টপিকঃ আসছে উৎসব গুলোনিয়ে আমার কিছু কথা

শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ ক্রিকেতের প্রস্তুতি। খেলয়ার দের শরীর চর্চার ছবি প্রতিদিন খবরের কাগজে দেখা যাচ্ছে।আমি শুধু খেলয়ার দের প্রস্তুতি-ই দেখেছি, কিন্তু এখন খেলা উপলক্ষে মিরপুরবাসির প্রস্তুতি দেখে ভালোই লাগছে।সেদিন হাঁটতে হাঁটতে সেগুলো খুব ভালো করা দেখলাম। রাস্তাঘাট ঠিক করা, সরক দ্বীপে বৃক্ষরোপন, ফুটপাথ পুনর্নিমান। সব-ই হয়েছে, তবুও কি যেন নেই নেই মনে হচ্ছিলো, অবশেষে সিটি কর্পোরেশন তা পুরন করল। তা হচ্ছে, মেইনরোডের পাশে যত দোকান ও ভবন আছে তা রঙ করা।শুরু হয়ে গেলো সে অনুযায়ী প্রস্তুতি। এ যেনো রঙ মিস্ত্রিদের-ই দিন। প্রত্যেকটা ভবন সাঁজা শুরু করলো রঙ্গিন সাঁজে।মানুষের আগ্রহ দেঁখে ভালোই লাগলো।যে জিনিসটি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে তা হলো দোকানের সাঁটার রঙ করা। প্রত্যেকটা দোকানের সাঁটার রঙ করা হচ্ছে বাংলাদেশের পতাকার রং-এ।এবার আসি আমাদের বাসার কথায়। যেহেতু আমাদের বাসাটা মেইনরোডের গাঁ ঘেষে অবস্থান করছে সেহেতু সিটি কর্পোরেশন থেকে আমরাও একটা নোটিশ পেয়েছি।মিস্ত্রি-কেও appointment দিয়ে রাখা হয়েছে, আমার বড় আপুর পছন্দের রঙ এ রাঙ্গাণো হবে আমাদের বাড়িটি।শুধু আমাদের বাড়ি-ই না, আশেপাশের সব বাড়ির-ই একই অবস্থা।
আসছে ২১শে ফেব্রুয়ারী আমাদের ভাষা দিবস। তাই সবার উদ্দেশে আমার একটি-ই কথা আর তা হচ্ছে- বিশ্বকাপের আনন্দে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে ১৯৫২ সালের ঐ দিনটায় ভাষার জন্য আমাদের ভাইয়েরা তাঁদের বুকের তাঁজা রক্ত উৎসর্গ করে গিয়েছেন। তা আমাদের অবশ্যই স্বরণে রাখতে হবে। এরকম একটা মাসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পড়েছে, ঠিক এ সময়ে ভারত থেকে এতোগুলো শিল্পী নিয়ে আসাটা উচিত হবে কিনা। শুনেছি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানএর আগে বিসিবি থকে আরোও একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে যেটিতে অংশগ্রহন করতে পারবে না আমাদের দেশি শিল্পীরা।
যাই হোক বন্ধুরা আসছে ভালবাসা দিবস উপলক্ষে তোমাদের জন্য রইলো আগুন রাঙ্গানো পলাশ ফুলের শুভেচ্ছা। সবাই ভালো থেকো।
(অনেক দিন পর একটা বন্ধুসভা মার্কা ভাষন দিলাম।)