২১

Re: বিষন্নতা

পথহারা_পথিক লিখেছেন:

বিষন্নতা ...

শব্দটি দেখামাত্রই মনটা বিষন্ন হয়ে উঠলো। জানিনা এর পেছনে কারন কি!

মনটা বিষন্ন হলে ঘর থেকে বের হয়ে পড়ি আর তারপর দিকবিদিক হাঁটাহাটিঁ ...
অনেক সময় আবার ছাদে উঠে বসে থাকি ...

আপনি তো পথহারা পথিক। কার বাসার ছাদে উঠে বসে থাকেন??;D;D;D

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে, শেষ কথা যাও ব'লে!
সময় পাবে না আর, নামিছে অন্ধকার!
গোধূলিতে আলো-আঁধারে-পথিক যে পথ ভোলে!!

২২

Re: বিষন্নতা

মানচুমাহারা লিখেছেন:

দৃষ্টি আকর্ষণঃ বিষন্নতা বানানটা কি ঠিক আছে ? roll;

বিষন্নতা আমাদের সবাইকেই কোন না কোন সময় আঁকড়ে ধরে। আবার তা থেকে মুক্তও হই। আসুন মন খারাপ হলে কিংবা বিষন্ন  থাকলে আমরা কিভাবে তা দূর করি সেগুলো শেয়ার করি। সাথে সাথে কেউ যদি এবিষয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে পারেন তাহলে আরো ভালো হয়। অর্থাৎ বিষন্নতা কি,কেন হয় এই সব।

অামি বিষন্নতা অনুভব করলেই মেডিটেশন করি। বিষন্নতা পুরোপুরি দুর হয়ে যায়।অামার মতে বিষন্নতা দুর করার এটিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।মেডিটেশন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনুরোধ পোস্ট করুন।যতটুকু সম্ভব জানাতে চেষ্টা করবো।

২৩

Re: বিষন্নতা

zahidprimex লিখেছেন:

অামি বিষন্নতা অনুভব করলেই মেডিটেশন করি। বিষন্নতা পুরোপুরি দুর হয়ে যায়।অামার মতে বিষন্নতা দুর করার এটিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।মেডিটেশন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনুরোধ পোস্ট করুন।যতটুকু সম্ভব জানাতে চেষ্টা করবো।

সময় নিয়ে বিস্তারিত অবশ্যই লিখুন।(y)  ইদানিং ডাক্তাররাও এই ব্যাপারে অনেক সচেতন। তারা মনো-দৈহিক রোগের জন্যে মেডিটেশন প্র্যাক্টিস প্রেস্ক্রাইব করেন। দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতেও বিভিন্ন চিকিৎসাবিদের কলামে স্ট্রেস বা বিষন্নতা দূরীকরণে ধ্যান, যোগের পরামর্শ নিয়মিত পাওয়া যায়।

যেহেতু, এই বিষয়ে জানবার আছে, তাই লিখে ফেলুন।

রংধনু দেখতে হলে বৃষ্টিকেও হাসিমুখে বরণ করতে হয়। বৃষ্টি নিজেই তখন রূপান্তরিত হয় আনন্দের উৎসে।

রুমন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৪

Re: বিষন্নতা

মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী আমাদের দেশে তা হলো কাউন্সেলিং। আমরা এটাকে ফাউল কিছু একটা মনে করি, কিন্তু কী পরিমাণ কাজে যে এটা আসে তা যে পেয়েছে সে ছাড়া কেউ বুঝবে না। ব্যক্তিগত দুঃশ্চিন্তা ছাড়াও স্বজন হারানো, দুর্ঘটনা ইত্যাদির শোক কাটাতে কাউন্সেলিং অতুলনীয়।

আলমগীর

২৫

Re: বিষন্নতা

আলমগীর লিখেছেন:

মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী আমাদের দেশে তা হলো কাউন্সেলিং। আমরা এটাকে ফাউল কিছু একটা মনে করি, কিন্তু কী পরিমাণ কাজে যে এটা আসে তা যে পেয়েছে সে ছাড়া কেউ বুঝবে না। ব্যক্তিগত দুঃশ্চিন্তা ছাড়াও স্বজন হারানো, দুর্ঘটনা ইত্যাদির শোক কাটাতে কাউন্সেলিং অতুলনীয়।

আলমগীর

কাউন্সেলিং ব্যাপারটা আসলে কি?? বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক!!!

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে, শেষ কথা যাও ব'লে!
সময় পাবে না আর, নামিছে অন্ধকার!
গোধূলিতে আলো-আঁধারে-পথিক যে পথ ভোলে!!

২৬

Re: বিষন্নতা

রুমন লিখেছেন:
zahidprimex লিখেছেন:

অামি বিষন্নতা অনুভব করলেই মেডিটেশন করি। বিষন্নতা পুরোপুরি দুর হয়ে যায়।অামার মতে বিষন্নতা দুর করার এটিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।মেডিটেশন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনুরোধ পোস্ট করুন।যতটুকু সম্ভব জানাতে চেষ্টা করবো।

সময় নিয়ে বিস্তারিত অবশ্যই লিখুন।(y)  ইদানিং ডাক্তাররাও এই ব্যাপারে অনেক সচেতন। তারা মনো-দৈহিক রোগের জন্যে মেডিটেশন প্র্যাক্টিস প্রেস্ক্রাইব করেন। দৈনিক সংবাদপত্রগুলোতেও বিভিন্ন চিকিৎসাবিদের কলামে স্ট্রেস বা বিষন্নতা দূরীকরণে ধ্যান, যোগের পরামর্শ নিয়মিত পাওয়া যায়।

যেহেতু, এই বিষয়ে জানবার আছে, তাই লিখে ফেলুন।

মেডিটেশন বা ধ্যান নিজের মনকে নিয়ন্ত্রন করার অনেক প্রাচীন একটি পদ্ধতি। প্রাচীনকাল থেকেই সাধকগণ মন নিয়ন্ত্রনের এই পদ্ধতির চর্চা করে অাসছেন।পূর্বে মেডিটেশন শুধুমাত্র সাধক-দরবেশদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে সবধরনের মানুষের মধ্যেই এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
মানুষের মন মানুষের শারীরিক শক্তি বা সক্ষমতার অন্যতম উৎস।মানসিক শক্তি বা মনোবল মানুষকে অসাধ্য সাধন করতে সহায়তা করে। মানুষের চিন্তা চেতনাকে সঠিকভাবে পরিচালিত করে মানসিক শক্তির বিকাশ ঘটানোই মেডিটেশনের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও মেডিটেশনের মাধ্যমে মনকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে অমূলক ভয়ভীতি, টেনশন, হীনমন্যতা,বিষন্নতা, মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন নেতিবাচক অভ্যাস থেকে যেমন মুক্ত হওয়া যায় তেমনি অাত্মবিশ্বাসের বলে বলীয়ান হয়ে নিজের ভবিষ্যতকে অালোকিত করা যায়।
(অাগামীকাল মডেলটেস্ট পরীক্ষা অাছে তাই অার লিখতে পারলাম না।অাগামীকাল বিকেলে মেডিটেশনের কৌশল সম্পর্কে অালোচনা করার চেষ্টা করবো।

২৭

Re: বিষন্নতা

আমার মন খারাপ হলে গান শুনি ইচ্ছেমত
আর বেশী রাগ উঠলে কাগজ কলম নিয়ে খাতায় লেখা লেখি করি
মানে যাচ্ছেতাই লিখে খাতার বারোটা বাজিয়ে দেই tongue_smile

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

২৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (০৯-০৩-২০০৮ ১৫:৪৪)

Re: বিষন্নতা

রূপসী-রাক্ষসী লিখেছেন:

কাউন্সেলিং ব্যাপারটা আসলে কি?? বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক!!!

আমি বিশেষজ্ঞ না, তবু যতটা বুঝি বলি।

বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন নিজে থেকে কোন রোগ না। মানুষ বিভিন্ন কারনে বিষণ্ণ থাকতে পারে। ছোট খাট ব্যাপার যেমন, কম্পিউটারে ডিভিডি লাগাতে চান, বাবা রাজী না। নেট নিতে চান, বাবা রাজী না। কিন্তু নীচের ব্যাপারগুলোর কোন একটা ধরা যাক-

১. বাবা-মার মধ্যে সম্পর্ক খারাপ, আত্নীয় স্বজনদের কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করল। খুব ঘনিষ্ঠ কোন বন্ধু বেইমানি করল।
২. পরিবারের কেউ, আত্নীয়দের কেউ, বা বন্ধুদের কেউ অকালে মারা গেলো। এরকম তো মাঝে মধ্যেই ঘটে।
৩. পথে বা কোথাও খুব বীভৎস কিছু কেউ দেখলো। যেমন, কাউকে খুন করা, এসিড মারা, গাড়ী চাপা পড়া ইত্যাদি।
৪. নিজের পরিবারে বা ঘনিষ্টদের মধ্যে কোন দুর্ঘটনা ঘটল। যেমন ডাকাতি, খুন, খুব খারাপ হলে আত্নহত্যা বা রেপ ইত্যাদি।
৫. বাবা মা চাচ্ছে প্রথম শ্রেনী পাই, পরীক্ষায় করলাম ফেল। প্রতিবছর এসএসসি, এইচএসসির পর বেশ কিছু ছেলে মেয়ে আত্নহত্যা করে।
৬. প্রেমিকের দ্বারা প্রত্যাখ্যান, প্রিয় কোন কিছুর বিয়োগ ইত্যাদি।
৭. স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি (যে কোন কারনেই হোক)।

এসব ঘটনার কোনটাতেই ভুক্তভোগীর প্রতিকার হিসাবে করনীয় কিছু নেই। থানা পুলিশ, রাজনীতিবিদও কিচ্ছু করতে পারবে না।

কাউন্সেলিংএ কাউন্সেলর ভুক্তভোগীর সব বৃন্তান্ত শোনেন এবং সে অনুসারে তাকে বোঝান বা স্বান্ত্বনা দেন। আমাদের দেশে বন্ধু বান্ধবরাও অনেক সময় স্বান্ত্বনা দেয়, কিন্তু প্রফেশনাল লেভেলে আরো অনেক কিছু করনীয় থাকে। একজন প্রফেশনাল কাউন্সেলর রোগীর মানষিক অবস্থা অনেক ভালো মূল্যায়ন করতে পারেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন।

যখন মানুষের নিজের উপর আস্থা ও নিয়ন্ত্রণ থাকে, যখন নিজের ভালোটা বুঝে তখন মেডিটেশন, প্রার্থনা ইত্যাদি ঠিক আছে। যার বেঁচে থাকার ইচ্ছে নাই, নিজের উপর আস্থা নাই, সে তো আর ভালো মন্দ বুঝে না যে মেডিটেশন করবে।

কতটা বোঝাতে পারলাম কে জানে!
আলমগীর

২৯

Re: বিষন্নতা

হুম... ইউএসএ ইউকেতে শুনেছি অনেকেই কাউন্সেলিং করায় smile

অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ক্ষ ড় ঢ় য়
ৎ ং ঃ ঁ

আলোকিত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৩০

Re: বিষন্নতা

@ zahidprimex,

ভাই আপনি শুরু করেন। আমি আছি আপনার ব্যাকআপ। smile

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৩১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন উন্মাতাল_তারুণ্য (০৯-০৩-২০০৮ ১৯:২১)

Re: বিষন্নতা

আলমগীর লিখেছেন:

মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী আমাদের দেশে তা হলো কাউন্সেলিং।

আলমগীর ভাই, দ্বিমত করছি না। অবশ্যই সহমত। কিন্তু ভাই  মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী এই লাইনটা পড়ে মনে হচ্ছে মেডিটেশনের সাথে কাউন্সেলিং-এর দ্বন্দ্ব আছে। যা আদপেই সত্য নয়। মেডিটেশন কিন্তু একটা বিরাট সেলফ কাউন্সেলিং টুল।এমন কি ইদানিং কাউন্সিলররা পর্যন্ত মেডিটেশন করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

আমরা বেশিরভাগ শিক্ষিত মানুষই জানি আমাদের কি করা প্রয়োজন। কিন্তু বাদ আমাদের সাধের মন। "সবই তো বুঝলাম কিন্তু ইচ্ছে করে না" বা "মন চায় না" -এই জাতীয় সমস্যা আজকাল খুবই কমন। সাধারণত কাউন্সিলররা যা করেন আপনার মনকে নাড়া দেন। আপনাকে বলেন "তুমি যা করছ ঠিক করছ" বা "তোমার চিন্তা ধারাটা আসলে এভাবে না হয়ে এই ভাবে হওয়া উচিৎ"। এতে যে জিনিসটা ঘটল সেটা কি? আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ল। এই বাড়তি আত্মবিশ্বাস আপনাকে যোগাবে প্রেরণা। আর এই প্রেরণার অভাবে আমরা বিষণ্ণতায় ভুগি।

এখন ঘটনা হচ্ছে, এই প্রেরণা বা আশা জিইয়ে রাখতে প্রয়োজন বার বার একই কথার পুনরাবৃত্তি। এতে  দেখা যায় আপনাকে দুইদিন পর পরই কাউন্সেলরের কাছে দৌড়ুতে হবে। আর কাউন্সেলরের কাছে দৌড়ানোর মানে অবশ্যই পকেটের ওজন কিছুটা কমা। আর পকেটে পয়সা না থাকলে নতুন আরেক হতাশা শুরু, "আমার পকেট খালি। প্রভু বোধহয় চান না আমি ভাল থাকি..."

সক্রিয় অবস্থায় (অর্থাৎ যতক্ষণ বেঁচে আছি) আমাদের ব্রেন থেকে প্রতিনিয়ত খুব মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ বিকিরিত হয়। এই তরঙ্গ বা ওয়েভ মাপা হয় সাইকেল দিয়ে। এইভাবে কিছু কিছু তরঙ্গ সীমা নিয়ে কতগুলো শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে; গামা, বিটা, আলফা, থিটা, ডেল্টা ইত্যাদি। গবেষনায় দেখা গেছে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে ভাল ভাবে কাজ করেআলফা লেভেলে। এই লেভেলে মন থাকে প্রশান্ত। এই লেভেলে মনকে কিছু বোঝানোও সহজ। মেডিটেশনে আপনার মনকে এই প্রশান্তময় লেভেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আপনি মনকে যা বোঝাবেন বা আপনি নিজেকে যেমনটা দেখতে চান সেভাবে কল্পনা করবেন। আপনার মন ঠিক সেইভাবে উদ্বেলিত হবে। প্রেরণা যোগাবে। আপনি কাজ করার আনন্দ খুঁজে পাবেন। এখানে সুবিধা হল আপনাকে দুইদিন পর পর আর কারো কাছে দৌড়ুতে হবে না। আপনি এখানে আত্মনির্ভরশীল।

ইদানিংকালে কাউন্সেলরদের মাঝে একটা জিনিস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর নাম হিপনোসিস । বাংলা করলে দাঁড়ায় "সম্মোহন"। এই সম্মোহনেরও মূল কথা হচ্ছে ব্রেন ওয়েভকে কমিয়ে দিয়ে অবচেতন মনকে নির্দেশ গ্রহণের উপযোগী করে তোলা।


(@ zahidprimex, ভাইজান, আপনেরে রাইখা আমিই শুরু করে দিলাম... )

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৩২

Re: বিষন্নতা

ভাই অধিকাংশ সময়ই বিষন্ন থাকি... তাই আলাদা কিছু করা হয়না...
তবে মন খুবই খারাপ হলে আগে ঘুরতে বের হতাম,
এখন ঘর অন্ধকার করে চুপ করে শুয়ে থাকি...
আর নাহয় আমার এক খুবই ভালো বন্ধুকে ফোন করি বা মেসেজ পাঠাই...

আমি বাঙালী, আমি বাংলাদেশী, আমি দক্ষিণ এশীয়.... কিন্তু সবার উপরে আমি একজন মানুষ... এটিই আমার পরিচয়।

আমি মুক্ত জীবনে বিশ্বাসী তাই আমি লিনাক্স ব্যবহার করি।

৩৩

Re: বিষন্নতা

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:

কিন্তু ভাই  মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী এই লাইনটা পড়ে মনে হচ্ছে মেডিটেশনের সাথে কাউন্সেলিং-এর দ্বন্দ্ব আছে। এমন কি ইদানিং কাউন্সিলররা পর্যন্ত মেডিটেশন করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

বাংলাদেশে কে কাউন্সেলিং করে আমাকে একটু বলেন দেখি। আমার জানা নেই।

আমরা বেশিরভাগ শিক্ষিত মানুষই জানি আমাদের কি করা প্রয়োজন।

না জানি না। যে লোকটা ট্রমায় আছে, সে জানেই না কি করতে হবে, বড় হোক আর বুড়ো হোক।

ইদানিংকালে কাউন্সেলরদের মাঝে একটা জিনিস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর নাম হিপনোসিস । বাংলা করলে দাঁড়ায় "সম্মোহন"।

এটা হাতুড়ি বিদ্যা।

আলমগীর

৩৪

Re: বিষন্নতা

বাংলাদেশে কে কাউন্সেলিং করে আমাকে একটু বলেন দেখি। আমার জানা নেই।

আমার জানা মতে ২ জন আছেন।একজনের নাম ভুলে গেছি।আর একজন হচ্ছেন মেহেতাব খানম।আশা করি সবাই তাঁকে চিনেন!আমার পরিচিত এক ভাই এর ছোট ভাইকে তাঁর কাছে নেয়া হয়!

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে, শেষ কথা যাও ব'লে!
সময় পাবে না আর, নামিছে অন্ধকার!
গোধূলিতে আলো-আঁধারে-পথিক যে পথ ভোলে!!

৩৫

Re: বিষন্নতা

আলমগীর লিখেছেন:

বাংলাদেশে কে কাউন্সেলিং করে আমাকে একটু বলেন দেখি। আমার জানা নেই।

প্রায় সব মেডিকেলগুলোতেই এখন সাইকোথেরাপি সেন্টার থাকে। সাইকোথেরাপিস্টরাই কাউন্সেলিং করেন।

না জানি না। যে লোকটা ট্রমায় আছে, সে জানেই না কি করতে হবে, বড় হোক আর বুড়ো হোক।

ট্রমা বলতে শ্যামলীর হাসপাতালের কথা বুঝিয়েছেন যেখানে সাধারনত হাড়ের চিকিৎসা দেওয়া হয় ? confused

এটা হাতুড়ি বিদ্যা।

হিপনোসিস কোনো বিদ্যা না।:) এটি মানুষের স্বাভাবিক একটি ক্ষমতা। আপনি বনের মধ্য দিয়ে হাটছেন। হঠাৎ দেখলেন একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আপনার দিকে জ্বল-জ্বলে চোখে তাকিয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে। আপনি  ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যেই সম্মোহিত হয়ে পড়বেন।;D

রংধনু দেখতে হলে বৃষ্টিকেও হাসিমুখে বরণ করতে হয়। বৃষ্টি নিজেই তখন রূপান্তরিত হয় আনন্দের উৎসে।

রুমন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

৩৬

Re: বিষন্নতা

রূপসী-রাক্ষসী লিখেছেন:

বাংলাদেশে কে কাউন্সেলিং করে আমাকে একটু বলেন দেখি। আমার জানা নেই।

আমার জানা মতে ২ জন আছেন।একজনের নাম ভুলে গেছি।আর একজন হচ্ছেন মেহেতাব খানম।আশা করি সবাই তাঁকে চিনেন!আমার পরিচিত এক ভাই এর ছোট ভাইকে তাঁর কাছে নেয়া হয়!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক/শিক্ষিকা?

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

৩৭

Re: বিষন্নতা

মেডিটেশন নিয়ে কিছু বই পড়েছি। নিজে নিজে করেছিও একসময় (স্কুল থেকে কলেজ)। ভাবছি, কোর্স করব।
কেমন হবে?
কেউ বলতে পারেন??

Feed থেকে ফোরাম সিগনেচার, imgsign.com
ব্লগ: shiplu.mokadd.im
মুখে তুলে কেউ খাইয়ে দেবে না। নিজের হাতেই সেটা করতে হবে।

শিপলু'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

৩৮

Re: বিষন্নতা

উন্মাতাল_তারুণ্য লিখেছেন:
আলমগীর লিখেছেন:

মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী আমাদের দেশে তা হলো কাউন্সেলিং।

আলমগীর ভাই, দ্বিমত করছি না। অবশ্যই সহমত। কিন্তু ভাই  মেডিটেশনের চেয়ে যা জরুরী এই লাইনটা পড়ে মনে হচ্ছে মেডিটেশনের সাথে কাউন্সেলিং-এর দ্বন্দ্ব আছে। যা আদপেই সত্য নয়। মেডিটেশন কিন্তু একটা বিরাট সেলফ কাউন্সেলিং টুল।এমন কি ইদানিং কাউন্সিলররা পর্যন্ত মেডিটেশন করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

আমরা বেশিরভাগ শিক্ষিত মানুষই জানি আমাদের কি করা প্রয়োজন। কিন্তু বাদ আমাদের সাধের মন। "সবই তো বুঝলাম কিন্তু ইচ্ছে করে না" বা "মন চায় না" -এই জাতীয় সমস্যা আজকাল খুবই কমন। সাধারণত কাউন্সিলররা যা করেন আপনার মনকে নাড়া দেন। আপনাকে বলেন "তুমি যা করছ ঠিক করছ" বা "তোমার চিন্তা ধারাটা আসলে এভাবে না হয়ে এই ভাবে হওয়া উচিৎ"। এতে যে জিনিসটা ঘটল সেটা কি? আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ল। এই বাড়তি আত্মবিশ্বাস আপনাকে যোগাবে প্রেরণা। আর এই প্রেরণার অভাবে আমরা বিষণ্ণতায় ভুগি।

এখন ঘটনা হচ্ছে, এই প্রেরণা বা আশা জিইয়ে রাখতে প্রয়োজন বার বার একই কথার পুনরাবৃত্তি। এতে  দেখা যায় আপনাকে দুইদিন পর পরই কাউন্সেলরের কাছে দৌড়ুতে হবে। আর কাউন্সেলরের কাছে দৌড়ানোর মানে অবশ্যই পকেটের ওজন কিছুটা কমা। আর পকেটে পয়সা না থাকলে নতুন আরেক হতাশা শুরু, "আমার পকেট খালি। প্রভু বোধহয় চান না আমি ভাল থাকি..."

সক্রিয় অবস্থায় (অর্থাৎ যতক্ষণ বেঁচে আছি) আমাদের ব্রেন থেকে প্রতিনিয়ত খুব মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ বিকিরিত হয়। এই তরঙ্গ বা ওয়েভ মাপা হয় সাইকেল দিয়ে। এইভাবে কিছু কিছু তরঙ্গ সীমা নিয়ে কতগুলো শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে; গামা, বিটা, আলফা, থিটা, ডেল্টা ইত্যাদি। গবেষনায় দেখা গেছে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে ভাল ভাবে কাজ করেআলফা লেভেলে। এই লেভেলে মন থাকে প্রশান্ত। এই লেভেলে মনকে কিছু বোঝানোও সহজ। মেডিটেশনে আপনার মনকে এই প্রশান্তময় লেভেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আপনি মনকে যা বোঝাবেন বা আপনি নিজেকে যেমনটা দেখতে চান সেভাবে কল্পনা করবেন। আপনার মন ঠিক সেইভাবে উদ্বেলিত হবে। প্রেরণা যোগাবে। আপনি কাজ করার আনন্দ খুঁজে পাবেন। এখানে সুবিধা হল আপনাকে দুইদিন পর পর আর কারো কাছে দৌড়ুতে হবে না। আপনি এখানে আত্মনির্ভরশীল।

ইদানিংকালে কাউন্সেলরদের মাঝে একটা জিনিস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর নাম হিপনোসিস । বাংলা করলে দাঁড়ায় "সম্মোহন"। এই সম্মোহনেরও মূল কথা হচ্ছে ব্রেন ওয়েভকে কমিয়ে দিয়ে অবচেতন মনকে নির্দেশ গ্রহণের উপযোগী করে তোলা।


(@ zahidprimex, ভাইজান, আপনেরে রাইখা আমিই শুরু করে দিলাম... )

ধন্যবাদ ভাই। অামি পরীক্ষার কারনে খুব ব্যাস্ত অাছি। অাপনি চালিয়ে যান।অার অামার পরীক্ষার জন্য দোয়া করার অনুরোধ থাকল।

৩৯

Re: বিষন্নতা

আলমগীর লিখেছেন:

বাংলাদেশে কে কাউন্সেলিং করে আমাকে একটু বলেন দেখি। আমার জানা নেই।

একজনের কথা তো চলেই এল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মেহতাব খানম। এছাড়া আর জনপরিচিতদের মধ্যে আছে ডা. মোহিত কামাল, ডা. এ. এইচ. এম. ফিরোজ, ডা. হেদায়েতুল ইসলাম প্রমুখ।

আলমগীর লিখেছেন:

এটা হাতুড়ি বিদ্যা।

ভাই আপনি ২০০ বছর আগের ধারণার কথা বলছেন। আগে ধারণা করা হত এটা বুজরুকি ছাড়া কিছুই না। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অনেক স্বনামধন্য গবেষক প্রমাণ করেছেন এর বৈজ্ঞানিক সত্যতা। চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য হিপনোসিস আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের অনুমোদন পায় ১৯৫৮ সালে। এর আগে ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সার্জারি এবং প্রসব বেদনা কমাতে হিপনোসিস অনুমোদন করে ১৯৫৫ সালে। তারও আগে ১৯৫২ সালে ব্রিটেনে পাস হয় British Hypnotism Act. ২০০২ সালে ব্রিটেনের Skills for Health প্রকাশ করে "UK National Occupational Standards (NOS) for Hypnotherapy 2002"। Skills for Health হচ্ছে UK Government's Sector Skills Council for the UK health industry.

এর পরে একে আর নিশ্চয়ই "হাতুড়ে বিদ্যা" বলা চলে না...

সূত্রঃ HypnosisHistory of hypnosis, History of Hypnosis in Medicine and Psychiatry, http://www.hypnosis-research.org


রুমন লিখেছেন:

হিপনোসিস কোনো বিদ্যা না।এটি মানুষের স্বাভাবিক একটি ক্ষমতা। আপনি বনের মধ্য দিয়ে হাটছেন। হঠাৎ দেখলেন একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আপনার দিকে জ্বল-জ্বলে চোখে তাকিয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে আসছে। আপনি  ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যেই সম্মোহিত হয়ে পড়বেন।

আপনার ধারণাও পুরোপুরি ঠিক নয়। ১৭৭০ সালে ডা. ফ্যাঞ্জ মেসমার এই রকম কিছু ধারণা দিয়েছিলেন যা "animal magnetism" বা "mesmerism" নামে পরিচিত। পরবর্তীতে গবেষকগণ এই ধারণা বাতিল করে দিয়েছেন।   এই ব্যাপারে আরো বলতে গেলে বড় বেশি অফটপিক হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে।  পরবর্তীতে কখনো সুযোগ পেলে আরো বলব।




আলমগীর লিখেছেন:

না জানি না। যে লোকটা ট্রমায় আছে, সে জানেই না কি করতে হবে, বড় হোক আর বুড়ো হোক।

ভাই আসুন আমরা কিছু সাধারণ ঘটনা কল্পনা করিঃ

ঘটনা ১

আমার বন্ধুর বাবা মারা গেছেন। আমি বন্ধুকে সান্ত্বনা দিচ্ছি।
"মানুষ কি চিরকাল বাঁচে বল? তুই পরিবারের বড় ছেলে। তুই ভেঙ্গে পড়লে চলবে কি করে। তোর পুরো পরিবার তোর দিকে তাকিয়ে আছে। তোর এখন অনেক দায়িত্ব। তুই যদি ভেঙ্গে পড়িস তাহলে তোর পরিবারের যে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াবে সে কথা ভাবিস? "

ঘটনা ২

আমার নিজের বাবা মারা গেছেন। আমি আমি হাউ মাউ করে কাঁদছি আর ভাবছি "আমি বরবাদ হয়ে গেছি।"

ঘটনা ৩

ছোট ভাই পরীক্ষায় ফেল করল। তার ধারণা সে একটা মস্ত গবেট। তার দ্বারা আর কিছু হবে না। আমি তাকে বোঝাচ্ছিঃ
"দেখ, মানুষ পরীক্ষায় খারাপ করতেই পারে। পরীক্ষায় খারাপ করা মানেই কিন্তু সব শেষ হয়ে যাওয়া নয়। ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে দেখ অনেক বড় বড় বিখ্যাত মানুষ কিন্তু লেখাপড়ায় ভালো ছিলেন না। লেখাপড়ায় ভাল না হওয়ায় বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনকে তার শিক্ষক "পচা ডিম" বলে ডাকতেন। অ্যালবার্ট আইস্টাইন, আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল এনারাও ছোট বেলায় লেখাপড়ায় মোটেই ভাল ছিলেন না। রবীন্দ্রনাথ কোনদিন স্কুলেই যাননি... কই এনারা তো হেরে যান নি। এরপরও তো এদের বিশ্ববাসী শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে... "

ঘটনা ৪

আমি নিজে পরীক্ষায় ফেল করার পরঃ
"শালার লোকে যা বলে ঠিকই বলে। আমি আসলেই একটা মস্ত গবেট। আমার দ্বারা ..."

ঘটনা ৫

বন্ধুর প্রেমিকা বন্ধুকে ছেড়ে যাবার পর বন্ধু গাঁজা টানা শুরু করেছে। বন্ধুকে বলছিঃ
"ভালই তো! টানো, আর টানো!! তা বলি যার উপর রাগ করে নিজের জীবন ধ্বংস করছ তাতে কি তার কিছু যাচ্ছে-আসছে? যে তোমাকে ছেড়ে চলে গেলো তার জন্য তুমি নিজের ভবিষ্যৎ কেন নষ্ট করছ? যে তোমাকে ভালবাসল না তার জন্য জীবনপাত, আর যারা এতগুলো বছর লালন-পালন করল, বুকে আগলে রাখলও, ভালবাসা দিল তাদের জন্য কিছুই করলে না? বলিহারি যাই ভাই... "

ঘটনা ৬

নিজের প্রেমিকা চলে যাবার পরঃ
"আচ্ছা, কোনটাতে কষ্ট কম হবে? বিষ খেলে? না দড়িতে লটকে গেলে... ?"


উপরের ঘটনাগুলো খুবই সাধারণ ঘটনা। হর-হামেশাই আমরা এই রকম ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছি। অপরকে তো সঠিক উপদেশ ঠিকই দিচ্ছি, কিন্তু নিজের বেলায় এসে কেমন যেন গুলিয়ে যাচ্ছে। "জানা" জিনিসগুলোকে "পারা"-য় রূপান্তর করতে পারছি না। এর কারণ কি?

কারণ খুব কঠিন কিছু নয়। অপরকে বলার সময় আমাদের মধ্যে আবেগের চেয়ে যুক্তি কাজ করে বেশি। আর নিজের বেলার যুক্তির চেয়ে আবেগ বেশি। নেতিবাচক আবেগ আমাদের যুক্তিবোধকে ঘোলা করে দেয়। সেই কারণেই আমরা আশা থেকে হতাশা বেশি দেখি। আমরা আমাদের সহজাত যুক্তিবোধ হারিয়ে বসি।

এইখানেই মেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মেডিটেশন আমাদের প্রশান্ত করে। এই প্রশান্তি আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের যুক্তিবোধকে জায়গা করে দেয়। আমরা যুক্তি দিয়ে ভাবতে পারি।

[@ আলমগীর ভাই, আপনার উত্তরগুলোতে মনে হয়েছে আপনি একটু আহত হয়েছেন। আপনাকে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য আমার ছিল না। তারপরও যদি নিজের অজান্তে  মনে কোন কষ্ট দিয়ে থাকি তবে ছোটভাই হিসেবে মাফ করে দেবেন প্লিজ। ]

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

৪০

Re: বিষন্নতা

শিপলু লিখেছেন:

মেডিটেশন নিয়ে কিছু বই পড়েছি। নিজে নিজে করেছিও একসময় (স্কুল থেকে কলেজ)। ভাবছি, কোর্স করব।
কেমন হবে?
কেউ বলতে পারেন??

খুবই ভালো হয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন যায়গায় বেশ কয়েকটি মেডিটেশন মেথডের কোর্স হয়। আমার মতে Silva, Zen বা Yoga থেকে Quantum Method-টা বেশি আধুনিক। এতে প্রায় বিশ্বের প্রায় ১৩টি মেথডের মূল বিষয়গুলো সন্নিবেশিত করে খুব সহজ করে ডিজাইন করা হয়েছে। আরও বড় কথা হচ্ছে এই পদ্ধতির আবিষ্কারক একজন বাংলাদেশী এবং এটা বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষ উপযোগী। মেডিটেশন নিয়ে আমার আগ্রহ সেই ২০০০ সাল থেকে। শেষতক আমি নিজেও এখানেই কোর্স করেছি।

Quantum Method -এর কিছু অডিও গাইড্যান্স আপলোড করে রেখেছি। আপনি নিচেরটা ট্রাই করে দেখতে পারেন। এটা একবারেই প্রাথমিক মেডিটেশন। এটাকেশিথিলায়ন বলে। খুবি চমৎকার মেডিটেশন। প্রথমবার মনযোগ না আসলে (যেটা খুবই স্বাভাবিক) থেমে যাবেন না। দ্বিতীয় - তৃতীয়বার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন এটা গান বা ছবি আঁকার মতই একটা কলা। ব্যথার ট্যাবলেট বা কাশির সিরাপ জাতীয় কিছু নয়। hehe

১ক ।  শিথিলায়ন (শিথিল প্রক্রিয়া)

" 'কত বড়ো আমি' কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ " - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উন্মাতাল_তারুণ্য'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত