সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৯-০৪-২০১২ ১৫:৫৭)

টপিকঃ দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

প্রথম সিনেমা হল দর্শনঃ ১৯৯৩ সাল। ক্লাস থ্রিতে পড়ি। প্রতিদিন পূরবী সিনেমা হলের পাশ দিয়ে যখন স্কুলে যেতাম, বাংলা ছবির রং-বেরঙ এর ব্যানার আর পোস্টারগুলো মনের মধ্যে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার তীব্র বাসনা যোগাত। আব্বার কাছে আবদার করলাম। আব্বা মিয়াভাইকে নির্দেশ দিলেন আমাকে নিয়ে সিনেমা দেখে আসার জন্যে। আমরা পূরবী সিনেমা হলে গেলাম ছবি দেখতে। বিকেল তিনটার শো। হলের ভিতরে মাঝামাঝি জায়গায় বসেছিলাম। ছবির নাম ছিলো “অপরাজিত নায়ক”। নায়ক ছিলো ইলিয়াস কাঞ্চন আর নায়িকা ছিলো অরুণা বিশ্বাস। কাহিনী কি ছিলো মনে নাই। তবে মনে আছে, প্রতিবার নায়িকার ওয়েস্টার্ন আউটফিটে পর্দায় আসা মাত্রি দর্শকদের শিসের শব্দ, আর নিজের পশ্চাদদেশে ভাঙ্গা সিট থেকে বেরিয়ে আসা স্প্রিঙয়ের চুম্বন।

দ্বিতীয় সিনেমা হল দর্শনঃ  দ্বিতীয়বার সিনেমা হলে গিয়েছিলাম গ্র্যাজুয়েশনের সময়। অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সের এক দংগল পোলাপান গেলাম বলাকায় ‘মনপুরা’ দেখতে। আমাদের পোলাপানের যন্ত্রণায় অন্যান্য দর্শকদের সিনেমা দেখা চাঙ্গে উঠলো। এমনকি শেষের দিকের দৃশ্যে যখন চঞ্চল চৌধুরী তার নায়িকার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে, মাথার উপর হাত রেখে কাঁদছে, তখন হঠাত এক বন্ধু বলে উঠলো, “হায় হায়, এই হালায়তো পুরাই সেকুল স্যার!!”। আর যায় কোথায়, বন্ধুদের মধ্যে অট্টহাসির সংক্রমণ হলো। এরকম ইমোশনাল দৃশ্যে আমাদের হাসি দেখে ক্রন্দনরত দর্শক পারলে আমাদের ধরে মারে আরকি। মার খাওয়ার আগেই হল থেকে কোনমতে বেরিয়ে আসলাম। উল্লেখ্য, সেকুল স্যার ছিলেন আমাদের শিক্ষক, যিনি হতাশ হলে মাথার উপর হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন আর বলতেন, “ ষারুদার বীরনও শোনেনা, তোমরাও কেউ আমার কথা শোননা। তোমাদের দিয়ে তাই কিশশু হবে না।”

দেশের বাইরে প্রথম সিনেমাঃ দেশের বাইরে প্রথম সিনেমা দেখেছিলাম ভারতের আসামে। ধুবরী জেলার ছোট্ট একটা সিনেমা হলে। ছবির নাম ‘ভুলভুলাইয়া’। আমি আর আমার কাজিন গিয়েছিলাম। নিচে বসার ইচ্ছা থাকলেও যখন শুনলাম যে ডিসির টিকেট ৩০ রুপি, তখনই সিদ্ধান্ত বদল করে সেটা নিয়ে নিলাম। দোতলার বক্সে দর্শক ছিলো মাত্র তিন জন। আমি, আমার কাজিন আর এক দাদা। সিনেমা বেশ ভালোই লাগছিলো। কিন্তু হঠাত হঠাত দাদার পিলে চমকানো হাসির যন্ত্রণায় মাইল্ড স্ট্রোকের মত হচ্ছিলো। “মাইরি বলচি সালা, অক্ষয়ের মত জিনিস দুটো হবে না। দেকেচো, কি দারুণ এক্টিং করে?” এই ধরনের কথাবার্তা শুনতে শুনতেই পুরো সিনেমাটা দেখতে হয়েছিলো।

দেশের বাইরে দ্বিতীয় সিনেমাঃ দেশের বাইরে দ্বিতীয় সিনেমাটা দেখেছিলাম আরব-আমিরাতের আবুধাবিতে। ন্যাশনাল থিয়েটার নামক সিনেপ্লেক্সে। একদম পিছনের সারির টিকেটের দাম নিয়েছিলো ২৫ দিরহাম। ছবির নাম ছিলো “রা-ওয়ান”। চরম অখাদ্য এক মুভি। হল মোটামুটি ভরা ছিলো। হলের পরিবেশ ছিলো বেশ ভালো।
আবুধাবিতে থাকতেই আমার খায়েশ হলো যে আবার মুভি দেখবো। তবে এবার দেখবো মেরিনা মলে। আমার বৌ অনেক মানা করলো আমাকে , যাতে মেরিনা মলের সিনেপ্লেক্সে মুভি না দেখি। কিন্তু আমার মত ত্যাড়া ঘাড়ের পাবলিককে বোঝানো বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার মনেহয়। ছোট বাচ্চাদের মত গো-ধরে বৌকে নিয়ে গেলাম মেরিনা মলে। টিকেটের দাম নিলো ৩০ দিরহাম। ন্যাশনালের চেয়ে ৫ দিরহাম বেশি। মুভির নাম ছিলো “জনি ইংলিশ- রিবর্ন”। হল প্রায় ভরপুর। সিনেমা শুরু হবার ঠিক আগে আগে বিশাল স্ক্রীণে আমরা কারো মধ্যাঙ্গুলীর ছায়া দর্শন করলাম। সিনেমার পুরো সময়ই মাঝে মাঝেই সেই ছায়া আমাদের দর্শন করতে হলো। পুরো কৃতিত্ব, একদম উপরের সারিতে, প্রজেক্টরের ঠিক নিচে বসা কিছু জংলী আরবী জানোয়ারের। এই পেইনের সাথে ছিলো, রোমান্টিক সিনে আরবীদের শিস, আর হিরোইক সিনে তাদের করতালি। এই ধরনের পেইনের কথা মাথায় রেখেই যে আমার বৌ আমাকে মানা করেছিলো তা প্রথমে বুঝতে পারি নাই। বোকারা ঠেকে শিখে। আমিও শিখলাম।

হলে দেখা সবর্শেষ সিনেমাঃ  হলে দেখা লাস্ট সিনেমা হলো “এম.আই-৪,ঘোস্ট প্রোটোকল”। ঢাকার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখলাম। আগে ভাবতাম ঢাকায়, সিনেপ্লেক্সে অনেক বেশি দাম রাখে টিকিটের। একই সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ বাইরের সিনেপ্লেক্সের চেয়ে এখানে খরচ অনেক কম। বাইরে এই একই ছবি একই জায়গায় বসে দেখতে গেলে এর চেয়ে ডাবল খরচ হতো। তবে এখানে একটা কিন্তু আছে। বাইরের সিনেপ্লেক্সে মুভি রিলিজ পায়। এখানে আসে রিলিজের অনেক পরে। এখানে টিকেট মূল্য হয়তো এ কারণেই কম রাখা হয়। তবে স্টার সিনেপ্লেক্সে, আমরা আমাদের ব্যাগপ্যাকে খাবার বা পানীয় নিয়ে ঢুকছি কিনা, সেটা দেখার জন্য , ছোটলোকের মত যেভাবে ব্যাগ চেক করে, বাইরে সেই ছোটলোকিটা দেখিনি।
ঘোস্ট প্রটোকল একটু রিভিউয়ের চেষ্টা করি। চরম একশন-প্যাকড একটা মুভি। অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো সেই রকম দারুণ। তবে কিছু কিছু জিনিস দেখে বড়ই চমকিত হয়েছি। সিনেমার একটা জায়গায়, হিরো গ্যাং ভিলেইন গ্যাংকে ধরার জন্য সুদুর দুবাইয়ের বুর্জ খলিফাতে যায়। যাওয়ার যে রাস্তাটা ছিলো সেটা মাত্র দুই লেনের!! আমি বুর্জখলিফার আশে-পাশে কোন দুই লেনের রাস্তা দেখি নাই। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, সেই রাস্তায় গাড়ি সহসাই হার্ড ব্রেক করতে হলো নায়কদের। কেন? কারণ সামনে এক উটপালক তার উটের পাল নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো!! আবুধাবি থেকে দুবাই গেলাম, শারজা গেলাম, আলাইনে গেলাম। চিড়িয়াখানা ছাড়া কোন জায়গায় মাইক্রোস্কোপ লাগায়ও উট দেখতে পারলাম না, আর ক্রুজ ভাই, দুই লেনের হাইওয়ের উপর উটের পাল দেইখা ফেলাইলো!! আবার ক্রুজ ভাই, বুর্জখলিফার গ্লাস খুলে, ঝুলে ঝুলে এক ফ্লোর থেকে আরেক ফ্লোরে গেলেন। স্প্যাইডারম্যানের দোয়া ছিলো কিছু হয় নাই। এমনকি উপরের ফ্লোর থেকে যখন নিচের ফ্লোরে ঝুলে নামতে গিয়ে মাথার মধ্যে বাড়ি খাইলেন, তখনও ওনার কিছু হইলো না। এইবার মনেহয় আয়রনম্যানের দোয়া ছিলো ওনার সাথে। এখানেই শেষ নয়। ভিলেইনকে তাড়া করার জন্য ক্রুজ ভাই বুর্জখলিফা থেকে বের হলেন। এর বালিঝড় শুরু হইলো। বালিঝড়তো না, যেন মহাপ্রলয়। এই ঝড়ের মধ্যে উনি ভিলেনের পিছে দৌড়াইতে দৌড়াইতে একটা ঝুপড়ি ঘর সমৃদ্ধ বাজারের মধ্যে ঢুইকা গেলেন! বিশ্বাস করেন, আমি বুর্জখলিফার চারপাশ ভালো করে ঘুরেছি। ওখানে অত্যাধুনিক দুবাই মল আছে। কিন্তু কোন ঝুপড়ি বাজার নাই।   

উপসংহারঃ উপরে বলা আজব সব জিনিস থাকলেও আমরা হলিউডের মুভি দেখি। এসব মুভির অসাধারণ সব স্পেশাল এফেক্টস কাহিনীর কমজোরি অংশগুলোকে মলম লাগিয়ে দেয়। কমার্শিয়াল বাংলা মুভি দেখি না। কারণ এখানে যে অখাদ্য থাকে তা হজম করা বেসম্ভব। তারপরও আমাদের বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে কেউ কেউ চুপিচুপি বাংলা ছবির গান দেখে। সেই গান আবার ফেসবুকের ইনবক্সে আমাদেরকে পাঠায়। নিচে সেরকমই একটা রুচিশীল(!!??) বাংলা ছবির গানের লিঙ্ক দিয়ে ইতি টানছি।   

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

আরে আপনার শেয়ার কার গান তো দেখি প্রজন্ম ফোরাম নিয়ে।

খেয়াল করুণ- দেখতো জেমস বন্ড মানে আমাদের বন্ড ওরফে আকাশ ভাই। love

তারপর- থাকে সুইজারল্যান্ড মানে হিমু ভাই আর কি tongue

আর যে ভাবে বয় ফ্রেন্ড আর গার্ল ফ্রেন্ড বলছে তাতে তো মনে হয় নীলা আপু, তাহমিদ আর মাহমুদ ( sad) এর খুব কাছের লোক।

উড়ছে পাখির মত- ছবি আপুর প্রো-পিক?  confused


আর কাউয়া ভাই টেকনিকাল কারণে  hehe hehe hehe... ভাবে হাসা গেল না। আপনি তো বুঝেন। wink

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

কাউয়া ভাই এর বারি কী মিরপুর নাকি?

আজাইরা প্যাঁচাল ভাল লাগেনা

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

ইয়ে গানটা তিনবার শুনলাম। blushing

অসাধারণ গান। দেখছেন কত সুন্দর নাচলো। মোটা হলে যে নাচা যায় না তা কে বলেছে। thumbs_up

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

হা হা হা। মজারে মজা

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

sunnymirpur1982 লিখেছেন:

কাউয়া ভাই এর বারি কী মিরপুর নাকি?


জ্বী। তবে কর্মক্ষেত্র সিলেট।

আরণ্যক লিখেছেন:

ইয়ে গানটা তিনবার শুনলাম। blushing

অসাধারণ গান। দেখছেন কত সুন্দর নাচলো। মোটা হলে যে নাচা যায় না তা কে বলেছে। thumbs_up

আমি জানতাম আপনি এইটা একাধিকবার দেখবেন tongue রুচিশীলদের প্রথম পছন্দ বাংলা ছবির গান  hehe
বাই দ্যা ওয়ে, গোপনে একখান কথা কই। গোবিন্দারে আমার জোস লাগে। ঐ বডি নিয়া নাচা আসলেই কঠিন কম্ম। এই গানের নায়িকাও মনেহয় তারে দেইখা ইন্সপায়ার্ড।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

হা হা হা। মজারে মজা

ধইন্যবাদ ডেডু মিয়া big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

আমি জানতাম আপনি এইটা একাধিকবার দেখবেন  রুচিশীলদের প্রথম পছন্দ বাংলা ছবির গান

  big_smile big_smile big_smile দেখতাম না। আপনার মত একজন গানটা দিয়েছে। তাই ভাবলাম নিশ্চয় এখানে মঙ্গল আছে। তাই প্রথমে দেখলাম। কিন্তু কিছু খুজে পেলাম না। তাই আবার দেখলাম। সব শেষে মনে হলো সত্যিই এটা আপনি দিছেন? এটা বুঝার জন্য আবার দেখলাম।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

গানটা একটু এমন মনে হল, বলিউড বাদ দিয়ে আমরা এখন হলিউডের পিছেন  hehe

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

আরণ্যক লিখেছেন:

আমি জানতাম আপনি এইটা একাধিকবার দেখবেন  রুচিশীলদের প্রথম পছন্দ বাংলা ছবির গান

  big_smile big_smile big_smile দেখতাম না। আপনার মত একজন গানটা দিয়েছে। তাই ভাবলাম নিশ্চয় এখানে মঙ্গল আছে। তাই প্রথমে দেখলাম। কিন্তু কিছু খুজে পেলাম না। তাই আবার দেখলাম। সব শেষে মনে হলো সত্যিই এটা আপনি দিছেন? এটা বুঝার জন্য আবার দেখলাম।

লুল। মাঝে মাঝে মংগলের বদলে বুধ, শুক্র থাকতেই পারে। এইটারে কয় বিট এরর  tongue_smile

তারেক হাসান লিখেছেন:

গানটা একটু এমন মনে হল, বলিউড বাদ দিয়ে আমরা এখন হলিউডের পিছেন  hehe

নাহ, আমাগোটা বেশি জোস  lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১০

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

আমার হলে সিনেমা দেখায় এক্সপেরিয়েন্স মাত্র দুইবার তাও  love 

গানটা কইলাম ঝাকানাকা  lol ভাগ্যিস এভ্রিলের গানটারে ভুল অনুবাদ কইরা চিল্লায় নাই যে "আই হ্যভ আ গার্লফ্রেন্ড" :প

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

সিনেমা শুরু হবার ঠিক আগে আগে বিশাল স্ক্রীণে আমরা কারো মধ্যাঙ্গুলীর ছায়া দর্শন করলাম। সিনেমার পুরো সময়ই মাঝে মাঝেই সেই ছায়া আমাদের দর্শন করতে হলো।

lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 কমেন্ট পরে দিমুনে, আগে  lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 lol2

স্রোতের বিপরীতে উদ্যত!

১২

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

আমার হলে সিনেমা দেখায় এক্সপেরিয়েন্স মাত্র দুইবার তাও  love 

গানটা কইলাম ঝাকানাকা  lol ভাগ্যিস এভ্রিলের গানটারে ভুল অনুবাদ কইরা চিল্লায় নাই যে "আই হ্যভ আ গার্লফ্রেন্ড" :প

খেয়াল করে বাংলা গানটা দেখলে (শুনলে না কিন্তু .... দেখলে) আই হ্যাভ আ গার্লফ্রেন্ড - ই বেশি ঠিক হইতো মনে করতা।  hehe

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

খারাপ না। অভিজ্ঞতাগুলোই ভালই .... হা.. হা.. হা...

::::   নিজের কাজটুকু নিজেকেই করতে হবে, অন্যের আশায় বসে থাকলে হা-হুতাশ ছাড়া কিছুই করার থাকে না  ::::

১৪

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

শামীম লিখেছেন:
আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

আমার হলে সিনেমা দেখায় এক্সপেরিয়েন্স মাত্র দুইবার তাও  love 

গানটা কইলাম ঝাকানাকা  lol ভাগ্যিস এভ্রিলের গানটারে ভুল অনুবাদ কইরা চিল্লায় নাই যে "আই হ্যভ আ গার্লফ্রেন্ড" :প

খেয়াল করে বাংলা গানটা দেখলে (শুনলে না কিন্তু .... দেখলে) আই হ্যাভ আ গার্লফ্রেন্ড - ই বেশি ঠিক হইতো মনে করতা।  hehe

আপনেরা দেখা যায় খুবই মনোযোগী দর্শক tongue_smile

পান্থ শ্রাবণ লিখেছেন:

খারাপ না। অভিজ্ঞতাগুলোই ভালই .... হা.. হা.. হা...

ধইন্যবাদ big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৫

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

বাহ বেশ মজা লাগল আপনার লেখাটা পড়ে smile
আর আরন্য ভাইকে কি যে বলি tongue

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

১৬

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

গানটা দেখতে পারলাম না ।

দুষ্ক

আপনার লেখা বরাবরই মজা পাই পড়ে

আমি সিনেমা হলে সিনেমা দেখছি ৪ বার
প্রথমে চুনারুঘাটে ছবিঘর সিনেমাহলে দেখছিলাম রুপবান
দ্বিতীয় বার বাইদ্যার মাইয়া জোছনা
তৃতীয়বার যশোরে দেশের সবচেয়ে বড় সিনেমাহলে । কি সিনেমা ছিল মনে নাই

চতুর্থবার দেখছি মাটির ময়না...........মধুমিতা হলে
মাঝে মাঝে শখ হয় দেখার কিন্তু  sad sad sad

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৭

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

লেখাটা খুবই ভালো লাগলো  thumbs_up
গানটা চালিয়ে ভয় পেয়েছি  donttell

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

ধন্যবাদ সবাইকে।
@হৃদয়দাঃ ভালোতো। গান দেইখা হার্ট শক্ত হলো  lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৯

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

প্রথম ছবি দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল নানা বাড়িতে মা খালাদের কোলে চড়ে। সময়টা ছিল আশির দশকের শুরুতে। ... ছবির নাম ঠিক মনে নাই...শুধু দেখেছিলাম আলিফ লায়লা টাইপের পোশাক পরা ইলিয়াস কান্চন আর রোজিনা। এ ছাড়া আরেকটা ছবির কথা মনে আছে আমার মনে হয় ইলিয়াস কান্চনই ছিল কাহিনীটা ছিল এরকম সে গেছিল সেমাই খেতে। সেমাই খাওয়ার পর দোকানদার টাকা চাইতেই সে বলে টাকা নাই। এরপর এক আজব কাহিনী... এক দঙগল লোক এসে তার পেটে ইয়া ডিশুম ইয়া ডিশুম তারপরও তার মুখ থেকে থোকা থোকা সেমাই পড়া শুরু হল। বিশ্বাস করেন আমার সে ছোট মনে সেইরাম প্রভাব ফেলেছিল এই ছবি। আমি প্রাই আমার খালাত ভাইযের পেটে ঘুসি মেরে খাবার বের করার চেষ্টা করতাম।

এছাড়া আমার হলে ছবি দেথা ছবির তালিকা মেলা... কিছু ফ্যামিলির সাথে, কিছু পোলাপান বন্ধুদের সাথে, স্কুল পালিয়ে.....
তার ছেড়াকে ধন্যবাদ সেইরাম লেখার জন্য।

এক জীবনই সম্পূর্ন নয়।..

My e-mail address

২০

Re: দেশে-বিদেশে সিনেমা দেখা

রুচিশীল বাংলা ছবির গান? হা হা হা হাসতে হাসতে মইরা গেলাম রে, বাঁচাও
হলে গিয়ে ছিনেমা আমার খুব একটা দেখা হয় নাই - পিতার কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিলো worried পরে এই প্রবাসে এসে আশ মিটিয়েছি hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত