টপিকঃ ডায়েরি-৮: "পার"

বৃষ্টি হচ্ছে তো হচ্ছেই, থামাথামির কোন নাম নেই। সেই সকাল থেকে বৃষ্টি। দরজায় দাঁড়িয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছি। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় বড়। মাটিতে পড়েই চারিদিকে ছিটকে যাচ্ছে আর সাথে কিছু মাটি তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বাড়ির উঠোন পাশের রাস্তার তুলনায় খানিকটা উঁচু, রাস্তায় ইতিমধ্যেই পানি জমে গেছে। উঠোনে পানি জমবে জমবে করেও জমছে না। তবে হাল্কা পানিতে সারা উঠোন থই থই করছে। উঠোনে জমে থাকা শ্যাওলা গুলোও মনে হচ্ছে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। সারা উঠোন জুড়ে শ্যাওলার সবুজ রঙ। অবশ্য কিছুক্ষণ আগেই বৃষ্টিতে ভেজার সময় উঠোনের এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত্য পিচ্ছিল শ্যাওলার উপর দৌড়ে বেড়িয়েছি। দৌড়ে বেড়ানো মানে ইচ্ছে করে পিছলে যাওয়া। এ খেলাটার মাঝে এক অন্য ধরনের আনন্দ আছে। উঠোনের সব জায়গা পিচ্ছিল থাকেনা, একটু দূর থেকে দৌড়ে এসে ঠিক পিচ্ছিল জায়গাটার উপর এসে থেমে যাই। ফলে পিছলে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে অবস্থায় একটানে উঠোনের ওমাথায় চলে যেতাম। অবশ্য এখেলায় ব্যালান্স রাখার জন্য অনেক প্রাকটিস করতে হয়েছে। প্রথম প্রথম দৌড়ে এসে পিচ্ছিল জায়গার উপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না, পা উলটে পড়ে যেতাম। তখন আশেপাশে কেউ থাকলে সে কি হাসাহাসি করত! এখন আর সে সমস্যা হয় না। নির্বিঘ্নে উঠোনের এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত্য চলে যেতে পারি।

বৃষ্টিতে ভিজেছি যে বেশিক্ষণ হয়নি। উঠোনে এখনো পিছলে যাওয়া অংশে লম্বা লম্বা দাগ দেখা যাচ্ছে। প্রবল বর্ষনে আশেপাশের গাছগুলো নেতিয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সুপুরি গাছগুলো। এগাছগুলো অনেক লম্বা হয় আর গাছের মাথায় বড় বড় পাতাগুলো চারপাশ থেকে ঝোপের মত সৃষ্টি করে। টানা বৃষ্টিতে পাতাগুলোর একেবারে জুবুথুবু অবস্থা।

আম্মা ভেতর থেকে ডাক দিলেন। ঘরটায় ট্রাপিজিয়ামের আকৃতিতে টিনের চাল দেয়া আছে, তার নিচে বাঁশকে পাতলা করে কেটে পাটির মত করে বানিয়ে মাচা দেয়া হয়েছে। ফলে টিনের চালের চূড়া থেকে নিচে সমান্তরাল মাচার মাঝখানে অনেক খালি জায়গার সৃষ্টি হয়েছে। এজায়াগার মাঝে নানা ধরনের টুকিটাকি জিনিসপত্র রাখা হয়। ভেতরে গিয়ে দেখলাম, ঘরের মেঝে থেকে মাচার উপরে উঠার জন্য যে খালি জায়গা আছে তার মাঝে আম্মা মই লাগিয়ে রেখেছেন। বুঝলাম টিনের চাল ফুটো হয়ে পানি ঝরছে। সকালেই মাচার উপরে উঠে অনেক জায়গায় ঘটি বাটি রেখে এসেছি যাতে টিনের ফুটো দিয়ে পানি গড়িয়ে ঘরের মেঝেতে না পড়ে। কিন্তু এখন আরো নতুন নতুন জায়গা দিয়ে পানি পড়ছে। তাড়াতাড়ি মই দিয়ে মাচার উপরে উঠে গেলাম, আম্মা নিচ থেকে আরো কিছু ঘটি বাটি দিলেন। ভেতরে বেশ অন্ধকার, কোথায় কোথায় পানি পড়ছে তা খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্ট। আম্মা নিচ থেকে পানি পড়ার জায়গা দেখিয়ে দিলেন, আমি ঐ জায়গাতে পাত্রগুলো ঠিকভাবে বসিয়ে নিচে নেমে এলাম। প্রতি বর্ষাকালে এ যন্ত্রনাটা সহ্য করতে হয়, টিন ফুটো হয়ে পানি পড়বেই। বিরক্তিকর...।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে এসেছে, আজকে কারেন্ট আসার কোন সম্ভাবনা নেই। আগামী দু-তিন দিনেও আসবে কিনা সন্দেহ। কোথায় কোন তারের উপর গাছ পড়েছে কে জানে! সন্ধ্যা হলে এখন হারিকেন অথবা কুপি জ্বালাতে হবে। আম্মা জানাল, ঘরে হারিকেন জ্বালানোর মত কেরোসিন নেই। এখন কেরোসিন আনতে স্কুলের সামনে যে দোকানগুলো আছে সেখানে যেতে হবে। বৃষ্টির ঝাপটা সকালের মত এত তীব্র না, অনেকটাই কমে এসেছে। হালকা হালকা ফোঁটা পড়ছে। ব্যাপার না; এটুকু ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ছাড়াই যাওয়া যায়। ছাতা নিয়ে হাঁটা বেশ ঝামেলার, এর চেয়ে হালকা পাতলা ভিজে যাওয়া অনেক ভালো। চারপাশ শুকনো থাকলে বাগানের ভেতর ভেতর দিয়ে অনেক তাড়াতাড়ি দোকানে যাওয়া যেত, কিন্তু এ বৃষ্টি বাদলার মাঝে বাগানের ভেতরের রাস্তাগুলো পুরোই চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। এখন লম্বা পথ ঘুরে যেতে হবে। কি আর করা! টাকা আর কেরোসিনের বোতল নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, সন্ধ্যার আগে আগেই ঘরে ফিরে আসতে হবে।

রাস্তায় বেশ পানি জমে আছে। পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত্য পানি। কিছু কিছু নীচু জায়গায় তো পানি একেবারে হাঁটুর কাছাকাছি চলে এসেছে। লুঙ্গিটাকে পেঁচিয়ে সামনের দিকে এনে একহাতে ধরলাম, তবে খেয়াল রাখলাম যাতে কোনভাবেই হাঁটুর উপরে উঠে না আসে। হাফপ্যান্ট পরা ছেড়েছি অনেকদিন হল, এখনতো আর আগেরমত হাঁটুর উপরে উঠানো যায় না। ভেতরের রাস্তাটা বড় রাস্তা থেকে একটু নীচু বিধায় রাস্তায় বেশ পানির স্রোত। আশেপাশের ছোট ছোট নালায় পানি নেমে যাচ্ছে। স্রোতের কারনে রাস্তায় সর্পিকালারে কিছুটা ড্রেনের মত সৃষ্টি হয়েছে যা দিয়ে পানি রাস্তা থেকে সরে যাচ্ছে।

পানির উপর ছপছপ পা ফেলে হাঁটছি। বর্ষা শুরুর আগে এ রাস্তায় বালু মাটি ফেলা হয়েছে, ফলে এ কঠিন বৃষ্টিতেও রাস্তায় কাদার কোন অস্তিত্ব নেই, পায়ের নিচে জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে যাওয়া বালু মাটির স্পর্শ পাওয়া যাচ্ছে। পানির উপর দিয়ে এ মাটিতে হাঁটার মজাই অন্যরকম। স্বচ্ছ পরিষ্কার পানি। রাস্তার যে অংশে হাঁটু পানি হয়, সে অংশে গেলেও একেবারে পায়ের তলা পর্যন্ত্য স্পষ্ট দেখা যায়। রাস্তার পাশে যেখানে নালা আছে, সে জায়গাটা একটুখানি নিচু, আর নালার পানি রাস্তার পানি মিশে একাকার হয়ে গেছে। সেই সুবাধে রাস্তার পানিতে ছোট ছোট মাছ উঠে এসেছে। বিশেষ করে রাস্তার কিনারে ডুবে থাকা ছোট ছোট ঘাসের মাঝে প্রায়ই ছোট ছোট মাছের দল উঁকি দিচ্ছিল। আজকে ঘুরে বেড়ানোর বিশাল জায়গা পেয়ে মাছগুলো মনে হয় ইচ্ছেমত বেড়িয়ে নিচ্ছে। আমার হাঁটার শব্দ শুনে মাছগুলো ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। দলবদ্ধ মাছগুলো মুহুর্তেই দলছাড়া; কিছুক্ষণ পর আবার তারা একসাথ হয়ে যাচ্ছে। এও মনে হয় এক ধরনের খেলা, এরকম বিশাল খেলার জায়গা মাছগুলো যে সারাবছর পায় না...।

আরো কিছুদূর এগোতেই দেখলাম পাশের বাড়ির এক চাচা রাস্তার নিচ দিয়ে যাওয়া দু’পাশের কূয়োর সংযোগস্থলে মাছ ধরার ঝাঁঝর বসিয়ে দিচ্ছিলেন। আর পাশের খলই (এক ধরনের মাছ ধরার পাত্র) তে বেশ কিছু তাজা মাছ লাফালাফি করছে। বুঝলাম অনেক আগেই তিনি ঝাঁঝরটা এখানে পেতে দিয়েছিলেন। এখানে আটকে থাকা মাছগুলো নিয়ে যাচ্ছেন আর ঝাঁঝরটা পুনরায় একই জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন। সকালে আসলে দেখা যাবে এখানে আরো অনেক মাছ আটকে আছে। গ্রামে এ পদ্ধতিতে মাছ ধরাটা বেশ জনপ্রিয়। বৃষ্টি না থাকলেও অনেকেই দুই নালার সংযোগস্থলে এরকম ঝাঁঝর বসিয়ে রাখেন, যে পরিমান মাছ এখানে আটকা পড়ে তা দিয়ে সারাদিনের খাবার ভালোভাবেই হয়ে যায়।

বড় রাস্তায় উঠতেই বিপত্তিটা ঘটলো। এ রাস্তাটা ভেতরের ছোট রাস্তা থেকে বেশ খানিকটা উঁচু, তাই এখানে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত্য পানি নেই। কিন্তু সমস্ত রাস্তাই এবড়ে থেবড়ে আর কাদায় ভরপুর। কিছুদূর পরপরই বিশাল গর্ত। সেখানে পানি জমে আছে আর গর্তের গভীরতা কতটুকু তা পানির কারনে উপর থেকে বোঝা যাচ্ছে না। যারা রিকশায় করে যাচ্ছিলেন তাদের অবস্থা ছিল বেশ করুণ। গর্তের কারণে কিছুদূর পরপরই রিকশা থেকে নেমে হেঁটে যাচ্ছিলেন। আর রিকশাওয়ালা সারা রাস্তার মাঝে খুঁজে খুঁজে কোনরকম একটা ভালো জায়গার মাঝ দিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে, তাও শেষ রক্ষা হচ্ছেনা। প্রায়ই ছোট ছোট গর্তের মাঝে রিকশার চাকা আটকে যাচ্ছে। এরাস্তায় রিকশায় যাবার চেয়ে হেঁটে যাওয়া শতগুনে ভালো।

বড় রাস্তার পাশে মাঝে মাঝেই কূয়ার মত (অনেক জায়গায় পুকুর) কাটা আছে। যে পাশে এরকম কূয়া বা পুকুর আছে সে পাশটা একটু নীচু হয়। কূয়োর পানিতে সাধারণত ছোট ছোট কুচুরীপানার মত ফেনা জন্মে। বেশিরভাগ সময়েই সারা কূয়োর পানি কুচুরীপানায় ভরে থাকে। প্রবল বৃষ্টিপাতে কূয়োর পানি রাস্তার নিচু জায়গায় উঠে ভরে গেছে, ফলে রাস্তার ও অংশটুকুও কুচুরীপানায় ভরে গেছে। এসব জায়গা দিয়ে হাঁটতে একটু সাবধান হতে হয়। রাস্তা দিয়ে অনেকক্ষণ কেউ চলাফেরা না করলে ঐ কুচুরীপানার সাথে সাপ এসে বসে থাকে। আমি আবার সাপ চরম আকারে ভয় পাই। সাপ দেখলেই গা শিরশির করে উঠে। মনে হয় মেরুদন্ড দিয়ে ঠান্ডা কি একটা হেঁটে যাচ্ছে। রাস্তার মাঝে এরকম কিছু জায়গায় পানির সাথে কুচুরীপানা জমে থাকতে দেখলাম। কিছুক্ষণ আগেই এ রাস্তা দিয়ে রিকশা চলে গেছে, তাই রাস্তায় সাপ বসে থাকার সম্ভাবনা কম। তবুও একেবারে নিশ্চিন্ত হতে পারলাম না। রাস্তার কিনারা থেকে কিছু কাদামাটি উঠিয়ে মাটির ঢেলা বানালাম, সেই ঢেলাগুলো কয়েকটা ছুঁড়ে মারলাম রাস্তায় জমে থাকা কুচুরীপানার মাঝখানে। কোন কিছুর নড়ন চড়ন দেখা গেল না, তার মানে এখানে সাপ নেই। কিছুটা নিশ্চিন্ত হলাম। এবার রাস্তার মাঝের ওটুকু জায়গার কোন কোন স্থানে পা ফেলা যায় সে টার্গেট করলাম। লুঙ্গির প্যাঁচটাকে আরেকটু শক্ত করে ধরলাম। এবার কেরোসিনের পাত্রটাকে সুবিধামত ধরে দিলাম এক দৌড়। চোখের নিমিষেই রাস্তার ওজায়গাটুকু পার হয়ে এলাম। যেভাবে দৌড় দিয়েছি, তার শব্দে যদি সেখানে সাপ থেকেও থাকে তার এমনিতেই ভয়ে কূয়োতে নেমে যাবার কথা। যাই হোক, ভালোয় ভালোয় এপথটুকু পাড়ি দিলাম। দূর থেকে অনেকেই আমাকে দৌড় দিতে দেখে তাকিয়ে ছিল। কেয়ার করলাম না, যা ভাবার ভাবুকগে...একবার সাপ কামড় দিলে তার ব্যাথা তো তাদের সইতে হবে না...।

আরো জোরে পা চালালাম, দোকানে যেতে আরো খানিকটা সময় লাগবে। কেরোসিন নিয়ে আমাকে সন্ধ্যার আগেই ফিরতে হবে, অন্তত রাতের অন্ধকারে এ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবার দুঃসাহস আমি করতে পারব না।

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

ফয়সাল ভাই, আপনি কি প্রো পিক চেঞ্জ করেছেন। আমার ভুল না হয়ে থাকলে আপনি বোরহান ভাইয়ের বন্ধু, তাই না?

আপনার প্রতিটি লেখ চমৎকার। আর আমার কাছে তারচেয়ে চমৎকার লাগে আপনার পজেটিভ কমেন্ট গুলি। যদিও আপনার কমেন্ট এখন আকাশের চাঁদ। dream

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

ছোটবেলার গ্রামের সময়গুলো মনে পড়ে গেলো। ভাসিয়ে নেয়া বৃষ্টির পর আসাধান তাজা হয়ে থাকে সবকিছু । ইস কতদিন এইরকম পরিবেশ পাইনা ।




.

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

আমি শহরতলীর মানুষ, তাও আবার বাড়ি একেবারে ভাগীরথি কিমবা গঙ্গার এক্কেবারে পাড়ে ফলে বাড়ির সামনে জল জমে না৷ কিন্তু ছোটবেলায় এরকম জল জমা রাস্তায় খুব মজা করেছি৷ বিশেষতঃ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময়, সেই বয়সে বৃষ্টির জল আর ড্রেনের জলে ছপাত ছপাত করে বাড়ি আসতে খুব ভালো লাগতো৷ আপনার এই সাবলীল লেখাটা পড়ে সেই দিনগুলির কথা মনে পড়ে গেল৷ আর দু-দিন বিদ্যুত আসবে না কথায় মনে পড়ে গেল আমাদের এখানে আয়লা ঝড়ের কথা৷

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

ফারহান খান লিখেছেন:

ছোটবেলার গ্রামের সময়গুলো মনে পড়ে গেলো

কুনগ্রামে আপনার বাড়ি? ঢাকায় কি এখন স্থায়ী নাকি? ঢাকায় ভালো লাগে না। বাড়ি যেতে পারব সেই শুক্রবার crying crying

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

সুন্দর লিখেছেন।

Calm... like a bomb.

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

আরণ্যক লিখেছেন:

ফয়সাল ভাই, আপনি কি প্রো পিক চেঞ্জ করেছেন।

বেশ কিছুদিন আগেই করেছে ।

আরণ্যক লিখেছেন:

আমার ভুল না হয়ে থাকলে আপনি বোরহান ভাইয়ের বন্ধু, তাই না?

কথা সত্য ।

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

কুনগ্রামে আপনার বাড়ি?

ওর বাড়ি সম্ভবত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার লাউতলি গ্রামে ।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

লেখা পড়ে অনেক ভাল লাগল ফয়সাল ভাই smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: ডায়েরি-৮: "পার"

@আরণ্যক ভাই, বোরহান তো আমার নাড়ী-নক্ষত্র সব বলে দিল, ছেলেটা ব্রিলিয়ান্ট আছে। আমার গ্রামের নাম সর্বসাকুল্যে ২-৩ বার হয়তো শুনেছে, তাতেই গড়গড় করে সব বলে দিল...। আর আপনার মন্তব্য পেয়ে বেশ ভালো লাগলো।

@ফারহান ভাই, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ছবিগুলো কিন্তু দারুণ হয়, এবার গ্রামে গেলে ছবি তুলে নিয়ে আসবেন।

@অরুন ভাই, আপনার মন্তব্য করার স্টাইলটা দারুন তো! অনেক ধন্যবাদ।

@মাহবুব ভাই, ঢাকায় জীবন যাপন আসলেই খুব একটা সুখকর নয়, তবুও থাকতে হয়, কিন্তু স্থায়ী না। এই লেখাটার ব্যাপারে মন্তব্য তো দিলেন না...

@ইনভারব্রাস ভাই, দুই শব্দের মধ্যে মন্তব্য, সে যাই হোক, উৎসাহ তো পেলাম।

@বোরহান, ভালই তো মনে রাখছিস। কিন্তু লেখাটা কি পড়েছিস? পড়লেও মনে হয় মুখস্থ করার মত টানা পড়ে গেছিস। যাইহোক, ভাল না লাগলে এখনই পড়ার দরকার নেই। যেদিন ঝুম বৃষ্টি হবে সেদিন পড়ে দেখতে পারিস, আশা করি খুব একটা খারাপ লাগবে না।

@ছবি আপু, আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!