সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৬-১১-২০১১ ২২:৪২)

টপিকঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

পূর্বে ঃ আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-২

আই স্ক্যান, ইপিজেড, হাই স্পীড ড্রাইভিং আর ধু ধু প্রান্তরঃ
প্লেন থেকে নেমে এয়ারপোর্টের ভিতরে হাটতে থাকলাম।ঝকঝকে তকতকে এয়ারপোর্ট। আমি আবার ইস্মার্টতো, তাই প্রথমেই দেয়াল ঘড়ির সাথে আমার হাতের ঘড়ির টাইম মিলায় নিলাম। আমার হিসেব বলছিলো যে আমাদের প্রথমে ‘পাসপোর্টস’ এ যেতে হবে। কিন্তু এ কথা আমার স্ত্রীকে বলতেই সে ছোটখাটো একটা হুঙ্কার ছাড়লো,
-‘ আরে নাহ। আমাদের যেতে হবে ট্রান্সফার ডেস্কে।’
আমি মিনমিন করে বললাম,
-    কিন্তু আমারতো মনেহয় ট্রান্সফার ডেস্কে যাদের ট্রানজিট আছে তারা যাবে।
-    আরে, তুমি এতো টেনশন নিয়ো নাতো। আমি একবার না, দুইবার না, ছয়ছয় বার এ রুটে যায়াযাত করসি।
আগত্য ট্রান্সফার ডেস্কে যাবো কিভাবে সেটা জিজ্ঞেস করার জন্য আমরা এয়ারপোর্টের স্টাফ খুজতে লাগলাম। দূর থেকে দেখলাম এক চাইনিজ মহিলা, পাবলিককে ডাইরেকশান দিচ্ছে। পরে কাছে গিয়ে দেখি বেটি ফেলিপিনো। ধ্যেত। নকল বিদেশী। এরপরও আমি আগ্রহের সাথে এক লাইন ইংলিশ বললাম,
-    Excuse me. Can you show me the way to the transfer desk?
ঐ পাশ থেকে উত্তর আসলো,
- ত্যাতা প্যাতা, ত্যাতা প্যাতা।
আমি বেকুব বনে গেলাম। হা করে বউয়ের মুখের দিকে তাকায় দেখি ও মহিলার কথা না বুঝে নিজেও হা করে আছে। তবে মহিলা ইংরেজীতেই উত্তর দিয়েছিলো এটা নিশ্চিত। কি আর করা? মহিলাকে থ্যাঙ্কস বলার পরেই দেখি যে উপরে খুব সুন্দর করে ট্রান্সফারডেস্কসহ অন্যান্য যায়গায় যাওয়ার দিকনির্দেশনা দেয়া আছে।   

https://lh3.googleusercontent.com/-GCz3NLx5_30/TsPlqJaH3KI/AAAAAAAAAEk/k0vg7avbcFc/s640/SAM_0908.jpg

ট্রান্সফার ডেস্কে গেলে ওরা অবাক হয়ে বলে তোমরা এখানে কেন? পাসপোর্টসে যাও। পাসপোর্টসে গেলে ওরা বললো,
-    ফার্স্ত তাইম ইন ইউ.এ.ই।?
-    ইয়েস।
-    দেন, গো তু দ্যা রাইত দেস্ক ফর আই স্ক্যান।

রাইত দেস্কে  গিয়ে দেখি এক বিশাল বপুর আরব অফিসার বসে আছে। আমারে দেখে এমনভাবে তাকালো যেন মনে মনে বলছে।, ‘শালা লেবার হয়া চোখে চশমা লাগাইছো ইস্মার্ট হওয়ার লাইগা?’। কাছে আগায় গেলে চোখ স্ক্যান করার যন্ত্র দেখায় বললো,
-    তুমহারা বায়ে আখে ইধার লাও। (হিন্দী এ্যাক্সেন্টটাও একটু আজব টাইপ)
এমন একখান ভাব নিলাম যে বাপের জন্মে হিন্দী শুনি নাই।
    -    Sorry, cant understand you man. English plz.
-    পুত ইওর লেফত আই ক্ষিয়ার। (হ কে ক্যাম্নে জানি একদম গলার ভিতর থেকে উচ্চারণ করে। মনেহয় ক্ষ উচ্চারণ করছে)
-    ওকে।
-    নাও, পুত ইওর রাইত আই ক্ষিয়ার।
-    Ok. Its done, right?
-    ইয়া ইয়া। নাও, গো তু দ্যা ইমিগ্রেসন অন ইওর রাইত।

ইমিগ্রেশন কোন ঝামেলা ছাড়াই পার হলাম। এখানে একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে, ওরা ভিসার বারকোডটা স্ক্যান করার সাথে সাথেই যে ভিজিটরের আগমনের খবর তার স্পন্সরের মোবাইলে মেসেজ হয়ে চলে যায়। এইটা তখন অবশ্য জানতাম না। তাই বাইরে অপেক্ষমাণ আমার শ্বাশুরীকে একটা কল করার জন্য উপায় খুজতে লাগলাম। সাথে কয়েন বা দিরহামও নয়াই  যে পে-ফোন থেকে কল দিবো। আমি কিছু ডলার ভাঙ্গানোর কথা চিন্তা করছিলাম, ঠিক তখনই দেখি আমার বৌ এক পাবলিককে বলছে,
-    ভাই, আপনার মোবাইল থেকে একটা কল করা যাবে?
-    আন্নে মান্নে গান্নে কারাল্লা ? (ব্যাটা তামিল বলছিলো মনেহয়)
-    Sorry. I thought you speak bangle. My mom is waiting outside. Can I call her from your mobile please?
-    Ok. Sure sure.

এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে দেখি বাইরে প্রচন্ড রোদ আর গরম। তার মধ্যেও আমার শ্বাশুরি ওখানকার আরেক বাংলাদেশি আন্টিকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আমাদের দেখে খুশিতে আটখানা। ওনারা একটা ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন। গাড়ির ড্রাইভারের নাম লেমন যে। আর লেমনের বাড়ি চিটাগাং যে। আমাকে সামনে বসতে বললে, আমি খুব স্মার্টভাবে গাড়ির সামনের বামের দরজাটা খুলতে গিয়ে দেখি আমি ড্রাইভিং সিটের দরজা খুলতে যাচ্ছি। তখন মনে হলো যে, এইখানে সব রাইট-হ্যান্ড ড্রাইভ। তাই গাড়ির স্টিয়ারিং সব বামে। আমার এই কাহিনী দেখে এক-পশলা হাসির আইলা বয়ে গেলো পিছনে বসে থাকা আমার শ্বাশুরীদের মধ্যে।

এখান থেকে আমরা যাত্রা শুরু করলাম আমার শালার ইউনিভার্সিটির উদ্দেশ্যে। ও শারজা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। ওর সাথে দেখা করেই আমরা আবার আবুধাবির উদ্দেশ্যে রওনা দিবো। এয়ারপোর্ট থেকে খুব বেশি হলে ১৫ মিনিটের ড্রাইভ। কিন্তু লেমন সাহেবের মনে হলো, মনে খায়েশ জাগছে যে, দেশ থেকে আগত নয়া পাবলিককে সে তার যাবতীয় ড্রাইভিং স্কীল একদিনেই দেখায় দিবে। কাজেই সে খুব বেশি হলে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের শালাবাবুর ডর্মে নিয়ে আসলো। শালাবাবুর ইউনিভার্সিটিটা হলো ইউনিভার্সিটি সিটি নামক এক জায়গায়। এই জায়গাটা অনেকটা সাভার ইপিজেড এর মত। কারণ আরব আমিরাতের সমস্ত নামীদামী, দেশী-বিদেশী ইউনিভার্সিটির একটা করে ক্যাম্পাস এখানে আছে। একটা বিশাল গেট দিয়ে ঢুকতে হয়। এক এক পাশে তিন লেনের রাস্তা (পার্কিং ছাড়াই), আর দুই পাশে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি।

https://lh3.googleusercontent.com/-2nipUQezUOM/TsPlkrLFS5I/AAAAAAAAAEc/cj4e6rlTeQ0/s640/SAM_0911.jpg
শালাবাবুর ডর্ম

শালাবাবুর সাথে শর্ট সাক্ষাত শেষে আমরা লেমন সাহেবের গাড়িতে আবুধাবির পথে রওনা দিলাম। সামনে প্রশস্ত হাইওয়ে। একপাশে পার্কিং ছাড়াই ছয় লেনের হাইওয়ে। কোথাও কোন ভাঙ্গাচোরা নয়াই। এরকম রাস্তায় লেমন সাহেব ১৬০ কিমি/ঘন্টা বেগে চালাতে শুরু করলেন। দেশ থেকে আসা নতুন পাবলিক দেখে আনন্দের আতিশয্যে লেমন সাহেবের এরকম হলো , নাকি উনি বাইডিফল্টই ‘নিড ফর স্পিড’ এর মতন গাড়ি চালান, সেটা অবশ্য আমি বুঝতে পারলাম না। আবার মাঝে মাঝে দেখি বিচ্ছিরীভাবে ধাই করে স্পীড কমায় ফেলতেসে। অথচ রাস্তা ফাকা, স্পীডব্রেকারও নাই। কয়েকবার এরকম করার পরে আমি বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
-সমস্যা কি? 
- ক্যামেরা যে।
- ক্যামেরা যে কি?
- বেশি জোরে গেলে ছবি তোলে যে। ফাইন হয় যে। স্পীড ১২০ এর নিচে রাখতে হয় যে।

একেতো জেটল্যাগ। তার উপর যে শরীর কখনো ১২০ এর বেশি স্পীড সহ্য করে নাই, তাকে সহ্য করতে হচ্ছে ১৬০ স্পীড। আমার বউয়ের হালও আমার মতই খারাপ। আমি আর চোখ খুলে রাখতে পারলাম না। চোখ খুলে রেখে দেখার মতও কিছু নাই। সামনে বিশাল চওড়া হাইওয়ে আর দুইপাশে ধু ধু তামাটে রুক্ষ প্রান্তুর। আবুধাবিতে ঢোকার আগে রাস্তার দুধারে কিছু সবুজ দেখলাম। কিন্তু যেরকম সবুজ দেখতে অভ্যস্ত সেরকম না। কেমন যেন ন্যাড়া টাইপ সবুজ। সেটাও নাকি ম্যালা টাকা খরচ করে কৃত্তিমভাবে তৈরী করা সবুজ। বাইরে প্রচন্ড রোদ আর তাপ। সবাই এখানে এসে এত খুশি হয় কেন বুঝতে পারলাম না। খুশি হওয়ার মতন কোন কিছুই দেখলাম না। আমি চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করতে থাকলাম। হয়তো আবুধাবি পোছানোর পরে দৃশ্যপট বদলে যেতে পারে।
(চলবে)

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুন (১৬-১১-২০১১ ২২:৩৯)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

ওয়াও, হেভী জোস...। এমন লেখাই ত চাই। thumbs_up মনে হচ্ছে আমারই সফর হয়ে যাচ্ছে। আর আমিরাত না গেলেও চলবে...।  hehe

আমার আবার সেইরকম প্লেইনভীতি...।  dontsee

যাহোক যেটা বলতে চাচ্ছিলাম আর কি।  blushing তাড়াতাড়ি শেষ করবেন না কিন্তু...্। shame সারাদিন ম্যাড় মেড়ে ফোরাম দেখে শেষে এসে যখন এই লেখাটা পেলাম, মনে হল এক্কেবারে 'শেষ ভালো যার সব ভালো তার'। মানে ফোরামিংটা নেহায়েৎ খারাপ গেল না।  tongue_smile

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

মুন লিখেছেন:

ওয়াও, হেভী জোস...। এমন লেখাই ত চাই। thumbs_up মনে হচ্ছে আমারই সফর হয়ে যাচ্ছে। আর আমিরাত না গেলেও চলবে...।  hehe

আমার আবার সেইরকম প্লেইনভীতি...।  dontsee

যাহোক যেটা বলতে চাচ্ছিলাম আর কি।  blushing তাড়াতাড়ি শেষ করবেন না কিন্তু...্। shame সারাদিন ম্যাড় মেড়ে ফোরাম দেখে শেষে এসে যখন এই লেখাটা পেলাম, মনে হল এক্কেবারে 'শেষ ভালো যার সব ভালো তার'। মানে ফোরামিংটা নেহায়েৎ খারাপ গেল না।  tongue_smile

ধন্যবাদ। কিছু জিনিস আছে যেগুলো নিজে না গিয়ে দেখলে হয় না। অবশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার ইচ্ছা থাকলে ভুলেও ও পথে পা মাড়াবেন না।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

ভালো হচ্ছে চালায় যান।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

আপনার গল্প বলার ধরনটা অসাধারন ।
মুন আপুর সাথে একমত, কোনভাবেই তাড়াতাড়ি শেষ করা যাবেনা...
তবে ছবি একটু কম হয়ে গেছে...আরো কয়েকটা ছবি দিলে ভালো হইতো...

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

-

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

    তুমহারা বায়ে আখে ইধার লাও। (হিন্দী এ্যাক্সেন্টটাও একটু আজব টাইপ)
এমন একখান ভাব নিলাম যে বাপের জন্মে হিন্দী শুনি নাই।
    -    Sorry, cant understand you man. English plz.

অসাধারণ কাজ করছেন। আবারও  hehe hehe hehe

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

গুলো নিজে না গিয়ে দেখলে হয় না। অবশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার ইচ্ছা থাকলে ভুলেও ও পথে পা মাড়াবেন না।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই যদি না দেখলাম, তাইলে আর পাড়া বেড়ায় লাভ কি? আই মিন ঐ পাগলা পঙ্খীরাজে চইড়া লাভ কি? আমি ছেলে হইলে আগে বিরিশিরি, হামহাম এইসব দেখতে যাইতাম।

তারপর হয়ত যাইতাম 'আমি হিমু'র ফিনল্যান্ডে...। মানে দেশের বাইরে গেলেও সবুজ দেখতেই যাইতাম আর কি...। দুষ্ক!  brokenheart জীবনে কিছুই দেখি নাই... কিছুই দেখব না।

দেখিতে যাই নি পর্বতমালা দেখা হয় নাই সিন্ধু
দেখেছি হয়ত ঘাসের উপর শিশিরের কিছু বিন্দু
দেখেছি আকাশ ক্ষণে ক্ষণে যার বদলায় রং রূপ
দেখেছি আমার বৃদ্ধা মায়ের মায়া মাখা হাসিমুখ

আরও হয়ত অনেক কিছু দেখেছি কিংবা না
সমস্যা কি, আছে বন্ধুরা সাথে নিয়ে ক্যামেরা
বন্ধুরা যায় বুড়িগঙ্গায়, বান্দরবনে, বীচে
তাদের ছবিতে বিশ্ব দেখি ঘরে বসে পিসিতে!!!

আর লেখা আর বই ত আছেই...।  tongue_smile

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

তার ভাই lol2 ।লেখা কি বলব অনেক অনেক অনেক ভাল হচ্ছে ।পড়তে পড়তে একদম চোখের সামনে ভেসে উঠছে আপনার মুক ,আপনার স্ত্রীর ,আপনার শাশুড়ির এবং তার বান্ধবীর ।ভেসে উঠছে প্লেনের অবস্থা ,প্লেনের বাইরের দৃশ্য ।আর ড্রাইভারের গাড়ি তো আরও স্পষ্ট দৃশ্য ।
এই লেখাটার পর্বের জন্যেই দিনে ৮০%ফোরামে আসি ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১৬-১১-২০১১ ২৩:৪৮)

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

ভালো হচ্ছে চালায় যান।

ধন্যবাদ।

faysal_2020 লিখেছেন:

আপনার গল্প বলার ধরনটা অসাধারন ।
মুন আপুর সাথে একমত, কোনভাবেই তাড়াতাড়ি শেষ করা যাবেনা...
তবে ছবি একটু কম হয়ে গেছে...আরো কয়েকটা ছবি দিলে ভালো হইতো...

ধন্যবাদ। আমি সে সময় ক্যাল্টায় গেছিলাম। ছবি তোলার মত অবস্থা আমার ছিলো না। এর জন্য ঐ সময়টার ছবি তেমন একটা নাই।

আরণ্যক লিখেছেন:

অসাধারণ কাজ করছেন। আবারও  hehe hehe hehe

ভাই, আপনি দেখি সবসময় মুখটিপে হাসেন। কাহিনী কি?

মুন লিখেছেন:

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই যদি না দেখলাম, তাইলে আর পাড়া বেড়ায় লাভ কি?


লাভ আছে। সামনের পর্বে এক আধটু হয়তো দেখাতে পারবো।

মোঃজাবেদ হোসেন লিখেছেন:

এই লেখাটার পর্বের জন্যেই দিনে ৮০%ফোরামে আসি ।

বাপরে, এই কথা বলেতো আমাকে আকাশে উঠায় দিলেন। আমার নামই তার-ছেড়া-কাউয়া। কিন্তু পাখা নাই। উড়তে পারি না। এখনতো টুপ করে নিচে পরে যাবো। হা হা । ধন্যবাদ আপনাকে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

thumbs_up দারুন মজা পেলাম। খুব সুন্দর লিখেছেন। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

১১

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

কাক ভাই আস্তে আস্তে দেন। ভালো লেখায় সম্মাননা না দিতে পারলে কষ্ট লাগে। কপি পেষ্ট- তার-ছেড়া-কাউয়া

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১২

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

মুন লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

গুলো নিজে না গিয়ে দেখলে হয় না। অবশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখার ইচ্ছা থাকলে ভুলেও ও পথে পা মাড়াবেন না।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই যদি না দেখলাম, তাইলে আর পাড়া বেড়ায় লাভ কি? আই মিন ঐ পাগলা পঙ্খীরাজে চইড়া লাভ কি? আমি ছেলে হইলে আগে বিরিশিরি, হামহাম এইসব দেখতে যাইতাম।

তারপর হয়ত যাইতাম 'আমি হিমু'র ফিনল্যান্ডে...। মানে দেশের বাইরে গেলেও সবুজ দেখতেই যাইতাম আর কি...। দুষ্ক!  brokenheart জীবনে কিছুই দেখি নাই... কিছুই দেখব না।

দেখিতে যাই নি পর্বতমালা দেখা হয় নাই সিন্ধু
দেখেছি হয়ত ঘাসের উপর শিশিরের কিছু বিন্দু
দেখেছি আকাশ ক্ষণে ক্ষণে যার বদলায় রং রূপ
দেখেছি আমার বৃদ্ধা মায়ের মায়া মাখা হাসিমুখ

আরও হয়ত অনেক কিছু দেখেছি কিংবা না
সমস্যা কি, আছে বন্ধুরা সাথে নিয়ে ক্যামেরা
বন্ধুরা যায় বুড়িগঙ্গায়, বান্দরবনে, বীচে
তাদের ছবিতে বিশ্ব দেখি ঘরে বসে পিসিতে!!!

আর লেখা আর বই ত আছেই...।  tongue_smile

 

হবে না খেলবো না আপ্পি, পাসপোর্ট যেহেতু করাচ্ছো এখানেও আসতে হবে। ৫১ স্টেইটের ৫১ সৌন্দর্যে মুগ্দ্ধ হবা আমি শিওর।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

ভালো হচ্ছে চালায় যান  thumbs_up thumbs_up

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

ফিলিপিনিদের ইংরেজী খুবই বিসরি ( বিশ্রী) । বুঝতে কস্ট হয়। ফেন্ড্র রে বলে ফ্রে।
আর আপনি যাকে তামিল ভেবেছেন মনে হয় ঐ ব্যাটায় হবে কেরেলা। যাদের চাদের দেশে গেলেও পাবেন।

ভ্রমণ কাহিনী বেশ উপভোগ্য।
ধন্য আমরা, আপনার এই ধারাবাহিক পড়ে।  clap

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

মুন লিখেছেন:

ওয়াও, হেভী জোস...। এমন লেখাই ত চাই। thumbs_up মনে হচ্ছে আমারই সফর হয়ে যাচ্ছে। আর আমিরাত না গেলেও চলবে...।  hehe

্আমিও জাস্ট এটুকু্ই বলতে (লিখতে) চাইছিলাম smile মুন আপু লিখে দেয়ায় আমি টাইপিং হতে বেঁচে গেলাম। ধন্যবাদ কাউয়া ভাইকে ।

১৬

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

এয়ারপোর্ট স্টাফ ঐ মহিলা চাইনিজ না ফিলিপিনো সেইটা বুঝলা কিভাবে? ত্যাতাপ্যাতা না বুঝে?!  isee

বাসায় আর আসার সময় এইসব শুনি নাই। এগুলো ছাড়াই যতটুকু বাসায় বলেছো আর ফেসবুকের ছবির কল্যানে দেখেছি তাতে যতদুর বুঝতেছি কাহিনী অবশ্যই ১০ পর্ব ছাড়ায় যাবে।  hug

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

শান্ত বালক লিখেছেন:

thumbs_up দারুন মজা পেলাম। খুব সুন্দর লিখেছেন। আসাদুজ্জামান ভাইকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ ভাই ।

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

ভালো হচ্ছে চালায় যান  thumbs_up thumbs_up।

ইনশাল্লাহ......

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

কাক ভাই আস্তে আস্তে দেন। ভালো লেখায় সম্মাননা না দিতে পারলে কষ্ট লাগে। কপি পেষ্ট- তার-ছেড়া-কাউয়া

হে হে হে। সামনের দুইটা শব্দতো কপি-পেস্ট করেন নাই  tongue

microqatar লিখেছেন:

ভ্রমণ কাহিনী বেশ উপভোগ্য।
ধন্য আমরা, আপনার এই ধারাবাহিক পড়ে।  clap

আমিও ধন্য আপনাদের আনন্দ দিতে পেরে  big_smile

ইলিয়াস লিখেছেন:

্আমিও জাস্ট এটুকু্ই বলতে (লিখতে) চাইছিলাম smile মুন আপু লিখে দেয়ায় আমি টাইপিং হতে বেঁচে গেলাম। ধন্যবাদ কাউয়া ভাইকে ।

হা হা হা। ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই। ইচ্ছা করলে আপনিও পলাশ ভাইয়ের মতন লিখতে পারতেন।

শামীম লিখেছেন:

এয়ারপোর্ট স্টাফ ঐ মহিলা চাইনিজ না ফিলিপিনো সেইটা বুঝলা কিভাবে? ত্যাতাপ্যাতা না বুঝে?!  isee

বাসায় আর আসার সময় এইসব শুনি নাই। এগুলো ছাড়াই যতটুকু বাসায় বলেছো আর ফেসবুকের ছবির কল্যানে দেখেছি তাতে যতদুর বুঝতেছি কাহিনী অবশ্যই ১০ পর্ব ছাড়ায় যাবে।  hug

আরে চাইনিজগো কি দিন এতো খারাপ আইছে যে অন্য দেশে চাকরগিরী করতে যাইবো? আন্দাজ করছিলাম। পরে দেখি আমার আন্দাজই ঠিক। আমিরাতে এত বেশি ফিলিপিনো এখন যে রাস্তায় হাটতে গেলে খালি পায়ের তলায় পরে  big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৮

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

-    পুত ইওর লেফত আই ক্ষিয়ার। (হ কে ক্যাম্নে জানি একদম গলার ভিতর থেকে উচ্চারণ করে। মনেহয় ক্ষ উচ্চারণ করছে)
-    ওকে।
-    নাও, পুত ইওর রাইত আই ক্ষিয়ার।
-    Ok. Its done, right?
-    ইয়া ইয়া। নাও, গো তু দ্যা ইমিগ্রেসন অন ইওর রাইত।

চমৎকার আসাদ ভাই  lol lol lol

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

আমি খুব স্মার্টভাবে গাড়ির সামনের বামের দরজাটা খুলতে গিয়ে দেখি আমি ড্রাইভিং সিটের দরজা খুলতে যাচ্ছি।

হাসতে হাসতে অবস্থা কাহিল  lol2 lol2 lol2
যা "পুত ইওর লেফত আই ক্ষিয়ার" - থেকে শুরু হয়েছিল  lol lol lol

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।

১৯

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

দারুন মজা ..........  dancing dancing dancing dancing

....

২০

Re: আমার আরব আমিরাত সফর পর্ব-৩

masud3011 এবং রাসেল আহমেদকে অনেক অনেক ধন্যবাদ  big_smile big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(