টপিকঃ ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

সূত্র স্বাস্থ্য বাংলা

http://sasthabangla.com/images/stories/acne.jpg
যৌবনের একটি অবাঞ্ছিত সমস্যার নাম হচ্ছে ব্রণ। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর ব্রণ যদি দেখা দেয় তাহলে ছেলে বা মেয়েই হোক, কারোরই মনে স্বস্তি নেই।

কোন বয়সে বেশি হয়ঃ ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সে এটি বেশি হয়। তবে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত এটি হতে দেখা যায়। টিনএজারদের মধ্যে শতকরা নব্বই ভাগের ক্ষেত্রেই কম অথবা বেশি পরিমাণে এটি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর থেকে এটি ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

শরীরের কোথায় হয়ঃ সাধারণত মুখে যেমন গাল, নাক, থুতনি ও কপালে হতে দেখা যায়। তবে শরীরের উপরের অংশে ও হাতের ওপরের অংশেও হরহামেশাই হতে দেখা যায়।

ব্রণ হওয়ার কারণঃ বংশগত প্রভাব একটি অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ কারণ। স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়ায় একটি ব্যাকটেরিয়া থাকে, যার নাম প্রোপাওনি ব্যাকটেরিয়াম একনি। বয়ঃসন্ধিকালে এড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে সেবাসিয়াস গ্রন্হি থেকে সেবামের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই সেবাম থেকে ফ্রি ফ্যাটি এসিড তৈরি করে লোমের গোড়ার উপস্হিত ব্যাকটেরিয়া। ফলে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এই ফ্যাটি এসিডের প্রভাবে। এর পাশাপাশি জমা হয় লোমের গোড়ায় কেরাটিন নামক পদার্থ। ফলে সেবাসিয়াস গ্রন্হিপথ বন্ধ হতে থাকে এই কেরাটিন, লিপিড আর মেলানিন পদার্থ দিয়ে, যা ব্লাক হেড বা ‘হোয়াইট হেড’ হিসেবে দেখা দিয়ে থাকে।

ব্রণের সঙ্গে খাওয়ার সম্পর্কঃ অনেকের ধারণা তৈলাক্ত খাবার খেলে বুঝি ব্রণ হয়। সত্যিকার অর্থে কথাটি সত্য নয়। কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্যের সঙ্গে ব্রণের কোনো সম্পর্ক আছে বলে জানা যায় না।

ব্রণ ও ক্রিমঃ যেসব ক্রিমে তৈলাক্ত উপাদান থাকে যাদের মুখে বেশি ব্রণ হয় তাদের সেসব ক্রিম ব্যবহার করা উচিত নয়। মনে রাখতে হবে ক্রিম যদি তৈলাক্ত হয় তবে তা ব্রণ রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না।

চিকিৎসা পদ্ধতিঃ রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। হতে পারে তা মলম থেকে শুরু করে খাওয়ার জন্য নির্ধারিত অ্যান্টিবায়োটিক অথবা রেটিনয়েড জাতীয় ওষুধ।

ব্যাকটেরিয়া নাশকঃ অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে টেট্রাসাইক্লিন ১৮৫১ সাল থেকেই ব্রণ চিকিৎসায় ব্যবহূত হচ্ছে। টেট্রাসাইক্লিন দামে সস্তা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম এবং অত্যন্ত কার্যকরী। এই অ্যান্টিবায়োটিক ব্রণ তৈরি করার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে দমন করে। তবে সমস্যা হচ্ছে এ ক্ষেত্রে কয়েক মাস ধরে এই অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে যেতে হয়। এর দ্রুত কোনো উন্নতি লক্ষ করা যায় না। সাধারণভাবে এ ওষুধ খাওয়ার ১ থেকে দেড় মাস পর উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। আর একটি ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে মিনোসাইক্লিন। মিনোসাইক্লিন টেট্রাসাইক্লিনের চেয়েও অধিক কার্যকর। দেখা গেছে, ৫০০ মিলি গ্রাম টেট্রাসাইক্লিনের চেয়ে ১০০ মিলি গ্রাম মিনোসাইক্লিন বেশি কার্যকর।

Doxycycline – ব্রণ চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ডক্সিসাইক্লিন একটি চমৎকার ওষুধ। এরিথ্রোমাইসিন খেয়ে যদি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা যায় সে ক্ষেত্রে ডক্সিসাইক্লিন একটি অত্যন্ত কার্যকরী ওষুধ।

এরিথ্রোমাইসিন বা ক্লিনডামাইসিনঃ গর্ভবর্তী মহিলারা যখন টেট্রাসাইক্লিন খেতে পারে না তখন এরিথ্রোমাইসিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ক্লিনডামাইসিনও অন্যান্য ওষুধের মতো একটি কার্যকরী ওষুধ।

হরমোন থেরাপিঃ মহিলাদের ক্ষেত্রে সেবামের নিঃসরণ বেড়ে যায় যদি ওভারি থেকে এন্ডোজেন হরমোন তৈরি হয়। সে ক্ষেত্রে কম ডোজের জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া যাবে এবং তাতে থাকতে হবে নন-এন্ডোজেন প্রজেসটিন। তবে এ ধরনের হরমোন চিকিৎসা পদ্ধতি কোনো অবস্হায়ই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নেয়া যাবে না।

Spironolactone- এন্টি এন্ডোজেনিক উপাদান যেমন স্পাইরোনোল্যাকটন সেবাম উৎপাদন কমিয়ে দিতে সক্ষম। ফলে এটি মহিলাদের ব্রণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকরী ওষুধ। তবে এটিও কোনো অবস্হায়ই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।

Isotretionin (Accutane) – আইসোট্রিসনিন আবিষ্কারের ফলে ব্রণ চিকিৎসা ভিটামিন ‘এ’-এর ব্যবহার এখন একটি ঐতিহাসিক সফলতার দাবিদার। যে কোনো ধরনের ব্রণের ক্ষেত্রেই এর ব্যবহারে সফলতা আসে। তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহার করা হয় না। মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারে দারুণ সতর্কতার প্রয়োজন। কেননা বাচ্চার ওপর এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি একদমই ব্যবহার করা যাবে না।

অপারেশন পদ্ধতিঃ ব্রণের কালো দাগ, পাকা ব্রণ ও সিষ্ট জাতীয় ব্রণের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি দারুণ কার্যকর। স্কালপেল দুই নম্বর ব্লেডের সাহায্যে এই ছোট অপারেশনটি করতে হয়।

ব্রণ চিকিৎসায় সর্বাধুনিক ও কার্যকরী ফোটন থেরাপিঃ কৈশোর এবং যৌবনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার নাম ব্রণ। ১৩ থেকে ১৮ বছরে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে ৩০ বছর পর্যন্ত ব্রণ উঠতে পারে। এতকাল এর চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ক্রিম, ভিটামিন, হরমোন থেরাপি ইত্যাদির প্রচলন ছিল। সম্প্রতি বিশ্বের ৫টি মহাদেশের বিভিন্ন সেন্টারে হাজার হাজার ব্রণে আক্রান্ত রোগীর ওপর ক্লিনিক্যাল ষ্টাডি করে ফোটন থেরাপি বা আলোর সাহায্যে চিকিৎসা শতভাগ কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্বের সর্বপ্রথম এ বিশেষ মেডিকেল যন্ত্রটি নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসার জন্য আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন (এফডিএ) কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে। যে কোনো ব্রণ যেমন মুখ খোলা বা বন্ধ ব্লাকহেডস বা কমেডোনস, প্রদাহযুক্ত ব্রণ, পুঁজযুক্ত ব্রণ, এমনকি সিষ্ট আকৃতির ব্রণেও এ থেরাপি কার্যকর।

কীভাবে ফোটন থেরাপি কাজ করেঃ এটি আলোর দুটি তরঙ্গ দৈর্ঘেø কাজ করে। একটি হচ্ছে ৪১৫ ন্যানোমিটারের নীল বেগুনী আলোতে এবং অপরটি হচ্ছে ৬৬০ বা ৬৩৩ ন্যানোমিটারের লাল আলোতে। প্রথমটি প্রদাহযুক্ত ব্রণে যা প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম একনি নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয় তা দুর করে।

কেন এটি সেরা চিকিৎসাঃ প্রচলিত ওষুধ বা ক্রিমের সাহায্যে চিকিৎসার চেয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এটি ৩ গুণ বেশি কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে এর সঙ্গে স্যালিসাইলিক এসিড যোগ করেও চিকিৎসা করা যায়। চার সপ্তাহের চিকিৎসায় রোগীভেদে সর্বমোট আট বা বারটি থেরাপি নিতে হয়। ২৭% রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, ৪ সপ্তাহ পরেই তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে শুরু করেছে। ৫৫% রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসা শেষ হওয়ার ৭ সপ্তাহের মধ্যে ব্রণ নির্মুল হয়ে যায়। বাকি ১৬% রোগীর আরোগ্য লাভ করতে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এ চিকিৎসায় কোনোও ব্যথা হয় না, রোগীকে হাসপাতালে থাকতে হয় না, কোনো কাটাকাটি বা ত্বক ছেঁড়াছেঁড়ির প্রয়োজন হয় না।

কখন করা যাবে না
(১) রোগীর বিপাকজনিত কোনো সমস্যা থাকলে যা আলোর সংস্পর্শে ত্বকের র‌্যাশ বেড়ে যায়।
(২) আলো সংবেদনশীল ত্বকের একজিমা থাকলে।
(৩) কিডনির মারাত্মক অসুখ থাকলে।
(৪) ত্বকে ক্যান্সার হলে এবং
(৫) ইমিউনসিষ্টেমজনিত রোগ এসএলই থাকলে।

সূত্র স্বাস্থ্য বাংলা

স্বাস্থ্য বাংলা, আপনার পাশে সব সময়।

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।
কিন্তু ভাই,আপনার পরিচয় অভ্যর্থনা কক্ষ বিভাগে উল্লেখ করে পোস্ট শুরু করলে আরও ভালো হতো।

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

বহুত ধন্যবাদ!!

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

নাহ! এইসব ওষুধ খাইলে আরো ক্ষতি! যেমনে আছে এমনিই থাকি!

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:

নাহ! এইসব ওষুধ খাইলে আরো ক্ষতি! যেমনে আছে এমনিই থাকি!

আছে,অনেক সাইড ইফেক্টই আছে।  big_smile

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

ব্রণ হলে তার প্রধান ঔষধ এ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করা । আর মুখে হাত দিয়ে খুটাখুটি না করা ।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা তুলে ধরায় ধন্যবাদ ভাই।
ব্রণ নিয়ে এই পর্যন্ত অনেক ধরনের চিকিৎসা ও ঔষধের কথা শুনেছি। আমার মনে হয় সময়মতো বিশ্রাম, পরিমিত ঘুম, পরিমান মতো পানি পান, যথাসময়ে পেট পরিস্কার করলে এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারলে এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন এক্স-ক্যাডেট সানি (১৫-১০-২০১১ ১৬:০৮)

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

একবার ব্রনের ডাক্তার দেখিয়েছিলাম। উনার দেয়া মেডিসিন নিয়ে ব্রন এক মাসের মধ্যে ৯৯% ভালো হয়ে গিয়েছিলো।
ওষুধের নামগুলো হলঃ

১। ম্যাক্রোসিন টি Macrocine T......একটা লিকুইড লোশানের মত। দাম ৩৭৭ টাকা। রাতে ঘুমানোর আগে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুইয়ে ভালমত শুকিয়ে লাগাতে হবে।
২। Doxycycline......... এই নামের একটা ট্যাবলেটও ছিল। রুপালি প্যাকেটে সবুজ রঙে Doxycycline লেখা। এটা রাতের খাবারের পর দুই গ্লাস পানি খেয়ে তৃতীয় গ্লাস পানির সাথে খেতে হবে।
৩। Ecolac Gel....... এটা একটা স্বচ্ছ পানির মতো জেল। এটা ব্রণকে দশ মিনিটের মধ্যে ১ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ অদৃশ্য করে দেয়। বাইরে কোথাও যাওয়ার আগে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিয়ে এই জেলটা লাগাতে হয়। একটু ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগে। সরাসরিতে ধুলাবালিতে না আসলে এইটা ব্রণকে অদৃশ্য করে রাখে অনেকক্ষন ধরে। (এইটা মেয়েরা প্রচুর ইউজ করে, স্বীকার করে না  big_smile big_smile)

এই ওষুধের সাথে প্রচুর নিয়মকানুনও মেনে চলতে বলেছিলেন, সেগুলো এই পোস্টে ভালোভাবেই লেখা আছে।
আপনার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বিশেষ করে ম্যাক্রোসিন টি, এটা একাই একশো।  neutral neutral
আর আমার পক্ষ থেকে একটা সাজেশন, চুল ছোট রাখেন, নিয়মিত শেভ করেন, ব্রন কমে যাবে।

তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও — আমি এই বাংলার পাড়ে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখ  -                (জীবনানন্দ দাশ)

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (১৫-১০-২০১১ ১৮:০৩)

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

মুখ পরিষ্কার রাখুন। সাবানের বদলে ভালো ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ ব্যাবহার করুন। মুখে সাবান যদি ব্যাবহার করতে হয় তবে ভালো ব্র্যান্ডের বেবি সোপ ব্যাবহার করুন। মাথায় খুশকির সমস্যা থাকলে নিয়মিত ভালো ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু ব্যাবহার করুন।

তৈলাক্ত খাবার কম খান বা পরিহার করুন। প্রচুর পানি খান। সালাদ খান। খাবারের মেন্যুতে শাক সবজি রাখুন। ভাজা পোড়া একেবারে বন্ধ।

দুশ্চিন্তা করবেন না। নিয়মিত কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমান। ব্রন খুটাখুটি করবেন না। খুব বেশি অস্বস্থি লাগলে আস্তে আস্তে চুলকান। যদি ব্রন ফুলে রক্ত বা পুজ জমা হয়ে যায় তবে দুই আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে চাপ দিয়ে রক্ত/ পুজ বের করে ফেলুন। বেশি জোরে চাপ দিলে মুখে ব্রনের দাগ বসে যেতে পারে। তারপর ভাল করে মুখ ও হাত ধুয়ে ফেলুন।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবার খান।

এই হলো ব্রনের চিকিৎসা।  big_smile

১০

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

আল্লাহর রহমতে এ পর্যন্ত ব্রনের সমস্যায় পরিনি। বাকি জীবনে হবে কিনা নিশ্চিত নই।  smile

১১

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

তৈলাক্ত খাবার কম খান বা পরিহার করুন। প্রচুর পানি খান। সালাদ খান। খাবারের মেন্যুতে শাক সবজি রাখুন। ভাজা পোড়া একেবারে বন্ধ।

এই বিষয়টি একটি মিথ ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের নাকিব ভাই বিষয়টি নিয়ে একবার লিখেছিলেন এই টপিক – এ।

twitter · last.fm

Currently Playing: Days Gone

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

অয়ন খান লিখেছেন:
মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

তৈলাক্ত খাবার কম খান বা পরিহার করুন। প্রচুর পানি খান। সালাদ খান। খাবারের মেন্যুতে শাক সবজি রাখুন। ভাজা পোড়া একেবারে বন্ধ।

এই বিষয়টি একটি মিথ ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের নাকিব ভাই বিষয়টি নিয়ে একবার লিখেছিলেন এই টপিক – এ।

আমার পাশের বাসায় এক ছেলে থাকে। ও প্রায় প্রতি দিন বাইরের ফাস্টফুড খায়। প্রমান স্বরূপ ওর ফেইসবুকে প্রতিদিন ছবি সহ Foresquare আপডেট দেয়। ধানমন্ডির সব রেস্টুরেন্টে মনে হয় খাওয়া শেষ। ওর মুখ পুরাই ক্লিন!! তবে ও পানি প্রচুর খায় এবং শাক সবজি খুবই কম খায়। বেশির ভাগ মাংস। তাই এই বিষয়টি আসলেই মানতে পারলাম না।

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (১৮-১০-২০১১ ০০:১৬)

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

অয়ন খান লিখেছেন:
মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

তৈলাক্ত খাবার কম খান বা পরিহার করুন। প্রচুর পানি খান। সালাদ খান। খাবারের মেন্যুতে শাক সবজি রাখুন। ভাজা পোড়া একেবারে বন্ধ।

এই বিষয়টি একটি মিথ ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের নাকিব ভাই বিষয়টি নিয়ে একবার লিখেছিলেন এই টপিক – এ।

তৈলাক্ত খাবার অ্যাভয়েড করতে বলে ত্বক বিশেষজ্ঞরাই।

How to Avoid Acne

Eat healthy. Stay away from foods that are greasy and salty. Get vitamin C it is very good for your skin. (oranges, raw red peppers, kiwi, grapefruit,and raw broccoli all contain vitamin C) Also, rinse off your face after eating, even if you didn't make a mess. If you have an addiction to junk food or pop like Coca Cola or Pepsi, you'll have to quit, because studies show that because of these two beverages, people get more pimples. The same thing applies if you're an alcoholic.

http://www.wikihow.com/Avoid-Acne

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নাকিব (১৮-১০-২০১১ ০০:২৫)

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

এটা বলতে কি আসলে আমাদের কানিজ আল্মাস দের মত বিউটিশিয়ান দের বুঝালেন, না চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ বুঝালেন? ব্রণ এর সাথে তেল এর কোন সম্পর্ক নেই, এটাই মেডিকাল সায়েন্সের ভিউ।

মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

তৈলাক্ত খাবার অ্যাভয়েড করতে বলে ত্বক বিশেষজ্ঞরাই।

আপনার সোর্স এ গিয়ে দেখলাম , সেটা আবার যে কেউ এডিট করতে পারে। whats_the_matter

জাগরণে যায় বিভাবরী ...

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ইলিয়াস (৩০-০৬-২০১৬ ১৬:৫৫)

Re: ব্রণ সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা

ব্রণের সমস্যার জন্য কখনোই রূপ বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ ব্যবহার করা ঠিক না। এতে আপনার ব্রণের ক্ষত আরো গভীর হওয়ার পাশাপাশ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারেন। তাই নিজে নিজে কোনো ঔষধ বা চিকিৎসা গ্রহণ না করে নিকটস্ত ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। আপনাদের সুবিধার্থে এমনই একটি ক্লিনিকের লিংক দেয়া হলো: