সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (০৮-০৭-২০১১ ০৯:২৬)

টপিকঃ আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

পূর্বকথা:  "আমি যেখানে থাকি" একটি নতুন সিরিজ যেখানে আমি একেক পর্বে একেকজন অতিথি যেখানে/যে এলাকায় থাকেন, সেই জায়গাটি সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। অতিথিকে অনেক ছোট-খাটো প্রশ্ন করে তার জায়গা সম্পর্কে তথ্য বের করে আনা হয়, কিন্তু সেসব প্রশ্ন পুরো লেখাটি সাজানোর সুবিধার্থে এখানে দেয়া হচ্ছে না, শুধু কিছু মূল প্রশ্ন এখানে দেয়া হবে। আজকেরটা পর্ব ১ : অতিথি আমাদের সবার প্রিয় ইলিয়াস ভাই




আজকের পর্ব কথা:

ইলিয়াস ভাই  আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। নেটে আসলেই প্রতিদিন উনার সাথে কথা না বললে আমার ভাল লাগে না। আজকে অনেক সময় (প্রায় ২ ঘন্টা) নিয়ে আমরা দূজনে ইন্টারভিউটুকু চ্যাটে শেষ করলাম। প্রথম পর্ব, তাই ঠিক কিভাবে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর চাচ্ছি, তা ঠিক করতে বেশ বেগ পেতে হলো। ব্যাপারটা যে এত কঠিন হবে তা আগে বুঝি নাই। তবে ইলিয়াস ভাই ধৈর্য্য ধরে আমার একের পর এক ছোট-খাটো অনেক প্রশ্ন ও ইন্সট্রাকশন শুনেছেন ও মেনেছেন, সেজন্য উনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।




আপনি যেখানে থাকেন, সেটি সম্পর্কে কিছু কথা........
-আমি মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানাধীন ফুরশাইল  নামক ছোট্ট একটা গ্রামে বাস করি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঐতিহ্যবাহী তালতলা বাজারে। দিনের পুরোটা সময় আমি বাজারেই কাটাই। এখানকার মানুষ জন, বিশেষ করে নিজ গ্রামের বেশীরভাগ দরিদ্র। ফুরশাইল গ্রামটি ইছামতী নদীর একটি শাখার তীরে, যে ইছামতীকে এখন নদী না বলে খাল বলতে হয়। আর তালতলা বাজারটি ধলেশ্বরীর শাখায়। এক সময়ে পুরো বিক্রমপুরের প্রবেশদ্বার ছিল এই তালতলা বাজারের লঞ্চঘাট, যা কালের বির্বতনে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

তালতলা বাজারের আধা কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিন দিক দিয়ে চলে গেছে শ্রীনগর টু মুন্সীগঞ্জ রোড। বিভিন্ন জায়গাতে রাস্তা দোকানপাট হওয়াতে এবং তালতলা বাজারের সাথে সরাসরি কোন স্থল / সড়ক বা জেলা সদর ও রাজধানী ঢাকার সাথে কোন সড়ক যোগাযোগ নেই বলে তালতলা বাজার দিন দিন মৃত্যুপুরীতে রুপ নিচ্ছে যা বাজারের ব্যবসায়ীদের মুখের গ্রাস কেড়ে নেয়ার অন্যতম কারণ, যদিও ঢাকা জিরো পয়েন্ট হতে মাত্র ৩২ কিলোমিটারের দূরত্ব।



আপনার এলাকায় যেভাবে যেতে হবে ( ঢাকা থেকে) .........
-ঢাকা গুলিস্তান হতে বাস পাওয়া যায়, রুটের নাম : ঢাকা টু টঙ্গীবাড়ি। পথে মালখানগর চৌরাস্তা নেমে রিকশাযোগে তালতলা বাজার, মালখানগর চৌরাস্তা হতে বাজারের দূরত্ব এক কিলোমিটার।



সেখানে যাদের সাথে আপনার বেশির ভাগ সময় কাটে......
-যাদের সাথে আমার দিন কাটে, এদের মধ্যে বেশীর ভাগই আশেপাশের দোকানের মানুষ, তারা খুবই সহযোগী মনোভাবাপন্ন। আর অবসর সময়ে আমরা যারা আড্ডা দেই, সবাই বেশ হাসিখুশী ভাবেই আড্ডা দেই। এমনিতেই বিক্রমপুরের মানুষ অনেক ভাল, নিজের এলাকা বলে বলছি না। হামিদ ভাই একে আমার বন্ধু- বড়ভাই সবই বলা যায়, খুব উদার মনের মানুষ, বিপদে আপদে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন। আরেকজন হলেন শহীদ ভাই, তিনি যদিও আমার বয়সে ছোট, তিনিও আমাকে আপন ভাইয়ের মতই ভালবাসেন, শ্রদ্ধা করেন।



এলাকায় আপনার সারাটা দিন যেভাবে কাটে ......
-সকাল সাতটায় বাসা হতে বের হই। বেরিয়ে আসি মসজিদে। গত কয়েকবছর যাবত আমার গ্রামের মসজিদের নির্মাণ কাজ চলছে, যা এখনও চলতেছে। মসজিদের নির্মাণ কাজ তদারকি করি সকাল ৮টা পর্যন্ত। এখানে বলা প্রয়োজন: এই মসজিদের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক আমি বিগত ২০০৬ সাল হতে। মসজিদে আমরা একটি মক্তব পরিচালনা করি যা এলাকার বাচ্চারা ফজরের পর হতে সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত লেখা পড়া করে। আর আমাদের এ মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত এক শিক্ষাকেন্দ্র আছে যেসব বাচ্চারা স্কুলে পড়তে পারে না তাদের জন্য। সেটার ক্লাশ হয় বেলা ২টা হতে বেলা ৪টা।

যে রাস্তা দিয়ে মসজিদে যাই সে রাস্তার অবস্থা করুণ। মসজিদ থেকে তারপর বাজারে এসে নাস্তা করি। আমাদের এ বাজার ফজর নামাজের আগ হতে শুরু হয়, তার কারণ বাজারটির সাথে ইছামতি ও ধলেশ্বরীর শাখা নদী থাকার কারণে জেলেরা ভোরবেলায় মাছ নিয়ে আসে পাইকারদের বিক্রির জন্য। আমি আসি সকাল ৮টার পরে, সকাল ৮টা হতে রাত ৮টা একটানা দোকান খোলা থাকে। দোকান খুলে পিসি অন করে প্রথমেই মহা গ্রন্থ আল-কোরআন হতে যে কোন একটি সূরার তেলওয়াত শুনি। নেট কানেক্টেড হওয়ার পরে নিজের ব্লগসাইটা ভিজিট করি। কোন টপিক করার থাকলে তো পোস্ট করি। আমার ফোরামিং এবং ব্যবসা একই সাথে চলতে থাকে।এভাবে চলতে থাকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আবার যাবার পথে মসজিদ হয়ে সারাদিনের কাজের হিসেব নিয়ে তারপর বাসায় যাই।



এলাকায় প্রথম যখন এসেছিলেন তখনকার সময়ের সাথে এখনকার পার্থক্য .......
- আসলে আমি দীর্ঘদিন ঢাকায় ছিলাম। ঢাকায় যাওয়ার আগের এলাকার সাথে ঢাকা হতে ফিরে আসার এলাকার অনেক তফাৎ। তখনকার মানুষজন ছিল অনেক সহজ সরল, যদিও তারা তেমন শিক্ষিত ছিল না। কিন্ত এখন শিক্ষার হার অনেক বেড়েছে, সাথে বেড়েছে হীনমন্যতা, বেড়েছে প্রতারণা -এই সব বিষয়গুলা আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার : আমি ঢাকা হতে ফিরে আসার পরে একদিন বাজারে চায়ের দোকানে বসে আছি। আমার এক চাচাতো ভাইয়ের ছেলে এসে বলতেছে: ভাই এখন সময় কত বলতে পারেন? এরকম অপরিচিত হয়ে গেছিলাম নিজ এলাকায়।



এলাকায় ঘটা বিশেষ কোন মজার ঘটনা...........
-গত কয়েকদিন আগে আমার এলাকার এক মুরুব্বী আসল আমার দোকানে। এসেই উনি রাগান্মিত হয়ে প্রশ্ন করলেন : "ইলিয়াস, তুমি নাকি ইন্টারনেটা চালাও?"  আমি বললাম: "জ্বী, চালাইতো।"  তা শুনে তিনি যেমন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন: "মিয়া তুমি মসজিদের সেক্রেটারী হয়ে ইন্টারনেট ইউজ কর, তোমারতো এটা মানায় না।"  আমি উনাকে আমার পাশের চেয়ারে এক রকম জোর করেই বসালাম আর বললাম: "আচ্ছা দাদা, আমি ইন্টারনেট চালাই, এর সাথে মসজিদের সেক্রেটারীর কি সম্পর্ক- আমিতো বুঝলাম না। আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?" উনি বললেন: "মিয়া, আল্লাহর ঘর মসজিদের রক্ষক হয়ে তুমি যদি এসব খারাপ জিনিস দেখ, তাহলে সমাজের ভাল করবে কি করে?"

আমি কি উত্তর দিব "থ' মেরে কতক্ষন বসে রইলাম। তারপর উনাকে বললাম: "দাদা, ইন্টারনেট খারাপ সেটা আপনাকে কে বলল?" উনি উত্তর দিলেন: "আমাকে আর তুমি ভুল বুঝাইও না। এই ইন্টারনেট অবশ্যি খারাপ, পুলাপান ইন্টারনেট থেইকা আজে বাজে ছবি ডাউনলোড কইরা মোবাইলে ভরে - সেটা আমি জানি।" আমি বললাম: "ইন্টারনেটে যেমন খারাপ জিনিষ আছে তেমনি ভাল জিনিসও আছে।এই যে দেখেন আমার কম্পিউটারে এখন ইন্টারনেট চালু, আপনি খারাপ কিছু দেখছেন?" বললো: "না তো, দেখছিনা।"

তারপর উনাকে গুগল সার্চবার দেখালাম এবং তাকে দেখিয়ে লিখলাম "নামাজ" আর সার্চ দিলাম। রেজাল্টতো বুঝতেই পারছ।  অবশেষে উনাকে বুঝাতে পারলাম যে: "ইন্টারনেট এমন একটা জিনিস, আপনি যদি বেহেশতের রাস্তা খুজতে চান, তা পাবেন, তেমনি দোজখের রাস্তা খুজতে চাইলে সেটাও পাবেন। আপনাকে দেখাব দোজখের রাস্তা ??" 



এলাকার যে দিকগুলো সবচে বেশি ভাল লাগে.........
- ২০০১ সাল পর্যন্ত আমার গ্রামে কোন মসজিদ ছিল না, ছিলনা তেমন নামাজী। মাশাআল্লাহ গ্রামের সবার সহযোগিতায় আমার গ্রামে আজ বড় একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই মসজিদ প্রতিষ্ঠা করতে যেভাবে এলাকার গরীব লোকজন এগিয়ে আসছে -এটাই আমার সবচেয়ে ভাল লাগে। আরও একটা বিষয়: মানুষ এখন লেখাপড়ার কদর বুঝতে শিখেছে।



যে দিকগুলো একদমই ভাল লাগে না..........
-ভিলেজ পলিটিক্স - আমার দুচোখের বিষ। কিছু লোকজন আছে কোন সুযোগ পেলেই হলো একজনকে পরামর্শ দিয়ে আরেকজনের বিরুদ্ধে লাগিয়ে রাখবে। যেটা এলাকার দু'চারজন মুরুব্বী মিটমাট করতে পারবে, সেটা নিয়ে আদালতে যাওয়া। এমন বিষয়গুলা আমার কাছে খুবই খারাপ লাগে।



বর্তমান এলাকার উন্নতিতে কোন মতামত বা পরামর্শ.......
-তালতলা বাজারে পুর্বপাশে বিশাল একটা চর এলাকা আছে। এ চর এলাকাকে যদি একটা ব্রীজ করে তালতলা বাজারের সাথে সংযোগ করা যায়, তবে চর এলাকার মানুষদের জন্য তালতলা বাজারে যেমন যাতায়াত সহজ হয়, তেমনি তালতলা বাজারের পাশেই মালখানগর হাইস্কুল এন্ড কলেজে আছে, সেখানে আসতে ছাত্র/ছাত্রীদের অনেক কষ্ট কমবে। তাছাড়া মৃতপ্রায় তালতলা বাজার আবার হয়তো পুর্ববস্থায় ফিরে যাবে। আমার এখানে স্কুল কলেজ সবই আছে। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকার কারণে আমরা মার খেয়ে যাচ্ছি।




ইলিয়াস ভাইয়ের তোলা তার এলাকার ছবিগুলো........



বাজারের একাংশ
http://i.imgur.com/9qJee.jpg


দোকানের সামনের রাস্তা
http://i.imgur.com/YYtll.jpg


মসজিদ
http://i.imgur.com/wKH3M.jpg


মসজিরে একাংশ
http://i.imgur.com/Y8hCB.jpg


মসজিদের সম্মুখভাগ
http://i.imgur.com/Qek87.jpg


মক্তব
http://i.imgur.com/v87Cw.jpg



যে নদীতে এক সময় দোতলা লঞ্চ চলতো সেখানে এখন ইঞ্জিন নোকাই সম্বল।
http://i.imgur.com/VDQSW.jpg


মৃত প্রায় ধলেশ্বরী নদী
http://i.imgur.com/nV6bS.jpg


বিক্রমপুরের প্রবেশদ্বার ঐতিহ্যবাহী তালতলা লঞ্চঘাট
http://i.imgur.com/xJl1Q.jpg



কেমন লাগল আজকের পর্বটি তা এখানে অবশ্যই জানাবেন।আপনাদের মতামতটুকু এই সিরিজের এগিয়ে চলায় অনেক অবদান রাখবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

ইলিয়াস ভাই আমার জেলার ... ভাল লাগলো ওনার এলাকার বর্ণনা পড়ে ... দুজনকেই সম্মাননা জানাচ্ছি  big_smile

ঘরের কোনে মনের বনে, তোমার সাথে জোছনা স্নান...
তোমার দুহাত থাকলে হাতে; স্বপ্নে জাগে মধুর প্রাণ।
ছড়া সব করে রব

নাদিয়া জামান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

গতবছর ইলিয়াস ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলাম। smile এলাকাটা আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছিল। আর স্বপ্নীল ভাইকে ধন্যবাদ এলাকা ভিত্তিক ইন্টারভিউ শুরু করার জন্য।

সালেহ আহমদ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

অসাধারণ লাগলো, দুই ভাইয়াকেই অনেক অনেক ধন্যবাদ  smile

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

বেশ ভাল লেগেছে। ছবিগুলো দিয়ে আরো প্রাণবন্ত করেছেন।

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

ইলিয়াস ভাই আমার পছন্দের একজন মানুষ। উনার এলাকা সম্পর্কে জানতে পেরে ভাল লাগলো। স্বপ্নীল ও ইলিয়াস ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

নাদিয়া জামান লিখেছেন:

ইলিয়াস ভাই আমার জেলার ... ভাল লাগলো ওনার এলাকার বর্ণনা পড়ে ... দুজনকেই সম্মাননা জানাচ্ছি  big_smile

আমাগো বিক্রম্পুর  yahoo yahoo yahoo yahoo

চমৎকার লাগল এই পর্বটি,ধন্যবাদ ও + দুজনকেই  thumbs_up thumbs_up
yahoo yahoo yahoo

۞ بِسْمِ اللهِ الْرَّحْمَنِ الْرَّحِيمِ •۞
۞ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۞ اللَّهُ الصَّمَدُ ۞ لَمْ * • ۞
۞ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۞ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ * • ۞

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

স্বপ্নীল ভাই খুব ভাল একটা বিযয় নিয়ে টপিক শুরু করছেন।এর মাধ্যমে আরও অনেক অজানা ইনফো জানা যাবে।

আমার এলাকার এক মুরুব্বী আসল আমার দোকানে। এসেই উনি রাগান্মিত হয়ে প্রশ্ন করলেন : "ইলিয়াস, তুমি নাকি ইন্টারনেটা চালাও?"  আমি বললাম: "জ্বী, চালাইতো।"  তা শুনে তিনি যেমন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন: "মিয়া তুমি মসজিদের সেক্রেটারী হয়ে ইন্টারনেট ইউজ কর, তোমারতো এটা মানায় না।

এই লাইনটুকু পড়ে আর হাসি আটকে রাখতে পারলাম না।
ইলিয়াস ভাই এর গ্রাম এর ছবি দেখে মনে হচ্ছে গ্রামটা খুব সুন্দর।ইলিয়াস ভাই একদিন না বলে কিন্তু চলে আসব পড়ে আবার সমস্যা হলে কিন্তু আমার কোন দোষ নেই tongue_smile।এত সুন্দর  একটু ভিন্ন ধরনের টপিকের জন্য স্বপ্নীল ভাইকে +।সাথে ইলিয়াস ভাই এর এত সুন্দর গোছানো উওরের জন্য ইলিয়াস ভাইকেও +  smile

অন্যের কাছ থেকে যে ব্যবহার প্রত্যশা করেন আগে নিজে সে আচরন করুন।

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

স্বপ্নীল ভাইকে ধন্যবাদ, নতুন এবং চমৎকার সিরিজ আরম্ভ করার জন্য। ইলিয়াস ভাইয়ের এটিচুড ভাল লাগলো!  thumbs_up thumbs_up

তামিম৬৯'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

thumbs_up thumbs_up thumbs_up thumbs_up
দারুন সিরিজ টপিক clap
মসজিদের ছবিগুলো দারুণ লাগল yahoo yahoo
তবে গ্রামের মানুষের এখনও ইন্টারনেট নিয়ে খারাপ ধারনা আছে brokenheart

১১

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

সাইদুল ইসলাম লিখেছেন:
নাদিয়া জামান লিখেছেন:

ইলিয়াস ভাই আমার জেলার ... ভাল লাগলো ওনার এলাকার বর্ণনা পড়ে ... দুজনকেই সম্মাননা জানাচ্ছি  big_smile

আমাগো বিক্রম্পুর  yahoo yahoo yahoo yahoo

ছবিসহ বর্ননাটা যে অসাধারন হয়েছে তাতে সন্দেহ নাই। আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি। এই সিরিজে ফোরামের একই এলাকার মানুষদের মধ্যে পরিচয় উঠে আসবে। এখানে একই সাথে আছি অথচ অনেকের জানা নেই আমরা অনেকেই একই এলাকা বা জেলার বাসিন্দা।

১২

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

এক কথায় মাইন্ড ব্লোয়িং হয়েছে  clap clap clap

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

১৩

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

আমি কমেন্ট করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি! স্বপ্নীল যে আমার টুকরা টুকরা কথাবার্তাকে এমন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলবে তা ভাবতেই পারিনি। স্বপ্নীলকে ধন্যবাদ।

টপিকটি আরো্ অনেক সুন্দর হতো আমি যদি আরও কিছু তথ্য দিতে পারতাম। ১৯৮১ হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আমি ঢাকায় বসবাস করেছি। এই ২৪ বছরের গ্যাপ গত ছয় বছরে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। গ্রামে ফিরে আসার পর হতে আমার দিনলিপিতে বাসা-মসজিদ -দোকান আবার দোকান -মসজিদ- বাসা এই সার্কলের বাইরে আমার কোন জগত নেই।

সবাইকে ধন্যবাদ

১৪

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

সবাইকে ধন্যবাদ খুব সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
শান্ত বালক, আপনার সাথে একমত।

ইলিয়াস লিখেছেন:

আমি কমেন্ট করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি! স্বপ্নীল যে আমার টুকরা টুকরা কথাবার্তাকে এমন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলবে তা ভাবতেই পারিনি। স্বপ্নীলকে ধন্যবাদ।

ইলিয়াস ভাই, আপনি অনেক কষ্ট করেছেন। যেভাবে ধৈর্য্য ধরে আমার একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, তার জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ আপনার কাছে। আর এরকম কাজ শেষ করা খুবই কঠিন হত যদি আপনি না থাকতেন। খুবই ভাল লেগেছে আপনার ইন্টারভিউটুকু নিয়ে।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Jemsbond (০৮-০৭-২০১১ ১১:৩৯)

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

দারুন লাগল বিশেষ করে

অবশেষে উনাকে বুঝাতে পারলাম যে: "ইন্টারনেট এমন একটা জিনিস, আপনি যদি বেহেশতের রাস্তা খুজতে চান, তা পাবেন, তেমনি দোজখের রাস্তা খুজতে চাইলে সেটাও পাবেন। আপনাকে দেখাব দোজখের রাস্তা ??"

আসলেই ইন্টারনেট মানেই যে খারাপ কিছু না - সেটা খুব ভালবাবেই বুঝাইতে পারছেন
স্বপ্নিল ভাই এবং আমাদের ইলিয়াস ভাই - দু,জনকেই রেপু সুন্দর একটা সিরিজ এবং ছবিসহ বিস্তারিত ইলিয়াস ভাইয়ের এলাকার বন্রনা দেয়ার জন্য ।

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

১৬

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

অসাধারণ লাগল স্বপ্নীল......আমার প্রিয় আর একজন মানুষ সম্পর্কে এবং তার এলাকার সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম এবং ছবিগুলোও দারুন । দুইজনকেই +

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৭

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

একদিন ইলিয়াস ভায়ের এলাকাতে বেড়াতে যেতে হবে।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন microqatar (০৯-০৭-২০১১ ১৩:০৩)

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

ইলিয়াস ভাই, ইচ্ছা হচ্ছে আপনার এলাকাতে একবার ঘুরে আসি।
মসজিদের সেক্রেটারী হয়ে ইন্টারনেট চালান ঘটনাটা পড়ে ব্যাপক মজাক পাইলাম।  lol
বিক্রমপুর বাসী নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়।
কাতারে যখন আমি প্রথম আসি, ভিসার টাকা এবং মেসের টাকা কর্তন করে আমার হাতে ৫০ রিয়াল থাকত, যা দিয়ে আমার  মাস চলতে খুবই কস্ট হত। তখন প্রথম মাসেই এক বিক্রমপুরের মানুষের সাথে পরিচয় হল, তিনি আমার সমস্যাটা বুঝে ফেলল এবং আমাকে প্রস্তাব করল যেন তাকে সপ্তাহে একদিন ২ ঘন্টারে উনাকে কস্পিউটার শিখায়, সেদিন তিনি এভাবে সহযেগিতার হাত না বাড়িয়ে দিলে সত্যই দিন গুলো চরম কস্টে যেত।
ইউ ই এ তে যখন ২ মাস বেকার থাকার পর বর্তমান কর্মস্থলে জয়েন করি, সেটা কিছু ইন্ডিয়ান হর্তাকর্তা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারে নাই , যার ফলে আমাকে একটা কর্মীদের রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। রুম মেট সবাই বিক্রমপুরের, কত সহজেই তারা আমাকে আপন করে নিলো। ১ বছরেই সব কিছু পাল্টে যায়, আমি বসের সবচেয়ে কাছের মানুষে পরিনত হয়, পরে বসে যখন আলেদা রুম দিতে চাইলো আমি সরাসরি নাকচ করে দিই, কারন তাদের সাথেই ভাল আছি। তাছাড়া ঐ সব ইন্ডিয়ানী গুলা এখন আমার কারণে আমার বিক্রমপুরী রুমমেটদের চুক্ষুরাঙ্গাতে পারে না , ব্যাপারটা  খুব এনজয় করি।

আমি কৃতজ্ঞ বিক্রমপুরী বাসীর কাছে, হয়ত এজন্যই ইলিয়াস ভাইকে খুব বেশী পছন্দ করি।
ধন্যবাদ সপ্বের লাল নীল! ভাইকে, প্রিয় মানুষটার এলাকাটাকে এত যত্নসহকারে তুলে ধরার জন্য।

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

আকাশ ভাই ,ছবিপু ও কাতার ভাইকে ধন্যবাদ।
কাতার ভাই, আপনার লেখাটুকু পড়ে বেশ ভাল লাগল।

২০

Re: আমি যেখানে থাকি : পর্ব ১ : অতিথি: ইলিয়াস ভাই

দারুন লাগল স্বপ্নীল ভাই।

আল্লাহ আপনি মহান