টপিকঃ ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

চার বছর বয়সে গুটিবসন্ত ও প্রচণ্ড জ্বরে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে মেয়েটি। ডান পা-টাও হয়ে পড়ে অবশ। ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটে মেয়েটি, আলুথালু বেশ। ১৫ বছর ধরে সবাই তাকে মানসিক প্রতিবন্ধী বলেই জানত।
একদিন ম্যাজবানিতে পরিচয় হয় এক রিকশাচালকের সঙ্গে। মেয়েটিকে রিকশায় বাড়ি পৌঁছে দেন তিনি। এরপর থেকে কি জানি কিসের টানে প্রায়ই ওই বাড়িতে চলে যেতেন রিকশাচালক। মেয়েটির সামনে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বকবক করতেন। কয়েক দিনেই মেয়েটির মাঝে পরিবর্তন আসে। সবাইকে চমকে দিয়ে একদিন কথা বলে ওঠে সে।.............................

মুল লিংক

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

এই মেয়েটিকে যদি ভালো চিকিৎসা করা হত, তাহলে মনেহয় আরো আগেই ভালো হয়ে যেতো।

Re: ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

বেঙ্গল বয় লিখেছেন:

এই মেয়েটিকে যদি ভালো চিকিৎসা করা হত, তাহলে মনেহয় আরো আগেই ভালো হয়ে যেতো।

সহমত

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শান্ত বালক (২৩-০৪-২০১০ ১৮:০৫)

Re: ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

এই জন্যই চিকিৎসকরা প্রতিবন্ধীদের সাথে ভাল এবং স্বাভাবিক আচরন করতে বলেন। এই ঘটনা শুনে আমার মনে হচ্ছে, আগে মেয়েটি কারও কাছে হয়তোবা তেমন সাপোর্ট পাননি। এই রিক্সাচালক যখন আগ্রহ সহকারে তাঁর সাথে গল্প করতে থাকেন এবং উনাকে সময় দিয়ে মর্যাদা দিতে থাকেন তখন মেয়েটির ব্রেইনের পজিটিভ ইফেক্টে তিনি কথা বলতে সক্ষম হন। আসলে প্রকৃত ভালবাসার চিকিৎসা হচ্ছে মহৌষধ। আশাকরি তিনি অচিরেই পুরোপুরি সুস্হ হয়ে উঠবেন।

Re: ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

মানুষ মানুষের জন্য.........................ছারপোকা বালিশের জন্য।

লেখাটি by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ভালোবাসার পরশে মুখে ফুটল বোল

কিংকর্তব্যবিমূঢ় লিখেছেন:

মানুষ মানুষের জন্য.........................ছারপোকা বালিশের জন্য।

তা যা বলেছেন!!!

স্বাক্ষর নেই