সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৮-১১-২০১১ ২৩:৫০)

টপিকঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

পূর্বেঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

আরামদায়ক লোকাল বাস, বিলাসবহুল শপিং মল আর কঠিন সিকিউরিটিঃ
পরেরদিনও সকাল সকাল উঠে পরলাম। কিন্তু বের হলাম না। বাইরের রোদ দেখে আর বেরোতে ইচ্ছা করেনা। তাই রোদ একটু কমলে আমরা বের হলাম। উদ্দেশ্য এখানকার হট-ফেভারেট মলগুলোর একটা মেরিনা-মল ভিজিট। আমার শ্বাশুরী খুব সুন্দর করে বুঝায় বলে দিলো কয় নাম্বার রুটের বাসে উঠলে মেরিনামল যাওয়া যাবে। আমরাও গভীর মনযোগ দিয়ে শুনে সুন্দর করে ট্যাক্সি ক্যাবে উঠে মেরিনা মল চলে গেলাম। বিদেশে আইসা বাসে উঠুম নাকি? মিয়া বংশের পোলা বইলা কথা। বেড়াতে আইসা মিয়া বংশের পোলারা বাসে উঠে না। এই ডিসিশনটা অবশ্য ভুল ছিলো যা পরে বাসে উঠে টের পেয়েছিলাম। আমাদের দেশের গ্রীনলাইন সার্ভিসে যে ম্যান কোম্পানীর বাস চলে, সেই একই কোম্পানীর ভিন্ন মডেলের এসি বাস। কিন্তু সাসপেনশন অনেক নিচু। ফলে বাস যখন পার্কিং এ থামে তখন ফুটপাতের পেভমেন্ট আর বাসের মেঝে প্রায় একই লেভেলে থাকে। শহরের ভিতর যেখানেই নামেন না কেন এক দিরহাম দিতে হয়। আগে নাকি এই এক দিরহামও নিতো না। ফ্রী সার্ভিস ছিলো। বাইরে মেয়েরা স্কার্ট, মিনিস্কার্ট পরে ঘুরে বেড়ালে কি হবে, বাসের ভিতরে আবার এরা খুব কনজার্ভেটিভ। সামনের দিকে মহিলারা বসে, আর পিছনের দিকে বসে পুরুষরা। নো এক সাথে বসাবসি। এই কন্ট্রাডিক্টরী নিয়মের কারণে আমার বৌরে নিয়ে বেশি পয়সা দিয়ে ট্যাক্সিতে ঘোরা লাগছে। নাহলে সুন্দর বাসে উঠে, পাশাপাশি বসে , চানা চাবাইতে চাবাইতে ঘুরে বেড়ানো যেতো।

মেরিনা মলে পৌছানোর পরে আমি কিছুটা হতাশ হলাম। আমি ভাবছিলাম হয়তো বসুন্ধরা সিটির চাইতেও বড় কোন বিল্ডিং হবে। কিন্তু তা নয়। তিনতলা এ মলটির ছাদ হচ্ছে তাবুর মত। কি দিয়ে বানানো হয়েছে বুঝতে পারি নাই। যে জায়গায় মলটি বানানো হয়েছে সে জায়গায় আগে সমুদ্র ছিলো। মাটি ভরাট করে জায়গা বানিয়ে মলটি বানানো হয়েছে। ভিতরে ঢুকে অবশ্য সব হতাশা কেটে গেলো। কারণ ভিতরে যে বিশাল জায়গা তাতে এর তিনতলাই বসুন্ধরা সিটির আট তলার সমান প্রায়। মেঝেগুলো এত চকচকে যে ইচ্ছা করলে নিজের মুখ দেখা যাবে এতে। দামী দামী সব ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডের দোকানই আছে এইখানে। খুপড়ি টাইপ দোকান নাই কোন। সব বেশ বড় বড় দোকান। সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে জায়গায় জায়গায় সুন্দর বসার জন্য বেঞ্চের মত জায়গা। ফলে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং এর সময় পা ব্যথা করলে বসার জন্য যেমন জান আকুপাকু করে কিন্তু বসার জায়গা খুজে পাওয়া যায় না, এখানে সেই অসুবিধাটা নাই। তিন তলায় আছে একটা সিনেপ্লেক্স যেটাতে মোট আটটি থিয়েটার। একসাথে আটটা মুভি চলে। দেইকখা লন, বাইচ্ছা লন টাইপ অবস্থা আরকি। এছাড়া তিনতলায় একটা ফানজোন আছে, যেখানে কাচ্চাবাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের গেমস খেলার ব্যবস্থা আছে। এটার সাইজও বেশ বড়। আমরা গায়ে-গতরে বড় হইলে কি হবে, কিন্তু এখনো দিলতো বাচ্চা হে জি। এর জন্য আমরা ফানজোনে প্রবেশ করলাম।
https://lh6.googleusercontent.com/-xPfPQ9vUIys/TsaM_-sUABI/AAAAAAAAAGk/eC3ixUUDytY/s640/SAM_1144.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-lseQB7Zy8-A/TsaNHPLVxZI/AAAAAAAAAGs/bIypQCEiOM0/s512/SAM_1146.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-8CkhUe3HFq0/TsaN6WoMd6I/AAAAAAAAAHE/nm4_KLOJcvw/s512/SAM_1149.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-ODxI4C6Osus/TsaN3KLmAkI/AAAAAAAAAG8/a_TO-UPNt84/s640/SAM_1152.jpg

ফানজোনে ঢুকে দেখি পোলাপান কম, বাপ-মাই বেশি। বুঝলাম, সবার আমাদের মতই হাল। হরেক রকমের গেমস খেলার জন্য প্রথমে কাউন্টার থেকে কার্ড কিনতে হয় যেটার সবর্নিম্ন মূল্য ত্রিশ দিরহাম। তারপর গেমসের সামনে নির্দিষ্ট অংশে কার্ডটা সুইপ করলেই গেমস চালু হয়। আবার আপনি যদি পয়েন্ট যেতেন, সেটার সমপরিমাণ টিকেট বের হয়। এই টিকেটগুলো কালেক্ট করে অটোমেটিক টিকেট কাউন্টার থেকে কাউন্ট করিয়ে আপনার কার্ডটা আবার সুইপ করলে কার্ডের মধ্যে টিকেটের সংখ্যাটা রাইট হয়ে যায়। তারপর নিয়ে সেটা গিফট কর্ণারে গেলে ওরা কার্ড রিড করে আপনার টিকেটের সংখ্যা দেখে সেই অনুযায়ী আপনাকে গিফট বেছে নিতে বলে।

https://lh3.googleusercontent.com/-RmLgnr8HW8s/TsaOiEwAWdI/AAAAAAAAAHM/bsY8663BIvw/s640/SAM_1156.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-v5j7BQJGq-U/TsaOj3AqDSI/AAAAAAAAAHU/jzNVA2_gp8M/s640/SAM_1159.jpg

আমরা বেশ খানিক্ষণ বিভিন্ন গেমস-টেমস খেলে অনেক টিকেট জিতলাম। আমার বৌয়ের হাতে এক গাদা টিকেটের লেজ। ও কাউন্টারে গেলো টিকেট কাউন্ট করাতে। আমি বিভিন্ন দিকে পোলাপানের মজা দেখছি। এক জায়গায় দেখি দুইটা পিচ্চি একটা গেমস খেলছে। যমজ। এই দুইটারে দেখে আমার নিজের ছোট ভাতিজা আর ভাতিজির কথা মনে পড়ে গেলো। আমি মনোযোগ দিয়ে ওদের খেলা দেখছিলাম। এমন সময় দেখি আমার কাধে কার জানি হাত। পিছনে ফিরে দেখি আরবী ষন্ডা দাঁড়িয়ে আছে। ঘাড়ের কাছে সিকিউরিটি ব্যাজ। 
-    হোয়াত আর ইউ দুইং ক্ষীয়ার স্যার?
-    আই ওয়াস জাস্ট ওয়াচিং দ্যা কিডস প্লেইং গেমস।
এই সময় খেয়াল করলাম যে, আমি খালি বাইচ্চাদের দেখছি। কিন্তুক পিছনে বাইচ্চাদের আধুনিক মা-বইনদের দেখি নাই। চেহারা দেইখা মনে হইলো লেবানিজ। পরছেও সেরাম ড্রেস। বুঝলাম পরছি ভ্যাজালে। শালা আমারে ইভটিজার ভাবছে। আমি তখন যতদুর দৃষ্টি যায় আমার বৌরে খুজতেছি। ঐ হচ্ছে আমার এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার লাইসেন্স।
-    ইউ আর অ্যালোন ক্ষীয়ার?
-    নো নো ম্যান। আম উইথ মাই ওয়াইফ। শি জাস্ট ওয়েন্ট টু দ্যা টিকেট কাউন্টার।
শালা আরবী ষন্ডা দেখি আমার উত্তর পেয়ে খুশি হয়ে গেছে। আমার পিঠে হাত রেখে বললো,
-    ওয়াল্লাহে! হোয়াই আর ইউ স্ত্যান্দিং ক্ষীয়ার লিভিং ইউর ওয়াইফ অ্যালোন? গো গো। এনজয় উইত ইউর ওয়াইফ।
আমি তাড়াতাড়ি ঐখান থেকে আমার স্ত্রীর কাছে চলে আসলাম।
-    কি ব্যাপার? ঐ ব্যাটা তোমার গায়ে হাত দিচ্ছিলো কেন? দোস্তানা নাকি?
-    কি বলো এইগুলান উল্টাপাল্টা?
-    উল্টাপাল্টা না। আরবীগুলার আবার একটু দোস্তানা টাইপ স্বভাব আছে।
-    হেল!! সেইজন্য না। ঐ ব্যাটা সিকিউরিটির। আমারে ইভটিজার ভাবছিলো।
-    ইভটিজার না, স্টকার।
-    স্টকার আবার কি জিনিস?
-    ঐ মেয়েদের ফলো করে। তাকায় থাকে। না না ধরনের যন্ত্রণা দেয়।
-    আমি কোন দিক থেইকা স্টকার লাগি? জীবনে দ্বিতীয় বারের মতন এই ধরনের অপমানিত হইলাম।
-    মানে? প্রথমবার কখন হইছিলা?
-    ইরিনা আপুর সাথে হোমইকোনমিক্সে গেছিলাম ফরম তুলতে তখন। মাত্র ক্লাস টেনে পড়তাম। তখন আমার লুক আরো বেশি মফিজ ছিলো। অথচ ব্যাটারা আমারে ভিতরে ঢুকতে দেয় নাই। গেটের বাইরে দাঁড়ায় ছিলাম বলদের মত। আমার মতন মাসুম মানুষ দুনিয়ায় আমি ছাড়া আর কেউ আছে বলো? খুব খারাপ লাগতেছে।
-    কার মনে কি আছে তাতো আর ওরা চেহারা দেখে বুঝতে পারে না। ওর ডাউট হইছে, তাই চেক করলো। এইটাই ওর ডিউটি। আর এজন্যই এই দেশে মেয়েদের সিকিউরিটি অন্য যে কোন দেশের চাইতে অনেক বেশি।
একদম সঠিক কথা। সিকিউরিটি ভালো দেখেই, দাওয়াত খেয়ে রাত আড়াইটার সময় বৌকে নিয়ে হেটে হেটে বাসায় ফিরছি। রাস্তায় এরকম আরো লোকও দেখেছি ঐ সময় বাসায় ফিরতেছে। কারো মাঝে কোন টেনশন নাই। মনে মনে একটু আফসোস হলো। ইসস, আমাদের দেশটা যে কবে এমন হবে? খুব সাবধানে একটা দীর্ঘশ্বাস গোপণ করলাম। 
(চলবে)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন shitol69 (১৮-১১-২০১১ ২৩:৩৪)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

সিকিউরিটি ভালো দেখেই, দাওয়াত খেয়ে রাত আড়াইটার সময় বৌকে নিয়ে হেটে হেটে বাসায় ফিরছি। রাস্তায় এরকম আরো লোকও দেখেছি ঐ সময় বাসায় ফিরতেছে। কারো মাঝে কোন টেনশন নাই। মনে মনে একটু আফসোস হলো। ইসস, আমাদের দেশটা যে কবে এমন হবে? খুব সাবধানে একটা দীর্ঘশ্বাস গোপণ করলাম। 
(চলবে)

এই আফসোসটা আমারও..
আফসোস... crying crying crying

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৮-১১-২০১১ ২৩:৩৫)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

শীতল সাহেব এইটা কি করলেন? পুরা টপিকরেতো ডাবল বানায় দিছেন। সম্পাদণা করেন।  big_smile big_smile
যাক সম্পাদণা করলেন। এত তাড়াতাড়ি করবেন ভাবি নাই। হা হা হা।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

শীতল সাহেব এইটা কি করলেন? পুরা টপিকরেতো ডাবল বানায় দিছেন। সম্পাদণা করেন।  big_smile big_smile
যাক সম্পাদণা করলেন। এত তাড়াতাড়ি করবেন ভাবি নাই। হা হা হা।

ভুলে কোট করে ফেলছিলাম!  sad

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

বেষ্ট ইপিসোড, চালায় যান

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

হা হা হা । আহারে সিকিরিউটি। এই পর্বতা চমৎকার হইছে।

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

বেষ্ট ইপিসোড, চালায় যান

ধন্যবাদ। অনেক ধৈর্য্য আপনাদের।

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

হা হা হা । আহারে সিকিরিউটি। এই পর্বতা চমৎকার হইছে।

ধন্যবাদ পলাশ ভাই।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (১৯-১১-২০১১ ০২:১৩)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

ছবিসহ সুন্দরভাবে লেখার জন্য আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।
বিদেশ ভ্রমনে গিয়ে শেষে ইভটি.....অপবাদ dontsee
সিকিউরিটির কাহিনীতো দেখছি ভালই জমেছিল ভাই। উনাকে বেশ বুদ্ধিমান বলে মনে হলো।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

মেরিনা মলে পৌছানোর পরে আমি কিছুটা হতাশ হলাম। আমি ভাবছিলাম হয়তো বসুন্ধরা সিটির চাইতেও বড় কোন বিল্ডিং হবে।

অনেক দেশেই আমাদের বসুন্ধরার মতো এতো বড় মার্কেট নেই ভাই। big_smile

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ফলে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং এর সময় পা ব্যথা করলে বসার জন্য যেমন জান আকুপাকু করে কিন্তু বসার জায়গা খুজে পাওয়া যায় না, এখানে সেই অসুবিধাটা নাই।

একটু বেশীই কমার্শিয়াল মনোভাব/ব্যাবস্হাপনা বসুন্ধরাতে। worried

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

এ পর্বটা চমতকার হয়েছে। পরের পর্ব আরো তাড়াতাড়ি চাইইইইই।

১০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

সুপগ্রীব tongue আর কিছু কমু না

১১

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

অসাধারণ  big_smile

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

১২

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

চালিয়ে যান ... thumbs_up

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৯-১১-২০১১ ১৫:৩৬)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

শান্ত বালক লিখেছেন:

ছবিসহ সুন্দরভাবে লেখার জন্য আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।
বিদেশ ভ্রমনে গিয়ে শেষে ইভটি.....অপবাদ dontsee
সিকিউরিটির কাহিনীতো দেখছি ভালই জমেছিল ভাই। উনাকে বেশ বুদ্ধিমান বলে মনে হলো।

ধন্যবাদ আসিফ ভাই। ব্যাটার মাথায় বুদ্ধি থাকলে আমারে ধরতো না।

ইলিয়াস লিখেছেন:

এ পর্বটা চমতকার হয়েছে। পরের পর্ব আরো তাড়াতাড়ি চাইইইইই।

ধন্যবাদ। দেখি লিখতে পারি কিনা আজকে। ইভেনিং এ ক্লাস আছে আবার  sad

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

সুপগ্রীব tongue আর কিছু কমু না

ডায়ালগবাজি দিলে দেহি সবাই খুশি হয়া যায় neutral

অপরিচিত লিখেছেন:

অসাধারণ  big_smile

কোনটা ? আমার লেখা? নাকি আমি? নাকি আরবী ষন্ডা?

শ্রাবণ লিখেছেন:

চালিয়ে যান

চালাচ্ছি। দেখা যাক কতদিন চলে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৪

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

কাউয়া ভাই আপনি ক্যামেরা দিয়া ছবি তুলার সময় সিকিউরিটি ভাইসাবরা বাধা দেয় নাই? sad
আমি আমাদের শোরুমের ছবি ( মেরিনা মলের টপ , মিড এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে , মাসাল্লাহ সব ফ্লোরেই আমার ***এরাবিক ফর আলইয়ুম মালিকে আউটলেট নিয়া রাখছে)  তুলতে গিয়ে মোটামুটি তাদের সাথে তর্কযুদ্ধ করে , শেষ পর্যন্ত একজন সিকিউরিটি ভাইসাব এর কেয়ারে ছবি তুলতে হয়েছে।

*** ইংলিশ ফর টুডে এর আরবী অনুবাদ big_smile

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

ছেড়া ভাইয়ের এই সিরিজের প্রত্যেকটা পর্ব বড়ই সৌন্দর্য্য ।

১৬

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

বাইরে মেয়েরা স্কার্ট, মিনিস্কার্ট পরে ঘুরে বেড়ালে কি হবে, বাসের ভিতরে আবার এরা খুব কনজার্ভেটিভ। সামনের দিকে মহিলারা বসে, আর পিছনের দিকে বসে পুরুষরা। নো এক সাথে বসাবসি। এই কন্ট্রাডিক্টরী নিয়মের কারণে আমার বৌরে নিয়ে বেশি পয়সা দিয়ে ট্যাক্সিতে ঘোরা লাগছে। নাহলে সুন্দর বাসে উঠে, পাশাপাশি বসে , চানা চাবাইতে চাবাইতে ঘুরে বেড়ানো যেতো।

এদের এসব কাছ দেখলে খুবই বিরক্ত লাগে। thumbs_down অথচ আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে- এরা সাক্ষাত ফেরেশ্তা বা আরও বেশি কিছু।

যাই হোক লেখা চমৎকার লাগলো। তাই আবারও  hehe

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৭

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

এইবার হইছে ডায়ালোক সহ!! এইরাম কইরে লিখবেন আচ্ছা???

....

১৮

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

ভালো হয়েছে। চালিয়ে যান  thumbs_up

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

microqatar লিখেছেন:

কাউয়া ভাই আপনি ক্যামেরা দিয়া ছবি তুলার সময় সিকিউরিটি ভাইসাবরা বাধা দেয় নাই? sad
আমি আমাদের শোরুমের ছবি ( মেরিনা মলের টপ , মিড এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে , মাসাল্লাহ সব ফ্লোরেই আমার ***এরাবিক ফর আলইয়ুম মালিকে আউটলেট নিয়া রাখছে)  তুলতে গিয়ে মোটামুটি তাদের সাথে তর্কযুদ্ধ করে , শেষ পর্যন্ত একজন সিকিউরিটি ভাইসাব এর কেয়ারে ছবি তুলতে হয়েছে।

*** ইংলিশ ফর টুডে এর আরবী অনুবাদ big_smile

করিডোর বা বারান্দায় ছবি তুলতে বাধা দেয় নাই। দেখলাম বাধা দিচ্ছে দোকান বা ফানজোনের ভিতরে ছবি তুলতে। কি আর করা? চুরি বিদ্যারে মহাবিদ্যা বানায় ফেলাইলাম। অ্যাডিডাসের শোরুমের ভিতরেও ছবি তুলছি চামে। একই কাজ করছি ফানজোনের ভিতরে।  big_smile big_smile big_smile

জাবেদ লিখেছেন:

ছেড়া ভাইয়ের এই সিরিজের প্রত্যেকটা পর্ব বড়ই সৌন্দর্য্য ।

ধইন্যবাদ।

আরণ্যক লিখেছেন:

যাই হোক লেখা চমৎকার লাগলো। তাই আবারও  hehe

ভাই আবারো কি? মাইনাস দিলেন নাকি  big_smile big_smile

রাসেল আহমেদ লিখেছেন:

এইবার হইছে ডায়ালোক সহ!! এইরাম কইরে লিখবেন আচ্ছা???

কি আইশ্চর্য্য। আরে ভাই ডায়ালগ থাকলে ডায়ালগ দেই। না থাকলে কিভাবে লিখতাম ডায়ালগ? এই পর্বেও যদি ডায়ালগ না আসতো তবে ডায়ালগ দিতাম না  cool

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

ভালো হয়েছে। চালিয়ে যান  thumbs_up

ধইন্যবাদ ভাই। চালাচ্ছি।  big_smile big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

২০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৫

নেক্সট পর্ব কুতায়? http://blaise.us/emots/chair.gif

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত