টপিকঃ ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এলো। জেঁকে বসা শীতের স্বল্পায়ু দিন বাসে বসে থাকতে থাকতেই অক্কা পেয়ে গেলো। হাত ঘড়িটায় সময় দেখলাম – সবে মাত্র ৪ টা বেজে ২০ মিনিট। এর কোনো মানে হয়? দিন শুরু হতে না হতেই শেষ। আর এই বিরক্তিটা যে কারো সাথে শেয়ার করবো – এমন একটা মানুষও পাশে নেই। পুরো বাসটিতে হোঁৎকা বুলডগ চেহারার ড্রাইভারটি ছাড়া আমার আর কোনো সঙ্গী নেই যে। এমন ভাবতে ভাবতেই ঘ্যাঁস করে বাসটা থেমে গেলো। মনের ভুলে কিনা জানি না নেমে পড়লাম। আর কী আশ্চর্য বাসটাও দ্রুত কেটে পড়ল – যেন পড়িমড়ি করে পালিয়ে বাঁচল! ঠিক তখনিই মনে হলো – আরে, এ কোথায় নামিয়ে দিলো? আমি যে বেল ই চাপিনি! এ যে একদম অদ্ভুত ঠেকছে।

   পুরো স্টপে আমিই একমাত্র প্রাণী – আপন নির্বুদ্ধিতায় হতভম্ভ হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। সূর্য ডুবে গেছে; গোধূলির কমলাটে ম্লাণ আলো দীর্ঘকায় গাছগুলির ন্যাড়া মাথায় বিষন্ন হয়ে বসে আছে। আশেপাশে যতদূর চোখ যায় কেবল দিগন্ত বিস্তৃত পতিত ভূমি আর এলোপাথারি বনজংগল। তার মাঝ দিয়ে একাকী গড়িয়ে চলা একমাত্র হাইওয়েটির ততোধিক নিঃসঙ্গ একটা স্টপে আমি নিদারুন উদ্বেগে পড়লাম। কী নাম জায়গাটার? সাইনবোর্ডটিতে নাম দেখতে গিয়ে এই উদ্বেগের মধ্যেও একটু হাসি পেয়ে গেলো – কে যেন নামের জায়গাটা ঘষে তুলে একটা স্টাইলাস মধ্য আঙ্গুলের ছবি এঁকে রেখেছে। তা আঁকিয়ের আর দোষ কী? জায়গাটা ঐ রকমই – একেবারে শুনশান গডফারসেইকেন – ভয়ংকর রকমের কোলাহলশূন্য।

   সে যাই হোক, সেখানে তো আর সং এর মত দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। পরের বাসটা কখন আসবে, আদৌ আসবে কিনা সে সন্দেহও হতে লাগলো। এই সব গ্রাম এলাকায় সার্ভিস সাধারণতঃ খুবই অনিয়মিত থাকে। কে জানে এটাই হয়তো শেষ বাস ছিলো।

   নিজের উপর একটু রাগ হতে থাকে। কী দরকার ছিলো বাবা ঝোঁকের মাথায় এমন নিরুদ্দেশে বেড়িয়ে পড়ার? সাত সকালে উঠেই আমার প্রবল সন্দেহপরায়ন স্ত্রী লুবনা মেজাজটাই খারাপ করে দিলো। খুবই জঘণ্য দোষারোপ - গতরাত্রের পার্টিতে নাকি আমি চোরাচোখে মিসেস আহমাদ কে গিলে খাচ্ছিলাম? আহ, খোদা এটা শোনার আগে আমায় তুলে নিলে না কেন? ক্ষোভে, দুঃখে বাকহারা হয়ে গেলাম। আমি সেজান কবির – একজন আগাগোড়া নিপাট ভদ্রলোক – এই কাজ কোনোভাবেই করতে পারি না। আমার স্ত্রীও হয়তো সেটা মানে, কিন্তু আমাকে আঘাত করে কী যে সুখ পায়, সে –ই জানে। সে আপাতত মৌনতা ব্রত নিয়েছে। ভাব-ভঙ্গীতে বোঝা যাচ্ছে কমপক্ষে সাতদিনের আগে এই মেঘ কাটবার নয়! সব পরিকল্পনাই গেলো ভেস্তে। অতি কষ্টে দিন তিনেকের ছুটি যোগাড় করতে পেরেছিলাম। উদ্দেশ্যঃ দূরে কোথাও গিয়ে চুটিয়ে প্রেম করা – দাম্পত্য একঘেঁয়েমিতে যেটা কেমন একটা ম্রিয়মান হয়ে যাচ্ছিলো। সে আশার গুঁড়ে বালি পড়ে গেলো। মনটা এমন বিষিয়ে গেলো, সে আর বলার মত না। ঠিক তখনিই সৈকতের কথা মনে পড়ে গেলো। হতচ্ছাড়াটা কোনো এক প্রত্যন্ত গ্রামে কী করে জানি একটা মধ্যযুগীয় পোড়ো বাড়ি জলের দরে কিনে ফেলেছে। ক’দিন ধরেই বলছে বেরিয়ে যাবার জন্য। যাব, যাই করে আর যাওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু এখন মনস্থির করে ফেললো। লুবনার নন-ভারবাল মোড দেখার চাইতে সৈকতকে হঠাত গিয়ে চমকে দেয়াটাই বেশি আকর্ষনীয় মনে হতে থাকলো।

   বেশি ভাবাভাবিতে কাজ নাই। ঝটপট ব্যাগ গুছিয়ে খশখশ করে একখানা চিরকুটে কোথায় যাচ্ছে সংক্ষেপে জানিয়ে ফ্রিজ ম্যাগ্নেট দিয়ে সেঁটে রেখে বেরিয়ে পড়লাম। যাবার সময় দেখলাম বেডরুমের জানালাটাতে অবাক চোখের কোণে দেখছে লুবনা। সেদিকে তাকিয়ে শূন্যে একটা চুম্বন ছুঁড়ে দিয়ে হাসতে হাসতে চলে গেলাম। মনে বেশ একটা প্রশান্তির ভাব। এখন বুঝুক অন্যায় অভিমানের সাজা কেমন হয় – তিনটা দিন থাকো একা একা। হা হা হা।

   সকালের সেই পুলকিত ভাবটা এখনকার এই বিশ্রী জায়গাটায় এসে ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে। তাড়াহুড়োয় ঠিকানাটা সেভাবে বিস্তারিত দেখা হয়ে উঠেনি। এখন কোথায় আছে সেটা কীভাবে ঠাহর করে? সৈকত কে ফোন দেব? নাহ, তাহলে তো সারপ্রাইজটাই মাটি হয়ে যাবে। হঠাত মনে পড়লো – আরে, গুগল ম্যাপ আছে কী করতে? মুঠোফোনটা খুলে দ্রুত হাতে ঠিকানাটা প্রবেশ করিয়ে দেখতে পেলো মোবাইল নেটওয়র্কের তেজ সর্বকনিষ্ঠ দাগখানায় হুমড়ি খেয়ে পড়তে চাইছে। এ কী বিড়ম্বনা? কিন্তু শেষ রক্ষা হলো এক প্রকারে। জিপিএস নেভিগেইশন যা দেখাচ্ছে তাতে বোঝা গেলোঃ সে গন্তব্য থেকে খুব একটা দূরে নেই। মিনিট বিশ/পঁচিশের হাঁটা হবে বড় জোর। কিন্তু একটা হাল্কা সমস্যা – অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে জংগলের ভেতর দিয়েই যেতে হবে। হাইওয়ের পাশে আবছামত পায়ে চলার একটা পথও দেখা যাচ্ছে। ততক্ষণে পুরো অন্ধকার হয়ে এসেছে প্রায়। দিক ঠিক করে হাঁটা শুরু করলাম।

   ভীতু আমি কোনোকালেই ছিলাম না। কিন্তু সেদিনের সেই টুটিচেপা অন্ধকারে সাহস একটু একটু করে কি নিভে যাচ্ছিলো? একাকী বনপথ – সারি সারি গাছেরা কী একটা গোপন কথা বুকে চাপা রেখে যেনো গম্ভীর তির্যক চোখে আমায় মাপছিলো। শুকনো পাতা মাড়ানো নিজ পায়ের শব্দ ছাড়া আর কোনো কোনো সাড়া নেই কোথাও। কেমন একটা অস্বস্তিকর নিশুতির নীরবতা! হচ্ছেটা কী? এখন তো সবে সন্ধ্যা?

   ঐ প্রবোধে কাজ হলো না। কে যেনো ঠিক মাথার ভেতর থেকে বলে উঠলো, - ও পথে আর পা বাড়াস না, ভালোয় ভালোয় যে পথে এসেছিস সে পথেই ফিরে যা। ওতেই মঙ্গল। কিন্তু আমার একগুয়েমির আঁতে ঘা লেগে গেলো। মোটে তো আর এটুকুন পথ। অমূলক ভয়ে বাল্যবন্ধুর সাথে দেখা না করেই ফিরে যাবে? ছি! তাছাড়া ফিরে যাওয়াটাও আর সহজে হচ্ছে না।

  তখন কে জানত কীসের দুর্বার আকর্ষণে উদ্ভ্রান্তের মত ছুটতে শুরু করেছি আমি সেজান কবির। কেমন অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড ওঁত পেতে অপেক্ষার প্রহর গুনছে মাইলটাক দূরের সেই ম্যানর হাউসে।

চলবে...

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

চমতকার একটি পর্ব শুরুর জন্য ধন্যবাদ উদাসীনদা। তবে এ গল্পটা লিখার ষ্টাইল আপনার অন্য সব গল্পের চেয়ে আলাদা বলে মনে হলো। মনে হলো এটা উদাসীন'দা লিখেননি। তবে অন্য গল্পের চেয়ে এ গল্পটা অনেক সহজবোধ্য হয়েছে।  thumbs_up

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

চমৎকার গল্প। ভাল লাগছে। উদাসীন ভাইকে ধন্যবাদ।

ইলিয়াস লিখেছেন:

তবে এ গল্পটা লিখার ষ্টাইল আপনার অন্য সব গল্পের চেয়ে আলাদা বলে মনে হলো। মনে হলো এটা উদাসীন'দা লিখেননি। তবে অন্য গল্পের চেয়ে এ গল্পটা অনেক সহজবোধ্য হয়েছে।

ডেডলক ভাইয়ের সেই হিডেন ট্রিকস টপিকের প্রভাবে হয়তো... tongue

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

ওরে কে কোতায় আচিস, আমার আশপাশে থাক, আমার ডর লাগতাছে রে, বাচাও  crying crying crying

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

একেবারে মনে হচ্ছে বাইরের লেখকের লেখা পড়ছি  thumbs_up । চালিয়ে যান।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

খুব খুব খুউব ই ভাল লাগল উদাসীন ভাইয়া ।

রাইতে একলা একলা একলা এমন নিরবতায় আমি মরেই যাবো ।

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

অ্যাডভেঞ্চার টাইপের গল্পের আমি ভয়ানক ভক্ত। হয়ত নিজের জীবনটা নিস্তরঙ্গ বলেই। ফোরামে ঢুকেই গল্পের শিরোনাম দেখে পছন্দের তালিকায় নিলাম। দারুণ লাগছে পড়তে। clap clap clap পরের পর্বের অপেক্ষায়...

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

প্রথমবারের মতন হরর এটেম্পট? দেখা যাক কি হয়...

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

উদাসীন লিখেছেন:

আমি চোরাচোখে মিসেস আহমাদ কে গিলে খাচ্ছিলাম?

lol2 lol2 বিয়া করতে মুঞ্চায়  ghusi , তবে আপনার অভিজ্ঞতা আছে বেশ বুঝা যাইতেচে  hehe   (মাখাএন)

জুটিল ইস্টারট , তবে আমি বেশি দূর পরুম বলে মনে হয় না , কারণ ভয় খাইতে পারি , যেমনে লিখছেন ভয় খামু নিচ্চিত  cry কয়দিন আগে আমি একটা স্টার্ট করছিলাম প্রিয়তমেসু এই ধরনের লিখব বলে , দেখি সেকেন্ড পার্ট লিখা দিমু , আপনে আমাকে বের অনুপ্রানিত কইচ্ছেন  thumbs_up





.

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

আমার মতো পাঠকের জন্যে পারফেক্ট খাদ্য... সেরকম লাগলো ভাইয়া, প্লিজ প্রসিড টু নেক্সট এসাপ!!!  big_smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

হুম, উদাসীন ভাইয়ের কোন গল্পে মনে হয় প্রথম কমেন্ট করতেছি, রোমান্টিক জিনিসপাতি হজম করতে পারিনা ঠিকমত, তবে এটা ভালোই লাগলো। একেবারে মোক্ষম স্টার্ট নিয়েছে, দেখা যাক এরপর কি হয়।

অটঃ কিরাম জানি সেবা প্রকাশনীর গন্ধ পাচ্ছি sad sad

সারিম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

সারিম লিখেছেন:

অটঃ কিরাম জানি সেবা প্রকাশনীর গন্ধ পাচ্ছি sad sad

সেবা প্রকাশনীর গন্ধ কই পাইলা? আমি তো উদাসীনীয় স্টাইলই দেখতে পাচ্ছি।

১৩

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

ইলিয়াস লিখেছেন:

চমতকার একটি পর্ব শুরুর জন্য ধন্যবাদ উদাসীনদা। তবে এ গল্পটা লিখার ষ্টাইল আপনার অন্য সব গল্পের চেয়ে আলাদা বলে মনে হলো। মনে হলো এটা উদাসীন'দা লিখেননি। তবে অন্য গল্পের চেয়ে এ গল্পটা অনেক সহজবোধ্য হয়েছে।  thumbs_up

ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই। হ্যাঁ, এটা একটু ভিন্নভাবে লিখতে চেয়েছিলাম..জানিনা পারব কিনা?

শান্ত বালক লিখেছেন:


ডেডলক ভাইয়ের সেই হিডেন ট্রিকস টপিকের প্রভাবে হয়তো... tongue

নাহ, সেটা নয়। হা হা হা

স্বপ্নীল লিখেছেন:

ওরে কে কোতায় আচিস, আমার আশপাশে থাক, আমার ডর লাগতাছে রে, বাচাও  crying crying crying

হা হা স্বপ্নীল, ডরের অংশ তো শুরুই করি নি!

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

খুব খুব খুউব ই ভাল লাগল উদাসীন ভাইয়া ।
রাইতে একলা একলা একলা এমন নিরবতায় আমি মরেই যাবো ।

ধন্যবাদ ছবি আপা।

হৃদয় লিখেছেন:

অ্যাডভেঞ্চার টাইপের গল্পের আমি ভয়ানক ভক্ত। হয়ত নিজের জীবনটা নিস্তরঙ্গ বলেই। ফোরামে ঢুকেই গল্পের শিরোনাম দেখে পছন্দের তালিকায় নিলাম। দারুণ লাগছে পড়তে। clap clap clap পরের পর্বের অপেক্ষায়...

অসংখ্য ধন্যবাদ হৃদয়দা। মনে হচ্ছে আমি আর একজন পাঠক পেলাম hug

ফারহান খান লিখেছেন:
উদাসীন লিখেছেন:

আমি চোরাচোখে মিসেস আহমাদ কে গিলে খাচ্ছিলাম?

lol2 lol2 বিয়া করতে মুঞ্চায়  ghusi , তবে আপনার অভিজ্ঞতা আছে বেশ বুঝা যাইতেচে  hehe   (মাখাএন)

খিক খিক খিক্কক্ক। খুব খারাপ কথা ভাইচা shame আমার কোনো ইয়ে নাই হে!

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

আমার মতো পাঠকের জন্যে পারফেক্ট খাদ্য... সেরকম লাগলো ভাইয়া, প্লিজ প্রসিড টু নেক্সট এসাপ!!!  big_smile

অবশ্যই মুজতবা। দ্রুত নামিয়ে ফেলার চেষ্টা করব।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

প্রথমবারের মতন হরর এটেম্পট? দেখা যাক কি হয়...

কাউয়া ভাই, একটু পরিবর্তনের আশায় এই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলাম blushing

সারিম লিখেছেন:

হুম, উদাসীন ভাইয়ের কোন গল্পে মনে হয় প্রথম কমেন্ট করতেছি, রোমান্টিক জিনিসপাতি হজম করতে পারিনা ঠিকমত, তবে এটা ভালোই লাগলো। একেবারে মোক্ষম স্টার্ট নিয়েছে, দেখা যাক এরপর কি হয়।

অটঃ কিরাম জানি সেবা প্রকাশনীর গন্ধ পাচ্ছি sad sad

হুম ধন্যবাদ সারিম তোমাকে। নতুন পাঠক hug
সেবা প্রকাশনীর গন্ধ confused ও বুঝতে পেরেছি - সেবার অনুবাদ সাহিত্যগুলোর পটভূমি বেশিরভাগই বিদেশের মাটিতে থাকে। আমার এই গল্পের পটও কিন্তু বিদেশ। আর আমার বলার ধরণও আলাদা, তাই না? হা হা হা

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

একেবারে মনে হচ্ছে বাইরের লেখকের লেখা পড়ছি  thumbs_up । চালিয়ে যান।

আরে আমিতো বাইরেই থাকি। বেশ কিছুদিন থাকার জন্য মনে হয় কথাবার্তা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে।

আর এটা আমার ২০০০ তম পোস্ট। আমি ২০০০ টা পোস্ট করতে যাচ্ছি এটা বিশ্বাস করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে  surprised smile

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

উদাসীন লিখেছেন:

আর এটা আমার ২০০০ তম পোস্ট।

অভিনন্দন উদাসীন'দা।

১৫

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

ইলিয়াস লিখেছেন:
উদাসীন লিখেছেন:

আর এটা আমার ২০০০ তম পোস্ট।

অভিনন্দন উদাসীন'দা।


অভিনন্দুন ভাইচা  hug

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

উদাসীন লিখেছেন:

আর এটা আমার ২০০০ তম পোস্ট।

অভিনন্দন উদাসীন ভাইকে

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

অবিনন্দন উদাচীনদা, দু আজার ক্লাবে আপুনাকে চাগতম  big_smile

১৮

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

উদাসীদা, সত্যিই অসাধারন স্টার্টিং। আপনার লেখার উপর নিশ্চিন্তে ভরসা করতে পারি। রোমান্টিক গল্পগুলো গিলে খেয়েছিলাম। এটাতে হরর হরর ভাব দেখে কমেন্ট না করে থাকতে পারলাম না। চালিয়ে যান। দেখেনতো এইটা মনে হয় এই গল্পের জন্যই বানিয়েছিলাম wink

Flickr     500px    Facebook     SRS    Twitter

শিমুল১৩'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

হয়ত আপনার লেখার উপরের জ্বলজ্বলে তারিখটা ভূতুড়ে, নতুবা বিশাল কোন কনস্পিরিসিতে ব্যস্ত...। মনে হচ্ছে ২ যুগ পার হয়ে গেল, নেক্স্ট পর্ব পেলাম না, আর বেটা কিনা মাত্র ২ দিন আগের তারিখ শো করছে...!!!  surprised আজিব!  waiting

চমৎকার স্টার্ট! তাড়াতাড়ি না পাইলে কিন্তু... লাল ইঞ্জেকশন!  wink

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

২০

Re: ম্যানর হাউসের বিভীষিকা পর্ব ১

দারুন শুরু, এখন ই কম্বলের নিচে ঢুকে একটা হরর দেখতে হবে। +১।

জাগরণে যায় বিভাবরী ...