সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৮-১১-২০১১ ০১:১১)

টপিকঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

পূর্বেঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

পরিস্কার, পরিকল্পিত  শহর আর আরবীদের গাড়ি বিলাসঃ
আবুধাবিতে শ্বশুরালয়ে পৌছায় শ্বশুরের সাথে সাক্ষাত করে খাওয়া দাওয়া করলাম, তারপর সিধা ঘুম। সকালে উঠে প্রথম যে কাজটা করলাম রুমের একপাশের বিশাল থাইগ্লাস খুলে বাইরে গিয়ে আশেপাশের কয়েকটা স্ন্যাপ নিলাম। শ্বশুরালয়কে প্রথম দর্শনে হোটেল হোটেল মনে হয়েছিলো। কারণ অ্যাপার্টমেন্টের ভিতরের ফিটিংস, বাথরুম, কিচেন সবকিছুই হোটেল টাইপ। পরে দেখেছিলাম যে, এই ধরনের অ্যাপার্টমেন্টগুলো দিয়ে আবুধাবি ভরা। নাম হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট। গড়পরতা উচ্চতা বিশ তলা। মোটামুটি সবগুলোরই প্রথম পাচতলা জুড়ে শপিং মল আর হসপিটাল। আমার শ্বশুরালয়ও এর ব্যাতিত্রম নয়। তবে এক-দুইতলা বিল্ডিং যে নাই তা নয়। আমার শ্বশুয়ালয়ের সামনের কয়েকটা ব্লক শুধু এক আর দুইতলা বিল্ডিং। তবে এসব জায়গায় ফকির-মিসকিন থাকে ভাবলে ভুল হবে। দুর্গ টাইপ এসব ভিলার ভিতরের ফিটিংস এবং সিকিউরিটি নাকি বহুতল গুলোর চেয়ে অনেক অনেক বেশি ভালো। আর হবেই বা না কেন? কারণ এখানকার বাসিন্দারা হলো বেশিরভাগই আরবী এবং ঐ বহুতল হোটেল অ্যাপার্টমেন্টগুলোর মালিক। এদের সামনের পরিকল্পিত পার্কিং এ মোটামুটি সব ভালো ভালো ব্র্যান্ডের গাড়ির মডেলই দেখেছিলাম।
https://lh4.googleusercontent.com/-12L_5ZfcZpM/TsUtE2PrJSI/AAAAAAAAAE8/FVnyqI9UqVE/s640/SAM_0913.jpg

এরপর আশেপাশের বাংলাদেশী কমিউনিটির আন্টিরা বাসায় এলেন আমাদের সাথে দেখা করার জন্য এবং আগাম একটা দাওয়াতের শিডিউল ধরায় দিলেন হাতে। শিডিউল দেখেই বুঝলাম যে আমার সফরের দ্যা এন্ড। কিন্তু এখানকার এই মানুষগুলো কেউ কারো তেমন কাছের আত্মীয় না হলেও, দেশের বাইরে এসে সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে এমনভাবে একজন আরেকজনের পাশে এসে দাড়ান যে পরস্পরের আত্মার-আত্মীয় হয়ে যান। কাজেই তাদেরতো মনে আর কষ্ট দেয়া যায় না। কাজেই সবার দাওয়াতই কবুল করলাম।

আশেপাশে ঘুরে দেখার জন্য বের হলাম বিকেলের দিকে। কাছেই হাটা দুরত্বে সমুদ্র সৈকত আর পার্ক। বাইরে বের হয়ে আমার কেমন জানি লাগলো। একেতো এই সময়েও গরম তার উপর সবকিছু কেমন যেন উল্টা উল্টা। অথচ এইটাই নাকি ওদের সবচেয়ে ভালো আবহাওয়ার সময়। আর উল্টা-উল্টা লাগার কারণ হচ্ছে, রাস্তার গাড়িগুলো চলছে সব ডানদিক দিয়ে। রাস্তা সবখান দিয়ে পার হওয়া যায় না। পুলিশ দেখে ফেললেই নগদে ফাইন। জেবরা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময়ও আমি মফিজের মত উল্টা দিকে তাকায় থাকতাম প্রথম প্রথম। কয়েকবার গাড়ির সামনেও পড়লাম। কিন্তু এখানকার ড্রাইভারগুলা মনেহয় আমার চেয়েও বড় মফিজ। সামনে লোক দাড়াইলে ১ কিমি দূর থেকে গাড়ি থামায় দেয়। এই ব্যাটারা বাংলাদেশে এসে গাড়ি চালাইতে গেলেতো রীতিমতো এক্সিডেন্ট করবে। আমাদের সরকারের উচিত যারা এই টাইপ দেশ থেকে এসে আমাদের দেশে গাড়ি চালাইতে চায়, তাদের আলাদা ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করা। নাইলে ঢাকায় আইসা আইল্যান্ড আর নয় নম্বর বাসের চিপায় পইরা অকালে মরবো সব।
https://lh6.googleusercontent.com/-j0z3uldk16I/TsUuZkOyx_I/AAAAAAAAAFc/5D7dAE8hH2E/s640/SAM_0952.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/-EYS4x4BldlE/TsUvArmQPXI/AAAAAAAAAFk/3oTVGqvmGoY/s640/SAM_0958.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-C3_STzDEOK8/TsUvPVd2XJI/AAAAAAAAAFs/ZC79_o0gqRg/s640/SAM_0959.jpg
১০০% বাংলাদেশী দোকান

রাস্তায় যখন হাটছিলাম তখন নিজেকে কোন সাইফাই গল্পের ক্যারেক্টার বলে মনে হচ্ছিলো। চারপাশে সব সুউচ্চ বিল্ডিং আর জ্যামবিহীন রাস্তা। সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত। রাস্তায় থু থু বা ময়লা ফেলা যাবে না। ঠিক জায়গা দিয়ে রাস্তা পার হতে হবে। রাস্তায় গাড়ি কেবলমাত্র পার্কিং এই রাখা যাবে। অন্যখানে রাখলেই ফাইন। দিনে দুইবার করে রাস্তাঘাট থেকে ময়লার গাড়ি ময়লা পরিস্কার করে যাওয়া। ঝকঝকে রাস্তাঘাট। জায়গায় জায়গায় ক্যামেরা। এসব কিছু দেখে মনে নিজেকে সাইফাই এর ক্যারেক্টার ভাবাই স্বাভাবিক। এইটা অবশ্য আমার ধারণা। ঐখানকার পাবলিক মনেহয় ভাবছিলো যে, “ধাবিতে নতুন আইছে।” কারণ আমি সুন্দর বিল্ডিং, সুন্দর গাড়ি দেখলেই দাঁড়ায় দাঁড়ায় ছবি তুলছিলাম।
https://lh5.googleusercontent.com/-leGUqbplz3s/TsUwIQH--VI/AAAAAAAAAF8/iUVpMS8H0vM/s640/SAM_1348.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-zxtbjum83UY/TsUwU9fiRMI/AAAAAAAAAGM/PqutX2VnkWQ/s640/SAM_1352.jpg

https://lh4.googleusercontent.com/--bjeV2QBdso/TsUwT27_D_I/AAAAAAAAAGE/L-7XxAhUjP0/s640/SAM_1390.jpg

https://lh6.googleusercontent.com/-IO1REDRM-as/TsUvcDPAjEI/AAAAAAAAAF0/1JsJwRDJAMU/s640/SAM_0960.jpg
এইটা কি বুঝি নাই দেখে ছবিটা তুলেছিলাম।

হেটে হেটে যখন পার্কে পৌছালাম তখন মনটাই ভালো হয়ে গেলো। কত সবুজ। অথচ সবই আর্টিফিশিয়াল। ন্যাচারাল না। অনেক কষ্ট করে এরা এই সবুজ করেছে। যেখানে ঘাস সেখানে পানি ছিটানোর জন্য স্প্রিঙ্কলার আছে। দিনের কতগুলো নির্দিষ্ট সময়ে পানি ছিটায়। আর যেখানে বড় গাছ বা ঝোপ আছে সেখানে দেখলাম ঝোপ বা গাছের নিচে পাইপের জাল। এই টাইপ নতুন যেগুলো বানাচ্ছে সেখানে দেখলাম যে, প্রথমে মাটি ফেলে তারপর খালি জিলাপীর প্যাচের মতন পাইপ বসায়। তারপর সেখানে গাছ বা ঝোপ লাগায়। পাইপগুলোর জায়গায় জায়গায় স্টপার আছে। ওগুলো একইভাবে দিনের কিছু নির্দিষ্ট সময়ে খুলে গিয়ে গাছে পানি দেয়। পার্কের ভিতরে বসার জন্য জায়গায় জায়গায় বেঞ্চ। পাবলিকের ব্যায়াম করার জন্য কতগুলো যায়গায় কিছু ইন্সট্রুমেন্ট স্ট্যান্ড রাখা। জায়গায় জায়গায় সুন্দর সুন্দর ফোয়ারা যেগুলোর পানি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার। লোকজন যাতে পরিবারসহ এসে পিকনিক করতে পারে এজন্য জায়গায় জায়গায় বারবিকিউ স্ট্যান্ড করা। বাচ্চাদের খেলার জন্য আলাদা জায়গা। ঝকঝকে পাবলিক টয়লেট। এই সবকিছুই ফ্রী। পার্কে ঢুকতে বা এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করার জন্য আলাদা কোন টাকাপয়সা দেওয়া লাগে না। লোকজনের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেজন্য কিছু সিকিউরিটির লোকও আছে। পার্কে ঢুকে দুদন্ড বসে এত ভালো লেগেছিলো যা বলার মতন না। এই প্রথম আবুধাবি একটু ভালো লাগলো। সবুজের পরশে বারবার দেশের কথা মনে হচ্ছিলো দেখেই হয়তোবা এ ভালো লাগা।

https://lh5.googleusercontent.com/-B8EuxkUwtOk/TsUtZGg3xgI/AAAAAAAAAFE/W4SfVTucs2Y/s640/SAM_0940.jpg

https://lh5.googleusercontent.com/-2ght5d0XTZU/TsUtBLmbkyI/AAAAAAAAAE0/1MubocJcEmo/s640/SAM_0944.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-R53bV03CRl8/TsUt5jyX3nI/AAAAAAAAAFM/ALSVwTM1EHU/s640/SAM_0946.jpg

https://lh3.googleusercontent.com/-C47xT95JPZk/TsUuVo7_pdI/AAAAAAAAAFU/Q2JQ5RMQhbw/s640/SAM_0951.jpg
(চলবে)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

দারুন ভাইয়া, সিরিজটা অসাধারণ লাগছে  smile

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

অপরিচিত লিখেছেন:

দারুন ভাইয়া, সিরিজটা অসাধারণ লাগছে  smile

ধন্যবাদ মাসুদ ভাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

শেষের গাড়ীটার পেছনে দেখি পাঙ্খা লাগানো। কাউয়া ভাইয়ের নিজস্ব স্ট্যাইলে লিখলে আরও বেশী ভালো লাগত worried

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

ভালো লাগলো। কিন্তু এবার .....  hehe  প্রত্যাশা বেড়ে গেছে যে। hehe hehe

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

লেখাটা আগের মত হয় নাই, কিন্তু ছবিগুলো দিয়ে মন ভরায়া দিছেন...

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

ভাল লাগছে সিরিজটা  smile smile

সালেহ আহমদ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

তার-ছেড়া-কাউয়া ভাই আমি একটা বিষয় কিছু তেই বুঝলামনা আমিরাতে আপনার কিছুই ভালো লাগেনি  শুধু পার্ক ছাড়া তাও আবার দেশের কথা মনে করে ! এটা দিয়ে আপনি যে বিরাট দেশ প্রেমিক তা বুঝাতে চেয়েছেন? তাহলে এত টাকা খরচ করে বিভিন্ন দেশ থেকে এত লোক সেখানে বেড়াতে যায় কেন ? আর সেখানকার সব কিছুই যে আপনার কাছে বিশ্ময়কর সুন্দর লগেছে তা আপনি লুকাতে চাইলেও আপনার বিবরনীতেই বুঝা যায় ।

হলুদ হিমুকে খুব ভালবাসি।

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

রিমন লিখেছেন:

তার-ছেড়া-কাউয়া ভাই আমি একটা বিষয় কিছু তেই বুঝলামনা আমিরাতে আপনার কিছুই ভালো লাগেনি  শুধু পার্ক ছাড়া তাও আবার দেশের কথা মনে করে ! এটা দিয়ে আপনি যে বিরাট দেশ প্রেমিক তা বুঝাতে চেয়েছেন?

কড়া একটা উত্তর লিখতে চেয়েছিলাম উপরোক্ত লাইনের বদৌলতে। কিন্তু কাউয়া ভাইকে উদ্দেশ্য করে যেহেতু প্রশ্ন করা হয়েছে সুতরাং উত্তর তিনিই দিবেন।

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুন (১৮-১১-২০১১ ০০:২২)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

আপনি ত দেখি চরম লেখক! thumbs_up আমারও এই পর্বে এসে আবুধাবী একটু ভালোলাগা শুরু করছে।  dream আপনার লেখায় এমন চরমভাবে ফিলিংসগুলা তুলে ধরেছেন যে মনে হয় আপনার যেখানে যেইরাম অনুভূতি হইছে, আমাদেরও সেই রকমই হচ্ছে!  ghusi

তা ভাবী এই দেশে এসে থাকেন ক্যামনে?  ghusi

শেষের গাড়ীটার পেছনে দেখি পাঙ্খা লাগানো। কাউয়া ভাইয়ের নিজস্ব স্ট্যাইলে লিখলে আরও বেশী ভালো লাগত

লেজওয়ালা গাড়ি!  ghusi আমি কিন্তু দক্ষিনের মাহবুব আর ফয়সালের সাথে একমত না। মানুষ মনে একেক সময় একেক অনুভূতি হয়। কাউয়া ভাইয়ের রিক্ত, সিক্ত অনুভূতিসম্পন্ন লেখাগুলোও সেভাবে মন উদাস করিয়ে ছাড়ে। আর এই লেখাটায় একরকম মুগ্ধতার অনুভূতি ছড়িয়ে আছে। সেই আবুধাবীর প্রভাবই মনে হচ্ছে এই লেখায় পড়েছে। এই কারনেই এই লেখাটা পড়েও সেই রকম ফিলিংস হচ্ছে যার কাছাকাছি, আরও বেশি কিছু ফিলিংস কাউয়া ভাইয়ের হয়েছে।  smile এটাই কাউয়ার স্বকীয়তা।

আর নিজস্ব স্টাইল নেই কই?  hehe  hehe  hehe

কিন্তু এখানকার ড্রাইভারগুলা মনেহয় আমার চেয়েও বড় মফিজ। সামনে লোক দাড়াইলে ১ কিমি দূর থেকে গাড়ি থামায় দেয়। এই ব্যাটারা বাংলাদেশে এসে গাড়ি চালাইতে গেলেতো রীতিমতো এক্সিডেন্ট করবে। আমাদের সরকারের উচিত যারা এই টাইপ দেশ থেকে এসে আমাদের দেশে গাড়ি চালাইতে চায়, তাদের আলাদা ট্রেইনিং এর ব্যবস্থা করা। নাইলে ঢাকায় আইসা আইল্যান্ড আর নয় নম্বর বাসের চিপায় পইরা অকালে মরবো সব।

লেখাটা সুপার-ডুপার-ট্রুপার হচ্ছে..., যাস্ট কিপিটাপ। ঠিক এইভাবেই চালায়া যান।  dream

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৮-১১-২০১১ ০০:৪২)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

রিমন লিখেছেন:

তার-ছেড়া-কাউয়া ভাই আমি একটা বিষয় কিছু তেই বুঝলামনা আমিরাতে আপনার কিছুই ভালো লাগেনি  শুধু পার্ক ছাড়া তাও আবার দেশের কথা মনে করে ! এটা দিয়ে আপনি যে বিরাট দেশ প্রেমিক তা বুঝাতে চেয়েছেন? তাহলে এত টাকা খরচ করে বিভিন্ন দেশ থেকে এত লোক সেখানে বেড়াতে যায় কেন ? আর সেখানকার সব কিছুই যে আপনার কাছে বিশ্ময়কর সুন্দর লগেছে তা আপনি লুকাতে চাইলেও আপনার বিবরনীতেই বুঝা যায় ।

হা হা হা। আমি যে দেশপ্রেমিক না সেই বিষয়ে আমি একটা টপিকেই বলেছিলাম। ইচ্ছে হলে খুজে নিয়ে পড়ে দেখতে পারেন। ক্ষেতপ্রেমিক বলা যায় আমাকে  lolকি সুন্দর লাগছে আর কি অসুন্দর লাগছে সেইসবতো তুলে ধরার চেষ্টা করতেছিরে ভাই। আপনি আমার পার্কপ্রেম দেখলেন, কিন্তু কিভাবে এরা জিনিসগুলা বানাইছে সেইটার যে বর্ণণা দিলাম সেটা দেখলেন না? আজব লাগলো। neutral যাক, সবাই যে সবকিছু বুঝে ফেলবে সাথে সাথে তেমন কোন কথা নাই। হাতের পাচ আঙ্গুলতো আর সমান না, তাই না? lol এরা যে এত টাকা খরচ করে সবুজায়ন করছে সেটা দেখে ভালো লেগেছে। তবে আসার সময় যে ধু ধু প্রান্তর দেখতে দেখতে আসছি তা ভালো লাগে নাই। আর আমার দৃষ্টিতে যেটা ভালো লাগবে , সেটা আপনার দৃষ্টিতে ভালো নাও লাগতে পারে। হা হা। আর কোনকিছু লুকাতে চাইলে ছবি সহকারে সেটার বর্ণনা দিতে যাবো কেন ভাই?

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

কড়া একটা উত্তর লিখতে চেয়েছিলাম উপরোক্ত লাইনের বদৌলতে। কিন্তু কাউয়া ভাইকে উদ্দেশ্য করে যেহেতু প্রশ্ন করা হয়েছে সুতরাং উত্তর তিনিই দিবেন।

আপনের মাথা ইদানিং দেখা যায় আসলেই বেশি গরম থাকে। স্বপ্নীল ভাইয়ের কথা তাইলে সত্য। আমি সবকিছু বিনম্রতার সাথে নেওয়ার চেষ্টা করতেছি ইদানিং। গান্ধী স্টাইল আরকি big_smile আর লেখা কেন মজা হয় নাই, সেটা নিচে অন্যদেরকে বললাম।

@সালেহ আহমদ, faysal_2020, আরণ্যক ভাইঃ কেমনে মজা করে লিখবো বলেন? এই পর্বেতো রাস্তাঘাটে কোন পাবলিকের সাথে দেখা হয় নাই? হইলে খাজুরা আলাপ করে মজা করতাম  lol

মুন লিখেছেন:

আপনি ত দেখি চরম লেখক! thumbs_up আমারও এই পর্বে এসে আবুধাবী একটু ভালোলাগা শুরু করছে।  dream আপনার লেখায় এমন চরমভাবে ফিলিংসগুলা তুলে ধরেছেন যে মনে হয় আপনার যেখানে যেইরাম অনুভূতি হইছে, আমাদেরও সেই রকমই হচ্ছে!  ghusi

তা ভাবী এই দেশে এসে থাকেন ক্যামনে?  ghusi

ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার ভাবীর যথেষ্ট কষ্ট হয়। তবে আস্তে আস্তে এডজাস্ট কর ফেলেছে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১২

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:
দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

কড়া একটা উত্তর লিখতে চেয়েছিলাম উপরোক্ত লাইনের বদৌলতে। কিন্তু কাউয়া ভাইকে উদ্দেশ্য করে যেহেতু প্রশ্ন করা হয়েছে সুতরাং উত্তর তিনিই দিবেন।

আপনের মাথা ইদানিং দেখা যায় আসলেই বেশি গরম থাকে। স্বপ্নীল ভাইয়ের কথা তাইলে সত্য। আমি সবকিছু বিনম্রতার সাথে নেওয়ার চেষ্টা করতেছি ইদানিং। গান্ধী স্টাইল আরকি big_smile আর লেখা কেন মজা হয় নাই, সেটা নিচে অন্যদেরকে বললাম।

আমার ব্যাপারটা হইল আফটার ইফেক্ট এর মত। কোন কারণে মেজাজ খারাপ হলে সেই মেজাজ খারাপটা অন্য সবকিছুর উপরেই চলে আসে। মিয়া সেই সকাল থিকা সেন্টওস এ ডিএনএস সার্ভার কনফিগার করার চেষ্টা করতেছি। এখন বাজে রাত ১২ টা। এখনও কাজ হয় নাই। যে সমস্যার কারণে সার্ভার রান করতেছে না সেটারও কোন সমাধান দেখছি না। এতক্ষণ ভার্চুয়াল বক্সে ট্রাই করতেছিলাম। রাগের মাথায় এক ড্রাইভ ফরম্যাট করে সেখানে ইনস্টলের চেষ্টা করলাম। ইন্সটলই হয় না। এখন আবার নতুন করে লাইভ ডিভিডি ডাউনলোড দিলাম। আধাঘন্টার পরে সদ্যোজাত আইএসও খানা দিয়ে ডাইরেক্ট ইনস্টল করব। মোটামুটি সবকিছু মিলাইয়া চ্রম বিলা অবস্থায় আছি। তবে সবকিছুতেই বিনোদন খোজার চেষ্টা করছি এখন। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে থাকে না যে রাগ না দেখিয়ে ওটার মাঝে বিনোদন খুজতে হবে tongue

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন shitol69 (১৮-১১-২০১১ ০০:৩৩)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

দাদা আমাগো দেশখান কেন এমবায় হইলো? cry cry cry

লেখা পইড়া মুজতবা আলীর কথা মনে পড়লো.
কিপ-ইট-আপ! thumbs_up thumbs_up

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

ছবিগুলা দেখে মন ভরে গেলো  smile

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

১৫

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

পুরো দশ মিনিট লাগলো টপিকটা ওপেন হতে। আমার নেট স্পীড মনে হয় সবচেয়ে কম।  লেখাটা খুবই মনোযোগ দিয়ে পরলাম। দুই নম্বর পর্বটা এখনো আমার কাছে বেস্ট। ছবিগুলো খুবই চমৎকার লেগেছে। আর এই লেখাটাতে আপনার লেখার ধাচ খুজে পাই নাই। কেমন যেন লেখাটা সরল স্বাভাবিক লেগেছে। worried

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৬

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

shitol69 লিখেছেন:

দাদা আমাগো দেশখান কেন এমবায় হইলো? cry cry cry

লেখা পইড়া মুজতবা আলীর কথা মনে পড়লো.
কিপ-ইট-আপ! thumbs_up thumbs_up

খাইছে!! গ্রেটেস্ট গুরু অফ বাংলা রম্যের সাথে তুলনা করলেন? গুরুর দেশে বিদেশে পড়েছেন নিশ্চয়ই? সেই লেভেলের জোস।

বোরহান লিখেছেন:

ছবিগুলা দেখে মন ভরে গেলো  smile

ধন্যবাদ বোরহান ভাই।

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

পুরো দশ মিনিট লাগলো টপিকটা ওপেন হতে। আমার নেট স্পীড মনে হয় সবচেয়ে কম।  লেখাটা খুবই মনোযোগ দিয়ে পরলাম। দুই নম্বর পর্বটা এখনো আমার কাছে বেস্ট। ছবিগুলো খুবই চমৎকার লেগেছে। আর এই লেখাটাতে আপনার লেখার ধাচ খুজে পাই নাই। কেমন যেন লেখাটা সরল স্বাভাবিক লেগেছে। worried

সরল স্বাভাবিক লাগার কারণটা হইলো এইখানে কারো সাথে কোন ডায়ালগবাজি নাই  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৭

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

সরল স্বাভাবিক লাগার কারণটা হইলো এইখানে কারো সাথে কোন ডায়ালগবাজি নাই

ওহো এইবার বুঝতে পেরেছি। সেই তখন থেকে ভাবতে ছিলাম কি যেন নাই কি যেন নাই। এখন বুঝতে পারলাম।

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৮

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

জুশ, প্রথম কালা গাড়িটা কি পোর্শে? প্রথম এন,ওয়াইতে নাইমা আমারো এই অবস্থা হইছিলো। দামী গাড়ী দেখার জন্য ঘাড় আকা বাকা করতে করতে টায়ার্ড হয়ে গেছিলাম।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৮-১১-২০১১ ০২:১৯)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

জুশ, প্রথম কালা গাড়িটা কি পোর্শে? প্রথম এন,ওয়াইতে নাইমা আমারো এই অবস্থা হইছিলো। দামী গাড়ী দেখার জন্য ঘাড় আকা বাকা করতে করতে টায়ার্ড হয়ে গেছিলাম।

প্রথমটা একটা কালো ফেরারী, সেকেন্ডটা একটা ফোর্ড জিটি(কি সিরিজ জানিনা), তিন  নম্বরটা কি ঐটা আপনি জানেন, আর চার নম্বর গাড়ির পিছনে পাঙ্খা যে কেন ঐটা বুঝি নাই। একখান মাস্ট্যাং মাসল কারের ছবি আছিলো। লোকজন বিরক্ত হতে পারে বিধায় দেই নাই smile)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

২০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৪

এই পর্বটা একটু সাদামাটা হলেও বেশ লেগেছে, সেটা নির্দিধায় বলে ফেলা যায়। আর বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে আপনার তোলা ছবি। সুন্দরভাবে ভ্রমন কাহিনী তুলে ধরায় আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।