সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেলিম রাজ (০১-০১-২০১২ ০৯:৫২)

টপিকঃ নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

জায়নামাজের দোয়াঃ
জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরুর পূর্বেই এই দোয়া পড়তে হয়,
    বাংলা উচ্চারন- ইন্নি ওয়াজ্জাহ তু ওয়াজ্ হিয়া লিল্লাজি, ফাত্বরস্ সামা-ওয়া-তি  ওয়াল্ আরদ্বঅ হানি-ফাওঁ ওয়ামা-আনা মিনাল মুশরিকী-ন।

    অর্থ-নিশ্চই আমি তারই দিকে মুখ করলাম, যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং বাস্তবিকই আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই ।

এরপর নামাজের নিয়াত ও তাক্ বীরে তাহঃরীমা

নামাজের ইচ্ছা করাই হচ্ছে নামাজের নিয়াত করা। মুখে উচ্চারণ করা জরুরী নয়, তবে মুস্তাহাব।
সমস্ত নামাজেই ,নাওয়াইঃতু আন্ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া'লা
    (২ রাকাত হলে) রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
    (৩ রাকাত হলে) ছালাছা রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল
    (৪ রাকাত হলে) আর্ বায়  রাক্ 'য়াতাই ছালাতিল

    (ওয়াক্তের নাম) ফাজ্ রি/ জ্জুহরি/আ'ছরি/মাগরিবি/ইশাই/জুমুয়া'তি

    (কি নামাজ তার নাম) ফারদ্বুল্ল-হি/ওয়াজিবুল্ল-হি/সুন্নাতু রসূলিল্লাহি/নাফলি।

    (সমস্ত নামাজেই) তায়া'লা মুতাওয়াজ্জিহান্ ইলা জিহাতিল্ কা'বাতিশ শারীফাতি আল্ল-হু আক্ বার।

বাংলায় নিয়াত করতে চাইলে বলতে হবে,
আমি আল্লা-হ্'র উদ্দেশ্যে ক্কেবলা মুখী হয়ে, ফজরের/জোহরের/আসরের/মাফরিবের/ঈশার/জুময়ার/বি'তরের/তারঅবি/তাহাজ্জুদের (অথবা যে নামাজ হয় তার নাম)
২ র'কাত/৩র'কাত/৪ র'কাত (যে কয় রাকাত নামাজ তার নাম)
ফরজ/ওয়াজিব/সুন্নাত/নফল নামাজ পড়ার নিয়াত করলাম, আল্ল-হু আকবার ।
তাকবীরে তাহরীমা- আল্লাহু আক্ বার, অর্থ-আল্লাহ মহান ।

সানাঃ] (হাত বাধার পর এই দোয়া পড়তে হয়)
   উচ্চারণ :- সুবহা-না কাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহাম্ দিকা ওয়াতাবারঅ কাস্ মুকা ওয়াতা’ আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলা-হা গাইরুক।
    অর্থ- হে আল্লাহ ! আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার মহিমা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মাহাত্ম্য সর্বোচ্চ এবং আপনি ভিন্ন কেহই ইবাদতের যোগ্য নয় ।

তাআ’উজঃ
উচ্চারণ- আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম ।
অর্থ- বিতারিত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ।

তাসমিয়াঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।
অর্থ- পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি ।

এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে  হয়, সূরা ফাতিহা তিলাওয়াতের পর পবিত্র কোরআনের যে কোন জায়গা থেকে তিলাওয়াত করতে হয় ।

রুকুর তাসবীহঃ
উচ্চারণ- সুবহা-না রব্ বি ইঃয়াল্ আ'জ্বীম। অর্থ-মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহাত্মতা ঘোষণা করছি ।

তাসমীঃ (রুকু থেকে দাঁড়ানোর সময় পড়তে হয়)
উচ্চারণ- সামি আল্লা হুলিমান হামিদাহ,
অর্থ-প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শোনেন ।

তাহমীদঃ (রুকু থেকে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়)
উচ্চারণ- রাব্বানা লাকাল হামদ । অর্থ- হে আমার প্রভু, সমস্ত প্রশংসা আপনারই ।

সিজদার তাসবীহঃ
উচ্চারণ- সুবহা-না রাব্বিয়াল আ'লা। অর্থ- আমার প্রতিপালক যিনি সর্বশ্রেষ্ট, তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি ।

দু'সিজদার মাঝখানে পড়ার দোয়াঃ
উচ্চারণ- আল্লাহু ম্মাগ ফিরলী ওয়ার হামনি ওয়ার যুক্কনী ।
অর্থ- হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে রহম করুন, আমাকে রিজিক দিন ।
[হানীফি মাযহাবে এই দোয়া পড়া হয় না, কেউ যদি হানীফি মাযহাব এর হয়ে থাকেন তাহলে এই সময এক তসবী পড়তে যে সময় লাগে , সেই সময় পর্যন্ত বিরতি দিয়ে পুনঃরায় সেজদায় যাওয়া।]

তাশাহুদ বা আত্তাহিয়্যাতুঃ
উচ্চারণঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি,  ওয়াছ ছালা-ওয়াতু, ওয়াত-তাইয়্যিবা তু, আচ্ছালা মু আ'লাইকা, আইয়্যুহান নাবিয়্যু, ওয়ারাহ মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, আচ্ছালামু আলাইনা, ওয়া আ'লা ইবাদিল্লা হিছ-ছা লিহীন। আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু ।

অর্থঃ আমাদের সব সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামাজ এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক । আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা এবং রাসুল ।

দরুদ শরীফঃ
উচ্চারণ- আল্লহুম্মা ছাল্লি আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ-লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজী-দ্ ।আল্লাহুম্মা বারিক্ আ'লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ'লা আ'লি মুহাম্মাদিন,  কামা বা-রাকতা আ'লা ইব্রহীমা ওয়া আ'লা আ'লি ইব্রহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজীদ ।

অর্থ- হে আল্লাহ, দয়া ও রহমত করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন রহমত করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর। নিশ্চই আপনি উত্তম গুনের আধার এবং মহান। হে আল্লাহ, বরকত নাযিল করুন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর প্রতি এবং তার বংশধরদের প্রতি, যেমন করেছেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর। নিশ্চই আপনি প্রশংসার যোগ্য ও সম্মানের অধিকারী ।

দোয়ায়ে মাসূরাঃ
উচ্চারন- আল্লা-হুম্মা ইন্নী জ্বলামতু নাফসী জুলমান কাছীরও ওয়ালা ইয়াগফিরু যুনূবা ইল্লা আনতা ফাগ্ ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইনদিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম।

অর্থ- হে মহান আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি (অর্থাৎ অনেক গুনাহ/পাপ করেছি) কিন্তু আপনি ব্যতীত অন্য কেহ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব হে আল্লাহ অনুগ্রহ পূর্বক আমার গুনাহ মাফ করে দিন এবং আমার প্রতি সদয় হোন; নিশ্চই আপনি অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু ।

দোয়ায়ে কুনুতঃ (বিতরের নামাজের পর ৩য় রাকায়াতে সূরা ফাতিহা ও অন্য কিরআত পড়ার পর এই দোয়া পড়তে হয় )

উচ্চারণ- "আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতা'ঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়া নু'মিনু বিকা ওয়া না তা ওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর। ওয়া নাশকুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখ লা, ওয়া নাত রুকু মাইয়্যাফ জুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না'বুদু ওয়ালাকা নুছাল্লি ওয়া নাসজুদু ওয়া ইলাইকা নাস'আ, ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখ'শা আযাবাকা ইন্না আযা-বাকা বিল কুফফা-রি মুল হিক ।"

অর্থ- হে আল্লাহ, আমারা আপনার নিকট সাহায্য চাই। আপনার  নিকট গোনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। আমরা কেবল মাত্র আপনার উপরেই ভরসা করি। সর্বপ্রকার কল্যান ও মংগলের সাথে আপনার  প্রশংসা করি। আমরা আপনার শোকর আদায় করি, আপনার  দানকে অস্বীকার করি না।আপনার  নিকট ওয়াদা করছি যা, আপনার  অবাধ্য লোকদের সাথে আমরা কোন সম্পর্ক রাখব না-তাদেরকে পরিত্যাগ করব । হে আল্লাহ, আমরা আপনারই দাসত্ব স্বীকার করি। কেবলমাত্র আপনার  জন্যই নামাজ পড়ি, কেবল আপনাকেই সিজদা করি এবং আমাদের সকল প্রকার চেষ্টা-সাধনা ও কষ্ট স্বীকার কেবল আপনার  সন্ততুষ্টির জন্যই । আমরা কেবল আপনার ই রহমত লাভের আশা করি, আপনার আযাবকে আমাওরা ভয় করি। নিশ্চই আপনার  আযাবে কেবল কাফেরগনই নিক্ষিপ্ত হবে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

আমি নামাজের দোয়া নিয়ম-কানুন শিখেছি ইন্টারনেট হতে। রাত্রে শুয়ে থেকে মোবাইলের মাধ্যমে পড়তাম। আর এই টপিক টি লিখার একটি বিশেষ লক্ষ আছে, মূলত আমার সেসব বন্ধুদের জন্য যারা শুধু মাত্র নিয়ম কানুনের জন্য নামাজে অগ্রসর হতে পারছে না। তাদের এই লিংকটি ধরিয়ে দিয়ে বলব দেখে নিতে। এটাই একটা ভাল মাধ্যম হবে বলে মনে করি। আর এই কাজের জন্য আমি বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই রংমহলের অচেনাকেউ ভাইয়াকে। তিনার করা নামাজের দোয়া সমুহ টপিকটি অনেক উপকারে লেগেছে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সুরা আল ফাতিহা (সূচনা)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
আল-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আর রাহমানির রাহিম। মালিকি ইয়াওমিদ্দিন। ই্‌য়াকানাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাইন। ইহ দিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম। সিরাতাল লাযিনা আনআমতা আলাইহিম। গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দুয়ালিন।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ্‌রই, যিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াময় যিনি বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা আল ইখলাস (একত্ব)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ক্বুলহু আল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা আল ফালাক (নিশিভোর)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ক্বুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক। মিন শাররি মাখালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গাসিক্বিন ইযা অক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফ্‌ফাসাতি ফিল্‌ উকাদ। ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ইযা জাআ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহু। ওয়ারা আইতান নাসা ইয়াদ খুলুনা ফি দিনিল্লাহি আফওয়াজা। ফাসাব্বিহ বিহামদি রাব্বিকা ওয়াসতাগফিরহু। ইন্নাহুকানা তাওওয়াবা।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন, তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা আল কাওসার (প্রাচুর্য)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ইন্না আতাইনা কাল কাওসার। ফাসাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ান হার। ইন্না শানিয়াকা হুয়াল আবতার।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি। অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন। যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা আল কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
লি-ঈলাফি কুরাইশিন। ঈলাফিহিম রিহলাতাশ শিতায়ি ওয়াস সাইফ। ফাল ইয়াবুদু রাব্বা হাযাল বাইত। আল্লাযি আত আমাহুম মিন জুয়েঁউ ওয়া আমানাহুম মিন খাউফ।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
কোরাইশের আসক্তির কারণে, আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের। অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা নাস (মানবজাতি)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ক্বুল আউযু বিরাব্বিন নাস। মালিকিন্নাস। ইলাহিন্নাস। মিন শাররীল ওয়াস ওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযি ইউওয়াস ভিসু ফী সুদুরিন্নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের পালনকর্তার। মানুষের অধিপতির, মানুষের প্রভুর, তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্মগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা আসর (সময়)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
ওয়াল আসরি। আন্নাল ইনসানা লাফী খুস্‌রিন। ইল্লাল্লাযীনা আমানু ওয়া আমিলুস সালিহাতি। ওয়া তাওয়াসাও বিল কাককি। ওয়া তাওয়াসাও বিল সাবর।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
কসম যুগের (সময়ের), নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সূরা লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
তাব্বাৎ ইয়াদা আবি লাহাবেউ ওয়াতাব্বা মা আগনা আনহু মালুহু ওয়ামা কাছাব। ছাইয়াছলা নারান জাতা লাহাবিউ ওয়ামরা আতুহু হাম্মালাতাল হাতাব। ফী জীদিহা হাবলুম মিম মাছাদ।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে, কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে। সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে এবং তার স্ত্রীও - যে ইন্ধন বহন করে,  তার গলদেশে হবে এক খর্জুরের রশি ।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সুরা কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)
বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম
কুল ইয়া আইউহাল কাফিরূন। লা আ'বুদু মাতাবুদুন। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মা আবুদ। ওয়া লা আনা আবিদুনা মা আবাদতুম। ওয়ালা আনতুম আবিদুনা মাআবুদ। লাকুম দীনুকুম ওয়ালীয়া দ্বীন।

অর্থ-পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
বলুন, হে কাফেরকূল, আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর। এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর। তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি। তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

http://i.imgur.com/xemkt.png http://i.imgur.com/xemkt.png

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (৩০-১২-২০১১ ১৮:১১)

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

সুন্দর একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ

পুরুষদের নামাজের পদ্ধতি পেলাম এখানে । এটা কি হানীফি মাযহাবের অনুসারীদের জন্য ?


সেলিম রাজ লিখেছেন:

জায়নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরুর পূর্বেই এই দোয়া পড়তে হয়,

এটা পড়া কি সুন্নত ?

সেলিম রাজ লিখেছেন:

দু'সিজদার মাঝখানে পড়ার দোয়াঃ

এটা কোন  মাযহাবের অনুসারীরা পরে ?

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সেলিম রাজ (৩১-১২-২০১১ ১০:৫২)

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

সুন্দর একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ

ধন্যবাদ ডেডু ভাইয়া  smile । এই টপিকে ইলিয়াস ভাইয়াকে পদধূলি দেবার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি। আশাকরি ডেডলক ভাইয়ার প্রশ্নের উত্তর ভাইয়া দিতে পারবেন.. ইনশাল্লাহ।

আপডেটঃ
- পোস্ট করা সূরা সমূহের অডিও শোনার ব্যবস্থা করতেছি। তা না হলে আরবি লিখার সঠিক উচ্চারণ বাংলা সমস্যা হতে পারে।

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

সুন্দর টপিকের জন্য প্রথমেই সেলিম রাজকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

সেলিম রাজ লিখেছেন:

পোস্ট করা সূরা সমূহের অডিও শোনার ব্যবস্থা করতেছি।

আরো ভাল হয়েছে।

সেলিম রাজ লিখেছেন:

তা না হলে আরবি লিখার সঠিক উচ্চারণ বাংলা সমস্যা হতে পারে।

আরবীর উচ্চারণ বাংলায় কখনো সঠিক হবে না। আরবীর উচ্চারণ আরবীতেই শিখতে হয় সেটা শুনে শুনে বা নিজে আরবী পড়তে শিখে নেয়া।

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

এটা কি হানীফি মাযহাবের অনুসারীদের জন্য ?

হানীফি মাযহাব কি?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (৩১-১২-২০১১ ১৬:২৩)

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

অভি আহমেদ লিখেছেন:

হানীফি মাযহাব কি?

সময়ের সাথে সাথে মুসলিমদের মাঝে ফিক্‌হের চারটি ধারা জন্ম নেয় এবং বিস্তার লাভ করে ৷ আজ পর্যন্ত ঐ চারটি মাযহাবের প্রচুর প্রভাব পরিলতি হয় ৷ আমাদের উপমহাদেশের মানুষ জন হনাফী মাযহাব কে অনুসরণ করে থাকে।

১) হনাফী মাযহাব - এই মাযহাবের সূত্রপাত ঘটে কুফায়, যেখানে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) এবং আলী ইবন আবু তালিব (রা.) এর মত সাহাবীরা বসবাস করতেন ৷ আবু হানিফা আল নু’মান ইবন সাবিতের (৮০ - ১৫০ হিজরী) নাম অনুসারে এই মাযহাব, হানাফী মাযহাব নামে পরিচিত ৷ ইসলামের ইতিহাসে তাঁকে সর্বকালের বৃহত্তম ফিক্‌হ শাস্ত্রবিদদের একজন বলে সবাই স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন ৷ আবু হানিফার সাথে তাঁর শিষ্য আবু ইউসুফ, মুহাম্মাদ আল হাসান এবং জাফর - এঁরা সবাই এই মাযহাবের গঠন ও বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখেন ৷ আধুনিক পাকিস্তান, ভারত, তুরস্ক, প্রাক্তন সাভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত মুসলিম রাষ্ট্রগুলো এবং পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে আজও হানাফী মাযহাব প্রাধান্য বিস্তার করে আছে ৷

২) মালিকী মাযহাব - এই মাযহাবের বিকাশ ঘটে নবীর (সা.) শহর মদীনায়, যেখানে তাঁর অনেক সাহাবী বসবাস করতেন ৷ এই মাযহাব মালিক বিন আনাসের (৯৫ - ১৭৯ হিজরী) নামানুসারে পরিচিত - যিনি হাদীসের একজন স্কলার ও ফিকাহশাস্ত্রবিদ ছিলেন ৷ এই মাযহাব দ্রুত উত্তর আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়ে যেখানে আজও এর প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়, উপরন্তু মুসলিম স্পেনেও এটাই ছিল প্রধান মাযহাব ৷

৩) শফিঈ মাযহাব- এই মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুহাম্মাদ ইবন ইদ্রিস আল শাফি'ঈ (১৫০ - ২০৪ হিজরী) - যাঁর নাম অনুসারে এই মাযহাবের নামকরণ হয়েছে ৷ মক্কার একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করা আল শাফি'ঈ মদীনায় গমন করেন ৷ তিনি ইরাকেও যান এবং আবু হানিফার ছাত্র মুহাম্মাদ আল হাসানের সাথেও কথাবার্তা বলেন ৷ উসূল আল ফিক্‌হ বা ইসলামী আইনতত্ত্বের উপরে প্রথম পুস্তকের সংকলন ইমাম শাফি‘ঈই করেছিলেন ৷ এটা একটা বিশাল কাজ ছিল এবং এতে ইসলামে সুন্নাহর কর্তৃত্ব ও মর্যাদা স্পষ্ট করে নির্দেশিত হয়েছে ৷ আজকের দিনে মিশর, সিরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য স্থানে শাফিঈ মাযহাবের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয় ৷

৪) হাম্বলী মাযহাব - আহমাদ বিন হাম্বলের (১৬৪ - ২৪১ হিজরী) নামানুসারে এই মাযহাব পরিচিত ৷ ইমাম আহমাদ ছিলেন হাদীসের এক বিশাল পন্ডিত ব্যক্তি ৷ মুসনাদ আহ্‌মাদ নামে এক বিশাল গ্রন্থের তিনি ছিলেন প্রণেতা ৷ ফিকাহের ব্যাপারে তিনি তাঁর শিক্ষক ইমাম আল-শাফি'ঈ কর্তৃক গভীরভাবে প্রভাবিত হন ৷ আজকের দিনের সৌদী আরবে, হাম্বলী মাযহাবই হচ্ছে প্রধান ৷

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

তাআ’উজঃ
উচ্চারণ- আউযুবিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম ।
অর্থ- বিতাশয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ।

এটা হবে বিতারিত শয়তান

@ ডেডু ভাই ,

এটা পড়া কি সুন্নত ?

জায়নামাজে দাড়িয়ে পড়া দু'আ ঐচ্ছিক। না পড়লে কোন সমস্যা বা গুনাহ হবে না।

এটা কোন  মাযহাবের অনুসারীরা পরে ?

এটা ইমাম শাফিঈ রাহমাতুল্লাহ মাযহাবের অনুসারীরা পড়ে থাকে।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

ধন্যবাদ কাতার ভাইয়া  smile

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

ভাল লাগল টপিকটি । ধন্যবাদ সেলিম ভাই

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১০

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

সবাইকে একটা বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে আরবীর উচ্ছারণ বাংলা হতে না শিখে সঠিক মাখরাজ এবং কায়দাতে আরবীতেই শিখে নিন, তা না হলে মারাত্বক ভুল হবে , যা সাওয়াব স্থলে গুনাহ হয়ে যাবে।
উদাহারন দেই
الْحَمْدُ للّهِ  এখানে ال এর পরে  ح থাকায় অর্থ দাড়াচ্ছে প্রসংশা আল্লাহর
এখন কেউ যদি ,
حএর স্থলে ه পড়ে তা উচ্ছারণ করে তাহলে এর মানে দাড়ালো الْهَمْدُ للّهِ অর্থাৎ ছেড়া আল্লাহর তাহলে এর মানে কি আর ঠিক থাকলো।
সুতরাং নিজের নামাজ কে হেফাজত করুন এমন না হয়ে যায় রোজ কিয়ামতে ময়দানে আল্লাহ তা'লা আমাদের সমস্ত নামাজ একত্রিত করে আমাদের মুখে ছুড়ে ফেলে দেন।
আল্লাহ তা'লা আমাদের সবাই কে সঠিক মাখরাজ এবং কায়দানুসারে কুরাআন পড়ার এবং তা দিয়ে নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

কাতার ভাইয়ার কথার ঠিকই। আরবী শিখা অনেক প্রয়োজন। আল্লাহ আমাকে আরবী শেখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

১২

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

সুন্দর টপিক

১৩

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

Xmusic লিখেছেন:

সুন্দর টপিক

ধন্যবাদ  smile

১৪

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

microqatar লিখেছেন:

সবাইকে একটা বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে আরবীর উচ্ছারণ বাংলা হতে না শিখে সঠিক মাখরাজ এবং কায়দাতে আরবীতেই শিখে নিন, তা না হলে মারাত্বক ভুল হবে , যা সাওয়াব স্থলে গুনাহ হয়ে যাবে।
..............................................
আল্লাহ তা'লা আমাদের সবাই কে সঠিক মাখরাজ এবং কায়দানুসারে কুরাআন পড়ার এবং তা দিয়ে নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন।

কাতার ভাইয়ের সাথে সম্পুর্ণ একমত।

১৫

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

অনেক ভালো লাগলো
জররি কিছু লিখা দেকে

১৬

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

saikat008 লিখেছেন:

অনেক ভালো লাগলো
জররি কিছু লিখা দেকে

ধন্যবাদ  smile

১৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মামুন.pb (১৭-০৭-২০১২ ১২:০৩)

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

আমি প্রায়ই পেপারে যহরের নামাজের সময় লেখা দেখি ১২:৩০ am.আমার কথা হলো আযান তো দিতে দেখি ১:০০pm এর সময়।তাহলে বিষয়টা কি?শুরু হয় কয়টাতে।আর একটা প্রশ্ন,যহরের সালাতের শেষ হওয়ার সময় কি আসরের সালাতের আগ পর্যন্ত?
তাহাজ্জুতের সালাতে কি আয়তুল কুরসি পরতে হয়?ঘড়ির সময় অনুসরে কখন শুরু হয় এটা?ফিকাহ শাস্ত্র কি?কিয়াস ও ইজমার মাধ্যমে সলিউসন দেয়ার নীতিমালাটাও জানতে চাই,কোরয়ান ও হাদীসের আলোকে।
কোরয়ান ও হাদীসের রেফারেন্সসহ উত্তর জানতে চাচ্ছি।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

১৮

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

mamunpb লিখেছেন:

আমি প্রায়ই পেপারে যহরের নামাজের সময় লেখা দেখি ১২:৩০ am.আমার কথা হলো আযান তো দিতে দেখি ১:০০pm এর সময়

আসলে ব্যাপারটা এমন যে ১২:৩০ টার সময় টাইম ঠিকই শুরু হয় এখন আপনি কয়টায় নামাজ আদায় করবেন কখন আজান দিবেন আপনার উপর নির্ভর করে। তবে ওয়াক্ত শুরু হওয়ার সাথে সাথে নামাজ আদায় করার উপর তাগিদ আছে, কেননা আগামি কয় সেকেন্ড বা কয় মিনিট আপনি বাঁচবেন তার কোন নিশ্চয়তা নেই। নামাজের সময় শুরু হয়ে গিয়েছে কিন্তু আপনি নামাজ আদায় করেননি এ সময় মৃত্যু হলে এক ওয়াক্ত নামাজ ক্বাজা হয়ে গেল।

mamunpb লিখেছেন:

আর একটা প্রশ্ন,যহরের সালাতের শেষ হওয়ার সময় কি আসরের সালাতের আগ পর্যন্ত?

জ্বী। নামাজের স্থায়ী সময় জানতে ভিজিট করুন।

mamunpb লিখেছেন:

তাহাজ্জুতের সালাতে কি আয়তুল কুরসি পরতে হয়?

পড়তেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা আছে বলে আমার জানা নেই। smile

১৯

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

ধন্যবাদ।যাক ব্যস্ততা থাকলে,সার বারোটা বা পৌনে একটার সময়েও সালাত আদায় করতে পারব।
তবে ঘড়ির সময় অনুযায়ি তাহাজ্জুতের সালাত কয়টাতে শুরু হয়।
আর একটা টপিক্স খোলার অনুরোধ করছি,"কিয়াছ ও ইজমা এবং ফতোয়া দেবার নিতীমালা",যাতে কোরয়ান এবং হদীসের পর্যপ্ত রেফারেন্স থাকবে।
ধন্যবাদ।

ওয়াসকর্ম ও ওয়াসকৃত মস্তিস্ক্য প্রতিটা দলের মাঝেই দেখা যায়।রাজনৈতিক দলীয় ফ্যন/মুরীদ মাত্রই ক্ষীনদৃষ্ট সম্পন্ন।দেশী,বিদেশী,খ্যাতমান বা অখ্যত যেমনই হোক,কপিক্যাটকে বর্জন করে নকলের অরিজিনালটা গ্রহন করে তাদের মেধা ও সাহস অনুপ্রনিত করি।

২০

Re: নামাজ শিক্ষা+ সহজেই শিখে নেওয়া যায় এমন কিছু সূরা (বাংলা তর্জমা সহ)

মামুন.pb লিখেছেন:

আর একটা টপিক্স খোলার অনুরোধ করছি,"কিয়াছ ও ইজমা এবং ফতোয়া দেবার নিতীমালা",যাতে কোরয়ান এবং হদীসের পর্যপ্ত রেফারেন্স থাকবে।

এ ধরণের টপিক খোলার জন্য কোরআন হাদিসের যতটা জ্ঞান থাকা দরকার ততটা জ্ঞান আমার মাঝে নেই ভাই। sad