সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (৩১-০৫-২০১১ ১৬:৪৭)

টপিকঃ কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

পূর্বকথা: "কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল" একটি সাক্ষাৎকার নেয়ার সিরিজ।এখানে বিভিন্ন মানুষের ছোটো-খাটো সাক্ষাৎকার নেয়ার চেষ্টা করা হয়।আজকেরটা পর্ব ৩।যারা এই সিরিজের  পর্ব ১ ও ২ পড়েন নাই তারা  নিচের লিংকে যেয়ে পড়ে নিতে পারেন:

কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ১- অতিথি: সালেহ আহমদ

কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ২- অতিথি: সমন্বয়ক শিপলু  



আজকের পর্ব কথা:

"কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল" সিরিজে  আরেকটা সাক্ষাতকার নেয়া হয়ে গেল।ব্যাপারটুকু অনেকটা হুট করেই।আমি বেশিরভাগ সময় বড় প্ল্যান ও সময় নিয়ে কিছু করতে পারিনা,যা করি হুট করেই করি roll   হঠাৎ একবার মনে হল :আচ্ছা,ছবি আপুর একটা ইন্টারভিউ নিয়ে নিলে কেমন হয়।যেই ভাবা,সেই কাজ।আপুকে বুঝিয়ে বলতেই বলল :ঠিক আছে।ব্যাস,দুই-এক দিন প্ল্যান করে তারপর নিয়ে নিলাম ইন্টারভিউ  hug 


আমার অনুভুতিটুকু সেইম,সেই আগের মত টেনশন,প্রশ্ন নিয়ে কাটাছেড়া,মাথার উপর একটা ভারের মত বয়ে বেড়ানো  hairpull তবে শেষ পর্যন্ত ভিন্নরকম এক্সপেরিয়েন্স গেইন করার চ্যালেন্জ ও নতুন কিছু করার অপরিসীম আনন্দটুকু সেসব ভার বা টেনশনকে একদম ছাপিয়ে গেছে  dancing


এবার,ছবিপু   (ছবি + আপু)বা ছবি-Chhobi সম্পর্কে কিছু বলি।পুরো নাম কাজি ফাতেমা ছবি,বয়স ৩৫,দুই ছেলের গর্বিত মা, বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার পদে কর্মরত আছেন।সবকিছু মিলিয়ে পরিবারের এক পরিপূর্ন কর্ত্রী,সাথে প্রজন্ম পরিবারের একজন অতি মূল্যবান সদস্যাও বটে।


লিখেন বেশ গুছিয়ে,লেখার মাঝে একটা চমৎকার সহজ-সরল প্রকাশভঙ্গি রয়েছে যেটা আমার খুবই ভাল লাগে।উনার আবেগ প্রকাশের ধরনটুকুর সাথে মাঝে মাঝে আমার কোথায় যেন বেশ খানিকটা মিল খুজে পাই  smile



অনেক কথা বললাম।এখন চলুন দেখে নিই ছবি আপুর সেই চমৎকার ইন্টারভিউটুকু.........



ছবিপু,কেমন আছো?
-আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি । আল্লাহ রাখছে ভাল।


"কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল" সিরিজে তুমি হচ্ছ প্রথম মহিলা অতিথি,তোমাকে অভিনন্দন।
-অভিনন্দন সাদরে গ্রহণ করলাম ।


প্রথমে আমাদেরকে বলো : প্রজন্মে কিভাবে এলে?
-গুগলে কি জানি একটা খুজতেছিলাম । বাংলা লিখে সার্চ দিলে প্রজন্ম ফোরাম এর নাম আসে। তারপর সাইন আপ করি।


সাইন আপ তো অনেকেই করে,সবাই তো থাকে না।কিন্তু তুমি তো বেশ ভালই প্রজন্মের সাথে জড়িয়ে গেলে।কোন জিনিসটা এর পিছে বেশি কাজ করল?
-আমি প্রথম থেকেই দেখলাম যে এখানে অনেক কিছু শিখার আছে, জানার আছে । আর আমি প্রথমেই যে পোষ্ট করেছিলাম সেখানে অনেকেই মন্তব্য করেছে যা আমাকে উৎসাহিত করেছে। তারপর কবিতা পোষ্ট করলাম এবং সম্মাননা পেলাম । আমার কাছে খুব ভাল লাগছিল এবং লেখালেখিতে উৎসাহ দিগুন বেড়ে গেল ।আর যেহেতু আমি অফিসের পুরো টাইম অনলাইনে থাকতে পারি, তাই প্রজন্মকে ছাড়তে পারলাম না ।


অফিসের কাউকে বলেছ প্রজন্ম ফোরামের কথা?বা আশপাশের কাউকে?
-না বলিনি । বললে অসুবিধা হবে।সবাই তো আর সমান না । হয়তো কটু মন্তব্যও করতে পারত।


হুমম...আচ্ছা,তোমাকে তো সামুতে ব্লগিং করতেও দেখলাম।কেমন এনজয় করছ?
-প্রজন্ম-এর মত না ।সামুতে আছি এখনও,মাঝে মাঝে যাই।


এবার তোমার প্রতিদিনের রুটিন সম্পর্কে আমাদের একটু আইডিয়া দেবে?একটু ডিটেইলস প্লিজ।
-আমি সাধারণত ঘুম থেকে উঠি ৪.৩০ হতে ৫.০০ টার মধ্যে।প্রথমেই ফজরের নামাজ পড়ে কাজের মেয়েটাকে সাথে নিয়ে রান্নার কাজে যাই । রান্না করতে প্রায় একঘন্টা লাগে । তারপর বড় ছেলেকে ঘুম থেকে উঠিয়ে পড়াতে বসি । তারপর ছেলেদের খাওয়াই । বড় ছেলেকে টিচারের বাসায় পাঠাই।ছোট ছেলেকে কাজের মেয়ের সাথে দিয়ে নিচে পাঠাইয়া দেই।তারপর আমি অফিসের জন্য রেডি হই । স্টাফ বাসে বসি । বাস ছাড়ে ৯.১০ এর সময়ে , অফিসে পৌছি ৯.৪৫ ।তারপর খাতায় সাইন করে কাজ শুরু ।অফিসে এসে পিসি অন করে প্রজন্মতে ঢুকি । তারপর টুকটাক মন্তব্য শেষে অফিসের কাজে বসি।

আল্লাহর রহমতে অফিসে তেমন কাজের চাপ নাই । বেশীর ভাগ কাজই আমাকে কম্পিউটারের মাধ্যমে করতে হয় । তাই প্রজন্মের সাথে বেশীর ভাগ সময়ই থাকতে পারছি ।কাজের ফাকে আমরা ১১.০০ টায় সবাই একসাথে মিলে নাস্তা করি।সবাই বাসা থেকে টুকটাক কিছু আনে।সবাই মিলে আন্তরিকভাবে কিছু সময় অতিবাহিত করি। অফিসে যখন একটু সময় পাই, তখন আমার কলিগদের এখানে বেড়াতে যাই , চা খাই, কিছু সময় কাটাই , তারপর আবার সীটে আসি ।কেমনে যে সময় গড়ায় টেরই পাই না । ফাকে ফাকে শ্বাশুড়ীর কাছে ফোন করে বাচ্চাদের খবর নেই।এভাবে করতে করতে ১.০০ বেজে যায়।

১.০০ বাজলে আর কাউকে সীটে পাওয়া যায় না । আমার ডিপার্টমেন্ট পুরোপুরি ফাকা হয়ে যায় ।আর আমি নামাজ পড়তে যাই।নামাজ পড়ে নিজের সীটে বসে লাঞ্চ শেষ করি ।লাঞ্চ শেষে কিঞ্চিত সাজুগুজু করি ।চা পান করি ,মাঝে মাঝে কফিও খাই।তারপর আবার পিসিতে বসি,ফোরামে ঘুরাফেরা করি । জরুরী কাজ থাকলে করে নেই আগে ।যেমন এখন মোটামুটি দুই একটা জরুরী কাজ আছে ।কিন্তু তোমার সাথে কথা বলে শেষ করে তারপর করবো ।


হায়হায় ,বলো কি??জরুরী কাজ!!  nailbiting
-ইদানিং বেশী সময় পাচ্ছি আজাইররা ।কারণ লোকজন অপরাধ কম করতেছে বলে মনে হয় । অপরাধীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।যাইহোক,তারপর ৫.০০ টায় আসরের নামাজ পড়ি ।নামাজ পড়ে আবার কম্পিউটারে গুতোগুতি.....৫.০০ থেকে ৬.০০ এই সময়টা উত্তেজনার মধ্যে কাটে কখন সময় হবে যাবার।আমাদের স্টাফ বাস ছাড়ে ৬.২০ এ। বাসায় যেতে যেতে পৌছি ৭.০০ প্রায়।তাই প্রতিদিন চেষ্টা করি একটু আগে যাওয়ার, যেমন ৫.৩০ থেকে শুরু।তখন যদি বস আমাকে ছুটি দেয় তাহলে রিক্সা করে বাসায় ফিরি ,তাহলে একটু আগে যাওয়া যায় । রিক্সা ভাড়া নেয় ৫০ টাকা  ।এটা ব্যাপার না । যখন গিয়ে দেখি দুই ছেলে অপেক্ষা করছে রাস্তায়,তখন মনটা অতিরিক্ত ভাল হয়ে যায় । তাদের কে নিয়ে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত নিচে ঘুরাফেরা করি ।

তারপর আযান পড়লে বাসায় ফিরি । ফিরে গোসল করি । মাগরিবের নামাজ পড়ি। বাচ্চাদের খাওয়াই। তারপর বড় ছেলেকে পড়াতে বসাই, নিজে পাশে বসি, প্রায় দশটা বাজে পড়াতে পড়াতে। এসময়টা টিভি দেখতে পারি না ।তারপর নিচে আধঘন্টা হাটতে বেরোই। হাটা শেষে টিভিতে কিছু থাকলে দেখি। বাচ্চাদের ভাত খাওয়াই, নিজে খাই,তারপর ঘুমাতে ঘুমাতে তো প্রায় ১২.০০/১.০০ বেজে যায়।ছোট ছেলে তো ঘুমাইতেই চায় না। তার বাবা তাকে কোলে নিয়ে হাটতে হাটতে ঘুম পাড়ায়। তারপর কখন যে ঘুমিয়ে যাই টের-ই পাই না। মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখি, তাই ফজরের নামাজের সময় উঠতে পারি।


তুমি এত কম ঘুমাও??? Omg!!!  surprised
-হ্যা। এইটাই চাকুরীজীবি মেয়েদের জীবন। তারপরও তো কারো মন উঠাতে পারি না।সব কিছুতেই ব্যর্থ হই  sad


শুধু এটুকু বলব : তুমি অনেকের কাছে আদর্শ ,আমার মতে  thumbs_up


আচ্ছা,তোমার জব সম্পর্কে কিছু বলবে আমাদেরকে?
-আমি আছি একটা গুরুত্বপূর্ণ উইং এ ,যেখানে সমস্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের শৃংখলা মুলক কাজ দেখা হয়,তাই সব সময়ই সীটে থাকতে হয়। কোন সময় যে কাকে বাঁশ দেয়া লাগে সেইটার জন্য অপেক্ষায় থাকা।যারা ভিকটিম তারা আমাদেরকে দেখতে পারে না।এ উইংয়ে আছি অনেকদিন, প্রায় ৭ বছর। দেখলাম যে বড় বড় রাঘব বোয়ালরা দোষ করে বেচে যায় ।আর যারা ছোট খাট চাকুরী করে যেমন পিয়ন কেয়ারটেকার অফিসার ,তাদের একটা না একটা শাস্তি হবেই।কিন্তু একেবারে উপরের লেভেলের লোকেরা কিভাবে যেন বেচে যায়।এইটা আমাকে মাঝে মাঝে ভাবায়।


হুম..বুঝতে পেরেছি।এবার আমাদের একটু বলো,তোমার পরিবারের সম্পর্কে,যদি কোন আপত্তি না থাকে বলতে।
-আমার পরিবারের কথা বলব না কেন?বলব অবশ্যই। প্রথমেই বলি আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাই আমার বাবাই আমার আদর্শ গর্ব।আমার বাবা সেনাবাহিনীতে চাকুরী করতেন । ওইখান থেকেই বাবা যুদ্ধে যান।আমার বাবার কারণেই আজ আমি এতদুর। বাবা চাকুরী শেষে কাতার থাকেন ৮ বছর, তাও সরকারী ভাবে। তারপর আবার যান কুয়েতে সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট হিসাবে।সেখানে থাকেন ৫ বছর। আর এখন আছেন দেশেই।

আর আমার মাও আমার গর্ব।মায়ের মমতা আর আদরে আজ আমি এতদুর,কারণ ছোটবেলা থেকেই বাবাকে কাছে পাইনি আমরা। আমার মা-ই আমাদের মানুষ করেছেন অনেক কষ্টে।এখন বুঝি মানুষ যে কত কথা শুনাত আমার মাকে।মানুষদের দিয়ে বাজার করাতেন আমার মা।

আমরা তিন বোন দুই ভাই।আমার দুইভাই আমার ছোট । আমার বড় বোন, তারপর আমি, তারপর ভাই, তারপর বোন, তারপর ছোট ভাই।আমার ছোটটা এখন ডেস্ক কোম্পানীতে চাকুরী করে, ঢাকায়ই আছে। আর ছোট ভাইটা ইন্টার পরীক্ষা দিল। আমার ছোট বোন বাংলাদেশ ব্যাংকেই ছোট একটা চাকুরীতে ঢুকিয়ে দিয়েছি। আর বড় বোন দেশেই আছে হাউজ ওয়াইফ হিসাবে,আর দুলাভাইও সেনাবাহিনীতে ছিলেন এখন রিটায়ার্ড ।বড় বোনের একছেলে এক মেয়ে।

আমার মা আমাকে কোন কাজেই বাধা দিতেন না । পড়াশুনা শেষ করে আমি আমার চার বন্ধু মিলে কম্পিউটার ব্যবসা দিয়েছিলাম । অনেকেই অনেক কথা শুনিয়েছে । কিন্তু আমার মা আমাকে উৎসাহ দিয়েছিল ।এই ব্যবসা দেয়ার কারণেই আজকে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকুরীটা পেয়েছি । বন্ধুদের সাথে যদি তখন না থাকতাম তাহলে গ্রামে পড়ে থেকে কিছুই জানতাম না। কম্পিউটার সেন্টারে বসে পত্রিকা পড়ে এখানে এপ্লাই করি। তারপর টিকেও যাই।আর আমার বড় সাপোর্ট ছিল আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা,মেধা আমার ততটা নেই। আল্লাহর রহমতেই আমি এ চাকুরী পাই । তারপর চাকুরীর পরে বিয়ে।

আমি যেখানে জয়েন করেছিলাম সেখানের বড় ভাইয়েরা আর এক ভাবী ছিল, তারাই আমার জন্য পাত্র খোজা শুরু করলো। তারপর একজনকে এনে দেখালো,আমি কিছুই বললাম না,শুধু বললাম আমার পরিবারের সবাই যা বলে তাই হবে।তখন আমি ঢাকাতে আমার দুলাভাইয়ের বাসায় থাকতাম।তখন সবাই দুলাভাইকে খবর দিযে আনালো, তারপর কথাবার্তায় শেষ পযর্ন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ালো।আমার হাজবেন্ডও বাংলাদেশ ব্যাংকে আছেন ।বর্তমানে এ্যাসিন্টেট ডাইরেক্টর হিসাবে কর্মরত।তারপর তো এই আমি।


অনেক কিছু জানতে পারলাম তোমার কাছ থেকে।এত চমৎকারভাবে তুমি সব বলেছ যেন মনে হচ্ছিল চোখের সামনে সব ভেসে উঠছে।তোমার আবেগটুকু আমার মাঝেও সঞ্চারিত হয়ে গেল।যাই হোক,আমি তো অনেক প্রশ্ন করলাম।আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চাও??  hehe

( প্রশ্নটা করে একটু বিপদেই পড়ে গেলাম।ছবিপু অনেক কিছু জানতে চেয়েছিলেন।কিন্তু  ইন্টারভিউটুকু আমার নয়,বিধায় আমার অনুরোধে একটি স্পেসিফিক প্রশ্ন করলেন)
-চাই। বর্তমানে কি ভালবাসো কাউকে?


খুব জটিল প্রশ্ন।সেটা ডিপেন্ড করে কার কথা জানতে চাইছ-মা-বাবা-ভাই-বোন??নাকি কোন মেয়েকে?
-কোন মেয়েকে

নাহ..আপাতত এসব থেকে মুক্ত।তবে মাঝে মাঝে পুরোনো অসাধারণ কিছু স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠে,খুব বিচিত্র একটা ভাল লাগা অনুভুতি হয় তখন।


যাই হোক,তোমার কাছে শেষ প্রশ্ন :ইন্টারভিউটুকু দিয়ে কেমন লাগল?
-খুবই ভাল লাগল। আসলে এসব তো আর কেউ জানতে চায় না।তুমিই প্রথম এত সুন্দর করে বিষয়টি উপস্থাপন করলে।খুবই ভাল লাগছে।


সবশেষে, ছবিপু, তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সময় দেয়ার জন্য।সত্যি বেশ ভাল লেগেছে তোমার ইন্টারভিউটুকু নিয়ে, পুরো ডিফারেন্ট একটা অনুভুতি পেলাম।
-তোমাকেও অশেষ ধন্যবাদ।




এই ছিল ছবি আপুর ইন্টারভিউ। আমার নিজের অনেক বাড়তি প্রশ্ন ও অফ দা রেকর্ড  কথা-বার্তা ছিল যেগুলো করা হয়েছে আপুর উত্তরগুলো ডিটেইলড বের করে নিয়ে আসার জন্যে,তবে উল্লেখ করা হয়নি সাজানোর সুবিধার্থে।ইন্টারভিউ শেষ হবার পর পুরো জিনিসটা সাজানো ও এডিট করতে অনেক সময় লেগে গেল-এটাই সবচে কঠিন স্টেপ মনে হয়।এখনো এডিট করছি বারে বারে কিভাবে আরো সুন্দরভাবে ইন্টারভিউটাকে উপস্থাপন করা যায়-কারন আরেকজন মানুষকে সবার সামনে উপস্থাপন করাটা আমার কাছে অনেক বড় একটা রিসপনসিবিলিটি  বলে মনে হয়।তারপরও কিছু ভুল থেকে যেতে পারে।সেসব নিয়ে একটু টেনশনে আছি।সবাই ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

surprised surprised surprised surprised  surprised surprised
কেম্নে নেন এত সুন্দর ইন্টারভিউ। টিউটোরিয়াল চাই tongue

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

surprised surprised surprised surprised  surprised surprised
কেম্নে নেন এত সুন্দর ইন্টারভিউ। টিউটোরিয়াল চাই tongue

আরে নাহ..কিয়ের সুন্দর।সব ক্রেডিট ছবি আপুর  big_smile

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

চমৎকার ইন্টারভিউ।

সালেহ আহমদ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

সালেহ আহমদ লিখেছেন:

চমৎকার ইন্টারভিউ।

ধন্যবাদ "কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল" সিরিজের প্রথম অতিথি সালেহ আহমদ ভাই।তয় আপনে যেই রকম বিজি,পুরাডা পড়ছেন তো?  thinking

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আশিফ শাহো (৩১-০৫-২০১১ ১৪:৩৫)

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

অনেক সুন্দর একটা ইন্টারভিউ, দুজনেই পিলাচ পাওয়ার যোগ্য স্বপ্নীল ভাইকে একনি বুঝিয়ে দিলাম আর ছবি আপুরটা উনি এখানে কমেন্ট করা মাত্র বুঝিয়ে দেয়া হবে  big_smile

কিন্তু একটা ঘাপলা আপনি(ছবি আপু) এত কম ঘুমিয়ে কেমনে থাকেন  thinking thinking
আমারতো চিন্তা করতেই ঘুম পাচ্ছে  sad


আর স্বপ্নীল ভাই ঘুট করে এবার ২০০০ পোষ্টখানা এখানেই করেন  big_smile
ধুর ২০০০ পোষ্ট হয়ে গেছে অভিনন্দন

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

আশিফ শাহো লিখেছেন:

অনেক সুন্দর একটা ইন্টারভিউ, দুজনেই পিলাচ পাওয়ার যোগ্য স্বপ্নীল ভাইকে একনি বুঝিয়ে দিলাম আর ছবি আপুরটা উনি এখানে কমেন্ট করা মাত্র বুঝিয়ে দেয়া হবে  big_smile

আর স্বপ্নীল ভাই ঘুট করে এবার ২০০০ পোষ্টখানা এখানেই করেন  big_smile

ধন্যবাদ তোমারে।২০০০ পোস্ট করা শেষ।
সব ক্রেডিট ছবি আপুর।উনি এত চমৎকার ইন্টারভিউ দিছেন ,আমি খুবই স্যাটিসফাইড।

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

স্বপ্নীল লিখেছেন:
সালেহ আহমদ লিখেছেন:

চমৎকার ইন্টারভিউ।

ধন্যবাদ "কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল" সিরিজের প্রথম অতিথি সালেহ আহমদ ভাই।তয় আপনে যেই রকম বিজি,পুরাডা পড়ছেন তো?  thinking


হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।  smile

সালেহ আহমদ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

সালেহ আহমদ লিখেছেন:

হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।  smile

সময়ের কি দারুন ইফিশিয়েন্ট ব্যবহার।আমিও এটাই করি  tongue

১০

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

স্বপ্নীল লিখেছেন:
সালেহ আহমদ লিখেছেন:

হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।  smile

সময়ের কি দারুন ইফিশিয়েন্ট ব্যবহার।আমিও এটাই করি  tongue

খাওয়ার সাতে পড়া ?  surprised surprised
আমাকেতো মাঝমধ্যে দুজনের সাথে চ্যাটও করতে হয়  lol
এজন্য বাম হাতদিয়ে মাউস কিবোর্ড চালানোটা মুটামুটি রপ্ত করে নিয়েছি  smile

১১

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

অসাধারণ ইন্টারভিউ হয়েছে!  thumbs_up

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন স্বপ্নীল (৩১-০৫-২০১১ ২৩:৫০)

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

আশিফ শাহো লিখেছেন:

খাওয়ার সাতে পড়া ?  surprised surprised
আমাকেতো মাঝমধ্যে দুজনের সাথে চ্যাটও করতে হয়  lol
এজন্য বাম হাতদিয়ে মাউস কিবোর্ড চালানোটা মুটামুটি রপ্ত করে নিয়েছি  smile

সালেহ ভাই খাওন-পড়ন এক সাথে করলেও উনার খুব জরুরি টিপস দরকার যে কিভাবে কম ঘুমাইয়া বেশি কাজ করন যায়।উনি খুব পেরেশানীতে আছেন  sad
ছবি আপু: আপনে একটু টিপস দেন প্লিজ সালেহ ভাইরে  roll

১৩

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

সালেহ আহমদ লিখেছেন:

হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।

লল ... আমিও  hehe । সুন্দর হয়েছে স্বপ্নীল ভাই

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

আল মাহমুদ লিখেছেন:

অসাধারণ ইন্টারভিউ হয়েছে!  thumbs_up

 
অনেক ধন্যবাদ ফোরামের জনপ্রিয় কবি আল মাহমুদ  wink

শ্রাবন লিখেছেন:
সালেহ আহমদ লিখেছেন:

হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।

লল ... আমিও  hehe । সুন্দর হয়েছে স্বপ্নীল ভাই

 

সব ক্রেডিট ছবি আপুর।উনার জন্য সবকিছু খুব সুন্দরভাবে হয়ে গেল।

১৫

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

স্বপ্নীল লিখেছেন:
দক্ষিণের-মাহবুব লিখেছেন:

surprised surprised surprised surprised  surprised surprised
কেম্নে নেন এত সুন্দর ইন্টারভিউ। টিউটোরিয়াল চাই tongue

আরে নাহ..কিয়ের সুন্দর।সব ক্রেডিট ছবি আপুর  big_smile

আমার কোন ক্রেডিট নাই । এখানে প্রশ্ন দাতা যেভাবে প্রশ্ন করেছেন তাতে উত্তর দিতে সহজ হয়েছে । প্রশ্নদাতা নি:সন্দেহে সাংবাদিক হওয়ার যোগ্য ।

আশিফ শাহো লিখেছেন:

অনেক সুন্দর একটা ইন্টারভিউ, দুজনেই পিলাচ পাওয়ার যোগ্য স্বপ্নীল ভাইকে একনি বুঝিয়ে দিলাম আর ছবি আপুরটা উনি এখানে কমেন্ট করা মাত্র বুঝিয়ে দেয়া হবে  big_smile

কিন্তু একটা ঘাপলা আপনি(ছবি আপু) এত কম ঘুমিয়ে কেমনে থাকেন  thinking thinking
আমারতো চিন্তা করতেই ঘুম পাচ্ছে  sad

আসলে অভ্যাস হয়ে গেছে । কষ্ট তো একটু হয়ই বটে....

ঘুমাই শুক্রবার/শনিবারে  সকালে ঘুম থেকেই উঠি ৮.০০ টায় । আবার দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমাই......
ধন্যবাদ আশিফ

স্বপ্নীল লিখেছেন:
সালেহ আহমদ লিখেছেন:

হেহেহে.. খাইতেছিলাম আর পড়তেছিলাম।  smile

সময়ের কি দারুন ইফিশিয়েন্ট ব্যবহার।আমিও এটাই করি  tongue

এটা মোটেও ঠিক কাজ না । আল্লাহর রহমত রিযিক । খাওয়ার সময় সুন্দর করে বেশী কথাবার্তা না বলে খেতে হয় ।

আশিফ শাহো লিখেছেন:

এজন্য বাম হাতদিয়ে মাউস কিবোর্ড চালানোটা মুটামুটি রপ্ত করে নিয়েছি  smile

এই কাজটাও ঠিক না আশিফ......

স্বপ্নীল লিখেছেন:

সালেহ ভাই খাওন-পড়ন এক সাথে করলেও উনার খুব জরুরি টিপস দরকার যে কিভাবে কম ঘুমাইয়া বেশি কাজ করন যায়।উনি খুব পেরেশানীতে আছেন  sad
ছবি আপু: আপনে একটু টিপস দেন প্লিজ সালেহ ভাইরে  roll

ছেলেরা তো আজাইর‌্যা সময় নষ্ট করে রাইত জাইগ্যা । আমার দেবর একটা সারারাতই সজাগ থাকে । মনে হয় এইটা একটা ফ্যাশন ।
কম ঘুমানো আসলে যার যার কাছে । প্রয়োজনই সবাইকে এরকম করে দেয় ।
তবে আমার সবচেয়ে কষ্ট হয় রোজার সময় । রাতে উঠে রান্না তারপর সেহরী খেয়ে সকালে অফিসে আসা খুবই কষ্ট হয় ।

ধন্যবাদ সবাইকে........

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৬

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

ছেলেরা তো আজাইর‌্যা সময় নষ্ট করে রাইত জাইগ্যা

সাথে সাথে একটা ভেটো দিলাম wink  whats_the_matter

শ্রাবন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

অসাধারন একটি ইন্টারভিউ  clap clap
ছবি আপুর রুটিন দেখে তো আমার অবস্থা  surprised surprised surprised
এত প্রান শক্তি কোথায় পান ছবি আপু????

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন............
এর জন্যই মনে হয় আমি বার বার হারি.........ঃ(

১৮

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

ভাল লাগল।

আল্লাহ আপনি মহান

১৯

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

আমার কোন ক্রেডিট নাই । এখানে প্রশ্ন দাতা যেভাবে প্রশ্ন করেছেন তাতে উত্তর দিতে সহজ হয়েছে । প্রশ্নদাতা নি:সন্দেহে সাংবাদিক হওয়ার যোগ্য ।

তোমার ক্রেডিট নাই মানে?আমি কিভাবে প্রশ্ন করব ভাবতে ভাবতেই তুমি খুব সুন্দর করে নিজেকে আমাদের সামনে তুলে ধরলে,আমার কাজটা কত সহজ করে দিয়েছ একবার ভাব।
তাছাড়া প্রায় আড়াই ঘন্টা ধরে অফিসের প্রচন্ড কাজের ফাকে ফাকে সময় বের করে ইন্টারভিউ দেয়াটা খুব সহজ কথা নয়।

ছবি-Chhobi লিখেছেন:
স্বপ্নীল লিখেছেন:

সালেহ ভাই খাওন-পড়ন এক সাথে করলেও উনার খুব জরুরি টিপস দরকার যে কিভাবে কম ঘুমাইয়া বেশি কাজ করন যায়।

ছেলেরা তো আজাইর‌্যা সময় নষ্ট করে রাইত জাইগ্যা । আমার দেবর একটা সারারাতই সজাগ থাকে । মনে হয় এইটা একটা ফ্যাশন ।
কম ঘুমানো আসলে যার যার কাছে । প্রয়োজনই সবাইকে এরকম করে দেয় ।

 

ছবিপু,সালেহ ভাই কিন্তু খুব সিরিয়াস টাইপ মানুষ।উনি সারাদিন বিভিন্ন হোস্টিং,ডোমেইন,ওয়েবসাইট বিল্ডিং-এসব নিয়ে খুব বিজি থাকেন।সেটা তুমি বুঝতে পারবে কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ১- অতিথি: সালেহ আহমদ পড়লে।

২০

Re: কিছুক্ষণ উইথ স্বপ্নীল: পর্ব ৩- অতিথি: ছবি আপু

শ্রাবন লিখেছেন:
ছবি-Chhobi লিখেছেন:

ছেলেরা তো আজাইর‌্যা সময় নষ্ট করে রাইত জাইগ্যা

সাথে সাথে একটা ভেটো দিলাম wink  whats_the_matter


আমি ভোট দিতে পারলাম না।  sad
রাতে কাজ করতে করতে ভোর হয়ে যায়। অভ্যাসটা পরিবর্তন করার চেষ্টা করতেছি।

সালেহ আহমদ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত