টপিকঃ ৫০.ক্বাফ আয়াত সংখ্যা (৪৫)

৫০.ক্বাফ আয়াত সংখ্যা (৪৫)

১. ক্বাফ! সম্মানিত কোরআনের শপথ;

২. বরং তারা তাদের মধ্য থেকেই একজন ভয় প্রদর্শনকারী আগমন করেছে দেখে বিস্ময় বোধ করে। অত:পর কাফেররা বলে: এটা আশ্চযের ব্যাপার।

৩. আমরা মরে গেলে এবং মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে গেলেও কি পুনরু্ত্থিত হব? এ প্রত্যাবর্তন সুদুরপরাহত।

৪. মৃত্তিকা তাদের কতটুকু গ্রাস করবে, তা আমার জানা আছে এবং আমার কাছে আছে সংরক্ষিত কিতাব।

৫. বরং তাদের কাছে সত্য আগমন করার পর তারা তাদের মিথ্যা বলছে। ফলে তারা সংশয়ে পতিত রয়েছে।

৬. তারা কি তাদের উপরস্থিত আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই।

৭. আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি, তাতে পবতমালার ভার স্থাপন করেছি এবং তাতে সবপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিত উদগত করেছি।

৮. এটা জ্ঞান আহরণ ও স্মরণ করার মত ব্যাপার প্রত্যেক অনুরাগী বান্দার জন্যে।

কোরআনের এই আয়াত সম্পর্কে আমি ভাল ভাবে বুঝতে চাই। কেউ আছেন কি? আমি কিছু কিছু আয়াত হাইলাইট করেছি।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রিয়াজ মাহমুদ (২৪-০৩-২০১১ ১১:০৬)

Re: ৫০.ক্বাফ আয়াত সংখ্যা (৪৫)

http://photos-c.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc4/58905_150345131652463_137584362928540_341301_2639385_a.jpg

http://envis.tropmet.res.in/kidscorner/KidsCornerImg/ozone/ozone-layer.jpg

http://csep10.phys.utk.edu/astr161/lect/earth/atmosphere.gif

http://eng.me.go.kr/ui/img/content/content_resources/kids/ozone2.jpg
http://www.vtaide.com/png/images/atmosphere.jpg
আমরা সাধারণত জানি ঘরের ছাদ আমাদেরকে রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। আর এ কারনে আমরা ঘর বানাই এবং ছাদের ব্যবস্থা ভালভাবে করি। ঠিক একই ভাবে আমাদের আকাশ আমাদের ছাদ হিসেবে কাজ করে। পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে 25-50 km উর্ধ্বে বা স্ট্যাটোস্ফিয়ারে ওজন নামে একটি গ্যাস বিদ্যমান। যাকে আমরা বলি ওজন স্তর। বিজ্ঞান বলে এই ওজন স্তর আমাদের ছাদ হিসেবে কাজ করে।যদি এই ওজন স্তর না থাকত তবে সূর্য়ের অতি বেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে আসতো। তাহলে আমরা অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হতাম এবং পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যেত।

পবিত্র কোরানে আছে, যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরুপ স্থাপন করে দিয়েছন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষন করে তোমদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমদের জন্য খাদ্য হিসেবে। অতএব আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাওকে সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব তোমরা জান।

-সুরা-আল্ বাক্বারাহ আয়াত-২২।