টপিকঃ এক গ্লাস শরবত।

আমার উচিৎ এখনি লোকটিকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া কিন্তু প্রথম দর্শনেই কাউকে বের করে দেয়া যায় না। আমি ইলিয়াস। একটি স্কুলের শিক্ষক। বিয়ে করা হয় নি বৃথাই সন্তানও নাই। ঝামেলা মুক্ত সংসার। সংসারে আমি একা। কিছুদিন আগে কাজের ছেলে চলে গিয়েছে। চলে গিয়েছে বললে ভুল হবে- পালিয়ে গিয়েছে। আমার সকল প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। ঘুম থেকে উঠে দেখি জামা কাপড় কিছুই নেই। টেবিলে একটা চিরকুট। তাতে লিখা-

স্যার,
      গোস্তাকি মাপ করবেন। আপনাকে না বলেই চলে যাচ্ছি। মনে বড়ই সাধ ছিলো আরব দেশে যাবো। আপনার সাথে থাকলে স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে, তাই চলে গেলাম। যাবার সময় কিছু কাপড়-চোপড় নিয়ে গেলাম। ট্যাঙ্কের মাঝে যেই চার হাজার পাঁচশত দুই টাকা ছিলো তাও নিয়ে গেলাম। অজানার পথে যাচ্ছি। টাকা-পয়সা, কাপড়-চোপড় অতীব প্রয়োজন। তাই নেওয়া। আমি আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম। দোয়া করবেন।

বড় বড় স্টার মার্ক করে নিচে লেখা-

*** এটাকে চুরি মনে করবেন না। ধার নিলাম। রোজগার করে ফেরত পাঠাবো। ইনশাল্লাহ।
***খাবার রান্না করা আছে, খেয়ে নিবেন।

ইতি,
আপনার আদরের বাবুর্চি!

মহসীন

ইলিয়াস পড়ে গেল মহা ঝামেলায়। কিছু কাপড় বলতে- সবই নিয়ে গিয়েছে। রুম ফক ফক করছে। পড়নের মাঝে লুঙ্গি আর সেন্টু গেঞ্জি বাদে কাপড়-চোপড় বলতে কিছুই নেই।
সকাল নয়টায় স্কুলে জরুরী মিটিং। যোগদান সময় মত না করতে পারলে বিরাট শাস্তি। বেতন থেকে দুই দিনের হাজিরা কর্তন। এমনিতে বেতন যা পাই, তা দিয়ে মাস পার হয় না তার উপর বেতন কাটা গেলে তো মহা মুশকিল। ইলিয়াস লুঙ্গি আর সেন্টু গেঞ্জি পড়েই মিটিং এ যোগদান করলেন।

স্কুলের হেডমাস্টার খুবই কঠিন লোক। ছোট-খাট মানুষ। সব সময় পাওয়ার ফুল চশমা পড়ে থাকেন। চশমার করনেই বোধহয় চোখ দুটো বড় বড় দেখা যায়। তিনি চশমার উপর দিয়ে তাকিয়ে বললেন- ইলিয়াস ভাই, আপনি কি স্কুলটাকে নিজের বেড রুম মনে করেছেন?

এই হলো আরেকটা সমস্যা। হেডস্যার মূল সমস্যা না জিজ্ঞাসা করেই সবসময় নিজের মতামত জানিয়ে দেন হুট করে। সুন্দর ভাবে তো জিজ্ঞাসা করতে পারতেন- ইলিয়াস ভাই, আপনি এ ভাবে এসেছেন কেন? কোন সমস্যা? তা নয়। প্রথমেই নিজের তিক্ত কথাটা বলে নিবেন।

ইলিয়াস নিজের সমস্যার কথা সবাইকে বুঝিয়ে, অগ্রিম বেতনের দরখাস্ত লিখে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। সেদিন মিটিং, ক্লাস কিছুই করা হলো না। এখানেই যদি ঝামেলার সমাপ্ত হতো তাহলে তো হতোই- তিনি লুঙ্গি আর সেন্টু গেঞ্জি পরেই মার্কেটে গেলেন জামা-কাপড় কিনতে।

তিনদিন ধরে চাকর না থাকাতে হয়েছে আরেক বিপদ। বয়স হয়ে গিয়েছে। এই বয়সে রান্না রান্না করে খাওয়াটা সম্ভব নয়। তিন-বেলা হোটেলে খেতে হচ্ছে। হোটেলের খাবার খুবই কু-রুচি সম্পন্ন। তার পেটে সহ্য হচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর পরই পেট মোচড় দিচ্ছে।

সামনে দাড়িয়ে আছে গাট্টা-গোট্টা ধরনের একজন লোক। মাথার মাঝে কোন এক চর্ম রোগে খাবলা খাবলা চুল নাই। কুচকুচে কালো চেহারা। উসকো-খুসকো দাড়ি গোঁফের অবস্থা। মোচ এ ঠোট ডেকে গিয়েছে। পুরো শরীরই ময়লা, গোসল করে না কয়দিন কে জানে? হেডস্যার বাবুর্চি হিসাবে পাঠিয়েছেন। লোকটির শরীর থেকে পচা একটা গন্ধ আসছে। প্রথম দর্শনেই একে বাবুর্চির কাজ দেওয়া যাবে না বলে রুম থেকে বের করে দেওয়া উচিত। কিন্তু বলতে পারছেন না। কোন ভদ্রলোকই প্রথম দর্শনেই কাউকে বের করে দিতে পারেন না। তার উপর আবার হেডস্যার পাঠিয়েছেন। একে বুদ্ধি করে না বলে দিতে হবে। ইলিয়াস কি ভাবে বলবেন বুঝতে পারছেন না। তাই তিনি কিঞ্চিত চিন্তিত।

ইলিয়াস বিরক্তের সাথে প্রশ্ন করলেন- নাম কি তোমার?
লোকটি হাসিমুখে বললো- স্যার রাসেল!
শুধুই রাসেল, আগে পিছু কিছু নেই?
স্যার, মোহাম্মদ রাসেল মিয়া।
আমার এখানে যে চাকর লাগবে তোমাকে বলেছে কে?
স্যার কেউ বলে নি।
ইলিয়াস অবাক হয়ে বললো- তাহলে প্রথম ঢুকেই তুমি বললা হেডস্যার পাঠিয়েছেন, কাজের লোক হিসাবে, এর মানে কি? মিথ্যে বলেছ?
রাসেল মিয়া কিছুই বলছে না। নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। ইলিয়াস আবারো প্রশ্ন করা শুরু করলো- তুমি মিথ্যে কথা বলো এটা তো অন্যায়। মহা অন্যায়। কি কি রান্না করতে পারো?
স্যার সব পারি। যা খেতে চাইবেন।
এটাও তো মিথ্যে কথা বল্লা। সব পারো এটা কেমন কথা? আমি যদি তোমাকে চাইনিজদের মতো বলি- সাপ, ব্যাঙ এর ছালুন রান্না করতে, পারবে তুমি?
রাসেল মিয়া আবারো চুপ কের থাকলো। কিছুই বলছে না, ইলিয়াসের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসি দিলো। হাসি দেখে ইলিয়াসের মাথা চড়ে গেল। বদের বদ। প্রথমেই মিথ্যে কথা শুরু করেছে আবার হাসছে। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন কঠিন করে একে ধমক দিবেন। পূর্ব প্রস্তুতি অনুসারে তিনি ধমক দিলেন-
দাঁত বের করে হাসছো ক্যান? মুখ বন্ধ করো। আমার সামনে বেয়াদপের মতো হাসবে না।
রাসেল মিয়ার মনে হয় ধমকে কাজ হলো না। সে হাসি হাসি মুখে বললো- জি, হুজুর।
একবার স্যার বলছো, একবার হুজুর। ফাইজলামী করো আমার সাথে। আমি তোমার তালই না। যে যখন তখন রসিকতা করবে। আর আমি গাধা পলাশ মাহমুদও না। যে সব কথাতেই ইন্টারেস্টিং মনে করবো। তুমি এক্ষুনি বিধেয় হও।
রাসেল মিয়া বের হলো না। মাটির দিকে চেয়ে আছে। ইলিয়াস আবারো বললো-
কি ব্যাপার কথা কানে যাচ্ছে না? বের হও, গেট লস্ট!
স্যার, আমি মনে হয় ইন্টার্ভিউতে ফেল করেছি, তাই না?
হ্যাঁ, ফেল করেছ। দশে ডাবল জিরো পেয়েছ, দুইটা গোল আলু। এবার বিধেয় হও। ডাবল জিরো পাওয়া চাকর আমি রাখি না।
স্যার আরেকবার ইন্টার্ভিউ নেন। এবার ভালো রেজাল্ট করবো। এক দার্শনিক বলেছেন- একবার না পারিলে দেখ শতবার।
তুমি আবারো আমার সাথে ফাইজলামী করছো? তোমার সাহস তো কম নয়?
রাসেল মিয়া আমতা আমতা করে বললো- কি করবো স্যার, লেখক তো পলাশ মাহমুদ। সব কিছুতেই ফাইজলামী করে। স্যার এবার পরীক্ষা নেন, ডাবল এ প্লাসে পাশ করবো। বাবুর্চি হিসাবে আমি খুবই ভালো, সব রাঁধতে পারি।
ইলিয়াস এবার মহা বিরক্ত হয়ে পড়লো। বললো- তুমি আবারো মিথ্যে কথা বলছো। বারবার বলছো তুমি সব রান্না করতে পারো। মিথ্যে বলছো কেন?
রাসেল মিয়া হাসি হাসি মুখ করে বললো- মিথ্যে বলছি না স্যার। আসলেই সব পারি।
ইলিয়াসের ধৈর্যের বাধ ভেঙ্গে গেল। মেজাজ চরম খারাপ। বসা থেকে উঠে ঠাস করে একটা চড় দিতে পারলে মেজাজটা একটু ঠান্ডা হতো। তিনি চিৎকার দিয়ে বললেন- আমি যা খেতে চাই তাই তুমি বানাতে পারবে।
রাসেল মিয়া হাসতে হাসতে বললো-পারবো স্যার।
ইলিয়াস বললো- আমার এখন লেবুর শরবত খেতে ইচ্ছে করছে। ঘরে কোন লেবু নেই এমন কি চিনিও নেই। আমাকে শরবত বানিয়ে খাওয়াও।
ইলিয়াস প্রশ্নটা করে মনে মনে খুশি হয়েছে। ঘরে কিছুই নাই। শরবত বানানো অসম্ভব। এই বার যদি রাসেল মিয়াকে বিধেয় করা যায়। নিজের বুদ্ধিতে নিজেই অবাক। কিন্তু ইলিয়াসকে আরো অনেক অবাক করে রাসেল মিয়া বললো- স্যার, আপনার টেবিলের গ্লাসটা দেন, শরবত বানিয়ে দেই।
ইলিয়াস গ্লাস এগিয়ে দিলো। রাসেল মিয়া গ্লাসটা হাতে নিয়ে চোখ বন্ধ করে বিড়বিড় করে কি যেন পড়ছে।  ইলিয়াস অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। কিছুক্ষণ বিড়বিড় করে গ্লাসের পানিতে তিনটা ফু দিয়ে চোখ খুলে গ্লাস ইলিয়াসের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো- স্যার, খেয়ে দেখেন! লেবুর শরবতে চিনি ঠিক আছে কিনা?
ইলিয়াস গ্লাসটা হাতে নিলো। বিরক্তিতে গলা শুকিয়ে আসছে। ব্যাটা কতো বড় বেয়াদপ। গ্লাসে ফু দিয়ে বলে শরবত খান। তিনি প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে বললেন- তুমি যে চরম বেয়াদপ একটা ছেলে তা কি তুমি জানো? পানিতে ফু দিয়ে বলছো- শরবত খান? পীর, আউলিয়া, দরবেশ হইছো। নিজেকে জাদুকর জুয়েলাইচ মনে করো।
রাসেল মিয়া অবাক হয়ে বললো- স্যার আমি সত্যি কথাই বলছি। একবার খেয়েই দেখেন না।

ইলিয়াস গ্লাসে চুমুক দিলো। গ্লাসের পানি যেমন আছে তেমনই রয়ে গিয়েছে। পানির কোন স্বাদ পরিবর্তন হয় নাই। তিনি বললেন- তোমাকে লাথি দিয়ে বের করে দেবার আগে, রুম থেকে বের হয়ে যাও।
রাসেল মিয়া বললো- স্যার গরম কালতো। মন্ত্র কাজ করতে একটু সময় লাগছে। আমি মিথ্যে বলছি না।
ইলিয়াস বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো- এক্ষুনি বের হও। তোমাকে ঘাড় ধরে বের করবার আগে বের হও।
রাসেল মিয়া কিছুই বললো না। নি:শব্দে বের হয়ে গেল।

সাত সকালেই মেজাজটা চরম খারাপ করে দিয়ে গিয়েছে। কোথা থেকে পাগলটা আসছে কে জানে। দেখেইতো মনে হয় কোন কবরস্থান থেকে উঠে এসেছে।  ইলিয়াসের মাথা ব্যথা করা শুরু হয়েছে। রাসেল মিয়া চলে যাবার পর বুক থেকে মনে হয় বড় একটা পাথরের খন্ড চলে গিয়েছে। এতক্ষণ খুবই টেনশনে ছিলো ইলিয়াস।  রাসেল মিয়া চলে যাবার পর পরই খুব তৃষ্ণা পেল ইলিয়াসের। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছে। তিনি গ্লাসের পানিতে চুমুক দিলেন এবং সাথে সাথেই অবাক হয়ে গ্লাসের পানির দিকে চেয়ে থাকলেন। গ্লাসের লেবুর শরবত। লেবুর আশ দেখা যাচ্ছে। শরবতের স্বাদটা চমৎকার। চিনির পরিমাণ, লেবুর পরিমাণ ঠিক আছে। বেশিও না কমও না।

ইলিয়াস হতোভম্ভ হয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলো। তারপর ছুটে ঘর থেকে বের হলেন। পুরো এক ঘণ্টা রাসেল মিয়াকে খুঁজলেন, কোথাও পেলেন না। কি ভাবে পানি শরবত হয়েছে তা নিয়ে ইলিয়াস খুবই চিন্তিত। মাথা ব্যথা করছে। ক্রমশো মাথা ব্যথা বেড়েই যাচ্ছে। তিনি নিজেকে সান্ত্বনা দেবার জন্য বিড়বিড় করে বললেন- প্রকৃতি বড়ই বিচিত্র, বড়ই রহস্যময়। প্রকৃতির সব রহস্য ভেদ করা যায় না। এটা হয়তো তেমনি একটা রহস্য।

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: এক গ্লাস শরবত।

ডাইরেক্ট কেস করে দিমু। wink

Re: এক গ্লাস শরবত।

ইলিয়াস লিখেছেন:

ডাইরেক্ট কেস করে দিমু। wink

কেস কোথায় করবার। থানায় নাকি...........তোমার এলাকা যেই জঙ্গলে........কেস করতেও তো মনে হয় ঢাকায় আসতে হবে। আর আমি যদি শুনি তাহলে ডাইরেক্ট বাড়ির খুটির সাথে বেদে রাখুম। এবং প্রতিদিন তিন বেলা করে নাস্তাপানি খাওয়ামু sad

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: এক গ্লাস শরবত।

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

এবং প্রতিদিন তিন বেলা করে নাস্তাপানি খাওয়ামু

তাইলে বাইন্দা রাখলে সমস্যা নাইক্কা।

Re: এক গ্লাস শরবত।

ইলিয়াস লিখেছেন:
পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

এবং প্রতিদিন তিন বেলা করে নাস্তাপানি খাওয়ামু

তাইলে বাইন্দা রাখলে সমস্যা নাইক্কা।

চলে আসো; সাথে বারান্দার ভাড়া এবং খাবার দাবার খাওয়ার টাকা নিয়ে আইসো। পারিবারিক পরিবেশে খাবার খাবে এ জন্য আরো কিছু বেশি নিয়ে এসো.......... smile

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: এক গ্লাস শরবত।

পলাশ মিয়াকে শাস্তি দেয়া উচিৎ। ভয়াবহ রকম শাস্তি। কিন্তু কি শাস্তি সেটা মাথায় আসছে না। আপাতত একটা কাজ করা যায়। সকাল বিকাল রুটিন করে হুমায়ুন আহমেদের লেখা পড়তে দিতে হবে। সকালে একাটা, বিকালেও সেইটা। আবার রাতেও সেইটা। এভাবে এক বই ১৫ দিন করে।  tongue_smile tongue_smile

হুজুর কইছে, "কোরআন শরীফে আছে- তোমরা নামাজ থেকে বিরত থাক।" আমি তাই নামাজ পড়ি না। হুজুর যদি ইচ্ছা করে "অপবিত্র অবস্থায়" শব্দ দুটো বাদ দেয়, তার জন্য তো আমি দায়ী না।

Re: এক গ্লাস শরবত।

বাংলারমাটি লিখেছেন:

সকাল বিকাল রুটিন করে হুমায়ুন আহমেদের লেখা পড়তে দিতে হবে। সকালে একাটা, বিকালেও সেইটা। আবার রাতেও সেইটা। এভাবে এক বই ১৫ দিন করে।

ভাই এটা তো আমি আগে থেকেই চালিয়ে আসতেছি। বর্তমানে হুমায়ন আহমেদের সে আসে ধীরে গল্পের বইটা পড়ছি। যা কিনা এই পর্যন্ত ছয়বার ফুল কম্পিলিট করছি  sad

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: এক গ্লাস শরবত।

বাংলারমাটি লিখেছেন:

সকাল বিকাল রুটিন করে হুমায়ুন আহমেদের লেখা পড়তে দিতে হবে।

আর আমার এখন চিন্তা হচ্ছে.......
কে হুমায়ুন আহমেদ
আর কে পলাশ মাহমুদ
thinking

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: এক গ্লাস শরবত।

বোরহান লিখেছেন:

কে হুমায়ুন আহমেদ
আর কে পলাশ মাহমুদ

ভাই সত্যি করেই বলছি- আমিই পলাশ মাহমুদ ghusi

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১০

Re: এক গ্লাস শরবত।

বোরহান লিখেছেন:

আর আমার এখন চিন্তা হচ্ছে.......
কে হুমায়ুন আহমেদ
আর কে পলাশ মাহমুদ

বোরহান, হুমায়ুন আহমেদের ভুত যে পলাশ মাহমুদের উপর আছর করেছে সেটা কি তুমি জান না ? big_smile

১১

Re: এক গ্লাস শরবত।

বোরহান লিখেছেন:
বাংলারমাটি লিখেছেন:

সকাল বিকাল রুটিন করে হুমায়ুন আহমেদের লেখা পড়তে দিতে হবে।

আর আমার এখন চিন্তা হচ্ছে.......
কে হুমায়ুন আহমেদ
আর কে পলাশ মাহমুদ
thinking

এইডা তো আমিও ভাবতাছিলাম  worried

১২

Re: এক গ্লাস শরবত।

আইজ কাইল কি যে হইলো। হুমায়ন আহমেদ কেন যে লেখা শুরু করলো। উনার কারনে আমার লেখার কোন মূল্যায়নই হয় না sad sad

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৩

Re: এক গ্লাস শরবত।

হুমায়ুন আহমেদের কুটু মিয়া থেকে মেরে দিয়েছেন নাকি? notlistening

১৪

Re: এক গ্লাস শরবত।

!# লিখেছেন:

হুমায়ুন আহমেদের কুটু মিয়া থেকে মেরে দিয়েছেন নাকি? notlistening

কুটু মিয়া থেকে মারি নাই। কাহিনী তাহলে খুলেই বলি- এটা প্রায় এক বছর আগের লেখা। সেবা প্রকাশনি থেকে বিদেশি লেখকদের অনুবাদের গল্পগুলো পড়তে পড়েতে এমন একটা গল্প পেয়েছিলাম। যাতে ছিলো একটি বাচ্চা খুবই মন খারাপ করে বসেছিলো এমন সময় আরেকটি পিচ্চি আসে এবং তাকে কিছু মাটির টুকরো দিয়ে বলে এগুলো চকলেট। মজাদার চকলেট। সময় করে খেয়ে নিস।
বাচ্চাটা বিরক্ত হয়ে সেই ছেলেটিকে ঘর থেকে বাহির করে দিয়েছিলো। পরে দেখতে পায় টেবিলে চকলেট পড়ে আছে।
আর হুমায়ন আহমেদের কুটু মিয়া আমিও পড়েছি। তেমন একটা ভালো লাগে নাই। কাহিনী বেশি পেচাইছে।  ghusiএতো বেশি না পেচাইলেও উনি পারতেন। বইয়ের মাঝ পর্যন্ত পড়বার পর বোরিং হয়ে গিয়েছিলাম। তবে লাস্টে যেমন মনে করেছিলাম তেমনই হয়েছিলো তবে আমার কল্পনা থেকেও বেশি সুন্দর ভাবে লেখা ছিলো dream

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৫

Re: এক গ্লাস শরবত।

যাই হোক আপনার গল্পটাও সুন্দর হইচে  thumbs_up

১৬

Re: এক গ্লাস শরবত।

!# লিখেছেন:

যাই হোক আপনার গল্পটাও সুন্দর হইচে  thumbs_up

আমি গল্প লিখাই ছাইড়া দিমু sadসবাইকে কিরা-কসম কাটাইয়া বুঝাইতে হয় angryসুন্দর বলার জন্য ধন্যবাদ yahoo

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১৭

Re: এক গ্লাস শরবত।

হাউ-মাউ-ক্ষাউ, হুমায়ুনের গন্ধ পাউ। কিছু মনে লইয়েন না পলাশ ভাই।আপনে পলাশ মাহমুদ ইস্টাইলেই লিখেন। তাইলেই ভালো হইবো। আর একখান কথা। গল্পটা মনে হইলো ফার্স্ট পার্সন-থার্ড পার্সন দোষে দুষ্ট। কখনো দেখি ইলিয়াস সাহেব গল্প কইতাছে। আবার দেহি আরেকজনে কইতাছে  thinkingভুল ধরলাম। গোস্তাখি মাফ কইরেন  neutral

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৮

Re: এক গ্লাস শরবত।

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

চলে আসো; সাথে বারান্দার ভাড়া এবং খাবার দাবার খাওয়ার টাকা নিয়ে আইসো।

ভাই জান আমারে রাখা যায় নি ? wink। এভাবেই ঢাকা আসার পর থেকে আবাসন সমস্যায় ভুগছি।  tongue
এনিওয়ে গল্প টা পরে মজা পেলাম । যাই হোক ইঞ্জিন থেমে যাওয়া নিয়ে কথা হলেও থামে নাই tongue

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:

আমি গল্প লিখাই ছাইড়া দিমু sadসবাইকে কিরা-কসম কাটাইয়া বুঝাইতে হয় angryসুন্দর বলার জন্য ধন্যবাদ yahoo

কিরা কসম কি জিনিস ভাই। ?! কার কি কাটা লাগে তা জানি না । তয় আমার কাটাকুটা লাগবে না ।:P

১৯

Re: এক গ্লাস শরবত।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

হাউ-মাউ-ক্ষাউ, হুমায়ুনের গন্ধ পাউ। কিছু মনে লইয়েন না পলাশ ভাই।আপনে পলাশ মাহমুদ ইস্টাইলেই লিখেন। তাইলেই ভালো হইবো।

এটা আমিও বলতে চাচ্ছিলাম  cool

২০

Re: এক গ্লাস শরবত।

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

হাউ-মাউ-ক্ষাউ, হুমায়ুনের গন্ধ পাউ। কিছু মনে লইয়েন না পলাশ ভাই।আপনে পলাশ মাহমুদ ইস্টাইলেই লিখেন। তাইলেই ভালো হইবো। আর একখান কথা। গল্পটা মনে হইলো ফার্স্ট পার্সন-থার্ড পার্সন দোষে দুষ্ট। কখনো দেখি ইলিয়াস সাহেব গল্প কইতাছে। আবার দেহি আরেকজনে কইতাছে  thinkingভুল ধরলাম। গোস্তাখি মাফ কইরেন  neutral

কাক ভাই বিরাট উপকার করলেন। ধন্যবাদ আপনাকে। কোন এক জ্ঞানী গুনি লোক বলেছিলেন- যে তোমার সমালোচনা করে সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু। খুব ভালো লাগলো ভুলগুলো ধরিয়ে দেবার জন্য smile

ত্রিনিত্রির রাশিমালা লিখেছেন:

যাই হোক ইঞ্জিন থেমে যাওয়া নিয়ে কথা হলেও থামে নাই

কে বলেছে থামে নাই। এটা আমার প্রায় এক থেকে দের বছর আগের লেখা। আমি শুধু মাত্র কপি টু পেষ্ট মারছি big_smileকপি পেষ্ট যে করুম না এটা তো কোথাও বলি নাই smile

আমাকে কোথাও পাবেন না।