টপিকঃ বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

ইত্তেফাকে দুইবার রিপোর্ট দেখলাম। কিন্তু ওটা ইউনিকোড না হওয়াতে সার্চ ইঞ্জিন জীবনেও খুঁজে পাবে না। তাই এখানে ইউনিকোড বাংলায় রেখে দিলাম। আশা করছি এটা কারো উপকারে লাগবে।  smile
==========================
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ৩০-জানুয়ারী-২০১১

বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

বান্দরবানের খোকন দৃষ্টি কেড়েছেন সারাদেশের কৃষি উদ্যোক্তার
মাটি ও মানুষের কৃষি ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত বহুবার বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন ও কৃষকের লাভবান হওয়ার কথা আমরা পত্র-পত্রিকা কিংবা টিভির মাধ্যমে জানতে পেরেছি। অনেক ঝক্কি ঝামেলা পার হয়ে শেষ পর্যন্ত তারা দেখতে পেরেছেন সফলতার মুখ। আপনারা দেখেছেন তিন বছর আগে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের শ্যামেরঘন গ্রামে আব্দুর রাজ্জাক সিএনজি চালিত জেনারেটরের মাধ্যমে মাঠে মাঠে সেচ সুবিধা পৌঁছে দিতে। রায়গঞ্জ উপজেলা ছাড়িয়ে সিএনজি চালিত সেচ পাম্প পৌঁছে যায় তাড়াশ উপজেলায়। অগভীর থেকে গভীর নলকূপের মাধ্যমেও চলতে থাকে সেচ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার কাজ। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের পটিয়ায় শিকলবাহার দুগ্ধপলস্নীর ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট। গ্যাসের বিদ্যূতে আলোকিত হচ্ছে এক একটি ঘর, মিটছে তাদের নিত্য দিনের জ্বালানি চাহিদা।

বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে জ্বালানি হয়, বড় জোর জ্বলে বাতি, খামার পর্যায়ে এ প্রযুক্তির বিকাশ ছিল একুটুই। বান্দরবানের খোকন দাসই প্রথম বায়োগ্যাসের আরো কার্যকর ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন। ইতিমধ্যে টেলিভিশন ও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার কল্যাণে তার এ সফলতা পৌঁছে গেছে অনেক অনেক দূর। সারাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষি উদ্যোক্তার দৃষ্টি এখন এমন লাভজনক উদ্যোগের দিকে। কারণ, আমাদের দেশে দিন দিন বাড়ছে জৈব সারের চাহিদা; সে সঙ্গে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রয়োজনীয়তার কথা তো বলাই বাহুল্য। আছে বিদ্যূতের চাহিদা মেটানোর প্রয়োজনে বায়োগ্যাস থেকে দেয়া বিদ্যূতেরও।

খোকন দাস দরিদ্র পরিবারের সন্তান। লেখাপড়ায় প্রাথমিক শ্রেণীর গণ্ডি পেরোতে পারেননি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার ভাবনায় গুরুত্ব পায় কৃষি। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা থেকে শুরু করে কীটনাশকের আগ্রাসন থেকে কৃষিকে বাঁচানোর জন্য চিন্তা-ভাবনা করে আসছেন অনেক আগে থেকেই। তার চিন্তায় ছিল উৎকৃষ্টমানের জৈব সার তৈরির বিষয়টি। এ চিন্তার পথ ধরেই একদিন পৌঁছে যান বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের কাছে।

খোকন দাস করতে চেয়েছেন ব্যতিক্রম কিছু। তাই বায়োগ্যাস প্ল্যান্টেই তিনি থেমে থাকেননি। প্ল্যান্ট নিয়ে নতুন নতুন চিন্তা করেছেন রাত-দিন। দিনের পর দিন এঁকেছেন নতুন নতুন মানচিত্র। একদিন সূয়ালক এলাকায় ২একর পাহাড়ি জমির উপর গড়ে তোলা বায়োগ্যাস প্ল্যান্টটির দিকে দৃষ্টি আনতে পেরেছেন সারা দেশবাসীর। খোকন তার বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের সঙ্গেই যুক্ত করেছেন গ্যাস জেনারেটর। সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যূতের শক্তি দিয়ে বায়োগ্যাসকে তৈরি করেছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাসে। যাকে আমরা সিএনজি বলি।

দেশের লক্ষ লক্ষ যানবাহনের সবচেয়ে লাভজনক জ্বালানি সিএনজি। এখন প্রতিদিনই সিএনজি চালিত অটোরিক্সা আসে খোকনের এই পাম্প থেকে গ্যাস নিতে। এখানে ভাল মানের সিএনজি পাওয়াতে অনেক বেশি লাভবান হচ্ছেন সিএনজি পরিবহনের চালকরা। খুব বেশি সিএনজির চাহিদা পূরণ সম্ভব হয় না ঠিকই কিন্তু এলাকাবাসী এখন বিশ্বাস করেছে যে এখান থেকে একদিন ঠিকই তাদের নানা ধরনের চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু মানুষের আশা বাড়িয়ে দেয়া এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন অনেক অনেক অর্থের।

বর্তমানে এই প্ল্যান্টে মাত্র ৯টি গরু এবং কিছু হাঁস-মুরগি রয়েছে। কিন্তু প্ল্যান্টের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণ কাঁচা গোবর ও হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এ কারণে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরুর গোবর এবং হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা সংগ্রহ করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট চালানো হচ্ছে। বর্তমানে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে গ্যাসের চাপ প্রচুর। সার্বক্ষণিক গ্যাসের চাপ ধরে রাখতে প্রচুর পরিমাণে গরুর গোবর দরকার হলেও জেলায় প্রয়োজনীয় গরুর গোবর পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানালেন খোকন দাস। এখনো এই প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে খোকন চিন্তা করেন বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের উচ্ছিষ্ট অংশের জৈব সারকে। প্ল্যান্টের মধ্যেই তিনি তার পরিকল্পনা ও নকশা অনুযায়ী স্থাপন করেছেন জৈব সারের একটি কক্ষ। যেখানে জমা হয় উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার। এরও বাণিজ্যিক গুরুত্ব কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের জন্য কম নয়। খোকন দাসের এই প্রকল্পের সঙ্গে সবচেয়ে সহায়ক হিসেবে রয়েছেন এই এলাকারই যুবক নূরুল আমীন।

বান্দরবানের সূয়ালকে খোকন দাসের উদ্ভাবন ও প্রয়াস সাড়া জাগিয়েছে গোটা এলাকাসহ সারাদেশে। একটি উদ্ভাবন থেকে ছোটখাটো একটি ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে গেছে খোকন দাসের নিরলস পরিশ্রমে। সিএনজি পরিবহনের পাশাপাশি বাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য সিলিন্ডারেও গ্যাস নিতে আসেন অনেকেই। গ্যাসের মান নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই। এখন স্বল্প উৎপাদনেই দৈনিক কমপক্ষে তিন সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি করেন খোকন দাস। যারা গ্যাস নিচ্ছেন তারাও আছেন বেশ স্বস্তিতে।

কৃষিকে লাভজনক করতে কিংবা জীবনের প্রাত্যহিক প্রয়োজনগুলো আরো সহজে মেটানোর জন্য তৃণমূলে চলছে বহু রকম গবেষণা। বিদ্যূত, জ্বালানি আর জৈব সারের চিন্তা থেকেই বায়োগ্যাস, সেখান থেকেই সিএনজি। খোকন দাসের এই প্রকল্পটি এখন পর্যন্ত এদেশে বহুমুখি উৎপাদন ব্যবস্থার একটি মডেল। দেশের অনেক উদ্যোগী কৃষক ও খামারিই ইতিমধ্যে স্থাপন করেছেন বিভিন্ন আকারের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট। সেখান থেকে তারা মেটাচ্ছেন দৈনন্দিন বিদ্যূত ও জ্বালানির চাহিদা। এবার সিএনজির চাহিদা পূরণের চিন্তা নিয়ে এমন এক একটি প্ল্যান্ট স্থাপিত হতে পারে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। সেক্ষেত্রে খোকন দাসের এই প্ল্যান্টটিই হতে পারে অনুসরণীয়। তা একদিকে আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রতিদিনের চাহিদা পূরণে যেমন কিছু অংশের যোগানদার হতে পারে, অন্যদিকে জৈব সার উৎপাদনেও আমরা এগিয়ে যেতে পারি বেশ খানিকটা পথ।

==========
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক: ২৭ নভেম্বর ২০১০

বান্দরবনে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের গ্যাস সিএনজি-সিলিন্ডারে বিক্রি হচ্ছে

মিলন চক্রবর্তী

বান্দরবান বান্দরবানে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে উৎপাদিত গ্যাস সিএনজি ও সিলিন্ডারে বিক্রি হচ্ছে। বায়ো গ্যাস প্ল্যান্টের উৎপাদিত বিদ্যূতের আলোয় আলোকিত হচ্ছে প্রকল্পসহ আশপাশের ঘরবাড়ি। জেলা সদরের সূয়ালক এলাকায় ২ একর পাহাড়ী জমির উপর বায়োগ্যাস পস্ন্ল্যান্ট করেছে খোকন দাস। বেকার এই যুবকের উদ্ভাবিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। দুই একর পাহাড়ী জমির উপর প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ করে গড়ে তোলা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট পার্বত্য চট্টগ্রামে মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন প্রতিদিন বান্দরবানে উদ্ভাবিত বায়োগ্যাস প্রকল্পের কৌশল শিখতে ভীড় জমাচ্ছে সূয়ালকে।

বায়োগ্যাস প্রকল্পটি থেকে বর্তমানে ৫ হাজার ওয়াট বিদ্যূৎ উৎপাদন ছাড়াও সিএনজি ও গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন উক্ত পপ্ল্যান্ট থেকে সাতকানিয়া ও কেরানীহাট সড়কে চলাচলকারী সিএনজিগুলো গ্যাস ভরাট করে নিচ্ছে বলে জানান সংশিস্নষ্টরা। পাশাপাশি উৎপাদিত গ্যাস এখন গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তি করে বান্দরবানসহ পার্শ্ববর্তী বাজারগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রকল্প থেকে প্রচুর পরিমাণ জৈব সারও উৎপাদন করা হচ্ছে।

আর্থিক সংকটে ক্ষুদ্র বায়োগ্যাস প্রকল্পটি বৃহৎ পরিসরে করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান উদ্ভাবক খোকন দাস। তিনি আরো জানান, বর্তমানে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে মাত্র ৯টি গরু এবং কিছু হাঁস-মুরগি রয়েছে। কিন্তু বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের জন্য প্রচুর পরিমাণ কাঁচা গরুর গোবর ও হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠা প্রয়োজন। এ কারণে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরুর গোবর এবং হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা সংগ্রহ করে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট চালানো হচ্ছে। বর্তমানে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে গ্যাসের চাপ প্রচুর। সার্বক্ষণিক গ্যাসের চাপ ধরে রাখতে প্রচুর পরিমাণে গরুর গোবর দরকার হলেও জেলায় প্রয়োজনীয় গরুর গোবর পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান আবিষ্কারক খোকন দাস।

অপরদিকে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৫ হাজার ওয়াট বিদ্যূৎ জেনারেটরের সাহায্যে সূয়ালক বাজার ও পাশ্ববর্তী বসতবাড়িতে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট (যন্ত্রাংশ) পাওয়া গেলে উদ্ভাবিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মাধ্যমে বান্দরবানে গ্যাসের সংকট দূর করা সম্ভব বলে মনে করছে স্থানীয়রা। বর্তমান সময়ে বিদ্যূৎ সংকট দূর করতে বেসরকারীভাবে এই ধরনের উদ্যোগ অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবে। রবিবার ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

টিভিতে রিপোর্টটা দেখেছিলাম। দেখে

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

বেশ ভালো উদ্যোগ। খোকন দাসের মত মেধাগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। যথাযথ মূল্যায়ন না হলে দেখা যাবে অন্য দেশ তাঁদের মূল্যায়ন করে নিয়ে গেছে। আর আমরা বসে বসে আঙ্গুল চুষছি  waiting

Re: বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

শামীম ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এতো চমৎকার খবরটি শেয়ার করায়। প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতা এবং বিদ্যুত সংকটের মূহুর্তে এ আবিষ্কার সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। আসলেই আমাদের এই মেধাগুলোকে দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রকৃতভাবেই কাজে লাগানো উচিত।

Re: বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

হুমম খুব কাজের আবিষ্কার, সরকারের উচিৎ এরকম আবিষ্কারকদের মেধার মূল্যায়ন করা।

Re: বায়োগ্যাস থেকে সিএনজি

আজকের ইত্তেফাকে আবার এসেছে:

বান্দরবানে সিলিন্ডারে সরবরাহ করা হচ্ছে বায়োগ্যাস

০০ বান্দরবান সংবাদদাতা

বান্দরবানের এক যুবক বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে উৎপাদিত গ্যাস সিলিন্ডারে সরবরাহ করছে। দেশী-বিদেশী অনেক লোক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রতিদিন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকল্পটি সম্পর্কে ধারণা নিতে বান্দরবানে ছুটে আসছে মানুষ। ইতিমধ্যে চুক্তিভিত্তিক আরো প্রায় ১৪টি বায়োগ্যাস প্ন্যান্ট প্রকল্প হাতে নিয়েছে ঐ যুবক।

২০১০ সালের আগস্টে জেলা সদরের সূয়ালক ইউনিয়নে ২ একর পাহাড়ী জমি লিজ নিয়ে বায়োগ্যাস প্ল্লস্ন্যান্ট প্রকল্প হাতে নেয় খোকন দাশ। প্রথমে ৯টি গরু এবং অল্পসংখ্যক হাঁস-মুরগী নিয়ে প্রকল্পটি আরম্ভ করে। কিন্তু বায়োগ্যাস প্ন্যান্টের জন্য প্রচুর পরিমাণ গোবর ও হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠা প্রয়োজন হওয়ায় সাতকানিয়া-কেরানীহাটসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গোবর ও হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠা সংগ্রহ করে কাজ চালাতে হয় তাকে। প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্বল্প পরিসরে গড়ে তোলা বায়োগ্যাস প্রকল্পটিতে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ওয়াট বিদ্যূৎ উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি প্ল্যান্টে উৎপাদিত গ্যাস সাতকানিয়া-কেরানীহাট সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন সিএনজি এবং গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তি করে বান্দরবান শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে। তার উৎপাদিত গ্যাস বান্দরবানের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর্থিক এবং টেকনিক্যাল সাপোর্টের (যন্ত্রাংশ) অভাবে প্রকল্পটি অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে। তবে প্রকল্পটির সম্ভাবনা দেখে আর্থিক সহায়তা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।