টপিকঃ অ্যালার্জির কারণ ও প্রতিরোধ

যে জিনিসগুলো থেকে অ্যালার্জি বেশি হয় তা হচ্ছেঃ
খাদ্যঃ চিংড়ি, বেগুন, ডিম, ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, গরুর দুধ, ডাল, গম।
ওষুধঃ পেনিসিলিন, সালফার গ্র“প, অ্যাসপিরিন, বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক।
ধুলোঃ প্রধানত ঘরের ধুলো থেকে। এছাড়া বালিশ-তোষকের তুলার ধুলো, কাগজের ধুলো।
প্রসাধন থেকেঃ সেন্টক্রিম, লিপস্টিক, চুলের কলপ, মেহেন্দি, টিপ, অংকার ইত্যাদি।
পোকামকড়ঃ ছত্রাক, মৌমাছি ইত্যাদি পোকামাকড়। পচা খাবার, ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে জন্মানো ছত্রাক থেকে।
পরাগ রেণুঃ বাড়ির গাছগাছালি, বিশেষ করে কৃষ্ণচ‚ড়া এবং ইউক্যালিপটাস থেকে সাবধান।

অ্যালার্জির প্রবণতা যাদের আছে, তারা কয়েকটি ব্যাপারে সাবধান থাকবেন
১.বার ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।
২.আলনা শোবার ঘরে রাখবেন না।
৩.বালিশ এবং তোষক, তুলোর পরিবর্তে সিন্থেটিক ব্যবহার করুন।
৪.বালিশ, চাদর, লেপ-তোষক সপ্তাহে দু’দিন রোদে দেবেন। এগুলো ঘরের ভেতর না ঝেরে বাইরে ঝাড়বেন।
৫.ঘরে খবরের কাগজ জমাবেন না।
৬.ঘর, ফ্যান, তাকের ঝুল-ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করবেন।
৭.প্রসাধন, মশা মারার কয়েক বা তেল, ডিটারজেন্ট, রুম এয়ারফ্রেশনার কম ব্যবহার করবেন।
৮.কুকুর-বিড়ালকে শোবার ঘরে ঢুকতে দেবেন না।
৯.বসার ঘরে ভারী পর্দার পরিবর্তে সিন্থেটিক পর্দা ব্যবহার করবেন যাতে সহজে পরিষ্কার করা যায়।
১০.কোন খাবার খেয়ে অস্বস্তি লাগলে পুনরায় আর খাবেন না।

সূত্রঃ যুগান্তর

Re: অ্যালার্জির কারণ ও প্রতিরোধ

আরও তথ্য  এখানে পাওয়া যাবে।

তথ্যপ্রযুক্তির সবকিছু চাই বাংলায়
খেরোখাতায় লিখি মনের কথা।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ??? (০৩-০৯-২০০৭ ১৮:১৩)

Re: অ্যালার্জির কারণ ও প্রতিরোধ

যে জিনিসগুলো থেকে অ্যালার্জি বেশি হয় তা হচ্ছে
খাদ্য চিংড়ি, বেগুন, ডিম, ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, গর“র দুধ, ডাল, গম।
ওষুধ পেনিসিলিন, সালফার গ্র“প, অ্যাসপিরিন, বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক।
ধুলো প্রধানত ঘরের ধুলো থেকে। এছাড়া বালিশ-তোষকের তুলার ধুলো, কাগজের ধুলো।
প্রসাধন থেকে সেন্টক্রিম, লিপস্টিক, চুলের কলপ, মেহেন্দি, টিপ, অংকার ইত্যাদি।
পোকামকড় ছত্রাক, মৌমাছি ইত্যাদি পোকামাকড়। পচা খাবার, ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে জš§ানো ছত্রাক থেকে।
পরাগ রেণু বাড়ির গাছগাছালি, বিশেষ করে কৃষ্ণচূড়া এবং ইউক্যালিপটাস থেকে সাবধান।
জীবনযাত্রা বা লাইফস্টাইল
অ্যালার্জির প্রবণতা যাদের আছে, তারা কয়েকটি ব্যাপারে সাবধান থাকবেনÑ
শোবার ঘর পরিষ্কার-পরি”ছন্ন রাখবেন।
আলনা শোবার ঘরে রাখবেন না।
বালিশ এবং তোষক, তুলোর পরিবর্তে সিšে’টিক ব্যবহার কর“ন।
বালিশ, চাদর, লেপ-তোষক সপ্তাহে দু’দিন রোদে দেবেন। এগুলো ঘরের ভেতর না ঝেরে বাইরে ঝাড়বেন।
ঘরে খবরের কাগজ জমাবেন না।
ঘর, ফ্যান, তাকের ঝুল-ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করবেন।
প্রসাধন, মশা মারার কয়েক বা তেল, ডিটারজেন্ট, র“ম এয়ারফ্রেশনার কম ব্যবহার করবেন।
কুকুর-বিড়ালকে শোবার ঘরে ঢুকতে দেবেন না।
বসার ঘরে ভারী পর্দার পরিবর্তে সিনথে’টিক পর্দা ব্যবহার করবেন যাতে সহজে পরিষ্কার করা যায়।
কোন খাবার খেয়ে অস্বস্তি- লাগলে পুনরায় আর খাবেন না।

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: অ্যালার্জির কারণ ও প্রতিরোধ

আউল লিখেছেন:

যে জিনিসগুলো থেকে অ্যালার্জি বেশি হয় তা হচ্ছে
খাদ্য চিংড়ি, বেগুন, ডিম, ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, গর“র দুধ, ডাল, গম।
ওষুধ পেনিসিলিন, সালফার গ্র“প, অ্যাসপিরিন, বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক।
ধুলো প্রধানত ঘরের ধুলো থেকে। এছাড়া বালিশ-তোষকের তুলার ধুলো, কাগজের ধুলো।
প্রসাধন থেকে সেন্টক্রিম, লিপস্টিক, চুলের কলপ, মেহেন্দি, টিপ, অংকার ইত্যাদি।
পোকামকড় ছত্রাক, মৌমাছি ইত্যাদি পোকামাকড়। পচা খাবার, ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে জš§ানো ছত্রাক থেকে।
পরাগ রেণু বাড়ির গাছগাছালি, বিশেষ করে কৃষ্ণচূড়া এবং ইউক্যালিপটাস থেকে সাবধান।
জীবনযাত্রা বা লাইফস্টাইল
অ্যালার্জির প্রবণতা যাদের আছে, তারা কয়েকটি ব্যাপারে সাবধান থাকবেনÑ
শোবার ঘর পরিষ্কার-পরি”ছন্ন রাখবেন।
আলনা শোবার ঘরে রাখবেন না।
বালিশ এবং তোষক, তুলোর পরিবর্তে সিšে’টিক ব্যবহার কর“ন।
বালিশ, চাদর, লেপ-তোষক সপ্তাহে দু’দিন রোদে দেবেন। এগুলো ঘরের ভেতর না ঝেরে বাইরে ঝাড়বেন।
ঘরে খবরের কাগজ জমাবেন না।
ঘর, ফ্যান, তাকের ঝুল-ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করবেন।
প্রসাধন, মশা মারার কয়েক বা তেল, ডিটারজেন্ট, র“ম এয়ারফ্রেশনার কম ব্যবহার করবেন।
কুকুর-বিড়ালকে শোবার ঘরে ঢুকতে দেবেন না।
বসার ঘরে ভারী পর্দার পরিবর্তে সিনথে’টিক পর্দা ব্যবহার করবেন যাতে সহজে পরিষ্কার করা যায়।
কোন খাবার খেয়ে অস্বস্তি- লাগলে পুনরায় আর খাবেন না।

ভাইয়া উপরে কি লেখা আছে দেখেছেন? নাকি চোখ বন্ধ করে পোস্ট করছেন?:P

Re: অ্যালার্জির কারণ ও প্রতিরোধ

সেভারাস লিখেছেন:

যে জিনিসগুলো থেকে অ্যালার্জি বেশি হয় তা হচ্ছেঃ
খাদ্যঃ চিংড়ি, বেগুন, ডিম, ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, গরুর দুধ, ডাল, গম।
ওষুধঃ পেনিসিলিন, সালফার গ্র“প, অ্যাসপিরিন, বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক।
ধুলোঃ প্রধানত ঘরের ধুলো থেকে। এছাড়া বালিশ-তোষকের তুলার ধুলো, কাগজের ধুলো।
প্রসাধন থেকেঃ সেন্টক্রিম, লিপস্টিক, চুলের কলপ, মেহেন্দি, টিপ, অংকার ইত্যাদি।
পোকামকড়ঃ ছত্রাক, মৌমাছি ইত্যাদি পোকামাকড়। পচা খাবার, ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে জন্মানো ছত্রাক থেকে।
পরাগ রেণুঃ বাড়ির গাছগাছালি, বিশেষ করে কৃষ্ণচ‚ড়া এবং ইউক্যালিপটাস থেকে সাবধান।

অ্যালার্জির প্রবণতা যাদের আছে, তারা কয়েকটি ব্যাপারে সাবধান থাকবেন
১.বার ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।
২.আলনা শোবার ঘরে রাখবেন না।
৩.বালিশ এবং তোষক, তুলোর পরিবর্তে সিন্থেটিক ব্যবহার করুন।
৪.বালিশ, চাদর, লেপ-তোষক সপ্তাহে দু’দিন রোদে দেবেন। এগুলো ঘরের ভেতর না ঝেরে বাইরে ঝাড়বেন।
৫.ঘরে খবরের কাগজ জমাবেন না।
৬.ঘর, ফ্যান, তাকের ঝুল-ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করবেন।
৭.প্রসাধন, মশা মারার কয়েক বা তেল, ডিটারজেন্ট, রুম এয়ারফ্রেশনার কম ব্যবহার করবেন।
৮.কুকুর-বিড়ালকে শোবার ঘরে ঢুকতে দেবেন না।
৯.বসার ঘরে ভারী পর্দার পরিবর্তে সিন্থেটিক পর্দা ব্যবহার করবেন যাতে সহজে পরিষ্কার করা যায়।
১০.কোন খাবার খেয়ে অস্বস্তি লাগলে পুনরায় আর খাবেন না।

সূত্রঃ যুগান্তর

ধন্যবাদ...............