টপিকঃ মানুষের বুদ্ধি মাপার কৌশল

http://www.bd-pratidin.com/admin/news_images/93/image_93_16480.jpg


কার কেমন বুদ্ধি আছে তা কী আমরা জানি? আশ্চর্য হলেও সত্য যে মানুষের বুদ্ধি মাপা যায়। ১৯০৫ সালে ফরাসি মনোবিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড বিনে বুদ্ধি পরিমাপ করার স্কেল বা অভীক্ষা উদ্ভাবন করেন। এ কাজে তার সঙ্গী ছিলেন থিয়োডর সিঁমো ও নাম না জানা অপর আরেকজন মনোবিজ্ঞানী। বুদ্ধির এই অভীক্ষাটির নাম এজন্যই 'বিনে-সিঁমো স্কেল' নামে পরিচিতি লাভ করে। বুদ্ধির এই অভীক্ষা তৈরি করার জন্য আলফ্রেড বিনে তিন থেকে পনেরো এবং তারও বেশি বয়সের ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের বয়স অনুসারে আলাদা আলাদা দলে বিভক্ত করেন। আলফ্রেড বিনের বেছে নেওয়া এসব ছাত্রছাত্রীর সবাই ছিল একেবারে সাধারণ। অর্থাৎ এরা পরীক্ষায় ফেল করত না, আবার এদের ফলাফলও তেমন ভালো হতো না। দীর্ঘদিন ধরে এ ছেলেমেয়েদের জ্ঞানবুদ্ধি যাচাই করে আলফ্রেড বিনে প্রত্যেক বয়সের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এমন কতগুলো প্রশ্ন বেছে নেন, যার সঠিক উত্তর ঠিক ওই বয়সের সাধারণ ছাত্রছাত্রী সঠিকভাবে দিতে পারে। যেমন : তিন বছরের একটি শিশুর উপযোগী প্রশ্ন হলো, তাকে তার নিজের পদবি বলতে হবে, তেমনি চার বছরের শিশুকে কাগজে দুটো সরলরেখা টেনে তার মধ্যে কোনটি বড় আর কোনটি ছোট তা জিজ্ঞাসা করা। যদি দেখা যায়, চার বছর বয়সের শিশুটি তার নিজের পদবি বলতে পারলেও দুটো সরলরেখার মধ্যে ছোট-বড় নির্ণয় করতে পারে না, তবে সেই শিশুর স্বাভাবিক বয়স চার বছর হলেও তার মানসিক বয়স ধরা হবে তিন। অর্থাৎ, শিশুটির বুদ্ধি সাধারণের তুলনায় কম। আবার তিন বছরের শিশুটি যদি চার বছর বয়সের উপযোগী প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়, অর্থাৎ নিজের পদবি বলা ছাড়াও সে দুটো সরলরেখার মধ্যে কোনটি ছোট আর কোনটি বড় তা দেখিয়ে দিতে পারে তবে তার স্বাভাবিক বয়স তিন হলেও মানসিক বয়সকে ধরা হবে চার। সে ক্ষেত্রে শিশুটির বুদ্ধি সাধারণের তুলনায় বেশি।

যে দু'জন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী 'বিনে-সিঁমো স্কেল' সংশোধন করেছিলেন তাদের নামে পরবর্তীতে এর নাম দেওয়া হয় 'টারমানমেরিল স্কেল'। এই অভীক্ষাটি খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও বয়স্ক মানুষের আইকিউ বের করার ব্যাপারে তেমন কার্যকর হয়নি। কারণ যে শিশু বেশি পরিমাণ শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে সে-ই এই অভীক্ষায় ভালো ফল করতে পারে। ইতোমধ্যে ১৯৩৩ দশকের শেষ দিকে নিউইয়র্কের বেলেভ্যু হাসপাতালের ডা. ডেভিড ওয়েসলারের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ, বয়স্ক মানুষের বুদ্ধি পরিমাপের জন্য এক নতুন অভীক্ষা তৈরি করেন। এর নাম 'ওয়েসলার অ্যাডাল্ট ইনটেলিজেন্স স্কেল'। যাদের বয়স ১৬-এর বেশি তাদের বুদ্ধি মাপার ক্ষেত্রে এই কৌশল আজো দারুণ কার্যকরী। সেদিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন ডিজিটাল স্ক্যানের মাধ্যমে জানা যাবে মানুষে বুদ্ধির পরিমাণ।

( সংগ্রহীত )

জীবনে চলার পথে কখনও কখনও উদাসীন হতে হয় , তা না হলে জীবন জটিল হয়ে যায় ।

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মানুষের বুদ্ধি মাপার কৌশল

হুমমমমমমমমমম... thinking thinking

Domain Registration | Hosting Solution | Web Development
99.9% Uptime Guarantee | 24/7 Live Support | SSD Server.
Best Domain Hosting Company in Bangladesh

রাজিব আহসান'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত