সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (০৫-১১-২০১১ ১৯:৫৭)

টপিকঃ বিশ্বাস

গল্পটা ১০ দিনে একটু একটু করে লিখা, লিখতে তাই খুব একটা কষ্ট হয়নি। আমি একদিনে খুব বেশি লিখতে পারিনা, বুকের উপর খুব চাপ পড়ে। প্রজন্মের সবাই আমার প্রতি যে মায়া দেখিয়েছেন, সেজন্য আমি সবার প্রতি দায়বদ্ধ, সেখান থেকেই অসুস্থতার মাঝেই এই লিখাটা লিখলাম। তাছাড়া সারাদিন বিছানায় শুয়েই থাকি,  নানারকম চিন্তা-ভাবনা করে সময় কাটাই, অনেক গল্পের প্লট মাথায় ঘোরে, ভাবলাম লিখে ফেলি। মানুষ আমরা কেউই থাকব না, কিন্তু আমাদের স্মৃতি থাকবে। গতানুগতিক ছোটখাটো কমেন্ট না করে গল্পের কোন অংশ ভাল লেগেছে সেটা বলবেন আশা করি। এরকম ঘটনা আপনার জীবনে হলে কেমন হত তাও বলবেন প্লিজ। সবাই ভাল থাকবেন: স্বপ্নীল




এই হচ্ছে দুলাভাইয়ের সেই সুন্দর মেয়ে?? কিন্তু মেয়ে তো কালো, চোখগুলো কেমন নিষ্প্রাণ, নাক থ্যাবড়া আর মোটা ঠোট, কেমন যেন মুখটাও পেচার মত করে রেখেছে। আমি হতাশ হয়ে মাথা নাড়লাম। মাকে তারা পাশের ঘরে নিয়ে গেলো দেখে আমি আরো হতাশ হলাম। কখন এখান থেকে যাব অস্থির হয়ে গেলাম। বসে বসে কিছুক্ষণ পরপর দুলাভাইয়ের ১৬ দু গোনা ৩২ গুষ্ঠী উদ্ধার করতে লাগলাম।

লেখাটি লিখেছেন: স্বপ্নীল - প্রজন্ম ফোরাম

-মা, আবার আসবেন।

শুনে আমি পিছনে তাকিয়ে চমকে উঠলাম। এ কোন মেয়ে?? এ কি সেই একই মেয়ে? কি অদ্ভুত মায়া কাড়া চেহারা!! শ্যামলা চেহারার আশ্চর্য শান্ত দুটি চোখ, হাসছে। আমি চোখের পলক ফেলতে পারছি না।


যেতে যেতে মা বললেন: ভিতরে গিয়ে তিনি যখন বললেন: মা এদিকে এসো,
তখন নাকি মেয়েটি (নাম শান্তা) মাকে সাথে সাথে জড়িয়ে ধরেছে, আমার মাকে নাকি তার  খুব পছন্দ হয়েছে। কিন্তু মেয়েটি সামনের বছর এইচ,এস,সি দেবে, তাই আগামী এক বছর কোনভাবেই বিয়ে করতে রাজি নয়। এজন্যই সেসময় এমন মুখ গোমড়া করে ছিল।

লেখাটি লিখেছেন: স্বপ্নীল - প্রজন্ম ফোরাম

আমি বাসায় ফিরে জলদি শিমু আপাকে ফোন করলাম
-গাধা, আমাকে ফোন করেছিস কেনো? তোর বোনদের বল্।
- আপু, তুমি এটা একটা কথা বললা? তুমি জানোনা আমার বোনদের থেকেও তোমাকে আমি কত বেশি গুরুত্ব দেই?? আমার সুইট আপু একটা কিছু করো প্লিজ!

শিমু আপু খুব খুশি হল, বলল:
-আচ্ছা আচ্ছা দেখি কি করা যায়। তোর বোনরা তো গাধা, বললেও লাভ নাই, আমিই তোর এক মাত্র ভরসা যখন.........


আমি মনে মনে নিশ্চিন্ত বোধ করলাম। শিমু আপু একটা কিছু করবেই। শিমু আপু শান্তার চাচাতো বোন মিলির সাথে কথা বলিয়ে দিল। সে জানালো শান্তা খুব জেদি। সে বিয়ে করবে না এখন। তবে দামী গিফটের বিনিময়ে সে শান্তার সাথে দেখা করিয়ে দেবার ব্যবস্থা করল, কিন্তু মাত্র এক ঘন্টার জন্য।

লেখাটি লিখেছেন: স্বপ্নীল - প্রজন্ম ফোরাম

-শুনেন, মাত্র এক ঘন্টা সময়, বহু কষ্টে রাজি করিয়েছি, এর মাঝেই ওকে আপনার প্রতি ইমপ্রেস করুন, রাজি করান।
- আরে মাত্র এক ঘন্টায় কিভাবে ইমপ্রেস করব? কি বলছ এসব?
- আমি জানি না কিভাবে করবেন। সেটা আপনার ব্যাপার।
-তাহলো বলো কিভাবে বুঝব যে সে রাজি হয়েছে?
-উমম..

কিছুক্ষণ ভেবে...
- পেয়েছি..যদি তাকে আপনার হাত ধরাতে পারেন, তবে বুঝবেন যে সে রাজি হয়েছে। গুড লাক।
- কিন্তু হাত ধরাবো কিভাবে?
- আমি জানি না.........
..
বলেই আমাকে চিন্তার অথৈ সাগরে একা ফেলে সে ফোন কেটে দিলো।


বিকাল ৪টায় এমসি কলেজ পুকুর পাড়ে শান্তার সাথে দেখা হলো, পাশাপাশি বসলাম ঝাল মুড়ি মিক্সড উইথ চানাচুর নিয়ে। টুকটাক আলাপ শুরু হলো। হালকা বাতাস বইতে শুরু করল, বেশ রোমান্টিক পরিবেশ, মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিলাম।

লেখাটি লিখেছেন: স্বপ্নীল - প্রজন্ম ফোরাম
শান্তাকে বেশ কয়েকটা মজার ঘটনা শুনালাম, বেশ কিছু প্রশ্ন করে তাকে আমার সাথে সহজ করে তুললাম, তার নিজের বেশ কিছু কথা শুনলাম। পুরোটা সময় সে মাঝে মাঝে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ল, মাঝে মাঝে বেশ অবাক হলো, মাঝে মাঝে চুপচাপ শুনতে লাগল। যাক, তাকে কিছুটা হলেও ইমপ্রেস করতে পেরেছি। এক ঘন্টা হতে আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি।


-আপনাকে জীবনসংগী হিসেবে পাবার খুব ইচ্ছা ছিল। মাও আপনাকে ভীষণ পছন্দ করেছে।
-(কিছুক্ষণ যেন ভাবল) আসলে আমার পড়াশোনাটা আগে শেষ করবার ইচ্ছা।
-হুম..। আচ্ছা কিছু সময়ের জন্য কি আমরা কল্পনা করে নিতে পারি যে আপনি রাজি, আমি আপনার জীবনসংগী হতে যাচ্ছি?
- হাহাহা..ছেলেমানুষি কেন করছেন?
- আহা একটু করিই না..আর তো দেখা হবে না।

শান্তা আমার বিষন্ন মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলল: আচ্ছা, ধরে নিলাম।
-এখন কল্পনা করুন, আমি আপনার জীবনসংগী হলে কি কি ঘটত।


শান্তা কিছুক্ষন চোখ বন্ধ করে ভেবে হেসে উঠল। আমি বললাম:
- জীবনসংগীর মাঝে মেয়েরা কোন জিনিসটা সবার প্রথমে চায় বলুন তো?
- বলতে পারছি না।
- জীবনসংগীর মাঝে মেয়েরা সবার আগে চায় বিশ্বাস, সে যেন এমন একজন মানুষ পায় যাকে সে বিশ্বাস করতে পারে।

শান্তা হাসলো, আশ্চর্য, মানুষের হাসি এত সুন্দর হয়!!
লেখাটি লিখেছেন: স্বপ্নীল - প্রজন্ম ফোরাম

-আমি যেহেতু আপনার জীবনসংগী হতে যাচ্ছি, আমার হাত ধরুন।

আমি হাত বাড়িয়ে দিলাম। শান্তা কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকল, ধরল না।


-এর মানে কি জানেন? আপনি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। আপনি বিশ্বাস করতেন যদি...
-যদি???
-যদি এরকম নির্জন জায়গায় হঠাৎ একটা বখাটে ছেলে ধারালো লম্বা ছোড়া হাতে আপনাকে ধরতে আসত, আর আমি তাকে ঝাপটে ধরে আটকে রেখে আপনাকে চিৎকার করে পালিয়ে যেতে বলতাম। আপনি দৌড়ে যেতে যেতে কাঁদতে কাঁদতে প্রার্থণা করতেন: "আল্লাহ, তুমি এই মানুষটাকে বাঁচাও, প্লিজ, প্লিজ।" হয়ত ছেলেটা ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার পেটে ছোড়া ঢুকিয়ে দিত। আমি হয়ত বেঁচে থাকতাম না, কিন্তু তখন আপনার আমার প্রতি বিশ্বাস জন্মে যেত, মনে হত: এই মানুষটার চেয়ে কেউ আপনাকে বেশি ভালবাসবে না।
 

-প্লিজ, স্টপ ইট, প্লিজ...
শান্তা চিৎকার করে উঠলো।
দ্রুত হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমার মুখের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। হাত না ধরলে মনে হয় কেঁদেই ফেলবে।

এরকম খুব মায়া কাড়া চেহারার অপরিসীম মায়াবতী একটা মেয়েকে কাঁদিয়ে দেয়াটা বোধহয় ঠিক হবে না। আপনারা কি বলেন?  big_smile   


অবাক চাঁদের আলোয় দেখো
ভেসে যায় আমাদের পৃথিবী
আড়াল হতে দেখেছি তোমার
নিষ্পাপ মুখখানি......

তোমার চিরচেনা পথের ঐ সীমা ছাড়িয়ে
এই প্রেম বুকে ধরে আমি হয়তো যাবো হারিয়ে
চোখের গভীরে তবু মিছে ইচ্ছে জড়িয়ে
একবার শুধু একটিবার হাতটা দাও বাড়িয়ে
ডাকবেনা তুমি আমায় জানি কোনোদিন
তবু প্রার্থনা তোমার জন্য হবেনা মলিন
হবেনা মলিন……

ডুবেছি আমি তোমার চোখের অনন্ত মায়ায়
বুঝিনি কভু সেই মায়াতো আমার তরে নয়
ভুলগুলো জমিয়ে রেখে বুকের মণিকোঠায়
আপন মনের আড়াল থেকে......

ভালবাসবো তোমায়
ভালবাসবো তোমায়......



গানের নাম: চির অধরা ( মিফতাহ্‌ জামান)
অ্যালবামঃ শুধু তোমাকে

বাংলা লিরিকসের সূত্র: http://lyricsbanglasong.wordpress.com/2 … hu-tomake/

Re: বিশ্বাস

thumbs_up thumbs_up thumbs_up thumbs_up
স্বপ্নীল ভাই, পড়ে ফেলেছি। সবচেয়ে চরম "মনে করুন" অংশটা। অসাধারণ! অসাধারণ!! অসাধারণ!!!  hug hug hug hug hug hug

ইমরান তুষার'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বিশ্বাস

ওয়েলকাম ব্যাক!

ইন্জ্ঞিনিয়ার'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বিশ্বাস

(প্রাথমিক মন্তব্য) চমতকার হয়েছে, গল্পটি পড়ার সময় নায়কের আসনে নিজেকে বসিয়ে নিয়েছিলাম । smile ডিটেইলস কাল পিসিতে বসে জানাব smile

Re: বিশ্বাস

ওসমমমমম হইছে দাদা smile

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বিশ্বাস

গল্পটা কেমুন যেন লাগল worried পড়ে মনে হচ্ছে জোর করে লিখেছেন অথবা খুব তাড়াহুড়ো করে লিখেছেন অথবা তাড়াহুড়ো করে দীর্ঘ সময় নিয়ে লিখেছেন। তাই কিছু কিছু প্যাটার্ণ মিলে নি।
অবশ্য এই সব ইমপ্রেস-টিমপ্রেস আমি কম বুঝি neutral

স্বপ্নীল লিখেছেন:

পাশাপাশি বসলাম বাদাম ভাজা আর মুড়ি নিয়ে।

বাদাম ভাজা আর মুড়ি নিয়ে কেউ যে কোথাও বসতে পারে তা এই প্রথম শুনলাম surprised যে কোন একটা নিয়ে গল্প করতে বসা যায়, কিন্তু একসাথে দুটো মানায় না whats_the_matter

Re: বিশ্বাস

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

গল্পটা কেমুন যেন লাগল worried পড়ে মনে হচ্ছে জোর করে লিখেছেন অথবা খুব তাড়াহুড়ো করে লিখেছেন অথবা তাড়াহুড়ো করে দীর্ঘ সময় নিয়ে লিখেছেন। তাই কিছু কিছু প্যাটার্ণ মিলে নি।
অবশ্য এই সব ইমপ্রেস-টিমপ্রেস আমি কম বুঝি neutral

স্বপ্নীল লিখেছেন:

পাশাপাশি বসলাম বাদাম ভাজা আর মুড়ি নিয়ে।

বাদাম ভাজা আর মুড়ি নিয়ে কেউ যে কোথাও বসতে পারে তা এই প্রথম শুনলাম surprised যে কোন একটা নিয়ে গল্প করতে বসা যায়, কিন্তু একসাথে দুটো মানায় না whats_the_matter

হুমমমমমমমমমমম    worried

Re: বিশ্বাস

গল্পটা কেমন লেগেছে তা তো বলেই দিলাম । কিন্তু আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে

এই হচ্ছে দুলাভাইয়ের সেই সুন্দর মেয়ে?? কিন্তু মেয়ে তো কালো, চোখগুলো কেমন নিষ্প্রাণ, নাক থ্যাবড়া আর মোটা ঠোট, কেমন যেন মুখটাও পেচার মত করে রেখেছে। আমি হতাশ হয়ে মাথা নাড়লাম। মাকে তারা পাশের ঘরে নিয়ে গেলো দেখে আমি আরো হতাশ হলাম। কখন এখান থেকে যাব অস্থির হয়ে গেলাম। বসে বসে কিছুক্ষণ পরপর দুলাভাইয়ের ১৬ দু গোনা ৩২ গুষ্ঠী উদ্ধার করতে লাগলাম।

এই প্যারা ।

"You hate everything you see in me-Have you looked in a mirror'

http://www.priyobd.net/  Live chat with us !!

Re: বিশ্বাস

উপরের সবগুলা কমেন্ট আমার তরফ থেকে  smile

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: বিশ্বাস

গল্পটার মধ্যে একটা আকর্ষণ পুরোটা জুড়ে বিদ্যমান ছিল। তবে, চরিত্রের বিকাশ এবং বর্ণনা আর একটু বিস্তারে হওয়া উচিত ছিল। এই দেখো কী বলছি worried অসুস্থ শরীর নিয়ে লিখেছো, কোথায় উতসাহ দেব - তা না, সমালোচনা করতে লাগলাম!

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুন (০৪-১১-২০১১ ০৮:৫৯)

Re: বিশ্বাস

একটু বেশিই সিনেমেটিক হয়ে গেছে...। আম... ইয়ে মানে, আমার যেই ধরনের রোমান্টিক গল্প, নাটক, সিনেমা অপছন্দ/এলার্জি তার আওতায় পড়ে গেছে।  dontsee

শুরুটা খারাপ লাগে নাই, আর 'বিশ্বাসের' ব্যাপারটা মনে ধরেছে।

এই লেখাটা আর কারও হলে আমি কমেন্ট করতাম না। কিন্তু তোমার লেখায় কড়া সমালোচনা ত করতেই পারি, নাকি বল? একটু দুঃখ হল আর কি, সেইম কনসেপ্টে লেখার গাথুনী আরেকটু ভালো হলে, সস্তা ইলিমেন্টগুলো না থাকলে চমৎকার গল্প হতো কিন্তু।

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা য়াফু্‌ঊন - (হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল)
তুহীব্বুল য়াফওয়া - (আপনি মাফ করতে ভালবাসেন)
ফা' ফু আন্নী - (আমাকে মাফ করে দিন।)

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (০৪-১১-২০১১ ১১:১৩)

Re: বিশ্বাস

উদাসীনদা আর মুনপু, আমি কিন্তু প্রথমেই বলেছি গতানুগতিক কমেন্ট চাই না, অন্যরকম কমেন্ট চাই, বিশ্লেষণমূলক, সেটা দুজনেই করায় বেশ খুশি হয়েছি। ভাল লেগেছে, জব্বর হয়েছে- এ ধরনের কমেন্ট এখন আর ভাল লাগে না, বরং সমালোচনা যত বেশি হবে ততই সেই কমেন্ট বার বার পড়তে ইচ্ছা করে। আমার সমালোচনা চাই, এমনকি একদম সত্যিকারের কড়া সমালোচনাতেও আপত্তি নাই, লেখাটা পড়ে যার যেটা মনে হয় সেটাই লিখো- সেটাই পড়তে আমার বেশি ভাল লাগবে। 


গল্পটার কনসেপ্টটা কিন্তু কারো কারো কাছে খুব দারুন লাগবে, আবার কারো কারো কাছে মনে হবে একদম হাস্যকর বা বাজে। এটা একটা অদ্ভুত কনসেপ্ট। এই গল্পটা আসলে অনেক বড় একটা উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত রূপ, আমার খুব বড় একটা উপন্যাস লেখার প্ল্যান ছিল, সময়ের অভাবে আপাতত সেটা এইরকম পিচ্চি হয়ে গেছে। গল্পে আরো অনেক কাহিনী ছিল, সব ছেটে বাদ দেয়া হয়েছে। তাড়াহুড়া করায় গল্পের অনেক জায়গায় গাথুনি শক্ত হয়নি বা বেশি সিনেমাটিক মনে হচ্ছে, এজন্য সরি। 


গল্পের গাথুনি যেন এরকম সংক্ষিপ্ত না হয়, চরিত্রের বিকাশ এবং বর্ণনা যেন বিস্তারিত হয়, বাস্তবতা যেন বেশি থাকে- সেজন্য একটা ধারাবাহিক উপন্যাস লেখার ইচ্ছা আছে, কেমন হবে বলেন তো?

১৩

Re: বিশ্বাস

নাহ্.............! ভালই হইছে...।
কিন্তু গল্পে এত তারাতারি সব ঘটিয়ে দিলেন, প্রথম দিকটা একদম ভাল হয়েছে।

আমার মৃত্যু নেই কারণ আমি মানুষ।
আল্লাহ মানুষকে অমর বানিয়েছেন তবে এ দেহের মৃত্যু হবে।

facebookকে

১৪

Re: বিশ্বাস

অঅঅঅনেক দিন পর স্বপ্নিল ভাইয়ের লেখা পড়লাম,  thumbs_up গ্রেট  thumbs_up thumbs_up

۞ بِسْمِ اللهِ الْرَّحْمَنِ الْرَّحِيمِ •۞
۞ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۞ اللَّهُ الصَّمَدُ ۞ لَمْ * • ۞
۞ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۞ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ * • ۞

১৫

Re: বিশ্বাস

ভোট দিয়া পালাইছিলাম, মাত্র পরলাম, ব্যাপক লাগল, কিন্তু......!!!!

১৬

Re: বিশ্বাস

আশিফ শাহো লিখেছেন:

ভোট দিয়া পালাইছিলাম, মাত্র পরলাম, ব্যাপক লাগল, কিন্তু......!!!!

কিন্তু কি জলদি বলো  waiting

১৭

Re: বিশ্বাস

Sorry for Banglish................... starting valo but aktu confusing silo...........   
Ai line " জীবনসংগীর মাঝে মেয়েরা সবার আগে চায় বিশ্বাস, সে যেন এমন একজন মানুষ পায় যাকে সে বিশ্বাস করতে পারে।" .......... tar sathy
Sharat ChandraChattopadhyay Ar style ar  similarity  asy ..............  smile

"Life is a blue sky here have rainbow clouds and birds fly"

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (০৫-১১-২০১১ ২২:০৫)

Re: বিশ্বাস

Aphroditi লিখেছেন:

Sorry for Banglish................... starting valo but aktu confusing silo...........   
Ai line " জীবনসংগীর মাঝে মেয়েরা সবার আগে চায় বিশ্বাস, সে যেন এমন একজন মানুষ পায় যাকে সে বিশ্বাস করতে পারে।" .......... tar sathy
Sharat ChandraChattopadhyay Ar style ar  similarity  asy ..............  smile


Aphroditi, ধন্যবাদ আপনাকে। আরো বিস্তারিত কমেন্ট করলে খুশি হতাম। বাংলা করা ব্যাপার না, মডুদের অনুরোধ করেই করে দিতাম।

শরৎচন্দ্র অনেক বড় লেখক, তার ছায়া আমার মত ক্ষুদ্র লেখকের লেখার স্টাইলে খুজে পেয়েছেন জেনে বেশ ভাল লাগছে।
তবে আমি শুনেছিলাম আমার লেখার স্টাইল অনেকটাই ফাস্ট, কারো সাথেই তেমন একটা মেলে না, ঘটনা নাকি অনেক দ্রুত এগিয়ে নেই,  কিছুটা নাকি বনফুলের লেখার স্টাইলের সাথে মিলে ( সৌজন্যে: শিপলু ভাই)। তবে আমার লেখার স্টাইলটা মনে হয় খুব একটা ভাল নয়।

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উদাসীন (০৭-১১-২০১১ ২২:১৯)

Re: বিশ্বাস

Welcome  smile  শিপলু ভাই thik e bolasen. Toby amder moto new writer der vul to thakbey e...Apnr sobchaye valo gun ta hossy opposite side feelings take apni khub sohoje e feel korty peresen. Jeta onk writer ar majhy pawa jay na or thakly o khub dari ty hoy.I mean apni male hoyeo female mentality k valo vabe e futea tulty peresen. Akhn apnr lekhar  majhy amra jeta asa korsi ta hossy
* Aktu basi time nea character gulo k ghotonar sathay futea tola.
* Ai golpoter suruty apni Nayok ar vasay Naika k negative vaby tula dhorasen r pory khub joldi deakhasen naiker proti tar feelings.(ata aktu ghurea dily valo hoto hoyto) Ex...Nayok hoyto vebysilo Naika dhakty valo hoby na but Jokhn Naika aslo tokhn shama meyer kalo tana tana chokh dhaky .............etc...
     wish ur all the best...

উপরের কমেন্টকে বাংলায় রূপান্তর করে দেয়া হল  (স্বপ্নীল এর সৌজন্যে)

ওয়েলকাম, শিপলু ভাই ঠিক এ বলেছেন। তবে আমাদের মত নতুন লেখকদের ভুল তো থাকবেই। আপনার সবচে ভালো গুনটা হচ্ছে: বিপরীত সাইড বা লিংগের ফিলিংস(অনুভুতি)-টাকে আপনি খুব সহজেই ফিল (অনুভব) করতে পেরেছেন- যেটা অনেক লেখকের মাঝে পাওয়া যায় না, বা পাওয়া গেলেও খুব দেরিতে হয়। আই মিন আপনি পুরুষ হয়েও মেয়েদের মেন্টালিটিকে ভালভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।

এখন আপনার লেখার মাঝে আমরা যেটা আশা করছি তা হচ্ছে:
- একটু বেশি টাইম নিয়ে কারেক্টারগুলোকে ঘটনার সাথে ফুটিয়ে তোলা।
- এই গল্পটার শুরুতে আপনি নাটকের ভাষায় নায়িকাকে নেগেটিভভাবে তুলে ধরেছেন, আর পরে খুব জলদি দেখাইসেন নায়িকার প্রতি তার ফিলিংস। এটা একটু ঘুরিয়ে দিলে ভাল হত হয়ত- যেমন: নায়ক হয়ত ভাবসিলো নায়িকা দেখতে ভাল হবে না, কিন্তু যখন নায়িকা আসলো, তখন শ্যামলা মেয়ের কালো টানা টানা চোখ দেখে... ইত্যাদি।

Wish ur all the best...

"Life is a blue sky here have rainbow clouds and birds fly"

২০

Re: বিশ্বাস

Aphroditi (নামটা বাংলায় কি হবে একটু বলবেন?), দারুন ফিডব্যাক। এরকমই তো চাই।
আপনার সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করছে, আপনিও কি লেখালেখি করেন? আমাদের সাথে শেয়ার করুন না আপনার একটা গল্প বা অন্য যেকোন লেখা-খুব ভাল লাগবে।

উদাসীনদা আর ইলিয়াস ভাইয়ের কাছে বিশেষ আবদার, আপনাদের কাছ থেকে আরো বড় কমেন্ট চাই, এরকম বিশ্লেষণমূলক, হোক সেটা কড়া সমালোচনা, একদম আপনাদের কাছে সত্যি সত্যি আমার গল্পটা যেমন লেগেছে ঠিক সেরকম মন্তব্য চাই। খুব খুব ভাল লাগবে আমার।