৮১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরণ্যক (৩০-০৭-২০১২ ২০:২৬)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

@মন লিখেছেন:

আপনি যে লেনিনের উদাহরণ দিলেন তা আদতে সিসিলির দার্শনিক ইউহিমেরাসের ভাষায় 'magnified man' যা বীর পূজার বিশেষ ধরণ।

আমি তো তাই বলেছি। কাউকে না পেয়ে শেষে... প্রর্থনা করার (পুজা?) একটা আকুতি মানুষের মাঝে দেখা যায়।

@মন লিখেছেন:

আমাকে মৌলবাদ বলার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।আপনি বার বার বান্দরের বংশ,বান্দরের বংশ মানেই জবাবদিহিতার বাইরে যা খুশী তাই করার অধিকার।ধর্ম মানেই বিল্ট ইন নৈতিকতা বললেও তা মৌলবাদী ছিল না নিশ্চয় কি বলেন ?

আপনাকেও ধন্যবাদ। তবে আপনি বুঝতে একটু ভুল করছেন, আমি বলেছিলাম আপনার আচরণ।

আরণ্যক লিখেছেন:

@মন আপনার মতের সাথে নাই মিলতে পারে কিন্তু অন্যের মতকে অসম্মান করা কি উচিৎ? কিছু মনে করবেন না আপনার আচরণ মৌলবাদীদের মতই আক্রমনাক্তক।

  আর আপনার পরের লাইনের মানে বুঝতে পারলাম না। দয়া করে কিছু বলার থাকলে কোট করে স্পষ্ট করে বলবেন। এ এই কথা বলেছে এভাবে না বলে, কোট করলে সবার বুঝার সুবিধা হবে কে কি বলেছন।

ধর্ম চর্চার বিষয়। এটানে বিল্ট ইনের কোন তত্ব আমার জানা নেই। 

রাশিয়া আর চীনের ধর্মের অনুপাতের হিসাব কোথায় পেয়েছেন?  রাষ্ট্রীয় ভাবে সার্বিক চেষ্টার পরও সেই দেশের লোকরা কেন ধর্মের দিকে ছুটল?

আমাদের পরিবারের এক জন খুব সক্রিয় ভাবে রাশিয়া পন্থী কমিউনিস্ট করতেন। তিনি দেশে থেকেই ছিলেন চরম নাস্তিক। এখন অবশ্য পুরা বিপরীত দিকে। আমি সলিড নাস্তিক দেখিনি। বিভিন্ন পরিস্থিতি তে তাদের আচরণ বদলাতে দেখেছি। এক সময় ইনাদের কথার প্রভাব আমার জীবনে প্রচন্ড রকম ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত... যাই হোক হয়তো অন্য কোন দিন এবিষয়ে লেখা যাবে। কেউ নিজেকে নাস্তিক বললেও আমর ঠিক কেন জানি বিশ্বাস হতে চায় না। হয়তো কোন এক দিন, বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনিও.... আর সবার মত আচরণ করবে।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

৮২

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের রিয়াদের কয়েকজন লোক কুরআনের ভ্রুণবিদ্যা (মাতৃগর্ভে মানবশিশুর বৃদ্ধি) -বিষয়ক সবগুলো আয়াত একত্র করলেন। তারা বললেন, “কুরআন যা বলছে সেটা হচ্ছে এটা, এটা কি সঠিক “। মূলত, তাঁরা কুরআনের উপদেশ গ্রহণ করেছিলেন-”যে জানে তাঁকে জিজ্ঞেস করো”। তাঁরা University of Toronto থেকে একজন ভ্রুণবিদ্যার অধ্যাপকের কাছে গেলেন। আর তিনি ছিলেন অমুসলিম। তাঁর নাম কিথ মুর। ভ্রুণবিদ্যায় তাঁর অনেকগুলো পাঠ্যবই রয়েছে এবং তিনি এ বিষয়ে আর্ন্তজাতিক মানের বিশেষজ্ঞ। তাঁরা তাঁকে রিয়াদে আমণ্ত্রণ জানালেন এবং বললেন, “আপনার সাবজেক্ট সম্পর্কে কুরআন এটা এটা বলে, এটা কি সঠিক?, আপনি কী বলেন?”
তিনি রিয়াদে থাকাকালিন তাঁরা তাঁকে অনুবাদের ক্ষেত্রে সবরকমের সাহায্য করলেন এবং তাঁর চাহিদামত সহায়তা দিলেন। তিনি যা পেলেন তাতে এতই অভিভূত হলেন যে তিনি তাঁর টেক্সটবই সংস্কার করে ফেললেন। পরে তিনি তার অন্যতম বই ’Before We Are Born...’ এর ২য় সংস্করণের সময় ভ্রুণবিদ্যার ইতিহাস অংশে এমন কিছু তথ্য অর্ন্তভূক্ত করলেন যা ১ম সংস্করণে ছিলনা কারণ তিনি কুরআনে যা পেলেন তা ছিল ঐ সময়ের চেয়ে এগিয়ে এবং যারা কুরআনে বিশ্বাসী তারা এমন কিছু জানে যা অন্যরা জানেনা।
টেলিভিশনের একটা অনুষ্ঠানের জন্যে আমার ড. কিথ মুরের সাক্ষাৎকার নেবার সুযোগ হয়েছিল। আমরা এ ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা করলাম- এটা স্লাইডে (জীববিজ্ঞানে উদ্ভিদ বা প্রাণিদেহের কোষ ব্যাবচ্ছেদ করে ছোট যে স্বচ্ছ কাঁচে রেখে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা হয়-ব্লগার কাম অনুবাদক) পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি বলেন “কুরআন শিশুর বৃদ্ধি সম্পর্কে যা বলছে এগুলোর কিছু কিছু ৩০ বছের আগেও কেউ জানতোনা"। তিনি একটা বিষয় বিশেষভাবে বললেন- মানবভ্রূণকে একটা পর্যায়ে ‘জোঁকের মত পিণ্ড (leech-like clot-আলাকাহ) বলে উল্লেখ করাটা তাঁর কাছে নতুন ছিল। কিন্তু তিনি যখন যাচাই করলেন তিনি দেখলেন এটাই সত্যি, তাই তিনি এটা তাঁর বইয়ে যোগ করে দিলেন। তিনি বলেন, “আমি আগে কখনো এটার কথা চিন্তাই করিনি।” তিনি প্রাণিবিদ্যা বিভাগে গিয়ে জোঁকের ছবি দেখতে চাইলেন।তিনি যখন দেখলেন যে সেটা দেখতে ঠিক মানভ্রুণের মতই তখন তিনি তাঁর এক বইয়ে দুটো ছবিই দিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিলেন।
যদিও উপরের উদাহরণে কুরআনে প্রদত্ত তথ্য-বিশ্লেষণ একজন অমুসলিমকে নিয়ে করা হয়েছিল তবুও এটা যৌক্তিকই ছিল কারণ লোকটি ছিল উক্ত বিষয়ে অন্যতম পারদর্শী। যদি কোন সাধারণ মানুষ বলত যে কুরআনে যা আছে তা সঠিক তাহলে এটাকে অগ্রাহ্যও করা যেত। তবে, উঁচু অবস্থান, সম্মান, মর্যাদা ইত্যাদির কারণে তাঁরা কোন বিষয়ে গবেষণা করে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন তা হয় সঠিক সন্দেহবাদীদের প্রতিক্রিয়া
ড. মুর clinical embryology এর উপর একটা বইও লিখলেন এবং তিনি কানাডায় (কুরআনে প্রাপ্ত) এ তথ্য প্রকাশ করলে সেখানে একটা হৈচৈ শুরু হলো। কানাডজুড়ে এটা বিভিন্ন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর হলো। এর মধ্যে কিছু শিরোনাম ছিল বেশ হাস্যকর। একটা হেডলাইন ছিল এমন-"প্রাচীন প্রার্থনার বইয়ে বিস্ময়কর জিনিস পাওয়া গেলো!!" এ উদাহরণ থেকে স্পষ্ট বিষয়বস্তুটাই তাদের কাছে পরিষ্কার ছিলনা। এমনকি একজন রিপোর্টার ড. মুরকে প্রশ্ন করলেন, " আপনার কি এমন মনে হয়না যে আরবরা এ জিনিসগুলো জেনে থাকতে পারে, ভ্রুণের বর্ণনা, বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য, এটার কীভাবে পরিবর্তন ও বৃদ্ধি হয়।তারা বিজ্ঞানী হয়তো ছিলনা, কিন্তু তারা হয়তো মানবদেহ কেটেকুটে ব্যাবচ্ছেদ করে পরীক্ষা চালিয়েছে।"
অধ্যাপক মুর তখনি তাকে বলে দিলেন যে সে একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ভুলে যাচ্ছে। যে স্লাইডগুলো দেখানো হয়েছিল এবং যেগুলো ফিল্মে প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল তার সবগুলোই অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে পাওয়া। কেউ যদি ১৪০০ বছর আগে ভ্রুণবিদ্যা আবিষ্কারের চেষ্টা করতও তাতে লাভ হতোনা সে এটা দেখতোই পারতোনা।
কুরআনে ভ্রুণের বর্ণনা ও বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছে সেগুলো এখনো খালি চোখে দেখা যায়না, প্রয়োজন হয় মাইক্রোসকোপ বা অণুবীক্ষণযন্ত্রের। যেহেতু অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে মাত্র ২০০ বছরের কিছু বেশি দিন ধরে ড. মুর বলেন, "সম্ভবত ১৪০০ বছর আগে কারো একটা মাইক্রোসকোপ ছিল এবং সে এটা দিয়ে নির্ভুল গবেষণা চালায় এবং মুহাম্মাদ সা. কে এটা শিখিয়ে দিয়ে তথ্যটা কুরআনে সংযুক্ত করানোর জন্য রাজী করে। পরে সে যন্ত্রটা নষ্ট করে ফেলে চিরকাল এটা গোপন রাখে। আপনার কি এটা বিশ্বাস হয়? হবার কথা নয় যদিনা আপনি কোন প্রমাণ দেখান কারণ এটা একটি অতি অদ্ভূত যুক্তি।"
তখন ড. মুরকে জিজ্ঞেস তরা হলো তাহলে কীভাবে আপনি কুরআনের এই তথ্যকে ব্যাখ্যা করবেন। তিনি উত্তর দিলেন , "এটা তো শুধু ঐশী বাণীই হতে পারে।"

ব্যাপারে জানতে চাই  smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৮৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফুল_বিডি (৩০-০৭-২০১২ ২১:২৭)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

http://www.quranandscience.com/human/13 … quran.html

http://www.muslimvideo.com/tv/watch/afd … Full%29%29

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৮৪

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

এই এখানে দেখি নাস্তিকও আছে

৮৫

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আবুল লিখেছেন:

এই এখানে দেখি নাস্তিকও আছে

এই টপিকে এই জাতীয় মন্তব্য করা ঊচিত না । কারন প্রথমেই বলা আছে । আপনি আপনার যুক্তি তুলে ধরবেন এর বাইরে কিছুই না । আমরা কে নাস্তিক / আস্তিক তা নিয়ে যুদ্ধ করছি না । এখানে একটা আলোচলা হচ্ছে।

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৮৬

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

@ আরণ্যক আপনাকেও ধন্যবাদ।আমি রাজনীতি সচেতন হলেও কমিউনিজম বা কোন রাজনীতি ঘরানা নিয়ে আগ্রহী নই।হ্যা বাংলাদেশে অনেকেই নাস্তিকতার সাথে কমিউনিস্ট এই কম্বিনেশন মেনে চলেন কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেরকম ব্যাপার নয়। চীন ও রাশিয়ার তথ্যগুলা নেটেই পেয়েছি সময় স্বল্পতার জন্য লিংকগুলা দিতে পারলাম না।ধর্মগুলা প্রাচীন আমল থেকেই আছে সেই তুলনায় আধুনিক বিজ্ঞানের বয়স মাত্র ৪০০ বছর এবং রাস্ট্রীয় ব্যবস্থায় নাস্তিকতারও কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।আমার দরকার ধর্মশূন্য মানুষ কিংবা ধর্মকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে রাখে এমন মানুষ।নাস্তিকতা বা ধর্ম কোনটারই রাস্ট্রীয়করণ বা রাজনীতিকরণের দরকার নাই।

@ মুজতবা কস্ট করে নেটে খুজুন।এই টপিকে আর লেখার ইচ্ছা নাই অযথাই ফোরামের পরিবেশ নষ্ট নাই বা করলাম।

hit like thunder and disappear like smoke

৮৭

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সপ্তাহ খানেক পর ফোরামে ডুকলাম... বাব্বা! এরি মধ্যে ঈশ্বর বিশ্বাষ নিয়ে গাদাখানেক টপিক শত খানেক পোস্ট!!

যেহেতু প্রথমিক ধাক্কা আমি মিস করে ফেলেছি তাই অন্যের পোষ্ট নিয়ে কথা বলে বরং আমি নিজের কিছু চিন্তা বলে ফেলি।


ঈশ্বর কে? ধরুন আমি এক ব্যাক্তিকে নিয়ে এসে বললাম ইনি হচ্ছেন ঈশ্বর। এখন ওনার কি কি গুন থাকলে তাকে ঈশ্বর বলে মেনে নিবেন?

১। আমাদের সময়ের মান দন্ড অনুযায়ী যার জড়া এবং মৃত্যু নেই।
২। কোন শক্তিদিয়ে(যেমন এটম বোম) যাকে ধংস করা যায়না।
৩। মহা বিশ্বের আদি অন্ত সমস্ত জ্ঞান যার মধ্যে আছে।
৪। যিনি নিমিশের মধ্যে যিনি বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে পারেন।
৫। একই সাথে বিভিন্ন যায়গায় দেখা দিতে পারেন।
৬। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এবং পশু পাখির মনের ভাব বুঝতে পারেন।

অন্য কথা বললে স্টার ট্রাক সিরিজের "কিউ"
http://en.wikipedia.org/wiki/Q_(Star_Trek)

যদি এমন কাউকে ঈশ্বর বলে মেনে নেন তাহালে আমার বিশ্বাষ ঈশ্বর আছে। কারন বিশ্বাষ করুন আর নাই করুন উপরের লিস্টের সবগুলো গুন
অর্জনে পদার্থ বিজ্ঞানের রুলে কোন বাধা নেই। মানে হল "প্রর্যাপ্ত" সময় পেলে মানব জাতি উপরের সবগুলো গুনই একসময় অর্জন করবে।


আমাদের ক্লাসিকেল পদার্থ বিজ্ঞানের বয়স মাত্র ৪শ বছর। মানব প্রজাতি বয়স ৪৫ লক্ষ বছর। পৃথিবীতে প্রানের উৎপত্তি ৩ বিলিওন বছর। মাহবিশ্বের বয়স ১৩ বিলিওন বছর।
মানুষ মাত্র চরশ বছরের গভেষনায় যদি হিগস্‌ বোসন কনা আবিস্কার করে ফেলতে পারে... ১৩ বিলিওন বছরে কেউ না কেউ, কোথাও না কোথাও অবশ্যই উপরের লিস্টের সমস্ত গুনাবলি অর্জক করে বসে আছে।

৮৮

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

@m0N
আপনার জন্য সূরা বাকারার এই আয়াত:

তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না। ( বাকারা-১৮)

৮৯

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

অভি আহমেদ লিখেছেন:

বধির, মূক ও অন্ধ।

আপনি ও আপনার ঈশ্বরের পরিচয় পেয়ে ধন্য হলাম। tongue

hit like thunder and disappear like smoke

৯০

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

@m0N লিখেছেন:
অভি আহমেদ লিখেছেন:

আপনি ও আপনার ঈশ্বরের পরিচয় পেয়ে ধন্য হলাম। tongue

আমার মনে হয় আপনাদের মত নাস্তিকরা কুরআন কোনদিন ছুয়েও দেখেনাই। অর্থসহ পড়াতো দুরের কথা। দুই এক লাইন বিজ্ঞান পড়েই আপনারা ধরে নেন কুরআন ভুয়া। আপনার আগের পোস্টগুলো পড়ে তাই মনে হল।
আর ইসলাম ধর্ম কোনদিনি অন্ধবিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। এর ৮০-৮৫% প্রমানীত। বাকিটা এখনো মানুষের অজানা। এর পরে কমেন্ট করার আগে একবার জেনে বুঝে অর্থসহ কুরআন পড়ে মন্তব্য করবেন।

৯১

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সদস্য_১ লিখেছেন:

ঈশ্বর কে? ধরুন আমি এক ব্যাক্তিকে নিয়ে এসে বললাম ইনি হচ্ছেন ঈশ্বর। এখন ওনার কি কি গুন থাকলে তাকে ঈশ্বর বলে মেনে নিবেন?

১। আমাদের সময়ের মান দন্ড অনুযায়ী যার জড়া এবং মৃত্যু নেই।
২। কোন শক্তিদিয়ে(যেমন এটম বোম) যাকে ধংস করা যায়না।
৩। মহা বিশ্বের আদি অন্ত সমস্ত জ্ঞান যার মধ্যে আছে।
৪। যিনি নিমিশের মধ্যে যিনি বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে পারেন।
৫। একই সাথে বিভিন্ন যায়গায় দেখা দিতে পারেন।
৬। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এবং পশু পাখির মনের ভাব বুঝতে পারেন।

আমি এই টপিকে পারত পক্ষ্যে মন্তব্য করব না ----- এটাই ভাবনার মধ্যে ছিল।

মুসলিমরা আল্লাহকেই ইশ্বর হিসাবে মানে। তিনি নিজেকে কি হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন সেটা কেউ বললেন না।
আল্লাহ তার পরিচয় সুরা ইখলাসে বর্ননা করেছেন।
আমি শুধু বাংলায় অর্থ কোট করলাম।
১।  বলুন, তিনি আল্লাহ, এক
২। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী
৩। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪। এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

কাজেই ইশ্বরকে কতগুলো ক্রাইটেরিয়াতে বেধেঁ দিয়ে বললাম যে বা যিনি এইগুলো ফুলফিল করবে তিনিই ইশ্বর......এটা ভাবা সঠিক হবে না।

তোমাকে ভালবাসি, তোমারই চরণে ঠাঁই,
মা,
তোমার ভালবাসার কোন তুলনা নাই।

৯২

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আল্লাহ সম্পর্কে তা-মীমের যুক্তি তর্ক

-আচ্ছা আল্লাহ তো আকাশে থাকেন
-হ্যা
-আকাশতো শূন্য । তাহলে আল্লাহ পড়ে যান না কেন
-আল্লাহ তো আলোর তৈরী এজন্য পড়ে যান না
-মা শুন আল্লাহ যদি আলু হন তাইলে কি আমরা আলু রান্না করে খেয়ে ফেলি । আল্লাহ ব্যথা পান না
আমি বললাম বাবারে তোমাকে কিভাবে বুঝাই.........আলো মানে লাইট সূর্য যে আমাদেরকে আলো দেয় এরকম
-মা আমি আল্লাহকে দেখতে চাই........
বাবা আল্লাহকে তো দেখা যায় না
-তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে দেখেন কিভাবে ।
আরো হাজারো প্রশ্নের সম্মুখিত হতে হয় তা-মীমের কাছে
ব্যাটা সারাদিন খালি প্রশ্ন নিয়া থাকে ।
কত কি যে প্রশ্ন তার মাথায়


ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এসব প্রশ্নই করে যাচ্ছে আমার ছোট ছেলে তা-মীম যার বয়স এখন ৫ ছুই ছুই ।

বাপরে বাপ কি জানি কোন বিজ্ঞানীই হয় নাকি ব্যাটা বড় হইলে ।

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

৯৩

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

অভি আহমেদ লিখেছেন:
@m0N লিখেছেন:

আপনি ও আপনার ঈশ্বরের পরিচয় পেয়ে ধন্য হলাম। tongue

আমার মনে হয় আপনাদের মত নাস্তিকরা কুরআন কোনদিন ছুয়েও দেখেনাই। অর্থসহ পড়াতো দুরের কথা। দুই এক লাইন বিজ্ঞান পড়েই আপনারা ধরে নেন কুরআন ভুয়া। আপনার আগের পোস্টগুলো পড়ে তাই মনে হল।
আর ইসলাম ধর্ম কোনদিনি অন্ধবিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। এর ৮০-৮৫% প্রমানীত। বাকিটা এখনো মানুষের অজানা। এর পরে কমেন্ট করার আগে একবার জেনে বুঝে অর্থসহ কুরআন পড়ে মন্তব্য করবেন।

ভাইরে এখানে যেসকল ব্যক্তিবর্গের কথা কোট করা হয়েছে বা উদাহরণ দেয়া হয়েছে বা রেফারেন্স টানা হয়েছে তারা ২-১ লাইন সায়েন্স পড়লে আমরা ১ শব্দও পড়িনি বা জানিনা  worried

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৯৪

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

তপু লিখেছেন:

কাজেই ইশ্বরকে কতগুলো ক্রাইটেরিয়াতে বেধেঁ দিয়ে বললাম যে বা যিনি এইগুলো ফুলফিল করবে তিনিই ইশ্বর......এটা ভাবা সঠিক হবে না।

যদি নির্দিষ্ট প্রিমইজ ডিফাইন না করা যায় তাহলে এধরনের তর্কের কোন মানে হয়না। সে ক্ষেত্রে ভবিৎস্বতে এধরনের টপিক এলাউ না করাটাই যুক্তি সংগত। শুধু শুধু ব্যান্ডউথ অপচয়।

৯৫

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

ইফতার এর আগে রেডিও টুডে তে রমজান মাসের নিয়মিত আয়োজনে শুনলাম, বক্তা হুজুর বলছে,( বিস্তারিত বা নেট এর রেফারেন্স দিতে পারবো না)  মহাভারতে অর্জুন এর সাথে কার যেন কথাপকথন এর সময় অর্জুনকে প্রশ্ন করা হয় , "সব ধর্ম শেষ হয়ে গেলে মানুষ কোন ধর্ম পালন করবে?" তখন অর্জুন বলে, "গুহার ভেতর থেকে একজন যে ধর্ম নিয়ে আসবে সে ধর্ম মানবজাতি পালন করবে।  "

এটা কি হেরা গুহা আর মহানবীর কথা বলা হয়েছে?

আমি আগেও শুনেছি মহানবীর আসার কথা মহাভারতে লিখা আছে ।

I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............

৯৬

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আমিও এমন টা শুনেছি। স্কুলে পড়ার সময় ইনকিলাম/ইত্তেফাকে পড়েছিলাম কলির অবতারের সব গুণাবলি হযরত মুহম্মদ সঃ এর সাথে মিলে যায়। কিন্তু তখন সব কথা মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। শুধু মনে আছে কলি কাল এর সাথে আইয়ামে জাহেলিয়াতর সাদৃশ্য আছে।
সব স্মৃতি প্রসূত। কোন রেফারেন্স দিতে পারব না।

কত কি শিখতে ইচ্ছা করে। এখনও শেখা হলো না কিছুই।

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৯৭

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

বেদে শেষ নবীর আগমনের ভবিষ্যৎবানী, তার পরিচয়,জন্মস্থান,পিতা-মাতার নাম, তার বন্ধুদের পরিচয় সবই দেয়া আছে।
ধন্যবাদ।

৯৮

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

জানি সময় একটু বেশি লাগবে। কিন্তু কথা দিচ্ছি, পোস্টটা পড়লে আপনার-ও খারাপ লাগবে। একটু হলেও নিজেকে সংশোধন করা যাবে। (মুসলমানদের জন্য)
================================

ইসলাম যেখানে একঈশ্বর এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সত্যতাতে বিশ্বাস করতে হয় সেখানে বস্তুবাদ কিংবা ত্রিতত্ত্ববাদ (Trinity) কিংবা বহু
ঈশ্বরবাদ এর কোনো স্থান নেই | নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান |

আমি এখানে আগে মায়ান এবং বর্তমান সম্পর্কে কিছু বলব. তা না হলে ২০১২ নিয়ে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যাবে না |

পৃথিবীতে বরফ যুগের ম্যামোথ থেকে শুরু করে ডাইনোসোর এরা প্রত্যেকেই ধ্বংস হয়েছে . পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থায়ী নয় এমনকি — আমরাও না .
২০১২ নিয়ে আমরা অনেকেই কমবেশ জানি | অনেকেই জানি সুপার হিট ফীল্ম 2012 এর কথা | কিন্তু এই ফীল্মও ২০১২ এর সতর্ক বাণী স্বরূপই তৈরী করা হয়েছিল যা কিনা পরে মুভী ইন্ড্রাস্ট্রিতে ফীল্ম হিসেবেই প্রকাশ পায় | 2012 এর তৈরির পিছনে মায়ান ক্যালেন্ডার এর ভূমিকা ছিল | মায়ান ক্যালেন্ডারে ২০১২ এর পর আর ২০১৩ আসে নি, তারা আবার ১, ২, ৩ এভাবে গুনে গিয়েছে | তারা ২০১২ এ বিশাল ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে যাতে কিনা সভ্যতার ধ্বংস হবে এবং নতুন সভ্যতার উত্থান হবে | অনেকেই বলেন ২০১২ তে নাকি পৃথিবী ধ্বংস হবে. এটা একটা ভুল ধারনা | ২০১২ তে যদি কিছু হয় তাহলে বড় রকমের বিপর্যয় হতে পারে (আল্লাহ ভালো জানেন) যার ফলে পৃথিবীর ৯০% মানুষই মারা যাবে . মায়ানরা যেটা দেখেছিল তা ছিল একটি গ্রহ | তারা দেখেছিল এই বিশাল গ্রহটি তাদেরকে আচ্ছাদিত করছে. এর তুমুল গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স এর প্রভাবে সুনামি আঘাত হানার ফলে ওদের সভ্যতা ধ্বংস হল | তাই তারা এই গ্রহটির নাম দিয়েছিল নিবিরু(Nibiru) বা ধ্বংসকারী. খুব ছোট অংকের মাধ্যমে তারা গ্রহের আসা যাওয়ার গণনা করতে পারত | ওরা এতটাই উন্নত ছিল যে ওরা জানত পৃথিবীর কক্ষপথ অনেকটা গোলাকার | তারা আরো জানত পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে ৩৬৫ দিন লাগে যা আমরা কয়েক শতক আগেও জানতাম না | ওদের মধ্যে যে কেউ ভবিষ্যত গণনা করতে পারত | স্বল্প সংখ্যক যারা বেচেছিল তারাই তাদের ভবিষ্যত গণনা করে বলেছিল এই নিবিরু আবার ২০১২ তে আসবে যার ফলে ভয়াবহ দুরঅবস্থার দেখা দিবে | অনেকে ধারনা করেন এই আদিম মায়ানরাই হল কুরআন এ বর্নিত নুহ নবীর উম্মত যাদেরকে আল্লাহ মহাপ্লাবন দ্বারা ধ্বংস করেছিলেন | যাই হোক এ নিয়ে বলতে শুরু করলে সারা দিন লেগে যাবে.
এখন আধুনিক সভ্যতার প্লানেট এক্স আবিষ্কার এবং নাসা আমেরিকা ইউরোপ এর ষড়যন্ত্রের কথা বলব. প্ল্যানেট এক্স (নিবিরু) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ১৯৮৩ এর গোড়ার দিকে সৌর সিস্টেম এর বাহির এর দিকে আবিষ্কার করে | ১৯৮৩ সালে নাসার ইরাস (IRAS-ইনফ্রা অ্যাস্ট্রোনমিকাল উপগ্রহ) সৌরজগত এর শেষ দিকে বৃহষ্পতি এর মত বড় কিছুর উপস্থিতির কথা বলে | যা ১৯৮৩ এর টাইমস পত্রিকায় উল্লেখ করা হয় |

লিংক : http://3.bp.blogspot.com/-xXP7Jh9SWhs/T … 3%2529.gif

সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জোসেফ ব্র্যাডি আবিষ্কার করেন কোনো অপরিচিত গ্রহ (প্ল্যানেট এক্স) হ্যালির ধুমকেতুর কক্ষপথের মহাকর্ষিক সমস্যার কারণ | জোতির্বিজ্ঞানিদের গাণিতিক হিসাব এটা প্রমান করে যে, এই অপরিচিত গ্রহের ভর পৃথিবীর ৫ গুণ বেশি | এ সম্পর্কে মহাকাশ বিজ্ঞানী যেচারিয়া সিচিন (Zecharia Sitchin) এর একটি বক্তব্য না বললেই নয় ১৯৭৮ সালে তিনি বলেন, “আমাদের সৌরজগতে ৯টি গ্রহ নয় যা সর্বজন কর্তৃক গৃহীত বরং ১০ টি গ্রহ |”

এই বিশাল বস্তর কারণেই যে প্লুটো এর অরবিট পরিবর্তিত হয় এবং প্লুটো তার গ্রহের মর্যাদা হারায় পরবর্তীতে বিজ্ঞানীরা তা কোনো অজানা কারণে আংশিক প্রকাশ করেন | (বর্তমানে প্লুটোকে Kuiper belt এর অংশ বলা হয়) অনেকে একে বাদামী তারা বলেছেন অনেকে বলেছেন ব্যর্থ তারা | অনেকে বলেছেন ধুমকেতু | অনেকে বলেছেন ১০তম গ্রহ অনেকে ১২তম গ্রহ | তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হল এর ভর বৃহষ্পতির চেয়েও বেশী | এর অরবিটও অন্য ধরনের | এর এক অরবিট সম্পন্ন হয় প্রায় তিন হাজার ছয়শ বছর এ | যদি এর আমাদের আরো তিন হাজার ছয়শ বছর আগে নুহ (আঃ) এসে থাকেন তাহলে এর পরের বার পৃথিবী ভ্রমন অতি নিকটেই | আমি আবারো বলছি যে এটি এর আগেও কখনো পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষ করে নি এই বার আসলেও করবে না | এর তুমুল গ্র্যাভিটির কারণেই পৃথিবীর নর্থ পোল আর সাউথ পোল ঘুরে যাবে ফলে সুর্য পশ্চিম দিকে উঠবে যা ইসলাম আমাদের ১৪০০ বছর আগেই বলে দিয়েছে | এর ফলে পৃথিবীর ৯০% মানুষ মারা যাবে বলে ধারণা করা হয় (আল্লাহই ভালো জানেন) | নর্থ পোল সাউথ পোল ইতিমধ্যে সরতে শুরু করেছে | ২০০৪ সালে সূর্যে বেশ কয়েকটি সৌরকলঙ্ক(Dark Spot) সৃষ্টি হয় এর ফলে যে সৌরঝড় (Sun Storm) এবং যে পরিমাণ রেডিয়েশন হয়েছিল তা আমাদের ম্যাগনেটিক পোলগুলো সহ্য করতে পারে নি | আর ঐ দিন পৃথিবীর সুমাত্রাতে ৯.২ রিকটার স্কেলের ভয়াবহ ভূমিকম্পসহ ভয়াবহ কয়েকটি ভূমিকম্প হয়েছিল, ঐ দিন ইন্দোনেশিয়াতে সুনামি হয়েছিল | এ থেকে বুঝা যায় সৌরকলঙ্কের সাথে পৃথিবীর ভূমিকম্পের সম্পর্ক রয়েছে | এই রেডিয়েশন আমাদের মাটির অভ্যন্তরের আন্দোলনকে সক্রিয় করে |

আসছে ২০১২ সবচেয়ে বেশি সৌরঝড় এর বছর |

এখন আমি আমেরিকার নাসার এবং ইউরোপ এর ষড়যন্ত্রের কথা বলব |

প্ল্যানেট এক্স আবিষ্কার এর পর নাসা ও ইসা(ESA- European Space Agency) প্রথমে নিবিরু এর সত্যিকারের ছবি প্রকাশ করলেও তারা এখন এ ব্যাপারে নিশ্চুপ |
এখন গুগল স্কাই এ নিবিরু তথা প্ল্যানেট এক্স এর অবস্থান কালো অংশ দিয়ে ঢাকা| যে কেউ দেখলে বুঝবে এখানে কিছু ছিল যা তারা দেখতে দিচ্ছেনা | কেউ কি ভেবে দেখছেন ওরা কী লুকাতে চাচ্ছে ? ওরা এটা ভাবছে যে এটা জানালে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে কিন্তু ওরা না জানিয়ে আরো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে |

এখন আমেরিকা এবং বিভিন্ন এলাকার গোপন বাজেট এর কথা বলি | আমেরিকা তাদের অনেক নিরাপদ জায়গায় আন্ডারগ্রাউন্ড বেস (যার সংখ্যা আনুমানিক ভাবে ১৩২ এর চেয়েও বেশী) বানাচ্ছে | নিরাপদ এই কারণে বললাম কারণ এই সকল এলাকায় ভূমিকম্প বা যেকোনো দূর্যোগ মুক্ত বলে তাদের ধারনা | (কিন্তু এখন এসব এলাকাতেও ভূমিকম্প হতে পারে) যেটি একটি গোপন প্রযেক্ট | এমনকি আমেরিকান মানুষদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার নেই | এর নাম হলো ডামবস প্রযেক্ট (D.U.M.Bs.- Deep Underground Military Bases)| এই বেস গুলোতে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার মজুদ রাখা সহ সেখানে বৈজ্ঞানিক ভাবে মাটির নিচে খাবার উত্পাদন করার ব্যবস্থা করেছে | এটি একটি সম্মিলিত প্রযেক্ট | বিভিন্ন উন্নত দেশ এর সাথে গোপন ভাবে যুক্ত | রাশিয়া-আমেরিকা চিরন্তন শত্রু হওয়া সত্ত্বেও ওরাও এটার সদস্য | সাথে আছে ইউরোপ এর বিভিন্ন দেশ |
ওরাই বলেছে “আমরা আসন্ন মহাদূর্যোগ এ সবাইকে বাঁচাতে পারব না, আমরা শুধু তাদেরকেই বাঁচাব যাদেরকে আমাদের দরকার ” | এমনকি SPT(south pole telescope) এর সব উপাত্ত গোপন রাখা হয়েছে.

এখন আমি পবিত্র আল কুরআন এর গাণিতিক কোড টার্ম ১৪৩৩(২০১২) এর কথা বলব সাথে ইমাম মাহদি আসার কিছু হাদীস বলব |

১৪৩৩ পবিত্র কুরআন এর ম্যাথম্যাটিকাল কোড

পবিত্র কুরআন এর ম্যাথম্যাটিকাল কোডের কথা বলতে হলে আগে আমাদের প্রাইম নাম্বার সম্পর্কে জানতে হবে | সবাই জানেন প্রাইম নাম্বার কি | তাও বলি যে সকল নাম্বার 1 এবং ঐ নাম্বার ছারা আর কোনো নাম্বার দিয়ে ভাগ যায় না তাদেরকে প্রাইম নাম্বার বলে | যেমন : ১,২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩… লক্ষ্য করুন এই ডিফারেন্স কিন্তু অনিয়মিত | আবার এক বিশেষ ধরনের প্রাইম নাম্বার আছে যাকে অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার বলা হয় | অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার সেই সকল বিশেষ প্রাইম নাম্বার যেগুলোর সংখ্যামানের যোগফলও প্রাইম নাম্বার হয় |

একটা উদাহরন দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে যেমন : ১১ একটি অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার | (১+১=২ | ২ একটি প্রাইম নাম্বার) | আল্লাহ তা আলা কুরআনেও এই সব নাম্বার ব্যবহার করেছেন | পবিত্র কুরআনের শুরুর সূরা ফাতিহাতে ৭ টি আয়াত, ২৯ টি শব্দ, ১৩৯ টি বর্ণ আছে যার সবগুলিই অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার | এমনকি এগুলোকে বাম দিক থেকে বা ডান দিক থেকে যেকোনো দিক থেকে এদের পাশাপাসি বসালে তাও অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার হয় |
|||৭২৯১৩৯ বা ১৩৯২৯৭ ||| ৭+২+৯+১+৩+৯=31 |||

পবিত্র কুরআনের অসংখ্য স্থানে অ্যাডিটিভ প্রাইম নাম্বার এর কথা বলা হয়েছে |

এখন আমি ২০১২ তে আসি :

পবিত্র কুরআনের সূরা আর-রহমান এ ৩১ বার বিভিন্ন আয়াতে “ফাবিআয়্যি আলা ইরাব্বিকু মা তুকাজ্জিবান” বলা হয়েছে | যার অর্থ “তোমরা (জ্বীন ও মানব জাতি) তোমার প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে”
১৩, ১৬, ১৮, ২১, ২৩, ২৫, ২৮, ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৬, ৩৮, ৪০, ৪২,৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৫, ৫৭, ৫৯, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৭, ৬৯, ৭১, ৭৩, ৭৫, ৭৭

এখন এসকল আয়াতসমূহ যোগ করা হলে যা পাওয়া যায় তা হল 1433 |
১৩+ ১৬ + ১৮ + ২১ + ২৩ + ২৫ + ২৮ + ৩০ + ৩২ + ৩৪ + ৩৬ + ৩৮ + ৪০ + ৪২ + ৪৫ + ৪৭ + ৪৯ + ৫১ + ৫৩ + ৫৫ + ৫৭ +৫৯ + ৬১ + ৬৩ +৬৫ + ৬৭ + ৬৯ + ৭১ + ৭৩ + ৭৫ + ৭৭ = ১৪৩৩

এখন লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন ১৪৩৩ একটি প্রাইম নাম্বার এমনকি এর যোগফলও প্রাইম নাম্বার (১+৪+৩+৩=১১) |

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সূরা আর রহমানের শব্দ সংখ্যা ৩৫৫ | এর মাধ্যমে একে বারে আগামী বছর চিহ্নিত হচ্ছে কারণ ১৪৩৩ হল লিপ ইয়ার | আর হিজরী লিপ ইয়ার হয় ৩৫৫ দিন এ |
আরো আশ্চর্যের বিষয় হল পবিত্র কুরআনের ১৪৩৩ নাম্বার আয়াত বর্ণ গুনে গুনে এমনকি শব্দ গুনে গুনে দেখলেও প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আযাব এবং শাস্তির কথা লক্ষ্য করা যায় |
১৪৩৩ তম আয়াত হল পবিত্র কুরআনের সূরা ইউনুস এর ৬৯ নং আয়াত |

সূরা ইউনুস (১০-৬৯)“বলে দাও, যারা এরূপ করে তারা অব্যাহতি পায় না।“
আবার বর্ণ গুনে গুনে ১৪৩৩তম হয় সূরা বাকারাঃ(২:৮৬)
“এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন ক্রয় করেছে। অতএব এদের শাস্তি লঘু হবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না”।
আবার শব্দ গুনে গুনে ১৪৩৩ তম হয় সূরা বাকারাঃ(২:২৪)

“আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে অবিশ্বাসীদের জন্য” |
এখন গোলাকার এই পৃথিবীকে ৩৬০˚ দ্রাঘিমাংশ (উল্লম্ব অর্ধবৃত্ত) এবং ১৮০˚ অক্ষাংশে (অনুভূমিক পূর্ণবৃত্ত) ভাগ করা যায় | আবারও সৃষ্টিকর্তা সূরা আর রহমানে ৩১ বার বর্নিত আয়াতের মাধ্যমে এর কথা বলছেন যার পরিসর ০˚ থেকে ৯০˚ এর মধ্যে |

১৩˚ ১৬˚ ১৮˚ ২১˚ ২৩˚ ২৫˚ ২৮˚ ৩০˚ ৩২˚ ৩৪˚ ৩৬˚ ৩৮˚ ৪০˚ ৪২˚ ৪৫˚ ৪৭˚ ৪৯˚ ৫১˚ ৫৩˚ ৫৫˚ ৫৭˚ ৫৯˚ ৬১˚ ৬৩˚ ৬৫˚ ৬৭˚ ৬৯˚ ৭১˚ ৭৩˚ ৭৫˚ ৭৭˚ এখন এই বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া আয়াতসমূহ দুই ধরনের অস্তিত্বশীল বস্তুর (মানুষ ও জ্বিন) কথা বলে তাই এই ল্যাটিটিউড নাম্বারগুলো যদি উত্তরাঞ্চলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয় উভয় গোলার্ধের জন্য প্রয়োগ করা হয়, (১৩ নর্থ ১৩ সাউথ এভাবে পৃথিবীর মানচিত্রে বসানো হলে) তাহলে তা পবিত্র ভূমি মক্কা, জেরুজালেম, মদীনা, ছাড়া পৃথিবীর সব ঘনবসতিপূর্ণ প্রায় ৯০০০০ এলাকাকে চিহ্ণিত করে | তবে একটা জিনিস লক্ষ রাখতে হবে তা হল কুরআনুযায়ী পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কা যা বিজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত | তাই এক্ষেত্রে আমাদের মক্কাকে কেন্দ্র ধরে হিসাব করতে হবে |

হাদীসে ২০১২ এবং ঈমাম মাহদি সম্পর্কে আসি :

এ বিষয়ে অনেকেই একমত যে ইমাম মাহদির জম্ম হয়ে গিয়েছে | হাদীসে ঈমাম মাহদি আসার আলামত হিসেবে পৃথিবীর চরম বিপর্যয়, দুর্ভোগ এবং মহাদুর্যোগের কথার উল্লেখ আছে |
সব হাদীস না বলে আমি কয়েকটা হাদীস বলব |

“পৃথিবী ততক্ষন পর্যন্ত এর পরিঃশেষ হবে না যতক্ষন পর্যন্ত না আমার পরিবার (বংশ) থেকে একজনের আবির্ভাব হবে এবং সারা পৃথিবীতে ন্যায়ের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে ” |
ইমাম মাহদির আগমনের আরেকটি লক্ষন হলো দুইশিংযুক্ত একটি তারার (আপনি চাইলে একে প্লানেট এক্স বলতে পারেন) আগমন যার লম্বা লেজ থাকবে এবং সারা আকাশকে আলোকিত করবে এর কারণে উপকূলবর্তী স্থানসমূহ ডুবে যাবে |
ঘনঘন ভূমিকম্প হবে |
মহানবী (সঃ) আরো বলেন,
“তোমরা ততক্ষন পর্যন্ত ইমাম মাহদিকে দেখতে পাবে না যতক্ষন পর্যন্ত না ১৫ রমজান শুক্রবার পৃথিবীর পূর্ব, পশ্চিম এবং অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলাতে তিনটি ভয়াবহ ভূমিধ্বস হবে যা কোনো চোখ এ পর্যন্ত দেখে নি” |
তারপর আয়েশা (রঃ) জিজ্ঞেস করলেন “যদিও পৃথিবীতে কিছু ভালো মানুষ থাকবে তাও কি এ ঘটবে?”
মহনবী (সঃ) বললেন, “যখন খারাপের সংখ্যাই বেশি হবে এবং পৃথিবীতে অন্যায় অবিচার বেড়ে যাবে এবং বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে |”
এই ভূমিধ্বস ঐ স্থানের সকলকে গিলে ফেলবে |

http://www.islamicfinder.org/dateConversion.php এই সাইটে গিয়ে ১৫ রমজান ১৪৩৩ লিখে দেখুন তাহলে ইংরেজী সণে যে তারিখ পাওয়া যায় তা হল ৩ আগস্ট ২০১২ শুক্রবার | আল্লাহই ভালো জানেন কি হবে না হবে তবে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত |

ইমাম মাহদি আসার আরো লক্ষন হলো বিশৃঙ্খলা ও বিদ্রোহ দেখা দিবে এক জায়গায় বিদ্রোহ হতেই অন্য স্থানে বাতাসের গতিতে তা ছড়িয়ে পড়বে | রমজান মাসে ২ টি গ্রহন হবে যদিও এই লক্ষনটি পূর্ণ হয়ে গিয়েছে হিজরী ১৪০২ সণে |ইরাক-ইরান যুদ্ধ ইমাম মাহদি আসার লক্ষন | দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে | সোমালিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশে ১.৫ কোটিরও অধিক মানুষ দুর্ভিক্ষ কবলিত |
জেরুজালেম ইহুদিদের দখলে চলে যাবে, মানুষ মিথ্যা কথাকে সুদ গ্রহনকে সকল ধরনের গানবাজনাকে হালাল বলে মনে করবে, অযোগ্য ও অসত্ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রপ্রধান হবে , দেশে দেশে বিদ্রোহ দেখা দিবে, সত্য বিলুপ্ত হবে, ধর্মপ্রচার করা কঠিন হয়ে যাবে, ধর্মের কথা বললে মানুষ খারাপ বলে মনে করবে, দিন খুব দ্রুত যাবে বলে মনে হবে এগুলি সবই হলো ইমাম মাহদি আসার লক্ষন | এছাড়া আরো অনেক লক্ষন আছে যা বর্তমান যুগের সাথে মিলে | সিরিয়া, ইয়েমেনে যা হচ্ছে তাও ইমাম মাহদির আগমনের আলামত | হাদিসে বলা হয়েছে দাজ্জাল শাসন করবে ৪০ দিন. ১ম দিন ১ বছরের মত, ২য় দিন ১ মাসের মত আর ৩য় দিন ১ সপ্তাহের মত এবং বাকী ৩৭ দিন আমাদের স্বভাবিক দিনের মত. এখন সুরা হজ্জ এর ৪৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “ তোমার প্রতিপালকের ১ দিন তোমার ১ হাজার বছরের সমান |”

১ দিন = ১০০০/১বত্সর = ১০০০ বত্সর
১ দিন = ১০০০/১২মাস = ৮৩.৩৩ বত্সর
১ দিন = ১০০০/৫২সপ্তাহ = ১৯.২৩ বত্সর

এই হিসাব অনুযায়ী দাজ্জাল (AntiChrist) তার গোপন এবং প্রতারণাপূর্ণ সংগঠন শুরু করেছে তার অনুসারী ইহুদীদের মাধ্যমে বৃটেনে প্রায় ৯০০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত. যা হল ১০০০ বছর. এইরুপে দাজ্জাল তার ১ম দিন শেষ করল. দাজ্জাল এভাবে ২য় দিনে এবং ১৯১৭ সালে অ্যামেরিকার কাছে এই সংগঠনের ক্ষমতা হস্তান্তর করল এবং সকল ধরনের কার্যক্রম চালু রাখল . ২০০১ সালের ৯/১১ পর্যন্ত যা ৮৩.৩৩ বছর. এভাবে দাজ্জাল তার ২য় দিন শেষ করল এবং তার ক্ষমতা ঈসরাইলের কাছে হস্তান্তর করল. সেই অনুযায়ী এখন চলছে দাজ্জালের ৩য় দিন যা শেষ হবে (২০০১+১৯)= ২০২০ সালে. এরপর আসবে সত্যিকার দাজ্জাল শারীরিক ভাবে যা আমাদের ৩৭ দিনের মত. আরেক হাদিসে বলা হয়েছে ইমাম মাহদি শাসন করবেন ৭ বত্সর. মহানবী (সঃ) বলেছেন, “বিশাল যুদ্ধ এবং ইস্তাম্বুল জয় এর মধ্যে ৬ বছর পূর্ণ হবে এবং দাজ্জাল এর আগমন ঘটবে সপ্তম বছরে.

অপর হাদিসে বলা হয়েছে ইমাম মাহদি শাসনের ৭ম বছরে দাজ্জালের আগমন হবে. সুতরাং ২০২০-৭=২০১৩. সেই অনুযায়ী ইমাম মাহদির আগমন ২০১৩ এ ঘটতে পারে. আল্লাহই ভালো জানেন. আর ইমাম মাহদির আগমনের পূর্বে পৃথিবীতে মারাত্নক দুর্যোগ হবে তা ২০১২. আল্লাহই ভালো জানেন.
মহানবী (সঃ) বলেছেন, “সারা পৃথিবী ধোয়া দিয়ে আচ্ছন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেই দিন (ইমাম মাহদির আগমনের দিন) আসবে না ”
ডিসকোভারির অ্যাপোকিলিপ্স আর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের বেশ কয়েকটি ডকুমেন্ট রয়েছে এ সম্বন্ধে . তাদের মতে লা পামার (La Palma) এই কুমব্রেভিয়েহা অথবা আমেরিকার ইয়েলোস্টোনের অগ্নুত্পাত হলে সারা আমেরিকা নিশ্চিহ্ন হবে এবং এর ফলে সারা পৃথিবী ধোঁয়ায় ঢেকে যাবে. এমনকি মাসখানেক সূর্যও চোখে পড়বে না.
পাঠক চিন্তা করবেন না আরো কয়েকটা কথা বলে ইনশাল্লাহ শেষ করে ফেলব | ইসা (আঃ) তথা যিশু (Jesus) এর পুনঃআগমন এতে আমাদের প্রত্যেকেরই বিশ্বাস করতে হয় |

শুধু আমি একটাই হাদীস বলব সেটা হলো – ইসা (আঃ) (Jesus Christ) দাজ্জালকে (AntiChrist) ২টি তীর দিয়ে মারবেন গেইট অব লুত এ যা ইসরাইল এ অবস্থিত | আমাদের সমাজে এখন পারমানবিক বোমা থেকে শুরু করে কত ধরনের রাইফেল আছে তা সত্ত্বেও এই শক্তিশালি দাজ্জালকে (এন্টিখ্রিস্ট) কেন ২টি তীর দিয়েই মারা হবে ? এ থেকে বুঝা যায় আমাদের এই চরম উন্নত সভ্যতা আর থাকবে না, মানবের এই উন্নত সভ্যতার পতন ঘটবে এবং কুব কম সংখ্যকই টিকে থাকবে (আল্লাহই ভালো জানেন) |

এখনই সময় জীবনকে সুন্দর করে তোলার নতুবা এমন এক সময় আসবে যখন চাইলেও আর পারবেন না |

আমি কয়েকটা জিনিস স্পষ্ট করতে চাই

১. আমি কিন্তু ১০০ ভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি না আগামী বছরই হবে, সর্বশক্তিমান আল্লাহই ভালো জানেন | নিশ্চই তিনি মহাজ্ঞানী ও সর্বজ্ঞ |

২. আমরা কেউ কখনও এ কখনও এ কথা বলতে পারি না যে কেয়ামত অনেক দুরে কারন তা কুরআন বিরোধী | কেয়ামত সম্পর্কিত জ্ঞান আল্লাহর ছাড়া আর কারো নেই | কেয়ামত অনেক দুরে এই কথা বলা উচিত না কারন আল্লাহই কুরআনে উল্লেখ করেছেন যে, “কেয়ামত সন্নিকটে” (সূরা ক্বামার)
আল্লাহর অযাব সম্পর্কে এভাবেই সূরা মুলকের ১৬ থেকে ১৮ আয়াতে বলা হয়েছে-
তোমরা কি নিশ্চিত যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন না, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে না।
তোমরা কি নিশ্চিন্ত যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন না, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।
তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি।

৩. আর আবারও বলছি কেউ এটা কখনই ১০০% বিশ্বাস করবেন না. বিশ্বাস করবেন না যে এটা আগামি বছরই হবে. হ্যা তবে এটা হবেই ২০১২ তে না হলেও এসব ঘটার সময় সন্নিকটে. আর বারবার বলছি পৃথিবী ধ্বংস হবে না বড় দুর্যোগ হতে পারে (আল্লাহই ভালো জানেন) .

৪. আর কখনই বলবেন না কেয়ামত অনেক দুরে কারন মহানবী (সাঃ) বলেছেন, “আমার জন্ম আর কেয়ামত হাতের মধ্যমা আর তর্জনি এই দুই আঙ্গুলের ব্যবধানের সমান | ” তাই আমাদের আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত নতুবা পরে নিজেই পস্তাবেন |

৫. মহানবী (সঃ) বলেছেন – “ শেষ যুগে আমার কিছু উম্মত মদ, ব্যভিচার, ঘুষ, সুদ, মিথ্যা কথা বলা এগুলিকে হালাল বলে মনে করবে ” | এখনকার যুগে এর প্রত্যেকটি হচ্ছে |
আর আমরা হলাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত মানে আমরা শেষ যুগের মানুষ আমরা এটা কিভাবে ভুলে যাই ???

কেয়ামতের আলামত হল .মানুষ ঘরে বসেই দূরের খবর জানতে পারবে ।উচু ইমারত নির্মান করা হবে । মেয়েরা বেপর্দার সাথে ঘুরে বেড়াবে । সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হবে । জিনা ব্যাভিচার বেড়ে যাবে । বর্তমানে এগুলো ব্যাপক হারে ঘটে যাচ্ছে । সুতরাং কেয়ামত সন্নিকটে । তাই আসুন আগে থেকেই সতর্ক হই । আল্লাহ ও রাসুলের (সাঃ) আনুগত্য করি ।

৬. আবারও বলছি আমি আপনাকে ভয় দেখাচ্ছি না. এটা জেনে আপনি যদি নিজেকে সংশোধন করেন তাহলেই আমার সাফল্য. আমি এবং আমরা বন্ধু ইমাম মাহদির সাথে ১৪৩৩ তথা ২০১২ এর সম্পর্ক এই নিয়ে রিসার্চ করে নিজেদের পাল্টিয়েছি. এবার আপনার বদলানোর পালা নতুবা পরে অনেক দেরি হয়ে যাবে.

ফেবু হতে প্রাপ্ত

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৯৯

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

লেখকের হিসাবে কোথাও গোলমাল আছে! না হলে  ৩ আগষ্ট শুত্রুবার ২০১২ বা ১৫ই রমযান ১৪৩৩ AH তো পার হয়ে গেল, কিছুই তো হল না।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন problogger99 (০৭-০৮-২০১২ ০৪:১১)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

"গ্যালিলিও যখন দাবী করেছিলেন যে পৃথিবীই ঘুরছে তখনকার সময়ের হিসেবে সেটি ভুল ছিল।কিন্তু পরবর্তিতে বিজ্ঞানের উন্নতির মধ্যমে প্রমাণিত হয় যে তিনিই সঠিক ছিলেন।এখানেও ঠিক একই ব্যাপরটিই ঘটছে।বর্তমান বিজ্ঞান কোরআনের যে বিষয়গুলোকে ভুল বলছে তা পরে বিজ্ঞানের উন্নতির মাধ্যমেই সঠিক বলে গন্য হবে গল্যালিওর দাবীটির মত"

২০১২ তে এসে এতোদিনের পদার্থবিজ্ঞান যদি ধাক্কা খাবার দাড়প্রান্তে পৌছাতে পারে তবে জীববিজ্ঞান বা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় সামনে কি নতুন আবিষ্কার অপেক্ষা করছে তা না জেনে কিভাবে কোরআনকে কেবল অর্জিত জ্ঞ্যানের পরিধি দিয়ে মাপবার চেষ্টা করা যায়? মহানবী যদি সাধারন একজন কবি হন তবে কিভাবে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় কোরআনে ১৪০০ বছর আগে এসেছে যা আধুনিক বিজ্ঞান প্রমান করছে? পবিত্র কুরআনে বিজ্ঞানের নানা বিষয় বিভিন্নভাবে এসেছে। এ প্রসংগে একটি লেখা কোট করছি। আশা করি ইনভারব্রাস ভাই এর বিপরীতে যুক্তি দিতে পারবেনঃ

আইনস্টাইনের মত বিজ্ঞানীও মহাবিশ্ব সম্পর্কে ভূল ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন যে, মহাবিশ্ব স্হির অথচ কোরানে বলা হয়েছে যে, মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। (১৯১৭ সালের ঘটনা।)তারপর Hubble's expansion theory তার ব্যাখ্যা ভূল প্রমাণিত করে এবং কোরানের কথাই সত্যি হয়। জার্মাণ ভূ-তত্ত্ববিদ(geologist) Dr. Alfred Cronar বলেন, "১৪০০ বছর আগে কোন ব্যক্তি, যিনি পরমাণু পদার্থ বিদ্যা সম্পর্কে জানতেননা, আমার বিশ্বাস কোন অবস্হাতেই নিজ থেকে এ তথ্য বের করতে পারতেন না যে, এ জমিন ও আসমান একই উৎস থেকে সৃষ্টি হয়েছিল"। The Developing Human গ্রন্হের লেখক ও Anatomy and Embryology বিজ্ঞানে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক খ্যাত বিজ্ঞানী Professor Dr Keith Moore কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন Professor and Chairman ,Department of anatomy ও professor Tejatat Tejasen যিনি থাইল্যান্ডের চিয়াংমাই বিশ্ববিদ্যালয় এর Anatomy বিভাগের চেয়ারম্যান ও Medicine অনুষদের ডীন ছিলেন তারা সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৭ম(১৯৮১) ও ৮ম মেডিকেল কনফারেন্সে স্পষ্ট ঘোষনা দিয়েছিলেন মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসুল। কারণ কোরানে বর্ণিত Human reproduction and development বা মানব জনন ও ভ্রুন বৃদ্ধি সম্পর্কে যে আলোচনা করা হয়েছে তা ছিল নির্ভূল এবং তাদের গবেষনার মোড় পাল্টে দেয় এসব আয়াত। তবে আপনাদের অবস্হা এমন যে, আমার হাতের উপর জলন্ত আগুন রেখে আপনাদের চোখের সামনে দেখালেও আপনারা অস্বীকার করবেন এটাই আপনাদের চরিত্র যা আল্লাহ আমাদের কোরানেই জানিয়েছেন। তাই আপনাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। দয়া করে আমাকে আর জ্বালাতন করবেন না।

সোর্সঃ http://sonarbangladesh.com/blog/ansary/56392

পুরো লেখায় অনেককিছু আছে। সময় করে পড়ে নিবেন সবাই।

আরেকটি লেখাঃ

আল্লাহ সুবহানহ্ তাআলা কোরআনের সবচেয়ে ছোট সূরার ন্যায় সূরা তৈরীর যে চ্যালেন্জ জানিয়েছেন, তা আজ অব্দি অক্ষত এবং কিয়ামতের আগ পর্যন্ত থাকবে। কোরআনের সবচেয়ে ছোট সূরা তিন আয়াতের সূরা আল-কাউছার। এর প্রথম আয়াত "ইন্না আত'ইনা কাল্ কাউছার"। এর বর্ণনারীতি, ব্যকরণ,দ্যুতি, শব্দচয়ণ এবং তাৎপর্যের সুগভীরতা, আরবী ভাষাকে নতুনতর পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এর ভাষাশৈলী সকল আরবী ভাষবিদদের জন্য নতুনতর উচ্চতা; যা অস্পৃশ্য। এটাই কোরআনের বর্ণনারীতি; অবিস্মরণীয় এবং অদ্বিতীয়। এই অলৌকিকতা বোঝার জন্য আরবী ভাষার সুগভীর জ্ঞান থাকা চাই।
এবার ফিরে আসি, বিজ্ঞানের প্রসঙ্গে। কোরআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক বিষয়সমূহ বিজ্ঞান দ্বারা স্বীকৃত।
যেমন:

- পানিচক্র, (কোরআন:সূরা ৩৯: আয়াত ২১)

- ভ্রুণতত্ত্ব,(কোরআন:সূরা ২৩: আয়াত ১২-১৪)

- মানুষের ত্বকের স্নায়বিক কোষের ধারণা,(কোরআন:সূরা ৪:আয়াত ৫৬)

- লৌহ্- Iron(Fe)এর ধারণা, (কোরআন:সূরা ৫৭ : আয়াত ২৫)

- মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ,(কোরআন:সূরা ৫১: আয়াত ৪৭)

- সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবীর আপন কক্ষপথে ঘোরার বর্ণনা,(কোরআন:সূরা ২১ : আয়াত ৩৩ , কোরআন:সূরা ১৪ : আয়াত ৩৩, কোরআন:সূরা ৩১ : আয়াত ২৯, কোরআন:সূরা ৩৬ : আয়াত ৪০,কোরআন:সূরা ১৩: আয়াত ২)

-সূর্যের আপন আলো এবং চাঁদের প্রতিফলিত আলোর ধারণা,(কোরআন:সূরা ১০ : আয়াত ৫)

-পৃথিবীর ডিম্বাকৃতির (অস্ট্রিচ পাখি) ধারণা,(কোরআন:সূরা ৭৯ : আয়াত ৩০)

-পাহাড়-পর্বতকে পৃথিবীর স্হিতিশীলতাকারী পেরেকস্বরূপ হিসেবে বর্ণনা,(কোরআন:সূরা ৭৮: আয়াত ৬-৭ এবং কোরআন:সূরা ১৬: আয়াত ১৫)

-মৌমাছির স্ত্রী প্রজাতির বর্ণনা,(কোরআন:সূরা নাহল্)

-পরমানু অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর বস্তুর ধারণা,(কোরআন:সূরা ৩৪ : আয়াত ৩)

-মানুষের অঙ্গুলি ছাপের ঐকিকতার ধারণা,(কোরআন:সূরা ৭৫ : আয়াত ৩-৪ )

-মস্তিষ্কের সন্মূখভাগের প্রবৃত্তিগত বর্ণনা, (কোরআন:সূরা ৯৮: আয়াত ১৫-১৬)

-মেঘ, বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের ধারণা, (কোরআন:সূরা ২৪: আয়াত ৪৩)

-সুগভীর সমুদ্রের নিগূঢ অন্ধকারাচ্ছন্নতার বর্ণনা (বস্তুতঃ ১০০০ মিটার অধিক গভীর) (কোরআন:সূরা ২৪: আয়াত ৪০)

-সমুদ্রের মিলনস্থলের বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য: যেমন-লবণাক্ততা, ঘনত্ব, উষ্ণতা ইত্যাদি (কোরআন:সূরা ৫৫: আয়াত ১৯-২০ এবং কোরআন:সূরা ২৫: আয়াত ৫৩)

ইত্যাদি।
বৈজ্ঞানিক এ সকল প্রমাণ কোরআনের বর্ণনাকে সমর্থন করে; যা ১৪০০ বছর আগে বর্ণিত হয়েছে। এ সকল প্রমাণে বিমুগ্ধ হয়ে অনেকে ইসলাম গ্রহণ করেছে।

কিন্তু কিছু কিছু ব্যক্তি আছেন, যারা বলেন; সৃষ্টিকর্তা যদি সবার ভাল চান এবং তিনি সব ভালোর পক্ষে তবে পৃথিবীতে খারাপ আসে কিভাবে? কিংবা ভালো লোক কষ্ট পায় কেন? ইত্যাদি। এইভাবে খারাপের উপস্হিতি তাদেরকে সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী হতে শিখায়।

এদের অনেকে খুব কাছের কাউকে হারিয়ে কিংবা পারিবারিক পরিমন্ডলে চরম অশান্তিতে বেড়ে উঠে এমন ধারণা পোষন করেন। আমরা সবকিছুর ব্যাখ্যা আমাদের সীমিত জ্ঞান দ্বারা খুঁজি; কিন্তু আমার ঠিক পিছনে কি হচ্ছে তার ধারণাও করতে পারিনা আমরা। আমাদের চিন্তার মাত্রা খুবই সীমাবদ্ধ। এই উপলদ্ধি না থাকলে চিন্তা আমাদের জন্য বুমেরাং।

এইবার আমার প্রশ্ন, আমরা আলো দেখি এবং অন্ধকার আমাদের অজানা নয় কিন্তু যদি বলা হয় অন্ধকারকে কোন পাত্রে ধারণ করার জন্য তবে তা সম্ভবপর নয়। কারণ অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্হিতি মাত্র।

অনুরুপভাবে, আমরা যখন বলি অমুকের মস্তিষ্ক প্রখর। এই মস্তিষ্ক যেমন আপনি দেখেননি, তেমনি তার প্রখর মস্তিষ্ককে অস্বীকার ও করছেন না। এটা ধারণা তবে সত্য ধারণা।

যারা যুক্তিবাদী, তাদের জন্য বলি। আমরা মূলতঃ দুই ধরনের চিন্তা করি। যেমন: Rationale এবং Ir-rationale।
তবে, কিছু ধারণা আছে Super-rationale.
এখন আপনি যেমন Ratioanle দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা করছেন, তেমনিভাবে এই বিশ্বাসকে Ir-rationale প্রমাণ করা কখনো সম্ভব নয়। তবে সীমাবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে বিচার করতে গিয়ে সৃষ্টিকর্তার সাথে সুমধুর এবং অঠুট সম্পর্ক হারিয়ে ইহকাল এবং পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আপনি।

ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন: "যাদের বিজ্ঞানের জ্ঞান বেশী তারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে, আর যাদের জ্ঞান সীমিত তারা বিশ্বাস করে না"।
আবার, অনেকে বলে আমরা পৃথিবীতে আছি, এইটা Self-existence। আমি তাদেরকে বলি, শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া বন্ধ করুন। এটা কোনভাবেই, যৌক্তিক নয়।
Big-bang এর theory প্রয়োগ করে ও অনেকে তাদের নাভিশ্বাস জীবনে মুক্তি খোঁজে। এবার আপনি Mercedes Benz এর সমস্ত যন্ত্রাংশ নিয়ে একটি বিস্ফোরণ ঘটান। আপনি কি Brand New Mercedes Benz পাবেন?

শুধু অভিকর্ষজ ত্বরণের কথা চিন্তা করুন!!!
সবকিছু এতো সুবিন্যস্ত, সুসজ্জিত, সুবন্টিত কেন? কে এর পরিচালনাকারী?
আপনার নিজের গাঠনিক সৌন্দর্যকে প্রশ্ন করুন।
কোরআনের সূরা বাকারার ১ম অংশে, সূরা আর-রহমান, সূরা ওয়াকিয়া'য় সহ অসংখ্য সূরায় মানুষের স্বভাবজাত Intellect and Understanding কে প্রশ্ন করা হয়েছে, Challenge দেয়া হয়েছে এবং সতর্কবাণী ও দেয়া হয়েছে।
আমি সকলকে আমন্ত্রণ জানাই নিষ্ঠা এবং যথার্থ উন্মুক্ত মনে কোরআন পড়ুন।
সৃষ্টিকর্তার বিশালত্ব অনভব করুন। অসীমে হারানোতে সসীমের মুক্তি।
সসীম দ্বারা অসীম খোঁজা সীমালঙ্গনকারী।
আসুন, মানব সৃষ্টির প্রকৃত উদ্দেশ্য পরিপূর্ণভাবে জেনে তা পালন করি।
"সাহিত্য কিংবা বিজ্ঞান, আল-কোরআন চিরন্তন।"

সোর্সঃ http://sonarbangladesh.com/blog/seekthetruth/35100

ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান এ নিয়ে Islamhouse একটি বই বের করেছে। ডাউনলোড করুনঃ http://d1.islamhouse.com/data/bn/ih_boo … cience.pdf

ইনভারব্রাস ভাই আধুনিক বিজ্ঞান যদি এতো উন্নত হয় তবে কেন মানুষের মতো কিছু বানাতে পারছে না। খেলনা সদৃশ্য রোবট পর্যন্ত তাদের জ্ঞ্যান? উত্তর যদি এই হয় যে আধুনিক বিজ্ঞান এখনো সেই লেভেলে পৌছায় নি তবে কি করে ভাবছেন এই জ্ঞ্যানের পরিধি দিয়ে কুরআনের সবগুলো বিষয় চ্যালেঞ্জ করা সম্ভব? কুরআনের ধোয়াটে বিষয়গুলো বড় করে তুলে ধরছেন কিন্তু বলছেন না ১৪০০ বছর আগে এমন অনেক বিষয় কিভাবে কুরআনে এসেছে যা কিছুদিন আগে মাত্র বিজ্ঞান প্রমান করেছে?

সবশেষে প্রজন্মের শামীম ভাইয়ের একটা দারুন কমেন্ট কোট করে দিলামঃ

বিজ্ঞান এখনও সর্বশেষ স্তরে পৌঁছায়নি। কিছুদিন আগেও কি কেউ জানতো যে শিশুর শিক্ষা শুরু হয় জন্মের অনেক আগে থেকেই। ঘুমের মধ্যে কিংবা গর্ভের মধ্যে থাকা অবস্থায় ভাল কথা ভাল আচরণ শিশুর মনকে সেভাবে অভ্যস্থ হতে সাহায্য করে। হয়তো আজ থেকে ২০ বছর আগে এই কথাগুলোকে হেসে কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দিত।

আপনি কি জানেন গান শুনালে বা বিশেষ মিউজিকের প্রভাবে গাছের উৎপাদনশীলতা বেড়ে যায় - এটা বর্তমানে রিসার্চ জগতে একটা হট টপিক। মিউজিক দিয়ে মানুষের রোগ ভাল হয় .... সেটা নিশ্চয়ই জানেন। না জানলে কোনো গ্যাস স্টেশনে চলে যান -- দেখবেন বড় বড় করে লেখা আছে, শব্দ একটি ঘাতক .... ইত্যাদি; এটার পেছনে অনেক গবেষণা হয়েছে। এমনকি শব্দ তরঙ্গ দিয়ে শত্রুপক্ষের মনে ভীতি ছড়িয়ে দেয়াটা এখন আধুনিক সমরবিদ্যার অংশ, আগেও ছিল অন্য রূপে ‌-- দামামা। শব্দ অসুখের জন্য দায়ী হলে উল্টাটাও সম্ভব। কিন্তু আজ হতে ১৫০ বছর আগে হয়তো এটাকে হেসে উড়িয়ে দিত সবজান্তা কেউ।

দৃশ্য তো খুবই একটা ভাল জিনিষ। হঠাৎ ভুতের ছবি স্ক্রিনে ভেসে উঠলে চেয়ার থেকে উল্টে পড়েন কেউ, হার্ট এটাক করেন কেউ। আবার ঘরের বিভিন্ন দেয়ালে বিভিন্ন রঙের কল্যানে ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে যান কেউ --- রং পাল্টালে সব ঠিক। কিংবা শুধু পার্ক বা লেক ভিউ হলেই (অর্থাৎ দেখা গেলে) সেই এপার্টমেন্টের দাম কয়েক লক্ষ টাকা বেড়ে যায় - মানুষও ট্যাকের টাকা খরচ করে সেটা কেনে। কারণ কী? এটা যে বুঝতে পারে না, সে বলবে সব সংস্কার ফালতু। কিন্তু কেউ এ বিষয়ে একটা রিসার্চ পেপার পাবলিশ করলেই সেই একই জিনিষকে সবার কাছে খুব যুক্তিযুক্ত মনে হয়।

এখন রিসার্চ কখন হয়, কে করে, কীভাবে করে সে বিষয়ে একটু ধারণা দেই। পুঁজিবাদী বিশ্বে যেখান থেকে লাভ হয়ে সেখানেই শুধু টাকা ঢালা হয়। রিসার্চ একটা খরুচে ব্যাপার -- কার ঠ্যাকা পড়েছে লাভ করার আইডিয়ার আগে রিসার্চে টাকা ঢালবে। একটা তামার তার কিভাবে বাতের ব্যাথা কমায় সেটা রিসার্চ করে বের করলে কার লাভ? কয়টাকা লাভ? তামার তার কম্পানী যত লাভ করবে তার চেয়ে অনেক বেশি লস করবে পেইনকিলার, অমুক বেল্ট তমুক থেরাপী ওয়ালারা। কাজেই কেউ যদি বায়না করেই বসে যে আমি রিসার্চ করে দেখবো তামার তার ধারণ করলে কিভাবে ব্যাথা কমে তাহলে ওরা হয় এতে ফান্ডিং করবে না, বাধাগ্রস্থ করবে; কেউ পাগলামী করে রিসার্চ করলেও সেটা কোন জার্নালে পাবলিশ হবে না, কিংবা ওটাকে বন্ধ করার জন্য উল্টা বেশি পয়সা দেবে কেউ, আবার মাথায় হাত বুলিয়ে কিছু টাকা দিয়ে এটা আসলেই একটা ভুয়া আইডিয়া এই ধরণের রেজাল্ট পাবলিশ করাবে কেউ।

answering-islam টাইপের সাইট এর লেখাগুলো পড়ে পড়ে মুসলাম থেকে নাস্তিক হবার আগে পালটা যুক্তিগুলো জানতে ভিজিট করুন http://www.islamic-awareness.org/আশা রাখি মুসলমান হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে মনের সন্দেহ দূর হবে ইনশাল্লাহ।