সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৫-১২-২০১১ ০১:১৯)

টপিকঃ আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

পূর্বেঃ আমার আরব আমিরাত সফর-পর্ব ৮

আবার আসিলাম ফিরে, বুড়িগংগার তীরে। এই ঢাকায়......ঃ 
দেখতে দেখতে আমার ফিরে আসার দিন ঘনিয়ে আসলো। তবে আমার জান হিম করা তীব্র প্রতিবাদের মুখে আমার শ্বশুর বাধ্য হয়ে আমাকে এয়ার অ্যারাবিয়ার বাস সার্ভিসে এয়ারপোর্টে যেতে দিতে সম্মত হলেন। এতে করে রেন্ট-এ-কার ড্রাইভারের ভয়াবহ বার্নাউট টাইপ ড্রাইভিং এর হাত থেকে বেচে গিয়েছিলাম। আমার বৌ, শ্বশুর,শ্বাশুরী, শালা সবাই এয়ারলাইনের বাস কাউন্টারে আসলো বিদায় দিতে। এই সময় আমি ক্যামেরার যে বিশেষ ক্ষমতা আছে সেটা নতুন করে উপলব্ধি করলাম। আমার বৌ আর শ্বাশুরী আমার বিদায়ের দুঃখে দেখি সেই লেভেলের হাইপার কান্নাকাটি শুরু করেছে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে। কি করা যায় ভাবতে ভাবতে আমি ততক্ষণাত পকেট থেকে মোবাইল বের করে ছবি তোলা শুরু করলাম , আর দেখলাম ভোজবাজির মত কান্না গায়েব হয়ে সেই জায়গায় দন্ত বিকশিত হাসি শোভা পাচ্ছে।

খুব আরামে আবুধাবি থেকে সারজা এয়ারপোর্টে আসলাম। ড্রাইভারের অতি সেভ ড্রাইভিং এর বদৌলতে পৌনে তিন ঘন্টার মধ্যে এয়ারপোর্টে পৌছে গেলাম। পথের বনর্না দেয়ার মত কিছু নাই। ঐ একই মরুভুমি আর ধু ধু প্রান্তর। বাসস্টপে এক প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকের সাথে পরিচয় হলো। জয়নাল ভাই। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে ওনার বাড়ি সিলেটে, আর থাকেন আমার ইউনিভার্সিটির ঠিক পিছনের রাস্তায়। ওনার মোবাইলের কল্যাণে বাসায় জানিয়ে দিলাম যে আমি সহিসালামত এয়ারপোর্টে পৌছে গিয়েছি। এয়ারপোর্টে ঢুকে কাস্টমসে যাওয়ার আগের প্রথম চেকিং এ জীবনে প্রথমবারের মত পাবলিক প্লেসে বেল্ট খুললাম। শালার কি বেইজ্জতি!! পারলে ব্যাটারা প্যান্ট খুইলা চেক করে। টিকেট আর লাগেজর ওজন মাপার জায়গায় গিয়ে দেখলাম দুইটা সেগমেন্ট। প্রতি সেগমেন্টে ছয়টা করে বুথ। আমি দ্বিতীয় সেগমেন্টের প্রথম বুথে গেলাম। দেখলাম স্পাইক মারা চুলের এক অল্পবয়সী চ্যাংড়া অফিসার বসে আছে। চেহারা দেখে মনে হলো ইউরোপিয়ান। আমাকে দেখে বললো,
-    হ্যালো।
-    হাই।
-    সো, হোয়াই দিদ ইউ কাম ক্ষিয়ার ?
মনে মনে ভাবলাম, ব্যাটা দিলিতো নিজের ইজ্জত মাইরা। মুখ যতক্ষণ বন্ধ আছিলো ভালোই আছিলি। কি সুন্দর অরিজিনাল বিদেশি বিদেশি লাগতাছিলো।
-    আই কেম হিয়ার টু ভিজিট মাই ইনলস।
-    হোয়াত?
-    ইনলস।
-    সরি। আই কান্ত আন্দারস্ত্যান্দ ইউ।
-    ইনলস। লাইক ফাদার-ইন-ল, মাদার-ইন-ল। ইউ নো?
-    ওওওও। আই সি। দোন্ত মাইন্দ, বাত ক্যান আই তেল ইউ সামথিং?
-    ইয়া। সিউর।
-    বিলিভ মি মাই ফ্রেন্দ, আই উদ নেভার দু দ্যাত ইফ আই ওয়্যার ইউ।     
-    হোয়াই? ইটস গুড, ইসেন্ট ইট? ভিজিটিং ইউর ইনলস, গেট টু নো ইচ আদার ওয়েল। ইটস লাইক আ কালচার। অ্যান্ড আই থিঙ্ক ইটস আ গুড থিং টু ডু।
-    ইয়া ইয়া , আই নো মাই ফ্রেন্দ। বাত, ওয়ান থিং ইস ফর সিউর, আই উদ নেভার দু দ্যাত ইফ আই ওয়্যার ইউ।
-    বাট হোয়াই?
-    আই দোন্ত নো। মেবি আই অ্যাম নত স্ট্রং লাইক ইউ (হেভি খুশি হইছিলাম এই কথাডা শুইনা) । এ্যানিওয়েজ, ইউ হ্যাভ তু কেজিস এক্সত্রা। বাত দোন্ত ইউ ওয়ারী মাই ফ্রেন্দ। ইতস নত আ প্রবলেম অ্যাস ইউ কেম ক্ষীয়ার ফর দ্যা ফার্স্ত তাইম। অ্যান্দ আই উইল গিভ ইউ ভেরী নাইস সিত মাই ফ্রেন্দ। তেক এ-ওয়ান,  ফার্স্ত রো সিত বিসাইদ উইন্দো।
-    হ, রাইতের বেলা চান্দ দেখতে দেখতে যামুতো হালা ফাউল।
-    সরি?
-    নো নো। আই জাস্ট সেড, থ্যাঙ্কু ভেরী মাচ ম্যান। রিয়েলী এপ্রিশিয়েট দ্যাট।

আমার ফ্লাইট ছিলো রাত দুইটায়। সব ফর্মালিটিস শেষ করে দেখি তখন বাকে মাত্র রাত দশটা। হাতে আরো চার ঘন্টা সময়। ভাগ্য ভালো সাথে পিএসপিটা এনেছিলাম। ভালোই টাইম পাস হলো। এর মধ্যে আবার সাথে থাকা বৌয়ের দেয়া খাবারগুলো এক আইস্ক্রীমের দোকান (লন্ডন ডেইরী) থেকে গরম করে নিলাম। অবশ্য কিঞ্চিত ঝামেলা হয়েছিলো এটা করতে। দোকানীরে যতই বুঝাই যে, ভাইরে আইস্ক্রীমের দোকান হইলেও তোর এইহানে একখান ওভেন আছে। খাবারগুলান একটু গরম কইরা দে। ব্যাটা সমানে মাথা নাড়ে আর কয়,
-    নো নো। আই কান্ত কিপ ইউর ফুদ হীয়ার।
-    আবে বুরবক, তোরে খাবার রাখতে কইছে ক্যাডা?
-    হোয়াত?
-    নো নো, আই জাস্ট নিড ইউ টু মেক মাই ফুড হট। আই ডোন্ট ওয়ানা কিপ ইট ইন ইউর শপ।
-    ওহ অকে। আই ক্যান দু দ্যাত।
বুঝলাম না। ব্যাটার কি র্যাম কম, নাকি আমার উচ্চারণ খারাপ। কারণ প্রথমবারও শেষের কথাগুলোই বলেছিলাম।

অবশেষে আমার ফ্লাইটের সময় হলো। প্লেনে উঠে আমার সিটে গিয়ে দেখি আমার সিটে এক ফইচকা টাইপ চ্যাংড়া বসে আছে। আমি বললাম,
-    এইটা মনেহয় আমার সিট। 
-    (মুখে মিচকা হাসি) রাইতের বেলা বাইরে দেহনেরতো কিছু নাই ভাই। মাঝের সিটে বসেন।
-     (মেজাজ চরম খারাপ হলো) জ্বী, দেখার আছে। আমি অন্ধকারে দেখতে পারি। আপনি আপনার সিটে যান।
-    চেতলেন নাকি ভাইজান। অসুবিধা নাই। বহেন এইহানে। আমি আমার সিটে যাইতাছি।
টেকঅফের আগে আগে সবাইকে যখন এয়ারহোস্টেসরা মোবাইল বন্ধ করার কথা বলছে দেখি ব্যাটার মোবাইলে সমানে কল আসছে। রিংটোনতো এটলিস্ট বন্ধ রাখবি, তাও না। দেখি ব্যাটার ঘাড়ের কাছে এসে এয়ারহোস্টেস রীতিমত চিলাচ্ছে , আর ব্যাটাও দেখি ক্যালানী হাসি দিতে দিতে কথা বলে যাচ্ছে। পরে দুই পুরুষ এয়ারহোস্টেস এসে পরিস্থিতি সামাল দিলো। টেকঅফের পরে এয়ারহোস্টেসকে দিয়ে আমি আবার খাবার গরম করায় নিলাম। ভাবলাম খেয়েদেয়ে দিবো এক ঘুম। সেই আশায় গুড়ে বালি। আমার পাশে ফইচকা দেখি সমানে বকরবকর করে যাচ্ছে, অকারণে এয়ারহোস্টেসকে ডাকছে, ভাংগা ভাংগা হিন্দীতে কথা বলার চেষ্টা করছে, একবার নিচু হয়ে ব্যাগ খুলছে আর মাঝে মাঝে তার কনুই দিয়ে আমার পাজরে গুতা মারছে। এমন পেইনের কারণে আমার ঘুম হারাম হয়ে গেলো। মনে হচ্ছিলো ব্যাটাকে লাত্থি মেরে প্যারাসুট ছাড়া প্লেন থেকে ফেলায় দেই। অবশ্য তা আর করা লাগলো না। দেখলাম যে ব্যাটা একবার হাচি দিলো, আর তারপর ওর দিকের এসির ভেন্ট বন্ধ করে দিলো। আর যাবে কোথায়? আমি আমার এসির ভেন্ট পুরো খুলে দিলাম। একটু পরেই এফেক্ট শুরু। কিছুক্ষণ পরপর হাচি দেয়া শুরু করলো। পুরোপুরি হাচি দিতে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ায় ব্যাটার বিরক্তিকর বকরবকর আর আধাভাংগা হিন্দীতে এয়ারহোস্টেসের সাথে ফ্লার্টিং এর হাত থেকে বেচে গেলাম। 

দেখতে দেখতে ভোর হয়ে গেলো। দিগন্ত রেখা আস্তে আস্তে লালচে হয়ে ওঠার অপরূপ দৃশ্য ছাড়া রাতের ফ্লাইটে দেখার মত আর কিছু পেলাম না। ঢাকায় ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্টে ঢুকে মনে হলো যেন, বিল্লী থেকে শের বনে গেলাম। এয়ারপোর্টের গৃহপালিত মশারগুলোর কামড়ও বেশ মধুর মনে হলো। বাইরে আমার মিয়াভাইয়ের থাকার কথা আমাকে রিসিভ করার জন্য। মোবাইল বের করে অন করতে গিয়ে দেখি অন হয় না। ব্যাটারী পুরোপুরি ডিসচার্জড। কোন টেনশনই হলো না। বাইরে বের হয়ে এক রেন্ট-এ-কারের এজেন্টের কাছ থেকে মোবাইল ধার করে ভাইয়াকে কল দিলাম। একটু পরে ভাইয়া সিএনজি নিয়ে হাজির। সিএনজি চেপে বাসার পথে ছুট লাগালাম। মনে হচ্ছিলো, আহারে, কতদিন পরে বাসায় ফিরছি। হোম সুইট হোম।
(সমাপ্ত)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

ভালা হইসে!
প্লাস!  big_smile

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

shitol69 লিখেছেন:

ভালা হইসে!
প্লাস!  big_smile

ধইন্যবাদ  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

বরাবরের মতই উপভোগ্য।

জাগরণে যায় বিভাবরী ...

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

নাকিব লিখেছেন:

বরাবরের মতই উপভোগ্য।

বরাবরের মত আপনাকে পড়ার জন্য ধন্যবাদ  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

গেলেন দুইজনে, আসলেন একা ??? আমি হইলে যাইতাম একা আসতাম একাধিক হয়ে  tongue
খুব মজা পেয়েছি এই সিরিজ টা পড়ে। অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দিয়েছেন, তাই অসংখ্য ধন্যবাদ। দোয়া করি, আপনি আরো বেড়ানোর সুযোগ পান আর আমাদের এমন আরো সিরিজ দেন। hug

স্রোতের বিপরীতে উদ্যত!

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

মজা পাইছি, ঐ ব্যাটা রাশান মনে হয় স্টিল ইউরোপিয়ান  thinking

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

আরে শেষ নাকি  surprised কি বলেন ভাই  sad

তবে সত্যিই চমৎকার একটা সিরিজ ছিলো।  thumbs_up এবারের লেখাও চমৎকার। তাই....  hehe hehe hehe

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

ধুর ! sad শেষ কইরা দিলেন, আপনার চোখে ইউ ই এ দেখতে ভালই মজা পাচ্ছিলাম।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

আপনার সামনের ভ্রমণ কাহিনীর অপেক্ষায় থাকলাম। আশা করি সামনের বারে আমাদের কথা মাথায় রেখে আরো সুন্দর সুন্দর ছবি তুলবেন।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাসুদ৩০১১ (১৫-১২-২০১১ ১৮:২০)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

কথপোকখন  thumbs_up

দ্যা_থটমেকার লিখেছেন:

গেলেন দুইজনে, আসলেন একা ???

আসলেই তাই নাকি ?

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।

১২

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

দ্যা_থটমেকার লিখেছেন:

গেলেন দুইজনে, আসলেন একা ??? আমি হইলে যাইতাম একা আসতাম একাধিক হয়ে  tongue
খুব মজা পেয়েছি এই সিরিজ টা পড়ে। অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দিয়েছেন, তাই অসংখ্য ধন্যবাদ। দোয়া করি, আপনি আরো বেড়ানোর সুযোগ পান আর আমাদের এমন আরো সিরিজ দেন। hug

অনেক ধন্যবাদ। আমিও খুশ আপনাদের জানাতে পেরে । অতি শীঘ্রই বেড়ানোর সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ হলে সে ব্যাপারে লিখবো ইনশাল্লাহ। আর আমার স্ত্রী, আমি দেশে আসার সপ্তাহ দুয়েক পরে ফেরত এসেছিলো।

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

মজা পাইছি, ঐ ব্যাটা রাশান মনে হয় স্টিল ইউরোপিয়ান  thinking


রাশান না, আরবী আছিলো। তবে গেটাপ-সেটাপ ইউরোপিয়ান স্টাইলের ছিলো। আর সিরিজ জুড়ে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

microqatar লিখেছেন:

ধুর ! sad শেষ কইরা দিলেন, আপনার চোখে ইউ ই এ দেখতে ভালই মজা পাচ্ছিলাম।


হমম। শেষ করলাম। তবে কোন কোন ঘটনা হয়তো বিক্ষিপ্তভাবে আলাদা পোস্টে উঠে আসবে ভবিষ্যতে, যেমন সিনেমা দেখার গল্প, কর্নিশে সাইক্লিং করার কাহিনী, এইগুলাতো বলা হয় নাই এখনো  big_smile  সিরিজ জুড়ে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

আপনার সামনের ভ্রমণ কাহিনীর অপেক্ষায় থাকলাম। আশা করি সামনের বারে আমাদের কথা মাথায় রেখে আরো সুন্দর সুন্দর ছবি তুলবেন।

সাথে ক্যামেরা ছিলো না আসার সময়। গেম খেলতে খেলতে টাইম পাস করেছিলাম, ফলে মোবাইলের ক্যামেরাতেও তেমন একটা ছবি তুলি নাই আসার সময়।  সিরিজ জুড়ে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

আরণ্যক লিখেছেন:

আরে শেষ নাকি  surprised কি বলেন ভাই  sad

তবে সত্যিই চমৎকার একটা সিরিজ ছিলো।  thumbs_up এবারের লেখাও চমৎকার। তাই....  hehe hehe hehe


অনেক অনেক ধন্যবাদ। স্পেশাল ধন্যবাদ আপনার স্পেশাল হাসিখানার জন্য  hehe

masud3011 লিখেছেন:

কথপোকখন  thumbs_up
দ্যা_থটমেকার লিখেছেন:

    গেলেন দুইজনে, আসলেন একা ???

আসলেই তাই নাকি ?

ধন্যবাদ মাসুদ ভাই। কোট করা অংশের উত্তর নিশ্চয় পেয়ে গেছেন এতক্ষণে। সিরিজ জুড়ে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৩

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

thumbs_up খুব ভাল লেগেছে পুরো ভ্রমন কাহিনী। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

আরণ্যক লিখেছেন:

আরে শেষ নাকি  surprised কি বলেন ভাই  sad

ভালই লাগছিল নিয়মিত পর্বগুলি পড়তে। শেষ হওয়াতে..... sad

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

আশা করি সামনের বারে আমাদের কথা মাথায় রেখে আরো সুন্দর সুন্দর ছবি তুলবেন।

আমারও একই চাওয়া। smile

১৪

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

শান্ত বালক লিখেছেন:

thumbs_up খুব ভাল লেগেছে পুরো ভ্রমন কাহিনী। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

সাথে থাকার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আসিফ ভাই।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৫

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

আহারে, শেষ হইইয়া গেলো...
যাই হোক, এরকম চমৎকার একটা সিরিজ লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

১৬

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

faysal_2020 লিখেছেন:

আহারে, শেষ হইইয়া গেলো...
যাই হোক, এরকম চমৎকার একটা সিরিজ লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

সিরিজ জুড়ে আপনাদের নিরবিচ্ছিন্ন উদ্দীপণা, আগ্রহ এবং উতসাহের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৭

Re: আমার আরব আমিরাত সফর-শেষ পর্ব

Pura amirat soforer jonno ekta honor e to jothesto, naki proti porbe lagbe?  big_smile big_smile

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত