সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আহমাদ মুজতবা (০৬-০৯-২০১১ ১৩:২৭)

টপিকঃ আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

দেখতে দেখতে সময় চলে এলো আবার সিটিতে ব্যক করার। দেরী না করে দুপুরের খাবার খেয়েই বের হলাম ড্রাইভে। প্ল্যান হলো যাবার পথে উডবারী তে থামবো। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা না হতেই চলে এলাম ওয়ার্ল্ডের অন্যতম প্রিমিয়াম আউটলেট মলে। এমন কোনো নামী-দামী ব্যান্ড নেই যেটার আউটলেট দেখি নাই উডবারীতে। চাইনিজরা দেখলাম ধুমায়া শপিং করতেছে  tongue আর আমারতো চরম ব্যড লাক, কিডস সেকশনের লার্জ সাইজ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই আমার সাইজে বানানো হয় নি।  ghusi এই দু:খ নিয়েই আমাকে রওনা দিতে হলো সিটি'র উদ্দেশ্যে। ধরেই নিয়েছিলাম রাত ১২ টা বাজবে পৌছাতে পৌছাতে, ঠিক তার মধ্যেই নিজেকে আবিষ্কার করলাম ওয়াশিংটন ব্রিজের উপর, ডানে তাকিয়ে দেখলাম ওয়ার্ল্ডের ক্যপিটাল সিটি নিউইয়র্কের লাইটিং সৌন্দর্য। cool তখনই প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক সিটি'র প্রেমে পড়লাম।

রাতে একটা ম্যরাথন ঘুম দিলাম, ঠিক সকাল ১০ টাই ঘুম ভাংগলো। এরপর শুরু করলাম আমার সাবওয়ে ট্রেণে জার্নি। এত অর্গানাইজড সাবওয়ে সিস্টেম পুরো সিটি জুড়ে যে দেখলে যে কেউই অবাক হবেন। ট্রেণে করে একে একে ঘুরলাম ব্রুকলিন, ব্রংক্স এবং ম্যনহাটন। বিখ্যত টাইমস স্কয়ারের অবাক করা মিউজিয়ামে দেখলাম রিপ্লিজ বিলিভ ইট অর নট। ফোর্টি সেকেন্ড স্ট্রিটে হাটার সময় ভাবছিলাম যে এত্ত ব্যস্ত একটা প্লেস এত্ত সুন্দর সাজানো হতে পারে!!! স্কাই টাচিং মনোমুগ্ধকর আর্কিটেকচার গুলো যে কারই নজড় কাড়ে।

এরপর গিয়েছিলাম স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখতে, সেখানে একটা শিপে করে পার হয়ে যেতে হয় স্ট্যাচুর সামনে, আর একটা শিপে করে যাওয়া যায় স্টেটেন আইল্যন্ডে। লিবার্টিতে অনেক ভীড় থাকবে এই ভেবে সময় নষ্ট না করে স্টেটেন আইল্যন্ডে যাবার ডিসিশন নিলাম, কারণ যাবার সময় স্ট্যাচুর গা ঘেষেই শিপ যায় বলতে গেলে। শিপে উঠে আবার মুগ্ধ হলাম একদিকে স্ট্যাচু'র ভিউ আর একদিকে সিটি'র ভিউ দেখে - রিয়েল মেগা সিটি যাকে বলে!

এরপর সোজা চলে গেলাম কনি আইল্যন্ডে। খুব একটা আহামরি লাগে নি এই সী-বিচটা, তবে আহামরি লেগেছে থিম পার্কটা আর সেখানকান ব্রিলিয়ান্ট ফায়ারওয়ার্ক। থিম পার্কে দুটো ভয়াবহ রাইড ছিলো যে গুলোতে উঠতে যে কারো ১০ বার চিন্তা করা উচিৎ। যেটার বিশেষত্ব হচ্ছে নিচ থেকে ছুড়ে মারবে আপনাকে অলমোস্ট হাজার ফিট উচুতে আবার সেখান থেকে নিচে  dream cry দেখেই আমার আত্না নাই, তারপরেও সাহস করে চড়ে বসলাম, যদিও নেমে ১ ঘণ্টা আমি নাম্ব ছিলাম roll

কনি আইল্যন্ডে খাওয়া দাওয়া করে ছুটে এলাম নিউ-ইয়র্কের বাংগালী পাড়া নামে খ্যত জ্যকসন হাইটসে  tongue_smile এম্রিকার ছোটো খাটো বাংলাদেশ বলা যায় সে জায়গাটাতে। প্রচুর বাংগালী দোকান এবং মানুষ জনই এখানকার আকর্ষন। ইভেন এক পিস রিকশাও দেখেছিলাম একটা মিষ্টির দোকানের সামনে।  যদিও সেখানকার এক বাংলাদেশী রেস্টুরেন্টে বসে ভয়াবহ এক্সপেরিয়েন্স হলো। কি যে বাজে তাদের সার্ভিস  mad  notlistening কোনো কিছুই এভেইলেভল না এমনকি তাদের মাইক্রোওয়েভও নষ্ট।  angry

এরপর বাসার জন্য হালকা পাতলা খাওয়া দাওয়া কিনে রাত ১০ টায় রওনা দিলাম বাসায় ফিরার জন্য। এক দিনেই মোটামুটি ঘুরা হয়ে গেলো এম্রিকার হার্ট নিউইয়র্ক সিটি।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

ভাইজান কিছু পিকচার আইমিন ছবি -টবি দিলে ভাল হত না  waiting

যাই হোক আমেরিকা যাবার খায়েস নাইক্কা  tongue

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

ছবি দিন/ আমরাও একটু ভ্রমন করি।

I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

রাশ লিখেছেন:

ছবি দিন/ আমরাও একটু ভ্রমন করি।

  এই প্লেসগুলার পিক গুগলে একেবারে এভেইলেভল তাই আমিও আর ঐভাবে তুলি নি। আর সবাই দেখেছে কম বেশী মুভিতে। কিন্তু দূরের দেখা আর বাস্তবে দেখা কোনো ভাবেই এক করা যায় না।

jemsbond লিখেছেন:

ভাইজান কিছু পিকচার আইমিন ছবি -টবি দিলে ভাল হত না  waiting

যাই হোক আমেরিকা যাবার খায়েস নাইক্কা  tongue

  কেন ভাই? কি দোষ করলো?

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

চবি কোতায়  angry

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

ভালো লাগলো ভাইয়া  smile এই সিরিজটিও কন্টিনিউ করবেন প্লিজ  big_smile

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

অপরিচিত লিখেছেন:

ভালো লাগলো ভাইয়া  smile এই সিরিজটিও কন্টিনিউ করবেন প্লিজ  big_smile

নিয়ক ফিরে গেলে এইটা আবার কন্টুনু করবো ডুন ওয়ারি

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

আগের পর্বগুলার লিঙ্ক সঙ্গযুক্ত করুন । আমি আবার পড়লেও রিমাইন্ড করতে হয় কিনা hehe

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

ধুর মিয়া। ছবি দ্যান। আর এত তাড়াতাড়ি আপনি পোস্টান যে আপনারে সন্মাননা দেয়া যায় না  thumbs_down কারণ একটু আগে আরেক্টায় দিছি  sad

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১০

Re: আমার এম্রিকানা সফর - ৩ : ব্লুমবার্গের নিউইয়র্ক সিটি

ত্রিনিত্রির রাশিমালা লিখেছেন:

আগের পর্বগুলার লিঙ্ক সঙ্গযুক্ত করুন । আমি আবার পড়লেও রিমাইন্ড করতে হয় কিনা hehe

আমি এখন আর এডিট করতে পারছি না এই টপিক, কোনো একজন মডু কে রিকুয়েস্ট করছি কাজটি করে দেয়ার জন্যে

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

ধুর মিয়া। ছবি দ্যান। আর এত তাড়াতাড়ি আপনি পোস্টান যে আপনারে সন্মাননা দেয়া যায় না  thumbs_down কারণ একটু আগে আরেক্টায় দিছি  sad

এটা তো অনেক আগের পোস্ট ভাইয়া

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত