সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (০২-০৯-২০১০ ০৩:০৫)

টপিকঃ অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে নিজে জানুন ও সতর্ক থাকুন এবং অন্যকে জানান ও সতর্ক করুন।

দেশে দেখা দেওয়া অ্যানথ্র্যাক্স রোগের বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছে না। সংক্রমণের মাত্র ১০ দিনেই সিরাজগঞ্জের চিথুলিয়া গ্রাম থেকে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে দেশের চার জেলার ৯টি উপজেলায়। গরু, ছাগল ও ভেড়ার পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছে মানুষও। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে অন্য জেলার পশু ও মানুষের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার।

চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, 'আক্রান্ত এলাকা থেকে অসুস্থ পশু অন্যত্র আনা-নেওয়া বন্ধ করা না গেলে এবং যথাযথ পরীক্ষা ছাড়াই পশু জবাই করা হলে রোগটির বিস্তার বন্ধ করা যাবে না।' এই অবস্থার মধ্যে সারা দেশে এখন অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক বিরাজ করছে।

http://a.imageshack.us/img836/508/628191.jpg
অ্যানথ্র্যাক্স রোগে আক্রান্ত রোগীর হাত


দেখা দেওয়ার ১০ দিনেও অ্যানথ্রাক্সের বিস্তার থামেনি। সিরাজগন্জ ও পাবনার পর গত ৩১ আগস্ট মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দীঘলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি গ্রামের ১৫ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হন। ১৯ আগস্ট ভুয়াপুর গোবিন্দদাসী হাট থেকে কেনা একটি গরুর মাংস খেয়ে এ আক্রান্তের ঘটনা ঘটে বলে আমাদের সেখানকার প্রতিনিধি জানিয়েছেন। গতকাল বুধবার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তবর্তী ধর্মদহ গ্রামের ১৬ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়া কিছু ছাগলের মাংস খেয়েই এই আক্রান্তের ঘটনা ঘটে। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছে। দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালেহ আহমেদ আমাদের স্থানীয় প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, অসুস্থদের বিনামূল্যে চিকিৎসা চলছে।
এর ফলে এ পর্যন্ত গত ১০ দিনে সারা দেশে সরকারি হিসাবে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫০ জনে ও পশু ২২টি। পশুর মধ্যে সবই মারা গেছে বলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।

অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর মাংস রান্নার পরও তাতে রোগটির জীবাণু থাকে বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা কেন্দ্রের (আইইডিসিআর) পরিচালক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন,'আক্রান্ত পশুর মাংস রান্না করে খেলেও তা থেকে সংক্রমণ হতে পারে। কারণ আগুনেও এই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় না।'
এই চিকিৎসা বিজ্ঞানী বলেন, আক্রান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পশুটি ৪৮ ঘণ্টার বেশি বাঁচে না। তাই উচিত, কোনো পশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা করে ফেলা এবং অসুস্থ পশুর পাশাপাশি সুস্থ পশুরও চিকিৎসা করা।


উপসর্গ ও সতর্কতা
দেশের প্রবীণ চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, 'অ্যানথ্রাক্স রোধ করতে হলে পরীক্ষা করে পশু জবাই নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক পয়েন্টে পশু পরীক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুবা রোগটি অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।'

অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান ও আইইডিসিআরের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা, মুশতাক হোসেন জানান, অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত প্রাণীর চিকিৎসায় ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে আক্রান্ত হওয়ার আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হলে প্রাণিটি নিরাপদ থাকবে।
তাঁদের মতে,

পশুর আক্রান্ত হওয়ার প্রধান লক্ষ্মণগুলো হচ্ছে_উচ্চমাত্রার জ্বর, পেট ফাঁপা, শরীরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে রক্ত ঝরা। আর মানবদেহে এ রোগের প্রধান লক্ষ্মণ হচ্ছে_চামড়ায় ঘা সৃষ্টি হওয়া ও শরীরে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

তিন চিকিৎসা বিজ্ঞানী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, 'অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত পশু কিছুতেই জবাই করা যাবে না। খালি হাতে অসুস্থ ও মৃত গবাদি পশু ধরা যাবে না, হাতে গ্লাভস বা পলিথিনের আবরণ ব্যবহার করতে হবে। মৃত পশুটি মাটিতে ছয় ফুট গর্ত করে পুঁতে ফেলতে হবে।'

সূত্র : http://www.dailykalerkantho.com/?view=d … mp;index=0

এনথ্রাক্স বা তড়কা রোগে আক্রান্ত জবাই করা গরুর রক্ত, মাংস, হাড়, নাড়িভুঁড়ি ও মুখের লালার সংস্পর্শে আসা মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়াচ্ছে। আইসিডিডিআরবি'র পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান একথা জানান।
তিনি বলেন, এনথ্রাক্স ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এ রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। আক্রান্ত রোগীর ত্বকে ঘা, ক্ষত বা বিষফোঁড়া দেখা দেয়ার সঙ্গে জ্বর হতে পারে। এই রোগের চিকিৎসা সহজ এবং একশত ভাগ সফল। তবে এনথ্রাক্সের সঠিক চিকিৎসা না হলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। তিনি বলেন, এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় গবাদি পশুকে এনথ্রাক্স বা তড়কা রোগের টিকা দেয়া। আক্রান্ত গরু জবাই করা যাবে না। মৃত গরু মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
আইসিডিডিআরবি পরিচালক।

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

শালার এই রোগের জন্য এখন আমাকে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হইছে। কি জে করি  thinking

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

ধন্যবাদ প্রয়োজনীয় একটি টপিক শেয়ার করার জন্য।

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

আশিফ শাহো লিখেছেন:

শালার এই রোগের জন্য এখন আমাকে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হইছে। কি জে করি

সেম টু ইউ।

শান্ত বালককে ধন্যবাদ । গণসচেতনামুলক পোষ্ট করার জন্য।

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

কাজের পোস্ট ভাই,তবে গরুর মাংস খাওয়া ছাড়িনি. sick

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

ঈদে বাবাকে বললাম গরুর মাংস খাব । দিল এক ঝারি neutral neutral এবং এই পোস্ট করলাম ।
মুরগির মাংসতে বার্ড ফ্লু গরুর মাংসতে এন্থ্রাক্স । ঈদে খাবটা কি?
ঈদটা মাটি sad sad sad sad

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাঈদুজ্জামান উপল (০৩-০৯-২০১০ ০১:৪৩)

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

ত্রিনিত্রির রাশিমালা লিখেছেন:

মুরগির মাংসতে বার্ড ফ্লু গরুর মাংসতে এন্থ্রাক্স । ঈদে খাবটা কি?

চড়ুই পাখির মাংস।  wink
অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে কিছু তথ্য:-
অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাক্টেরিয়া জনিত রোগ,ব্যাক্টেরিয়ার নাম Bacillus anthracis।
Bacillus anthracis এর ছবি;-
http://i.imagehost.org/0605/230px-Bacillus_anthracis_Gram.jpg
http://i.imagehost.org/0451/anthrax_2.jpg
ব্যাক্টেরিয়ার স্পোর

Anthrax Cycle:-
http://j.imagehost.org/0335/anthrax1.gif

দুই ভাবে অ্যানথ্রাক্সের ব্যাক্টেরিয়া আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
১। অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত প্রাণী বা মানুষের রক্তের সাথে সাধারণ মানুষের রক্ত মিশলে।
২। অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত প্রাণীর মাংস খেলে।
ক্ষতিকারক দিক:-
মানুষের শরীরের তিন জায়গায় অ্যানথ্রাক্সের ব্যকটেরিয়া আক্রমণ করে।
১। ফুসফুস-ঠান্ডা ভাব,কাশি,শ্বাস-প্রশ্বাসের রাস্তায় চাপ ধরা(ঠিকমত শ্বাস নিতে কস্ট হওয়া)
http://i.imagehost.org/0730/2010-09-03_01-11_bacillus-anthracis-picture_jpg.jpg
http://i.imagehost.org/0251/2010-09-03_01-10_anthrax_8_jpg.jpg
http://j.imagehost.org/0237/anthrax_6.jpg

২। পাকস্থলী-অন্ত্রে-বমি,ডায়রিয়া,অরুচি,পেটে জ্বালা ধরা।
৩। ত্ব্ক-গোলকৃতির গর্ত বা চাকতির মত হওয়া(রক্ত বের হবে কিন্তু কোন ব্যথা অনুভব হবে না),ব্যকটেরিয়া স্পোর ভেঙ্গে বের হওয়ার ২-৫ দিনের মধ্যেই ত্ব্কে এই সমস্ত উপসর্গ দেখা দিবে।
http://j.imagehost.org/0200/anthrax_4.jpg
http://j.imagehost.org/0850/anthrax_5.jpg
http://i.imagehost.org/0669/anthrax_3.jpg
http://i.imagehost.org/0576/anthrax_7.jpg

চিকিৎসা:-
১। ভ্যাক্সিন
২। অ্যান্টিবয়োটিক ওষুধ যেমন-Quinolones,Ciprofloxacin (cipro), Doxycycline,Erythromycin,Vancomycin,  Penicillin ইত্যাদি।

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

ভাই খালি মাংস খেলে নাকি দুধও খাওয়া যাবে না আমি তো মাংসের সব আইটেম(এমনকি হালিম) খাওয়া বন্ধ করছি সেই সাথে দুধও।তবে টিভিতে দেখলাম বেঙ্গল মিটের জবাইখানা আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত কতটা ঠিক কে জানে।দেশে এমনিতেই খাবারে ভেজাল এর উপড় আবার রোগ-বালাই।এবার ঈদের দিনেও না খেয়ে থাকতে হবে। sick hairpull angry  crying

seeming is being

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (০৩-০৯-২০১০ ২৩:৩৪)

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

উপল বাংলাদেশ লিখেছেন:

অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে কিছু তথ্য:-

ভাই, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে  clap

রণ_এথিক্যাল হ্যাকার লিখেছেন:

ভাই খালি মাংস খেলে নাকি দুধও খাওয়া যাবে না আমি তো মাংসের সব আইটেম(এমনকি হালিম) খাওয়া বন্ধ করছি সেই সাথে দুধও।তবে টিভিতে দেখলাম বেঙ্গল মিটের জবাইখানা আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত কতটা ঠিক কে জানে।দেশে এমনিতেই খাবারে ভেজাল এর উপড় আবার রোগ-বালাই।এবার ঈদের দিনেও না খেয়ে থাকতে হবে। sick hairpull angry  crying

অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণের ঘটনায় গরুর দুধ ও মাংস নিয়ে বিপাকে পড়েছে দেশের মানুষ। দুধ পান ও মাংস খাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। দুধ পান নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও মাংস খেতেই চাইছে না সাধারণ মানুষ। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা বিভ্রান্তি। দুধ ও মাংসের বাজারে দেখা দিয়েছে নেতিবাচক প্রভাব। বিক্রি কমে গেছে। দাম বেড়েছে অন্য দুধ ও মাংসের।
গরু, ভেড়া, ছাগল এবং মহিষের মাংস ও দুধ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাঁরা বলেছেন, দুধে কিছুতেই অ্যানথ্রাক্স জীবাণু থাকে না। তবে জবাই করা প্রাণী অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হলে সেই প্রাণীর মাংস যিনি বা যাঁরা নাড়াচড়া করবেন, তাঁদের মধ্যেই রোগটির জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সবাইকে এই মুহূর্তে যেকোনো ধরনের অসুস্থ প্রাণী জবাই না করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, অসুস্থ প্রাণীকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আর মারা গেলে পুঁতে ফেলতে হবে ছয় ফুট মাটির নিচে। অসুস্থ প্রাণী নাড়াচড়া করার সময় হাতে গ্লাভস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দুধে জীবাণু নেই : আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) জ্যেষ্ঠ চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. শাহাদাত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'অ্যানথ্রাক্স গবাদি পশুর রোগ হলেও তা গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ এই চার ধরনের প্রাণীর মধ্যে সাধারণত গরুতেই সংক্রমিত হয়। অন্য তিনটি প্রাণী এ রোগে খুব কমই আক্রান্ত হয়। সুতরাং গরু ছাড়া অন্য তিনটির মাংস বা দুধে অ্যানথ্রাক্স জীবাণু থাকে না বললেই চলে। তবে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরু বা অন্য যেকোনো প্রাণীর মাংস ও রক্তে রোগটির জীবাণু থাকলেও তা কিছুতেই ওই প্রাণীর দুধে যেতে পারে না। তাই বর্তমানে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরু বা অন্য যেকোনো প্রাণীর দুধ সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত।'

দুধ প্রসঙ্গে এই বিজ্ঞানী বলেন, 'অ্যানথ্রাক্স এক ধরনের জিনেটিক ডিজিজ (জীবজন্তুর রোগ)। এই রোগ দুধে সংক্রমিত হতে পারে না। কারণ পেটের ভেতর দুধ এমনভাবে পাস্তুরিত হয় যে জীবাণুটির বাসা বাঁধার কোনো সুযোগই থাকে না। এ পর্যন্ত পরীক্ষাগারে কোনো প্রাণীর দুধেই অ্যানথ্রাক্স জীবাণু পাওয়া যায়নি।' তবে তিনি আরো বেশি সতর্ক হতে দুধ ভালোভাবে ফুটিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, চুলার ওপর দুধ সম্পূর্ণ ফোটার পরও একই তাপমাত্রায় আরো অন্তত ১০-১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। এতে যেকোনো জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়।

দুধ প্রসঙ্গে একই অভিমত দিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত প্রাণীর দুধের মধ্যে এ জীবাণুর সংক্রমণ না থাকায় আক্রান্ত প্রাণীর দুধ পানকারী ব্যক্তির রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার কোনোই আশঙ্কা নেই।
http://www.dailykalerkantho.com/?view=d … mp;index=2

১০

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

আজব রোগ! গরু থেকে ছড়াবে কিন্তু মানুষ থেকে মানুষে ছড়াবে না!

১১

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

চরুই পাখির মাংস খাওয়া ধরলে দেখা যাইব donttell donttell donttell চুরফ্লুথ্রাক্স রোগের উদ্ভব হইছে  tongue tongue tongue donttell donttell donttell
বিঃদ্রঃরোগের নামটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক dancing dancing

১২

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

এহহে কি যে করি ? তবে সমস্যা নাই আমার আবার খাসীর গোস্ত পছন্দ ।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

১৩

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

বোরহান লিখেছেন:

এহহে কি যে করি ? তবে সমস্যা নাই আমার আবার খাসীর গোস্ত পছন্দ ।

গরু, ছাগল, ভেড়া সবই এরোগ ছড়ানোর জন্য দায়ী।

আরাফাত রহমান
Web Application Developer
চি‌ৎকার করতে করতে গলাটা ফাইট্টা গেছে (প্রজন্ম ফোরামে)

আরাফাত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

babuks লিখেছেন:

আজব রোগ! গরু থেকে ছড়াবে কিন্তু মানুষ থেকে মানুষে ছড়াবে না!

ভাই,এই তথ্যটা ঠিক কোথা থেকে পেলেন?আমি যতটুকু জানি মানুষের রক্তের মধ্যমেও এই রোগ ছড়াতে পারে।

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (০৯-০৯-২০১০ ০০:২৮)

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

আরাফাত লিখেছেন:
বোরহান লিখেছেন:

এহহে কি যে করি ? তবে সমস্যা নাই আমার আবার খাসীর গোস্ত পছন্দ ।

গরু, ছাগল, ভেড়া সবই এরোগ ছড়ানোর জন্য দায়ী।

ভাই, সঠিক বলেছেন। শুধু গরু থেকে না বরং আক্রান্ত ছাগল ও ভেড়া থেকেও এই রোগ (অ্যানথ্রাক্স) মানবদেহে সংক্রমিত হতে পারে।

http://forum.projanmo.com/topic19257.html এই টপিকের লেখাটা এখানে (নিচে) মার্জ করলাম।

বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় আতংক হচ্ছে অ্যানথ্রাক্স। গবাদি পশু থেকে মানবদেহে সংক্রমিত এই রোগ কয়েক জেলার পর বর্তমানে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণে সরকার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে সারা দেশে রেড এলার্ট জারি করেছে। আমাদের সকলের উচিত এই রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে সতর্ক থাকা এবং অন্যকেও সতর্ক করা।

   

উৎসস্থল সিরাজগঞ্জের চিথুলিয়া থেকে আশপাশের জেলাগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অ্যানথ্রাক্স। সন্ধান মিলেছে সুদূর খুলনাতেও। আক্রান্ত গরু জবাই বা বিক্রি বন্ধে সরকারের নির্দেশনাও কেউ মানছেন না। ফলে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় নিয়ে গিয়ে সে সব গবাদিপশু বিক্রির কারণে রোগটি এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তার লাভ করছে।
        এ জন্য  সরকারের কোন উদ্যোগই অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারছে না। প্রতিদিনই এর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। গতকাল পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ৩শ’ রোগীর কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা ৫ শ’ ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
       
        এদিকে অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণে সরকার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে সারা দেশে রেড এলার্ট জারি করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস ০৫/০৯/১০ দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে একথা জানান। এর আওতায় এক জেলার পশু অন্য জেলায় নেয়ার ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ঢাকায় গবাদিপশু আনতে এর চারপাশে পুলিশি তদারক জোরদার করা হচ্ছে। জবাইয়ের আগে গবাদি পশু কোন ধরনের রোগে আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষা করতে বলা হলেও সেটা কোথাও মানা হচ্ছে না। এজন্য আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোন মুহূর্তে রাজধানী ঢাকাতেও এই রোগের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। সর্বশেষ গতকাল পর্যন্ত দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। জেলাগুলো হচ্ছে- উত্তরাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ, পাবনা, এবং দক্ষিণাঞ্চলের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, খুলনা। এছাড়া এর আশপাশ ও অন্যান্য জেলায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রান্ত এলাকায় বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়া হলেও এখনও গবাদি পশু অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আবার এসব পশু জবাই ও বিক্রি বন্ধে জেলা ও উপজেলাগুলোতে মাইকিং, সভা-সেমিনার করলেও কোন লাভ হচ্ছে না।

        এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এর আগে জানিয়েছিলেন, আপাতত রোগটির মহামারী আকার ধারণের কোন সুযোগ নেই। তবে যদি সচেতনভাবে এটাকে প্রতিরোধ এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মানা না হয় তাহলে আশপাশের এলাকা ছাড়িয়ে বিভিন্ন জেলায় এ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রায় এক মাসের মাথায় এসে তাদের ধারণা সত্য হতে চলেছে। দেশে প্রথম অ্যানথ্রাক্স জানাজানি হয় গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝির দিকে। সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামে ৩৩ জন রোগী ধরা পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পবিত্র শবেবরাতের আগের দিন গ্রামের আবদুস সালাম অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত একটি ষাঁড় এবং শাহ আলম মোল্লা একটি গাভী জবাই করে তার মাংস গ্রামবাসীর কাছে বিক্রি করেন। যারা জবাই ও এরপর মাংস কাটাকাটি ও রান্নার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে গুটি দেখা দেয়। পরে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয় এবং রস বের হতে থাকে। এক পর্যায়ে সেখানে পচন ধরে। এদিকে অ্যানথ্রাক্স ধরা পড়ার পর সরকার নড়েচড়ে বসে। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। ঢাকা থেকে উচ্চ পর্যায়ের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সরকারের তরফ থেকে গতকাল পর্যন্ত আক্রান্ত এলাকায় গবাদিপশুর জন্য ৫ লাখ ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রেড এলার্ট জারির পর রোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন জেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে সমন্বয় কমিটিও গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোন স্থানে সংক্রমণের নমুনা পেলে দ্রুত তা সংগ্রহ করে পরীক্ষা এবং ভ্যাকসিন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে তিন স্তরে। এর মধ্যে আক্রান্ত এলাকা, পার্শ্ববর্তী এলাকা ও প্রয়োজনে পুরো এলাকায় বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ আলী জানান, এ পর্যন্ত সারাদেশে ৩২টি গরু ও ১৭টি ছাগল  মারা গেছে।

সূত্র : http://202.79.16.19/index.php?option=co … p;Itemid=1

অ্যানথ্রাক্স থেকে রক্ষা পেতে (সকলকে) সরকারের উদ্যোগ/নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং নিজেদের সচেতন হতে/থাকতে হবে।

১৬

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

নো চিন্তা!আগে কেনা কয়েক কেজি মাংশ আছে!
খালি খামু! yahoo

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

খুব দরকারী একটা পোস্ট, অনেক ধন্যবাদ।

ওয়েব হোস্টিং | রিসেলার হোস্টিং | অনলাইন রেডিও হোস্টিং
টেট্রাহোস্ট বাংলাদেশ - www.tetrahostbd.com

১৮

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

আবারও অ্যানথ্রাক্স -পাবনায় ২ জন আক্রান্ত। এখন থেকে সতর্ক হওয়া শুরু করলাম। আগেরবারের মতো এবার সারাদেশে না ছড়িয়ে পড়ে এই কামনা করি।

পাবনার সাঁথিয়ায় দুই ব্যক্তির শরীরে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ ঘটেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

এরা হলেন- চাঁদ উল্লাহ মিয়া (৩৮) ও মিরাজুল ইসলাম (১৩)। তারা চিনামারী গ্রামের অধিবাসী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের পাঁচ দিনের ওষুধ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাকলাইয়েন আহমেদ বলেন, লক্ষণ দেখে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ শনাক্ত করেন।

"১০/১২ দিন আগে গ্রামের হামিদ চুন্নুর স্ত্রী মমতাজ বেগম একটি ছাগল জবাই করেন। চাঁদ উল্লাহ মিয়া ও মিরাজুল ইসলাম ওই ছাগলের মাংস নাড়াচারা করেন।

"এতে তাদের হাতের আঙুলে বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয়। দেখে মনে হয়েছে তাদের শরীরে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ ঘটেছে। তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের ওষুধ দেওয়া হয়।"

সাঁথিয়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ইতোমধ্যে ওই গ্রামে প্রায় ৫'শ ছাগলকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধক টিকা দেওয়া হয়েছে।

"অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত জীবিত থাকে। তাই কোনো এলাকায় একবার দেখা দিলে সহজে নির্মূল করা যায় না।"

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হাই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। ওই এলাকায় শিগগির টিকা দেওয়ার কাজ শুরু করা হবে।

সূত্র : http://www.bdnews24.com/bangla/details. … ;id=158416

১৯

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

ঈদ আইলেই এসব ভেজাল ক্যান  tongue tongue tongue

শান্তি মত হাড্ডি খাইতে পারি না roll roll roll

আল্লাহ আপনি মহান

২০

Re: অ্যানথ্রাক্স সম্পর্কে জানুন ও সতর্ক থাকুন!

শান্ত বালক ভাইকে ধন্যবাদ সতর্ক করে দেওয়ার জন্য । আমি তো আগে জানতাম খাসির মাংস খেলে এই রোগে ধরেনা, এখন দেখি মাংস অনেক চিন্তা ভাবনা করে খেতে হবে ।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit