাম। বিল আংশিকভাবে পাশ হলো। ভাইয়া-ভাবী বললো যাবে। মিয়াভাই-ভাবী বললো হয়তো যাবে। আব্বা-আম্মা যাবে না। আমি আব্বাকে বললাম যে, সবার সাথে ভিসার জন্যে লাইনে দাড়াবো নাকি একা দাড়াবো। আব্বা অন্যদের সাথে লেজ না বাধার পরামর্শ দিলেন এবং আমাকে একাই ভিসার জন্যে দাঁড়িয়ে পড়তে বললেন।

ভিসা কাহিনীঃ

সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যে গুলশানে ইন্ডিয়ান অ্যামবাসিতে পৌছে গেলাম। গিয়ে দেখি মোটামুটি হাজারখানেক লোকের পিছনে আমাকে দাড়াতে হবে। পূজার কারণে ভয়াবহ ধরনের রাশ। কি আর করা? দাঁড়িয়ে পড়লাম। এর মাঝে দেখি এক পাবলিক এসে বলছে,
-    সামনে দাড়াবেন নাকি?”
-    কত?
-    ৪০০ টাকা।
-    নাহ।
-    আপনি জায়গা দেখেন, তারপর পছন্দ হলে টাকা দিয়েন।
-    জায়গা দেখেও টাকা দিতে পারবো না। দিলে বাসায় যাওয়ার ভাড়া থাকবে না। (বাসায় যাবার সিএনজি ভাড়া থাকবে না। সেটা অবশ্য উল্লেখ করি নাই।)
-    কত দিতে পারবেন?
-    ২০০ টাকা ম্যাক্সিমাম।
-    ৩০০ দিয়েন।
-    ভাই, পারলে না করতাম না। ৩০০ কেন, ৪০০ই দিতাম।
লোকটা কিছুক্ষণ চিন্তা করে আমাকে বললো, “আসেন আমার সাথে।” আমি লাইনে আমার পিছনের লোকটাকে আমার জায়গাটা দেখতে বলে অন্য লোকটার সাথে হাটা ধরলাম। গিয়ে দেখি মোটামুটি সামনের দিকে শ-খানেক লোকের পিছনে আরেকটা লোক দাঁড়িয়ে আছে। লোকটাকে দেখিয়ে প্রথম লোকটা আমাকে বললো,
-    দেখেন, চলবে নাকি? এটা ছাড়া আর কোন জায়গা নাই এখন আমার কাছে।
আমি কোন কথা না বলে দুশো টাকা লোকটার হাতে গুজে দিলাম। দ্বিতীয় লোকটা লাইন থেকে বের হয়ে আমাকে জায়গা করে দিলো। আমি লোকটার জায়গায় দাঁড়িয়ে গেলাম। সেদিন মোটামুটি দশটার মধ্যে ভিসার কাজ শেষ করে বের হতে পেরেছিলাম অ্যামবাসী থেকে। লাকি মি। ভাইয়া-ভাবীরা পরের দিন গিয়েছিলো ভিসার জন্যে। মোটামুটি ছয় ঘন্টার মত দাঁড়িয়ে থেকেও ভিসা পায়নি। উল্টো, মিয়াভাইয়ের পাসপোর্ট আটকিয়ে রেখে খুব হ্যারাস করেছিলো। 

যাত্রা হলো শুরুঃ
আমার যাত্রার ব্যাপারে নানীবাড়িতে কাউকে কিছু জানানো হয় নাই। সারপ্রাইজ ভিজিট আরকি। রাত সাড়ে নয়টার শাহআলী পরিবহনে রওনা দিলাম। গন্তব্য বুড়িমারী। ড্রাইভার ব্যাটা আস্তে ধীরে চালিয়ে সকাল আটটার দিকে বুড়িমারীতে নামিয়ে দিলো। সকাল সাড়ে আটটার দিকে বর্ডার খুলে দেয়। আমার পিঠে এক বিশাল ব্যাকপ্যাক। তাছাড়া আর কোন লাগেজ নাই। বুড়িমারী চেকপোস্টে বিডিআর কোন ঝামেলা করলো না। ভ্যাজাল বাধলো ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশনে। আমার সাথে যারা সেসময় ভারতে যাচ্ছিলো, সবার গন্তব্যই মোটামুটি পশ্চিমবঙ্গ অথবা মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসায় নেপাল। শুধুমাত্র আমারই গন্তব্য আসাম। সবই লিখে দিয়েছিলাম ফর্মে। এরপরও কোথায় যাবেন? কেন যাবেন? কার কাছে যাবেন? কিভাবে যাবেন? কি করেন? যার কাছে যাবেন সে কি করে? ব্লা ব্লা একের পর এক প্রশ্ন করেই গেলো। আমি ধৈর্য্য ধরে জবাব দিলাম সব প্রশ্নের। এর মাঝে আবার কাস্টমসে আমার লাগেজ চেক করতে চাইলে বললাম যে, আমার লাগজে কোন লক নাই। চেক করে নেন। ব্যাকপ্যাকের গিফট আইটেমসের মধ্যে অনেকগুলো শাড়ি আর সাবান ছিলো। সাবানগুলো দেখে এমন চোখ বানালো যেন আমি সাবান না, আরডিএক্স নিয়ে যাচ্ছি।

ইমিগ্রেশন থেকে ছাড়া পেয়ে মানি এক্সচেঞ্জ গিয়ে কিছু রুপি কিনলাম। তারপর এক্সচেঞ্জের লোকটাকে জিজ্ঞেস করলাম,
-    আচ্ছা ভাই, এখান থেকে মাথাভাঙ্গা যাবার বাস কোথা থেকে ছাড়ে?
-    সামনেই একটা বাইপাস আচে। ওখান থেকে সুপার ধরে চলে যেতে পারবেন।
-    আচ্ছা। বাইপাস পর্যন্ত কিভাবে যাবো? রিক্সা বা ভ্যান?
-    না না, দাদা। রিক্সা-ভ্যান লাগবে না। হেটেই চলে যেতে পারবেন।
পিঠের এই বোঝা নিয়ে হাটা খুব কষ্টকর ব্যাপার। তাই দুরত্ব কম হওয়া স্বত্তেও একটা রিক্সা নিলাম। জীবনের শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্তের একটা ছিলো সেটা। কারণ রিক্সাতেই প্রায় মিনিট বিশেক লেগেছিলো বাইপাস পর্যন্ত পৌছাতে। মনে মনে গালি দিয়ে ব্যাটার চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করলাম।

ছুপার সার্ভিসঃ
সুপারের জন্যে অপেক্ষা করতে করতে সুপার ক্ষুদা পেয়ে গেলো। মনে পড়লো যে, সকাল থেকে নাস্তাই করা হয়নি। একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে লুচি আর সবজি খেয়ে নিলাম। তারপর আবারও অপেক্ষা সুপারের জন্যে। কিন্তু যে বাস আসে, সেটাই নাকি সুপার না। অপেক্ষা করতে করতেই দেখি মোবাইলে তখনও নেটওয়ার্ক আছে। আমার ডিজুস দিয়ে বাসায় ফোন দিয়ে আম্মাকে টেনশন করতে মানা করলাম। তারপর আবারও অপেক্ষা। অবশেষে সুপার এলো। সুপার দেখে আমার চক্ষু চড়কগাছ! মিনিবাস আর রাইডারের মাঝামাঝি এক বাহন। তারউপরে কোন সিট খালি নাই। আগত্য লাগেজ মেঝেতে রেখে দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে যাত্রা। কিছুক্ষণ পরে মনে হলো রেস্টুরেন্টের লোকটা আমাকে ইচ্ছে করে এই লোকাল বাসে উঠিয়ে দিয়েছে সুপার বলে। কারণ রাস্তায় যেই হাত উঠাক না কেন, সাথে সাথে ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে তাদের উঠিয়ে নিচ্ছে। এটা আর যাই হোক, কোন সুপার সার্ভিস হতে পারেনা। এভাবে চলতে চলতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই একটু ঝিমুনী চলে এসেছিলো। হঠাত প্রচন্ড শব্দ করে সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ আর তাল সামলাতে না পেরে আমি সামনের বসে থাকা যাত্রীর কোলে ধরাশায়ী। হৈ হৈ করে উঠলো বাসের যাত্রীরা।
-    সুয়োর ড্রাইভারটার কি ব্রেক নেই?
-    আহা, ড্রাইভারকে দোষ দিচ্ছেন কেন দাদা? সামনের আহাম্মকটা হঠাত ব্রেক কষার কারণেইতো এটা হলো। সালার সব দোস ও ব্যাটার।
-    একেতো আটআনা ভাড়া বাড়িয়েচে, তারওপর কিভাবে গাড়ি চালাচ্চে দেকেচেন দাদা? আমার নতুন সার্টটার পুরো দুটো বোতাম ছিড়ে গিয়েচে। এটার ক্ষতিপূরণ কে দিবে শুনি?
-    সালাকে দুটো রামথাপ্পড় কসিয়ে দিন দাদা। কঠিন শিক্ষা হবে তাহলে।
কিছু উৎসাহী যাত্রী নেমে সামনের গাড়ির ড্রাইভারকে কঠিন শিক্ষার রামথাপ্পড় দেবার জন্যে নেমে গেলো। আমার পাচ্ছে রামকান্না। এমনিতেই সেই লেভেলের ছুপার সার্ভিস। তারউপর এভাবে মারামারি শুরু করলে আজকে আর আমার আসাম পৌছুতে হবেনা।
[চলবে]

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৮-০৯-২০১২ ১৩:৪৯)

Re: আমার আসাম যাত্রা

বাহ বাহ! ১ম লাইন পড়িয়াই কমেন্ট না করে থাকতে পারলাম না... মিয়াভ্রাতা বংশের সহিত এই অধমেরও কিন্চিৎ মিল আছে দেখছি... আমার নানাও আসাম হইতে ইম্পোর্টেড.. করিমগন্জ না রহিমপুর জাতীয় নামের কি এক গ্রাম ছিলো সম্ভবত:...

অশেষ শুকরিয়া যে কাউয়া নানীর সহিত ব্রাশু নানার মোলাকাত হয় নাই, নইলে যে কি হইতো আল্লা মালুম  lol

বাকিটুকু পড়ছি এখন... বরাবরের মতই হুলুস্থুল হবে মনে হচ্ছে...

Calm... like a bomb.

Re: আমার আসাম যাত্রা

আসাম কাহিনী পুরাই অসাম লাগচে দাদা thumbs_up

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৮-০৯-২০১২ ১৪:৩২)

Re: আমার আসাম যাত্রা

invarbrass লিখেছেন:

বাহ বাহ! ১ম লাইন পড়িয়াই কমেন্ট না করে থাকতে পারলাম না... মিয়াভ্রাতা বংশের সহিত এই অধমেরও কিন্চিৎ মিল আছে দেখছি... আমার নানাও আসাম হইতে ইম্পোর্টেড.. করিমগন্জ না রহিমপুর জাতীয় নামের কি এক গ্রাম ছিলো সম্ভবত:...

অশেষ শুকরিয়া যে কাউয়া নানীর সহিত ব্রাশু নানার মোলাকাত হয় নাই, নইলে যে কি হইতো আল্লা মালুম  lol

বাকিটুকু পড়ছি এখন... বরাবরের মতই হুলুস্থুল হবে মনে হচ্ছে...

করিমগঞ্জ। আপার-আসামের একটা জেলা। এবার হুলুস্থুল হবে না। লেখার পরে একবার পড়লাম। তেমন একটা সুবিধার মনে হলো না। তবে আপনাদের দেয়া উতসাহে পরবর্তী পর্ব লেখার ফুয়েল পাচ্ছি। ধন্যবাদ।

@অমিতঃ আমার কাছে তেমন একটা ভালো লাগে নাই লেখাটা। আমার কাছে আমার নিজের লেখা সেরা ভ্রমণ কাহিনী আমার আরব আমিরাত সফর। এই লেখাটা ওটার ধারে কাছেও হচ্ছে না sad

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আসাম যাত্রা

clap সুন্দর হয়েছে। পড়তে পড়তে শেষে এসে যখন দেখি চলবে,  তখন ইচ্ছা করে একটা মাইনাস দেয়।

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। smile

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও,আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি,যেটা ছিল না ছিল না সেটা না পাওয়া ই থাক,সব পেলে নষ্ট জীবন।

Re: আমার আসাম যাত্রা

এ এ দাঁদাঁ , আপনার পুরো গুস্টি দেকচি বিদেচে বিদেচে । তা মেলা বেড়ীয়েযেন দেকতে পাচ্চি  hehe

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২৮-০৯-২০১২ ১৬:১৫)

Re: আমার আসাম যাত্রা

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

করিমগঞ্জ। আপার-আসামের একটা জেলা। এবার হুলুস্থুল হবে না। লেখার পরে একবার পড়লাম। তেমন একটা সুবিধার মনে হলো না। তবে আপনাদের দেয়া উতসাহে পরবর্তী পর্ব লেখার ফুয়েল পাচ্ছি। ধন্যবাদ।

@অমিতঃ আমার কাছে তেমন একটা ভালো লাগে নাই লেখাটা। আমার কাছে আমার নিজের লেখা সেরা ভ্রমণ কাহিনী আমার আরব আমিরাত সফর। এই লেখাটা ওটার ধারে কাছেও হচ্ছে না sad

ছোটো হলেও লেখাটা আসলেই হুলুস্থুল হয়েছে। বিশেষ করে শার্টের বোতামের জন্য আহাজারী পড়ে হাসতে হাসতে শেষ - চোখের সামনেই ঘটির আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছিলুম যেন.... (অরুণদা, হৃদয়দা মাখায়েন  tongue )

Calm... like a bomb.

Re: আমার আসাম যাত্রা

না না, দাদা। রিক্সা-ভ্যান লাগবে না। হেটেই চলে যেতে পারবেন।

এই জায়গাটায় বেশি মজা পেয়েছি, ভাগ্যিস হেঁটে রওনা দেন নাই।

আমার পাচ্ছে রামকান্না।

যত কান্না তত হাসি, বলে গেছেন ... tongue_smile পরের কাহিনী আরও মজার হবে এই আশায় বসে রইলুম দাদা।

ঘরের কোনে মনের বনে, তোমার সাথে জোছনা স্নান...
তোমার দুহাত থাকলে হাতে; স্বপ্নে জাগে মধুর প্রাণ।
ছড়া সব করে রব

নাদিয়া জামান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আসাম যাত্রা

নাদিয়া জামান লিখেছেন:

না না, দাদা। রিক্সা-ভ্যান লাগবে না। হেটেই চলে যেতে পারবেন।

এই জায়গাটায় বেশি মজা পেয়েছি, ভাগ্যিস হেঁটে রওনা দেন নাই।

আমার পাচ্ছে রামকান্না।

যত কান্না তত হাসি, বলে গেছেন ... tongue_smile পরের কাহিনী আরও মজার হবে এই আশায় বসে রইলুম দাদা।

যত হাসি তত কান্না ,বলিয়াছেন এরশাদ নানা ।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: আমার আসাম যাত্রা

কাউয়া ভাই, আপনারা তাহলে হাফ-আসামি!  lol2
পড়তে ভালো লাগছে তো! বোতামের জন্য হাহাকার! হা হা হা।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: আমার আসাম যাত্রা

চালিয়ে যান ভালো লাগচ্ছে ! কিন্তু তাড়াহুড়ো করার দরকার নাই।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: আমার আসাম যাত্রা

শিশির লিখেছেন:

clap সুন্দর হয়েছে। পড়তে পড়তে শেষে এসে যখন দেখি চলবে,  তখন ইচ্ছা করে একটা মাইনাস দেয়।

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। smile


আরে আশ্চর্য্য, আসাম যেতে সময়তো দেবেন? এখনও কুচবিহারই পৌছাই নাই। শেষ কিভাবে হবে?  lol

ফারহান খান লিখেছেন:

এ এ দাঁদাঁ , আপনার পুরো গুস্টি দেকচি বিদেচে বিদেচে । তা মেলা বেড়ীয়েযেন দেকতে পাচ্চি  hehe


নাহ। নানার সাইডের সবাই আসামে। কিন্তু বাকিরা সবাই দেশে। আবার শ্বশুরবাড়ির সবাই বাইরে।

invarbrass লিখেছেন:

ছোটো হলেও লেখাটা আসলেই হুলুস্থুল হয়েছে। বিশেষ করে শার্টের বোতামের জন্য আহাজারী পড়ে হাসতে হাসতে শেষ - চোখের সামনেই ঘটির আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছিলুম যেন.... (অরুণদা, হৃদয়দা মাখায়েন  tongue )


আমি কিন্তু একবারও কিছু বলি নাই  donttell

উদাসীন লিখেছেন:

কাউয়া ভাই, আপনারা তাহলে হাফ-আসামি!  lol2
পড়তে ভালো লাগছে তো! বোতামের জন্য হাহাকার! হা হা হা।


তা বলতে পারেন। তবে আমার মায়ের দিকের পূর্বপুরুষেরা বাংলাদেশ থেকেই আসামে গিয়েছিলেন।

উদাসীন লিখেছেন:

কাউয়া ভাই, আপনারা তাহলে হাফ-আসামি!  lol2
পড়তে ভালো লাগছে তো! বোতামের জন্য হাহাকার! হা হা হা।


ধন্যবাদ। তাড়াহুড়োর দরকার হবে না। কাহিনী তেমন বড় না।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৩

Re: আমার আসাম যাত্রা

অসাম যাত্রা নাম দেখে পড়তে এসে দেখি আসাম যাত্রা ghusi

ঘরের কোনে মনের বনে, তোমার সাথে জোছনা স্নান...
তোমার দুহাত থাকলে হাতে; স্বপ্নে জাগে মধুর প্রাণ।
ছড়া সব করে রব

নাদিয়া জামান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরণ্যক (২৯-০৯-২০১২ ০০:০৬)

Re: আমার আসাম যাত্রা

invarbrass লিখেছেন:

ছোটো হলেও লেখাটা আসলেই হুলুস্থুল হয়েছে। বিশেষ করে শার্টের বোতামের জন্য আহাজারী পড়ে হাসতে হাসতে শেষ - চোখের সামনেই ঘটির আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছিলুম যেন.... (অরুণদা, হৃদয়দা মাখায়েন  tongue )

ঠিক।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

এভাবে চলতে চলতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই একটু ঝিমুনী চলে এসেছিলো। হঠাত প্রচন্ড শব্দ করে সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ আর তাল সামলাতে না পেরে আমি সামনের বসে থাকা যাত্রীর কোলে ধরাশায়ী।

মহিলা যাত্রী না তো? আপনার তো আবার অভ্যাস* খারাপ। tongue [*লেখকরের "একদা ফিজিক্স পরীক্ষার দিনে" দ্রষ্টব্য]

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৫

Re: আমার আসাম যাত্রা

আরণ্যক লিখেছেন:

মহিলা যাত্রী না তো? আপনার তো আবার অভ্যাস* খারাপ। tongue [*লেখকরের "একদা ফিজিক্স পরীক্ষার দিন" দ্রবষ্ট]

না না, কাউয়া ভাই অতটা খারাপ না tongue মাঝে মাঝে একটু টুক করে হয়ে যায় আরকি...... ওটা কোন ব্যাপার না wink lol

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬

Re: আমার আসাম যাত্রা

পোলাপান এইসব কি বলে? আস্তাগফিরুল্লাহ নাউযুবিল্লাহ notlistening

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন linx_freak (২৯-০৯-২০১২ ০০:৩৮)

Re: আমার আসাম যাত্রা

বুড়িমারী সীমান্তের বুড়ির দোকান এর কথা মনে পরল  big_smile। বুড়ির হাতের রান্না মাশাল্লাহ, অসাধারণ । প্রাঞ্জল একটি লেখার জন্য  thumbs_up

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

১৮

Re: আমার আসাম যাত্রা

ভাল কাহীনির সাথে ভাল ভাল ছবি চাই।
ছবি ছাড়া ভ্রমন কাহীনি প্রানছাড়া লাশ।  sad

Allah is a better planner... so whenever u'r plan fails, cheer up... Allah has a better plan for you

Shahanur79'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: আমার আসাম যাত্রা

linx_freak লিখেছেন:

বুড়িমারী সীমান্তের বুড়ির দোকান এর কথা মনে পরল  big_smile। বুড়ির হাতের রান্না মাশাল্লাহ, অসাধারণ । প্রাঞ্জল একটি লেখার জন্য  thumbs_up


সেবার বুড়ির দোকানে খাইনি। কিন্তু এর আগে যেবার আম্মাকে নিয়ে গিয়েছিলাম, সেবার খেয়েছিলাম। ভালোই। ধন্যবাদ।

Shahanur79 লিখেছেন:

ভাল কাহীনির সাথে ভাল ভাল ছবি চাই।
ছবি ছাড়া ভ্রমন কাহীনি প্রানছাড়া লাশ।  sad


এখানেইতো কবি নীরব। নোকিয়া-১১০০ দিয়ে কি ছবি তোলা যায়?

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

২০

Re: আমার আসাম যাত্রা

আসাম কাহিনির পরের পর্বের অপেক্ষায়.....................