সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৩-১১-২০১১ ১৭:৩১)

টপিকঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

পূর্বেঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৬

আকর্ষণীয় বুফে, পরিচ্ছন্ন চিড়িয়াখানা আর সবুজ আলআইনঃ
পরের দিন বের হলাম আমার ফুপু শ্বাশুরীর বাসায় ভিজিটের উদ্দেশ্যে। সাথে আমার বৌ আর শ্বশুর। ওনার বাসা আলয়াইন । আবুধাবি থেকে আলাইন যেতে ঘন্টা দেড়েক লাগে। বাসে গেলে আরেকটু বেশি সময় লাগে। বাস স্টপে গিয়ে দেখি কোন এক আজানা কারণে আলাইনে যাওয়ার কোন বাস নাই। কি আর করা, ভাড়া করা গাড়িতে করে আমরা আলাইনের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। এবার হাইওয়ার দুইপাশের দৃশ্যপটে বিশাল পরিবর্তন। দুইপাশে খালি ক্ষেত আর ক্ষেত। ইসস, ভুল বললাম। খালি ফার্ম আর ফার্ম। ক্ষেত বললে এখানকার বাংগালীরাও দেখেছি মাইন্ড করে। আলাইন পৌছানোর আগ পযর্ন্ত ফার্ম ছাড়া আর কিছু নাই। ফার্মের মধ্যে কি চাষাবাদ হয় তা গাড়ি থেকে দেখা না গেলেও পরে একবার যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো ফার্মের ভিতরে। তখন দেখেছিলাম যে, এরা অনেক খরচ করে পানির ব্যবস্থা করেছে মরুর বুকে ফার্ম করার জন্য এবং সেখানে খেজুর-টেজুর ছাড়াও মিষ্টি কুমড়ার মত সবজিরও চাষ হয়!!

https://lh3.googleusercontent.com/-lRRDzIpLB88/Tsu71K3bwxI/AAAAAAAAAH0/hOb3weENuTM/s640/SAM_0989.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-NdEmFEfay5E/TsvvAC1Ei4I/AAAAAAAAAKA/OeGrMzMK4Xs/s800/06112011005.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-Gafwq9AoOg0/Tsvu7mQn7aI/AAAAAAAAAJ4/KFRdZo3TKrA/s800/06112011006.jpg

আমার ফুপু শ্বাশুরী আমাকে ট্রিট দেওয়ার জন্য নিয়ে গেলেন আলাইন মলের এক বুফে রেস্তোরাতে। দুটো গাড়িতে করে আমরা বের হলাম। একটাতে আমি, আমার শ্বশুর আর আমার কাজিনীয় শালা। আর আরেক গাড়িতে আমার বৌ, ফুপু আর দুই কাজিনীয় শালী। শালার ব্যাটা শালা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়লে কি হবে, সে নিজেকে মাইকেল শুমাখার এর চ্যালা ভাবে মনে হয়। অথবা দেশ থেকে আসা দুলাভাইকে একটা উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্যে ড্রাইভ করলো শুমাখারের চ্যালার মতই। আমার হালত হয়া গেলো টাইট। মোশন সিকনেসের কারণেই মনেহয় হঠাত করে গ্যাস ফর্ম করলো। রেস্টুরেন্টে গিয়া দেখি হরেক রকমের মজাদার লোভনীয় সব আইটেম। কিন্তু কিছুই খাইতে ইচ্ছা করে না। আমার শ্বশুর মহা বিরক্ত। ভাবছিলো মিয়া বংশের পোলা। খাওয়াইননা ঘরের পোলা। এহন দেহে কিছু হইলেই এর গ্যাস হয়। আমাকে আমার শ্বশুর ঠান্ডা পানি খেতে বললো। খেলাম। তারপর দেখি কয়েকটা ঢেকুর উঠে গ্যাস রিলিজ হয়ে গেলো। আমি অল্পস্বল্প খেলাম। বেশি খেলাম আইস্ক্রিম। আইস্ক্রীম মেশিন থেকে আইস্ক্রীম বানাতে বেশ মজা  লাগছিলো দেখে বেশি খেয়ে ফেলেছিলাম। আর এই দিকে দেখি আমার বৌ আর শালীরা খাওয়ার মহাযজ্ঞ শুরু করেছে। ওদের খাওয়া দেখে আমার স্কুলের ধর্ম স্যারের বলা একটা কথা মনে পড়ে গেলো। “যারা দেখবি বিয়ার অনুষ্ঠানে বা অন্য কোথাও হাভাইত্যাদের মত খায়, হ্যারা হইলো কাফের। কারণ এগো থাহে আটটা পাকস্থলী। যাই খায়, সব হজম কইরা হালায়।”
https://lh6.googleusercontent.com/-E8LDbzR18Wg/Tsu77IPGs3I/AAAAAAAAAH8/onyAJJiOWuo/s640/SAM_1005.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-Kooe270dLNc/Tsu8qM-TtnI/AAAAAAAAAIE/vp5-pSek1t4/s640/SAM_1006.jpg

আলাইন মলের ভিতরটাও খুব সুন্দর। অনেকটা মেরিনামলের মত। আলাইনের প্রধান আকষর্ণ হচ্ছে এর সবুজ। এটাকে বলা হয় গ্রীন সিটি। এখানকার সব বাসিন্দাদের একটা শখ হচ্ছে বাড়ির সামনে বাগান করা। প্রতিটা বাড়ির সামনেই গাছের ঝোপ।  প্রতিটা বাড়িই হচ্ছে ভিলা টাইপ। তিনতলার চেয়ে বেশি উচু বাড়ি নাই। এই জিনিসটা যাতে সবাই মেনে চলে তাই সরকার থেকেই পাচতারা হোটেল বা পেসিডেন্টের প্রাসাদ ছাড়া অন্য কোন ভবন তিনতলার বেশি উচু করার অনুমতি দেয়া হয় না। এর ফলও এখানকার লোকজন পাচ্ছে। এখানে আবুধাবির চেয়ে অনেক অনেক কম গরম। এতটাই কম যে, বুফে থেকে বের হয়ে বিকেলে আমরা যখন চিড়িয়াখানা দেখতে যাচ্ছিলাম তখন জানালার গ্লাস নামায় দিয়ে হাওয়া খেতে খেতে গিয়েছিলাম।

https://lh3.googleusercontent.com/-TCCb1Iqxeto/Tsu9BXry35I/AAAAAAAAAIU/XY21aWcBhi0/s640/SAM_1015.jpg

আমাদের দুইজনকে চিড়িয়াখানায় নামিয়ে দিয়ে আমার শ্বশুর আর শালা বাসায় চলে গেলো। শালীদ্বয় আর ফুপুশ্বাশুরী গেলো শপিঙয়ে। আমাদের ঘোরা শেষ হলে আমাদের নিতে ওনারা চলে আসবেন। আমরাও টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম ভিতরে। ভিতরটা অনেক পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন। উটকো হকারের বেহুদা উতপাতও নেই। জায়গায় জায়গায় বিশুদ্ধ ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা আছে যা পুরোপুরি ফ্রী। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে যে, চিড়িয়াখানায় প্রানীগুলোর খাচার কাছে তেমন একটা গন্ধ নাই। আবার দেখলাম একটা নির্দিষ্ট সময়ে খাচার উপরের দিকে কিছু স্প্রেয়ার আছে, সেখান থেকে পানি স্প্রে করা হচ্ছে খাচার ভিতরে। কাহিনী কি হলো বুঝলাম না। ভিতরে ঘুরতে ঘুরতে বেশ কয়েকটা নতুন চিড়িয়া দেখলাম। সবচেয়ে বেশি মজা লেগেছে দেখে মিরক্যাট। পুরা মানুষের মত দুইপায়ে দাঁড়ায় থাকে। চিড়িয়াখানাটা বেশ সুন্দর। তবে অনেক কিছুর দেখলাম সংস্কার কাজ চলছে। তাই ঐ অংশগুলো বন্ধ। চিড়িয়াখানা দেখে বের হওয়ার সময় আমরা শালীদের ফোন দিলাম। ওরা আমাদের নিতে গাড়ি নিয়ে গেটে চলে আসলো।

https://lh3.googleusercontent.com/-yxZAGvZjPMM/Tsu9A-rI_CI/AAAAAAAAAIM/_7xnoHmjpDM/s640/SAM_1039.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-5_QlAyLRtwk/Tsu9r3TBmbI/AAAAAAAAAIc/JDrpm69lN_s/s640/SAM_1043.jpg

https://lh6.googleusercontent.com/-7i0rTnGx79s/Tsu9zb-9JqI/AAAAAAAAAIk/fzTXVe_AOds/s640/SAM_1045.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-Bzd-5D4atlY/Tsu99S30fcI/AAAAAAAAAIs/fUuLtMTWxMw/s640/SAM_1052.jpg

গাড়িতে চেপে আমরা বের হলাম কাছের একটা লেক দেখার জন্য। ড্রাইভার হচ্ছে বড় শালী। নতুন চালানো শিখেছে। তাই খুব সাবধানে ড্রাইভ করছিলো। লেকে পৌছায় দেখলাম যে, একপাশে সংস্কার চলছে। লেকের মাছেদের হালও তেমন একটা সুবিধার না। কয়েকটা মরা মাছও দেখলাম। আমরা কিছুক্ষণ মাছেদের পাউরুটি খাওয়ালাম। তারপর সেখান থেকে গেলাম পাশের একটা পাহাড় দেখতে। এখানকার পাহাড়্গুলো সব পাথুরে, রুক্ষ ধরনের। কিন্তু পাহাড়ের নিচে গিয়ে দেখি তেলেসমাতি কারবার। পাহাড়ের নিচে বিশাল জায়গা জুড়ে সবুজ ঘাসের কার্পেট। রীতিমত একটা পার্ক। পাহাড়ের গায়েও সবুজ। যেসব জায়গায় সবুজ নাই, সেসব জায়গায় দেখি মাটির উপর পাইপের জাল বসানো হয়েছে সবুজায়নের জন্য। জায়গায় জায়গায় পানির পাম্প থেকে পানি বের হচ্ছে যে কিছু ড্রেনের মাধ্যমে পুরো এলাকাতে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পার্কের মধ্যে মানুষের মেলা বসেছে। পানির পাম্পের উপরে আর ড্রেনের মধ্যে পাবলিক দেখি পা ডুবায় বসে আছে। আমি খুব আগ্রহের সাথে পাম্পের একটা ছবি তুলতে গেলাম। উপরে দেখি দুই আরবী মহিলা পা ডুবায় বসে আছে। যেই কাছে গিয়েছি পানির সাথে আসা গরম বাতাসের হলকায় মনে হইলো যে আমার গা পুড়ে গেলো। পরে পানিতে হাত দিয়ে দেখি পানিও চরম গরম। এর মধ্যে এরা পা ডুবায় কেমনে বসে ছিলো আল্লাহ মালিক জানে। এর মধ্যে আবার দেখি , পানিতে নামার পরে এক পিচ্চির চাড্ডি খুলে পানিতে ভেসে যাচ্ছে, আর পিচ্চিও তারস্বরে চিল্লাতে চিল্লাতে ড্রেনের উপর দিয়ে চাড্ডির পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে।

https://lh6.googleusercontent.com/-lpMCJBg44ok/Tsu-3AEeYQI/AAAAAAAAAJw/VTdw22UPafY/s720/SAM_1074.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-qoeakDuz7VM/Tsu-r10s5iI/AAAAAAAAAI8/uZUGBNNkkv4/s640/SAM_1090.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-syM5dnGHHqQ/Tsu-pQQo4ZI/AAAAAAAAAI0/Yyi-szhGdNQ/s640/SAM_1091.jpg

https://lh6.googleusercontent.com/-Au5S1_lfjMM/Tsu_k-5bi-I/AAAAAAAAAJM/Ho9QGTOVeMA/s640/SAM_1093.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-p7NvuswYlmo/TsvAKAXzUnI/AAAAAAAAAJU/S9wvLJMYpr4/s640/SAM_1096.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-GZ2Hnr75ars/TsvALYLMoNI/AAAAAAAAAJc/eJ9dBlUviEU/s640/SAM_1097.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-0BhY_YP7bOw/TsvAPln3ooI/AAAAAAAAAJk/viA7dli3LHc/s640/SAM_1104.jpg


এখানে কিছুক্ষণ বসে আমরা বাসার পথে রওনা দিলাম। আমার খুব ইচ্ছা ছিলো যে পাহাড়ের উপরের ফাইভস্টার হোটেলটাও একটু দেখে আসবো। কিন্তু আমার শালী পাহাড়ের রাস্তায় ড্রাইভ করতে ভয় পায়। আগত্য কি আর করা, বাসার দিকেই রওনা দিলাম। শ্যালিকা ড্রাইভ করার সময় রোড সাইন দেখতে পারে না। কাজেই তাকে নেভিগেটও করা লাগতেছে। ড্রাইভার একজন , নেভিগেটর চারজন। একটা কথা আছে না , অতি সন্যাসীতে গাজন নষ্ট, সেটা হাড়েহাড়ে টের পেলাম সেদিন। একবার রাস্তা ভুল করে আমরা চলে যাচ্ছিলাম পাহাড়ের দিকে। আরেকবার রাস্তা এমনই ভুল করলাম যে, ঠিক রাস্তায় আসার জন্য আমাদের আরো প্রায় ২০ মিনিটের ড্রাইভ করে ঘুরে আসতে হলো। তবে স্বস্তির ব্যাপার হচ্ছে যে, আমরা সহিসালামত বাসায় ফিরতে পেরেছিলাম। তারপর রাতে খাওয়াদাওয়া করে আবার আবুধাবিতে ফিরে আসলাম।
(চলবে)
** এই সিরিজ আপাতত এখানেই সমাপ্ত। বিরক্ত লাগছে লিখতে। পরে যদি কখনো ভালো লাগে, তাহলে আবার শুরু করবো। ধৈর্য্য ধারণ করে যারা আমার সাথে ছিলেন তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

অনেক দিন হইলো বেড়াইতে যাই না .......... আপনার টপিক পইড়া কান্না আসতেছে  cry cry cry cry

ঘরের কোনে মনের বনে, তোমার সাথে জোছনা স্নান...
তোমার দুহাত থাকলে হাতে; স্বপ্নে জাগে মধুর প্রাণ।
ছড়া সব করে রব

নাদিয়া জামান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

তাও ভালো যে একজন পড়েছে। এত লম্বা টপিক। দেইখা এখন নিজেরই ডর লাগতাছে।

নাদিয়া জামান লিখেছেন:

আপনার টপিক পইড়া কান্না আসতেছে  cry cry cry cry

কান্না আইতাছে ক্যান বুঝলাম না  confused

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

ওয়াও! দারুন লেগেছে পর্বটি  smile

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

তাও ভালো যে একজন পড়েছে। এত লম্বা টপিক। দেইখা এখন নিজেরই ডর লাগতাছে।

নাদিয়া জামান লিখেছেন:

আপনার টপিক পইড়া কান্না আসতেছে  cry cry cry cry

কান্না আইতাছে ক্যান বুঝলাম না  confused


সামার শেষ হইয়া গেলো কোথাও হলিডে করতে গেলাম না এখন উইন্টার আইসা পড়ছে তাই সামনের ৪/৫ মাসেও যাওয়া হবে না। বেড়াইতে যাওয়ার জন্য কান্দি

ঘরের কোনে মনের বনে, তোমার সাথে জোছনা স্নান...
তোমার দুহাত থাকলে হাতে; স্বপ্নে জাগে মধুর প্রাণ।
ছড়া সব করে রব

নাদিয়া জামান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

অপরিচিত লিখেছেন:

ওয়াও! দারুন লেগেছে পর্বটি  smile

ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

ইয়া জোস জোস!
আশা করি এই সিরিয়াল ৬৯ পর্ব পর্যন্ত চলবে! mail mail mail

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

ছবি আর বর্ননা মিলিয়ে পুরাই ফাটিফাটা...
পড়ার সময় আলাইন কে অনলাইন পড়ছিলাম...। big_smile big_smile

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

আইসক্রিমসহ কাউয়া - ছবিটাও দিতে পারতে  wink
চিড়িয়াখানার প্রথম প্রাণীটার ছবি নিয়ে খোমাখাতায় কী কমেন্ট এসেছিলো সেটা অন্যদেরকে বলবা নাকি?!  tongue_smile  hehe

খামারের ছবি মিস করলাম। তবে গুগল ম্যাপের সাহায্যে কিছুটা বুঝতে পারলাম। উপর থেকেও খামারগুলো বেশ সুন্দর লাগলো দেখতে।

পার্কের সবুজ দেখে খুব ভালো লাগলো। আরেকটা জিনিষ খেয়াল করলাম। আল-আইন শহরের সাথেই ওমানের বর্ডার।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

জ্বী- মানে, চিড়িয়াখানার প্রথম ছবি টা দেখে কাকে যেন মনে পড়ছে। hehe

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৩-১১-২০১১ ০০:৫৪)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

shitol69 লিখেছেন:

ইয়া জোস জোস!
আশা করি এই সিরিয়াল ৬৯ পর্ব পর্যন্ত চলবে! mail mail mail

থ্যাঙ্কু। আর দুইটা পর্ব ম্যাক্স।

faysal_2020 লিখেছেন:

ছবি আর বর্ননা মিলিয়ে পুরাই ফাটিফাটা...
পড়ার সময় আলাইন কে অনলাইন পড়ছিলাম...। big_smile big_smile

ধন্যবাদ। আমি ভেবেছিলাম যে, আপনি আলাইনকে অনলাইন অর্থাৎ গুগল করে পড়ছেন। হা হা হা।

শামীম লিখেছেন:

আইসক্রিমসহ কাউয়া - ছবিটাও দিতে পারতে  wink
চিড়িয়াখানার প্রথম প্রাণীটার ছবি নিয়ে খোমাখাতায় কী কমেন্ট এসেছিলো সেটা অন্যদেরকে বলবা নাকি?!  tongue_smile  heheখামারের ছবি মিস করলাম। তবে গুগল ম্যাপের সাহায্যে কিছুটা বুঝতে পারলাম। উপর থেকেও খামারগুলো বেশ সুন্দর লাগলো দেখতে।
পার্কের সবুজ দেখে খুব ভালো লাগলো। আরেকটা জিনিষ খেয়াল করলাম। আল-আইন শহরের সাথেই ওমানের বর্ডার।


থাক। বাদ দেন। আর নিজের ছবিসহ কোন ছবি দেই না। একটাই দিছি পরিচিতিতে একবার। হ্যা, আলআইন এর সাথে ওমানের বর্ডার আছে। গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। তবে কাগজপত্র নাকি লাগে। টপিকের শুরুতে দুইটা ছবি দিচ্ছি ফার্মের ভিতরের। তবে এই ফার্মটা সাহামা এলাকার। সব ফার্মগুলো একই রকম।

আরণ্যক লিখেছেন:

জ্বী- মানে, চিড়িয়াখানার প্রথম ছবি টা দেখে কাকে যেন মনে পড়ছে। hehe

কাকে ভাই?

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১২

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

জোস হচ্ছে চালায় যান। আরো আরো চাই

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

বরাবরের মতো ভাল হয়েছে। বেশী ভাল লেগেছে ছবিগুলো। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

১৪

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

এত লম্বা টপিক। দেইখা এখন নিজেরই ডর লাগতাছে।


আরে নাহ !
লম্বা কই ? ঠিকই আছে ।
আর আপনার " আমার বিবাহ " মজাদার কিন্তু অ-সম্পুর্ন একটা টপিক ! UAE সিরিয়ালের ২টা পর্ব শেষ করার পর ঐ টা ধরবেন ।

এখন আফসোস হচ্ছে, সিলেট বিভাগীয় পেঙ্গুইন মেলায় না গিয়ে কি মিস টাই করেসি !
নেভার মাইন্ড ~ ফির কাভি  smile














http://www.rongmohol.com/uploads/1805_adda_logo_4.gif

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।

১৫

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

আল এইন আসলেই ভাল লাগার মতো একটা শহর।
চিড়িয়া খানার পাশ দিয়ে কয়েকবার গিয়েছি, কিন্তু ভিতরে যাওয়ার মতো সৌভাগ্য হয় নাই।
তবে আপনার ছবির এবং বর্ণনার মাধ্যমে যাক কিছু অন্তত জানা এবং দেখা হল।

এদেশের সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়গুলোর একটি হলো (হুরমা) মেয়েদের ড্রাইভিং করা। angry আপনি ভাগ্যবান যে কোন দুর্ঘটনা ছাড়াই সফর শেষ করে ঘরে পৌছাতে পারছেন। clap

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৩-১১-২০১১ ১৭:২৯)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

জোস হচ্ছে চালায় যান। আরো আরো চাই

আর দুই পর্ব। তারপর শেষ না হলেও আর লিখবো না। একই জিনিস লিখতে লিখতে কিঞ্চিত বিরক্তবোধ করিতেছি  neutral

শান্তবালক লিখেছেন:

বরাবরের মতো ভাল হয়েছে। বেশী ভাল লেগেছে ছবিগুলো। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ আপনাকে বরাবরের মত আসিফ ভাই।

masud3011 লিখেছেন:

আর আপনার " আমার বিবাহ " মজাদার কিন্তু অ-সম্পুর্ন একটা টপিক ! UAE সিরিয়ালের ২টা পর্ব শেষ করার পর ঐ টা ধরবেন ।

সেটা নিয়ে লেখার আর কোন ইচ্ছা নাই।

এখন আফসোস হচ্ছে, সিলেট বিভাগীয় পেঙ্গুইন মেলায় না গিয়ে কি মিস টাই করেসি !

তা বটে। আমার আর মিয়াভাইয়ের স্পাইডারম্যান হয়ে যাওয়ার দৃশ্যটা মিস করেছেন বৈকি  lol2

microqatar লিখেছেন:

চিড়িয়া খানার পাশ দিয়ে কয়েকবার গিয়েছি, কিন্তু ভিতরে যাওয়ার মতো সৌভাগ্য হয় নাই।

আমরা ভাবছিলাম যে , প্যাকেজ ট্যুর নিমু। পরে দেখি জনপ্রতি ষাট দিরহাম। তখন মুখ শুকায় হাটা ধরছি। হা হা।

** এই সিরিজ আপাতত এখানেই সমাপ্ত। বিরক্ত লাগছে লিখতে। পরে যদি কখনো ভালো লাগে, তাহলে আবার শুরু করবো।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৭

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

ছবি দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

আর লেখার ইচ্ছা না থাকবে শুধু ছবি দিয়ে একটা টপিক করতে পারেন (লোকেশন সহ)।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

টপিকের লেখা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আসাদ ভাই নয় আমিই যেন সে সব স্পটে ঘুরে বেড়াচ্ছি smile আরেকটা দারুন লিখার জন্য আসাদ ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৯

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৭

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

ছবি দেখে অনেক ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

আর লেখার ইচ্ছা না থাকবে শুধু ছবি দিয়ে একটা টপিক করতে পারেন (লোকেশন সহ)।

শুধু ছবি দিয়ে টপিক করবো না। অনেক ধন্যবাদ যে পড়েছেন। কালকে খুব সম্ভবত পরবর্তী পর্ব প্রকাশ করবো।

ইলিয়াস লিখেছেন:

টপিকের লেখা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আসাদ ভাই নয় আমিই যেন সে সব স্পটে ঘুরে বেড়াচ্ছি smile আরেকটা দারুন লিখার জন্য আসাদ ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই। আপনাদের করা মন্তব্যগুলো লেখালিখিতে ফুয়েল যোগায়।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(