টপিকঃ শক্ত মনের মানুষ

লেখাটি লেখার জন্য সেই বিকেল থেকে বসে আছি  donttell , কিন্তু লিখতে পারছিলাম না । ব্যপারটা এমন ভাবে লিখে দিতে হবে যেনো যারা পড়ুয়া তাদের শরীরে বিষ প্রবাহের মতন ঢুকে যায়।

----------------------------------------------------------------------------------------
বটগাছ ১:

ছোট বেলায় এবং কিশোর কাল থেকেই আমি একটা ব্যপারে এক্কেবারে পারফেক্ট ছিলাম , আর সেটা হচ্ছে - শক্ত হৃদয় ( Stone Heart) । আমার বাবাকে আমি খুব কম কথা বলতে দেখতাম ,যদি ও কদাচিৎ  আমার সাথে কথোপকথন হয়ে থাকত । জানিনা সেই রক্তপ্রবাহের ধারাবহ কি  আমার মাঝে ও বিদ্যমান কি না  neutral । একবার মা কে বলেছিলাম -

- মা আব্বাকে বল না ২০ টা টাকা দিতে একটা টেনিস বল কিনব

মা উল্টো আমাকে বাবার কাছে চাইতে বলতেন এবং সেটা আমার কাছে পাহাড়ে উঠার সমান ছিল । বাবার চোখে বোধহয় আমি খুব কমই চোখ মেলাতে পেরেছিলাম । এ ক্ষেত্রে আমার ছোট্ট বোনটি এবং বড় আপু ফাস্ট । উনারা বাবার অতি প্রিয় ছিলেন আর আমি ছিলাম আমার আম্মুর অমুল্য রত্ন । মেয়েরা বরাবরই বাবার প্রিয় হয়ে থাকেন আর ছেলেরা মায়ের চোখের মনি ।

বন্ধুদের সাথে রাগ করে মাসের পর মাস কথা না বলে আমি দিব্যি থাকতে পারতাম । যখন মিল হয়ে যেতো তখন তারা বলত -

- বাব্বা তুই পারস ও , কেমনে পারলি ?

আমি বাবার কথা মনে করতাম , হয়ত তিনি ও ছোটবেলায় এমনটাই ছিলেন এবং পরিবারে ও কথা কম বলতেন  neutral যা বলতেন আম্মুই । একবার আমি একজন এর সাথে ১০ বছর কথা না বলে কাটিয়ে দিয়েছিলাম - এটা মনে হয় বিশ্বাস যোগ্য নয়  donttell । তাহলে কি ধরে নেবো - আমিই সেই স্টোন হার্ট ম্যান


বটগাছ ২:

প্রবাস পাড়ি দেওয়ার আগে অনেক কথা শুনেছিলাম আমি । এই যেমন

- যারা বিদেশ যায় তারা পাষাণ হয়ে যায় ( কাছের মানুশদের কথা ) ।

- যারা বিদেশ যায় তারা পুরোন বন্ধুদের কথা মনে ও রাখে না ( বন্ধুদের কথা ) ।

এরকম আরো কত্ত কি । তবে আমি যে আগে থেকেই শক্ত মনের অধিকারী ছিলাম । তাই সবাই আগে থেকি বলত - তুই যেই শক্ত পোলা , তোরে মাথায় বাড়ি দিলে ও তুই লড়বি না ।
মনে অনেক বল পেলাম । কান্না জমিয়ে জমিয়ে বুকে পাথর বেধে ফেললাম , নাহ আমি কাদিনি একটু ও কাদিনি তবে সেইদিন ঐ শক্ত মনের অধিকারী যাকে ভাবতাম আমার বাবা তাকে আমি চোখের জল লুকোতে দেখিছিলাম । সেদিন শক্ত পাথর ও কেঁদে উঠল । বাবারা বুঝি এমন ই হয় ।

বটগাছ ৩:

https://fbcdn-photos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc6/255470_215469208581052_1705266864_a.jpg

উপরের ছবিটি দেখুন , আমার পাশে যিনি দাঁড়িয়ে মুচকি হাসি দিয়েছেন তার নাম - জাকির হোসেন । আমার একমাত্র রুম পার্টনার । অবশ্য উনি আমাকে ইউসলেস রুম পার্টনার বলেই বেশি খ্যেপান  sad । ঢাকা পলিটেকনিক থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার । হিসেবে বড় ভাই তবে ফ্রেন্ড বানাইয়া ফেলেছি উনাকে । প্রজন্মের প্রতিটি সদস্যের লেখাগুলো উনাকে প্রতি রাত্র পড়ে শোনানো যেনো আমার রুটিন । বিশেষ করে কবিতা উনার প্রিয় এবং রম্য লেখাগুলো ও । উনি এখন বাহরাইনে সরকারি আর্মি সিভিল ডিফেন্স কর্মরত আছেন । জীবনে উনি সুখি । প্রেম করে সফলতা অর্জনকারী একজন সফল প্রেমিক ওরফ স্বামী  hehe । মাঝে মাঝে উনার কাছ থেকে প্রেমের ডায়ালগ শুনে শুনে আমি ফিট হইয়া যাইতাম  hairpull । উনার কিছু ক্রিয়েটিভিট আমার অনেক মন কেড়ে নিয়েছে । কবিতা  love , উনার কবিতা এত ভাল এবং বাস্তবধর্মী যে কি বলব । সংসারে ৭ ভাই-বোন এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট তিনি । উনার প্রথম কন্যা জন্মগ্রহন এর সময় একটা ডায়েরী লেখেন । যেটা হয়ত সেই মেয়ে বড় হয়ে পড়বে । আমি নিশ্চিত মেয়েটা সেদিন অঝোরে কাঁদবে । এখন ও লিখে যাচ্ছেন ডায়েরী দুই কন্যার নামে এবং সেগুলোর একমাত্র শ্রোতা হলাম - " আমি " ।


বটগাছ ৪:

আজ বিকেলে ইমারজেন্সি চলে গেলেন জাকির ভাই । উনাকে এয়ারপোর্টে দিয়ে এসে সেই যে ল্যপির সামনে বসলাম আর উঠতে পারছিলাম না । একা ঘরে এখন আমি আর আমার সাথি ল্যপটপ । এতদিন ভাবতাম আমিই বুঝি শক্ত মনের মানুষ , কিন্তু আজ সেই ভুলটা ভেঙ্গে দিয়ে চলে গেলেন - জাকির ভাই । উপরের ছবিটি তুলেছিলাম এই ঈদে , উনাকে আগেই বলে রেখিছিলাম

- ভাই এই ঈদে কিন্তু আমার সাথে মুভি দেখবেন কথা দেন smile

উনি কথা দিয়েছিলেন । আমি গুনাক্ষরে ও সেদিন বুঝি নি কতটা শক্ত এবং পাথর উনি বুকে চেপে ধরে আছেন । দিব্যি উনি আমাদের সাথে ঘুরে বেড়ালেন , মুভি দেখলেন এবং মুচকি হাসি দিয়ে ছবি ও তুললেন । আপনাদের হয়ত জানতে ইচ্ছে করছে কেনো উনার কথা বলছি বারবার , কারন ঐ উপরের ছবিটির তোলার সময় উনার বাবা হসপিটালে ছিলেন এবং তিনি সেটা জেনেও আমার কাছে লুকিয়ে আমার সাথে আনন্দ লুটছিলেন । এখন বুঝলাম আসলে উনি আমাকে বলেন নি কথাটি । হয়ত তিনি আমার/আমদের  ঐ দিনের আনন্দ মাটি করে দিতে চাননি । জানিনা মানুষের কাছে আমি কখন ভাল মানুষটি হয়ে যাই । আমি তো অনেক খারাপ দুস্টামি ও করি মাঝে মাঝে উনারা কি মাইন্ড ও করেন না ?

ঈদের দিন এর পরের দিন উনার বাবাকে রিলিজ দেয়া হল । ডাক্তাররা আর শেষ উপায় বলে কিছু পাননি । জাকির ভাইয়ের বাবার দুটো কিডনিই অকেজো হয়ে গিয়েছিল । বয়স ও এত বেশি হয়ে গিয়েছে যে কিডনি ট্রান্সফার ও করাতে চাননি । উনার হাতে সময় ও বেধে দিয়েছেন ডাক্তাররা । আসলে এই পৃথিবীতে ঈশ্বর এর পর মনে হয় ডাক্তাররাই জন্ম এবং মৃত্যু নিশ্চিত করতে পারেন বলে আমার মনে হয় । উনার বাবাই নাকি সবাইকে বলে দিয়েছিলেন - " যতদিন বাঁচি ঘরের আলোতে গিয়ে বাঁচি এবং মরলে সেটি ও ঘরের আলোতে এখানে এই হসপিটালে থাকলে হয়ত সময় এর আগেই মরে যাবো " । কিরকম লাগে যখন কেউ জানতে পারে তার বন্ধুসুলুভ বাবা ছেড়ে যাবেন নির্ধারিত সময়েই ? হ্যাঁ জাকির ভাইয়ের সাথে উনার বাবার রিলেশনটাই ছিলো এরকম । হয় এরকম হয় সবার হয় না যেমন আমারটি হয়নি , আমি বাবার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারিনি ।


শেষাংশ

জাকির ভাইকে এয়ারপোর্টে বিদায় জানাবার সময় ও উনার মুখে হাসি দেখে আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছি । কিভাবে উনি এতটা শক্ত হয়েছেন ? উনি জানেন উনি দেশে যাবেন আর ৭ থেকে ৮ দিনেই সব কিছুই শেষ হয়ে যাবে । পরিবারের একজন চলে যাবেন ঐ দূর আকাশে তারা হয়ে । উনি দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে , যেনো উনার বাবা ঠিকঠাক মতন যেতে পারেন । এ কেমন দোয়া ? আমরা কি উনার আরোগ্য কামনা করতে পারি না  ? নাকি এটাই বাস্তব, এটাই সত্য  neutral

আমার থেকে ও শক্ত মনের অধিকারী একজন কে পেলাম - " জাকির ভাই " । আমার দেখা শক্ত মনের মানুষ ।



----------------------------------------------------------------------------------------------



( মধ্য রাতে সবার মন খারাপের জন্য সরি , আসলে বাসায় একা একা এতক্ষন বসে থেকে নিজের বাবার কথা মনে পড়ছিল বারবার । কাউকে কাছে না পেয়ে ভার্চুয়াল আমার কাছের এক পরিবারদের সাথে শেয়ার করলাম - " প্রজন্ম ফোরাম " । সবাই দোয়া করবেন জাকির ভাইয়ের আব্বার জন্য । উনি যাতে আর কোন ও কস্ট না পান )

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

Re: শক্ত মনের মানুষ

একটানে পড়লাম এবং পড়ার সময় শৈশবের কিছু সৃতি (না, "কিছু" না অনেক সৃতি) মনে পড়ে গেল।

'সমাজে সুস্থ বিনোদনের ব্যাবস্থা না থাকলে অসুস্থ বিনোদন হবেই।' :-সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

Re: শক্ত মনের মানুষ

ভালো লিখছেন। চালিয়ে যান। আপনারে দেখে তো কোল্ড হার্টেড পার্সন মনে হয়না  isee

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শক্ত মনের মানুষ

বটগাছটি পাঠ করিয়া এই পাঠক বটগাছ হইল  neutral neutral neutral neutral neutral

roll

Re: শক্ত মনের মানুষ

সু্ন্দর গুচিয়ে লিখেছ ।

আমরা সবাই শক্ত মনের মানুষ তানা হলে পরিবারের অতি প্রিয়জন চোখের সামনে থেকে চলে পরকালে

আর আমরা মাত্র কয়েকদিনেই সেই সুখ কাটিয়ে উঠে সব কিছু ভুলে যাই আবার সেই নষ্ট জীবন শুরু করে দেই ।

হয়ত আল্লাহ তাআলাই এরকম করে মানুষকে গড়েছেন । তা না হলে হয়ত পৃথিবীতে বেচে থাকার মত কোন পথ থাকত না ।

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: শক্ত মনের মানুষ

মুরুব্বীর জন্য দোআ রইল।

বন্ড এ সাত সকালে মন খারাপ  cry করে দেওয়ার জন্য তোমাকে মাইনাস।

Re: শক্ত মনের মানুষ

ভন্ডু ভাই সক্কাল সক্কাল মনডা খারাপ কইরা দিলেন sad

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন টমাটিনো (২৬-০৮-২০১২ ১০:২৫)

Re: শক্ত মনের মানুষ

এই দুনিয়া বড়ই বিচিত্র, কত ধরনের হৃদয় আছে কে জানে  । অনেক গুছিয়ে লিখছেন  smile

  crying আমার হার্ট শক্ত তবে চোখ নয় । worried

  Tenacity - Focus - Discipline - Repetition

   Sabbir's Blog 

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শক্ত মনের মানুষ

ইলিয়াস লিখেছেন:

বন্ড এ সাত সকালে মন খারাপ  cry করে দেওয়ার জন্য তোমাকে মাইনাস।

হাত থাকতে মুখের কি দরকার। দিয়ে দিন না একটা। সক্কাল সক্কাল মন খারাপ করানোর মজা টের পাবে।

মনে আছে, আম্মা মারা যাওয়ার পর একদিন নাদিয়া ফোন করে আমাকে সান্তনা দিতে গিয়ে নিজেই কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিল। পুরো ফ্যামিলিতে একমাত্র আমিই পাথরের মত নিশ্চুপ ছিলাম।

কিছু নির্মম সিচুয়েশনে সম্ভবত মানুষের যখন কিছু করার থাকে না, তখন কেউ কেউ সেটাকে কিভাবে যেন খুব সহজ ভাবে নিয়ে ফেলে, ইচ্ছেয় হোক কিংবা অনিচ্ছেয়।

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন linx_freak (২৬-০৮-২০১২ ১০:৩৪)

Re: শক্ত মনের মানুষ

কামডা ভাল হইলনা জেমস ভাই। হক্কাল বেলা কাইন্তে মুঞ্চায়না... cry । তবে পোষ্টটা খুব ভাল হইসে।
জাকির ভাইয়ের বাবার জন্য দোয়া রইল।

জ্ঞান হোক উম্মুক্ত

১১

Re: শক্ত মনের মানুষ

আকাশ, শক্ত আর নরম মন বলে আসলে কিছু নাই। তুমি সবকিছু ভিতরে চেপে রাখো বলে তুমি বা জাকির ভাই শক্ত মনের মানুষ, পাষাণ, এরকম ভাবা ঠিক না। এর বদলে অন্তর্মুখী (ইন্ট্রোভার্ট) শব্দটা ব্যবহার করতে পারো। এই শব্দটাও মনেহয় ঠিক হলো না। অনেক হৈ-হুল্লোড় করা মানুষও তার মনের কষ্ট লুকিয়ে রাখে, যাতে তা অন্যের মন খারাপের কারণ না হয়। আমিও এরকম করি অনেক সময়। এটাকে এক ধরনের দায়িত্বশীলতা বলেই মনেহয় আমার কাছে। তবে এটা ঠিক কষ্টগুলো শেয়ার করলে বুকটা অনেক হালকা লাগে। কিন্তু চাইলেও অনেক সময় সেটা পারা যায় না। সময়ের সাথে সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে। শুভকামনা থাকলো।
অটঃ তুমি করে বলে ফেললাম। কিছু মনে করো না।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১২

Re: শক্ত মনের মানুষ

সবাইকেই কাঁদানোর জন্য সরি এগেইন  sad

তাঁর ছেঁড়া ভাই লিখেছেন:

আকাশ, শক্ত আর নরম মন বলে আসলে কিছু নাই। তুমি সবকিছু ভিতরে চেপে রাখো বলে তুমি বা জাকির ভাই শক্ত মনের মানুষ, পাষাণ, এরকম ভাবা ঠিক না। এর বদলে অন্তর্মুখী (ইন্ট্রোভার্ট) শব্দটা ব্যবহার করতে পারো। এই শব্দটাও মনেহয় ঠিক হলো না। অনেক হৈ-হুল্লোড় করা মানুষও তার মনের কষ্ট লুকিয়ে রাখে, যাতে তা অন্যের মন খারাপের কারণ না হয়। আমিও এরকম করি অনেক সময়। এটাকে এক ধরনের দায়িত্বশীলতা বলেই মনেহয় আমার কাছে। তবে এটা ঠিক কষ্টগুলো শেয়ার করলে বুকটা অনেক হালকা লাগে। কিন্তু চাইলেও অনেক সময় সেটা পারা যায় না। সময়ের সাথে সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে। শুভকামনা থাকলো।

হুম হতে পারে । আমি এমনটি করে ভাবি নাই , হয়ত বাস্তবতা মেনে নিয়েছিলেন আমার বড় ভাইটি তাই উনার আর কিছু করার নেই মনে করেই এটা করেছেন , আমি কিন্তু এখন ও সেইটুকুন হতে পারি নি । কিছু কিছু কস্ট আছে যেটা নিবারন করার জন্য এই চেংরা বয়সেও আমি ভুল পথে চলে যাই মাঝে মাঝে  donttell


অটঃ তুমি করে বলে ফেললাম। কিছু মনে করো না।

এই ফোরামের সবাই আমার এত্ত আপন যে কি বলব  hug , আজ আর একজন বড় ভাই পেলাম এবং সেই ক্ষেত্রে এইটা আপনার দায়িত্ব আমাকে তুমি করে বলাটা ।

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও