৬২১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (০২-০৮-২০১৫ ২১:৩৭)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সীমান্ত ঈগল (মেহেদী) লিখেছেন:

হাই মুক্তমনা ভাই ও বোনেরা (এই ফোরামেই কয়েকজন প্রকাশ্যে, কয়েকজন গুপোনে লুকিয়ে আছেন),
কেমন আছেন?



আর মুসলিম ভাই ও বোনেরা কার কাছে মঙ্গল কামনা করলেন সেটাও জাতিকে জানিয়ে যাবেন।  shame

আপনার নাকি বিজ্ঞাণ মনষ্ক! তা প্যাঁচা, বাঘ, ভাল্লুক, মুখোশের মাধ্যমে মঙ্গল কামনা করার কাজে বিজ্ঞাণের কি খুঁজিয়া পাইলেন, জাতির কাছে তা ব্যাখ্যা করে যাবেন।


আসলে যদি সত্যি বলি তবে বাঙ্গালী সংস্কৃতি হিন্দু সংস্কৃতি। ইসলাম হচ্ছে আরবীয় সংস্কৃতি। আর বাংলাদেশি সংস্কৃতি হচ্ছে এই দুটার মিশেল।

যেমনটি হচ্ছে ইরানী সংস্কৃতি। পারস্য সংস্কৃতি হচ্ছে জরুথ্রুইস্ট (বানান?) সংস্কৃতি। ইরানী সংস্কৃতি হচ্ছে জরুথ্রুইস্ট + ইসলামী সংস্কৃতি। তাদের পূর্বপুরুষেরা সব ছিলো জরুথ্রুইষ্ট্রিয়ান। আরবেরা এদের ধরে মুসলিম বানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশিদের পূর্বপুরুষেরা আগে সব হিন্দু-বৌদ্ধ ছিলো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখেন না কত বৌদ্ধ মন্দির আবিষ্কার হয়। আরবেরা ধরে বাঙ্গালীদের মুসলিম বানিয়ে দিয়েছে।

সারা বিশ্বেই একসময় আরবদের জয়জয়কার ছিলো। এরা যেখানেই বানিজ্য করতে যেতো সেখানেই ইসলাম প্রচার করতো কিন্তু বিভিন্ন জাতি নিজেদের সংস্কৃতি পুরোপুরি ত্যাগ করতে পারে নি। তাই নিজ নিজ সংস্কৃতির সাথে তাল মিলিয়েই ইসলাম এডাপ্ট করেছে।
ঐ সব মুখোশ ইসলামী সংস্কৃতির সাথে যায় না কিন্তু বাংলাদেশি সংস্কৃতির সাথে ঠিকই যায়।

৬২২

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সীমান্ত ঈগল (মেহেদী) লিখেছেন:

তা সেদিন সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রায় গিয়েছিলে তো? প্যাঁচা, বাঘ, ভাল্লুক, মুখোশ ইত্যাদী সহযোগে অমঙ্গলকে দুর করে মঙ্গল কামনা করেছিলেন? তা কার কাছে মঙ্গল কামনা করলেন ড্যুড?  lol2 lol2  আপনাদের মাথার উপর ছড়ি ঘোরানোর তো কেউ নাই!!
আর মুসলিম ভাই ও বোনেরা কার কাছে মঙ্গল কামনা করলেন সেটাও জাতিকে জানিয়ে যাবেন।  shame
আপনার নাকি বিজ্ঞাণ মনষ্ক! তা প্যাঁচা, বাঘ, ভাল্লুক, মুখোশের মাধ্যমে মঙ্গল কামনা করার কাজে বিজ্ঞাণের কি খুঁজিয়া পাইলেন, জাতির কাছে তা ব্যাখ্যা করে যাবেন।

http://i.imgur.com/2xpui5y.jpg
http://i.imgur.com/ipSNzYv.jpg
http://i.imgur.com/SNogasE.jpg

পারস্য সংস্কৃতি হচ্ছে জরুথ্রুইস্ট (বানান?) সংস্কৃতি।

যোরোস্টৃয়ান কিংবা যরথ্রুস্তবাদী

Calm... like a bomb.

৬২৩

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

কেউ একটু ইয়াজিদি সম্প্রদায় সম্পর্কে লেখেন তো। শুনলাম তারা নাকি শয়তানের পূজারী। তাদের দেবতাকে আদমের সামনে নত হতে বললে সে রাজি হয় নি। এটা তো ইবলিস শয়তানের কাহিনীর সাথে মিলে যায়।

আইসিস তাদের নারীদের বন্দী করে খারাপ কাজে বাধ্য করছে।

যৌনতায় রাজি না হওয়ায় ১৯ নারীকে হত্যা করেছে আইএস

http://www.kalerkantho.com/assets/images/news_images/2015/08/06/image_253214.untitled-1%20copy.jpg

জঙ্গিদের সঙ্গে যৌনসংসর্গে নারাজ হওয়ায় ১৯ নারীকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে আইসিস। এক কুর্দি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত জুনে ইরাকের মসুল শহর দখলে নেওয়ার পর, আরও অনেক মহিলার সঙ্গে ওই ১৯ জনকেও তুলে নিয়ে গিয়েছিল আইএস জঙ্গিরা।

আইএস বন্দি নারীদের যৌনসংসর্গে লিপ্ত হতে যে বাধ্য করে, জাতিসংঘের রিপোর্টেও তার উল্লেখ রয়েছে। আইএস-এর কবল থেকে কোনও ক্রমে বেরিয়ে আসা কয়েক জন নারী অবর্ণনীয় যৌন অত্যাচারের উল্লেখ করেছেন। জঙ্গিরা ইচ্ছে হলে, কখনওসখনও তাঁদের বিয়েও করে। এই নারী হয় ক্রিস্টান নয়তো ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের। এক একজন নারীকে ছ-সাত জনের সঙ্গে শুতে বাধ্য করা হয়। আপত্তি করলে, মৃত্যুই ভবিতব্য।

মনকী দর হেঁকে প্রকাশ্যে বিক্রিও করা হচ্ছে নারীদের। মহিলার বয়স অনুযায়ী দাম হাঁকা হয়। ৪০ থেকে ৫০-এর মধ্যে বয়স যে নারীদের, তাঁদের দরই সবচেয়ে কম। বিক্রি করা হয় ৪৩ ডলারে। সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হয় এক থেকে ৯ বছর বয়সিরা। দাম ১৭২ মার্কিন ডলার। ১০ থেকে ২০-র মধ্যে বয়স হলে, দাম ওঠে ১৩০ মার্কিন ডলার। যে কোনও ব্যক্তি এই নারীদের কিনতে পারেন। গত বছরই এই 'যৌন দাসী'দের দামের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে আইএস।

- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/world … KXWG3.dpuf

৬২৪

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

নেটে একটা জিনিস খুঁজতে গিয়ে লেখাটা আবার পেলাম
অনেকদিন থেকে চুপ চাপ আছে টপিকটি

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

৬২৫

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আজকে একজনের সাথে কথা বলতে গিয়ে DEXTER টিভি সিরিজের এই পার্টের কথা মনে পরে গেল

ধর্মে শেষ কথা হলো বিশ্বাস

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

৬২৬

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৬২৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (১৩-০৬-২০১৬ ২১:৩০)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

মানুষ যে এক জাতের শিম্পাঞ্জী / বানর সেটা পানির মতো পরিষ্কার। মানুষ নামের শিম্পাঞ্জীর মূল চাহিদা দুটি।  খাদ্য ও যৌনতা। এই দুটা জিনিস শুধু মানুষের না, অন্যান্য জন্তু জানোয়ারেরও মূল চাহিদা।

কালের বিবর্তনে মানুষ নামের এই শিম্পাঞ্জি কথা বলতে  শিখেছে। আমরা যদি এক জনের ভাষা নূন্যতম না বুঝি তবে মনে হয় লোকটা কি সব আ উ ডাকাডাকি করছে। তাদের কাছেও আমাদের ভাষা মনে হবে ডাকাডাকি। আসলে ঐ সব ডাকাডাকিকেই আমরা ভাষা নাম দিয়েছি।

আমরা খাবার খাই, অন্যান্য প্রানীরাও খাবার খায়।
আমরা সেক্স করি, অন্যান্য প্রানীরাও সেক্স করে।
আমরা এক সময় উলঙ্গ ছিলাম, গায়ে লোম ছিলো বলে পোশাক পরার প্রয়োজনীয়তা ছিলো না। এখনো অনেকের গায়ে বানরের মতো লোম আছে।

আমরা ডাকাডাকি করি (কথা বলি), অন্যান্য প্রানীরাও ডাকাডাকি করে। তাদের ডাকাডাকি আমরা বুঝতে পারি না।

মানুষ মাত্রই বানর / শিম্পাঞ্জী।

ইতিহাসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনে ধর্ম নিয়ে আসে মানুষকে নিয়ন্ত্রনের জন্য। খাদ্য চাহিদা মেটানোর জন্য ফলমূল, দুধের সাগরের মতো লোভনীয় খাবারের ব্যাবস্থা, এমনকি মদের ব্যাবস্থা ও যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য অপ্সরী হুরপরির ব্যাবস্থা রেখে পরকালের বর্ননা এটাই প্রমান করে মানুষের আসলে চাহিদা দুটাই। খাদ্য ও যৌনতা। এ দুটো জিনিসের নিশ্চয়তা দিতে পারলেই নিয়ন্ত্রন সম্ভব।

৬২৮

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

http://i.imgur.com/HJwmRwN.jpg
The Unbelievable Tale of Jesus’s Wife
possibly a forgery  sad

Calm... like a bomb.

৬২৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফারহান খান (০৫-০৮-২০১৬ ১১:৪২)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আচ্ছা ট্রাম্প এভুল্যুশনের কোন ট্রি দিয়া আসছে? তার এন্টসেস্টার আর আমাদের এন্টসেস্টার কি সেইম ?
tongue tongue tongue tongue

এত চমৎকার একটা টপিক স্লো হয়ে আছে। তাই একটা গুতা মারলাম  tongue

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

৬৩০

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

এই টপিক খোলার উদ্দেশ্য ফোরামের জ্ঞানীদের জন্য এখানে তারা ধর্ম + ঈশ্বর নিয়ে আলোচনা করবেন।

আমি আস্তিক মানুষ এটা আমি স্বীকার করি , কিন্তু কেন তা ব্যখ্যা করি না আর করার প্রয়োজন ও অনুভব করি না ।

এখানে অনেকে আছেন যারা যুক্তি দিয়ে "ধর্ম + ঈশ্বর" এর অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করেন তাদেরকে এই টপিকে আমন্ত্রণ । তবে যারা জাস্ট কিছু না বুঝে কমেন্ট করেন তারা কমেন্ট করবেন না । এখানে যুক্তি দিয়ে আলোচনা হবে গায়ের জোরে নয়।

**বাক্তিগত ভাবে কাউকে হেয় করার চেস্টা করবেন না

আমি মুমিন এটা বিশ্বাস, স্বীকার এবং বলার মধ্য দিয়েই দ্বীন ইসলামের প্রতি আমার / আপনার ঈমানী দৃঢ়তা প্রস্ফুটিত হয়।

আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার।”(২:১৭৭)

৬৩১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৪-১০-২০১৬ ১০:৫৯)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আনসারুস সুন্নাহ সাইটের "কাফের, মুশরেক, মুনাফেক, মুর্তাদ, আহলে কিতাব ও ফাসেক কাকে বলে? " এর  উত্তর পড়ে  বুঝতে পারলাম যে আমি বর্তমানে মুনাফেক ও ফাসেক

যারা ‘সেকুলারিজম’ বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ মতবাদে বিশ্বাসী, যারা ইসলামের নামায, রোযা, হজ্জ, কোরবানি মানে কিন্তু ‘শরিয়াহ’ বা আল্লাহর আইন দিয়ে ক্বুরান হাদীস দিয়ে দেশ পরিচালনা করা, আইন-আদালত ও বিচার করাকে অস্বীকার করে, মুসলমান নাম নিয়ে হিজাব-পর্দাকে কটাক্ষ করে তারা মুনাফেক।

ফাসেক
- যে ব্যক্তি কোন ওযর ছাড়া জামাতে শরীক হয়না
- যে ব্যক্তি দাঁড়ি মুন্ডন (শেইভ) করে
- যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে কাপড় পড়ে
- যে ব্যক্তি ঘরের নারীদেরকে হিজাব-পর্দার আদেশ করেনা

http://ansarus-sunnah.blogspot.com/2015 … st_17.html

৬৩২

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

٦٢. إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَالَّذِينَ هَادُوا وَالنَّصَارَىٰ وَالصَّابِئِينَ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَعَمِلَ صَالِحًا فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

৬২. নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।

62. Indeed, those who believed and those who were Jews or Christians or Sabeans [before Prophet Muhammad] - those [among them] who believed in Allah and the Last Day and did righteousness - will have their reward with their Lord, and no fear will there be concerning them, nor will they grieve.

2:62 (আল-বাকারাহ্)

এই আয়াতের ব্যাখ্যা কি? কিছুদিন আগে খোঁজাখুঁজি করার সময় এটা পেলাম।

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৬৩৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ashraf.mahmud (১৭-১০-২০১৬ ২১:২৩)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

নাস্তিকের জন্য বিষফোঁড়াঃ Fine Tuning of Universe.। একটি Animation Video ভিডিওটি আগে দেখুন সবাই।

https://www.youtube.com/watch?v=UpIiIaC4kRA

যদি বলা হয় আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মান্ড (Universe) “সেট করা কিছু নাম্বার ছাড়া কিছুই নয় তাহলে মোটেই ভুল বলা হবে না। কারণ ঐ নির্দিষ্ট কিছু নাম্বার ছাড়া আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মান্ড বর্তমানের মত আকার প্রাপ্ত হতো না। অর্থাৎ গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ (Galaxy), Dark Energy ইত্যাদি গঠিত হতো না। এই জীবজগত (Flora and Fauna) সৃষ্টি হতো না। মহাকাশের ক্ষেত্রে ঐ নাম্বারগুলোর নাম Cosmological Constant, আর পদার্থের ক্ষেত্রে হলে বলা হয় Physical constant.

একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করা যাক। ধরা যাক, আমি আটা দিয়ে দিয়ে রুটি বানাবো। এ জন্য প্রথমে কাই (Dough) বানাতে হবে। এবং এ জন্য আটার সাথে পানি মেশাতে হবে। এখন পানি কী পরিমাণ দেবেন? দিতে হবে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ আটার জন্য নির্দিষ্ট পরিমান পানি। বেশী বা কম হলে Dough বা কাই হবে না। হয় গুলে যাবে অথবা রুটি বানাবার উপযুক্ত কাই বা Dough হবে না। ঠিক একইভাবে আমাদের চারিপাশের পরিচিত এই বস্তু জগত ও মহকাশের ক্ষেত্রেও ঐ পানির অনুরুপ একটা নির্দিষ্ট “নাম্বার” (Constant বা ধ্রুবক) প্রয়োজন হয়। তা’ না-হলে দৃশ্যমান নানান পদার্থ ও মহাকাশ সৃষ্টি হতো না। হলেও তা’ বিশৃঙ্খল একটা জগত ছাড়া আর কিছুই হতো না। তাই বলা যায় ঐ Physical / Cosmological Constant হলো এই দৃশ্য জগতের খুঁটিস্বরূপ (Pillar).

আমরা জানি Big Bang এর পর থেকেই মহাকাশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন বছর ধরে সম্প্রসারণ চলছে। এই সম্প্রসারণের হার কোন সময় কম ছিল আবার কোন সময় বেশী ছিল। এ সময় মাধ্যাকর্ষণ বল (Gravitaional Force) ও বিপরীত মাধ্যাকর্ষণ বল (Anti-garavitational Force) ক্রিয়াশীল ছিল। একটা ভারসাম্য রক্ষিত ছিল। এবং এই ভারসাম্য রক্ষাকারী যে বলটি ক্রিয়াশীল ছিল বা আছে তার নাম হলো Cosmological Constant.  এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন এই বলটি এমন সুক্ষ্মভাবে Set করা যে এটি কেউ যদি আগে থেকে Set করে বা Programme করে না দেয়, তবে তা’ এমনি এমনি বা Accidently সেট হতে পারে না। এটি কখনই সম্ভব নয় যদি একজন Super Intelligent Designer বা সৃষ্টকর্তার (Creator) হাত না-থাকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এ ব্যাপারে নাস্তিক এবং অজ্ঞেয়বাদী সকল বিজ্ঞানীই এ ব্যাপারে ১০০% একমত। শুধু মহাকাশের ক্ষেত্রেই নয়, সাধারণ পদার্থের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। পরমাণুর ভিতর যে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন থাকে তার ভিতরও একটা নির্দিষ্ট বল বা ধ্রুবক বা Constant কাজ করে। এগুলো না হলে পদার্থ Formation হতো না। তাই এক কথায় বলা যেতে পারে – প্রকৃতির ভিতর লুক্কায়িত (Hidden) এমন কিছু Mathmatical Value রয়েছে যার জন্য একজন Designer এর অস্তিত্ব অপরিহার্য। এবং এখানেই পদার্থ বিদ্যার সাথে ধর্ম মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। নাস্তিক বিজ্ঞানীর জন্য এক মহাবিপদ! আর আস্তিক বিজ্ঞানীদের জন্য মহা সুসংবাদ!

এবার আসছি মূল আলোচনায়ঃ

প্রাণ সৃষ্টিঃ by chance or design?

খ্রীষ্টপূর্বে এরিস্টটল মনে করতেন অমেরুদণ্ডী প্রাণীরা যেমন কেঁচো, বিভিন্ন পোঁকার লার্ভা, পঁচা মাটি আর পঁচা আবর্জনা থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সৃষ্টি হয়।
লুই পাস্তুরের বায়োজেনেসিস মতবাদ আর অণুজীবের উপর গবেষণার পরে এই ধারণার অবসান ঘটে ।তিনি দেখান যে পঁচা খাবার, আবর্জনা থেকে কোন অণুজীব সৃষ্টি হয়না বরং এরা পঁচনে ভূমিকা রাখে।
.
এর কয়েক দশক পরে রুশ বিজ্ঞানী ওপারিন পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে একটি হাইপোথিসিস দাড় করান। সেখানে তিনি তার বই The Origin of life এ বলেন যখন পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টি হয়েছিল তখন পৃথিবীর পরিবেশ ছিল খুবই উত্তপ্ত, বজ্রপাত আর উল্কাপাতময় ও প্রাণ সৃষ্টির অনুকূলে। তখনকার বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত গ্যাস সমূহ ( NH3,co2...), পানি বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাণ সৃষ্টির উপাদানগুলো তৈরি হয়েছিল। এটাই ছিল ওপারিনের মতবাদের মূল কথা। উল্লেখ্য, এই সকল কথার কোন ভিত্তি, বা প্রমান কিচ্ছুই তখন ছিল না।
আসলে প্রাণের উৎপত্তি জনিত সকল ধারণা, পূর্ব থেকে এখন পর্যন্ত সবগুলোই অসম্পূর্ণ এবং অনেকটা অনুমান ভিত্তিক।
.
১৯৫৩ সালে
হ্যারল্ড সি ইউরে ও তার ছাত্র স্ট্যানলী মিলার তাদের ল্যাবে ওপারিনের বর্ণিত পরিবেশ সৃষ্টি করে একটি পরীক্ষা চালান এবং জীবন গঠনের অন্যতম উপাদান অ্যামিনো এসিড তৈরি করতে সক্ষম হন।[1] এই আবিষ্কার ওপারিনের হাইপোথিসিসকে কিছুটা ভিত্তি দেয়। কিন্তু জীবন তৈরির জন্য শুধু অ্যামিনো এসিড যথেষ্ট নয়। অ্যামিনো এসিড থেকে জীবন সৃষ্টির মধ্যে যে কতখানি ব্যবধান তা বিশ্ববিখ্যাত জীববিজ্ঞানী মারগুলিস (Dr. Lynn Margulis) এর এই কথায় বোঝা যায়।
“To go from bacterium to people is less of a step than to go from a mixture of amino acids to a bacterium.”
.
প্রাণ একটি Complex জিনিস। এতটাই complex যে শুধুমাত্র natural laws আর কাকতালীয় ঘটনা প্রাণ সৃষ্টির কারণ হতে পারে না।সামান্য একটি ব্যাকটেরিয়ার গঠনগত জটিলতা( functional complexity) একটি F-15 fighter bomber এর গঠনগত জটিলতার সাথে তুলনা করা যায়!!
.
জীবন যে ২০০০ এনজাইমের উপর নির্ভরশীল, সঠিক দ্রব্যের সংমিশ্রণে এমনি এমনি সেই এনজাইমগুলো গঠিত হয়ে যাবে, কাকতালীয়ভাবে এই ঘটনা ঘটার
সম্ভাবনা হচ্ছে ১ এর পরে ৪০০০০টা ০
(শূন্য) বসালে যে সংখ্যা দাঁড়াবে,
তত ভাগের এক ভাগ। এই সম্ভাবনা কত
“অসম্ভব” তাই বুঝাতে বলা হয়েছে যে,
একটি [লুডুর ৬ তল বিশিষ্ট ডাইয়ের মত]
ডাই, পর পর ৫০,০০০ বার ছুড়ে প্রতিবারই
একটা “ছক্কা” পাওয়া যেমন অসম্ভব,
ব্যাপারটা তেমনি অসম্ভব!! [ 2]
নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী Sir Fred Hoyle লিখেছেনঃ
"The likelihood of the formation of life from inanimate matter is one to a number of 10 with 40,000 zeros after it,"
(প্রাণহীন পদার্থ থেকে প্রাণ তৈরির সম্ভাবনা ১০ এর উপর ৪০০০০ টা ০ এর মধ্যে ১ এর সমান!!) [3]
স্যার ফ্রেডের বলা এই সংখ্যাটা কত বড়? সেটা অনুধাবন করার জন্য একটা উদাহরণ দেই। আমাদের এই মহাবিশ্বের সমস্ত পরমানুর সংখ্যাকে ধরা হয় ১০ এর উপর ৭৭ টা শুন্য অংকটা যা তাই!স্যার ফ্রেডের বলা এই অংকটা মহাবিশ্বের সমস্ত পরমানুর সংখ্যা থেকেও কতটা বড় ভাবুন একবার!
সুতরাং, শুধু মাত্র প্রাকৃতিক ভাবে chance এর ফলে প্রাণ সৃষ্টি হওয়া এক কথায় impossible।
.
জীবন তৈরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ন উপাদান হচ্ছে DNA। জীবের সকল জেনেটিক তথ্য এই DNA তে সংরক্ষিত থাকে। মানুষের একটি DNA তে প্রায় ৫০০ পেজের ১০০০ টি বইয়ের সমান তথ্য সংরক্ষিত থাকে।DNA এর মত জটিল অনু প্রকৃতিতে এমনি এমনি তৈরি হওয়া সম্ভব নয়।DNA আবিষ্কারের পরে বহু atheist বিজ্ঞানী তাদের বিশ্বাস থেকে চ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন। DNA এমন একটি অনু যাকে আপনি আপনার কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের সাথে তুলনা করতে পারেন যেখানে সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে। আর বিস্ময়কর বিষয় হল DNA এর এই তথ্য গুলো দেখলে মনে হবে যেন কেউ এগুলো নিজ হাতে লিখে রেখেছেন! জীবন তৈরির জন্য আরো একটি উপাদান দরকার, আর সেটা হল mRNA।
প্রাণ সৃষ্টির জন্য এই DNA এবং mRNA কে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে একই মূহুর্তে তৈরি হতে হবে! না হলে প্রাণ সৃষ্টি সম্ভব নয়। কাকতালীয় ভাবে ডিএনএ ও এম- আরএনএ এর মত জটিল অনু হঠাৎ সৃষ্টি যতটা না অসম্ভব তার চেয়েও astonishing বিষয় হল জীব দেহে কেবল ডান হাতি (right handed) DNA এবং mRNA দেখা যায়।কিন্তু যুক্তির খাতিরে যদিও ধরে নেয়া হয় DNA, mRNA প্রথম নিছক accident এর ফলেই সৃষ্টি হয়েছিল,তাহলে right handed এবং left handed DNA সমান অনুপাতে সৃষ্টি হওয়ার কথা যাকে রেসেমিক মিশ্রণ বলা হয়। তাপগতিবিদ্যার ২য় সূত্র ( second law of thermodynamic) তাই বলে। মিলারের পরীক্ষায়ও রেসেমিক এমাইনো এসিড পাওয়া গেছিল। আর সেটা হলে কখনই প্রাণ সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়। A self generated racemic mixture of DNA is completely useless for life!
mRNA এর ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। [4]
.
আমাদের দেহের ২০০০০০ প্রকার প্রোটিনের
মধ্যে মাত্র ১ টা প্রোটিন randomly Chance
এর মাধ্যমে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?
এটা অনুধাবনের জন্য কল্পনা করুন একজন অন্ধ লোক, যার হাতে একটি
রুবিক কিউব দিয়ে দেয়া হয়েছে সলভ করার
জন্য। তার পক্ষে এক চান্সে একেবারে
সঠিক ভাবে রুবিক কিউবটি সলভ করার
সম্ভাবনা প্রায় ৫০০০০০০০০০০০০০০০০০০০(১৯
টা শুন্য কিন্তু!) এর ১ ভাগ এর সমান। প্রোটিন তৈরির ব্যাপারটাও এরকম। [2]
সুতরাং এই জীব জগত, আমরা, শুধু মাত্র ন্যাচারাল ভাবে এমনি এমনি সৃষ্টি হই নি। এর পিছনে একজন ডিজাইনার আছেন। আর তিনি আল্লাহ ﷻ"যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন। এবং যিনি সুপরিমিত করেছেন ও পথ প্রদর্শন করেছেন।"(৮৭:২,৩)
রেফারেন্সঃ
[১]https://en.m.wikipedia.org/wiki/Mil...–Urey_experiment
[2]Fred Hoyle: The Intelligent Universe , Michael
Joseph, London, 1983
[3] Nature: vol.294:105, Nov 12 1981.
[4]Fred Hoyle and N. Chandra Wickramasinghe,
Evolution from Space [Aldine House, 33 Welbeck Street, London W1M 8LX:
J.M. Dent & Sons, 1981), p. 148, 24,150,30,31).

৬৩৪

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

@ashraf.mahmud
ব্লা ব্লা ১০০% ব্লা ব্লা ব্লা impossible!!  roll

আপনার পোষ্ট নিয়ে দু কথা বলার আগে আমাকে জানতে হবে, আপনি... এটা কপি পেস্ট করার আগে একবার পড়ে দেখেছেন কিনা। কিংবা পড়লেও কিছু বুঝেছেন কিনা। নতুবা কষ্ট করে পোষ্টের উত্তর লেখা হবে পন্ডশ্রম। সেটা জানার একমাত্র উপায় হল ফোরমে পরিচিত হোন। নিজের জানা বিষয় নিয়ে আগে দু এক লাইন লিখুন।

পুকুরে একটা আটার দলা (বা ইটের দলা!) ফেললেন আর সব মাছ খাবলে পড়ল... সেই বয়স এই টপিক অনেক আগেই পার করে এসেছে। দু:খিত!

৬৩৫

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

2010 http://www.telegraph.co.uk/news/science … g-god.html

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৬৩৬

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

ব্ল্যা ব্ল্যা করার আগে পড়ুন। এই লেখাগুলো আমার নিজের। এখানে দেখুনঃ https://www.facebook.com/ashraf.mahmud3

সদস্য_১ লিখেছেন:

@ashraf.mahmud
ব্লা ব্লা ১০০% ব্লা ব্লা ব্লা impossible!!  roll

আপনার পোষ্ট নিয়ে দু কথা বলার আগে আমাকে জানতে হবে, আপনি... এটা কপি পেস্ট করার আগে একবার পড়ে দেখেছেন কিনা। কিংবা পড়লেও কিছু বুঝেছেন কিনা। নতুবা কষ্ট করে পোষ্টের উত্তর লেখা হবে পন্ডশ্রম। সেটা জানার একমাত্র উপায় হল ফোরমে পরিচিত হোন। নিজের জানা বিষয় নিয়ে আগে দু এক লাইন লিখুন।

পুকুরে একটা আটার দলা (বা ইটের দলা!) ফেললেন আর সব মাছ খাবলে পড়ল... সেই বয়স এই টপিক অনেক আগেই পার করে এসেছে। দু:খিত!

ওকে আপনি লিঙ্ক দিলেন যখন আমিও দেই। দেখুনঃ https://www.youtube.com/watch?v=5g4evIzesFs

বোকার মতো লিঙ্ক দিলেন। তারা কি শুন্য থেকে প্রানের সৃষ্টি করেছে? মোডিফিকেশন আর ক্রিয়েশন এর পার্থক্য বুঝেন? They took existing strands of DNA and created something from it. This is not creating life. This is a modification to an
existing million units of DNA. Then they inserted it into a Bacteria Cell. The Bacteria cell was existing life as well.

সাইফুল_বিডি লিখেছেন:

2010 http://www.telegraph.co.uk/news/science … g-god.html

৬৩৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাইফুল_বিডি (১৮-১০-২০১৬ ১৬:২৬)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

আমার ধারনা আমি "মোডিফিকেশন আর ক্রিয়েশন" এর পার্থক্য বুঝি না। আপনি কি জানেন বাংলা সাহিত্যের সকল লেখক আমার লেখা মডিফাই করে পাবলিশ করেছে ?কারন তারা বাংলা বর্নমালা ব্যবহার করে তাদের লেখা লিখেছে !

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।

৬৩৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১৯-১০-২০১৬ ২১:২০)

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

ashraf.mahmud লিখেছেন:

ব্ল্যা ব্ল্যা করার আগে পড়ুন। এই লেখাগুলো আমার নিজের। এখানে দেখুনঃ https://www.facebook.com/ashraf.mahmud3

আমরা জাদুমন্ত্র জানা অন্তর্জামী নই। পুর্ব প্রকাশিক লেখার (নিজের হোক বা অন্যের) সুত্র দেয়ার নিয়মটা এমনি এমনিতে করা হয়নি। পোষ্টের সাথে লিংকটা উল্লেখ করলেই ব্ল্যা ব্ল্যা টা শুনতে হত না।

যাই হোক আপাতত কিছুটা ভরসা পেলাম যে আপনি স্পামার নন। অতএব প্রজন্মে স্বাগতম! চলুন এবার আপনার লেখা নিয়ে কিছু কথা বলা যাক।


১।

ashraf.mahmud লিখেছেন:

... নির্দিষ্ট কিছু নাম্বার ছাড়া আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মান্ড বর্তমানের মত আকার প্রাপ্ত হতো না। ... সুতরাং এই জীব জগত, ... এর পিছনে একজন ডিজাইনার আছেন।

আপনি এখানে Dark Energy, Flora and Fauna, Cosmological Constant, Physical constant এর মত  বাঘা টপিক নিয়ে কথা বলছেন, অথচ আপনার তত্ত এবং সিদ্ধান্ত দেখে মনে হচ্ছেনা বৈজ্ঞানিক ভাবে কোন কিছু প্রামান করার সাধারন রুল সম্মন্ধে কোন আইডিয়া আছে।
আমি বলতে পারি

x = x^2
1 = (1)^2  [let x=1]
1 = 1
L.H.S = R.H.S (Proved) 

এই প্রমানটা কেন সাইন্টিফিকলি গ্রহনযোগ্য নয় বুঝতে পারছেন কি? কারন এখানে এক্স এর একটা মাত্র মান যাচাই করা হয়েছে। কিন্তু এক্স এর আরোও লক্ষ কোটি মান থাকতে পারে। (অফটপিক: কোন কিছু প্রুফ করার কমন ফ্যালাসি গুলো এখানে দেখতে পারেন )


এই ব্রহ্মান্ডের এক সেট কনস্টেন্ট আছে, তার মানে এটা প্রমানিত হয়না যে এই কনস্টেন্ট গুলো না থাকলে কোন ব্রহ্মান্ডই তৈরী হত না। বরং এটা খুবই সম্ভব যে ভিন্ন কনস্টেন্ট হলে ভিন্ন ব্রহ্মান্ড তৈরী হত। যার ফিজিক্যাল রুল গুলো হত ভিন্ন। সেই ব্রহ্মান্ডেও স্ব-জ্ঞানী প্রানী তৈরী হতে পারে, যাদের কাছে তাদের কনস্টেন্ট গুলোই পার্ফেক্ট।


আপনার রুটির দলার উদাহরটাই ধরি, আমাদের মানুষের খাওয়ার জন্য কাই বানাতে হলে হয়তো কনস্টেন্ট পরিমান পানির দরকার আছে। কিন্তু পানি যদি বেশী কম দিয়ে দেন যে জিনিসটা তৈরী হবে তা যে একেবারে অকেজো হবে সেটা ধরে নেয়ার কোন কারন নেই। পানি যতই কম বেশী দিন করোনা কারো জন্য সেটাই হবে সঠিক পরিমান। যেমন পানি বেশী হলে ঝোলা আটার গোলা গরু/ছাগলে খাওয়ার জন্য পারফেক্ট হবে!



২।

ashraf.mahmud লিখেছেন:

... লুই পাস্তুরের বায়োজেনেসিস মতবাদ আর অণুজীবের উপর গবেষণার পরে এই ধারণার অবসান ঘটে ।তিনি দেখান যে পঁচা খাবার, আবর্জনা থেকে কোন অণুজীব সৃষ্টি হয়না বরং এরা পঁচনে ভূমিকা রাখে।

ashraf.mahmud লিখেছেন:

তারা কি শুন্য থেকে প্রানের সৃষ্টি করেছে? মোডিফিকেশন আর ক্রিয়েশন এর পার্থক্য বুঝেন? They took existing strands of DNA and created something from it. This is not creating life. This is a modification to an existing million units of DNA. Then they inserted it into a Bacteria Cell. The Bacteria cell was existing life as well.

আপনি হয়তো অনেক ভাল বোঝেন। তবে আমার স্বল্প বোঝায়, ডিএনএ থেকে করা, আর শুন্য থেকে করা একই কথা কারন, ডিএনএ নিজে একটা জড় পদার্থ। একটা বড়সর রাসায়নিক অনু। সে হিসেবে গোড়া থেকে ডিএনএ তৈরীর তত্ত বরং আরো সরল। ভারত-আমেরিকান বিজ্ঞানী “হর গোবিন্দ খরনা” সেটা আংশিক ভাবে করে দেখিয়েছেন সেই শত্তরের দশকে। ঐসব বাদ দিন, বর্তমান থ্রিডি প্রিন্টারের রেজুলেশন ৫০-১০০ মাইক্রন। এটা উন্নতি হয়ে .০১ মাইক্রনে নামলেই যেকোন সেল/ডিএনএ ঘরে বসেই প্রিন্ট করা যাবে। আসলে ঐ স্কেলে প্রিন্টার এখনই আছে যেমন ৭ম জেনারেশন কোর আই প্রসেসর গুলো .০১৪ মাইক্রন ল্যাভেল প্রিন্ট (তৈরী) করা। জীব বিজ্ঞানীরা ঐ জিনিস হাতে পেলে এখনই সাধারন ক্যামিক্যল দিয়ে ডিএনএ প্রিন্ট করতে পারে। যদিও ইন্টেল তাদের মাল্টি বিলিওন ডলারের যন্ত্র বিজ্ঞানীদের দেবে না। আর দিলেও কোন লাভ হবেনা। সুর পাল্টে তখন অন্য কিছু শোনা যাবে, যেমন ... ক্যামিকেল দিয়ে ডিএনএ তৈরী করলে হবেনা, পারলে নিজে কার্বন/হাইহ্রোজেন এটম বানিয়ে দেখাও! (চাইলে পুরনো নাটকটা আবার দেখতে পারেন)


৩।

ashraf.mahmud লিখেছেন:

প্রাণ সৃষ্টির জন্য এই DNA এবং mRNA কে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে একই মূহুর্তে তৈরি হতে হবে! না হলে প্রাণ সৃষ্টি সম্ভব নয়। .... আমাদের দেহের ২০০০০০ প্রকার প্রোটিনের মধ্যে মাত্র ১ টা প্রোটিন randomly Chance এর মাধ্যমে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ...  রুবিক কিউব... সম্ভাবনা প্রায় ৫০০০০০০০০০০০০০০০০০০০(১৯
টা শুন্য কিন্তু!) এর ১ ভাগ এর সমান। প্রোটিন তৈরির ব্যাপারটাও এরকম।

২০০০০০ প্রকার প্রোটিন... সম্ভাবনা রুবিক কিউব সল্ভ করার সমান...! পারেন বটে!  hmm যাই হোক ঐসব ডিটেল নিয়ে তর্ক করা বৃথা, অতএব আপনার কথাই মেনে নিচ্ছি। আপনার কথার সারমর্ম হল, কোন একটা ইভেন্ট ঘটার সম্ভবনা যদি খুব কম হয় তাহলে সেটা এমনি এমনি ঘটবেনা। ভুল!


মার্জিনাল ডিস্ট্রিবিউশন এবং ল অব টোটাল প্রবাবিলিটি নিয়ে ল্যাকচার দেয়ার প্রয়োজন দেখছিনা, বরং সোজা একটা উদারহরন দিই। আপনাকে যদি বলি একটা কয়েন টস পর পর দশবার “হেড” উঠানোর সম্ভবনা কত? না না দশ বার নয়, পর পর ত্রিশ বার “হেড” উঠানোর সম্ভবনা কত (চুরি দারি না করে)? উত্তরটা উনিশ শুন্য বিশিষ্ট ভংগ্নাশের মত ছোট নয়, কিন্তু অনেক ছোট, যথেষ্ট ছোট! তাহলে আপনার দাবী অনুসারে একজন লোক কয়েন টস করে ত্রিশ বার হেড উঠানো অসম্ভব। মোটেও না! আপনাকে এক্ষুনি একটা প্রসেস বলতে পারি যার মাধ্যমে কালকের মধ্যে একমন একজনকে খুজে বেরকরতে পারবেন যিনি লাইভ টিভি ক্যামেরায় টানা ত্রিশ বার হেড উঠাতে পেরেছে। বিশ্বাষ হচ্ছেনা?

প্রসেস বলি,

এর জন্য আপনাকে ইউটিউব/ফেসবুকের মত বিলিওন ইউজার সহ কম্পানীর সাহায্য লাগবে। ধুরুন দুই বিলিওন ইউজার, সবাই নির্দিশ্ট সময়ে কয়েন নিয়ে লাইভ ওয়েব ক্যামের সামনে হাজির। সময় মত সবাই একসাথে কয়েন টস করল। বাই দ্যা ল অব লার্জ নাম্বার, ১ বিলিওন ইউজারেরর হেড উঠবে। যাদের টেল উঠেছে তারা সাথে সাথে ক্যামেরা বন্ধকরে রাস্তা মাপবে। বাকি ১ বিলিওন হেড ওলারা কয়েন নিয়ে আবার রেডি। (যেহেতু কয়েন টসের ইভেন্ট পরস্পর অসম্পর্কৃত) এবার ৫০০ মিলিওনের হেড উঠবে। এই ৫০০ মিলিওন লোক ইতি মধ্যে পর পর দুবার হেড উঠিয়েছেন। তৃতীয় বার ২৫০ মিলিওন... প্রকৃয়া কন্টিনিও করুন... যতক্ষনে শেষ ১ জনের কন্টিনিউসাস হেড বাকি থাকবে ততক্ষনে ৩১ বার কয়েন টস হয়ে যাওয়ার কথা (নোট: শেষের কয়েকটা ইভেন্ট লার্জ নাম্বার নয়)! এবার কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যামে ঐ একজনের ভিডিওটা রেখে বাকি সবার ভিডিও এবং এই ইভেন্ট সংক্রান্ত সমস্ত তত্থ রাফারেন্স ডিলিট। বায়লজিক্যাল ভাইরাসের মাধ্যমে সবার মস্তিস্ক থেকেও ঐ দিনের ইভেন্টর কথা ডিলিট। বাকি থাকবে শুধু ইউটিউবের ১ টা ভিডিও... এক ব্যাক্তির একটানা ত্রিশ বার হেড উঠানোর ভিডিও। দুনিয়ায় গন্ডায় গন্ডায় ছাগু ছাইন্টিস্ট পাবেন, যারা ফতোয়া দেবে সেই ভিডিও ভুয়া!


অতএব বুঝতেই পারছেন আপনার ১৯ শুন্যের ভংগ্নাশের সম্ভবনাও সম্ভব, শুধু আপনাকে অন্ধ জোগার করতে হবে বিপুল সংখ্যক। তিন বিলওন বছর আগে প্রাইমোরিয়াল পৃথিবীতে প্রান উৎপত্তি হতে পারে এরকম সতন্ত্র পুকুর-ডোবা (পড়ুন ল্যাবরেটরী) সংখ্যা ছিল মিলিওন। সঠিক পরিবেশে এমিন্যো এসিড/প্রোটিন তৈরী হতে সময় লাগে মিনিটের কম। অতএব বিলিওন বছরে কত ট্রিলিওন মিনিট হয় তাদিয়ে মিলিওন পুকুর কে গুন দিন, মোট কতটা সম্ভ্যাব্য ইভেন্ট ছিল? সংখ্যাটা একের পিঠে ১৯ শুন্যের অনেক বেশী! তাতেও মন না ভরলে দৃশ্যমান ব্রহ্মান্ডে কত কুইন্ট্রিলওন তারা আছে তা দিয়ে গুন দিন, কারন একই কাজ অন্যান্য সৌরজগতে চলা অসম্ভব নয়। একের পিঠে উনিশ শুন্য এখন নিতান্তই ক্ষুদ্র নাম্বার।




৩।
বহু প্যাচাল পারলাম কিন্তু আসল কথটাই বলা হয়নি। আসল কথা হল আপনি এসব জেনে কি করবেন? আপনার জন্য এসব চিন্তা করাই মানা। এটা কেন বলছি? ধরুন মেনে নিলাম, গড এক জন আছেন যিনি হিসেব করে কসমলজিকাল/ফিজিক্যাল কনস্টেন্ট গুলো ঠিক করে দিয়েছেন (যদিও উপরের আর্গুমেন্ট গুলো অন্য কথাই বলে, তবুও মেনে নিলাম)। তো? তো কি হয়েছে? আপনি কি বলতে চাইছেন? কসমলজিকাল কনস্টেন্ট ঠিক করা না করার সাথে প্রচলিত ধর্ম গুলোর কি সম্পর্ক?

-    একজন এসে বললেন প্রেসিডেন্ট দেশের সমস্ত ক্ষমতা এবং আইনের মালিক! (ট্যাকনিক্যালি কথাটা ভুল। তারপরেও কথাটা মেনে নিলে কিচ্ছু যায় আসেনা। তাই) বললাম হু। এর পর উনি বললেন, প্রেসিডেন্ট আমার উস্তাদ, আমি তার সাগরেত। এবার মুখ তুলে তাকাবেন। বলে কি লোকটা! এর পর উনি বললেন, প্রেসিডেন্ট দশ টাকা চাদা দেয়ার আইন বানিয়েছেন। অতএব চাদা হিসেবে আমাকে দশ টাকা দিন। (আমি তো দুর মহা উম্মাদ না হলে কেউ তাকে দশ টাকা দেবে না।)

-    “কেউ একজন” কসমলজিকাল কনস্টেন্ট ঠিক করে দিয়েছেন। সেই “কেউ একজন” হলেন আমার আল্লাহ (হিন্দুদের ব্রহ্মা কিংবা আদি জিউস সেই “কেউ একজন” নয়)। আল্লাহ বলেছেন পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়!


উপরের ঘটনা দুটোতে মিল খুজে পাচ্ছেন কি? না কি আরও ব্যাখ্যা করতে হবে?




৪।
ছোট বেলায় বড় নাম্বার বলার একটা গেম খেলতাম, আমি বলতাম আমি একশ টাকার মালিক, আরেকজন বলতো আমি দু’শ টাকার মালিক, এবার আমি বলতাম আমি তিনশ টাকার মালিক, খেলা চলত.. কোটি টাকা, কোটি যোগ এক... খেলা চলত অফুরন্ত। যেদিন ইনফিনিটি কি জানলাম, সেদিন থেকে সেই খলাটা শেষ। বললাম আমার ইনফিনিটি টাকা আছে। এবার আর কেউ আমার উপরে যেতে পারবেনা। ইনফিনিটি যোগ এক সমান ইনফিনিই। ধার্মিকরা গডকে ইনফিনিটি বানিয়ে প্রমান করার খেলাটা অনেক আগেই শেষ করে রেখেছেন।


ইনফিনিটিকে যাই করুন হয় ইনফিনিটি অথবা আনডিফাইন পাবেন। ইনফিনিটি অপারেশনে যে আনডিফাইন আসে সেটা অজানা কিছু নয়, বরং জানা সঠিক উত্তর। আনডিফাইন (অসংগায়িত) মানে হল এর কনক্লুসিভ উত্তর বের করতে হলে ইনফিনিটির সংগা বদলাতে হবে। এই টপিকের আমার প্রথম পোস্টে প্রশ্ন করেছিলাম গডের বৈশিষ্ট গুলো কি কি? কি কি বৈশিষ্ট থাকলে তাকে খোদা বলে মেনে নেয়া যাবে? উত্তর এসছিল এ ধরনের কোন বৈশিষ্টের আলোকে খোদাকে বাধা যাবে না। মানে হল খোদা হলেন আনডিফাইন। যেকোন বৈজ্ঞানিক/গানিতিক প্রমান করার প্রথম শর্ত হল কি প্রমান করছি সেটাকে নির্দিষ্ট ভাবে সংগায়িত করা। যদি গডকে সংগায়িত-ই না করা যায়, তাহলে একে প্রমান করা না করারই প্রশ্ন আসেনা। সেটা করতে চেষ্টা করাটা বিজ্ঞান এবং খোদা দুটোকেই প্রহসন করার সামিল।

৬৩৯

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

এই টপিক খোলার উদ্দেশ্য ফোরামের জ্ঞানীদের জন্য এখানে তারা ধর্ম + ঈশ্বর নিয়ে আলোচনা করবেন।
কেন আর কিছু নাই জ্ঞান আহরন করার জন্য? শধু মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেন, নিজের যা ভাল লাগে তা করেন কিন্তু দল পাকান ক্যান?
এক কথাই অযুক্তিক পোস্ট।

৬৪০

Re: 'ঈশ্বর ও ধর্ম' এবং আপনার বিশ্বাস

সরি আপাতত বেশ কিছুদিন সময় দিতে পারছি না।  তবে চেষ্টা করব সামনে কিছু ইনপুট দিতে। আপাতত ভাবনার খোরাক যোগাতে এই ভিডিওর লিঙ্ক শেয়ার করছি। সময় হাতে থাকলে দেখতে পারেনঃ

https://www.youtube.com/watch?v=odEnkhI_kCI