টপিকঃ প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

পর্ব -১

গভীর রাত। ঘুম নেই যাঈদ -এর চোখে। থোকা থোকা অন্ধকার গলে গেছে অনেক আগেই। সব স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। এই তো হাত বাড়ালেই তার ছ’মাসের নববধূ-পল্লবী। কেমন সহজ সারল্যে ঘুমোচ্ছে! হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে দেয়া যাবে, কিন্তু কী আশ্চর্য! সেইটিই এতদিনে হয়ে উঠলো না। আর মাত্র ক’টা ঘন্টা। এরপর হয়তো আর কোনোদিনই ছুঁয়ে দেয়া যাবে না। ভাবতেই মনটা কেমন করে উঠে। পত্‌ পত্‌ করে উড়তে থাকে পুরোনো স্মৃতির পাতা...কী দোষ ছিল যাঈদ –এর? পল্লবীর সাথে বিয়েতে হ্যাঁ বলে দিয়েছে...এই তো? আসলে বয়সটা পাতালে চলে যাচ্ছিল। সবার উতকন্ঠা সীমা পরিসীমা ছাড়িয়ে বিরাট একটা চাপ হয়ে তার মাথায় চেপে বসেছিলো। তাই ছোট মামা যখন ছাই দিয়ে পিছল মাগুর মাছ ধরার মত তাকে কর্ণার করে ফেললো, তখন আপত্তি করার মত কিছু অবশিষ্ট ছিল না। চিঁ চিঁ স্বরে একটা ক্ষীণ আপত্তি যে করে নি তা নয়। তার মত আধা-বাউন্ডুলে কি আর যেচে যেচে খাঁচায় পুরতে চায়? কিন্তু মামা এক হুংকার দিয়ে সব উড়িয়ে দিলেন। শুধু অশেষ কৃপা করে একখানা ফটোগ্রাফ ফেলে চলে গেলেন। আর বর্তে দেয়ার ভঙ্গীতে বললেন, ‘ মেয়ে তোর অচেনা নয়, গাঁড়ল! ফটো দেখলেই চিনতে পারবি আর ভালো না লাগার কোন কারণ দেখছি না।’ কথাটা অসত্য নয়। সে একখানা ছবি বটে! পুরো ফ্রেম জুড়ে শ্যামাঙ্গী এক অনন্য লাবণ্যময়ী তরুণী! মেয়েটিকে সে ভালো করেই চেনে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই... হি হ্যাড আ ক্রাশ অন হার। কিন্তু বলা হয়ে উঠেনি। সেও বেশ ক’বছর আগের কথা! অনেক বদলে গেছে, কিন্তু পল্লবীর চোখ দু’টো ঠিক আগের মতই তাকে জব্দ করে ফেললো। একে না বলে কোন পাগলে? অতএব, চিরকুমার সভা থেকে বিচ্যুত হতে হলো।

এরা পারেও বাবা! যার বিয়ে তার খোঁজ নাই, পাড়া-পড়শীর ঘুম নাই! কীভাবে কীভাবে যেন অতি সংক্ষিপ্ত সময়ে সবকিছু আয়োজন করে ফেললো। যাঈদ -এর তো আবার মতি-গতির ঠিক নাই। হুট করে হাওয়া হয়ে গেলে কেলেংকারি হয়ে যাবে...এই ভয়ে সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই সবাই তার বারোটা বাজিয়ে দিলে। ধাতস্থ হওয়ার আগেই ঐ বহুল আলোচিত ঘরে যাঈদ নিজেকে আবিষ্কার করলো। হাঁটু কাঁপছে। সে কাঁপুক, কিন্তু পল্লবী কোথায়? ফুলের স্তূপে তো দেখা যাচ্ছে না। গেলো কোথায় মেয়েটা? চোখ ঘুরিয়েই দেখলো সোফায় বসে আছে। হৈচৈ চেঁচামেচিতে ভালো করে দেখাই হয় নি। এত স্নিগ্ধ সুন্দর! বুকের কোথাও যেন অনাস্বাদিত কিন্তু মধুর একটা ভাংচুর হয়ে গেলো। এরই জন্য কি তবে এতদিনের অপেক্ষা ছিলো? কেমন মন্ত্রমুগ্ধের মত এগিয়ে গেলো।

-ও কী! ওভাবে এগিয়ে আসছেন কেন, যাঈদ ভাই?

মাঝপথেই আটকে গেলো যাঈদ। বলে কী মেয়েটা?

চলবে...

প্রত্যাবর্তন পর্ব-২
প্রত্যাবর্তন পর্ব-৩
প্রত্যাবর্তন পর্ব-৪

প্রত্যাবর্তন পর্ব-৫
প্রত্যাবর্তন পর্ব-৬
প্রত্যাবর্তন - শেষ পর্ব

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

এটা ভাই একটা কাজ করলেন। বাকিটা তাড়াতাড়ি চাই।

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

angry angry angry দেখেন ভাই , রমজান মাস কিন্তু শেষ, এখন আর সবর করাইয়েন না, shame  এতটুকু দিয়ে পর্ব হয় ? বাকী টা দেন   crying
বাই দ্যা ওয়ে, মেয়েটি ভাই বলে ফেললো  lol

স্রোতের বিপরীতে উদ্যত!

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

আগন্তুক মিলন লিখেছেন:

এটা ভাই একটা কাজ করলেন। বাকিটা তাড়াতাড়ি চাই।

আসিতেছে...সবুর করুন।

দ্যা_থটমেকার লিখেছেন:

angry angry angry দেখেন ভাই , রমজান মাস কিন্তু শেষ, এখন আর সবর করাইয়েন না, shame  এতটুকু দিয়ে পর্ব হয় ? বাকী টা দেন   crying
বাই দ্যা ওয়ে, মেয়েটি ভাই বলে ফেললো  lol

কী আর করা, ভাই ই বলে ফেললো  hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

ইয়ে মানে কি হইল  worried আচ্ছা, পরের পর্বে দেকে নেই কি হলো  thinking

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

পড়া শুরু করলাম। ভালোই লাগছে পড়তে  thumbs_up

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

আমারও ব্যস্ততার কারণে পড়া হয়ে উঠেনি। এখন শুরু করলাম।

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

এটাই তাহলে প্রথম পর্ব। চোখের সামনে কয়েক দিন যাবতই ঘুরপাক খাচ্ছিলো কাহিনীটা কিন্তু সময়ের অভাবে পড়া হয়ে উঠে নাই। মাস মাত্র ত্রিশ দিন আর একত্রিশ দিনের, মাস যদি পয়ত্রিশ দিনের হতো তাহলে ভালো হতো। বাকি চারদিন শুধু সাহিত্য সংস্কৃতি পড়ে সময় পার করে দেওয়া যেত। প্রথম পর্ব পড়ে কিছুই বুঝি নাই। দেখি পরের পর্বে ঢু মেরে পানি কোথা থেকে কোথায় গড়াচ্ছে sad

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

দ্যা_থটমেকার লিখেছেন:

বাই দ্যা ওয়ে, মেয়েটি ভাই বলে ফেললো  lol

আরে ভাই আগে ভাইয়া তারপর সাইয়া  hehe

seeming is being

১০

Re: প্রত্যাবর্তন পর্ব-১

এমন লেখা আরো চাই। http://www.pcjobs24.com  এর পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভ কামনা ।